সহিংসতার ঘটনা ৫ জানুয়ারি পুনরাবৃত্তির পাঁয়তারা কি না খতিয়ে দেখতে হবে : সিইসি

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির সহিংসতার কথা ভুলে গেলে চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা। এ কারণে সাম্প্রতিক সহিংসতা তৃতীয় কোনো শক্তির উত্থানের আলামত কি না তাও খতিয়ে দেখার জন্য গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে করণীয় নির্ধারণে সশস্ত্র বাহিনীসহ সব বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে বৈঠকে বক্তব্য রাখেন সিইসি।

কেএম নুরুল হুদা বলেন, নির্বাচনী প্রচারের সময় সহিংসতার ঘটনা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির পুনরাবৃত্তির পাঁয়তারা কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে।

জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, গ্রামপুলিশ, কোস্টগার্ড, আনসার বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন আজকের বৈঠকে। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এবং ইসি সচিব সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শীতের খেজুরের গুড়ে নানা উপকারিতা রয়েছে

শীত এলেই খেজুরের গুড়ের নহর বয়ে যায়। আমাদের দেশের গ্রাম-বাংলার একটি ঐতিহ্য হলো এই খেজুরের গুড়। তবে এই খেজুরের গুড়ে কী কী উপকারিতা আছে তা আমাদের জানা নেই। আজ জেনে নিন। শীত এলেই খেজুরের গুড় বানানো শুরু হয়। খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে তা আগুনে জ্বালিয়ে খেজুরের গুড় তৈরি করা হয়।

সেই গুড় দিয়ে তৈরি পিঠে, পুলি, পায়েস, মিষ্টি নিয়ে মজে থাকে পুরো বাঙালি। গবেষকরা বলেছেন গুড়ের উপকারিতা অনেক। তারা বলেছেন, আপনি যদি প্রতিদিন খাওয়ার পর একটু গুড় খান তাহলে হজম হবে খুব তাড়াতাড়ি। আমাদের হজমে সাহায্য করা এনজাইমের শক্তিকে গুড় বাড়িয়ে দেয়।

সে কারণে প্রতিদিন খাওয়ার পর গুড় খাওয়া উচিত। যদিও ডায়াবেটিক যাদের রয়েছে তাদের কথা ভিন্ন।

কী কী উপকার করে খেজুরের গুড়?

# আমরা জানি শরীরে আয়রণের অভাব ঘটলে হিমগ্লোবিনের ঘাটতি হয়। যার কারণে নানারকম সমস্যার সৃষ্টি হয়। গুড়ে প্রচুর পরিমাণে আয়রনণ থাকে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে গুড় খেলে শরীরে আয়রণের ঘাটতি পূরণ হতে পারে।

# মানব শরীরে কার্বোহাইডেড জাতীয় খাবার অর্থাৎ চিনি এনার্জি প্রদান করে। তবে এই এনার্জি অনেক সময় আমাদের শরীরে রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে কিডনি, চোখ এবং রক্তের চাপ বাড়িয়ে দেয়। গুড় খেলে এই সমস্যাটিও কম হতে পারে। কারণ হলো গুড় রক্তের সঙ্গে মিশতে বেশ কিছুটা সময় লাগে। যে কারণে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ হঠাৎ করে বেশি কমে যাওয়া বা বেড়ে যেতে পারেনা। যার ফলে আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলির ক্ষতি খুব কম হয়।

# প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম কিংবা ‌পিএমএস সমস্যায় কমবেশি প্রায় সমস্ত মহিলারা ভুগে থাকেন। প্রতিদিন নিয়ম করে অল্প পরিমাণ গুড় খেলে শরীরে হরমোনের সমতা বজায় থাকবে। তাছাড়া গুড় আমাদের শরীরে হ্যাপি হরমোনের বৃদ্ধি ঘটায় এবং হরমোনের সমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

# গুড় মানুষের শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। যে কারণে সর্দি, কাশি, ভাইরাল ফিবারের হাত হতে রক্ষা করে এবং শরীরকে গরম রাখে। তাই এই শীতের সময় গুড় খেতে পারেন। তবে যাদের ডায়াবেটিক রয়েছে তাদের কথা অবশ্য একটু ভিন্ন। আর যাদের ডায়াবেটিক নেই তারা প্রতিদিন নিয়ম করে সামান্য হলেও কিছু পরিমাণ গুড় খান।

মোশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে কুমিল্লার দাউদকান্দি থানায় রাষ্ট্রদোহীতার অভিযোগে মামলা হয়েছে।
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি) ও কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের এজেন্ট মেহমুদের মুঠোফোনে কথোপকথনকে নির্বাচনবিরোধী ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

গতকাল বুধবার রাতে দাউদকান্দি মডেল থানায় রাষ্ট্রদ্রোহীতার এই অভিযোগ করেন একই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়ার ছেলে ও দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমন।
তিনি অভিযোগ করেন, বুধবার রাতে একটি গণমাধ্যমে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে আইএসআইয়ের এজেন্ট মেহমুদের যে কথোপকথন প্রকাশিত হয়েছে তাতে বোঝা যায় তিনি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ করেছেন।

ড. মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন।
তিনি জানান, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার অভিযোগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আপনার গায়ে যদি এইভাবে কাঁটা দিয়ে ওঠে, তাহলে আপনার জন্য রয়েছে সু-সংবাদ

আপনার কি গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে? জানেন এর অর্থ কী?- আপনার কি কোনো বিশেষ গান শোনার সময় গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে? জানেন এর অর্থ কী! হ্যাঁ এই অনুভূতির কিন্তু বিশেষ অর্থ রয়েছে। গবেষকরা এমনটাই বলছেন। ধরুন, আপনি কোনো একটা বিশেষ গান, খুবই মনোযোগ দিয়ে শুনছেন।

আপনার কানে হেডফোন আছে, দুটি চোখই বন্ধ। আপনার আশপাশে বা চতুর্দিকে অসংখ্য আজব ঘটনা ঘটে চললেও আপনি আর সে সব ঘটনার মধ্যে নেই। আপনি সম্পূর্ণরূপে নিজেকে গানের মধ্যে ঢুকিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। সে সময়ে হঠাৎ করেই শরীরে হালকা শিরশিরানি অনুভব করলেন, এমনটা আপনার কখনো হয়েছে কি?

যদি হয়ে থাকে, তাহলে এ বিষয়ে মনোবিদরা জানাচ্ছেন, আপনি অসম্ভব রকম এক বিরল গুণের অধিকারী। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিরর-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি অক্সফোর্ড অ্যাকাডেমিক জার্নালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে বলা হয়, যদি কোনো গান বা মিউজিক আপনাকে আবেগময় করে তোলে ও তার জন্য যদি আপনার শরীরে শিহরণ অনুভব করেন,

তবেই বুঝতে হবে আপনার মস্তিষ্ক আর পাঁচ জনের মস্তিষ্ক থেকে আলাদা। আপনি আবেগ বা অনুভূতিকে যতটা দ্রুত আত্মস্থ করতে পারেন, অন্যরা কেউ এতোটা সহজে তা পারে না। গবেষক ম্যাথিউ স্যাচস জানাচ্ছেন, ‘ক্যাথারসিস’ প্রক্রিয়াটি যাদের খুবই শক্তিশালী, তাদের এই ধরনের অনুভূতি হয়ে থাকে।

প্রসঙ্গত, গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল প্রথম ‘ক্যাথারসিস’ শব্দটির উল্লেখ করেন। যে প্রক্রিয়ায় কোনো বিশেষ ঘটনার ফলে মানুষের অবচেতন মনে জমে থাকা কষ্ট, ভয়-ভীতির প্রকাশ ঘটে, সেটিকে বিশেষজ্ঞরা ক্যাথারসিস বলে থাকেন। ঠিক তেমনি করে গান শুনে আবেগময় বা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়াটাকেও গবেষকরা ওভাবেই ব্যাখ্যা করেছেন। গবেষকদের দাবি, গান শোনার সময়ে শ্রোতা অতীতের কোনো একটি ঘটনার কথা ভাবছেন বলেই এমন ঘটনা ঘটছে।

ইন্টারনেটে তিন পর্ন তারকার অনুসন্ধান

প্রতিবার বাংলাদেশ থেকে গুগলে বেশি খোঁজা এসএসসি ও এইচএসসির ফল। তবে এবার বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশিবার ক্রিকবাজ লিখে গুগলে সার্চ দিয়েছে। এরপরেই ‘ওয়ার্ল্ড কাপ।’ শীর্ষে থাকা এসএসসি ও এইচএসসির ফল এবার তৃতীয় ও চতুর্থ নম্বরে চলে গেছে।

বাংলাদেশকে নিয়ে ‘সার্চেস’, ‘পিপল’ ও ‘মুভিজ’—এই তিনটি ট্রেন্ড প্রকাশ করেছে গুগল। সার্চেস তালিকায় এই ফল দিয়েছে জায়ান্ট সার্চিং ইঞ্জিন গুগল। এবার ‘পিপল’ তালিকায় বড় পরিবর্তন এসেছে। ২০১৭ সালের ট্রেন্ডিংয়ে মাশরাফি বিন মর্তুজা থাকলেও এবার কোনো ক্রিকেটারের নাম আসেনি। তবে এসেছে তিন পর্ন তারকার নাম।

বাংলাদেশি দুইজন- ৯ নম্বরে খালেদা জিয়া ও ১০ নম্বরে হিরো আলম। হিরো আলম বগুড়ার ডিশ ব্যবসায়ী থেকে দেশব্যাপী নানা সময়ে নানাভাবে আলোচিত হয়ে ওঠেন। বছর শেষে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম ক্রয় করে তুমুল আলোচনায় আসেন। আর এ বছর খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের বিষয়টি আলোচিত ছিল।

বাংলাদেশ থেকে অনুসন্ধানের তালিকায় বেশ ক’বছর ধরেই থাকেন সানি লিওন। এবার সানি লিওনের চেয়েও পর্নহ তারকা মিয়া খলিফাকে বেশি খোঁজা হয়েছে বাংলাদেশ থেকে।

গুগল ট্রেন্ডসের ওয়েবসাইটে সম্প্রতি ট্রেন্ডিং সার্চের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। দেশভিত্তিক ও বৈশ্বিকভাবে গুগল সার্চ ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে। পিপল ক্যাটাগরিতে আর কোনো বাংলাদেশি জায়গা পাননি।

ট্রেন্ডিং ২০১৮ ‘পিপল’ তালিকা

১-কলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ
২-প্রিয়া প্রকাশ
৩- মেগান মার্কেল

৪-মিয়া খলিফা
৫-সানি লিওন
৬-কিলিয়ান এমবাপ্পে
৭-মিয়া মালকোভা
৮-নিক জোনাস
৯- খালেদা জিয়া
১০-হিরো আলম

আপনি কি ধূমপায়ী? ফুসফুসের সুস্বাস্থ্য ধরে রাখুন এই ঘরোয়া উপায়ে

গোটা বিশ্বে ধূমপায়ীদের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। আর ধূমপানের এই নেশা ছাড়তে চেয়েও বারবার ব্যর্থতার মুখ দেখতে হয়েছে অসংখ্য মানুষকে। ধূমপান ছাড়ার পর ছ’মাস, এক বছর বা বছর দুই তিনেক কাটানোর পরও ফের ধূমপানের আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েছেন অনেকে। বাজার চলতি নেশা ছাড়ানোর পদ্ধতিগুলির বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কার্যকরী হয় না।

কিন্তু এমন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে যা ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে আপনার ফুসফুসকে রক্ষা করতে অনেকটাই সক্ষম। তাই ধূমপানের অভ্যাস ছাড়ার চেষ্টার পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় কিছু সংযোজন, কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে সহজেই সুস্থ থাকা যায়। আসুন সে সম্পর্কে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক।

ব্রকোলি: সবুজ রঙা এই ফুলকপির মতো এই সবজিটি এখন যে কোনও বাজারেই পাওয়া যায়। ব্রকোলির মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি-৫ আর ভিটামিন সি। ভিটামিন বি শরীরকে সামগ্রিকভাবে সুস্থ রাখে। আর ভিটামিন সি শরীরের পরিপাকতন্ত্রকে ঠিক রাখে। সুতরাং, ব্রকোলি খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিক মতো হবে আর ফুসফুসে নিকোটিনের খারাপ প্রভাবও কম পড়বে!

কমলা লেবু: কমলা লেবু খেতে নিশ্চয়ই ভালবাসেন! নিকোটিন শরীরে গেলে ভিটামিন সি কমিয়ে দেয়। সেই ঘাটতিটা পূরণ করবে কমলা লেবুর ভিটামিন সি। ফলে, নিকোটিন থেকে যে ক্লান্তি এবং শারীরিক অস্বস্তি জন্ম নেয়, কমলা লেবুর এক কোয়া কাটিয়ে দেবে সেটাও!

পালং শাক: পালং শাকের মধ্যে থাকে ফলিক অ্যাসিড, যা শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দিতে সাহায্য করে!

মধু: মধুর বেশ কিছু ভিটামিন, উত্সেচক এবং প্রোটিন শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দেওয়ার পাশাপাশি সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ফলে নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণ মধু সেবনের মাধ্যমে ধূমপান ছাড়তে কোনও অসুবিধাই হয় না।

আদা: ধূমপানের নেশা ছাড়াতে চাইলে আদার ব্যবহার করা যেতে পারে। আদা চা বা কাঁচা আদা নিয়মিত খেলে ধীরে ধীরে ধূমপানের ইচ্ছে কমে যায়। ধূমপানের ইচ্ছে হলেই যদি এক টুকরো কাঁচা আদা মুখে দেওয়া যায় তাহলে ধূমপানের ইচ্ছা প্রশমিত হবে অনেকটাই। এ ছাড়া আদা শরীর থেকে নিকোটিনজাত টক্সিন বের করে দেয়। পাশাপাশি, নিকোটিন থেকে জন্ম নেওয়া ক্লান্তি দূর করতেও সাহায্য করে।

বাঁধাকপি: বাঁধাকপির মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা রক্ত পরিষ্কার করে আপনাকে সুস্থ এবং তরতাজা রাখবে!

মূলা: ১ গ্লাস মূলার রসের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে দিনে দু’বার করে নিয়মিত খেলে ধূমপানের ইচ্ছা একেবারে কমে যায়। শুধু ধূমপানের অভ্যাসই নয়, যে কোনও ধরনের নেশামুক্তির ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা মূলার উপরই ভরসা রাখেন।

আঙুরের রস: ধূমপানের ফলে শরীরের ভিতরে নিকোটিনের মাধ্যমে জমতে থাকা টক্সিন বেরিয়ে গেলেই ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয়, ধূমপানের ইচ্ছাও কমতে শুরু করে। আর আঙুরের রস ফুসফুসকে টক্সিন-মুক্ত করতে সাহায্য করে।

লঙ্কা গুঁড়ো: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নানাভাবে যদি নিয়মিত লঙ্কা গুঁড়ো খাওয়া যায়, তাহলে ফুসফুসের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ধূমপান করার ইচ্ছাও কমতে থাকে। এক গ্লাস জলে অল্প পরিমাণ (এক চিমটে) লঙ্কার গুঁড়ো ফেলে সেই জলটি পান করা যায়, সেক্ষেত্রে দারুন উপকার পাওয়া যেতে পারে।

এই পদ্ধতিগুলি জানার পরও একটা কথা মাথায় রাখতে হবে। যে কোনও নেশা ছাড়ার জন্য চাই মনোবল এবং ধৈর্য। মনের জোরে ধৈর্য ধরে এই পদ্ধতিগুলির যে কোনও একটা মেনে চলতে পারলেই সুফল মিলবেই। আর যতদিন না ছাড়তে পারছেন, ততদিন খাবারের তালিকায় রাখুন এই সহজলভ্য উপাদানগুলি। এতে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ফুসফুসকে রক্ষা করা যাবে, ফলে সুস্থ থাকবেন আপনি।

ডিসি ফোনে বলিছে পছন্দের মার্কা লিয়ে লেন

উচ্চ আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় আলোচিত হিরো আলম বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাঁর প্রতীক বরাদ্দ পাননি। তবে রিটার্নিং অফিসার ফোনে তাঁর পছন্দের প্রতীক সিংহ নিয়ে প্রচারণা শুরুর মৌখিক অনুমতি দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বুধবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘হামি ডিসির সাথে কথা বইলচি। তিনি ঢাকায়, আমাকে বলিছে আপনার পছন্দের মার্কা কী, আমি বলছি সিংহ। তিনি বইলছেন লিয়ে লেন। হামি সিংহ লিয়ে লিছি ভাই। আইজকা পোস্টার ছাপামু। ‘

জানা গেছে, স্বতন্ত্র কোনো প্রার্থী নেই, তাই যে কোনো প্রতীক চাইলে তার নিতে সমস্যা নেই বলে জানান হিরো আলম। ইতোমধ্যে তিনি পোস্টার ছাপিয়ে ফেলেছেন।

অন্যদিকে, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফয়েজ আহাম্মদ জানান, নির্বাচন কমিশন থেকে চিঠি আসেনি। চিঠি এলেই প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

বগুড়া ৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে হিরো আলমের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন মহাজোট মনোনীত এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন (নৌকা), বিএনপির মনোনীত মোশারফ হোসেন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী (হাতপাখা), তরিকত ফেডারেশনের কাজী এম এ কাশেম (ফুলের মালা), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আয়ুব আলী (আম) ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের জীবন রহমান (টেলিভিশন)।

দাঁতে পোকা ? রাতে ব্যাথায় ঘুম আসছে না ? এই ঘরোয়া চিকিৎসাতে দাঁতের ব্যাথা কমিয়ে ফেলুন

দাঁতে পোকা – কথাতেই আছে ‘দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম কেউ বোঝেনা’… একথা কতটা সত্যি সেটা তারাই বোঝেন যারা দাঁত নিয়ে কষ্ট পাচ্ছেন বা পেয়েছেন। প্রতিদিন দাঁতের যত্ন নেওয়া অবশ্যই দরকার। যেমন, সকালে দাঁত ব্রাশ করা আর রাতে শুতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করা খুবই দরকারি। কিন্তু অনেকেই এই নিয়ম মেনে চলেন না। তাই কষ্ট পান দাঁতের ব্যাথায়।

দাঁতে ব্যাথা হবার একটি খারাপ সময়ও আছে। সেটি হল রাতে ঘুমনোর সময় বা রাতে যখন সব ডেন্টিস্ট চেম্বার বন্ধ বা সব ওষুধের দোকান বন্ধ, ঠিক তখনই দাঁতের ব্যাথা চরম আকার ধারন করে। তখন সারা রাত সেই অসহ্য ব্যাথা সহ্য করা ছাড়া কিছু করার থাকেনা।

তারপর এখন এসেগেছে শীতকাল। শীতকাল সবরকম ব্যাথার জন্য খুবই সাংঘাতিক। আর সেটা যদি হয় দাঁতের ব্যাথা তাহলে তো কোন কথাই নেই। ব্যাথা যুক্ত দাঁত তুলে না ফেলা পর্যন্ত কোন রেহাই নেই। কিছু করার না থাকলে একমাত্র উপায় হল পেইনকিলার খাওয়া। কিন্তু পেইনকিলার শরীরের পক্ষে যথেষ্ট ক্ষতিকারক।

তাহলে কি উপায়ে ঠিক করবেন দাঁতের ব্যাথা ? উপায় আপনার ঘরেই পাবেন। এমন কিছু জিনিস যা আপনার ঘরেই আছে, তা আপনাকে দাঁতের ব্যাথা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেগুলি কি…

লবণ জল ঃ এটি দাঁতে ব্যাথা কমানোর একটি সাধারণ উপায়। লবণ এমন একটি উপাদান যা প্রত্যেক ঘরেই থাকে। দাঁতে ব্যাথা হলে উষ্ণ গরম জলে একটু লবণ মিশিয়ে বারবার কুলকুচি করুন। এতে দাঁতের ব্যাথা কমবে আর মুখে থাকা জীবাণু নাশ হবে। এর সঙ্গে মাড়িতে রক্ত চলাচল হবে ফলে মাড়ির ব্যাথাও কমে আসবে।

লবঙ্গ ঃ এই জিনিসটি সব বাড়িতেই থাকে। যখন দাঁতে ব্যাথা হবে তখন যে দাঁতটি ব্যাথা তার ওপরে একটি লবঙ্গ উলটো দিক দিয়ে চেপে ধরে থাকুন। অথবা দাঁতে লবঙ্গ তেল ব্যাবহার করতে পারেন। এর ফলে ব্যাথা থেকে সাময়িক মুক্তি পাবেন। তবে সাবধান, দু ফোঁটার বেশি তেল ব্যবহার করবেন না।

আদা ঃ দাঁতে ব্যাথা থেকে নিমিষে আরাম দেয় আদা। এক টুকরো আদা নিয়ে ব্যাথা যুক্ত দাঁত দিয়ে চিবতে থাকুন। যে দাঁতে ব্যাথা তার ওপরে আর আশে পাশে আদার রস দিন। কিছুক্ষন পর অবশ্যই ব্যাথা থেকে আরাম পাবেন।

রসুন ঃ এক কোয়া রসুন থেঁতো করে বা তাতে একটু লবণ মিশিয়ে দাঁতে লাগিয়ে রাখুন, উপকার পাবেন।

পেঁয়াজ : এক টুকরো পেঁয়াজ কেটে দাঁতের ফাঁকে দিয়ে রাখুন, নিশ্চয়ই উপকারে আসবে।

লঙ্কা : অবাক হচ্ছেন ? অবাক হওয়ার কিছু নেই। শুকনো লঙ্কা বা কাঁচা লঙ্কা পেস্ট তৈরি করে ব্যাথা দাঁতের উপর দিয়ে রাখুন। লঙ্কায় থাকা ক্যালসিয়াম ব্যাথা কমিয়ে দেবে।

বেকিং সোডা : একটু তুলো জলে ভিজিয়ে রেখে তার ওপর খানিকটা বেকিং সোডা নিয়ে ব্যাথা দাঁতের ওপর দিয়ে রাখুন। তারপর এক গ্লাস গরম জলে বেকিং সোডা নিয়ে কুলকুচি করুন, ব্যাথা থেকে অবশ্যই উপশম মিলবে।

ওজন কমানোর জন্য কিভাবে বানাবেন জিরা পানি, কখন ও কিভাবে খাবেন, জেনে নিন বিস্তারিত…

আজকের রেসিপি আয়োজনে রয়েছে জিরা পানি । আপনাদের কে দেখাবে কি ভাবে তৈরি করবেন দারুন মজার এই রেসিপিটি । খুব সহজে এবং তাড়াতাড়ি এই পদটি তৈরি করা যায়। চলুন জেনে নিই-

উপকরণ : তেঁতুল জুস স্বাদ মত, আখের গুড় ৫ টেবিল চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, জিরা হালকা করে ভাজা ২ চা চামচ, বিট লবণ ১ চা চামচ, পানি ৬ কাপ, সাদা গোল মরিচ গুড়া হাফ চামচ

প্রস্তুত প্রনালিঃ প্রথমেই তেঁতুলের জুস বানাবার মত পরিমাণে তেঁতুল বিশুদ্ধ পানিতে ভিজিয়ে রাখলাম প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট। ভিজিয়ে রাখার সময় পার হবার পর তেঁতুলের কাথ-টা ভালোমতো ছেঁকে নিয়ে তেঁতুলের বিচি ফেলে দিই। তেঁতুলের সেই ছেঁকে নেয়া কাথের সাথে ৬ কাপ খাবার পানি মিশিয়ে নিলাম।

চাইলে তেঁতুল এর পরিবর্তে লেবু ব্যবহার করতে পারেন। ২ চা চামচ জিরা ভেজে গুড়া করে নিতে হবে। গোল মরিচ গুড়া করে নিতে হবে। গুঁড়া করা জিরা, গোল মরিচ গুঁড়া, বীট লবণ, চিনি, আখের গুড় , ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মিশাই যতক্ষন না চিনি গলে যায়। যদি কেউ এই পানিয় ডায়েট এর জন্য খেতে চান তবে চিনির বদলে সুগার ফ্রী ব্যবহার করতে পারেন।

চিনি গলে যাবার পর শরবতটি ছেঁকে নিন।খাবার আগে গ্লাসগুলিকে রেফ্রিজারেটরে কিছুক্ষণ রেখে ঠান্ডা করে নিওয়া ভাল। পরিবেশনের আগে বরফ, পুদিনা পাতা দিয়ে সাজিয়ে দিতে পারেন। হয়ে গেল আমাদের জিরা পানি। জিরা পানি যেমন খেতে সুস্বাদু তেমনি পুষ্টি গুনে ভরপুর।

জিরা পানি এর স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ ওজন কমাতে- দিনে দু’বার এই জিরাপানি খেলে এটি পেটের ক্ষুধা কমিয়ে দেয় যার ফলে খাওয়ার ইচ্ছেটা কমে যায়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি- এতে আয়রনের পাশাপাশি বেশ ভালো পরিমান ভিটামিন এ ও সি থাকে যা থেকে অ্যান্টি অক্সিডেণ্টের সুবিধা পাওয়া যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কাজ পরিচালনা করে।

রক্তশূন্যতার চিকিৎসা- জিরাতে থাকা আয়রন রক্তস্রোতে অক্সিজেন বহনকারী হিমোগ্লোবিনের পরিমান বৃদ্ধি করে।

অ্যাসিডিটি- যেকোনো ভারী খাবার খাওয়ার পর জিরাপানি খেলে অ্যাসিডিটির আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য- যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তারা দিনে দুইবার এই পানীয়টি পান করতে পারেন।

গ্যাসের সমস্যা- গ্যাসের কারনে পেট ফুলে থাকে তাহলে জিরাপানি খেতে পারেন যতক্ষন না পেটের গ্যাস দূর হয়।

পানিশূন্যতা দূরীকরণ- এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতার মাঝে একটি হচ্ছে গরম কালে এটি দেহকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।

ভালো ঘুমের জন্য- যাদের মাঝে ইন্সমোনিয়া বা ঘুমের সমস্যা আছে তাদের জন্য জিরাপানি খুব উপকারী। নিয়মিত খেলে ভালো ঘুম হয়।

তলপেটের ব্যাথা কমাতে- মাসিকের দিনগুলোতে তলপেটে ব্যাথা অনুভব করেন অনেক নারীই, তাদের এই ব্যাথা কমাতে অল্প অল্প করে সারাদিন জিরাপানি খেতে পারেন।

ব্রণের চিকিৎসায়- জিরা পানি ব্রণের জন্য প্রাকৃতিক ঔষধের কাজ করে

চিনি মাখার উপকারিতা, যা জানলে আপনি এখনই তা করতে চাইবেন…

চিনি সম্পর্কে সকলেই জানেন, প্রত্যেকেই চিনি ব্যবহার করেন। চিনিকে আমরা খাদ্য উপকরণ হিসাবেই জানি। সব রান্নাতেই প্রায় আমরা চিনি ব্যবহার করে থাকি। চিনি হল মিষ্টি তৈরীর প্রধান উপাদান। চিনি দিয়ে তৈরী খাবার গুলি যতটাই সুস্বাদু হয় ঠিক ততটাই শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। অতিরিক্ত চিনি খেলে বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে। যেমন – সুগার, ডায়বেটিস ইত্যাদি।

কিন্তু বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার দ্বারা দেখা যায় যে চিনি শরীরের জন্য অপকারী হলেও চুলের জন্য খুবই উপকারী। এটি চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ব্রিটেনের বিখ্যাত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ফ্রান্সেস্কা ফুসকো ওয়েক্সলার বলেন যে শ্যম্পুর সাথে যদি চিনি মিশিয়ে শ্যম্পু করা যায় তাহলে চুল ঘন, কালো, মজবুত ও সুন্দর হয়।

চুলের বৃদ্ধিও হয় এবং পরিষ্কার থাকে। ফলে চুল আগের থেকে বেশি সিল্কি ও ঝলমলে দেখতে লাগে। শুধু শ্যম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করলে চুলে কোন ঔজ্জ্বল্য থাকেনা। শ্যম্পুর সাথে চিনি মিশিয়ে চুল ধুলে চুল উজ্জ্বল হবে এবং চুলের আদ্রতা বজায় থাকবে।

চুলের গ্রোথ কিভাবে হবে এই নিয়ে বিশেষজ্ঞরা অনেক পরীক্ষা করেছেন। পরীক্ষার পর মারি ক্লেয়ার নামে এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি শ্যাম্পুর সাথে এক চা চামচের মতো চিনি মিশিয়ে মাথার ত্বকে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করা হয় তাহলে মাথায় খুস্কি সমস্যা দূর হয়।

চিনি এমন একটি জিনিস যার ভালো দিক খারাপ দিক দুটোই আছে। এর আরও অনেক কার্যকারিতা আছে। চিনি শুধু রান্না করা আর চুলের গ্রোথ বারানোর কাজেই লাগে না। চিনি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতেও উপকারী। নিয়মিত যদি ত্বকে চিনি ম্যাসেজ করা যায় তাহলে ত্বকের কালো দাগ, চোখের নীচে ডার্ক সার্কেল, ওপেন পোরস এর সমস্যা দূর হয়।

সব ধরনের ত্বকে দারুন স্ক্রাব হিসাবে কাজ করে চিনি। অলিভ অয়েলের সঙ্গে চিনি ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রন মুখে কিছুক্ষন লাগিয়ে রাখুন। রাখার পর হালকা গরম জলে মুখ ধুয়ে নিন। চিনি গ্লাইকোলিক এসিডের প্রাকৃতিক উৎস। রোদে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের চিকিতসায় গ্লাইকোলিক এসিড ব্যবহার করা হয়। তাই রোদে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হলে চিনি ব্যবহার করা যেতে পারে।

যদি আপনি এই টিপস গুলি মেনে চলেন তাহলে কিছুদিনের মধ্যে আপনার ত্বকে এবং চুলে চোখে লাগার মতো পার্থক্য দেখতে পাবেন।