শেখ হাসিনা-এরশাদ বৈঠকে বসছেন আজ

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে আজ মঙ্গলবার (২অ নভেম্বর) জাতীয় পার্টির (জাপা) বৈঠক হতে পারে। জাপার নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের দুই নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন।

আসন বণ্টন নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনার জন্য এ আলোচনায় বসার কথা রয়েছে এই দুই রাজনৈতিক দলের প্রধানদের।

সোমবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও জাপা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থ অনুভব করায় তা স্থগিত করা হয়।

জানতে চাইলে জাপা মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘আমরা সময় চেয়েছি। আশা করছি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দুয়েকদিনের মধ্যেই জাপা নেতাদের ডাকবেন।’

এর আগে শনিবার বিকালে আসন বণ্টনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সময় চেয়ে জাপা চেয়ারম্যানের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভ রায় গণভবনে চিঠি পৌঁছে দেন।

মাদকদ্রব্য স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এই উপকারিতা সম্পর্কে আপনি কি জানেন

গাঁজার নেশা বড্ড বাজে নেশা। এধারণা কম বেশি আমাদের সবার আছে। গাঁজাতে কয়েক টান মারা মানেই লোকে আপনাকে নেশারু ভাবতে শুরু করে। তারপর কিছু উপদেশ-পরামর্শর বন্যা। [নিয়ন্ত্রিত মদ্যপানের কী কী উপকারিতা আপনি কি জানেন?] কিন্তু সত্য়িই কি গাঁজা এতটাই খারাপ। কোনও জিনিসেরই নেশা হওয়া ভাল না। ঠিক তেমনই মারিজুয়ানার নেশা মোটেই শরীর ও মনের পক্ষে ভাল না। কিন্তু তা বলে, মারিজুয়ানাকে যে নজরে আমরা দেখি তারও খুব একটা হয়তো প্রয়োজন নেই হয়তো।

দৈনন্দিন ব্যবহারের ৫টি খাদ্যদ্রব্য যা খেলে আপনার নেশা হবে!] প্রতিদিন ভাগ্য সঙ্গ দিক এমনটা চাইলে সপ্তাহের ৭ দিন এই ৭ ধরনের নিয়ম মেনে চলতে ভুলবেন না যেন! মনের মতো মানুষকে ভালবাসতে এবং বিয়ে করতে চান? তাহলে মা কাত্যায়নীর মন্ত্র জপ করতে ভুলবেন না! নানাবিধ খারাপ চিন্তার কারণে কি মাথা খারাপ? তাহলে রাশি ভেদে এই কাজগুলি করতে ভুলবেন না যেন! Featured Posts মারিজুয়ানার খারাপদিকগুলির পাশাপাশি কিছু ভাল দিকও রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে মারিজুয়ানার একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। তাহলে আসুন একঝলকে দেখে নেওয়া যাক মারিজুয়ানার স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলি কী কী।

সিগারেট ও তামাকের নেশা থেকে বেরিয়ে আসার সহজ উপায়] অ্যালজাইমার গবেষণায় দেখা গিয়েছে অ্যালজাইমার রোগের অগ্রগতির হার মন্থর করতে সাহায্য করে মারিজুয়ানা। হাড়ের সমস্যা মারিজুয়ানা আর্থারাইটিস সংক্রান্ত হাড়ের যে কোনও ব্যথা বা প্রদাহ উপশম করতে সাহায্য করে। ক্যানসার একটি গবেষণার পর দাবি করা হয়েছিল, ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার সময় দেখা গিয়েছে মারিজুয়ানায় পাওয়া যাওয়া ক্যানাবিডিওল ক্যানসারের কোষকে নষ্ট করে এবং ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি আটকায়।

গ্লুকোমা গ্লুকোমা সারাতেও মারিজুয়ানা উপকারিতা অনস্বীকার্য। বিজ্ঞানীরা মারিজুয়ানা দিয়ে গ্লুকোমার যন্ত্রণা নিরাময়ের ওষুধ তৈরি করার কাজ শুরু কর দিয়েছে। ফুসফুস মারিজুয়ানা ফুসফুসের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। বিশেষজ্ঞদের মতে মারিজুয়ানা ফুসফুসের শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে। যদিও অনেকে ঠিক এর উল্টোটাই বিশ্বাস করেন, ভাবেন যে এর ফলে শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষমতা কমে য়ায়। ভারতের বৃহত্তম আঞ্চলিক দেশী বিজ্ঞাপন মঞ্চতে বিজ্ঞাপন দিন এই শুক্রবার সুযোগ শেষ হচ্ছে৷বড় ব্রান্ডে বড় সুযোগ৷

এখনি কিনুন এই শুক্রবার অসাধারণ সুযোগ শেষ হচ্ছে৷ এখনি কিনুন স্ক্লেরোসিস অস্টিও স্ক্লেরোসিস বা মাল্টিপেল স্ক্লেরোসিসের ফলে যে যন্ত্রণা বা শারীরিক সমস্যা হয়, তা অনেকাংশে কম করে মারিজুয়ানা। বমি বমি ভাব মারিজুয়ানায় ক্যানাবিনয়েড আছে। যার অন্যতম উপাদান হল টিএইচসি। গা গোলানো বা বমি বমি পাওয়ার চিকিৎসায় খুব উপকারি। এই চিকিৎসার অনেক ওষুধেরও অন্যতম উপকরণ টিএইচসি। পারকিনসন বিশেষজ্ঞদের কথায় মারিজুয়ানা পারকিনসন রোগীদের হাত ও পায়ের কম্পনকে অনেকটা কম করে থিতু হতে সাহায্য করে।

নিয়মিত মধু ও তুলসী খেলে কি উপকার পেতে পারেন, জেনে নিন

তুলসী আর মধুর মিশ্রণ মিয়মিত খেলে অনেক শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। সকালে খাবার খাওয়ার আগে যদি এই মিশ্রণ গ্রহণ করা যায় তাহলে আপনাকে আর রোজ রোজ ডাক্তারের কাছে ছুটতে হবে না। [(ছবি) মস্তিষ্ক সচল রাখতে এই খাবারগুলি অবশ্যই খেতে হবে] শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে এই ধরনের প্রাকৃতিক উপাদান গ্রহণ করা যেতেই পারে। যেগুলি অত্যন্ত সহজলভ্য এবং কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকারও কোনও সম্ভাবনা নেই। মধু ও তুলসীর মিশ্রণ রোজ খেলে আপনার রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাকে আনেকগুণ বেড়ে যেতে পারে।

হাইপারটেনশনের সমস্যায় এই ধরনের খাবার একেবারে মুখে তুলবেন না] এক নজরে দেখে নেওয়া যাক মধু ও তুলসীর মিশ্রণ খেলে কি কি উপকার পাওয়া যেতে পারে [(ছবি) এই বিষাক্ত খাবারগুলি ভুল করে খেয়ে ফেলি আমরা !] রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় রোজ সকালে মধু আর তুলসীর মিশ্রণ খেলে শরীরের রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে যায়। কাশির উপশম একটানা কাশির সমস্যা সারিয়ে তুলতে মধু আর তুলসী একেবারে অনবদ্য। সর্দি থেকে মুক্তি এই মিশ্রণ প্রতিদিন নিয়ম করে খেতে থাকলে ঠাণ্ডা লাগা বা সর্দির সমস্যা থেক মুক্তি পাওয়া সম্ভব। ওয়ার্ল্ড ডায়াবেটিস ডে: রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাক এমনটা যদি না চান তাহলে কফি খান প্রতিদিন! কোন কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের অল্প সময়ে বড়লোক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে জানা আছে? চোখ, হার্ট এবং মস্তিষ্কের কোনও রোগ হোক এমনটা যদি না চান তাহলে খালি পায়ে হাঁটতে হবে রোজদিন!

অ্যালার্জির প্রভাব কমায় নিয়মিত মধু এবং তুলসীর নির্যাস খেলে মসৃণ ত্বকের যেমন পেতে পারেন তেমনি অ্যালার্জির সমস্যাও মিটে যাবে। বলিরেখার প্রভাব কম করে তুলসী এবং মধুর মধ্যে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ত্বকের বলিরেখাকে বাড়তে দেয় না। কিডনি ভাল রাখে নিয়মিত তুলসী ও মধু খেলে কিডনির ভাল থাকে। কিডনিতে পাথরের সমস্যা কম করতে তুলসী ও মধু বেশ উপযোগী।

ক্যানসার প্রতিরোধে বাঁধাকপি

বাঁধাকপি বা ব্রোকোলির মতো সবুজ রংয়ের পাতাওয়ালা কিছু সবজি পেটের জন্য ভালো, সেটা বহুদিন ধরেই প্রমাণিত। কিন্তু এ সবজিগুলো শরীরে কী প্রভাব ফেলে, তার খুব বিস্তারিত ব্যাখ্যা এতদিন ছিলনা।

ব্রিটেনের একদল বিজ্ঞানী বলছেন, এসব সবজি পাকস্থলীতে গিয়ে যখন হজম হতে থাকে তখন এগুলো থেকে ক্যানসার প্রতিরোধী রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরিত হয়। ফ্রান্সিস ক্রিক ইন্সটিটিউটের ওই গবেষকরা বলছেন, বাঁধাকপি, ব্রোকোলি বা কেইল শাকের মত কিছু সবজি বাউয়েল বা মলাশয়ের ক্যান্সার ঠেকাতে পারে।

পরীক্ষাগারে ইঁদুরের ওপর গবেষণায় দেখা হয়েছে কীভাবে সবজি পাকস্থলী এবং অন্ত্রের ওপর পাতরা আবরণ তৈরি করে। চামড়ার মতো অন্ত্রের আবরণও ক্রমাগত বদলাতে থাকে। প্রতি চার-পাঁচদিনের ব্যবধানে নতুন আবরণ তৈরি হয়। তবে এই প্রক্রিয়া বাঁধাগ্রস্ত হলে অন্ত্রে প্রদাহ, এমনকী ক্যান্সার হতে পারে।

নতুন এই গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, বাঁধাকপি বা ব্রোকোলির মত ‘ক্রসিফেরাস’ গোত্রের কিছু সবজি থেকে যে রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরিত হয়, তা এই আস্তরণ তৈরির প্রক্রিয়াকে বাধাহীন করতে সাহায্য করে। গবেষকরা দেখছেন খাবার চিবানোর সময় এই সবজিগুলো ইন্ডোল-থ্রি-কার্বিনোল নামে একটি রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে।

তবে গবেষক ড গিট্টা স্টকিঞ্জার বলেন, ‘নিশ্চিত করতে হবে এসব সবজি যেন বেশি রান্না না করা হয়, বেশি যেন গলে না যায়।’

ইন্ডোল-থ্রি পাকস্থলীর অ্যাসিডের সংস্পর্শে এসে কিছুটা বদলে যায়। তারপর অন্ত্রের শেষভাগে গিয়ে এটি স্টেমসেলের আচরণ বদলে দিতে পারে। এই স্টেম সেলই অন্ত্রের পাতলা আবরণ তৈরিতে সাহায্য করে, অন্ত্রের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষণায় দেখা গেছে ইন্ডোল-থ্রি-কার্বিনোল সমৃদ্ধ সবজি ইঁদুরের পাকস্থলীতে ক্যান্সার প্রতিরোধ করছে।

ড স্টকিঞ্জার বলছেন, ‘এমনকি আমরা দেখেছি ইঁদুরের পাকস্থলীতে যখন টিউমার তৈরি হচ্ছে, তখন এই সবজিগুলো সেই টিউমারের গ্রোথ থামিয়ে দিচ্ছে।’

ড স্টকিঞ্জার নিজে এখন মাংস কমিয়ে বেশি সবজি খাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘খাবার নিয়ে কিছুদিন পরপর আমাদের নানা পরামর্শ দেয়া হয়, অনেক সময় এগুলো বিভ্রান্তি তৈরি করে, যুক্তি ছাড়া আমাকে যদি কোনো কিছু খেতে বলা হয়, আমি তা গ্রহণ করবো না।’

ব্রিটিশ চ্যারিটি ক্যানসার রিসার্চ ইউকে’র অধ্যাপক টিম কে বলেন, ‘এই গবেষণায় যেটা পাওয়া গেল তা হচ্ছে এসব সবজিতে শুধু যে বেশি ফাইবার বা আঁশ রয়েছে তাই নয়, এগুলো থেকে যে রাসায়নিক পদার্থ বের হয়, সেটা মলাশয়ের ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে।’

উচ্চ রক্তচাপ দূর করবে শীতের ৫ সবজি

বর্তমানে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন একটি বহুল পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ এ সমস্যায় ভুগছেন।

একটা সময় উচ্চ রক্তচাপে বেশি ভুগতেন বয়স্করা। কিন্তু বর্তমানে দেখা যায় তরুণরাও এ সমস্যায় ভোগেন।

রক্তচাপ যদি টানা ১২০-১৮০ মিমির ওপর থাকে, তা হলে অবিলম্বে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

সঠিক যত্ন ও মনোযোগের অভাব, উচ্চ রক্তচাপ বা উচ্চ রক্তচাপের ফলে সংকোচিত ধমনী, সীমিত রক্তপ্রবাহের কারণেও স্ট্রোক হতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় রোজ ডাক্তারদের কাছে ভিড় করছেন হাজারও মানুষ। কিন্তু প্রকৃতিতেই এমন কিছু উপাদান আছে, যা এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

শীতকালে কিছু সবজি আছে, যেগুলো নিয়মিত খেলে উচ্চ রক্তচাপ জানালা দিয়ে পালাবে।

১. গাজর

পটাসিয়ামে ঠাসা হলুদ এ সবজি। পটাসিয়াম আপনার রক্তবাহী শিরা ও ধমনীর চাপ কমায়; এটি সোডিয়ামের খারাপ প্রভাব কমায়। গাজর এথেরোস্ক্লেরোসিস ও স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস করে। রসে বা স্ট্যিউ হিসেবে আপনার খাদ্যে গাজর অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

২. পালং শাক

পটাশিয়াম ও লুটেইন সমৃদ্ধ শাক হচ্ছে পালং। লুটেইন ধমনীগুলো ঘন হয়ে যাওয়াকে বাধা দেয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এ শাকে ফোলেট ও ম্যাগনেসিয়ামও প্রচুর, যা রক্তচাপের মাত্রা নিশ্চিত করে। পালং শাকে ক্যালোরি অত্যন্ত কম; স্যালাড, স্যান্ডউইচে এ শাক ব্যবহার করুন।

৩. মুলা

মুলাতে আছে পটাশিয়াম, যা রক্তচাপ পরিচালনা করতে সাহায্য করে। তাই খাবারে মুলা রাখতে পারেন।

৪. বিটমূল

ডি কে পাবলিশিং হাউসের `হিলিং ফুডস` বই অনুযায়ী বিটমূলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো রক্তচাপ ও কলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং ভিটামিন-বি স্নায়ুর কার্যকারিতা উন্নত করতে সহায়তা করে। গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, বিটমূল নাইট্রিক অক্সাইড নামে একটি গ্যাস উৎপন্ন করে। এই গ্যাসটি আপনার রক্ত ভেসেলগুলো শিথিল ও প্রসারিত করতে সহায়তা করে, যা রক্তপ্রবাহকে আরও উন্নত করে এবং সাময়িকভাবে রক্তচাপ কমায়।

৫. মেথি পাতা

মেথি পাতা ও মেথি বীজ দুটিতেই আছে দ্রবণীয় ফাইবার। এটি কোলেস্টেরল হ্রাস করতে সহায়তা করে। বিশেষ করে এলডিএল। ফাইবার ঠাসা খাবার রক্তচাপের মাত্রা ঠিক রাখে। মেথি পাতা ও বীজে সোডিয়াম খুব কম।

যে গাছটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মহৌষধ! নিজে জানুন, অপরকে জানান

যে গাছটি ডায়াবেটিস- ডায়াবেটিস (বহুমূত্র রোগ) একটি হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। রক্তে চিনি বা শকর্রার উপস্থিতিজনিত অসামঞ্জস্য দেখা দিলে অর্থাৎ শরীরে ইনসুলিনের ঘাটতিই হল এ রোগের মূল কথা। তবে ডায়াবেটিস পুরোপুরি নিরাময় অযোগ্য হলেও একে নিয়ন্ত্রণে রাখার নানা উপায় বাতলে দেন চিকিৎসকরা।

ডায়াবেটিস রোগে ভেষজ কেমন উপকারী তা নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। প্রাচীনকাল থেকেই নানা জটিল অসুখে আয়ুর্বেদিক ভেষজ চিকিৎসা চমৎকার ফলাফল দিচ্ছে। আয়ুর্বেদিকদের মতে, ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদের বেশ কয়েকটি ওষুধ রয়েছে যা রক্তের চিনির মাত্রা পরিচালনা করতে সহায়তা করে।

আর রক্তের চিনির নিয়ন্ত্রণের জন্য আয়ুর্বেদ যে গাছটি ব্যবহার করে তার নাম – সদাবাহার। এ ঔষধি গাছটির আদিভূমি আফ্রিকার মাদাগাস্কার হলেও ভারতীয় উপমহাদেশে এটি ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত। এই গাছের ফুল এবং এর মসৃণ, চকচকে এবং গাঢ় সবুজ রঙের পাতাগুলো টাইপ -২ ডায়াবেটিসের জন্য প্রাকৃতিক ঔষধ হিসাবে কাজ করে বলে দাবি আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞদের।

ভারতীয় আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞ ডাঃ আশুতোষ গৌতম জানান, সদাবাহার ফুল এবং পাতাগুলি রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। সকালে ফুল ও পাতা থেকে ভেষজ চা তৈরি করা যায় অথবা আপনি কার্যকর ফলাফল পেতে দিনে তিন থেকে চারটি পাতা চিবোতেও পারেন।

দীর্ঘদিন ধরে আয়ুর্বেদিক ও চীনা ওষুধে সদাবাহার ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। সদাবাহার উদ্ভিটটি ডায়াবেটিস ছাড়াও ম্যালেরিয়া, গলার ঘা এবং লিউকেমিয়ার মতো রোগের হার্বাল চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত করা হয়। তারা বিশ্বাস করেন, এই উদ্ভিদে ১০০ টিরও বেশি অ্যালকালয়েড রয়েছে, যার মধ্যে ভিনক্রিস্টাইন এবং ভিনব্লাস্টাইন তাদের ঔষধি গুণের জন্য সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য।

জেনে নিই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সদাবাহারের ব্যবহার:

প্রথমে সদাবাহারের তাজা পাতাগুলো শুকিয়ে নিয়ে গুঁড়ো করতে হবে। এসব গুঁড়ো পাত্রে সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে পাউডারগুলো যেন বাতাসের সংস্পর্ষে বেশি না থাকে। এক চামচ শুকনো পাতার গুঁড়ো প্রতিদিন পানিতে বা ফলের রসে মিশিয়ে খেতে হবে।

এছাড়াও ডায়াবেটিস রোগীদের সদাবাহার গাছ হতে তিন-চারটি পাতা ছিড়ে নিয়ে ধুয়ে চিবিয়ে রস খেলে মিলবে দারুন উপকার। এটি সারাদিন রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। সদাবাহার গাছের গোলাপী রঙের ফুলের কার্যকারিতাও অনেক। এক কাপ ফুটন্ত পানিতে এ ফুল ভিজিয়ে খালি পেটে প্রতিদিন সকালে পান করলে মিলবে উপকার।

তবে এ নিয়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন আর্য়ুবেদিক চিকিৎসকগণ। সবকিছুর আগে যে কোনো ডায়াবেটোলজিস্ট এর পরামর্শ নিতে বলছেন তারা। কেননা রোগী যদি ডায়াবেটিসের জন্য কোনো ওষুধ খান এবং আবার এই ঔষধি গাছটিও খান তাহলে রাতারাতি রক্তশর্করার মাত্রা কমে গিয়ে বিপদ হতে পারে।

চেন্নাইয়ের ভেলোরে চিকিৎসা করাতে চান? জেনে নিন ভেলোরের খুঁটিনাটি.

প্রতি বছর বাঙালীরা চিকিৎসার জন্য ভিড় জমায় ভেলোর। যাকে আমরা ভেলোর বলে চিনি সেই হাসপাতালের আসল নাম হল “Christian Medical College & Hospital(CMC)”।এই হাসপাতালটি তামিলনাডুর ভেলোরে অবস্থিত। সেই কারনে আমাদের কাছে এই হাসপাতাল ভেলোর নামে বেশি পরিচিত।

ভারতে চিকিতসা জগতে দিল্লি, মুম্বাই, ব্যাঙ্গালোর, চেন্নাই ইত্যাদি স্থানের মহত্ব আমরা জেনে থাকলেও বাঙালীরা তামিলনাডুর ভেলোর কেই বোধহয় বেশি ভরসা করি। এটি হল ভেলোর এর বিখ্যাত CMC হসপিটাল। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীরা নয়, বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ এই ভেলোরে চিকিৎসা করাতে যান। এতো বাঙালী এখানে যান বলে এখানে বাঙালী খাবারের অভাব হবে না।

এই খ্যাতির কারণ অবশ্যই এখানকার বিশ্বমানের চিকিতসা, উন্নত টেকনোলজি, যন্ত্রপাতি এবং অত্যাধুনিক প্যাথলজিোলজিসেই কারনেই বাংলাদেশ, পাকিস্তান সহ অনেক দেশ এমনকি প্রায়শই চিনের নাগরিকও এসে থাকেন এখানে চিকিৎসা করাতে। কিন্তু যারা ভাবছেন প্রথম বারের জন্য ওখানে চিকিৎসা করাতে যাবেন, তাদের আগে সবকিছু জেনেশুনে তারপর যাওয়া উচিত।

নাহলে সেখানে গিয়ে বিপদে পড়তে পারেন। আজ আমরা আলোচনা করব সেখানে যাওয়ার ট্রেন, খরচ, থাকা-খাওয়া, মেডিসিন, এবং Appointment নিয়ে। সুতরাং যারা ভাবছেন ওখানে গিয়ে চিকিৎসা করাবেন তাঁরা জেনে নিন ভেলোরের খুটিনাটি। যাবেন কিভাবে – কলকাতা থেকে ভেলোরের দূরত্ব প্রায় ১৭১২ কিমি।

ট্রেনে করে যেতে চাইলে আপনাকে কাটপাডি জংশনে (Katpadi Jn) নামতে হবে। হাওড়া থেকে কাটপাডি যাওয়ার অনেক ট্রেন পেয়ে যাবেন। সময় লাগবে ২৫ থেকে ২৯ ঘন্টার মতো। কাটপাডিতে নেমে অনেক গাড়ি পেয়ে যাবেন ভেলোর যাওয়ার জন্য। কাটপাডি থেকে ভেলোরের দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটারের মতো। ফ্লাইটে যেতে চাইলে আপনাকে নামতে হবে চেন্নাই এয়ারপোর্টে।

চেন্নাই থেকে ভেলোর গাড়িতে লাগবে ২ ঘন্টার মতো। মানে ফ্লাইটে গেলে আপনার সময় লাগবে কমপক্ষে ৫ ঘন্টা। Appointment – অফলাইন এবং অনলাইন দুই ভাবেই এখানে appointment নেওয়া সম্ভব। মানে আপনি ওখানে যাওয়ার কিছুদিন আগে অনলাইনে CMC-র ওয়েবসাইটে গিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করাতে পারেন অথবা সরাসরি ভেলোরে গিয়েও appointment করাতে পারেন। তবে যেহেতু অনেক দূর থেকে যাচ্ছেন তাই অনলাইন appointment করাই সবচেয়ে ভালো হবে। ওখানে গিয়ে appointment করালে অনেক বেশি দিন ওখানে থাকতে হবে। আর বেশিদিন থাকা মানে খরচ বেড়ে যাওয়া।

অত্যন্ত ভীড় এর জন্য যে কোনো ডিপার্টমেন্টের প্রাইভেট appointment পেতে হলে কমপক্ষে ১৫ দিন থেকে ৩ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। সেইজন্য ভেলোরে যাওয়ার ১৫ দিন থেকে ৩ মাস আগে অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে আপনাকে আগে জানতে হবে আপনার এই রোগের জন্য কোন ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসা করাতে হবে। সেই চিকিৎসার স্পেশালিষ্ট চিকিৎসক আপনাকে অনলাইনে বেছে নিতে হবে। অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে আপনাকে CMC ভেলোর এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। CMC ভেলোরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হল – www.clin.cmcvellore.ac.in

Offline appointment – ভেলোর এর মেন গেটে ঢুকলেই দেখতে পাবেন “Silver Gate For New Appointment ” বলে বড় করে লেখা রয়েছেন। সেখানে গিয়ে আপনি আপনার প্রবলেমটা জানালেই ওরা নির্দিষ্ট ডিপার্টমেন্টে appointment দিয়ে দেবে। তবে এক্ষেত্রে আপনি ৩ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে প্রাইভেট appointment পেয়ে যাবেন। সুতরাং অফলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিলে আপনাকে অনেক ভেলোরে অনেক দিন থাকতে হতে পারে। তাই আমরা পরামর্শ দেব অফলাইনের ভরসায় না থেকে আগে থেকে অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করিয়ে তবেই ভেলোরের উদ্দেশ্যে রওনা হোন। এতে আপনার টাকা এবং সময় উভয়ই বাঁচবে।

Appointment এর প্রকারভেদ – অ্যাপয়েন্টমেন্ট মূলত দুই প্রকারের হয়ে থাকে। যেমন জেনারেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং প্রাইভেট অ্যাপয়েন্টমেন্ট। General appointment – আপনি যদি জেনারেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে থাকেন তাহলে জুনিয়ার ডক্টররা রুগী দেখে। সেই কারনে জেনারেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেয়ে যাবেন অনেক কম সময়ে। জেনারেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনলাইন বা অফলাইনে করা যায়। মোটামুটিভাবে ১ থেকে ৩ দিনের মধ্যে এই জেনারেল appointment পেয়ে যাবেন।

Private appointment – আপনি যদি প্রাইভেট অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেন তাহলে সিনিয়র ডক্টররা রুগী দেখেন। তবে এখান থেকে গেলে অবশ্যই প্রাইভেট appointment নেওয়া উচিত। সিনিয়ার ডাক্তাররা দেখলে চিকিৎসা ভালো হয়। থাকবেন কোথায় –ভেলোরে থাকার জন্য অনেক লজ পেয়ে যাবেন। ডাবল বা ট্রীপল বেডের রুম পেয়ে যাবেন ৩০০-৪০০ টাকা থেকে ১৫০০-২০০০ টাকায়। তবে চেষ্টা করবেন হাসপাতালের কাছাকাছি থাকার।

ফার্মেসি – এখানে সাধারনত রোগীদের তিন মাসের জন্য মেডিসিন দিয়ে থাকে। এখান থেকে ঔষধ কিনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কারণ বাইরে সব মেডিসিন নাও পেতে পারেন। CRISS Card – এই হাসপাতালে পেমেন্টের জন্য এক ধরনের কার্ড পাওয়া যায়। এই কার্ড একবার বানিয়ে নিলে সেই কার্ডের মাধমেই সব ধরনের পেমেন্ট করতে পারবেন।

এই কার্ড বানালে আপনার হায়রানি কিছুটা কম হবে। আপনার Hospital no (Patient ID) বললেই এই CRISS কার্ড বানিয়ে দেবে ৪০২ নম্বর কাউন্টারে। এবং পরবর্তীকালে এই কার্ড সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ এই ৪০২ নম্বর কাউন্টারে এসে করতে পারবেন। এই CRISS কার্ডে আগে থেকে টাকা ভরে রাখতে হবে এই ৪০২ নম্বর কাউন্টার থেকে।

টাকা ভরতে পারেন ATM বা Money Transfer এর মাধমে। এই কার্ডের মজা হল এই কার্ডে পেমেন্ট করতে চাইলে আপনাকে বেশিক্ষন লাইনে দাঁড়াতে হবে না। কারণ এই কার্ডে পেমেন্ট কাউন্টার প্রায় সব জায়গায় আছে। এবং এই কার্ডে পেমেন্ট কাউন্টারে লাইনও পড়ে কম। এই প্রতিবেদনটি কাজের মনে হলে লাইক করুন। আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করে জানান। আপনার ফেসবুকের বন্দুদের সাথে শেয়ার করুন যাতে সবাই উপকৃত হয়। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

মিলবে ফল, বাড়বে সাইজ, নতুন লিকুইড কিনতে পুরুষদের ঢল

গোপনাঙ্গের আকার নিয়ে সমস্যায় ভোগেন এমন বহু পুরুষই রয়েছেন। অনেকেই সঙ্গিনীর ইচ্ছা পূরণ করার জন্য কিংবা অনেকে নিজের ইচ্ছাতেও লিঙ্গ বড় করার উপায় খোঁজেন। এখন এমনই এক ট্রেন্ড ভাইরাল হয়েছে ইউরোপ জুড়ে। পুরুষেরা লিঙ্গ বড় করার জন্য খুঁজেছেন এক নতুন উপায়।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘পেনিস ফিলারস’ নামে নতুন এক লিকুইড বাজারে এসেছে। যা প্রয়োগের পরেই গোপনাঙ্গের আকার বেড়ে যাবে বলে দাবি করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, ‘পেনিস ফিলার’ হায়ালুরোনিক অ্যাসিড দিয়ে তৈরি। পেশির নরম টিস্যুগুলিকে এই রাসায়নিক বাড়তে সাহায্য করে। যার ফলে লিঙ্গের পরিধি অনেকটাই বেড়ে যায়। এই পদ্ধতিতে গোপানাঙ্গ ১ থেকে ২ সেমি পর্যন্ত বাড়তে পারে। এমনটাই দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

তবে এই বিষয়ে অনেক সমস্যাও রয়েছে। ব্রিটিশ অ্যাসোসিয়েশন অফ ইউরোজিক্যাল সার্জনস-এর সদস্য আসিফ মুনির মতে, ‘পেনিস ফিলার’ থেকে পুরুষদের দূরে থাকাই উচিত। ওই প্রতিবেদনে তিনি জানিয়েছেন, এই পদ্ধতিতে পুরুষাঙ্গের লিঙ্গের পরিধি বাড়ে, দৈর্ঘ্য আদৌ বাড়ে না, ফলে এতে কোনও সুবিধা হবে না।

তিনি জানিয়েছেন, সাধারণত পর্ন ছবিতে অতিরিক্ত বড় পুরুষাঙ্গ দেখে অনেকেরই মনে হয় তাঁর লিঙ্গ ছোট। সেই থেকেই লিঙ্গ বড় করার প্রবণতা দেখা দেয়। ২০০৭ সালে ‘দ্য গার্ডিয়ান’ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডের ৪৫ শতাংশ পুরুষ তাঁদের পুরুষাঙ্গের সাইজ নিয়ে সন্তুষ্ট নন।

তবে, এসবের মধ্যেও অবশ্য সাবধানবাণীও শোনাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এক বার ‘পেনিস ফিলার’ ব্যবহার করলে অন্তত ৪ সপ্তাহ যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

পান খাওয়াতে যে ১০ অসুখ ভালো হয়!অবাক না হয়ে দেখেনিন কোনগুলো…

পান খাওয়াতে যে – পান পাতায় উপস্থিত একাধিক উপাদান নানাবিধ রোগের প্রকোপ হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে নানা রোগের চিকিৎসায় এই পাতাটির ব্যবহার করা হয়। জেনে নেয়া যাক কী কী রোগের চিকিৎসায় এই প্রকৃতিক উপাদানটি কাজে আসে:

১. নিমেষে মাথা যন্ত্রণা কমিয়ে ফেলে: শুনতে আজব লাগলেও একথার মধ্যে কোনও ভুল নেই যে নিয়মিত পান পাতা খাওয়া শুরু করলে শরীরের ভেতরে “কুলিং প্রপাটির” মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যার প্রভাবে মাথা যন্ত্রণা কমে যেতে শুরু করে।

প্রসঙ্গত, মাথা যন্ত্রণা কমাতে আরেক ভাবেও পান পাতাকে কাজে লাগানো যেতে পারে। কীভাবে? এবার থেকে যখনই মাথা যন্ত্রণা করবে, তখনই ১-২ টো পান পাতা নিয়ে কপালে লাগিয়ে ফেলবেন। দেখবেন কষ্ট কমতে সময় লাগবে না।

২. কনস্টিপেশনের মতো রোগ দূরে পালায়: বেশ কিছু গবেষনায় দেখা গেছে পান পাতায় উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে “পি এইচ লেভেল” স্বাভাবিত হতে সময় লাগে না। ফলে কোষ্টকাঠিন্য়ের মতো রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না।

৩. ব্রণর প্রকোপ কমায়: পান পাতার অন্দরে উপস্থিত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রপাটিজ একদিকে যেমন ব্রণর প্রকোপ কমায়, তেমনি স্কিন অ্যালার্জি এবং চুলকানির মতো সমস্যা দূর করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

এখন প্রশ্ন হল, ত্বকের পরিচর্যায় কীভাবে কাজে লাগাতে হবে পান পাতাকে? এক্ষেত্রে কয়েকটি পান পাতা নিয়ে প্রথমে ভাল করে বেটে নিতে হবে। তারপর অল্প পরিমাণ হলুদ, পান পাতার সঙ্গে মিশিয়ে সারা মুখে ভাল করে লাগিয়ে কম করে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে মুখটা।

৪. ওজন হ্রাসে সাহায্য করে: যে কোনও অনুষ্টান বাড়িতে মহাভোজের পর পান পরিবেশন করার রেওয়াজ রয়েছে কেন জানেন? কারণ পান পাতায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা আমাদের বিপাক প্রক্রিয়াকে জোরদার করে। সেই সঙ্গে হজমে সহায়ক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দিয়ে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। এখানেই শেষ নয়, পান পাতায় উপস্থিত ফাইবার, কনস্টিপেশন দূর করে এবং শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বিকে গলিয়ে দেয়। ফলে একাধারে যেমন ওজন হ্রাস পায়, তেমনি নানাবিধ শারীরিক সমস্যাও কমতে শুরু করে।

৫. ক্ষত সারাতে কাজে দেয়: পান পাতায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই উপাদানটি যে কোনও ক্ষত সারিয়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে ক্ষতস্থানে প্রথমে অল্প করে পান পাতার রস দিয়ে দিন। তারপর তার উপর কয়েকটি পান পাতা রেখে ব্য়ান্ডেজ দিয়ে বেঁধে দিন। এমনভাবে ১-২ দিন থাকলেই দেখবেন ক্ষত একেবারে সেরে গেছে।

৬. অবসাদ কমাতে এবং মন ভাল করতে কাজে আসে: যারা মারাত্মক মানসিক চাপে ভুগছেন তারা আজ থেকেই পান পাতা খাওয়া শুরু করুন। কারণ এতে উপস্থিত বেশ কিছু প্রাকৃতিক উপাদান নিমেষে মন ভাল করে দেয়। সেই সঙ্গে ডিপ্রেশন কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে রাতের খাবার শেষ করে ১-২ টো পান পাতা চিবোলেই দারুন উপকার পাওয়া যায়।

৭. জয়েন্ট পেন: পলিফেনাল নামে এক ধরনের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে পান পাতায়, যা প্রদাহ বা যন্ত্রণা কমাতে দারুন কাজে আসে। সেই কারণেই তো আর্থ্রাইটিস রোগীদের পান পাতার রস লাগানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

৮. মুখের গন্ধ দূর করে: মুখ গহ্বরে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে মুখের বদ গন্ধ দূর করতে পান পাতার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে পান পাতা চেবানোর সময় প্রচুর মাত্রায় স্যালাইভা তৈরি হয়, যা গন্ধ সৃষ্টিকারি ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। সেই সঙ্গে পি এইচ লেভেলকে স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসে। ফলে গন্ধ একেবারে গায়েব হয়ে যায়।

৯. গলা ব্যথা কমায়: অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকার কারণে গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা লাগার মতো সমস্যা কমাতে পান পাতা বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, প্রতিদিন পান পাতার সঙ্গে অল্প করে মধু খেলে গলার সংক্রমণও দূর হয়। তাই আবহাওয়া বদলের সময় যারা খুব রোগে ভুগে থাকেন, তারা এমন সময় সঙ্গে পান পাতা রাখতে ভুলবেন না।

১০. বদ হজমের সমস্যা দূর করে: যারা প্রায়শই বদ হজমে ভুগে থাকেন, তারা আজ থেকেই পান পাতা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন। কারণ এতে রয়েছে গ্য়াস্ট্রো প্রটেকটিভ এজেন্ট। সেই সঙ্গে রয়েছে অ্যান্টি-ফ্লটুলেন্ট এবং কার্মিনেটিভ এজেন্ট, যা স্যালিভারি জুসের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়।

ফলে হজম ক্ষমতার যেমন উন্নতি ঘটে, তেমনি খাবারে উপস্থিত খনিজ এবং বাকি পুষ্টিকর যাতে ঠিক মতো শরীর দ্বারা শোষিত হয় সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে সার্বিকবাবে শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে একাধিক রোগও দূরে পালায়।

খালেদা নির্বাচন করতে পারবেন আশা ফখরুলের

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া এখন পর্যন্ত নির্বাচন করার জন্য যোগ্য আছেন এবং নিঃসন্দেহে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।’ গতকাল সোমবার আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার এক ফাঁকে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে প্রার্থী করতে তাঁর পক্ষে ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ এবং জমা দেওয়া হয়েছে।

গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডে গতকাল মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দ্বিতীয় দিনের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়। আগের দিনের মতো গতকালও মনোনয়নপ্রত্যাশীদের প্রতি নির্বাচনের মাঠে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এদিন বরিশাল ও খুলনা বিভাগে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গতকালও লন্ডন থেকে স্কাইপের মাধ্যমে ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে প্রার্থীদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ২১টি সংসদীয় আসনে ১৭৮ জন এবং দুপুরের পর খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬টি সংসদীয় আসনে ২৯০ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী সাক্ষাৎকার দেন।

জানা গেছে, মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা একই আসন থেকে একাধিক প্রার্থী থাকার বিষয়ে দল যাঁকে মনোনয়ন দেবে তাঁর পক্ষে কাজ করা, মনোনয়ন দিলে নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার ক্ষমতা ইত্যাদি নানা প্রশ্ন করেছেন। এমনকি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার মতো বিষয়েও প্রার্থীদের  অবস্থান জানতে চেয়েছেন।

বরিশাল-১ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী আকন কুদ্দুসুর রহমান সাক্ষাৎকার শেষে কালের কণ্ঠকে বলেন, শীর্ষস্থানীয় নেতারা নির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। খুলনা-৩ (খালিশপুর-খানজাহান ও দৌলতখান) আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক ছাত্রনেতা রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, ‘দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা মনোযোগসহকারে আমাদের কথা শুনেছেন। তারেক রহমান বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন।’

বরিশাল-২ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী দুলাল হোসেন বলেন, ‘বরিশাল ১, ২ ও ৩ আসনের প্রার্থীদের একসঙ্গে ডাকা হয়েছে। আমরা কার্যালয়ের দোতলায় গিয়ে বসার পর প্রার্থীদের নাম পড়ে শোনান মহাসচিব মির্জা ফখরুল। এরপর তিনি জানান, তারেক রহমান স্কাইপে যুক্ত রয়েছেন। তিনি আপনাদের সঙ্গে কথা বলবেন। এরপর তারেক রহমান ১৫-২০ মিনিট সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকাসহ নানা দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।’ পরে অন্য নেতাদের বক্তব্য শেষে তাঁরা চলে আসেন। বরিশাল-৫ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী আবু নাসের মো. রহমাতুল্লাহ বলেন, দলের দুর্দিনে সব ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছে হাইকমান্ড। পটুয়াখালী-২ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী মুনির হোসেন বলেন, তাঁদের জেলার চারটি আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের একসঙ্গে ডাকা হয়। বোর্ডে তাঁদের তেমন কিছু জিজ্ঞাসা করা হয়নি।

এদিকে সকাল সাড়ে ৯টায় সাক্ষাৎকার দিতে আসা সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত শহীদুল হক জামালকে নেতাকর্মীরা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তিনি বরিশাল-২ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী। কয়েক দিন আগে তাঁকে দলে সক্রিয় করা হয়। সাক্ষাৎ শেষে বের হয়ে যাওয়ার সময়ে শহীদুল হক ‘অতীতের ভুল’ স্বীকার করলে নেতাকর্মীরা তাঁর পথ ছেড়ে দাঁড়ায়। একইভাবে ঝালকাঠি জেলার সাবেক সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো এবং বরিশালের সাবেক এমপি রশিদ হাওলাদারের বিরুদ্ধেও নেতাকর্মীরা স্লোগান দিতে থাকে। তবে তাঁদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়নি।

মনোনয়ন বোর্ডে ছিলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহাবুুবুর রহমান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

খালেদা জিয়ার অংশ নেওয়ার আশাবাদ

বরিশাল বিভাগের সাক্ষাৎকারের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নির্বাচন করতে পারার বিষয়ে দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন। এরপর তিনি বলেন, ‘আমরা আবারও বলছি, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে রাজবন্দিদের মুক্তি দিতে হবে। গ্রেপ্তার বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে আমরা মনে করি। গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার জন্য, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য এবং দেশের মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য যে গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যজোট শুরু করেছে, বিরোধী দলগুলো শুরু করেছে, তারই অংশ হিসেবে আমরা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। যদিও এখন পর্যন্ত নির্বাচনের জন্য একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা হয়নি, নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হয়নি, তারা সংসদ ভাঙেনি।’

মির্জ ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যে কথা দিয়েছিলেন নতুন করে গ্রেপ্তার করা হবে না, মামলা দেওয়া হবে না তারও কোনো বাস্তবায়ন নেই। আমরা প্রায়ই দেখছি, আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে এবং কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সবচেয়ে ক্ষোভের বিষয় হলো, আমাদের যারা ভালো প্রার্থী তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে, তাদের জামিন না দিয়ে জামিনের শুনানি বিলম্বিত করা হচ্ছে। শুনানির তারিখ নির্বাচনের পরে দেওয়া হচ্ছে, যেটা একটা নতুন কৌশল। তারা নিম্ন আদালতকে ব্যবহার করে এই নির্বাচনের ওপর প্রভার ফেলছে। আমরা এ বিষয়গুলো নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছি।’

দলের প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে কোন্দল আছে কি না প্রশ্ন করা হলে ফখরুল বলেন, ‘আমাদের প্রার্থিতা নিয়ে কোনো কোন্দল নেই। আমাদের প্রার্থীরা এখন ঐক্যবদ্ধ। যিনি মনোনয়ন পাবেন তাঁর পক্ষেই সবাই কাজ করবেন। কারণ এই নির্বাচনকে আমরা চূড়ান্ত আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিয়েছি।’

আজ যাঁরা সাক্ষাৎকার দেবেন : আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগ, দুপুর আড়াইটা থেকে কুমিল্লা ও সিলেট বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা সাক্ষাৎকার দেবেন। কাল বুধবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর বিভাগ, দুপুর আড়াইটা থেকে ঢাকা বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে।