মারাত্মক রোগ ভালো করতে ১টা কমলাই যথেষ্ট। জানলে অবাক হয়ে যাবেন, পড়ে নিন

কমলালেবু সম্পর্কে এই একটাই কথা খাটে। রূপে-গুণে, সুপার ফুড। কমলার কোয়াই হোক বা খোসা, সবেতেই পুষ্টির ভাণ্ডার। রোজ না খেলে, পস্তাতে হবে কিন্তু আপনাকেই! বলে শেষ করা যাবে না, এত গুণ কমলালেবুর। গোলগাল আকার। দেখতে খাসা। পুষ্টিগুণে তার চেয়েও কয়েক কদম এগিয়ে। শীতকাল তো একে ছাড়া, এররকম অন্ধকার। ভিটামিন সি, এ, ফ্ল্যাভনয়েড, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ডায়েটারি ফাইবার।

কী নেই কমলালেবুতে? কমলা বা কমলালেবুর রস অত্যন্ত পুষ্টিকর। বেশিরভাগ রোগে পথ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। একজন মানুষের প্রতিদিন যে পরিমাণ ভিটামিন সি প্রয়োজন হয়, তার প্রায় পুরোটাই একটি কমলালেবুতে পাওয়া যায়। মানবদেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি সিস্টেম মজবুত করে তুলতে অব্যর্থ দাওয়াই।

বিশেষ করে ঠাণ্ডা লাগা, কানের সমস্যা দূর করতে অতি উপযোগী কমলালেবু। কমলায় রয়েছে বিটা ক্যারোটিন যা সেল ড্যামেজ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। লিমোনয়েড নামে এক পদার্থ থাকে কমলালেবুতে যা মুখ, ত্বক, ফুসফুস, স্তন, পাকস্থলীতে ক্যানসার প্রতিরোধে সরাসরি উপযোগী। মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য জরুরি ফলিক অ্যাসিড যথেষ্ট পরিমাণে থাকে কমলালেবুতে।কমলালেবুতে থাকা ভিটামিন দেহে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়ক। কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমে ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক কমলালেবু।

কমলা খেলে খিদে বাড়ে, খাওয়ার রুচি বাড়াতেও সাহায্য করে। শরীরে কোলেস্টেরল লেভেল কমাতেও কমলালেবুর জুড়ি মেলা ভার। লিভার কিংবা হার্টের বিভিন্ন রোগে কমলালেবু খাওয়া উপকারী। হাইপারটেনশনের রোগীদের ক্ষেত্রেও কমলা খেলে উপকার অনেক। শুধু কি ভাবছেন, কমলার কোয়াতেই গুণ শেষ

একজন প্রবাসীর স্ত্রী’র গল্প! কেউ মিস করবেন না, তবে খারাপ মানসিকতা নিয়ে পড়বেন না

কেউ এড়িয়ে যাবেন না, একজন প্রবাসীর বউয়ের কথা শুনোন। কাল সারারাত আমার জামাই আমার পা টিপে দিছে ভাবী! পায়ের ব্যথায় ঘুমোতে পারছিলাম না।আরে ভাবী আমি অসুস্থ থাকলে তো আমার জামাই আমার ছায়া-ব্লাউজ পর্যন্ত ধুয়ে দেয়।বলেই একজন আরেকজনের গায়ে হেসে লুটিয়ে পড়ছে।

প্রতিদিন বিকেলে ‘তানহা’কে নিয়ে কোচিং এ আসার পর প্রায় প্রত্যেক ভাবীদের এসব অসহ্যকর কথা শুনতে হয় আমাকে।জুইয়ের আম্মু হঠাৎ পিছন থেকে ধাক্কা দিয়ে বলে উঠে,-কি হলো তানহা’র মা, এতো চুপচাপ কেনো?তুমিও কিছু বলো তোমার জামাইয়ের কথা!

আমি এক দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে উত্তর দেই, -আমার তো বলার মতো কিছু নেই ভাবী,প্রতি ২ কিংবা ৩ বছর বাদে একবার দেখা পাই আমি তানহা’র আব্বুর।বাবা-মা যখন থেকে প্রবাসী স্বামীর কাছে বিয়ে দিয়েছে ‘তীর্থের কাকের’ মতো চেয়ে থাকি,কবে আবার তার দেখা পাবো?

জুইয়ের মাঃ তোমারই তো শান্তি, চাইলেই দেশে বসে ৮/১০ টা প্রেম করতে পারো,জামাই টের ও পাবেনা।আমার জামাই তো খালি সন্দেহ করে আমাকে।

-কি বলেন ভাবী?জামাই থাকতে প্রেম কেনো করবো?

জুইয়ের মাঃ এতো সুন্দর তুমি,বয়স ও কম।ক্যামনে থাকো জামাই ছাড়া?নিজের রুপ-যৌবন এইভাবে নষ্ট করিওনা।তোমার জামাই বিদেশে কতো জনের সাথে ঘুমায় তা কি তোমারে বলে?-না জেনে মন্তব্য করা কি ঠিক ভাবী? যদি তিনি পাপ করে তার কৈফত তিনি আল্লাহ্‌র কাছে দেবে।আমি কেনো পাপের বোঝা মাথায় নেবো।

জুইয়ের মাঃ শোন! এই পাপ-পূন্যের ভাত নেই আজকাল। শ্বশুর বাড়ির মানুষ কোনদিন আপন হয় না।নিজে ব্যাংক-ব্যালেন্স করো।জমি-জমা কেনো,নাহলে যখন শুনবা জামাই আরেকটা বিয়া করছে তখন আমার কথা মনে কইর‍্যা পস্তাবা।

আমি আর জুইয়ের মা’র কথায় কান দিলাম না। তানহা’র বয়স যখন ৩ বছর তখন শেষ এসেছিলো তানহা’র আব্বু।এখন তানহা’র বয়স ৫ বছর চলছে।বিয়ের পর থেকে ৬ বছরে ৩ বার এসেছেন তিনি।তাও প্রত্যেকবার ৩/৪ মাসের বেশী থাকেন নি।প্রত্যেকবার যখন তিনি আসেন আমার মনে হয় আমাদের নতুন বিয়ে হয়েছে,খুব অচেনা লাগে মানুষটাকে,তবে তিনি মানুষ হিসেবে খারাপ না।দেশে থাকলে অন্য ভাবীদের বরদের মতোই আমার খেয়াল রাখতো।

বিয়ের আগে যে আমি প্রেম করিনি তা কিন্তু নয়,সত্যি বলতে লজ্জা নেই,কলেজ লাইফে একটা ছেলেকে খুব ভালোবাসতাম,কিন্তু সেইম এইজ এর রিলেশনে যা হয় আর কি?বিয়ে আর হয়নি।আহারে! ছেলেটা আমার বিয়ের দিন ঘুমের ঔষধ খেয়ে হাসপাতালে ছিলো,কিন্ত কিছুই করার ছিলোনা আমার।এখন মাঝে মাঝে স্কুল আর কলেজের সেই বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে স্মৃতিময় দিনগুলোর কথা ভাবি। স্মৃতিগুলো খুব আঘাত করে আমাকে,ফিরে যেতে ইচ্ছে হয় ছেলেবেলায়।

‘তানহা’ আমার একমাত্র মেয়ে।তানহা’র আব্বুর এখন একটা ছেলের সখ।আমার জীবন অনেকটা রুপকথার রাজা-রানীর মতো,”অবশেষে তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে লাগলো”এরকম। তাই পরেরবার একটা ছেলে হলে বাচ্চা নেয়ার ঝামেলা থেকে বেঁচে যাই। কেনোনা অন্যান্য ভাবীদের মতো আমার অসুস্থ অবস্থায় খেয়াল নেয়ার মতো কেউ থাকেনা।

নিজের ঔষধ নিজের কিনে খেতে হয়,নিজের সংসারের রান্নার বাজার নিজের করতে হয়।তার উপরে শাশুড়ি, ননদিনী কিংবা শ্বশুর বাড়ির অন্যান্য আত্নীয়-স্বজনদের মন জোগিয়ে চলতে হয়। বছর এর বছর এভাবেই সন্তান লালনপালন আর পরিবারের দেখাশুনা করেই কেটে যায় আমাদের মতো প্রবাসী স্বামীর স্ত্রীদের।

দিনশেষে ভালোবেসে ‘ভালোবাসি’ বলার মতো মানুষটা পাশে থাকেনা।মুখে তুলে একবারের জন্যও অন্যান্য ভাবীদের বরের মতো কেউ খাইয়ে দেয়না কিংবা ঈদ-কুরবানীতে কেউ শপিংমলে নিয়ে যেয়ে নিজের পছন্দের শাড়ি-চুড়ি কিনে দেয়না। আমার’তো আগে শাশুড়ি আর ননদের জন্য কিনতে হয়।সবশেষে তানহা’র জন্য কেনাকাটা করে নিজের জন্য কিছু কেনার ইচ্ছেটা কেনো জানি মরে যায়।

টাকা-পয়সার অভাব নেই আমার প্রবাসী স্বামীর।কিন্তু এসবের মাঝে শান্তি খুঁজে পাইনা আমি।এতো প্রতিক্ষার পর যখন একবার স্বামী বিদেশ থেকে ফিরে তখন তিনি শ্বশুর বাড়ির আত্নীয়-স্বজন নিয়ে এতোই ব্যস্ত থাকে যে আমাকে আর সময় দিতে পারেনা।

যে কয়টা দিন দেশে থাকে দিন শেষে রাত্রের সময়টুকু তাকে কাছে পাই,তখন মনে হয় আমার আর তার সম্পর্ক শুধু বিছানার মাঝেই সীমাবদ্ধ।তবে আমি তানহা’র বাবার দোষ দিচ্ছি না।তাকেও তো আত্নীয়-স্বজন এর মন জোগিয়ে চলতে হয়।নাহলে গুরুজনদের কটু কথা শুনতে হবে,”এতোদিন পর দেশে এসে বউয়ের আঁচলের নিচে রইলো”

ননদ আর ভাশুরের ছেলেমেয়েরা ব্যস্ত থাকে তাদের মামা কিংবা চাচা বিদেশ থেকে কি এনেছে তাই নিয়ে।কোনটা আনতে বলে আনা হলোনা,কে কোনটা পায়নি সেই অভিযোগ নিয়ে।মাঝে মাঝে অনেক অভিযোগের বোঝা আমার মাথায় ও পরে,”আমি নাকি বিদেশি জিনিস বাপের বাড়ি নিয়ে যাই”।

বিয়ের আগে তিনি নাকি এমন ছিলেন না।তবে আমি তো জানি আমার আর তার সম্পর্ক কতোটা ফরমাল। শেষবার যখন তানহা’র আব্বু এসেছিলো সামান্য কিছু বিদেশি চকলেট আমার বোনের ছেলেমেয়েদের দেয়ায় আমার শাশুড়ি আমাকে অকথ্য ভাষায় অপমান করে।সেদিন খুব কেঁদেছিলাম আমি,মুখ বুঝে সংসার টিকিয়ে রাখতে সবকিছু সহ্য করতে হয় আমাদের মতো নারীর।

আমাদের মতো বিবেকবান মেয়েরা আর যাই পারুক সংসার ভাঙতে পারেনা। আমার উচ্চস্বরে হাসতে নেই আবার পরপুরুষের সাথে দাঁড়িয়ে কথা বলতে নেই।তাহলেই যে মানুষ কথা তুলবে “তানহা’র মা’র স্বামী বিদেশে থাকে আর সে অন্য পুরুষের সাথে হাসাহাসি করে”।এইসব অপবাদ যে কতটা যন্ত্রণাদায়ক বুঝি আমি।আমাদের মতো প্রবাসী স্বামীর স্ত্রী’দের কান্না শুধু রাতের বালিশের মাঝেই সীমাবদ্ধ রাখতে হয়।

ভাবতে ভাবতে তানহা’র কোচিং ছুটি হয়ে যায়।এখন বাসায় ফেরার পথে বাজার আর শাশুড়ির ঔষধ নিতে হবে।রাতের রান্না করে তানহা’কে পড়াতে হবে।তারপর বাসার প্রয়োজন বুঝিয়ে দিয়ে একবার যদি তানহা’র আব্বুর ফোন পাই।তারপর আবার সকাল,ফজরের নামাজের পর সবার জন্য নাস্তা বানিয়ে তানহা’কে নিয়ে স্কুলে আসবো।আবার বিকেল হবে,ভাবীদের গল্প শুনবো কোচিং এ এসে।তারপর আবার রাত হবে,চোখের অশ্রু ও ফুরিয়ে যাবে।একদিন বুড়ি হয়ে যাবো,কিন্তু আমার গল্প সবার অজানাই থেকে যাবে।

ওজন কমাতে এই শীতে রোজ খান পালং শাক

ওজন কমাতে আমরা প্রায়ই দ্রুত ফলাফল পেতে বিভিন্ন খাবার খেয়ে থাকি। এসব খাবার প্রাথমিকভাবে কাজ করলেও দীর্ঘ দিন কাজ করে না। তাই স্বাস্থ্যগতভাবে ওজন কমাতে স্বাস্থ্যকর এবং সুষম খাদ্য খাওয়াই কার্যকরএছাড়া আমাদের শরীরের বিপাক চর্চাকে সুস্থ ও গতিশীল রাখা প্রয়োজন।

হজমশক্তি খারাপ হলে কিন্তু ওজন বাড়তে পারে। আর তাই হজম বাড়াতে আজই পালং শাকের রস খাওয়া শুরু করতে পারেন। আমরা জানি পালং শাকে অনেক ধরনের পুষ্টি আছে। ভিটামিন বি উপাদানে সমৃদ্ধ এই সবুজ পাতাযুক্ত উদ্ভিজ্জ পদার্থ প্রাকৃতিকভাবে বিপাকক্রিয়াকে সহায়তা করতে পারে।

কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে লোহা রয়েছে। যা আমাদের পেশীতে অক্সিজেন বহন করতে সহায়তা করে, যা চর্বিকে পোড়ায়। এই লোহা সমৃদ্ধ সবজি তাজা খেতে পারেন বা রান্না করা অবস্থাতেও। আপনার বিপাক বৃদ্ধি করতে পালং শাকের রস তৈরি করে পান করতে পারেন।

আপনার কেবল প্রয়োজন এক আটি তাজা পালং শাক। তবে শুরু করার আগে ভালো করে পালং শাকের পাতা পরিষ্কার করতে ভুলবেন না। মসৃণ পাতাগুলি কুচিয়ে নিন এবং একটি ব্লেন্ডার ঢেলে দিন। আপনি রসের স্বাদ এবং পুষ্টির মান উন্নত করতে কিছু আদা এবং সেলেরি স্টক যোগ করতে পারেন।

ব্লেন্ডারের মধ্যে সামান্য লেবুর রস দিন, এবং ভালো করে মেশান। এবার ভালো করে রস ছেঁকে নিয়ে খেয়ে ফেলুন তাজা পালং শাকের রস। শীতের মৌসুমে সব সময়েই মিলবে পালং শাক। সুতরাং এই পানীয়টি সব সময়ই খেতে পারবেন আপনি। তাই আপনার বিপাকশক্তি বাড়াতে আজ থেকেই শুরু করুন পালং শাকের রস খাওয়া।

সুন্দর স্ত্রী ও স্বামী পাওয়ার জন্য যারা কামনা করেন তারা পন্ডিত চাণক্যের এই কথাগুলি মেনে চলুন

ভারতীয় সমাজে সর্বদায় পুরুষদের পরেই স্ত্রীদের স্থান দেওয়া হয়। পুরুষরা সর্বদায় লাজ ও লজ্জা এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন করা সব কিছুর থেকেই পরিত্রাণ পান। তবুও পুরুষদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ কখনোই করা হয় না। কিন্তু মহান পণ্ডিত চাণক্য পুরুষদের বৈবাহিক জীবন এবং তাদের কর্তব্য সম্পর্কে এমন কিছু কথা বলেছেন যেগুলি আপনারা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন। বর্তমান সমাজে সব ব্যক্তিরই বিয়ে হয়। আর সকলেই চায় তার সাথে যার বিয়ে হবে সে যেন খুব সুন্দর হয়।

সুন্দর নারীরা সমাজে শক্তিশালী হন:

এই নারীরা শুধুমাত্র নিজেদের কথাই ভাবে না। এছাড়াও সুন্দর হওয়ায় সমাজে তাকে আলাদা সম্মান দেওয়া হয়। আজকের সমাজে ছেলে যতই কুৎসিত হোক না কেন তার স্ত্রী কে অবশ্যই সুন্দর হতে হবে। কিন্তু পন্ডিত চাণক্য বলেছেন যে, নারীর শারীরিক সৌন্দর্য প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে গুনবান নারীকে বিবাহ করা টাই উচিত।

গুনবান নারী পরিবারকে একসাথে জুড়ে রাখেন:

একজন নারীর সৌন্দর্যের থেকে তার গুনের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। যদি একজন নারীর গুন ও আচরন ভালো না হয় তাহলে সেই নারীর সৌন্দর্যের কোনো মূল্যই থাকে না। আচার্য চাণক্য তার সবচেয়ে প্রসিদ্ধ গ্রন্থে নারী সম্পর্কে এমন ৫ টি তথ্য বলেছেন যে কোনো পুরুষের মনে যদি সুন্দর নারীকে পাওয়ার আকাঙ্কা থাকে তাহলে তা চিরকালের জন্য দূর হয়ে যাবে।

আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক, আচার্য চাণক্যের বলা ৫টি মূল্যবান বাক্য।

১)নিজেকে আয়নার মধ্যে দেখা:

চাণক্য সেই সমস্ত লোকেদের কথা বলেছেন যারা মনে করেন তাদের পত্নী সুন্দর নয়। তাই তাদের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের কত ক্ষমতা আছে তা জানতে পারবে। সব মানুষের মধ্যেই কিছু না কিছু কমতি থাকবেই, কোনো মানুষই সর্বগুন সম্পন্ন হয় না।

২) স্ত্রীর গুনকে সম্মান করা:

চাণক্য এমন লোকেদের কথা বলেছেন যারা তাদের স্ত্রীর সৌন্দর্য নিয়ে সুখী নন। সৌন্দর্যের উপর নজর না দিয়ে গুনের দিকে নজর দিন। তাতে বুঝতে পারবেন যে আপনার পরিবারের জন্য উপযুক্ত কিনা। আপনার পরিবারের লোকেদের সঠিকভাবে যত্ন নেবেন কিনা।

৩)একজন খারাপ মহিলার কথা মনে করা:

সাধারণত যখন কোনো ব্যক্তিকে অপমানিত করা হয়,তখনই তার নিজের যোগ্যতার কথা মনে পরে।অপমানিত হওয়ার পর কোনো ব্যক্তি যদি লোকটি নিজেকে বদলে নেই তাহলে সেই ব্যক্তি অবশ্যই সফলতা পাবেন। যদি কোনো ব্যক্তির নিজের স্ত্রীকে সুন্দর না লাগে তাহলে তখন তার এমন একজন স্ত্রীর কথা মনে করা উচিত যিনি তাকে অপমান করেছেন। তখন সেই ব্যক্তি বুঝতে পারবেন তার স্ত্রী তার জন্য কতটা উপযুক্ত।

৪)খারাপ সময়ের কথা মনে করা:

যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সৌন্দর্য নিয়ে খুশি নন। তাদের মনে রাখা উচিত যখন সমগ্র সমাজ তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ছিল তখন শুধুমাত্র তার স্ত্রী তার সাথে ছিলেন।

৫) আপনার ভেতরের ব্যক্তিত্বকে জাগিয়ে তুলুন:

চাণক্য বলেছেন যে অন্য কারোর মধ্যে খারাপ খোঁজার আগে নিজের সম্পর্কে চিন্তা করা উচিত। আপনি আপনার স্ত্রীর কাছ থেকে সবকিছু গোপনে রাখবেন এবং তার সাথে প্রতারণা করবেন। আর আপনার স্ত্রী আপনাকে সবসময় উপকার করবে। যদি এমন হয় তবে আপনি ছাড়া পৃথিবীর ভাগ্যবান স্বামী আর কেউ নেই।

নামমাত্র খরচে শীতেও মুক্ত থাকুন খুশকি থেকে

খুশকির সমস্যায় ভোগেননি এমন মানুষ খুব কমই আছেন। শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ায় খুশকির সমস্যা বাড়ে। সাধারণত, মাথার ত্বকে নতুন কোষ তৈরি হয় ও পুরনো কোষ ঝরে পড়ে। কিন্তু এই প্রক্রিয়া ঠিক মতো না হলে তখনই খুশকির শিকার হন আপনি। পুরনো কোষ না ঝরতে পারলে সেগুলো মাথার মধ্যেই জমে থাকে এবং তা থেকে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ দেখা যায়। সেই কোষগুলোই গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে মাথার চুলে মিশে থাকলে তাদেরই খুশকি বলা হয়।

মাথার ত্বকের প্রকৃতি, মাথা পরিষ্কারের পদ্ধতি ইত্যাদি কারণেই এই খুশকির সমস্যা আসতে পারে। তবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি জানলে সহজেই এই খুশকির হাত থেকে বাঁচা যায। এবং এই সব পদ্ধতির খরচও নামমাত্র। বরং হাতের কাছেই মজুত বেশ কিছু ঘরোয়া জিনিসের উপর ভিত্তি করেই এই সমস্যা দূর করা যায়।

খুশকিকে অবহেলা করলে তা শুধু লোকলজ্জার কারণ হয়ে ওঠে এমনই নয়, খুশকি চুলের গোড়া আলগা করে দেয়, ফলে দ্রুত চুল পড়তে শুরু করে। রূপ বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ মানুষের অকালে চুল ঝরে যাওয়ার অন্যতম কারণ এই খুশকি। তাই দেখে নিন সে সব সহজ উপায়, যাতে শীতে তো বটেই, সারা বছরই আপনি খুশকি থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

মেথি বাটা, আমলকির রস, ডিম ও টক দই একসঙ্গে জলের সঙ্গে ফেটিয়ে মাথায় মাখুন। সপ্তাহে দু’-তিন দিন এই প্যাক লাগিয়ে আধ ঘণ্টা রেখে দিন। তার পর তা ধুয়ে ফেলুন। চুলের জেল্লা ফেরার সঙ্গে পিছু হঠবে খুশকির সমস্যা।
স্নানের সময় উষ্ণ জলে লেবুর রস মেশান। লেবুর অ্যাসিড জলে মিশে চুলের রন্ধ্রে প্রবেশ করলে তা খুশকি কমায়।

জলের সঙ্গে তেঁতুল গুলে নিন। এ বার তা মাথার গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন। কিছু ক্ষণ রাখার পর ধুয়ে দিন। সহজেই সারবে খুশকির সমস্যা। জবা ফুলের রস, আমলকির রস এ সব চুলের পক্ষে খুব ভাল। চুলের ত্বককে আর্দ্র করার পাশাপাশি চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে ও চুল ঘন করতেও কাজে আসে এ সব। খুশকি সরাতেও আস্থা রাখুন এ সবে। জবা ফুল ও আমলকি একসঙ্গে বেটে লাগান চুলে। খুশকি সারাতে এই প্যাক অব্যর্থ কাজে আসে।

মাত্র কয়েক মিনিটেই বাড়ি ছেড়ে পালাবে সব আরশোলা, জেনে নিন সহজ উপায়

ঘর-বাড়ি পরিষ্কার রাখার ক্ষেত্রে কিছু কীট-পতঙ্গ আমাদের চিন্তার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেমন, আরশোলা। রান্নাঘর, বাথরুম বা বারান্দার নানা কোণে আরশোলার উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায়। আরশোলা মূলত বর্জ্য-আবর্জনায় থাকে। তাই জীবাণু বয়ে বেড়াতে ওস্তাদ। এর পর ঘরের নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়ায়, কখনও খাবার-দাবারের উপর।

এতে এর গায়ে থাকা জীবাণুও ছড়িয়ে পড়ে ঘরে। আরশোলামুক্ত ঘর পেতে বাজারচলতি নানা রাসায়নিক স্প্রে-র উপর নির্ভর করেন অনেকেই। কিন্তু সে সব রাসায়নিকেরও কিছু ক্ষতিকর দিক আছে। কিছু ঘরোয়া উপায় মানলে ঘর থেকে আরশোলাকে সরানো যায় দ্রুত

তেজপাতা – সব চেয়ে সহজ ও সস্তা উপায়ে আরশোলা তাড়াতে এর চেয়ে ভাল পদ্ধতি আর নেই। সপ্তাহে কয়েক দিন তেজপাতার গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন ঘরের আনাচে কানাচে, এর গন্ধ আরশোলা সহ্য করতে পারে না। বেকিং সোডার সঙ্গে মেশান মধু বা চিনি। মিষ্টির সঙ্গে মিশিয়ে তা ছড়িয়ে দিতে পারেন ঘরে। মিষ্টির গন্ধে আরশোলা সেই খাবারে আকৃষ্ট হবে ও বেকিং সোডার প্রকোপে মারাও পড়বে।

বোরিক পাউডারের সঙ্গে আটা বা ময়দার গুঁড়ো মিশিয়ে ছড়িয়ে দিন ঘরের চারপাশে। মারা পড়বে আরশোলা। ঘর মোছার জলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে ঘর মুছুন, আপনার ঘর হবে পোকামাকড়মুক্ত। আরশোলা তাড়াতেও একই টোটকা ব্যবহার করতে পারেন।

বোরিক অ্যাসিডের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে সেই মিশ্রণ ব্যবহার করুন। এতে শুধু আরশোলা নয়, পালাবে যেকোনও পোকামাকড়। চিনির টানে আরশোলা আসবে আর বোরিক অ্যাসিডের মতো বিষের সংস্পর্শে এলেই মরবে। একচামচ গোলমরিচ, কিছুটা রসুন আর অর্ধেক পেঁয়াজ বেটে তাতে এক লিটার জল মেশান।

সাবান জলও মেশাতে পারেন এতে। এবার রান্নাঘর ও বাথরুমে ছিটিয়ে দিন ওই মিশ্রণ। চাইলে ঘর মোছার জন্যও ব্যবহার করতে পারেন। আরশোলা এই মিশ্রণের গন্ধ সহ্য করতে পারবে না। আর পালাবে আপনার বাড়ি ছেড়ে।

শুধু আলু খেয়েই কমবে ওজন, পাঁচ দিনের ম্যাজিক ফর্মুলা জেনে নিন

মোটা মানুষেরা রোগা হতে চাইলে প্রথমেই আলু খাওয়া বন্ধ করে দেন। মনে করা হয়ে থাকে, আলুই মেদবৃদ্ধির অন্যতম কারণ। কিন্তু গবেষণা বলছে, পর পর পাঁচ দিন নিয়ম মেনে আলু খেলে ম্যাজিকের মতো কমবে ওজন। তবে মনে রাখতে হবে আলুর মশলাদার ও সুস্বাদু তরকারি খেলে হবে না।

ইউরোপিয়ান ফুড ইনফরমেশন কাউন্সিলের বক্তব্য, সাধারণ আলু সেদ্ধ খেয়েই ডায়েট কন্ট্রোল ও হেলথ ম্যানেজমেন্ট সম্ভব। আলু শুধু ওজন কমায় না সেই সঙ্গে শরীরকে চাঙ্গা রাখতেও সাহায্য করে। কোমরের মেদ ঝরানোর জন্য আলুর ডায়েট খুব উপকারী। তবে তার জন্য কয়েকটি নিয়ম মানতে হবে।

গবেষকদের দাবি, শুধু আলু সেদ্ধ খেয়ে রোগা হওয়ার চেষ্টা করলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। প্রথমত আলু সহজপাচ্য। অল্প আলুতেই পেটও ভরে যায়। ফলে বেশি খাওয়ার দরকার পরে না।

জেনে নিন ছ’টি পরামর্শ—

১। টানা তিন থেকে পাঁচ দিন পেট ভরে আলু সেদ্ধ খেতে হবে।

২। এই সময়ে অন্য কোনও খাবারই খাওয়া যাবে না।

৩। এর সঙ্গে খুব দরকার হলে সামান্য পরিমাণে নুন নেওয়া যেতে পারে।

৪। চা, কফি, জল পান করা যাবে। তবে কোনও ভাবেই দুধ নয়।

৫। এই ক’টা দিন কোনও ভাবেই ভারী ব্যায়াম করা যাবে না। হালকা হাঁটাচলা করা যাবে।

৬। তবে নিত্য ব্যবহারের ওষুধ খেতেই পারেন। কোনও রকম ফুড সাপ্লিমেন্ট নয়।

তুলসীপাতায় আছে ৭টি রোগের উপশম! #৬ নাম্বারে ক্যানসার প্রতিরোধক

বহু ভেষজ গুণে গুণান্বিত তুলসী গাছ। আর এইজন্য তুলসী পাতাকে ভেষজের রানিও বলা হয়। প্রতিদিন তুলসীপাতা খাওয়ার করার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সহজলভ্য এই পাতাটি মাথাব্যথা থেকে শুরু করে ক্যানসারের মত রোগও প্রতিরোধ করে থাকে। প্রতিদিন একটি তুলসী পাতা দূরে রাখবে ৭ টি অসুখ থেকে। জেনে নিতে পারেন তুলসীপাতার গুনাগুণ।

১। মাথাব্যথা দূর করতে: মাথাব্যাথা খুব পরিচিত একটা রোগ। এটি যে কোন সময় যে কারও হতে পারে। এই ব্যাথা অল্প থেকে শুরু হলেও তীব্র হতে বেশি সময় লাগে না। তুলসীপাতা এই মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। এতে রয়েছে শক্তিশালী প্রাকৃতিক গুণাগুণ যা মাথাব্যাথা দূর করে থাকে। এমনকি মাইগ্রেন, সাইনাসের কারণে মাথাব্যথাও দূর হতে পারে কেবল প্রতিদিন একটি তুলসীপাতা খেলে।

২। ইনফেকশন বা সংক্রমণের চিকিৎসায়: দেহের ইনফেকশন দূর করে থাকে তুলসী পাতা। এতে ফাংজিসাইডাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা দেহের অভ্যন্তরীন ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে।

৩। কিডনির পাথর দূর করতে: তুলসীপাতা কিডনির পাথর সারাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে তুলসীপাতা খেলে এটি প্রাকৃতিকভাবে কিডনির পাথর দূর করে দিবে।

৪। ডায়াবেটিস রোধ করতে: তুলসী পাতাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, মিথাইল, ইউজিনল উপাদান আছে। এটি রক্তের সুগারের পরিমাণ কমিয়ে থাকে। আবার শরীরে প্রয়োজনীয় ইন্সুলিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে থাকে। যা ডায়াবেটিস রোধ করতে সাহায্য করে।

৫। কাশি দূর করতে: এটা সবাই জানে তুলসী পাতার রস কাশি দূর করে থাকে। সকালে এক গ্লাস জলের সঙ্গে তুলসীপাতা খেলেই কেল্লাফতে। এতে অ্যান্টিটুসিভ উপাদান যা কফ দূর করতে সাহায্য করবে। এক্সপেকটোরেন্ট উপাদান বুকের শ্লেষ্মাকে বের করে দেবে।

৬। ক্যানসার প্রতিরোধে: তুলসী পাতাতে অ্যান্টি অক্সিডেণ্ট উপাদান আছে৷ যা স্তন ক্যানসার এবং ওরাল ক্যানসার প্রতিরোধ করে। তুলসীপাতার রস রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে যা টিউমার হওয়া প্রতিরোধ করে থাকে। ৭। ফুসফুসের জন্য: তুলসীপাতার মধ্যে পলিফেনল উপাদান আছে৷ যা রক্তাধিক্যজনিত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। যা ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

দাঁত নিয়ে কষ্ট পাচ্ছেন? ব্যাথায় ঘুম আসছে না? এই ঘরোয়া চিকিৎসাতে দুদিনে দাঁতের ব্যাথা কমিয়ে ফেলুন

কথাতেই আছে ‘দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম কেউ বোঝেনা’… একথা কতটা সত্যি সেটা তারাই বোঝেন যারা দাঁত নিয়ে কষ্ট পাচ্ছেন বা পেয়েছেন। প্রতিদিন দাঁতের যত্ন নেওয়া অবশ্যই দরকার। যেমন, সকালে দাঁত ব্রাশ করা আর রাতে শুতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করা খুবই দরকারি। কিন্তু অনেকেই এই নিয়ম মেনে চলেন না। তাই কষ্ট পান দাঁতের ব্যাথায়।

দাঁতে ব্যাথা হবার একটি খারাপ সময়ও আছে। সেটি হল রাতে ঘুমনোর সময় বা রাতে যখন সব ডেন্টিস্ট চেম্বার বন্ধ বা সব ওষুধের দোকান বন্ধ, ঠিক তখনই দাঁতের ব্যাথা চরম আকার ধারন করে। তখন সারা রাত সেই অসহ্য ব্যাথা সহ্য করা ছাড়া কিছু করার থাকেনা।

তারপর এখন এসেগেছে শীতকাল। শীতকাল সবরকম ব্যাথার জন্য খুবই সাংঘাতিক। আর সেটা যদি হয় দাঁতের ব্যাথা তাহলে তো কোন কথাই নেই। ব্যাথা যুক্ত দাঁত তুলে না ফেলা পর্যন্ত কোন রেহাই নেই। কিছু করার না থাকলে একমাত্র উপায় হল পেইনকিলার খাওয়া। কিন্তু পেইনকিলার শরীরের পক্ষে যথেষ্ট ক্ষতিকারক।

তাহলে কি উপায়ে ঠিক করবেন দাঁতের ব্যাথা ? উপায় আপনার ঘরেই পাবেন। এমন কিছু জিনিস যা আপনার ঘরেই আছে, তা আপনাকে দাঁতের ব্যাথা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেগুলি কি…

লবণ জল ঃ এটি দাঁতে ব্যাথা কমানোর একটি সাধারণ উপায়। লবণ এমন একটি উপাদান যা প্রত্যেক ঘরেই থাকে। দাঁতে ব্যাথা হলে উষ্ণ গরম জলে একটু লবণ মিশিয়ে বারবার কুলকুচি করুন। এতে দাঁতের ব্যাথা কমবে আর মুখে থাকা জীবাণু নাশ হবে। এর সঙ্গে মাড়িতে রক্ত চলাচল হবে ফলে মাড়ির ব্যাথাও কমে আসবে।

লবঙ্গ ঃ এই জিনিসটি সব বাড়িতেই থাকে। যখন দাঁতে ব্যাথা হবে তখন যে দাঁতটি ব্যাথা তার ওপরে একটি লবঙ্গ উলটো দিক দিয়ে চেপে ধরে থাকুন। অথবা দাঁতে লবঙ্গ তেল ব্যাবহার করতে পারেন। এর ফলে ব্যাথা থেকে সাময়িক মুক্তি পাবেন। তবে সাবধান, দু ফোঁটার বেশি তেল ব্যবহার করবেন না।

আদা ঃ দাঁতে ব্যাথা থেকে নিমিষে আরাম দেয় আদা। এক টুকরো আদা নিয়ে ব্যাথা যুক্ত দাঁত দিয়ে চিবতে থাকুন। যে দাঁতে ব্যাথা তার ওপরে আর আশে পাশে আদার রস দিন। কিছুক্ষন পর অবশ্যই ব্যাথা থেকে আরাম পাবেন।

রসুন ঃ এক কোয়া রসুন থেঁতো করে বা তাতে একটু লবণ মিশিয়ে দাঁতে লাগিয়ে রাখুন, উপকার পাবেন।

পেঁয়াজ ঃ এক টুকরো পেঁয়াজ কেটে দাঁতের ফাঁকে দিয়ে রাখুন, নিশ্চয়ই উপকারে আসবে।

লঙ্কা ঃ অবাক হচ্ছেন ? অবাক হওয়ার কিছু নেই। শুকনো লঙ্কা বা কাঁচা লঙ্কা পেস্ট তৈরি করে ব্যাথা দাঁতের উপর দিয়ে রাখুন। লঙ্কায় থাকা ক্যালসিয়াম ব্যাথা কমিয়ে দেবে।

বেকিং সোডা ঃ একটু তুলো জলে ভিজিয়ে রেখে তার ওপর খানিকটা বেকিং সোডা নিয়ে ব্যাথা দাঁতের ওপর দিয়ে রাখুন। তারপর এক গ্লাস গরম জলে বেকিং সোডা নিয়ে কুলকুচি করুন, ব্যাথা থেকে অবশ্যই উপশম মিলবে।

এক কাপ কফির দামেই আপনার আয়ু হবে দ্বিগুন

এক কাপ কফির দামেই যদি পাওয়া যায় এমন একটি পিল, প্রতিদিন যেটি খেয়ে ঠেকিয়ে দেয়া যাবে আপনার বার্ধক্য, তাহলে কেমন হয়? এরকম একটি ঔষধ বা অমরত্ব-সুধা আবিস্কারের চেষ্টা চলছে বহু শত বছর ধরে। কিন্তু হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের এক সাম্প্রতিক গবেষণা যদি সফল হয়, তাহলে সেই স্বপ্ন খুব শীঘ্রই বাস্তবে রূপ নিতে পারে।

গবেষকরা দাবি করছেন, এই বার্ধক্য প্রতিরোধী গবেষণা সফল হলে মানুষ ১৫০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে। শরীরের বুড়িয়ে যাওয়া অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সেল বা কোষ ব্যবহার করে একেবারে নতুন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও তৈরি করা যাবে। আর ২০২০ সালের মধ্যেই হয়তো এই চিকিৎসা মানুষের ওপর প্রয়োগ করা যাবে।

হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের এই যুগান্তকারী গবেষণায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন ড: ডেভিড সিনক্লেয়ার। ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে তারা এর মধ্যে সফল হয়েছেন। এখন চেষ্টা চলছে, বার্ধক্য প্রতিরোধী এই চিকিৎসা মানবদেহে প্রয়োগ করা যায় কীনা।

হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল গত মার্চে তাদের সাইটে প্রথম এই গবেষণার কথা প্রকাশ করে। গবেষক দলের প্রধান ড: ডেভিড সিনক্লেয়ার সেখানে নিজেই ব্যাখ্যা করেছেন কিভাবে এই বার্ধক্য ঠেকানোর চিকিৎসায় তারা সাফল্য দেখতে পাচ্ছেন।

‘আমাদের বয়স যখন বাড়ে, তখন আমাদের শরীরের ভেতর যেসব ছোট ছোট রক্তনালী আছে, সেগুলো বুড়িয়ে যেতে থাকে এবং এ পর্যায়ে একদম শুকিয়ে যায়। ফলে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে এবং পেশিকলায় রক্ত প্রবাহ অনেক কমে যায়। মানুষের শরীরের অনেক রোগ-ব্যাধির মূল কারণ কিন্তু এই রক্তনালীর বার্ধক্য’, বলছেন তিনি। বিশেষ করে বহু ধরণের হৃদরোগ, স্নায়বিক রোগ এটা থেকেই হয়।

কিন্তু হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের গবেষক দল ইঁদুরের ওপর গবেষণা চালিয়ে তাদের মধ্যে এই রক্তনালীর বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ শুধু নয়, সেটিকে ঘুরিয়ে দিতেও সক্ষম হয়েছেন। এই সাফল্যের মানে হচ্ছে, মানুষের অনেক ধরণের রোগ-ব্যাধির নিরাময় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এই গবেষণার একেবারে কেন্দ্রে আছে রক্তনালী এবং মাংসপেশির সম্পর্ক। মানুষের রক্তনালীর ভেতরের দেয়ালে আছে এনডোথেলিয়াল সেল বা কোষের আস্তরণ। রক্তনালীকে সজীব রাখতে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এই এনডোথেলিয়াল সেলের বয়স যত বাড়তে থাকে, মানুষের শরীরের রক্তনালী শুকিয়ে যেতে থাকে এবং এক পর্যায়ে একদম মরে যায়। ফলে শরীরের অনেক অংশেই রক্তপ্রবাহ কমে যায়। এর মানে হচ্ছে আমাদের শরীরের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ এবং পেশির কার্যক্ষমতা কমে যায়।

মানুষ যখন নিয়মিত শরীর চর্চা বা ব্যায়াম করে, তখন এই প্রক্রিয়া কিছুটা থমকে দেয়া যায়। কিন্তু সেটার একটা সীমা আছে। একটা বয়সের পর শরীর চর্চা করেও আর লাভ হয় না। রক্তনালীর মৃত্যু ঠেকানো যায় না।

‘আমরা এই রক্তনালীর বুড়িয়ে যাওয়ার রহস্য আসলে উদঘাটন করেছি এই গবেষণায়’, বলছেন ড: ডেভিড সিনক্লেয়ার।

এনএডি নামের একটি মলিকিউল এবং সার্ট-ওয়ান নামের একটি প্রোটিন মূলত এক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করে। রক্তনালীতে এই এনএডির মূল কাজ হচ্ছে সার্ট-ওয়ান এর উপস্থিতি বাড়ানো। আর সার্ট-ওয়ান রক্তনালী এবং পেশীকলার মধ্যে সংযোগ ঘটায়। কিন্তু বয়স যত বাড়ে, রক্তনালীর মধ্যে এই এনএডি এবং সার্ট-ওয়ান, দুটিই কমতে থাকে। ফলে রক্তনালী এবং মাংসপেশির মধ্যে যোগাযোগও কমতে থাকে।

ড: সিনক্লেয়ার এবং তাঁর সহকর্মীরা ইঁদুরের ওপর যে গবেষণা চালিয়েছেন, সেখানে তারা এনএমএন নামের একটি রাসায়নিক যৌগ প্রয়োগ করেন ইঁদুরের দেহে। এই এনএমএন ইঁদুরের রক্তনালীতে এনএডি’র মাত্রা বাড়ায়। এর পরিণামে সার্ট-ওয়ান নামের প্রোটিনের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। ফলে ইঁদুরের রক্তনালীর এনডোফেলিয়াল সেলগুলো খুবই কর্মক্ষম থাকে। যা পেশিতে রক্তপ্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করে।

যেসব বয়স্ক ইঁদুরের ওপর এই গবেষণা চালানো হয়, তাদের ক্ষেত্রে নাটকীয় সাফল্য পেয়েছেন গবেষকরা। তাদের শারীরিক সক্ষমতা ৮০ শতাংশ বেড়ে গেছে।

ড: সিনক্লেয়ার বলছেন, যারা এখন বার্ধক্যের কারণে আর শরীরচর্চা করতে পারেন না, বা চলাফেরা করতে পারেন না, তাদের জন্য এই গবেষণা এক বিরাট পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, রক্তনালীর ভেতরে রক্ত চলাচল বাড়ানোর জন্য নতুন ধরনের ঔষধ আবিস্কার সম্ভব হবে এই গবেষণার ভিত্তিতে।

বিবাহবার্ষিকীতে শিশিরকে যে উপহার দিলেন সাকিব

হু তরুণীর হৃদয় হরণ করেছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট সুপারস্টার সাকিব আল হাসান। তবে তার হৃদয় হরণ করেছিলেন একজন-ই; তিনি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী উম্মে আহম্মেদ শিশির। ইংল্যান্ডে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে গিয়ে দুজনের পরিচয়। এর পর প্রণয়। শেষ পর্যন্ত প্রণয় পরিণত হয় পরিণয়ে। ঢাকঢোল পিটিয়ে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর গাঁটছড়া বাঁধেন তারা। চিরদিনের জন্য আবদ্ধ হন বিয়েবন্ধনে।

আজ ঠিক ছয় বছর পূর্ণ হয়েছে সাকিব ও শিশিরের দাম্পত্য জীবনের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সারাদিন ধরেই ভক্ত সমর্থকদের কাছ থেকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছায় ভাসছেন সাকিব ও শিশির।

দিন শেষে সন্ধ্যা নামতেই সাকিবের কাছ থেকে সারপ্রাইজ উপহার পেয়েছেন শিশির। নিজের দাম্পত্য জীবনে অর্ধযূগ পূর্তিতে নিজের প্রিয়তমা স্ত্রীকে একটি সুদৃশ সাদা গাড়ি উপহার দিয়েছেন সাকিব।

সে গাড়ির ছবি ফেসবুকে নিজের প্রোফাইলে আপলোড করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন শিশির। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘সাকিবের তরফ থেকে বিবাহবার্ষিকীর উপহার।’

এর আগে বিকেল বেলা নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে একটি যুগল ছবি আপলোড দেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সকালে নিজেদের ষষ্ঠ বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে একটি নাতিদীর্ঘ ভিডিওও আপলোড করেছেন তিনি।

সন্তান প্রসবের এক ঘণ্টা পর পরীক্ষায় অংশ নিলেন প্রসূতি মা

পঞ্চগড়ে সন্তান প্রসবের মাত্র ঘণ্টা পরই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন আরজু বেগম নামের এক প্রসূতি মা। বুধবার পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে অ্যাম্বুল্যান্সে বসেই পরীক্ষায় অংশ নেয় ওই শিক্ষার্থী। আরজু বেগমের বাড়ি পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার বেংহাড়ি বনগ্রাম ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে। সে ওই গ্রামের হামিদুর রহমানের স্ত্রী।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, আরজু বেগম পঞ্চগড় মকবুলার রহমান সরকারি কলেজে অর্থনীতি বিভাগে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার্থী। দু’বছর আগে তার বিয়ে হলেও নিয়মিত লেখাপড়া করে যাচ্ছে আরজু। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তিনটি পরীক্ষা দিয়েছে আরজু। বুধবার ভোরে তার প্রসব বেদনা শুরু হলে পরিবারের লোকজন তাকে পঞ্চগড় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নিয়ে আসে। দুপুর ১২টায় স্বাভাবিকভাবেই সে একটি মেয়ে সন্তান প্রসব করে। দুপুর ১টায় তার অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ব্যবসা পরিচিতি পরীক্ষা ছিল। সন্তান প্রসবের এক ঘণ্টা পরেই এই অদম্য শিক্ষার্থী অ্যাম্বুল্যান্সে বসেই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা জানান।

পরে পরিবারের লোকজন পরীক্ষা কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ প্রফেসর কানাই লাল কুণ্ডুকে বিষয়টি জানালে তিনি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। পরীক্ষা গ্রহণে সার্বিক সহযোগিতা করেন পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রধান হাসনুর রশিদ বাবু। প্রায় দুই ঘণ্টা অ্যাম্বুল্যান্সে বসে পরীক্ষা দেন আরজু। তার মানসিক দৃঢ়তা দেখে খুশি পরিবারের লোকজনও।

আরজু বেগম বলেন, এটি আমাদের প্রথম সন্তান। এদিকে পরীক্ষাও চলছে। সব ভালোভাবেই হয়েছে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ আমাকে অ্যাম্বল্যান্সে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। পরের পরীক্ষাগুলোও আমি দিতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।