বিরোধী দলীয় নেতা করে প্রজ্ঞাপন

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে বিরোধী দলীয় নেতা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়। এ ছাড়া বিরোধী দলীয় উপনেতা হিসেবে জি এম কাদেরের নাম উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বুধবার (৯ জানুয়ারি) জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে জিএম কাদেরকে সংসদীয় বিরোধী দলের উপনেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বুধবার এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান এরশাদের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী।

এর আগে সংসদীয় বিরোধী দলের নেতা প্রশ্নে কিছুটা ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছিল। অনেকে ভেবেছিলেন দশম সংসদের বিরোধীদল নেতা রওশন এরশাদ এবারো বিরোধীদল নেতা হতে পারেন। শপথ নেওয়ার পর পার্লামেন্টারি পার্টির অনির্ধারিত বৈঠকে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ নিজেকে বিরোধীদল নেতা ও ছোটভাই জি এম কাদেরকে বিরোধীদলের উপনেতা ঘোষণা দেন।

এরপর ৫ জানুয়ারি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ নিজেকে বিরোধী দলনেতা ও ছোটভাই জিএম কাদেরকে বিরোধী দলের উপনেতা ঘোষণা করে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে চিঠি দেন। ওই চিঠিতে এরশাদ বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদে আপনি স্পিকারের দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রথমেই আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনি অবগত আছেন যে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমার জাতীয় পার্টি ২২টি আসনে বিজয় লাভ করে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল তথা প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা লাভ করেছে।

নির্বাচনের এই ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতে পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে দলের গঠনতান্ত্রিকভাবে পদাধিকার বলে আমি জাতীয় পার্টির পার্লামেন্টারি পার্টিরও সভাপতি। এই প্রেক্ষাপটে আমি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (রংপুর-৩) প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা এবং পার্টির কো-চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (লালমনিহাট-৩) বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। ‘অতএব মহাত্মন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য আপনার প্রতি সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।

এর চারদিন পরই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সংসদ সচিবালয়। ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট। আর মহাজোটের অংশীজন জাতীয় পার্টি পেয়েছে ২২টি আসন। তবে পরবর্তীতে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা রাখার ঘোষণা দেয় এরশাদের নেতৃত্বাধীন দলটি। আর বিএনপিকে নিয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পায় মাত্র ৭টি আসন।

আলমগীর বিয়ে করতে যাচ্ছেন পরীমনিকে

আলমগীর অভিনয়ের সুবাদে সাতবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও দু’বার শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জনের সুযোগ হয়েছে তার। জানা গেছে তিনি দু-দুইবার বিয়ে করেছেন। তার প্রথম স্ত্রী গীতিকার খোশনুর আলমগীর। ১৯৭৩ সালে তার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন এই নায়ক। তাদের ঘরে জন্ম নিয়েছে গায়িকা আঁখি আলমগীর। এরপর প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ১৯৯৯ সালে গায়িকা রুনা লায়লাকে বিয়ে করেন এই গুণী অভিনেতা।

এবার তিনি মেয়ের বয়সী একজনকে বিয়ে করছেন চিত্রনায়ক আলমগীর। কিন্তু কে সেই মেয়ে? শোনা যাচ্ছে, সে আর কেউ নয়, চিত্রনায়িকা পরীমনিকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন তিনি! নিশ্চয় অবাক হচ্ছেন? হওয়ারই কথা! কারণ আখি আলমগীর বড় হয়েছেন। হয়ত পরীমনির চেয়েও বয়সে বড় হবেন তিনি!

কিন্তু পরীকে কেন বিয়ে করছেন আলমগীর? ঘটনা হলো, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর ৬৭ বছর বয়সে বিয়ে করেন। বিয়ের পরপরই ধারা মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আবুল হোসেন মজুমদার ঘোষণা দিয়েছিলেন ‘মন্ত্রীর বিয়ে’ নামে তিনি একটি সিনেমা নির্মাণ করবেন তিনি।

তাই তিনি ঘোষণা দেন ‘মন্ত্রীর বিয়ে’ শিরোনামে চলচ্চিত্রটি প্রযোজনার। এটি পরিচালনা করবেন জি. সরকার। সেই ছবিতে মন্ত্রীর চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রযোজকের প্রথম পছন্দ চিত্রনায়ক আলমগীর ও তার বউয়ের চরিত্রে পরিমনিকে।তাই মেয়ের বয়সী এই নায়িকাকে বিয়ে করতে হচ্ছে নায়ক আলমগীরের। মূলত পর্দায় দেখা যাবে এমন চরিত্র। ডিসেম্বরে মহরতের মাধ্যমে ছবিটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা আর হয়নি। তবে প্রযোজক আবুল হোসেন মজুমদার আগামী বছরের শুরুর দিকে শুটিং শুরু করার ইচ্ছে আছে বলে জানালেন।

৪টি সংরক্ষিত মহিলা আসন চায় জাতীয় পার্টি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকার গঠনে প্রায় সকল কর্মকাণ্ড সম্পন্ন হয়ে গেছে। এবার ভাবনায় একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন। মহাজোটের শরিক ও বিরোধীদল জাতীয় পার্টিও সংরক্ষিত মহিলা আসনে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে চারজনকে মনোনয়ন দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বুধবার তিনি মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করেন।

প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মনোনয়নপত্রটি জাতীয় সংসদের স্পিকার বরাবরে পাঠানো হয়েছে। সংরক্ষিত মহিলা আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীতরা প্রার্থীরা হচ্ছেন- নারায়ণগঞ্জের পারভীন ওসমান, কুঁড়িগ্রামের ডা. শাহীনা আক্তার, ফেনির নাজমা আখতার এবং ঝিনাইদহের মনিকা আলম। এরশাদের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রার্থীদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা :; একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া ধানের শীষের প্রার্থীদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বিএনপির চেয়ারপার্সনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। এতে ঐক্যফ্রন্টের পাশাপাশি ২০ দলীয় জোটের প্রার্থীরাও অংশ নিয়েছেন। বৈঠকের বিষয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘বৈঠকে ভোটের সময় নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাওয়া হচ্ছে।

ধানের শীষের প্রার্থীরা আসন ভিত্তিক বিভিন্ন অনিয়ম ও কারচুপির বিষয়ে লিখিতভাবে জানাচ্ছেন। বৈঠক শেষে বিকাল ৩টায় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে গিয়ে একটি স্মারকলিপি দিবেন বলে জানান তিনি। তবে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচিতরা শপথ গ্রহণ করবেন কিনা, সে ব্যাপারটি স্পষ্ট করেননি। এদিকে বৈঠকে অংশ নেয়ার আগে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ থেকে নির্বাচিত হারুনুর রশীদ বলেছেন, ‘ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিতরা অবশ্যই সংসদে যাবেন এবং তারা সংসদে ভূমিকা রাখবেন।’ তবে কবে নাগাদ ঐক্যফ্রন্টের ৭ জন শপথ নিবেন, সে বিষয়ে আজকের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান তিনি।

সংবিধানের ৬৭(১) ধারার বরাত দিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব জানিয়েছেন, সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে স্পিকারকে অবহিত না করলে অথবা শপথ না নিলে সংসদ সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাবে এবং ওই আসন শূন্য বলে বিবেচিত হবে। ফলে এ সময়ের মধ্যে ঐক্যফ্রন্টের ৭ জন শপথ না নিলে আসন শূন্য ঘোষিত হবে। বিএনপিসহ বিরোধী জোট নির্বাচনে ‘অনিয়ম ও কারচুপির’ অভিযোগ এনে ফলাফল প্রত্যাখ্যান ও পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। তবে এ সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে আওয়ামী লীগ ও ইসি।

বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রবসহ জোটের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। এর আগে বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ঐক্যফ্রন্টের সব প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে একত্রিত হবেন।

সেখান থেকে বিকেল ৩টায় নির্বাচন কমিশনে যাবেন তারা। প্রার্থীদের চিঠি দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্ট মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রসঙ্গত, সব দলের অংশগ্রহণে গত ৩০ ডিসেম্বর ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জিতেছে। অন্যদিকে বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মাত্র ৭টি আসনে জয় পায়।

বিয়ের দেড় মাসেই নিককে নিয়ে মুখ খুললেন প্রিয়াংকা

২৮ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিন্দু ও খ্রিস্টান রীতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া ও মার্কিন গায়ক নিক জোনাসের।

বিয়ের পর অতিক্রান্ত হয়েছে প্রায় দেড় মাস। সম্প্রতি ভোগ ইন্ডিয়ার একটি সাক্ষাৎকারে নিক জোনাসকে নিয়ে প্রশ্ন করা হয় প্রিয়াংকাকে।

প্রিয়াংকা বলেন, স্বামী হিসেবে নিক অত্যন্ত শান্ত একজন মানুষ। তারা দুজনেই কাজপাগল। কাজের বাইরে যেটুকু সময় পান, তারা একে অপরের সঙ্গে কাটাতেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

বিয়ের পর প্রথমে ওমান, পরে সুইজারল্যান্ডে মধুচন্দ্রিমা করতে যান প্রিয়াংকা চোপড়া ও নিক জোনাস।

ঘুম থেকেই উঠেই হাঁচি, কাশি শুরু হয়ে যায়? জেনে নিন কী করবেন

অনেকেরই অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে। অ্যালার্জির সমস্যার কারণে অনেকেরই স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হয়। শরীর আর মন দুটোই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে অ্যালার্জির জ্বালায়। আবার অ্যালার্জির সমস্যা এড়াতে গিয়েই বেশিরভাগ মানুষই মারাত্মক কিছু ভুল করে ফেলেন, যা কোনও কোনও ক্ষেত্রে বিপদ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। চলতি শীতের মরসুমে অনেকেই অ্যালার্জির সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষত, যাদের ঠান্ডায় অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে। শীতের সকালে ঘুম থেকেই উঠতে না উঠতেই অনেকেরই হাঁচি, কাশি শুরু হয়ে যায়। যাদের প্রায় প্রতিদিন এই রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, এই প্রতিবেদনে তাদের জন্য রইল কয়েকটি জরুরি পরামর্শ।

• ঘুম থেকে ওঠার পর বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে আমাদের শরীরের বেশ কিছুটা সময় লাগে। তাই সকালে বিছানা ছেড়ে ওঠার পর গায়ে অবশ্যই গরম জামা-কাপড় জড়িয়ে রাখুন।

• ঘুম থেকে উঠে বিছানা ছেড়ে মাটিতে পা রাখার আগে সাবধান! ঠান্ডা মেঝেতে খালি পায়ে হাঁটলে চট করে ঠান্ডা লেগে হাঁচি, কাশি শুরু হয়ে যেতে পারে। তাই খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস বদলে ফেলুন।

• যারা সকালে জগিং বা শরীরচর্চা করেন, তারা শুরুতে মাথা, নাক-মুখ ঢেকে নিলেই ভাল। এতে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবে মানিয়ে নিতে সুবিধে হবে।

• হাঁচি, কাশি, নাক দিয়ে জল পড়ার মতো সমস্যায় বাজারে একাধিক কার্যকরী ওষুধ-পত্র, নাজাল ড্রপ রয়েছে। তবে এগুলি ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ফিঙ্গার প্রিন্ট বলে দিবে আপনি বিবাহিত না অবিবাহিত

ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দুই শিক্ষার্থী আবিষ্কার করেছেন নামে অভিনব এক ইলেকট্রনিক ডিভাইস। এই ডিভাইসের উপর আঙ্গুলের ছাপ পড়া মাত্র বোঝা যাবে আপনি বিবাহিত নাকি অবিবাহিত। তাছাড়াও এই ডিভাইসের মাধ্যমে বাল্যববিাহ ও বহু ববিাহ প্রতিরোধ সম্ভব। ওই দুই শিক্ষার্থী হলেন- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো: আলমাস হোসাইন শাজা এবং মো: ইউসুফ জামিল রনি।

আলমাস হোসাইন সাজা জানান, প্রজেক্টটির তৈরির কাজ ২০১৮ সালের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু করে ডিসেম্বরের শেষের দিকে শেষ হয়।ডিভাইসটি তৈরি করার জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যান করতে ডিভাইস ব্যবহার করি। ইথারনেট ও ম্যানুয়াল এর মাধ্যমে উপরোক্ত যন্ত্রটি কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও ট্যাব-এর সাথে সংযোগ দিয়ে ব্যবহার করা যাবে।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

আপনি কি বিবাহিত নাকি অবিবাহিত বা আপনার বয়স কত তা যাচাই করতে তিনটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। প্রথমত, নতুন বিয়ের ক্ষেত্রে জেড.কেটি.ইকো যন্ত্রটির উপর আঙ্গুলের ছাপ দেয়ার সাথে সাথে একটি ফর্ম আসবে। তারপর ফর্ম পুরণ করে দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, পুনরায় যাচাই বাচাই প্রক্রিয়া। ।

তৃতীয়ত, আপনি কি বিবাহিত নাকি অবিবাহিত বা বিয়ের বয়স হয়েছে কিনা, তা যাচাই করার জন্য জন্মনিবন্ধন কার্ডের নাম্বারের বিপরীতে বের হয়ে আসবে আপনার বিস্তারিত তথ্য। যেমন, বিয়ে করেছেন কিনা, আপনার বয়স কত, কোন কাজী বিয়ে পড়িয়েছিল, বিয়ের সাক্ষী কে কে, বিয়ের দেনমোহর কত, কবে বিয়ে হয়েছিল তার বিস্তারিত তথ্য বের হয়ে আসবে। যার ফলে তথ্য গোপন করে বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহের বিষয়টি গোপন থাকবে না।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানের জন্য যে ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয়। তার মূল্য ১০ হাজার ২০০ টাকা। এর বাইরে ব্যক্তিগত ল্যাপটপ ব্যবহারের বাইরে তেমন কোন খরচ নেই। এ ছাড়াও বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম রেজিস্ট্রেশনের ন্যায় নির্ধারিত ট্যাবে এই সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে। তিনি আরও বলেন, এই প্রজেক্টটি আপাতত অফলাইনে তৈরি। বলা যেতে পারে ডেমো সিস্টেম। সাংবিধানিক অনুমতি পেলে ASP.net এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল সার্ভারে সংযুক্তি করণের মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে সেবা দেওয়া সম্ভব।

এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কাজীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে সিস্টেমের বিষয়ে অবগত করে নিতে হবে। বিয়ের নিবন্ধন ফি সরাসরি কাজীর হাতে না দিয়ে ভার্সিটি এডমিশন বা চাকরি আবেদনের সিস্টেম অনুযায়ী নির্ধারিত নিবন্ধন ফি রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর/মোবাইল ব্যাংকিং সিস্টেমের মাধ্যমে পরিশোধ করে বিবাহ নিবন্ধনের কাজ সম্পন্ন করা যেতে পারে। রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের পৃষ্টপোষকতা থাকলে বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহের অভিশাপমুক্ত সুশৃঙ্খল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা ও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পাবে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো: মাইন উদ্দিন জানান, এই আবিষ্কারের মাধ্যমে বাল্যববিাহ ও বহুবিবাহ নামক অভিশাপ থেকে আমাদের সমাজ তথা রাষ্ট্র মুক্তি পাবে বলে আমার বিশ্বাস। রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের পৃষ্টপোষকতা থাকলে প্রত্যেকেই এই ডিভাসটির সুফল ভোগ করতে পারবে।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ ও লক্ষণগুলি সম্পর্কে জেনে নিন

আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল বৃক্ক বা কিডনি। শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আর কিডনি ভাল রাখতে আমাদের কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা উচিৎ। আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধনের অঙ্গ কিডনি। শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্যও পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে। কিডনির নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কিডনিতে পাথর হওয়া। আমাদের দেশে কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। সংখ্যাটা দিন দিন বেড়েই চলছে! বিশেষ করে কিডনি স্টোন বা বৃক্কে পাথর জমার সমস্যার কথা এখন প্রায়শই শোনা যায়।

কিডনির সমস্যাগুলির মধ্যে অন্যতম হল স্টোন বা পাথর হওয়ার সমস্যা। কিডনি স্টোনের প্রাথমিক লক্ষণগুলি নির্ভর করে পাথর কিডনির কোথায় এবং কী ভাবে রয়েছে। কিডনিতে পাথরের আকার-আকৃতিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাথর খুব ছোট হলে সেটি কোনও ব্যথা-বেদনা ছাড়াই দীর্ঘদিন পর্যন্ত শরীরে থাকতে পারে! ফলে টেরও পাওয়া যায় না।

কিডনিতে পাথর জমার কারণ:

কিডনিতে পাথর জমার বা তৈরি হওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে কিছু কিছু বিষয় কিডনিতে পাথর তৈরির কারণ বলে বিবেচিত হয়। যেমন,…

• শরীরে জলের স্বল্পতা। কম জল খাওয়া।

• বারবার কিডনিতে ইনফেকশন হওয়া এবং এর জন্য যথাযথ চিকিত্‍সার ব্যবস্থা না করা।

• অত্যাধিক পরিমাণে দুধ, পনির বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাস।

• শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রাতিরিক্ত আধিক্য।

কিডনিতে পাথর হওয়ার উপসর্গ:

• রক্তবর্ণের প্রসাব।

• বমি বমি ভাব। অনেক সময় বমিও হতে পারে।

• কোমরের পিছন দিকে ব্যথা হওয়া। এই ব্যথা তীব্র তবে সাধারণত খুব বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয় না। ব্যথা কিডনির অবস্থান থেকে তলপেটেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

চিকিত্‍সা :

কিডনির অবস্থানে ব্যথা এবং রক্তবর্ণের প্রসাব হলে চিকিত্সকরা সাধারণত দুটো সম্ভাবনার কথা চিন্তা করেন। একটি হল কিডনির ইনফেকশন, অন্যটি কিডনিতে পাথর। তাই কিডনির এক্সরে, আলট্রা সনোগ্রাম এবং প্রসাবের নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কখনও পর্যাপ্ত পরিমাণে জল আর যথাযথ ওষুধ খেলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে অস্ত্রপচারই একমাত্র উপায়।

সতর্কতা :

• কিডনি স্টোন-এর ঝুঁকি এড়াতে হলে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে।

• কখনও প্রসাব আটকে বা চেপে রাখবেন না! প্রসাবের বেগ আসলে চেষ্টা করবেন সঙ্গে সঙ্গে প্রসাব করার।

• প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খান।

• দুধ, পনির বা দুগ্ধজাত খাবার অতিরিক্ত মাত্রায় না খাওয়াই ভাল।

• বারবার ইউরিন ইনফেকশন দেখা দিলে দ্রুত চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

জন্মদিনে সাব্বিরকে চমকে দিলেন তার স্ত্রী

জনপ্রিয় অভিনেতা মীর সাব্বির। ৮ জানুয়ারি, মঙ্গলবার, এ প্রিয় অভিনেতার জন্মদিন ছিল। বিশেষ দিনটিতে অভিনেতা স্বামীকে চমকে দিয়েছেন তার অভিনেত্রী স্ত্রী ফারজানা চুমকি।

জন্মদিনের আগের দিন একটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিং-এ অংশ নিয়েছিলেন সাব্বির। তাই এদিন তার বাসায় ফিরতে রাত হয়। বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন তার স্ত্রী চুমকি। তাই এ সুযোগে স্বামীকে চমকে দেওয়ার জন্য আগে থেকেই বাসায় জন্মদিনের আয়োজন করে রেখেছিলেন। সেই সঙ্গে জন্মদিন উপলক্ষে অন্যান্য অভিনয়শিল্পীদেরও আগে থেকে বাসায় আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছিলেন তিনি।

সোমবার রাতে বাসায় ফিরতে ফিরতে প্রায় রাত ১২ টা বাজে সাব্বিরের। বাসায় ফিরে স্ত্রীর গোপন আয়োজন দেখে চমকে যান তিনি। বাসায় ঢুকতে না ঢুকতেই সবাই মিলে একসঙ্গে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান তাকে। এরপর হৈ-হুল্লোড়, কেক কাটা আর খাওয়া-দাওয়ার মধ্যদিয়ে বিশেষ দিনের শুরুটা হয় তার।

জন্মদিনে প্রিয়.কমের সঙ্গে আলাপ হয় সাব্বিরের। এসময় বিশেষ দিনে স্ত্রীর কাছ থেকে পাওয়া উপহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জন্মদিন উপলক্ষে আমার সহধর্মিনী টি-শার্ট ও ফুল উপহার দিয়েছে। আজকের দিনটি পরিবারের সঙ্গে বাসাতেই কাটাতে চাই। তাই আজ সারা দিন বাসায় ছিলাম বাসাতেই আছি।’

মঙ্গলবার রাতে বাসায় ফিরেই চমকে যান সাব্বির। ছবি: সংগৃহীত
মঙ্গলবার সাব্বিরের জন্মদিন উপলক্ষে চুমকির এ আয়জনে উপস্থিত ছিলেন তানভীন সুইটি, দীপা খোন্দকার, আহসানুল হক মিনু ও ওয়ালিউল হক রুমিসহ আরও।

বিশেষ দিনে সাব্বিরকে সবসময় উপহার দিতে ভালো বাসেন চুমকি। চুমকি-সাব্বিরের বিয়েটা ছিল প্রেমের। এ বিষয়ে সাব্বির বলেন, ‘আমাদের বিয়ের আগে থেকেই জন্মদিনে নানা রকম উপহার দিত ও (চুমকি)। তখন থেকেই আরচি’স গ্যালারির থেকে ও আমার জন্য অনেক ধরনের উপহারসামগ্রী ও কার্ড নিয়ে আসত।’

বর্তমানে সাব্বির- চুমকি দম্পতির দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তাদের বড় ছেলের নাম ফারশাদ। ফারশাদের বয়স ১১ বছর। আর ছোট ছেলের নাম সানদিদ। সানদিদের বয়স ৫ বছর। বিশেষ দিনে বাবাকে চমকে দিতে মায়ের সঙ্গে যোগ দিতে দেখা যায় ফারশাদ ও সানদিদকেও।

বিচারের মুখোমুখি হচ্ছে জামায়াত

এবার যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর বিচারের উদ্যোগ নিচ্ছে নতুন সরকার। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সমকালকে জানিয়েছেন, আর বিলম্ব নয়, জামায়াতকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এ লক্ষ্যে আইন সংশোধন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। একাত্তরে স্বাধীনতা সংগ্রামে যুদ্ধাপরাধ করার দায়ে এরই মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার সাজা কার্যকর হয়েছে। অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলমান। এই বিচারকালেই একাধিক বিচারক জামায়াতে ইসলামীকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেন।

কিন্তু কোনো নির্বাহী আদেশে সরকার এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেনি। আইনের আলোকে বিচারের মাধ্যমে সরকার এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করতে চায় বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। টানা দ্বিতীয়বার আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর গতকাল মঙ্গলবার আনিসুল হক সমকালকে জানিয়েছেন, ‘দল হিসেবে জামায়াতের বিচার করতে দ্রুত আইন সংশোধন করা হবে। বিভিন্ন কারণে আমরা জামায়াতের বিচার এতদিন করতে পারিনি। এবার অবশ্যই করা হবে।

জামায়াতের বিচার করতে যেটুকু আইনি সংশোধনের প্রয়োজন, সেটা নিশ্চয়ই করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, জামায়াতের বিরুদ্ধে শুধু বাংলাদেশের আদালতে নয়, বিদেশি আদালতেও এই সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।’ জামায়াতের বিচারের লক্ষ্যে কবে নাগাদ আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে- জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো সময় বেঁধে দেওয়া যাবে না। তবে যথাসম্ভব তাড়াতাড়িই করা হবে।’

আইনমন্ত্রীর বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশিষ্টজন। তারাও মনে করেন আর বিলম্ব না করে দ্রুত বিচার হওয়া উচিত। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পর দল হিসেবেও জামায়াতের বিচার করা প্রয়োজন। সে জন্য দরকার সরকারের সদিচ্ছা। মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে অধীর অপেক্ষা করছেন। তারা মনে করেন, জামায়াতের বিচার না হলে ত্রিশ লাখ শহীদ পরিবার ন্যায়বিচার পাবে না।

স্বাধীনতার ৪৭ বছরেও বিতর্কিত এ দলটি প্রকাশ্যেই তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বমহল জামায়াতের বিচার নিয়ে সোচ্চার থাকলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। নির্বাচন কমিশনে এ দলটির নিবন্ধন না থাকলেও সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের ২৫ জন প্রার্থী বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। তবে তাদের মধ্যে কেউ জিততে পারেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ সমকালকে বলেন, আইনমন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক। এটা ভালো উদ্যোগ। তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আশা করব, অতি সত্বর আইনটি পাস করে দল হিসেবে জামায়াতকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তবে প্রচলিত আইনে জামায়াতের বিচার করতে কোনো বাধা নেই বলে মনে করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী।

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সমকালকে বলেন, আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে আমিও একমত। অবশ্যই এটা ভালো উদ্যোগ। আইসিটি অ্যাক্ট সংশোধন করে জামায়াতের বিচার করা যেতে পারে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক সমকালকে বলেন, নতুন প্রজন্মের দাবি জামায়াতকে সব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখা। জামায়াতের বিচার করার উদ্যোগ ভালো। আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন বলে মনে করেন তিনি।

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লেখক-সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির সমকালকে বলেন, ২৭ বছর ধরে আমরা জামায়াতের বিচারের দাবি করে আসছি। শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ হয়েছে, এখন সন্ত্রাসী দল জামায়াতের বিচার করতে হবে। দেশ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ র্নির্মূল করতে হলে জামায়াতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। এতকাল ধরে কেন তাদের বিচার হচ্ছে না, তা আমার বোধগম্য নয়। তিনি বলেন, এখনই উপযুক্ত সময়। যত দ্রুত সম্ভব আইন সংশোধন করে জামায়াতের পাশাপাশি আলবদর, আলশামসসহ সংশ্নিষ্টদের বিচারের মুখোমুখি করা।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ড. তুরিন আফরোজ সমকালকে বলেন, আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের জন্য সাধুবাদ। এই সরকারের ওপর জাতির অগাধ আস্থা রয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের যে উদ্যোগ ও সহযোগিতা পেয়েছি, তা নিঃসন্দেহে উল্লেখ করার মতো। সরকার আইনি জটিলতা দূর করে জামায়াতকে বিচারের মুখোমুখি করবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্ট এক রায়ে স্বাধীনতাবিরোধী সংগঠন জামায়াতের নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) অবৈধ ও কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করেন। উচ্চ আদালতের এ রায়ের পর নির্বাচন কমিশন যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দলটির নিবন্ধন বাতিল ও নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করে। হাইকোর্টের দেওয়া ওই রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াত সর্বোচ্চ আদালতে আপিল দাখিল করলেও গত ছয় বছর ধরে সেই আপিলের শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এরপর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিলেও সদ্যসমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ দলটি তাদের প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি।

তবে জামায়াতের ২৫ জন প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হন। রাজাকারের শিরোমণি যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের আমির গোলাম আযমের মামলার রায়ে জামায়াতকে একটি ‘ক্রিমিনাল সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে বলা হয়, জামায়াত একটি অপরাধী সংগঠন। একাত্তরে তাদের ভূমিকা ছিল দেশের স্বার্থের পরিপন্থী। এরপর বিভিন্ন মহল থেকে দল হিসেবে জামায়াতের বিচারের দাবি জোরালো হয়।

এরপর যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে। জামায়াতের বিচার করতে সরকারের পক্ষ থেকে আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হলেও গত ৫ বছরেও তা চূড়ান্ত করা হয়নি। ১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর বিচারের বিষয়টি দ্রুত সুরাহার দাবি জানায়। তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আবদুল হাননান খান বলেন, ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ জামায়াতের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন শাখায় দাখিল করা হয়।

এরপর প্রায় ৫ বছর অতিবাহিত হয়েছে; কিন্তু বিচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যে কোনো উপায়ে জামায়াতের বিচার দ্রুত হওয়া উচিত, যা দীর্ঘদিন ধরে ট্রাইব্যুনালে ঝুলে আছে। বিশ্নেষকরা বলছেন, বিদ্যমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে ব্যক্তির বিচারের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে সংগঠনের নেই। সেখানে অর্গানাইজেশন বা সংগঠন শব্দটি সংযোজন করলে বিদ্যমান আইনের মাধ্যমেই অভিযুক্ত ব্যক্তির পাশাপাশি কোনো সংগঠন বা দলেরও বিচার করা সম্ভব হবে। পাকিস্তানে দু’বার এবং ভারতে চারবার সাময়িক নিষিদ্ধ হয় জামায়াত।

বাংলাদেশে ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত নিষিদ্ধ ছিল জামায়াত। সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর জামায়াত আবার রাজনীতির সুযোগ পায়। ১৯৮৬ সালে প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয় জামায়াত। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ পর্যন্ত ৭৯ জন যুদ্ধাপরাধীর বিচার শেষ হয়েছে। কিন্তু দল হিসেবে জামায়াতের বিচার এখনও হয়নি।

সাইনোসাইটিসে ভুগছেন? রইল কয়েকটি কার্যকরী ঘরোয়া টোটকা

সাইনোসাইটিসের (সাইনাসের সমস্যা) সমস্যায় অনেককেই ভুগতে হয়। সারাক্ষণ নাক-মাথা ভার লাগা, মাথায় অস্বস্তি, কপালে অস্বস্তি-সহ নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় এই সাইনোসাইটিসের ফলে। এ বার জেনে নেওয়া যাক কেন হয় এই সাইনোসাইটিসের সমস্যা।

সাইনোসাইটিসের সমস্যা হওয়ার কারণ:

মুখের হাড়ের ভিতরে চার জোড়া ফাঁপা বায়ুপূর্ন জায়গা আছে যেগুলিকে সাইনাস বলা হয়। যদি কোনও কারণে সাইনাসের ভেতরের ঝিল্লির মধ্যে জ্বালা করতে থাকে তখন তাকে সাইনোসাইটিস বলে। এ বার জেনে নেওয়া যাক সাইনোসাইটিসের কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়…

সাইনোসাইটিসের সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়:

১) সাইনোসাইটিসের সমস্যা থেকে বাঁচতে হলে প্রচুর জল পান করুন। প্রচুর পরিমাণে জল খেলে শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে তা ধীরে ধীরে শরীর থেকে সহজেই বেরিয়ে যায়। তাই সাইনোসাইটিসের সমস্যা শুরু হলে সারাদিন প্রচুর জল খাওয়ার চেষ্টা করুন।

২) রসুনের মধ্যে রয়েছে একাধিক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। রসুন শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকের মতোই কাজ করে। তাই প্রতিদিন অন্তত এক কোয়া রসুন খেতে পারলে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণজনিত সমস্যা বা সাইনোসাইটিসের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এ ছাড়াও প্রতিদিন ২ কোয়া রসুন ২ চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দু’বার খেলে সাইনোসাইটিস সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

৩) প্রতিদিন এক চামচ পেঁয়াজের রস এক চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে সাইনোসাইটিসের সমস্যা অনেকটা কমে যাবে। এ ছাড়াও, এক চামচ আদা কুচির সঙ্গে এক চামচ মধু খেলে সাইনোসাইটিসের কারণে হওয়া মাথাব্যথা থেকে কিছুটা রেহাই মিলবে।

৪) কম জলীয় বাষ্পযুক্ত স্থানে সাইনোসাইটিসের সমস্যা বেড়ে যায়। তাই যেখানে বাতাসে জলীয় বাষ্প বা আদ্রতার পরিমাণ স্বাভাবিক, তেমন জায়গায় থাকতে চেষ্টা করুন। স্যাঁতসেঁতে বা অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়া এড়িয়ে চলুন। পর্যাপ্ত আলো-বাতাস আছে এমন জায়গায় থাকার চেষ্টা করুন।

৫) সাইনোসাইটিস সমস্যায় গরম জলের ভাপ বা সেঁক (Vapour) নিতে পারলে দ্রুত উপকার মেলে। সাইনোসাইটিস সমস্যায় এটি একটি অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি। গরম জলের ভাপ বা সেঁক নিলে আমাদের নাসিকা-পথ ভেজা থাকবে এবং সহজেই শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে বেরিয়ে আসবে। তাই গরম জলেতে নুন মিশিয়ে নিয়ে দিনে ২ বার করে সেঁক (Vapour) নিন।

৬) সিগারেটের ধোয়া, ধুলোবালি, হেয়ার স্প্রে, বডি স্প্রে ইত্যাদি জিনিসগুলো থেকে দূরে থাকুন। এ ধরণের জিনিসগুলো নাসিকা পথে ঢুকে যায় এবং সাইনোসাইটিস সমস্যা বাড়ায়। রাস্তায় বের হলে নাকে কাপড় দিয়ে রাখুন বা মাস্ক পড়ে নিন। তাহলে ধুলোর সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে এবং সাইনোসাইটিসের সমস্যার আরামও পাওয়া যাবে।

৭) যখন বাইরে বের হবেন তখন তো আর গরম জলর ভাপ বা সেঁক নেয়া সম্ভব না। তাই বাড়ির বাইরে যতক্ষণ থাকবেন, চেষ্টা করবেন কিছুক্ষণ পর পর চিনি ছাড়া গরম চা, কফি বা স্যুপ খাওয়ার। গরম তরল খাবারগুলো খেলে শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে আসে এবং সহজে পরিষ্কার হয়ে যায়।

৮) সাইনোসাইটিসের কারণে নাকে, মাথায় বা কপালে অস্বস্তি হলে গরম জলেতে একটি তোয়ালে ভিজিয়ে ভাল করে নিংড়ে নিন। এর পর এই তোয়ালেটা মুখের উপর দিয়ে কিছু ক্ষণ শুয়ে থাকুন। এই পদ্ধতিতে সাময়িক ভাবে অনেকটা আরাম পাওয়া যায়।