নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে মিলল জুতার মালা (ভিডিও)

নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে মিলল জুতার মালা (ভিডিও)

নির্বাচনী প্রচারণা জমে উঠেছে। এর মধ্যে প্রচারণা চালাতে গিয়ে বিড়ম্বনার মুখে পড়লেন এক প্রার্থী। ফুলের মালার বদলে তার গলায় উঠল জুতার মালা।এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ বলছে, মধ্যপ্রদেশে নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিধায়ক দিলীপ শেখাওয়াত।

নির্বাচনে এবারও প্রার্থী হয়েছেন তিনি। প্রচারণায় বেরিয়ে জুতার মালা উঠল দিলীপের গলায়। সোমবার বিকেলের এ ঘটনায় হতচকিত হয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীরা।জি নিউজ বলছে, নাগাদা কাচরোদের বিধায়ক দিলীপ শেখাওয়াত। ওই কেন্দ্রে ফের প্রার্থী হয়েছেন তিনি। সোমবার বিকেলে বেরিয়ে ছিলেন নির্বাচনী প্রচারণায়। গলায় মালা পরিয়ে বিধায়ককে স্বাগত জানান দলের কর্মীরা।

ঠিক তখনই বিজেপির টুপি পরে ঘাপটি মেরেছিলেন এক ব্যক্তি। হাতে লুকিয়ে রেখেছিলেন জুতার মালা। বিজেপি বিধায়ক দিলীপ কাছাকাছি আসতেই সেই মালা পরিয়ে দেন তার গলায়। আর এ ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।ভিডিওতে দেখা যায়, বিজেপির টুপি পরা ওই ব্যক্তি জুতার মালা পরানোর পর দৃশ্যত বিড়ম্বনার মুখে পড়েন দিলীপ শেখাওয়াত। জুতার মালাটি ছুড়ে তেড়ে যান ওই বিজেপি কর্মীর দিকে।

রাজনৈতিক নেতাদের দিকে জুতা কিংবা কালি নিক্ষেপ ভারতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। এ ধরনের ঘটনা অতীতেও অনেকবার দেখা গেছে। রাজনীতিকদের প্রতি জন্ম নেয়া দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকে এভাবে অনেকেই প্রতিবাদ জানান।

আগামী ২৮ নভেম্বর মধ্যপ্রদেশের বিধানসভার ভোটগ্রহণ। ২৩০টি আসনের এই রাজ্যে ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। এবার বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুমকি দিয়েছে বিরোধী দল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংয়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও কেলেঙ্কারিকে হাতিয়ার করে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে কংগ্রেস।

Embedded video

ANI

@ANI

: A man greets BJP MLA and candidate Dilip Shekhawat with
a garland of shoes in Madhya Pradesh’s Nagada. (19.11.2018)

907 people are talking about this

নতুন খবর দিলেন অপু বিশ্বাস

নতুন খবর দিলেন অপু বিশ্বাস

ঢালিউড কুইন খ্যাত চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস চলচ্চিত্রে শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে মাতিয়েছেন দর্শক। ইন্ডাস্ট্রিকে উপহার দিয়েছেন বহু ব্যবসা সফল ছবি।চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে সফল নায়িকা অপু। এই অঙ্গনে কাজ করা উপভোগ করেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন একটি বিজ্ঞাপনের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।

একটি প্রতিষ্ঠানের নতুন বাজারজাত করা তেলের জন্য নির্মিত হবে টিভিসি। তেলের নাম সুন্দরী নারিকেল তেল। রিচ কেমিক্যালের মালিকানাধীন এই তেলের টিভিসিতে মডেল হিসেবে হাজির হবেন অপু বিশ্বাস।সোমবার (১৯ নভেম্বর) রাতে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করেন তিনি। সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর আতাউর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ। বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করবেন আকাশ আমিন।

জাগো নিউজকে অপু বলেন, ‘পণ্যটি নতুন। বিজ্ঞাপনের আইডিয়া ও বাজেট বেশ ভালো। সে জন্যই কাজটি করতে রাজি হয়েছি। নতুন পণ্যের প্রচারণায় চ্যালেঞ্জ থাকে। সেটাই আমি নিতে চেয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দর্শকের সঙ্গে একটি গ্যাপ

তৈরি হয়েছে আমার। সেটা ঘুচিয়ে দেবে এই বিজ্ঞাপনটি। আশা করছি এটি ভালো লাগবে দর্শকের। শিগগিরই টিভিসিটির শুটিং শুরু হবে।’সর্বশেষ এই নায়িকা কাজ করেছিলেন নাভানার একটি পণ্যের বিজ্ঞাপনে। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন নন্দিত চিত্রনায়ক রিয়াজ।

পোশাক খোলার ভিডিও দেখে সরগরম অনলাইন দুনিয়া

পোশাক খোলার ভিডিও দেখে সরগরম অনলাইন দুনিয়া

রাখি সাওয়ান্তের মতো কথায় কথায় ভাইরাল তিনি হন না। তবে যখন আসেন, তখন তুফান নিয়ে আসেন। তিনি পুনম পাণ্ডে। বিতর্কের রানীর খেতাব তাকে দিয়েই রেখেছে বলিউডবাসী।

যে ধরণের ছবি কিংবা ভিডিও তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তা বিতর্ক তৈরি করারই যোগ্য।সম্প্রতি একটি বোল্ড ভিডিও পোস্ট করে সকলকে তাক লাগিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি স্ট্রিপ টিজের ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি। সেটি বেশ শোরগোল তৈরি করেছে সাইবার দুনিয়ায়। সেখানে পোশাক খুলতে দেখা গেছে তাকে।

তবে এটি ছিলো কেবলমাত্র পোশাক খোলার টিজার। বাকী ভিডিও আছে নায়িকার নিজস্ব অ্যাপে। যার নাম ‘Thepoonam pandeyapp’। এই অ্যাপে পুনমের অজস্র ভিডিও দেখতে পারবেন যে কেউ।

সেখানে প্রায় প্রতিটি ভিডিওই বোল্ড। সম্প্রতি একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি লিখেছেন এটা শুধুমাত্র টিজার। পুরো ভিডিওটি আছে তার সেই অ্যাপে।টিজারে তিনি তার টি-শার্ট খুলে অন্তর্বাস দেখিয়েছিলেন। যা নিয়ে অসংখ্য মানুষ নানা ধরণের কমেন্ট করেছেন। কেউ তাকে খারাপ মন্তব্য করেছেন তো কেউ ভালো। তবে এসবে কান দেন না পুনম। নিজের মতোই ভিডিও এবং ছবি পোস্ট করে যান তিনি।

কৃমির ওষুধ কখন খাবেন

কৃমি আকারে খুবই ছোট। প্রায় দেখাই যায় না। কিন্তু জেনে অবাক হবেন, এ রকম একটি কৃমি মানুষের অন্ত্র থেকে দিনে শূন্য দশমিক ২ মিলিলিটার রক্ত শুষে নেয়। অনেক কৃমি শরীরে থাকলে প্রতিদিনই বেশ কিছু পরিমাণ রক্ত হারিয়ে যায়। ফলে শিশুরা অপুষ্টি ও রক্তশূন্যতায় ভোগে। বড়রাও কম ভোগেন না।

এ ছাড়া কৃমির কারণে অ্যালার্জি, ত্বকে চুলকানি, শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট হতে পারে। কখনো অন্ত্রের বা পিত্তথলির নালিতে কৃমি আটকে গিয়ে বড় ধরনের জটিলতা হয়। কৃমি সংক্রমণ তাই বড় ধরনের স্বাস্থ্যসমস্যা।

কৃমি দূর করতে হলে প্রথমেই জানা দরকার এটি কেন হয়? নোংরা পরিবেশ, অনিরাপদ পানি পান, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, খালি পায়ে হাঁটা কৃমি সংক্রমণের জন্য দায়ী।

কৃমি হলেও ওষুধের মাধ্যমে দূর করার উপায় আছে। কিন্তু অনেকে নানা ভুল ধারণার জন্য ভয়ে কৃমির ওষুধ খান না। শিশুদেরও খাওয়াতে চান না। কিন্তু ওষুধ নিয়ম মেনে খেলে আর সহজ কিছু উপায় মেনে চললে সহজেই কৃমি দূর করা যায়।

জেনে নেওয়া যাক সহজ কিছু উপায়:
১. প্রতি তিন মাস পরপর পরিবারের সবাই একটি করে অ্যালবেনডাজল বড়ি সেবন করতে পারেন। মেবেনডাজল হলে খেতে হবে পরপর তিন দিন। সাত দিন পর আরেকটা ডোজ খাওয়া যায়। শিশুদেরও একইভাবে সিরাপ খাওয়াতে হবে। দুই বছরের নিচে কোনো শিশুকে খাওয়াতে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

২. চিনি খেলে বা মিষ্টি খেলে কৃমি হবে বলে যে ধারণা প্রচলিত, তা ঠিক নয়। মিষ্টি বা চিনি খাওয়ার সঙ্গে কৃমির কোনো সম্পর্ক নেই। বরং নোংরা হাতে বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে কৃমি হবে।

৩. কৃমি হলে পায়ুপথ চুলকায় বলে শিশুরা সেখানে হাত দেয়। পরে আবার সেই হাত মুখে দেয়। এভাবেই সংক্রমণ ছড়াতে থাকে। তবে পায়ুপথ চুলকানো মানেই কৃমি সংক্রমণ নাও হতে পারে। কৃমি সংক্রমণের আরও উপসর্গ আছে। যেমন: ওজন না বাড়া, পেট ফাঁপা, পেট কামড়ানো, আমাশয়, অপুষ্টি, রক্তশূন্যতা ইত্যাদি।

৪. গরমকালে কৃমিনাশক খাওয়া যাবে না—এমন ধারণারও কোনো ভিত্তি নেই। গরম, শীত, বর্ষা যেকোনো সময়ই কৃমিনাশক খাওয়া যাবে। তবে খাওয়ার পর বা ভরা পেটে খাওয়া ভালো।

৫. কৃমিনাশক নিরাপদ ওষুধ। এর তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তবে কারও কারও পেট ফাঁপা বা বমি ভাব হতে পারে। অনেক সময় কৃমিনাশক খেয়ে শিশুদের অসুস্থ হওয়ার যে খবর পাওয়া যায়, তা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অজ্ঞতা ও কুসংস্কারজনিত।

৬. পানি অবশ্যই ফুটিয়ে বা বিশুদ্ধ করে পান করবেন। শাকসবজি ও মাংস খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের আগে ভালো করে হাত ধুতে হবে। শিশুদের খাওয়ার আগে ও শৌচাগার ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে কীভাবে ভালো করে হাত কচলে ধুতে হয়, তা শেখানো জরুরি।

৭. বাইরের খোলা অপরিচ্ছন্ন খাবার না খাওয়াই ভালো। মাঠঘাটে শিশুদের খালি পায়ে খেলতে দেবেন না।

৮. কেবল গ্রামে বা রাস্তায় থাকা শিশুদের কৃমি হয়—এই ধারণাও ভুল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যে-কারও কৃমি সংক্রমণ হতে পারে। তাই অপুষ্টি এড়াতে নিয়মিত কৃমিনাশক খাওয়াই ভালো।

সালমানকে ছেড়ে গেলেন দেহরক্ষী শেরা

বলিউড তারকাদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দেহরক্ষীদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় শেরা। আর হবেই বা না কেন? সুপারস্টার সালমান খানের সঙ্গে ছায়ার মতো মিশে থাকা একমাত্র ব্যক্তি তিনি। তবে কয়েক দিনের জন্য ভাইজানের দেহরক্ষীর পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন শেরা। এমনই এক সংবাদ ঘুরে বেড়াচ্ছে মিডিয়া অঙ্গনে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,গতকাল শুক্রবার ভারত ভ্রমণে এসেছেন জনপ্রিয় মার্কিন বক্সার মাইক টাইসন। ৫২ বছর বয়সী এই তারকার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে নিজের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী শেরাকে পাঠিয়েছেন খোদ সালমান। আর তাই কিছুদিনের জন্য সালমানের সঙ্গে দেখা মিলবে না শেরার।

তবে এবারই প্রথম নয়,মার্কিন গায়ক জাস্টিন বিবার যখন ভারত আসেন, তখন তার দেহরক্ষী হিসেবে শেরাকে পাঠিয়েছিলেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। টাইসনের এটাই প্রথম ভারত সফর। তাই তার যাতে কোনো কিছুতে অসুবিধা না হয়, সেই দিকটিও শেরাকে দেখতে বলেছেন সালমান।

বর্তমানে রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস’ এর শুটিং কাজে ব্যস্ত রয়েছেন সালমান। এছাড়া আসন্ন ছবি ‘ভারত’ এর কাজেও ব্যস্ত এই অভিনেতা।

এ বিষয়ে শেরা জানিয়েছেন, তিনি সারাদিন মাইক টাইসনের সঙ্গে থাকবেন। ভারত সফরকালে বিভিন্ন অনুষ্ঠান,শপিংমল যেখানে মাইক যাবেন, সেখানেই তার ছায়াসঙ্গী হিসেবে থাকবেন শেরা।

আইপিএলে লিটন দাসকে নিয়ে টানাটানি

ভারতের জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি ফরমেট টুর্নামেন্ট আইপিএলে এবার খেলতে পারেন টাইগার ওপেনার লিটন দাস।

আইপিএলে লিটন দাসকে নিয়ে টানাটানি! ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজে প্রকাশ- ফর্মে থাকা বাংলাদেশি এ ওপেনারকে কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করতে পারে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।

এমনকি তাকে নেয়ার জন্য নাকি আইপিএলের আরও তিন ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রতিযোগিতায় নেমেছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে।

জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে লিটন দাসের ভালো পারফরম্যান্স নজরে পড়েছে আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিকর্তাদের।

বাড়তি যোগ হচ্ছে- লিটনের উইকেট কিপিং যোগ্যতা। সেদিকেই ইঙ্গিত দিয়েছে ক্রিকেটের খবরসংক্রান্ত ওয়েবসাইট ‘ক্রিকট্র্যাকার’।

তারা লিখেছে- এ মুহূর্তে পাঞ্জাবে কোনো নিয়মিত উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান নেই। গত আইপিএলে পাঞ্জাব-এর অভাব বুঝেছে প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই। তাই এবার দলের এ অভাব পূরণ করতে লিটন দাসের কথা ভাবছেন তারা।

তার ওপর আবার যোগ হয়েছে ওপেনিং জুটি নিয়ে ভাবনা।

জানা গেছে, ক্যারিবিয়ান দৈত্যে ক্রিস গেইলের ওপর তেমন আস্থা রাখতে পারছেন না পাঞ্জাব দলের কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, গত আইপিএলে পাঞ্জাবের হয়ে লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেনিং করেছিলেন ক্রিস গেইল।

ক্রিস গেইলের জায়গায় এবার ওপেনিংয়ে লিটন দাসকে পাঞ্জাবের হয়ে দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকেই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এবার আইপিএলের ফ্রাঞ্চাইজিগুলো এমন ব্যাটসম্যানকে গুরুত্ব দিচ্ছেন, যারা ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করতে পারেন।

গেইলের মতো যারা মাঝেমধ্যে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন, তাদের দর ক্রমশ নিম্নমুখী দেখা যাচ্ছে এবারের আইপিএলে।

সে হিসাবে গেইলের মতো আগ্রাসী হয়ে খেলতে না পারলেও এই তরুণ তুর্কিকেই পছন্দ পাঞ্জাবের।

আমার অতো যোগ্যতা নেই, নির্বাচন প্রশ্নে মুশফিক

কদিন বাদে অনুষ্ঠিত হবে একাদশ সংসদ নির্বাচন। এতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হয়ে লড়তে পারেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক এর মধ্যেই দলটির মনোনয়ন ফরম তুলেছেন। নির্বাচনে লড়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন সাকিব আল হাসানও। পরে তাকে মনোনয়ন ফরম তুলতে নিরুৎসাহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ দিকে, বাংলাদেশ দলের আরেক তারকা ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমকে নির্বাচনে লড়া বিষয়ক প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছেন যে, তার অতো যোগ্যতা নেই।

সম্প্রতি দেশের একটি বড় সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। সেখানেই তাকে ভবিষ্যতে নির্বাচনে লড়বেন কি না, এমন প্রশ্ন করা হয়। উত্তরে হেসে দিয়ে মুশফিক বলেন যে, তার অতো যোগ্যতা নেই। এ কথা বলে নির্চাচনে লড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন।

মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের সর্বশেষ সিরিজে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে ২১৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। যা টেস্টে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ রান। এ ছাড়া দেশের হয়ে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিও করেছিলেন তিনি।

বাংলাদেশ দল বর্তমানে অবস্থান করছে চট্টগ্রামে। সেখানে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের প্রথম টেস্ট। এরপর দুই দল উড়ে আসবে ঢাকা। মিরপুরে ৩০ নভেম্বর থেকে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মাঠে নামছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা, দেখাবে যে চ্যানেল

শনিবার মেক্সিকোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে উরুগুয়ের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ের দেখা পায় ব্রাজিল।

সেই ২ ম্যাচের পর আবারো মাঠে নামছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা। তবে এবার উরুগুয়ের বিপক্ষে নয় আফ্রিকান সিংহ ক্যামেরুনের বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল।

অন্যদিকে বাংলাদেশ সময় আগামীকাল বুধবার সকাল ছয়টায় আর্জেন্টিনার মেনদোসায় আরেকটি প্রীতি ম্যাচে মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

এক নজরে দেখে নিন খেলার সময়সূচিগুলো….. ব্রাজিল বনাম ক্যামেরুন, রাত ১:৩০ মিনিট, বেন স্পোর্টস। ইতালি বনাম যুক্তরাষ্ট্র, রাত ১:৪৫ মিনিট, সনি টেন ওয়ান।

ফ্রান্স বনাম উরুগুয়ে, রাত ২ টা, সনি ইএসপিএন। আর্জেন্টিনা বনাম মেক্সিকো, ভোর ৬টা, বেন স্পোর্টস।

সময়ের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিকের তালিকায় নেহা কাক্কার’

বর্তমানে শুধু নেহা নামেই তুমুল জনপ্রিয়। পারিবারিক নাম নেহা কাক্কার। একজন ভারতীয় গায়িকা। জন্ম ৬ জুন ১৯৮৮।জন্মস্থান ভারতের উত্তরাখন্ডের ঋষিকেশ শহরে। দিল্লিতে বড় হয়ে ওঠেন নেহা। নিউ হিল পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা করেন।

তিনি যখন ইন্ডিয়ান আইডলের দ্বিতীয় আসরে অংশ নেন তখন একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিলেন। ভারতের জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ইন্ডিয়া আইডলের বিচারকের দায়িত্বে এসে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন।

পারিবারিকভাবে গানের আবহে বড় হয়ে উঠেছেন। বাবা ঋষিকেশ কাক্কার। মা নিতি কাক্কার। ভাই টনি কাক্কার এবং বোন সনি কাক্কার।

তারা দুই জনই গান করেন। জীবনের শুরু থেকেই কঠিন পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে বড় হয়ে উঠেছেন তিনি। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় গান গেয়ে ছোটবেলা থেকেই আয় করতেন তিন ভাইবোন।

২০০৬ সালে নেহা টেলিভিশন রিভিউ শো ইন্ডিয়ান আইডল সিজন টুতে প্রতিযোগী হিসেবে উপস্থিত হন। সবশেষ তিনি জি টিভির ‘সা রে গা মা পা’ লিটল চ্যাম্পস নামে জনপ্রিয় শোতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে তিনি মিউজিক ব্রাদার্সের সংগৃহীত অ্যালবাম ‘নেহা দ্য রক স্টার’ অ্যালবামের সঙ্গে সঙ্গীত শিল্পে যাত্রা শুরু করেন।

তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে আছে ইয়ারিয়া চলচ্চিত্রের ‘সানি সানি’, দ্য শৌকিন্স চলচ্চিত্রের ‘মানালি ট্রান্স’, গাব্বার ইজ ব্যাক চলচ্চিত্রে হানি সিংয়ের সঙ্গে ‘আও রাজা’, ফাটা পোস্টার নিকলা হিরো চলচ্চিত্রের ‘ধাতিং নাচ’, কুইন চলচ্চিত্রের লন্ডন তুমাকদা, সত্যমেব জয়তে চলচ্চিত্রের ‘দিলবার’ অন্যতম।

ব্যক্তিগত জীবনে এখনও কোনো ভালোবাসার গল্প নেই তার। তবে অভিনেতা হিমাংশ কোহলির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে ভবিষ্যতে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হতে পারে বলে গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়েছে।

সব সময় হাসি মুখে থাকা নেহা সামান্য দুঃখ-কষ্টের কথাতেই অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। জীবনে অনেক কঠিন সময় পার করে এসেছেন বলেই হয়তো এমন হয় তার।

মঞ্চে দর্শক মাতাতে জুড়ি নেই তার। রক, পপ কিংবা ক্ল্যাসিকাল সব গানের সঙ্গেই নিজের দক্ষতা বিশেষভাবে তুলে ধরতে পারেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেহার কোটি কোটি ভক্ত আর ফলোয়ার আছে। সামাজিক মাধ্যমে ভারতীর জনপ্রিয় সেলিব্রেটিদের নেহা আজ অন্যতম আসনে অধিষ্ঠিত।

রূপের মাধুরীতেও অনায়াসেই টেক্কা দেয়ার ক্ষমতা রাখেন ভারতীয় গায়িকাদের মধ্যে অন্যতম সেরা গায়িকা নেহা।

বলিউড অনেক সিনেমাতেই প্লেব্যাক গানে দেখতে পাওয়া যায় তাকে। এছাড়া ইউটিউবে তার গান মানেই লক্ষাধিক ভিউস তো থাকেই। শ্র“তিমধুর কণ্ঠ সেই সঙ্গে উজ্জ্বল রূপ। সব মিলিয়ে অনেকের স্বপ্নের মুখ ও চরিত্র গায়িকা নেহা।

ইন্ডিয়ান আইডলের প্রতিযোগী থেকে ওই অনুষ্ঠানের বিচারক হওয়ার রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন নেহা। একেবারেই ভিন্ন ধাঁচের গলার কারণে উপমহাদেশের শ্রোতাদের কাছে নেহার গান দ্রুতই জনপ্রিয়তা পায়।

শুধু টিভি শো নয়, ইউটিউবেও দারুণ জনপ্রিয় তিনি। ভারতীয় গায়িকাদের মধ্যে তরুণ প্রজন্মের কাছে উদীয়মান তারকা বনে গেছেন তিনি। ভারত নয়, ২০১৬ সালে ঢাকার শ্রোতাদের সুরের মূর্ছনায় ভাসিয়েছেন গায়িকা নেহা কাক্কার।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ‘নেহা কাক্কার লাইভ ইন ঢাকা’ কনসার্টটি। দর্শকদের উপচেপড়া উপস্থিতি বলে দেয় নেহা বাংলাদেশের দর্শক আর শ্রোতাদের কাছে কতটা জনপ্রিয়। সুযোগ আর সময় করে আবারও বাংলাদেশে আশার কথা বলেছেন তিনি।

নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা থাকলে সাফল্য আসবেই এমনটি বিশ্বাস করেন। সবার কাছে সাবলীল উপস্থিতির জন্য ইন্ডিয়ান আইডলের মতো মঞ্চে তিনি বিচারকের আসনে জায়গা করে নিয়েছেন।

যা অনেক সমালোচকের কাছেই বিস্ময়কর।

তারুণ্য, সাফল্য, জনপ্রিয়, মেধাবী, সারল্য- এসব কিছুই যেন নেহার সঙ্গে মানিয়ে যায়। কয়েক কোটি টাকায় তিনি ইন্ডিয়ার আইডলে চুক্তি সই করেছেন। গানের পারিশ্রমিকেও তিনি ঈর্ষণীয় এখন। নেহা গান গাইলে দর্শক মন্ত্রমুগ্ধ হবে আর তা জনপ্রিয় তো হবেই।

এজন্য তিনি হাল সময়ের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিকের তালিকায় নিজেকে নিয়ে আসতে পেরেছেন। সামাজিক অনেক কাজেই নেহা আজ এগিয়ে আসেন।
সরল মনের সঙ্গে সাফল্য এ দুয়ের অনবদ্য যুগল তিনি। তরুণদের তিনি স্বপ্নের সারথী হতে বলেছেন।

স্বপ্ন পূরণের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করতে হবে। সাধনা না থাকলে লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় না বলেই তিনি মনে করেন। আর নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা তো থাকতেই হবে। কঠিন সময় দীর্ঘ হয় না যদি পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকে। তবে নিজেকে ভালোবাসতে হবে। কারণ একমাত্র নিজেই নিজেকে এগিয়ে নিতে পারে।

বাংলাদেশি স্বামী পেয়ে সুখী মালয়েশীয় নারীরা

মালয়েশিয়া পর্যটন নগরীর দেশ। ব্যবসা, শিক্ষা, সংস্কৃতি সব বিষয়ে বিশ্বে মালয়েশিয়ার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। বিশ্বের বহু দেশের মানুষ এসে মালয়েশিয়া বসবাস করছে। কারণ এখানকার আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ, সবাই খাপ খাইয়ে নিতে পারে। ঢাকার খরচে যে কেউ মালয়েশিয়া বসবাস করতে পারেন। মালয়েশিয়ায় ছাত্র, শিক্ষক, প্রকৌশলী, চিকিৎসক, শ্রমিক মিলিয়ে প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করেন।

আধুনিক মালয়েশিয়া গড়ার পেছনে বাংলাদেশিদের অক্লান্ত পরিশ্রম রয়েছে। এটা আর কোনো দেশ দাবি করতে পারবে না। বাংলাদেশিদের এই অবদান দেশটির সরকার ও সাধারণ মানুষও স্বীকার করেন। বাংলাদেশের নাগরিকরা কঠোর পরিশ্রম, সততা আর দক্ষতায় মালয়েশীয়দের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এসব কারণে বিয়ে করার জন্য মালয়েশীয় নারীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশি যুবকরাও।

বাংলাদেশি নাগরিকদের মালয়েশীয় স্ত্রীরা মিলে সংগঠন গড়ে তুলেছেন। তাঁদের কার্যক্রমও আছে। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের পাশাপাশি একে অন্যের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ান তাঁরা। একই সঙ্গে তাঁরা মালয়েশিয়ার সমাজে বাংলাদেশিদের সততা, কর্মদক্ষতার কথাও তুলে ধরেন।

এমন একটি সংগঠন ‘কেলাব স্ত্রী’ বা কেআইবি। সংক্ষেপে বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায় ‘মিষ্টি বউ’। সংগঠনটি ২০১৪ সালে গঠন করা হয়। গত ৬ নভেম্বর এই সংগঠনের উদ্যোগে কুয়ালালামপুরে আয়োজন করা হয়েছিল এক প্রীতি সম্মিলনীর। সেখানেই আয়োজকরা তাঁদের সংগঠনের উদ্দেশ্য ও বাংলাদেশ সম্পর্কে তাঁদের অভিব্যক্তি তুলে ধরেন।

বাংলাদেশি নাগরিকের মালয়েশীয় স্ত্রী সাশা সৌন সংগঠনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেন, ‘আমাদের মালয়েশীয়দের মধ্যেও কেউ কেউ বাংলাদেশিদের ছোট করে দেখেন। তাঁরা মনে করেন, বাংলাদেশ একটা গরিব দেশ। তারা শুধু মালয়েশিয়ায় কাজ করতে আসে, তারা শ্রমিক। আর বাংলাদেশিদের মধ্যেও মালয়েশীয় নারীদের নিয়ে একটা খারাপ ধারণা আছে। আমরা বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে গিয়ে দেখেছি, সেখানকার মানুষের ধারণা, মালয়েশিয়া খারাপ দেশ। মালয়েশীয় মেয়েরা শুধু বাংলাদেশি ছেলেদের আটকে রাখে।’

‘এই ভ্রান্ত ধারণা পাল্টে দিতেই আমরা বেশ কয়েকজন মালয়েশীয় নারী, যাঁরা বাংলাদেশি নাগরিকদের বিয়ে করেছি, তাঁরা সংগঠন গঠন করি। আমাদের সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো, মালয়েশিয়াবাসীর কাছে আমাদের স্বামীদের ভালোভাবে উপস্থাপন করা’, যোগ করেন সাশা শৌন। তাঁর মতে, বাংলাদেশিরা অনেক ভালো। তাঁরা কঠোর পরিশ্রম করতে ভালোবাসেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছে সততা ও ভালোবাসা। মালয়েশিয়া মুসলিমপ্রধান দেশ। বাংলাদেশের মানুষও  মুসলিম। বাংলাদেশিদের মধ্যে ধর্মের প্রতি রয়েছে অগাধ বিশ্বাস আর তাঁরা অতিথিপরায়ণ।

বাংলাদেশি নাগরিকদের বিয়ে করেছেন মালয়েশিয়ার সুসি ও লিজা। তাঁরাও শুরু থেকে যুক্ত ছিলেন ‘মিষ্টি বউ’ সংগঠনের সঙ্গে। তাঁরা নিজেদের দাম্পত্য জীবনে সুখী মনে করেন। তাঁদের মতে, বাংলাদেশিরা স্ত্রীদের অনেক মর্যাদা দেন। কর্মস্থলে থাকলেও তাঁরা স্ত্রীদের যথেষ্ট খোঁজখবর রাখেন।’

সুসি, লিজা, শাশা মনে করেন, বাংলাদেশিরা এখানে শুধু কাজ করেন না, তাঁরা কাজ করানও। তাঁদের প্রতিষ্ঠানে অনেক মালয়েশীয় নারী-পুরুষ স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করেন।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় ব্যাপক বন্যা হয়। দুর্গতদের পাশে অন্য কোনো দেশ না দাঁড়ালেও বাংলাদেশ দাঁড়িয়েছে। এটাও বাংলাদেশি নাগরিকদের মালয়েশীয় স্ত্রীদের গর্বের আরেকটি কারণ। বিষয়টি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব তুন রাজ্জাকেরও নজরে আসে। যদিও এটা আবার বাংলাদেশিদের প্রতি মালয়েশিয়ায় বসবাসরত অন্য জাতির মানুষের জন্য ঈর্ষার একটি কারণ বলে মনে করেন ‘মিষ্টি বউ’ সংগঠনের উদ্যোক্তারা।

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাহিদ হামিদির কাছে বাংলাদেশিরা প্রাধান্য পান। এর একটি প্রমাণ হলো, গত ৪ নভেম্বর মালয়েশিয়ার সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামিদি বলেন, ‘এটা চোখ বন্ধ করেই বলা যায়, বাংলাদেশি শ্রমিকরা অন্যদের তুলনায় বেশি সৎ। আমরা দেখেছি, তারা যদি ব্যবসার ক্যাশে বসেন অথবা পেট্রল স্টেশনের কাউন্টারে বসেন, তাঁরা অনেক বেশি বিশ্বস্ততার পরিচয় দেন।

জাহিদ হামিদির এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন সুশি, শাশা ও লিজা।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশি এক শ্রমিককে গাড়ি ময়লা করার অভিযোগে নির্যাতন করেন এক গাড়ির মালিক। গত ১৭ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে কুয়ালালামপুরের সুংগাই বুলুহ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশি শ্রমিককে নির্যাতনের ঘটনার আংশিক দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ান মালয়েশিয়ার মানুষও। তাঁরা এর প্রতিবাদ করেন। দোকানের গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা বাংলাদেশি নির্যাতনের এ ভিডিওটি শনিবার রাত পর্যন্ত প্রায় ৪৯ হাজারবার শেয়ার হয়েছে এবং এক মিলিয়নেরও বেশিবার দেখা হয়েছে। মন্তব্য করা হয়েছে প্রায় ৩২ হাজার। বাংলাদেশি শ্রমিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার বাংলাদেশি নাগরিকদের মালয়েশীয় স্ত্রীরা। তাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও একটি গ্রুপ পেজ চালান। সেখানে বাংলাদেশের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বাংলাদেশের পোশাক, খাবার, বাংলাদেশি খবরা-খবর এবং বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পোস্ট করা হয়।

কেআইবি সংগঠনে এখন প্রায় ২০০ বাংলাদেশি নাগরিকের মালয়েশীয় স্ত্রী যুক্ত রয়েছেন। তাঁদের উদ্যোগে আগামী ৫ ডিসেম্বর কুয়ালালামপুর আম্পাং হলরুমে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলামকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কোনো দম্পতি ইচ্ছে করলেই ফেসবুক পেজে যুক্ত হতে পারেন। যাঁরা কেআইবি-তে যুক্ত হতে চান, তাঁরা গ্রুপ পেজ K.I.M.B.A (KELAB isteri-isteri Malaysia+Bangladesh) দেখতে পারেন।