পুরুষের একটি বিশেষ যৌ’ন রোগ যা অনেকেই বুঝেনা, জেনে নিন এর লক্ষণ

মিলনের সময় কিছু নিয়ম মেনে না চলার কারণে নারী ও পুরুষের উভয়ের সংক্রমন কিছু যৌন রোগ দেখা দিতে পারে।
অনেকেই এই সমস্যাটির কারণ ঠিক ভাবে বুঝতে পারে না। ফলে এই সমস্যাটি পরে বড় ধরনের সমস্যায় পরিনত হয়। আসুন তাহলে দেখে নেই রোগটি কি, এর লক্ষণ কি, এবং এক্ষেত্রে করনীয় কি।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে  আয়ুর্বেদিক  ঔষধের  দ্বারা  নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন  রোগের  চিকিৎসা  করা হয়।  দেশে ও  বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

 

লক্ষণ:: পুরুয়ের লিঙ্গ থেকে নিঃসরণ হচ্ছে সাদা বা হলুদ (হালকা হলুদ) জাতীয় পদার্থ এবং প্রসাবের সমং সাধারণত ব্যথা হয়। এছাড়ও নানান যৌন রোগ রয়েছে। যা নিজের দেহের প্রতি নিজে লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারবেন।

এই রোগ হওয়ার কারণ::  একাধিক সঙ্গীর সাথে যৌন সঙ্গম করলে এ সব রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। – যৌনাঙ্গ যদি প্রতিদিন, বিশেষ করে প্রত্যেক সঙ্গমের পর পরিষ্কার করা না হয়, তাহলে যৌন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। – কনডমের সঠিক ব্যবহার না করা।

প্রতিরোধের উপায়::  যাদের অনেক যৌন সঙ্গী আছে তাদের সাথে সঙ্গম এড়িয়ে চলুন। – সব সময় সাবান ও পানি, বিশেষ করে যৌন সঙ্গমের পর যৌনাঙ্গ ধুয়ে পরিষ্কার রাখুন।  রোগীর যৌন সঙ্গীর চিকিৎসা নিশ্চিত করুন, যাতে এই রোগ অন্যদের মধ্যে না ছড়ায়। – সঠিক নিয়মে কনডম ব্যবহার করুন।

চিকিৎসা:: কেউ যদি মনে করে তার যৌন রোগ আছে তাহলে যথা শীঘ্রই পরীক্ষা এবং চিকিৎসা করানো উচিত। শুরুতে যৌন রোগের চিকিৎসা করা সহজ, পরে চিকিৎসা করা কঠিন।

যৌন রোগের কারণে যেসব সমস্যায় পড়তে পারেন:: সংক্রমনের চিকিৎসা যদি তাড়াতাড়ি না হয়, তাহলে তা যৌনাঙ্গের বাহির থেকে যৌনাঙ্গের ভিতর প্রবেশ করবে। মহিলাদের বেলায় এটা জরায়ু টিউব ও ডিম্ব কোষ এবং পুরুষের বেলায় অন্ডকোষ আক্রমন করবে। এটা প্রথম দিকে সাংঘাতিক অসুস্থতার কারণ হতে পারে এবং পরবর্তী সময়ে মহিলা বন্ধ্যা হয়ে যেতে পারে অথবা পুন: পুন: গর্ভ নষ্ট হতে পারে অথবা মৃত বাচ্চা প্রসব করতে পারে।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

পুরুষেরা সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারে। আক্রান্ত পুরুষ অথবা মহিলার অন্যান্য যৌন সঙ্গীর মধ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়বে। গর্ভবতী মহিলার যৌন রোগের চিকিৎসা না হলে, বাচ্চা যৌন রোগ নিয়ে জন্ম গ্রহণ করতে পারে। তাই দ্রুত চিকিৎসা নিন।

সমবয়সী বিয়ে করলে যা হয়

বিয়ে হচ্ছে দুজন মানুষের মধ্যে একটি বন্ধন, যা সারাজীবনের জন্য অটুট থাকবে। আর তার জন্য নিজেদের মধ্য বোঝাপড়া থাকাটা বড় বিষয়। ভালোবেসে বিয়ে হোক আর পরিবারগতভাবে বিয়েই হোক সব কিছুতেই বোঝাপড়াটাই প্রধান। দুজন যদি দুজনকে পড়ে নিতে পারেন তাহলে সংসারে সমস্যা আসলেও তা সমাধান করা সহজ হয়ে পরবে। আর সমস্যা তো আসবেই, কারণ সমস্যা ছাড়া মানুষ থাকতে পারে না।

তবে, সমবয়সীদের বিয়েতে একটু ঝামেলা থাকেই। পাত্রীর চেয়ে পাত্রের বয়স কমপক্ষে ৫ বছর এবং বেশি হলে ১০ বছরের মধ্যে থাকা উচিত। ব্যতিক্রম ঘটনা থাকতেই পারে, কিন্তু সেটা আলোচনার মধ্যে আসতে পারে না। ব্যতিক্রম সবসময়ই ব্যতিক্রম। তাই কিছু সমবয়সী দম্পতিও হতে পারেন দারুণ সুখী।জীবনের সর্বাঙ্গীণ সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দ, সফলতা-বিফলতায় সমান ভাগীদার খোঁজা। তাই সমবয়সীদের মাঝে বিয়ের ব্যাপারটা ইদানিং খুব বেশি দেখা যাচ্ছে।

একইসঙ্গে পড়াশুনা বা চাকরি করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা, মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁধা। সমবয়সী স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুর মতো সবকিছু শেয়ার করা যায়। নিজের ভালোলাগার বিষয়গুলো তার সঙ্গে মিলে যায় সহজেই। বিষয়গুলো আবার সব সময় একই রকম থাকে না। কখনও পড়তে হয় দারুণ বিপাকে। তাইতো অনেক অভিভাবকই মেনে নিতে পারেন না ব্যাপারটা। সমবয়সী বিয়ের ক্ষেত্রে কিছু কমন সমস্যা আমরা প্রায়ই দেখতে পায়, যা বিষিয়ে তুলতে পারে দাম্পত্য জীবনে।

অনেক সময় দেখা যায়, সমবয়সী পুরুষ নারীর কাছে মানসিক দিক থেকে ভ্রাতৃতুল্য হয়। কিন্তু পুরুষটির আচরণে এসে পড়ে কর্তৃত্ব। যেহেতু নারীটি ওই পুরুষ থেকে পরিণতমনস্ক, সেই কারণে তার থাকে দিদিগিরি। অচিরেই শুরু হয়ে যায় ব্যক্তিত্বের সংঘাত। আবার এমনো হয়, যুক্তি-বুদ্ধি নিয়ে গড়ে ওঠা মেয়েটির নিজস্ব চিন্তা ভাবনাকে সম্মান দেখানোর মানসিকতা থাকে না পুরুষটির। মেয়েদের যেহেতু পারিপার্শ্বিকতা বোঝার ক্ষমতা একটু বেশি।

ছেলেটির তুলনায় মেয়েটি যখন বেশি সচেতন তখন তা হয় দাম্পত্য জীবনে মতভেদ, জটিলতা ইত্যাদির কারণ হয়। একে অপরকে যথাযথ সম্মান দিতে নারাজ। আবেগের ভাটা পড়লে সম্পর্কের পরণতি হয় ডিভোর্সে। তবে এই সংঘাতের মধ্যদিয়ে কেউ টিকে গেলে আসে আরেক ঝামেলা। দুজনেরই বয়স যখন ৪০ থেকে ৪৫-এর মধ্যে। নারীদের জীবনে এটি একটি টার্নিং পয়েন্ট।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

নানা স্বাভাবিক সঙ্কট তৈরি হয় এ সময়। সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারায়, স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনিচ্ছা, ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটে। একইসঙ্গে চলে মানসিক সমস্যা। এসবে তা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তারা ভাবতে শুরু করে, তার দেয়ার আর কিছু নেই। মনে চলে আসে বিষণ্ণতা। প্রাকৃতিক কারণে আগে পরিণত হওয়ায় নারীকে আগেই বার্ধক্য গ্রাস করে ফেলে।

স্বপ্নে পরিচিত কারো সাথে অন্তরঙ্গ ভাবে মিলিত হয়েছেন, জানেন এর মানে কি

স্বপ্নে পরিচিত কারো সাথে অন্তরঙ্গ ভাবে মিলিত হয়েছেন, জানেন এর মানে কি

ঘুমের মধ্যে পরিচিত কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে স্বপ্ন দেখা খুবই বিব্রতকার একটি বিষয়। স্বপ্ন ভেঙ্গে ঘুম থেকে উঠার পর নিজের কাছে খুবই অপরাধী এবং লজ্জা অনুভব হতে থাকে। মনে মনে ভাবতে থাকি কেন এমন বাজে স্বপ্নটা দেখলাম। কিন্তু গবেষণা বলছে, এই ঘটনা খুব স্বাভাবিক।

যৌনতা নিয়ে স্বপ্ন দেখে লজ্জা না পেয়ে বরং জেনে নিন কোন স্বপ্নের কী মানে।

যৌনতা নিয়ে স্বপ্নে আসেন বস্! :
গবেষণা বলছে, যৌন স্বপ্নে বস্ এলে অবচেতন মনে আপনার নেতৃত্ব দেওয়ার বাসনা প্রবল। এক কাজ করুন, বসের সঙ্গে আলাদা করে মিটিংয়ে বসুন। আলোচনা করুন কোম্পানির ভবিষ্যত নিয়ে।

বন্ধুর সঙ্গে স্বপ্নে যৌনতা :নিজের এই আচরণে অবাক হবেন না। হয়তো আপনার বন্ধুর মধ্যে এমন কোনও গুণ রয়েছে যা অবচেতনে আপনার মধ্যে একটা অন্য রকম ভাললাগা তৈরি করে।

স্বপ্নে আপনার ক্রাশ :ক্রাশের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ইচ্ছে গোপনে লালন করেন প্রায় প্রত্যেকেই। তাই এই স্বপ্ন খুব স্বাভাবিক।

প্রাক্তনকে নিয়ে যৌন স্বপ্ন :এখানে নিজের আচরণ সম্পর্কে একটু সতর্ক হোন। হতে পারে আপনার প্রাক্তনের সঙ্গে আপনার শারীরীক সম্পর্ক ছিল। কিন্তু যেহেতু সেই সম্পর্ক থেকে আপনারা দু’জনেই বেরিয়ে এসেছেন তাই সেটা নিয়ে আর না ভাবাই ভাল।

পরিবারের কাউকে নিয়ে যৌন স্বপ্ন দেখা :এই ক্ষেত্রেও নিজের জন্য অ্যালার্ম সেট করুন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যৌন সম্পর্ক একদল চিকিত্সকের কাছে অসুস্থতার লক্ষণ।

আব্রামকে স্কুলে ভর্তি করাতে গিয়ে কী ঘটলো?

শাকিব-অপুর পুত্র আব্রামকে স্কুলে ভর্তি করাতে গিয়েও আর ভর্তি করানো গেল না। সোমবার রাজধানীর বারিধারায় আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে (এ আই এস ডি) ভর্তি করানোর জন্য নিয়ে যান শাকিব খান এবং অপু বিশ্বাস। ভর্তির ফরমও পূরণ করেন তারা। তবে পরে ভর্তি করানো সম্ভব হয়নি। কেননা আব্রামের বয়স এখনো তিন হয়নি। একারণেই অনুমতি মেলেনি কর্তৃপক্ষের।

তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ পরামর্শ দেন স্কুল বিভাগে নয়, আব্রামকে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা’র প্লে-গ্রুপে ভর্তি করাতে। বাবা-মা দু’জনই শুনেন তাদের পরামর্শ। প্রেগ্রুপেই ভর্তি করানো হয় আব্রাম খান জয়কে।

ছেলের প্রথম বিদ্যালয়ে যাওয়া নিয়ে শাকিব খান বলেন, ‘জয়ের সুন্দর ভবিষ্যত গড়ে তোলার জন্য সব ধরনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। আগামী বছরই এই স্কুলে তাকে ভর্তি করাতে পারব। খুবই দুষ্টুমি করে। ওর সঙ্গে সময় কাটাতে আমার খুব ভালো লাগে। মাঝে মধ্যে ওর সঙ্গে আমিও পড়তে বসে যাই।’

অপু বিশ্বাস বলেন, ‘শাকিবের এই দিকটা আমার ভালো লেগেছে। ছেলেকে স্কুলে ভর্তি করাবে বলে সকালেই উঠেই চলে এসেছে।সে এত সকালে ভর্তির জন্য স্কুলে চলে আসবে, আমি ভাবতেও পারিনি। জয়ের বাবার প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গেল। সকালে স্কুলের ভেতর বাবা-ছেলের খুনসুটি দেখতে বেশ ভালোই লেগেছে। সবাই দোয়া করবেন জয় যেন লেখাপড়া শিখে একজন আদর্শ মানুষ হয়।’

ওয়েদার চেঞ্জের সময় সর্দি-কাশিতে ভুগতে না চাইলে প্রতিদিন খাওয়া শুরু করুন এই খাবারগুলি…

সকালে গরম, রাতে ঠান্ডা। এদিকে গায়ে মোটা চাদর চাপান তো গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা। এমন পরিস্থিতিতেই তো ঠান্ডা লাগে। আর তার লেজুড় হয় সর্দিকাশি আর গলা ব্যথা। এমন পরিস্থিতিতে ওষুধপত্র খেলে কাজ হয় বৈকি। তবে শরীর বেজায় দুর্বল হয়ে পরে। তাই তো বলি বন্ধু, এমন মরসুমে শরীরে চাঙ্গা রাখতে যদি চান, তাহলে এই লেখাটি একবার পড়তে ভুলবেন না! আসলে এই প্রবন্ধে এমন কিছু খাবারের প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে, যা নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে শরীর ভিতর এবং বাইরে থেকে এমন চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। এমনকি সর্দি-কাশির মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে। শুধু তাই নয়, শীতের মরসুমে বায়ু দূষণের প্রভাবে শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। কিন্তু প্রশ্ন হল এত সব উপকার পেতে কী ধরনের খাবারকে জায়গা করে দিতে হবে রোজের ডায়েটে?

১. লেবু,দারচিনি এবং মধু: প্রতিদিন সকাল-বিকাল হাফ চামচ মধুতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস এবং এক চিমটে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে প্রতিদিন খাওয়া শুরু করলে শরীর এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। এমনকি সর্দি-কাশির প্রকোপও কমে চোখে পরার মতো।

২. হার্বাল টি: ওয়েদার চেঞ্জের সময় নিয়ম করে তুলসি, আদা এবং গোলমরিচ সহকারে বানানো চা খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে এত মাত্রায় উপকারি উপাদানের প্রবেশ ঘটে যে ইমিউনিট বাড়ে চোখে পরার মতো। আর একবার রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়ে উঠলে সর্দি-কাশির প্রকোপ তো কমেই, সেই সঙ্গে ভাইরাল ফিবারের মতো শারীরিক সমস্যাও ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

৩. আমলকি: এত রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভাটামিন সি, যা শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় ক্ষতিকর জীবাণুরা সব মারা পরে। সেই সঙ্গে শরীরও ভিতর এবং বাইরে থেকে বেজায় চাঙ্গা হয়ে ওঠে এবং রক্ত প্রবাহের উন্নতি ঘটে। ফলে শরীর খারাপ হওয়ার আর কোনও আশঙ্কাই থাকে না। নানাবিধ খারাপ চিন্তার কারণে কি মাথা খারাপ? তাহলে রাশি ভেদে এই কাজগুলি করতে ভুলবেন না যেন! বিনায়কি: জানেন কি গণেশ ঠাকুরের মাতৃ রূপও আছে এবং যার পুজো করলে নানা উপকারও মেলে! উইকলি হরোস্কোপ: চলুন বন্ধু জেনে নেওয়া যাক কার কেমন যাবে এই সপ্তাহটা…!

৪. অ্যাপেল সিডার ভিনিগার: এক গ্লাস গরম জলে ১ চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে প্রতিদিন দু-বেলা খাওয়া শুরু করুন। এমনটা করলে শরীরের অন্দরে “পি-এইচ লেভেল”এর ভারসাম্য বজায় থাকে। ফলে কোনও জীবাণুর পক্ষেই আক্রমণ শানানো আর সম্ভব হয়ে ওঠে না। আর ক্ষতিকর জীবাণুরা যখন ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না, তখন আর শরীর নিয়ে ভয় কী বলুন!

৫. গ্রিন টি: একাধিক কেস স্টাডিতে একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে নিয়মিত দুকাপ করে গ্রিন টির সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পায় যে তার প্রভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। আর এমনটা হওয়ার কারণে শরীরও বেজায় চাঙ্গা হয়ে ওঠে। ফলে তাপমাত্রা কমলেও শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না।

৬. হলুদ খেতেই হবে: এই মশলাটির অন্দরে উপস্থিত কার্কিউমিন নামক একটি উপাদান একদিকে যেমন শরীরের অন্দরে হতে থাকা প্রদাহ কমায়, তেমনি দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকেও ব্য়াপোক শক্তিশালী করে তোলে। প্রসঙ্গত, হলুদের শরীরে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ এবং নানাবিধ ডিটক্সিফাইং এজেন্টও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৭. খাবার প্লেটে প্রোটিন সমৃদ্ধি খাবার থাকা চাইই চাই: মানব শরীরকে চালাতে জলের পরেই যার নাম আসে সে হল প্রোটিন। এই উপাদানটি ছাড়া শরীরের পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাই তো প্রোটিনের ঘাটতি যেন কোনও সময় না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে, বিশেষত শীতকালে। কারণ এই সময় এমনিতেই নান কারণে শরীর বেশ দুর্বল হয়ে পরে। তার উপর যদি ঠিক মতো প্রোটিন সমৃদ্ধি খাবার না খাওয়া হয়, তাহলে শরীর ভিতর থেকে এতটাই দুর্বল হয়ে পরে যে নানা রোগ আক্রামণ শানানোর সুযোগ পয়ে যায়।

৮. কাঁচা রসুন: হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তুলতে রসুনের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই তো এই শীতকালে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক কোয়া করে রসুন খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবেই মিলবে।

৯. ভিটামিন ডি সমৃদ্ধি খাবার থাকা মাস্ট: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তোলার পাশাপাশি দূষণ এবং নানাবিধ সংক্রমণের হাত বাঁচাতেও এই ভিটামিনটি সাহায্য করে। তাই শীতকালে শরীরে যাতে কোনও ভাবেই এই ভিটামিনটির ঘাটতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর এই কাজটি করবেন কিভাবে? খুব সহজ! প্রতিদিন সকালে কিছুটা সময় গায়ে রোদ লাগান। তাহলেই কেল্লাফতে! কারণ সূর্যালোক যখন আমাদের ত্বকের উপর আছড়ে পরে, তখন বিপুল পরিমাণে ভিটামিন ডি তৈরি হয় দেহের অন্দরে। এছাড়াও মাশরুম, মাছ এবং ডিম খেলেও শরীরে এই ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দূর হয়।

১০. ভিটামিন এ রয়েছে এমন খাবার: শরীরের বহিরাংশে যে কোষেরা রয়েছে, তারা হল দেহের প্রথম ডিফেন্স সিস্টেম। তাই তো ছোট-বড় নানা রোগ থেকে দূরে থাকতে হলে এই প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তুলতে হবে। আর এই কাজটি করা তখনই সম্ভব হবে, যখন দেহে ভিটামিন এ-এর ঘাটতি দূর হবে। আসলে এই বিশেষ ধরনের ভিটামিনটি ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসদের প্রতিরোধ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো শীতকালে সুস্থ-সবল থাকতে বেশি করে খেতে হবে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার, যেমন- রাঙা আলু, ব্রকলি, গাজর, পালং শাক,মাছ, মাংস, ডিম প্রভৃতি।

১১. দেহের অন্দরে ভিটামিন সি-এর ঘাটতি যেন না হয়: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তুলতে ভিটামিন সি-এর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। সেই কারণেই তো সারা বছর ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। আর শীতকালে যেহেতু এমনিতেই নানাবিধ ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়, তাই এই সময় তো বেশি করে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার, যেমন- পাতি লেবু, কমলা লেবু, কর্নফ্লাওয়ার, আপেল এবং পেয়ারা খেতে হবে।

১২. জিঙ্ক এবং সেলেনিয়াম সমৃদ্ধি খাবার: শরীর তখনই সফলভাবে সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে পারবে, যখন জিঙ্ক এবং সেলেনিয়ামের ঘাটতি দূর হবে। কারণ এই দুটি উপাদান রোগ প্রতিরাধী ব্যবস্থাকে এতটা শক্তিশালী করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো রোজের ডায়েটে মাশরুম, পালং শাক, মুরগির মাংস এবং বাঁধা কোপি থাকা মাস্ট!

ব্যায়াম ছাড়াও ওজন কমানোর কিছু সহজ উপায়

বর্তমানে প্রায় সবাই ওজন নিয়ন্ত্রনের বিষয়ে সতর্ক। তবে ভুল পদ্ধতি অবলম্বনের কারণে অনেকেই ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। স্থূলতার কারণে আমাদের বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা যায়। পেশাগত বা ব্যক্তিগত জীবনে বিভিন্ন স্ট্রেসের কারনে শরীরে স্থুলতা সৃষ্টি হতে পারে। সুস্থ কর্মকাণ্ড বা পরিশ্রম না করার কারণে আমাদের বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যায় পড়তে হয় যার মধ্যে ওজনাধিক্য অন্যতম। একটু সচেতন হলে ব্যায়াম ছাড়াও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় বলে মনে করেন মোহাম্মদপুরে অবস্থিত সিটি হেলথ সার্ভিসেস লিমিটেডের নিউট্রিশনিস্ট ও ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান সোনিয়া শরমিন খান।সম্প্রতি তিনি ওজন নিয়ন্ত্রনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাক্ষাকার দিয়েছেন একুশে টিভি অনলাইনকে। সাক্ষাতকারটি নিয়েছেন একুশে টিভি অনলাইন প্রতিবেদক তবিবুর রহমান।

প্রশ্ন: ওজন নিয়ন্ত্রণে করণীয় কী ?
সোনিয়া শরমিন খান: ওজন কমানোর সহজ উপায় হলো নিময় মেনে নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিদিন পরিমিত পরিমান খাবার গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনের চাইতে বেশি খাবার খেলে বাড়তি খাবারকেই আপনার শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনে হবে। তবে শরীরে আসলে কতটুকু খাবার প্রয়োজন তা নির্ণয় করতে খাবারের পুষ্টিমাণ এবং ক্যালরির চাহিদা সম্পর্কে জানতে হবে। পুষ্টি বহুল প্রয়োজনীয় আদর্শ খাবারের পরিমাণ নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। অর্থাৎ কোন খাবারে কি পরিমান পুষ্টি উপাদান আছে এবং দেহের চাহিদার আদর্শ পরিমান অর্থাৎ “আমার কতটুকু খেতে হবে” বিষয়টা জানতে পারলেই প্রতিদিন বেশি খাবার গ্রহণ থেকে মুক্তি মিলবে। একজন মানুষকে ৬ বেলা খেতে হবে যার মধ্যে প্রধান খাবার তিন বার হবে, তবে তা অবশ্যই পরিমান মতো। কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ শুধুই তিন বেলা খাবার খায় এবং বেশি বেশি করে খায়। এই অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। মোটকথা বয়স, উচ্চতা, ওজন ও পরিশ্রম ভেদে ক্যালরির চাহিদা অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করতে হবে।

প্রশ্ন: অনেকেই বলে বেশি পানি পান করা শরীরের জন্য ভাল আপনি কি মনে করে?
সোনিয়া শরমিন খান: বেশি বেশি পানি পান করলে শরীর সুস্থ থাকবে এমন ধারণা ঠিক নয়, সুস্থ থাকার জন্য আপনাকে পরিমান মতো পানি পান করতে হবে। একজন মানুষের প্রতি কেজি ওজনের জন্য ০.০৩ লিটার পানির প্রয়োজন। দেহের ওজনের সাথে ০.০৩ গুন করলেই একজন ব্যাক্তি তার দেহের পানি বা তরলের চাহিদা সম্পর্কে জানতে পারবে। তাই অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। খাওয়ার ১০ থেকে ১৫ মিনিট আগে পানি খেয়ে নিন। খাওয়ার পর কমপক্ষে ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর পানি খাবেন। এতে খাবারের শোষণ ও বিপাক কাজ ভাল হবে এবং শরীর সুস্থ্য থাকবে।

প্রশ্ন: সুস্থ থাকার জন্য দিনে কতবার খাওয়া উচিত ?
সোনিয়া শরমিন খান: দৈনন্দিন কাজকর্ম ও চলাফেলা করার জন্য সবল, রোগমুক্ত ও সুস্থ শরীর প্রয়োজন। আর এই সুস্থ শরীর বজায় রাখতে খাবার প্রয়োজন। খাবার শরীর গঠন, বৃদ্ধি সাধন এবং ক্ষয়পূরণ করে; তাপশক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ানোর সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। দিনে ৬ বার খাবার খেতে হবে যার মধ্যে ৩ বার প্রধান খাবার হবে। কোন বেলার খাবার বাদ বা ত্যাগ করা বা দেরিতে গ্রহণ করা যাবেনা। সময় নিয়ে, চিবিয়ে খাবার খেতে হবে। খাওয়ার সময় টেলিভিশন বা কম্পিউটারে সিনেমা দেখা লোভনীয় হলেও ক্ষতিকর। কারণ, হয়ত আপনি বেশি বা কম খেয়ে ফেলতে পারেন। ফলে নিজের ক্যালরির চাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় খাবারের আদর্শ পরিমাণে তারতম্য ঘটবে।

প্রশ্ন: ওজনাধিক্যের সঙ্গে শুধুই খাদ্যের সম্পর্ক আছে কি ?
সোনিয়া শরমিন খান: ওজনাধিক্যের সঙ্গে খাদ্যের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। অন্য কোনো কারণ যদি থাকেও তবুও ওজন বেড়ে যাওয়ার মূল কারণই বেশি বা কম খাবার গ্রহন। যদি বেশি খাওয়া হয় তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পুষ্টি উপাদান দেহে চর্বি বা মেদ হয়ে ওজনাধিক্যের সৃষ্টি করে, আবার কম খেলে পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদানের অভাবে দেহে হরমোনের ইমব্যালেন্স এর কারণে ওজনাধিক্যের সৃষ্টি হয়। শরীরের সুস্থতা বজায় রাখার জন্য সুষম খাবার পরিমাণ মত খাওয়া প্রয়োজন, এটা যেমন সত্য আবার অন্যদিকে প্রয়োজনের বেশি বা কম খেলে শরীরে ওজনাধিক্য বা অন্য কোন শারীরিক অসুস্থতা হতে পারে এটাও সত্য।

প্রশ্ন: দেহের প্রয়োজনীয় ক্যালরি কীভাবে পেতে পারি ?
সোনিয়া শরমিন খান: ক্যালরির হিসাব টা একটু অন্য রকম। দেহের ওজন,উচ্চতা,বয়স এবং শারিরীক পরিশ্রমের উপর ভিত্তি করে এটা নির্ধারণ করা হয়। শুধু তাই নয়, এটাও জানা দরকার,কোন পুষ্টি উপাদান থেকে কত পরিমান ক্যালরি প্রয়োজন। যেমন, একজন মধ্যম উচ্চতার পুর্ন বয়স্ক পুরুষের সারাদিনের ক্যালরির চাহিদা যদি ২০০০ ক্যালরি হয়, তবে এর ২০% থেকে ৩৫% হবে ফ্যাট জাতীয় খাবার থেকে। সেই অর্থে ফ্যাট জাতীয় খাবার এর ক্যালরির পরিমান হবে ৪০০ থেকে ৭০০ ক্যালরি পর্যন্ত। গ্রামে হিসাব করলে পরিমান টি দাঁড়ায় ৪৪ গ্রাম থেকে ৭৭ গ্রাম পর্যন্ত। যেমন, ৫ গ্রাম বা ১ টে.চামচ তেল/ বাটার/ মার্জারিন এ আমরা পাই ৪৫ ক্যালরি। ঠিক তেমনই একটি সাদা রুটি বা ১ কাপ (১২০মি.লি.) সাদা ভাত এ আমরা পাই ৩০ গ্রাম থেকে ৪৫ গ্রাম পর্যন্ত কার্বোহাইড্রেট যা থেকে আসবে ১১০ থেকে ১২০ ক্যালরি। আবার যেমন,এক টুকরো মুরগীর মাংসে (১০০ গ্রাম) আমরা পাই ২৪ গ্রাম থেকে ২৯ গ্রাম প্রোটিন যার ক্যালরি মান ৯৬ থেকে ১১৬ ক্যালরি। এই হিসাব টা একজন সাধারণ মানুষের জন্য একটু ঝামেলার। তাই, সবারই উচিত পরিমিত পরিমানে খাদ্যের সব (৬ টি) উপাদান এর সামঞ্জস্যতা রেখে একটি সঠিক খাদ্যাভ্যাস বা ব্যালেন্স ডায়েট গ্রহণ করা অথবা নিকটস্থ একজন পুষ্টিবিদের সাহায্যে নিজের ক্যালরির চাহিদা অনুযায়ী একটি খাদ্যতালিকা বা ডায়েট চার্ট অনুসরণ করা।

ফার্মের চেয়ে কি দেশি ডিম ভালো

অনেক মা-বাবাই তাঁদের বাচ্চাদের দেশি ডিম ছাড়া অন্য ডিম খাওয়াতে চান না। তাঁরা মনে করেন, ফার্মের ডিম খেলে শরীরের ক্ষতি হবে, তাই দেশি ডিমই তাঁদের পছন্দ। তবে বাস্তবে ঘটনা উল্টো, ফার্মের ডিমেই বরং পুষ্টি বেশি।

দেশি ডিমের রং গাঢ় বা লালাভ হলুদ। তবে ফার্মের ডিম ফ্যাকাসে রঙের বলে এটিকে তেমন ভালো নয় বলে মনে করেন অনেকে। ফার্মের ডিমের কুসুমের রং ফ্যাকাসে হওয়ার মূল কারণ কিন্তু এতে পুষ্টি কম থাকা নয়, বরং সরাসরি ভিটামিন ‘এ’ থাকার কারণে এর রং ফ্যাকাসে হয়।

ফার্মের মুরগির জন্য বিভিন্ন ভিটামিনের সঙ্গে ভিটামিন ‘এ’ও বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। তাই বাজার থেকে কিনে সরাসরি ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হয় বলে ফার্মের মুরগির ডিমের কুসুমের রং ফ্যাকাসে হয়। অন্যদিকে দেশি হাঁস-মুরগি যেসব শস্যদানা খুটে খায়, তা থেকে ভিটামিন ‘এ’ সরাসরি শরীরে প্রবেশ করে না। বরং ভিটামিন ‘এ’র একটি প্রাক অবস্থা ‘ক্যারোটিন’ শরীরে প্রবেশ করে। ক্যারোটিন পরে লিভারে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’-তে পরিণত হয়। এই ‘ক্যারোটিন’-এর জন্যই দেশি ডিম লালাভ হলুদ রঙের হয়। তাই ফার্মের ডিম ফ্যাকাসে রঙের বলে ভালো নয় আর দেশি ডিম লালাভ হলুদ বলে ভালো—এই ধারণা পুরোপুরি ভুল।

দেশি ডিমের চেয়ে ফার্মের ডিমে পুষ্টিগুণ বেশি থাকে। একটি ফার্মের ডিমে ক্যালরি থাকে ৮০ এবং দেশি মুরগির ডিমে ক্যালরি থাকে মাত্র ৫০। ফার্মের ডিমে আট গ্রাম প্রোটিন আর দেশি ডিমে ছয় গ্রাম থাকে। ফার্মের ডিমের কুসুমে ৫০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে। এটি সম্পৃক্ত চর্বি।

এ ছাড়া ভিটামিন ‘ডি’সহ প্রায় ১১ ধরনের ভিটামিন ও খনিজ থাকে। তাই বলা যায়, দেশি ডিমের চেয়ে ফার্মের ডিম ভালো।

শিশুর সর্দিতে নাকের ড্রপ কি উপকারী

শিশুর সর্দিতে বিভিন্ন ধরনের নাকের ড্রপ ব্যবহার করা হলেও সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় অক্সিমেটাজলিন, জাইলোমেটাজলিন ধরনের ড্রপ। যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশেই এসব ড্রপ জেনারেল স্টোরগুলোতে পাওয়া যায়, অর্থাৎ এসব ওষুধ কিনতে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনের প্রয়োজন হয় না। তাই অহরহ এসব ড্রপ ব্যবহার করা হয়।

আমাদের দেশেও এসব ড্রপের ব্যবহার কম নয়। শিশুর বন্ধ নাক খুলে দেওয়ার জন্য এসব ড্রপ ব্যবহার করা হলেও সম্প্রতি ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, এসব নাকের ড্রপে লাভ তো হয়ই না, বরং এতে শিশুর ক্ষতি হতে পারে। ডা. ড্রিলের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিনের একদল চিকিৎসকের গবেষণা থেকে জানা যায়, এসব নাকের ড্রপ শিশুকে দিলে অত্যধিক ঝিমুনি, পেটের সমস্যা, দ্রুত হৃদস্পন্দন, খিঁচুনি, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। নাকের ড্রপগুলোর ক্ষেত্রে আরেকটি অসুবিধা হলো এগুলোর নাম এবং প্যাকেট একই দেখতে হলেও ছোট ও বড়দের ক্ষেত্রে এই ড্রপগুলোতে মাত্রার ভিন্নতা রয়েছে। তবে অনেক সময়ই অসাবধানতাবশত মাত্রা না দেখে কেনার কারণে বড়দের ড্রপ ছোটদের দিয়ে দেওয়া হয়, এতে শিশুর ক্ষতি হতে পারে। এসব কারণে এর আগে আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইউএসএফডিএ) দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য এসব ড্রপ নিষিদ্ধ করেছিল।

তবে এ গবেষণায় দেখা যায়, ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রেও এগুলো ক্ষতিকর। তাই এখন জোর দাবি উঠছে, ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রেও এগুলো নিষিদ্ধ করার। নাকের ড্রপের সঙ্গে সঙ্গে শিশুর সর্দিতে যেকোনো ধরনের অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধও অপ্রয়োজনীয় বলে গবেষকরা এখন মত দিচ্ছেন।

হেলথ কানাডা তাই ছয় বছরের বয়সীদের ক্ষেত্রে কফ সিরাপ ও অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ নিষিদ্ধ করেছে। অন্যান্য দেশও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

জেনে নিন ভেজাল মধু চেনার ৮টি সহজ উপায়

মধু একটি উচ্চ ঔষধিগুণ সম্পন্ন ভেষজ তরল। এতে রয়েছে একাধিক রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা। মধুর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কে কম বেশি আমরা সবাই জানি। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মধু ও দারচিনির মিশ্রণ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি। পিত্ত থলির সংক্রমণ রোধ করতে, বাতের ব্যথায়, মুখের দুর্গন্ধ কাটাতে, এমনকি শরীরের বাড়তি ওজন কমাতেও মধু খুবই কার্যকরী উপাদান।

প্রাচীন কাল থেকেই গ্রিস ও মিশরে ক্ষত সারানোর কাজে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধু কখনও নষ্ট হয় না। প্রশ্ন হচ্ছে, কি করে জানবেন যে মধু আপনি খাচ্ছেন, সেটি খাঁটি কিনা? এখন বাজারে নানান রঙের মোড়কে মধু পাওয়া যায়। সুন্দরবনের খাঁটি মধুর নাম দিয়ে ভেজাল, রাসায়নিকযুক্ত উপাদান বিক্রি করাও এখন খুব স্বাভাবিক একটা ঘটনা। শুধু তাই নয়, অনেক নামী সংস্থার প্রক্রিয়াজাত মধুতেও মেলে ভেজাল। আসুন, জেনে নেয়া যাক খাঁটি মধু চিনে নেয়ার কয়েকটি সহজ উপায়।

১) মধুর স্বাদ হবে মিষ্টি, এতে কোনও ঝাঁঝালো ভাব থাকবে না।

২) মধুতে কখনও কটু গন্ধ থাকবে না। খাঁটি মধুর গন্ধ হবে মিষ্টি ও আকর্ষণীয়।

৩) এক টুকরো ব্লটিং পেপার নিন, তাতে কয়েক ফোঁটা মধু দিন। যদি কাগজ তা সম্পূর্ণ শুষে নেয়, বুঝবেন মধুটি খাঁটি নয়।

৪) শীতের দিনে বা ঠান্ডায় খাঁটি মধু দানা বেঁধে যায়।

৫) একটি মোমবাতি নিয়ে সেটির সলতেটি ভালভাবে মধুতে ডুবিয়ে নিন। এবার আগুন দিয়ে জ্বালাবার চেষ্টা করুন। যদি জ্বলে ওঠে, তাহলে বুঝবেন যে মধু খাঁটি। আর যদি না জ্বলে, বুঝবেন যে মধুতে জল মেশানো আছে।

৬) বেশ কিছুদিন ঘরে রেখে দিলে মধুতে চিনি জমতেই পারে। কিন্তু যদি বয়াম-সহ মধু গরম জলে কিছু ক্ষণ রেখে দেখুন। এই চিনি গলে মধু আবার স্বাভাবিক হয়ে আসবে। কিন্তু নকল মধুর ক্ষেত্রে এটা হবে না।

৭) এক টুকরো সাদা কাপড়ে মধু মাখান। আধ ঘণ্টা রাখুন। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি দাগ থেকে যায়, বুঝবেন মধুটি খাঁটি নয়।

৮) গ্লাসে বা বাটিতে খানিকটা জল নিন। তার মধ্যে এক চামচ মধু দিন। যদি মধু জলের সঙ্গে সহজেই মিশে যায়, তাহলে বুঝবেন যে এটা অবশ্যই নকল। আসল মধুর ঘনত্ব জলের চাইতে অনেক বেশী, তাই তা সহজে মিশবে না। এমনকি নাড়া না দিলেও মধু জলে মিশবে না।

শীত পড়তেই খুশকির সমস্যা? জেনে নিন কয়েকটি ঘরোয়া সমাধান

চুলের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে খুশকি একটা বিরাট সমস্যা। শীত এলেই বেড়ে যায় খুশকির সমস্যা। তবে আগে শুধুমাত্র শীতকালের শুষ্ক আবহাওয়াতেই খুশকির সমস্যা দেখা দিত বা বৃদ্ধি পেত। কিন্তু বর্তমানে মাত্রাতিরিক্ত দুষণের ফলে মোটামুটি সারা বছর এই সমস্যা লেগেই থাকে। অত্যধিক চুল ঝরা, রুক্ষ চুল, বিভিন্ন ধরনের স্ক্যাল্প ইনফেকশন জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ি এই খুশকি। তাই খুশকির সমস্যার সমাধানে সঠিক সময়ে তৎপর না হলে মাথা ভরা চুল ঝরে গিয়ে অল্পদিনের মধ্যেই ‘গড়ের মাঠ’ হয়ে যেতে পারে।

খুশকি থেকে রেহাই পেতে বাজারে নানা ধরনের শ্যাম্পু ও লোশন পাওয়াই যায়। কিন্তু সেগুলিতে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের প্রভাবে কখনও কখনও উল্টে চুলেরই ক্ষতি হয়। তাহলে উপায়! উপায় আছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন বেশ কিছু কার্যকরী ঘরোয়া উপায় যা খুশকির সমস্যা দ্রুত সমাধান করতে পারে। আর এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির দামও সামান্য। তাই অল্প খরচে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই খুশকির সমস্যার সমাধান করুন।

• পেঁয়াজের রস: দুটো পেঁয়াজ ভাল করে বেটে এক মগ জলে মিশিয়ে নিন। মাথায় এই পেঁয়াজের রস ভাল করে লাগিয়ে মালিশ করুন। কিছু ক্ষণ পর হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এ ভাবে সপ্তাহে দু’বার পেঁয়াজের রস মাথায় মাখলে খুশকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন।

• নারকেল তেল: নারকেল তেল খুশকির প্রকোপ কমাতে খুবই কার্যকরী। এ ছাড়া চুলে গোড়া ময়েশ্চারাইজ করে খুশকি এবং স্ক্যাল্প ইনফেকশনের সম্ভাবনাও অনেক কমিয়ে দেয়। সপ্তাহে দু’বার চুলের গোড়ায় সামান্য উষ্ণ নারকেল তেলের মালিশ করলে দ্রুত উপকার পাবেন।

• টকদই: খুশকির সমস্যা থেকে বাচঁতে টকদই খুব কার্যকরী। খুশকি দূর করতে টকদই মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে দু’বার এই ভাবে চুলে টকদই ব্যবহার করা যেতে পারে।

• লেবুর রস: দুই টেবিল-চামচ লেবুর রস অল্প জলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ২-৫ মিনিট ম্যাসাজ করার পর চুল ধুয়ে নিন। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে দু’বার এই ভাবে চুলে লেবু ব্যবহার করা যাবে।

• মেথি: মেথি সারারাত জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে নিয়ে ভাল করে বেটে নিন। ছেঁকে নেয়া জল ফেলে দেবেন না। এবার বেটে নেয়া মেথি চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভাল করে লাগিয়ে নিন। ঘণ্টা খানেক রেখে চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। চুল ধোয়ার পর মেথি ভিজিয়ে রাখা জল দিয়ে আরও একবার চুল ধুয়ে নিন। এ ভাবে সপ্তাহে দু’বার মেথি-মালিশ করলে উপকার পাওয়া যাবে দ্রুত।

• রিঠা: চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে রিঠার জুরি মেলা ভার। খুশকির সমস্যার সমাধানেও এটি বেশ কার্যকর। রিঠা পাউডার বা রিঠা সিদ্ধ জল চুলের ত্বকে লাগিয়ে ঘণ্টা খানেক রেখে ভালমতো ধুয়ে ফেলুন। এ ভাবে সপ্তাহে দু’বার রিঠা মাথায় মাখলে খুশকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন।