দাঁত একদম সাদা ঝকঝকে করতে আজই ব্যাবহার করুন এই জিনিস, হাতেনাতে ফল পাবেন

মুখ মানুষের সম্পর্কে অনেক কিছু বলে থাকে। আর মুখের মধ্যে সব থেকে মূল্যবান হল হাসি, এই হাসি তখনই ভালো লাগে যখন দাঁত সুন্দর ও চকচকে হয়। কারো সাথে প্রথম দেখা হলে তার সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি হয় এই হাসির জন্যই।

তাই অন্যের মনে নিজের সম্পর্কে একটা ভালো ছাপ ফেলার জন্য সবার আগে যা জরুরি তা হলো দাঁতকে চকচকে রাখা। কিন্তু অনেকেই দাঁতের হলুদ রঙের জন্য ভুগে থাকে, ভালো করে করো সাথে কথা বলতে পারে না। কিন্তু মাত্র ২ মিনিটেই দাঁতের হলুদ রঙ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এবং একই সাথে চকচকে দাঁতের অধিকারী হওয়াও সম্ভব। আসুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে সেটি সম্ভব।

এই জন্য দরকার টুথপেস্ট, বেকিং সোডা , লবণ, লেবুর রস ও কফি । প্রথমে একটি ছোট্ট পাত্রে পরিমাণ মতো টুথপেস্ট নিন তারপর এর সাথে অর্ধেক চামচ বেকিং সোডা নিন, এর ওপর অল্প লবণ দিন এবং তারপর এর সাথে অর্ধেক চামচ পাতি লেবুর রস দিয়ে ভালো ভাবে মিশ্রণ তৈরি করুন।বেকিং সোডা না থাকলে আপনি এর বদলে ইনো ও ব্যবহার করতে পারেন।তবে মনে রাখতে হবে ইনো ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব অল্প পরিমাণে ইনো ব্যবহার করতে হবে। এবং সব শেষে এর সাথে কফি যোগ করে ভালো ভাবে মিশ্রণটি তৈরি করে ফেলুন।

এরপর মিশ্রণটি তৈরি হয়ে গেলে সেটিকে ব্রাশে করে নিয়ে দাঁত মাজুন। এটি শুধুমাত্র একবার করার ফলেই আপনার দাঁত হিরের মতো সাদা ও উজ্জ্বল দেখাবে। তবে এটি করার সময়ে একটা জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখবেন, যেনো 2 মিনিটের বেশী ওই মিশ্রণ টি ব্যবহার করা না হয়। কারণ এই মিশ্রণে আগে থেকেই বেকিং সোডা বা ইনো ব্যবহার করা হয়েছিলো যার ফলে একবার ব্যবহার করলেই দাঁত চকচকে হয়ে যাবে। বরং বেশি ব্যবহারে দাঁতের ক্ষতিই হতে পারে। তাই চেষ্টা করুন 2 মিনিটের কম সময়ে এই মিশ্রণটি ব্যবহার করার।

এই মিশ্রণটি ব্যবহার করলে আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এবং আপনি রাতারাতি চকচকে দাঁতের অধিকারী হয়ে উঠবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে জানিয়ে দিন।

লিভার, কিডনি ও হার্ট ভাল রাখতে কিসমিস, যেভাবে খাবেন…

মিষ্টি খাবার কিংবা পোলাওয়ে কয়েকটি কিসমিস দিলে এর স্বাদ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কিন্তু শুধু কিসমিসের কত গুণ, তা অনেকের কাছেই অজানা। রোজ এক কাপ করে কিসমিস ভেজানো পানি খেলে পাওয়া যায় বিশেষ উপকারিতা। জেনে নিন কি কি ফল পাবেন কিসমিস বা কিসমিস ভেজানো পানি খেলে…

কিসমিসে থাকে পটাশিয়াম, যা হার্টকে ভাল রাখে এবং খারাপ কোলেস্টরল দূর করতে সাহায্য করে।
এতে রয়েছে আয়রন। যা রক্তাল্পতা কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

কিসমিসে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা শক্তি জোগায়। মহিলারাই বিশেষত রক্তাল্পতায় ভোগেন, তাই চিকিৎসকরা বলেন কিসমিস খাওয়া মহিলাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে বিশেষ উপকারী।

এছাড়াও নিয়মিত কিসমিস খেলে বা কিসমিস ভেজানো পানি খেলে লিভারও ভাল থাকে। যারা প্রায়ই পেটের নানা সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য এই পানি বিশেষ উপকারী।
কিসমিস ভেজানো পানি খেলে শরীরে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার ফলে রক্ত পরিশোধিত হয়।

কিসমিস ভেজানো পানি খেলে লিভারের পাশাপাশি কিডনিও খুব ভাল থাকে। আর কিডনি ও লিভার দুটো ভাল থাকলে হজমও ভালভাবে হয়।

কীভাবে বানাবেন কিসমিস ভেজানো পানি? ২ কাপ পানিতে ১৫০ গ্রাম কিসমিস ভিজিয়ে রাখতে হবে সারা রাত। গাঢ় রংয়ের কিসমিস বেশি উপকারী। কিসমিসগুলো ভালভাবে ধুয়ে, সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে কিসমিস ছেঁকে নিয়ে সেই পানি হালকা গরম করে খালি পেটে খেয়ে নিন। এর পরে আধ ঘণ্টা আর অন্য কিছু খাবেন না। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এই পানি খেলে সুস্থ থাকবেন।

কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে এই খাবারগুলি অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ছন্দকে প্রতিনিয়ত বিঘ্নিত করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের ফলে প্রতিদিন শরীর থেকে মল স্বাভাবিক ভাবে নির্গত হতে পারে না। খাওয়া-দাওয়ার পরিমাণ বা ইচ্ছার ক্ষেত্রেও যার প্রভাব পড়ে। পেট ভরে কিছু খাওয়ার ক্ষেত্রে একটা ভয় যেন সারাক্ষণ তাড়া করে বেড়ায়। পঞ্চাশোর্দ্ধো অনেক মানুষই এই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন। গর্ভবতী মহিলাদেরও এই সমস্যা দেখা যায়।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপরিকল্পিত ডায়েট, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই সমস্যা বংশানুক্রমিক। সময়মতো কোষ্ঠকাঠিন্যে যথাযথ ব্যবস্থা বা সতর্কতা অবলম্বন না-করলে তা কোলন ক্যান্সারের সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের এই খাবারগুলি এড়িয়ে চলাই ভাল:-

কাঁচকলা: অনেকেই বলেন, কাঁচকলা আমাদের শরীর-স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কিন্তু যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা কাঁচকলা খেলে ফলাফল হবে একেবারে উল্টো। তবে পাকা কলায় যথেষ্ট পরিমাণ ফাইবার আছে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় পাকা কলা খাওয়া যেতে পারে।

মাংস: রেড মিট (খাসির মাংস বা যে সব মাংসে চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে)। এই জাতীয় খাবার অন্ত্রে বহুক্ষণ থাকে, হজম হতে সময় লাগে। এই জাতীয় মাংস কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।
দুধ: দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার (যেমন: পনির, আইসক্রিম ইত্যাদি) কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়াতে পারে অনেকের। আসলে এ ধরনের খাবারে ফাইবারের পরিমাণ খুব কম। তবে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় দুধ থাকাটা খুবই জরুরি। হজমে সহায়ক হিসেবে টক দই খুবই উপকারি।
তেলেভাজা: স্ন্যাকস জাতীয় খাবার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন ফ্রাই, পটেটো চিপস বা ওই জাতীয় তেলে ভাজা খাবার অন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর। এগুলি অন্ত্রের স্বাভাবিক কাজে বাধা দেয়। এগুলি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।

হিমায়িত খাবার: ঠান্ডায় সংরক্ষিত বা প্রক্রিয়াজাত খাবারে জল শুকিয়ে ফেলা হয় এবং এই খাবারগুলিতে লবনের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে এ ধরনের খাবারে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে।
বেকারি পণ্য: বেকারি পণ্য যেমন, বিস্কুট, ক্র্যাকার্স বা পেস্ট্রিজাতীয় খাবারে ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে। শুধু তাই নয় বেকারির খাবারে জলীয় অংশ বা ফাইবারের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকে। যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাঁদের জন্য এগুলি এড়িয়ে চলাই ভাল।

উপরে উল্লেখিত খাবার-দাবারগুলি এড়িয়ে চললে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। তবে এই সমস্যায় অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত।

প্রতিদিন ডিম খেলে মস্তিষ্কের অবস্থা কী হয় জানেন

সস্থায় সুস্থ থাকতে ডিমের কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। কিন্তু একথাও ঠিক যে প্রতিদিন ডিম খেলে মস্তিষ্কের ভেতরে নানা পরিবর্তন হতে শুরু করে। আর এই পরিবর্তন আদৌ স্বাস্থ্যকর কিনা সে বিষয়ে জানা আছে কি?

সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেছে। স্টিডিটি চসাকালীন দেখা গেছে প্রতিদিনের ডায়েটে ডিমকে রাখলে শরীরের ভেতরে এমন কিছু উপাকারি উপাদানের মাত্রা বাড়তে থাকে যে তার প্রভাবে ব্রেন সেল শক্তিশালী হয়ে উঠতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্মৃতিশক্তি যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি বুদ্ধির ধারও বাড়তে শুরু করে। তাই মস্তষ্কের ভেতরের এই পরিবর্তন যে আদৌ নেতিবাচক নয়, সে বিষয়ে আর কোনও সন্দেহ থাকে না।

প্রসঙ্গত, আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রিশানে প্রকাশিত এই গবেষণা পত্রটি অনুসারে ডিমের ভেতরে উপস্থিত কোলিন এবং ডোকোসেহেক্সেনিক অ্যাসিড নামক দুটি উপাদানের মাত্রা শরীরে যত বাড়তে থাকে, তত ব্রেন পাওয়ারে উন্নতি ঘটে। সেই কারণেই তো গবেষকরা ৬ বছরের পর থেকেই বাচ্চাদের ডিম খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

কারণ এই সময় বাচ্চাদের শারীরিক বিকাশ সবথেকে দ্রুত গতিতে হতে থাকে। তাই তো ছয় বচরের পর থেকে প্রতিটি বাচ্চারই ডিম কাওয়া মাস্ট! প্রসঙ্গত, ডিমে কোলিন ছাড়াও বেশ কিছু উপকারি ফ্য়াটি অ্যাসডি, ভিটামিন এ, বি১২, সেলেনিয়াম এবং অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান মজুত থাকে, যা ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখার পাশাপাশি শরীরের আরও নানা উপাকারে লাগে। যেমন ধরুন…

১. প্রোটিনের ঘাটতি দূর করে:
একটা ডিমে কম বেশি প্রায় ৬.৫ গ্রাম প্রোটিন থাকে। আর দিনের চাহিদা হল ৫০ গ্রাম প্রোটিন। তাই দিনে কম করে তিনটি ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। এমনটা করলে প্রায় ১৯.৫ গ্রাম প্রোটিনের ঘাটতি মেটে। বাকিটা মাছ, মাংস অথবা ডায়াটারি প্রোডাক্টের মাধ্যমে পূরণ করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এবার থেকে তাই দিনে ৩ টে ডিম খেতে ভুলবেন না যেন!

২. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:
প্রতিদিন নিয়ম করে ডিম খেলে শরীরে উপকারি কোলস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা যত কমবে, তত হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়বে। তাই পরিবারে হার্টের রোগের ইতিহাস থাকলে ডিম খেতে ভুলবেন না যেন!

৩. ওজন কমায়:
অতিরিক্ত ওজনের কারণে কি চিন্তায় আছেন? তাহলে প্রতিদিন ব্রেকফাস্টে একটা করে ডিম খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ওজন কমবে চোখে পরার মতো। আসলে ডিমের ভেতরে থাকা একাদিক উপকারি উপাদান অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে শরীরে ক্যালরির প্রবেশ কম হওয়ায় ওজন কমতে সময় লাগে না।

৪. ভিটামিনের ঘাটতি দূর করে:
শরীরকে সচল রাখতে প্রতিদিন বি২, বি১২, এ এবং ই ভিটামিনের প্রয়োজন পরে, যার জোগান দিতে ডিমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। প্রসঙ্গত, ভিটামিন বি২ এনার্জির ঘাটতি পূরণ করে, যেখানে বি১২ লহিত রক্ত কণিকার ঘটতি দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর “এ” এবং “ই” ভিটামিন কী কাজে লাগে? ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়। আর ই ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিযে রোগমুক্ত জীবনের পথ প্রশস্ত করে।

৫. খনিজের ঘাটতি দূর করে:
ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, জিঙ্ক এবং ফসফরাস। এই খনিজগুলি রক্তাল্পতা দূর করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতিতে এবং হাড়ের শক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে। প্রসঙ্গত, ডিমে সেলেনিয়াম বলে একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ক্যান্সার রোগের প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬. ব্রেস্ট ক্যান্সারকে দূরে রাখে:
হাবার্ড ইউনিভার্সিটির করা এক গবেষণায় দেখা গেছে সপ্তাহে কম করে ৬ টা ডিম খেলে ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৪৪ শতাংশ কমে যায়। আসলে ডিমে উপস্থিত কোলিন নামক একটি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

নিমেষেই সর্দি-জ্বর সারাবে আদা-রসুন স্যুপ, বানাবেন যেভাবে

শীত শুরু হতেই দেখা দিয়েছে জ্বর, গলা ব্যথা, অ্যাজমা, সর্দি, ইনফেকশন। সুস্থ থাকতে সবসময়ই আয়ুর্বেদিক মশলাপাতির উপর জোর দেওয়া হয়। আর সেই তালিকায় উপরের দিকেই রয়েছে আদা, রসুন। এই সময় সর্দি, জ্বর দূরে রাখতে আদা, রসুনের উপর চিরকালই ভরসা রেখে এসেছেন আমাদের পূর্বপুরুষেরা। পুরনো সেই আদা, রসুন স্যুপের উপর ভরসা রাখতে পারেন আপনিও। শুধু জ্বর হলেই নয়, সারা শীতকালই খাওয়া যেতে পারে এই স্যুপ।

রসুনের গুণ: রসুনের মধ্যে থাকা অ্যালিসিনের রয়েছে অ্যান্টিফাংগাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ। যে কারণে রসুন যে কোনও অ্যালার্জি, গলা ব্যথা, ফুসফুসের ইনফেকশনের মতো সমস্যা খুব দ্রুত সারিয়ে তোলে।

আদার গুণ: বহু যুগ ধরেই সর্দি, জ্বর, পেটের সমস্যা সারাতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে আদা। প্রদাহ কমিয়ে আর্টারি সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে আদা। জ্বরের সময় বমি ভাব কাটাতেও আদা অব্যর্থ। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিফাংগাল গুণ ইনফেকশন দূর করে।

কী কী লাগবে:

পেঁয়াজ: ৪টে (ছোট)
আদার মূল: ৫০ গ্রাম (কোরানো)
রসুন: ২ কোয়া
চিকেন স্টক: ৭ কাপ
ঝাল চিলি পেপার: ১টা (মিহি কুচনো)
কী ভাবে বানাবেন: একটা ব়ড় বাটিতে পেঁয়াজ, রসুন, আদা সব কিছু নিয়ে ২ মিনিট হালকা আঁচে নেড়ে নিন। এর মধ্যে স্টক বা ব্রোথ দিয়ে আঁচ কম রেখেই ফোটাতে থাকুন যতক্ষণ না আদা, রসুন, পেঁয়াজ নরম হয়ে আসছে। উপরে চিলি পেপার কুচি ছড়িয়ে মিনিট পাঁচেক অল্প আঁচে রেখে নামিয়ে নিন।

অন্য ভাবে: যদি বেশি মশলা পছন্দ না হয় তা হলে মরিচের গুঁড়োর বদলে ছড়িয়ে নিতে পারেন দারচিনি গুঁড়ো। আরও বেশি স্বাস্থ্যকর করে তুলতে মেশাতে পারেন গাজর, বিট। যদি এই স্যুপই মিল হিসেবে খেতে চান তা হলে ব্রকোলি, বিনস, মাশরুম বা চিকেন মিশিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন বিশেষ ফ্লু মিল।

খালি পেটে কিশমিশের পানি মাত্র ৪ দিন খান, তারপরই যে চমৎকার ফল

রক্তস্বল্পতায় কিশমিশ যে উপকারী, সেটা অনেকেই জানেন। কারণ, কিশমিশ শরীরে নতুন রক্ত তৈরি করে।

কিন্তু, এটা জানা আছে কি, আপনার লিভার বা যকৃত্ পরিষ্কার করতেও কিশমিশের জুরি নেই? হ্যাঁ, নিয়মিত কিশমিশের পানি লিভার সাফ হয়।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কিশমিশের পানি খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার দরুন শরীরের অভ্যন্তরে দ্রুত রক্ত পরিশোধন হতে থাকে।

অন্তত টানা চার দিন কিশমিশের পানি পান করলে, পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে। পেটের গন্ডগোল থাকবে না। সেইসঙ্গে ভরপুর এনার্জি পাবেন।

অনেক ডাক্তারও রোগীকে ওষুধের পাশাপাশি কিশমিশ প্রেসক্রাইব করেন। কারণ, কিশমিশ হার্টকে ভালো রাখে। সেইসঙ্গে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক যে কোলেস্টেরল রয়েছে, তা দূর করে।

কিশমিশে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল। কিশমিশ না-খেয়ে শুধু কিশমিশের পানি খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শরীরে ঢোকে। পানিতে ভেজানোর আর একটা কারণ শর্করার মাত্রা কমে।

রক্ত পরিষ্কার করতে কিডনির পাশাপাশি লিভারকেও ভালোভাবে কাজ করতে হবে। তাই লিভার ও কিডনির সমস্যা হলে, ক্ষতিকারক পদার্থ শরীরে জমতে শুরু করে আমাদের অসুস্থ করে তোলে।

তাই লিভার ও কিডনিকে সবসময় চাঙ্গা রাখতে হবে। কিশমিশ ভেজানো পানি সেই কাজটাই ভালোভাবে করে। যার দরুণ হজমশক্তিও বাড়ে।

যেভাবে কিশমিশের পানি তৈরি করবেনঃ

২ কাপ পানি (৪০০ এমএল) ও ১৫০ গ্রাম কিশমিশ লাগবে। কী ধরনের কিশমিশ কিনছেন, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব চকচক করছে, এমন কিশমিশ কিনবেন না। তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকে। চেষ্টা করুন গাঢ় রঙের কিশমিশ কিনতে।

তা-ও এমন কিশমিশ নিতে হবে, যা খুব শক্তও না আবার একদম নরম তুলতুলেও না। কিশমিশগুলোকে ভালো করে কয়েক বার ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে দু-কাপ পানি দিয়ে রাতভর কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন।

সকালে কিশমিশ ছেকে নিয়ে, সেই পানিটা হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট অন্য কিছু খাবেন না

সাপে কামড়ালেই মৃত্যু হয় না, যা করতে হবে সবার জানা উচিত

সাপের কামড় বিষয়ে প্রথম জাতীয় জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের গ্রামে বছরে প্রতি এক লাখের মধ্যে ৬২৩ জন সাপের কামড়ের শিকার হয়। এই হিসাবে গ্রামে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৯১৯ জন সাপের কামড়ের শিকার হয়।

এদের মধ্যে বছরে মারা যায় ৬ হাজার ৪১ জন। তবে আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসকের কাছে যান মাত্র ৩ শতাংশ। কিন্তু সাপে কামড়ালে অনেক প্রাচীন ধারণা থেকে মানুষ এটা সেটা করে অনেক ভুলসিদ্ধান্ত অনেক সময় নেয় অজান্তেই।

তবে সাপে কামড়ালেই কিন্তু মৃত্যু হয় না। মৃত্যু হয় সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা আর ভুল কিছু কাজের জন্য। তাই জানতে হবে এ বিষয়ে আর সাপে কাঁমড়ানোর পর সঠিক কাজগুলো করতে হবে।

১ সাপের কামড় খেয়ে ভয় পেয়ে যাবেন না। শান্ত থাকুন। ভয় পেয়ে গেলে হার্ট বিট বেড়ে যায়। ফলে বিষ তাড়াতাড়ি শরীরে ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগে না।

২ সাপে কামড়ানো অংশ তাড়াতাড়ি ফুলতে থাকে। ফলে কোনও টাইট গয়না যেমন আংটি বা ব্রেসলেট পরে থাকলে তা খুলে দিন।

৩ যেখানে সাপ কামড়েছে, সেই অংশটি কোনও অ্যান্টিসেপ্টিক দিয়ে পরিষ্কার করুন।

৪ সাপের কামড় খাওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে কোনও সাকশন ডিভাইস দিয়ে বিষ বের করে দেওয়ার চেষ্টা করুন।

৫ সাপের কামড় খাওয়ার পরে কিছু খাবেন না।

৬ সাপে কামড়ালে কখনই কাত হয়ে শোবেন না।

৭ না জেনে বুঝে কোনও ওষুধ খেয়ে নেবেন না।

৮ সাপ যে জায়গায় কামড়েছে, তার আশপাশে বা উপরে কোনও কাপড় বাঁধবেন না। এর ফলে রক্তচাপ বেড়ে গিয়ে ধমনী এবং শিরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বেশিদিন বাঁচতে চান? তাহলে খেতে হবে কালোজিরা

ছোটো খাটে রোগ দূর করতে পারে আপনার রান্নাঘরের জিনিসপত্রই ৷ শুধু জানতে হবে কোন জিনিসটি, কখন কাজ দেবে ৷ ঠিক যেমন কালো জিরে ৷ জেনে নিন কালো জিরের উপকার !

১. পেট খারাপে নিয়মিত সমস্যা থাকলে কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে ওই মাত্রায় সকালে ও বিকেলে সাত দিন ধরে খেলে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যায়।

২. যেসব মহিলা অনিয়মিত অথবা স্বল্প অথবা অধিক স্রাবের জন্য কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাদের ঋতু হওয়ার পাঁচ-সাত দিন আগে থেকে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে সামান্য গরম এমন জল সকালে ও বিকেলে খেতে হয়। তার পরও অসুবিধা থেকে গেলে পরপর ২-৩ মাস ওভাবে খেতে হবে।

৩ প্রসবের পর কালোজিরার ক্বাথ খেলে গর্ভাশয়ের দ্বার সঙ্কুচিত হয়।

৫.অল্প মাত্রায় কালোজিরে মেয়েদের ঋতুস্রাব বাড়ায়, কষ্টরজ ও ঋতুরোধ অসুখ সারায়। তবে বেশি মাত্রায় খেলে গর্ভস্রাব হয়।

৬. কাঁচা সর্দি হয়ে মাথায় যন্ত্রণা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কালোজিরা পুঁটলিতে বেঁধে শুঁকতে হবে। তবে পুঁটলিতে নেয়ার আগে তা রগড়ে নিতে হবে। তাতে গন্ধ বের হয় এবং উপকার হয়।

৭ প্রচন্ড মাথা ব্যথা ? কালোজিরে বেটে কপালে প্রলেপ দিলে ও মিহি গুঁড়োর নস্যি নিলে উপকার হয়।

৮. সর্দিতে কালোজিরের নস্যি নিলে উপকার মেলে।

৯. কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়। এতে ১০০ গ্রাম সরষের তেলে ২৫-৩০ গ্রাম কালোজিরে ভেজে সে তেল ছেঁকে নিয়ে ব্যবহার করতে হয়।

১০ স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরে খুব কার্যকর। ৩ গ্রাম কালোজিরে ২০ মিলিলিটার বিশুদ্ধ মধুসহ খেলে এ রোগ সারে।

১১ জন্ডিস, প্লীহাবৃদ্ধি, ২৩. শূল ব্যথা, বুকের ব্যথায় কালোজিরে বেটে খেলে এসব রোগ সারে। সেই সাথে বাটা গায়েও মালিশ করতে হয়।

১২ পরিমাণমতো কালোজিরে খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়ে যায়।

সকালে স্ত্রী সহ’বাসে রয়েছে অবিশ্বাস্য স্বাস্থ্যকর উপকারিতা, কী সেগুলো জেনে নিন

সকালবেলার যৌন মিলন মন এবং শরীর দুই ভাল রাখে৷ খবর শুনে ভ্রুঁ কোঁচকাচ্ছেন নিশ্চয়ই? তবে গবেষণার মাধ্যমেই উঠে এসেছে এমন তথ্য৷ লন্ডনের বেলফাস্টের টুইন্স ইউনির্ভাসিটির এক গবেষণায় এই তথ্য প্রমাণিত হয়েছে৷

গবেষণায় জানা গেছে, সপ্তাহে অন্তত তিনদিন যদি ভোরবেলা সহবাস করা যায় তবে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা অর্ধেক করে দেয়৷ আর যদি এটি ঠিকমতো করা যায় তবে উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যাও দূর হতে পারে৷

বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় জানা গেছে সপ্তাহে দুইদিন যদি ভোরবেলা সহবাস করা যায় তবে শরীর অ্যান্টিবডি গঠিত হয়৷সকালের যৌনমিলন আর্থারাইটিস ও মাইগ্রেনের মত রোগ সাড়িয়ে তুলতে পারে৷ আরও জানা গেছে যারা ডায়াবেটিসের রোগী তাদের পক্ষে সকালে সহবাস অত্যন্ত উপযোগী৷ সকালে আধঘন্টা সহবাস করলে ৩০০ ক্যালোরি এনার্জী খরচ হয় যা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে৷

এই পরীক্ষাটি করার জন্য ৩০০ জন মহিলাকের নিযুক্ত করা হয় যাদের সঙ্গীরা সহবাসের সময় কন্ডোম ব্যবহার করেননা৷ তারা জানিয়েছেন এর ফলে তাদের মনে কোন মানসিক অবসাদ নেই৷ এছাড়াও হাড়ের গঠন মজবুত করতেও সকালের যৌনমিলন বিশেষ ভূমিকা পালন করে৷

সকালের এই মানসিক সুখের কারণে চুল ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে কারণ এইসময় ইস্ট্রোজেন ও অন্যান্য হরমোনের ক্ষরণ এইসময় বেশি পরিমাণে হয়৷ তবে গবেষকেরা জানিয়েছেন, প্রতিদিনের যৌনমিলন শরীরের কার্যক্ষমতা হ্রাস করতে পারে৷

বরুণকেই বেছে নিলেন সাইফ কন্যা সারা

কফি উইথ করণে এসে রণবীর কাপুরকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন সারা। তবে এবার রণবীরকে বাদ বরুণ ধাওয়ান, টাইগার শ্রফকে বেছে নিলেন। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। কিন্তু কেন এমন ঘটছে জানেন?

ডিএনএকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে  র‍্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে সারাকে বেছে নিতে বলা হয়। কয়েকটি বিষয়। বেশ কয়েকটি অপশান দিয়ে তাঁদের মধ্যে সারাকে বেছে নিতে বলা হয়। জিজ্ঞাসা করা হয় সারা এদের কোন ছবিটি বেছে নেবেন? অপশনে রাখা হয়-

১) টাইগার শ্রফের বিপরীতে সঞ্জয়লীলা বনশালির কোনও পিরিয়ড ড্রামা

২) বরুণ ধাওয়ানের বিপরীতে কোনও রোম্যান্টিক কমেডি

৩) জাহ্নবী কাপুরের বোনের চরিত্রে অভিনয় করতে হবে এমন কোনও ছবি

৪) পরিচালক করণ জোহরের ফ্যামিলি ড্রামা

৫) পরিচালক রাজকুমার হিরানির কমেডি ছবি

৬) রণবীর কাপুরের সঙ্গে কোনও লাভ স্টোরি

এতগুলি কঠিন অপশান পেয়ে প্রথমে বেশ ঘাবড়ে যান সারা। বলেন এদের সবাইকে অনুরোধ তাঁকে যেন সুযোগ দেওয়া হয়। পরে সারাকে যেকোনও দুটি বেছে নিতে বলা হলে সারা বরুণ ধাওয়ানের সঙ্গে রোম্যান্টি কমেডি আর সঞ্জলীলা বনশালির ছবিতে টাইগার শ্রফের বিপরীতে অভিনয় করতে চান বলে জানান।