প্রাথমিকভাবে জাপার মনোনয়নে নির্বাচিত হিরো আলম

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। মনোনয়ন শেষে বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিসহ অন্য দল গুলো। আসন্ন এই নির্বাচনে জাতীয় পার্টির ৩০০ আসনের জন্য মোট ২৮৬৫টি আবেদন জমা পড়েছে।

আর এদের মধ্যে যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার ওপর ভিত্তি করে ৭৮০ জনকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন আলোচিত হিরো আলম। ৭৮০ জনের মধ্যে থেকে ৩০০ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হবে।

বিষয়টি নিয়ে দলটির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার জানিয়েছেন, শিগগিরই মহাজোটের সাথে আসন বন্টন নিয়ে সমঝোতা হবে জাতীয় পার্টির।

উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পাটির ‘লাঙ্গল’ মার্কায় নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন পত্র কিনেছেন হিরো আলম।

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে কেন্দ্রীয় কমিটিতে আবেদনপত্র জমা দেন তিনি।

হোটেলের পথে ১১০০ কেজি কুকুরের মাংস উদ্ধার

পলিথিনের প্যাকেটে করে নেয়া হচ্ছে জবাইকৃত প্রাণী। বাইরে থেকে দেখে মনে হচ্ছে ছাগল বা ভেড়া। কিন্তু সেটি আসলে কী, তা নিয়ে সন্দেহ হয় পুলিশের।

মোটি ১১টি প্যাকেটে ছিল প্রায় ১১০০ কেজি মাংস। পুলিশ ওই মাংসের প্যাকেট খুলতে বললে এর বাহকরা দ্রুত সটকে পড়ে। পুলিশের সন্দেহ আরও বেড়ে যায়। পরে ওই মাংস পরীক্ষা করে দেখা যায় সেগুলো আসলে কুকুরের মাংস।

শনিবার ভারতের চেন্নাইয়ে এ ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির গণমাধ্যমে খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্সের (আরপিএফ) কর্মকর্তারা গিয়ে তাদের প্যাকেটগুলোতে তল্লাশি চালায়। আরপিএফের উপপরিদর্শক এস কৃষ্ণন এবং এ ভাস্করণ সেগুলো জব্দ করেন।

ফুড সেফটি কর্মকর্তারা পরে সেগুলো পরীক্ষা করেন। ওই কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জবাই করা কুকুরগুলো হোটেলে সরবরাহের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এভাবে কুকুরের মাংসকে ‘রাজস্থান মিট’ বলে চালানো হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।

সাপের বিষ শরীরে নিয়ে ডায়েরি লিখলেন যিনি

সাপের বিষ শরীরে নিয়ে ডায়েরি লিখতে লিখতে মারা গিয়েছিলেন কার্ল প্যাটারসন স্মিথ নামে একজন সাপ গবেষক। এ ঘটনাটি ১৯৫৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঘটলেও পরে তা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায়।

জানা গেছে, গবেষণার জন্য শিকাগোর লিঙ্কন পার্ক চিড়িয়াখানার পরিচালক একটি সাপ শহরের ফিল্ড মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রিতে পাঠান। ৭৬ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের সরীসৃপটি পরীক্ষা করার দায়িত্ব পান কার্ল প্যাটারসন স্মিথ। কারণ ওই মিউজিয়ামে সাপ গবেষক হিসেবে কাজ করছিলেন তিনি।

স্মিথ তার ডায়েরিতে লিখেছিলেন, সাপটির মাথা উজ্জ্বল রঙের নকশায় ঢাকা ছিল এবং এর মাথার আকৃতি ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার গেছো সাপের মতো, যেগুলো বুমস্ল্যাং নামেও পরিচিত।

স্মিথের ডায়েরির মাধ্যমে আরো জানা গেছে, নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করার জন্য সাপটিকে নিজের কাছাকাছি আনলে সাথে সাথে তাকে আক্রমণ করে এবং তার বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলে কামড়ে দেয়। এ সময় তার শরীরে বিষের কি প্রভাব হচ্ছে তা ডায়েরিতে রেকর্ড করতে থাকেন তিনি।

বদিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি : ওবায়দুল কাদের

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবদুর রহমান বদি মনোনয়ন পাচ্ছেন না জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যে দুইজন সাংসদকে নিয়ে বিতর্ক আছে, কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে আবদুর রহমান বদি ও  টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আমানুর রহমান খান রানা- তাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। দেখুন একটা সত্যি কথা বলছি। জরিপে টাঙ্গাইলে রানা ও টেকনাফে বদি অনেক এগিয়ে তারপরও তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে বদিকে বাদ দিয়ে তার স্ত্রী শাহীনা আক্তার চৌধুরীকে এবং টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে রানার বাবা আতাউর রহমান খানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ঘরের সব কী অপরাধী? আপনি অপরাধী হলে আপনার মা-বাবাকে তার ভাগীদার? পরিবারের সবাই কী খারাপ লোক? বদির সম্পর্কে যে বিতর্ক আছে সে কী প্রমাণিত? আপনারা কেউ কী সেটা প্রমাণ করতে পেরেছেন?

তিনি আরো বলেন, সময়টা খুব সংবেদনশীল। রাজনৈতিক বিষয়ে আপনাদের সাথে আমার ভিন্নমত থাকতে পারে। কিন্তু তাই বলে কারও বক্তব্য ভিন্নভাবে প্রকাশ করবেন না। বক্তব্য বিকৃত করবেন না।

পুরুষ শরীরে যা খোঁজে মেয়েরা!

এতদিন নারীর শরীর কেমন হলে তা আকর্ষণ করবে পুরুষকে তা নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা হয়েছে নানা মহলে৷ শিল্পীরা নিজের তুলিতে পুরুষের মনের মতো করে এঁকেছেন নারীকে৷ এবার পালা পুরুষের শরীরের আকর্ষণ খোঁজার৷ নারীরা পুরুষের কোন অঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হয় তা খতিয়ে দেখা যাক৷ ১০০ জন নারীর ওপর পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে পুরুষের কোন অঙ্গ আকর্ষণ করে তাদের৷

১. চওড়া কাঁধ :  অধিকাংশ নারী পুরুষদের চওড়া কাঁধ বেশি পছন্দ করেন। পুরুষকে সাধরনত নারীরা নিজেদের মানষিক অবলম্বন হিসাবেই পেতে চায়৷ আর চওড়া কাঁধ মহিলাদের মধ্যে সেই ভাবনাকে আরও মজবুত করে এমনটাই মনে করেন মনোবিদরা৷ তাই অবচেতনে নারীর মন ছোটে পুরুষের চওড়া কাঁধের দিকে৷

২. চওড়া বক্ষ :  পুরুষদের আকর্ষণীয় অঙ্গের মধ্যে আরেকটি হল তাদের চওড়া বক্ষ। কিন্তু বক্ষ চওড়া করতে জিমে গিয়ে খুব একটা লাভ হয় না নারীমন পাওয়ার ক্ষেত্রে৷ কারন এই ধরনের পুরুষের দেহ নয় বরং যাদের প্রকৃতিগতভাবেই চওড়া বক্ষ রয়েছে তাদেরই পছন্দ করেন নারীরা। এছাড়া চওড়া বক্ষের অধিকারী এসব পুরুষের স্তনের গড়নও তাদের বেশ ভালো লাগে। তাদের শরীরের ঘামের ফোটা অনেক বেশি আকর্ষন করে অধিকাংশ নারীকে।

৩. আকর্ষণীয় পেশী :  পেশীবহুল পুরুষ সবসময়ই প্রিয় মহিলাদের কাছে৷ তবে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা অস্বাভাবিক পেশী অনেক নারীই অপছন্দ করেন। যখন পুরুষের পেশীবহুল বাহু টি-শার্টের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে অনেক নারীর চোখই আটকে যায় সেদিকে।

৪. সুমিষ্ট ঠোঁট :  ঠোঁট যে শুধু নারীরই আকর্ষণীয় হয়ে থাকে তা নয় পুরুষের ঠোঁটও আকর্ষণীয় আর সুমিষ্ট হতে পারে বলে জানিয়ছেন অনেক নারী। তবে বেশিরভাগ নারীই চিকন ঠোঁটের অধিকারী পুরুষদের বেশি পছন্দ করেন। ধূমপান না করা ঠোঁটই মেয়েদের প্রথম পছন্দ।

৫. জিহ্বা :  পুরুষদের অঙ্গ নিয়ে নারীদের পছন্দের তালিকায় জিহ্বাও রয়েছে। আবেগঘন চুম্বনে বা শারীরিক মিলনের সময়ে জিহ্বার ভূমিকা অসাধারণ। তাই নারীদের অনেকেই পুরুষের এই জিহ্বাকে বেশ পছন্দ করে থাকেন।

৭. আকর্ষণীয় হিপস :  নারীদের হিপের সৌন্দর্যের পাশাপাশি পুরুষের হিপস-এর সৌন্দর্য থাকাও উচিত। হিপস-এর স্বাস্থ্য বেশি মেদযুক্তও না হলেও খুব কম মেদের হিপসও নারীরা পছন্দ করেন না।

৮. স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ :  স্বাভাবিকভাবেই নারীদের পছন্দের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষদের অঙ্গ হল স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ। ইঞ্চির হিসেবে এটিকে হতে হবে স্বাস্থ্যকর আর আকর্ষণীয়।

রাতে বালিশের নীচে এক কোয়া রসুন রেখে দেখুন, ফলাফলে অবাক হবেন!

রাতে বালিশের নীচে এক কোয়া রসুন রেখে দেখুন, ফলাফলে অবাক হবেন!

রাতে বালিশের নীচে এক কোয়া রসুন রেখে দেখুন, ফলাফলে অবাক হবেন! রসিয়ে-কষিয়ে রান্নায় রসুনের জুড়ি মেলা ভার। তবে সেখানেই থেমে থাকে না তার মাহাত্ম্য। রসনার পাশাপাশি শরীরের নানা উপকারে বিশেষ কার্যকরী রসুন।

খেয়ে তো বটেই, এমনকী বালিশের তলাতেও যদি এক কোয়া রসুন রেখে শুতে যান, তবে ফল পাবেন একেবারে হাতেনাতে। হার্টের সমস্যা, যকৃতের সমস্যা, ঠাণ্ডা লাগা, ধমনী পরিষ্কার রাখা ও রক্ত বিশুদ্ধ করায় আপনার কাছের বন্ধু কাঁচা রসুন। খবর-এই সময়

গবেষকদের মতে, রসুন প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। রোজ সকালে খালি পেটে যদি এক কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়া যায়, তবে তা শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।

এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, লিভার, পিত্তথলি ও পাকস্থলীকে সুস্থ সবল রাখতে এবং হজমশক্তি বাড়াতে রসুনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ডায়াবিটিস, হতাশা ও বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধেও রসুনের জুড়ি মেলা ভার।

শুধু খেয়েই নয়, রসুনের সংস্পর্শে থাকলেই সে তার কাজ করে চলবে। অনেকেই বলেন, বালিশের নীচে এক কোয়া কাঁচা রসুন রেখে শুলে তার গুণ অপরিসীম। এতে আপনার ঘুম গভীর হবে। দূরে পালাবে হতাশা। পিছু হঠবে নেতিবাচক মানসিকতা। মনের মধ্যে আসবে আশ্চর্য উত্ফুল্লতা। তাই শরীর ও মন সুস্থ রাখতে সঙ্গী করতে পারেন রসুনকে। তারপরই দেখুন ম্যাজিক। খেয়ে তো বটেই, এমনকী বালিশের তলাতেও যদি এক কোয়া রসুন রেখে শুতে যান, তবে ফল পাবেন একেবারে হাতেনাতে।

স্ত্রীকে খুশি করার সহজ কিছু উপায় জেনে নিন, সারাজীবন কাজে লাগবে…..

স্ত্রীকে খুশি করার সহজ কিছু উপায় জেনে নিন, সারাজীবন কাজে লাগবে…..

স্ত্রীকে খুশি করার সহজ- বিবাহিত জীবনে স্ত্রীকে খুশি করা অনেক দরকারী একটি জিনিষ। বস্তুবাদী জীবনে আমরা মনে করি অর্থই সকল সুখের মূল, কিন্তু আসলে ব্যাপারটা তা না। আমরা নিজেরাই অর্থ কে নিজেদের সুখের মূল উপাদান বানিয়ে ফেলেছি। জেনে নিন, প্রেমিকা বা স্ত্রীকে খুশি করার দারুন এবং সহজ কিছু উপায় !!

আমরা যখনই অর্থকে সব কিছুর উপরে প্রাধান্য দিব তখনই আমাদের কাছের মানুষদের সাথে আমাদের বন্ধন হাল্কা হতে শুরু করে। তাদের অনুভুতির মুল্য তখন আমরা দিতে ভুলে যাই।

বিশেষ করে আমাদের ঘরের পুরুষ দের মনে রাখতে হবে শুধু অর্থ উপার্জনই তাদের একমাত্র কাজ নয়। সংসার সুখি করতে মেয়েদের পাশাপাশি পুরুষদেরও অনেক কিছু করনিও থাকে। অর্থ এবং বস্তুবাদি জীবনকে দূরে রেখে যে সকল কাজের মাধ্যমে স্ত্রীকে খুশি করা যায় সেগুলো করার চেষ্টা আমাদের করতে হবে। মনে রাখাটা জরুরি স্ত্রীকে খুশি রাখা মানে পুরো সংসার টাকে সুন্দর এবং সুখী রাখা।

যে সকল কাজের মাধ্যমে সহজেই স্ত্রীকে খুশি করা যায় সেগুলো হলঃটিম হিসেবে কাজ করাঃআমাদের সমাজে কিছু নিয়ম অনেককাল ধরে চলে আসছে, যেমন পুরুষেরা ঘরের কাজ করবে না। ঘরের কাজ এবং বাচ্চা পালা শুধুমাত্র মহিলাদের দায়িত্ব।

এমন ধারনা একদমই ভুল। সুখি সংসার এবং দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনাকে টীম হিসেবে কাজ করতে হবে। সারাদিন অফিস করে এসে ঘরের কাজে সাহায্য করতে মন নাও চাইতে পারে তবে মনে রাখাটা জরুরি। আপনি বাইরে পরিশ্রম করলেও সারাদিন আপনার স্ত্রীও কিন্তু ঘরে পরিশ্রম করেছেন।

সে ক্ষেত্রে রাতের কিছু কাজ ভাগ করে নেওয়াটা খুব কঠিন এবং পরিশ্রমের কিছু হবে না। যেমনঃ বিছানা গোছানো, মশারি টাঙ্গানো, থালাবাসন যায়গা মত গুছিয়ে রাখা, বাচ্চাদের পড়া একটু দেখিয়ে দেওয়া, বোতলে পানি ভরা ইত্যাদি কাজে স্বামীরা খুব অল্প পরিশ্রম দিয়েই সাহায্য করতে পারেন।

স্ত্রীর সমস্যার কথাগুলো মন দিয়ে শুনুন তবে সরাসরি সমাধান দিয়ে দিবেন নাঃগবেষনায় দেখা গেছে কোন পারিবারিক বা সাংসারিক সমস্যায় পুরুষদের চেয়ে মেয়েরা অনেক বুঝে সমাধানে আস্তে পারে। কিন্তু মেয়েদের চিন্তা ভাবনাগুলো তারা তাদের পার্টনারদের সাথে আলোচনা করে নিতেই বেশি পছন্দ করে। আজকাল ফেসবুকের যুগে স্বামীরা স্ত্রীদের কথা মন দিয়ে শুনবে এমন আশা করাটাও বোকামি।

স্ত্রীর জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে জানুনঃ বর্তমান যুগে প্রতিটা মেয়েরই কোন না কোন স্বপ্ন থাকে। বিয়ের পর অর্ধের এর চেয়েও বেশি মেয়েদের স্বপ্ন ভেঙ্গে যায় শুধুমাত্র স্বামী এবং শশুরবাড়ির সাপোর্ট না থাকায়। আপনি শুরুতেই জেনে নিন আপনার স্ত্রীর জীবনের লক্ষ্য কী, তাকে তার লক্ষ্যে পৌছানোর ব্যাপারে আপনি কিভাবে সাহায্য করতে পারেন সেটা ভাবুন।

অনেকে মেয়েই তার পড়াশোনা বিয়ের পরেও চালিয়ে যেতে চায় কিন্তু সাংসারিক কাজের চাপে সেটা পেরে উঠে না, আপনি প্রতিদিন তাকে কিছু সময় ঠিক করে দিন পড়ার জন্য এবং সেই সময় টুকু তে তাকে যেন অন্য কোন কাজ করতে না হয় সেদিকে নজর রাখুন। অনেকে শুধুমাত্র ভাল বউ এবং মা হতে চায়। তাদের কেও আপনি সাহায্য করতে পারে, সাংসারিক কাজ গুলো গুছিয়ে উঠার জন্য কিভাবে কী করা যায় আলাপ আলোচনা করুন, ভালো ভালো টিপস এবং সহজে কাজ করা যায় এমন জিনিষগুলো হাতের কাছে এনে দিন। তাকে এক্সপার্ট হওয়ার জন্য সাহায্য করুন।

স্ত্রীর সৌন্দর্যের এবং কাজের প্রশংসা করুনঃ নারীরা ঘরের কাজ করবে এখানে আবার প্রশংসার কী আছে? কথাটা একদমই ভুল। নারীরা ঘরে হোক বা বাইরে অনেক পরিশ্রম করে থাকে প্রতি নিয়ত যেটার বিনিময়ে তারা সামান্য এটেনশানও পায় না। অথচ তাদের কাজের প্রতি আগ্রহ তৈরির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদের জীবন সঙ্গীর প্রশংসা।

জি হ্যা, সামান্য প্রশংসাই তাদের কর্ম স্পৃহা বাড়িয়ে তুলতে পারে অনেকাংশে। বাড়িতে ঢুকে সাফ করা ঘর বাড়ি দেখে তার কাজের প্রশংসা করুন। খাবার যদি খেতে খুব খারাপ না হয় তবে তাকে বলুন খাবার খেয়ে আপনার মজা লেগেছে। দেখবেন এরপর সে আসলেই মজাদার কিছু আপনার জন্য রান্নার চেষ্টা করছে।

একই ভাবে দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীকে খুশি করতে তার সৌন্দর্যের প্রশংসাও করুন। সে যখনি নতুন কোন জামা বা সুন্দর কোন জামা পরে বা সেজে গুজে থাকে তাকে সুন্দর লাগছে বলুন। আপনার এই একটি মাত্র কথা আপনার স্ত্রীর আত্ববিশ্বাস বাড়িয়ে দিবে বহুগুন।

স্ত্রীকে বলুন আপনি তাকে ভালবাসেনঃ এই একটি কথার মাধ্যমে আপনি আপনার স্ত্রীকে অনেক অনেক বেশি খুশি করতে পারেন। মেয়েরা মুখে প্রশংশা বেশি পছন্দ করে। তাকে বলুন আপনি তাকে কেন এত ভালোবাসেন। আপনার জীবনে তার অবস্থান তার মুল্য তাকে স্পষ্ট করে বুঝিয়ে বলুন।

স্ত্রীকে সরি বলুনঃ স্ত্রীকে আপনি যে শ্রদ্ধা করেন সেটা তাকে বুঝাবেন কোন ভুল হয়ে গেলে সরি বলার মাধ্যমে। পুরুষদের দ্বারা এমন অনেক সময় অনেক কাজ হয়ে যায় যেগুলো স্ত্রীরা সহজে মেনে নিতে পারে না। এমন পরিস্থিতিতে সরি বলে তাকে স্বাভাবিক করুন। আপনি বোঝান আপনি তাকে শ্রদ্ধা করেন। এভাবেও সেও আপনার প্রতি অনেক উচ্চ ধারনা পোষন করবে।

এমনো হতে পারে আপনি তার জন্য আলাদা ভাবে অর্থটি জমাতে থাকলেন এবং পরিমানটি একটু বড় হলে পরে তার হাতে সেটি তুলে দিলেন সারপ্রাইজ গিফট হিসেবে। এই উদ্দেশ্যে আপনি দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীকে খুশি করতে হালাল ভাবে কিছু এক্সট্রা উপার্জনের ব্যবস্থাও করতে পারেন চাইলে। যেমনঃ টিউশন, ফ্রি ল্যান্সিং, এডিটিং ইত্যাদি।

সবসময় স্ত্রীর মতামত নিনঃ টিমওয়ার্ক এর সবচেয়ে বড় কাজ হচ্ছে মতামত নেওয়া। সাংসারিক প্রতিটি কাজে আপনার স্ত্রীর মতামত নিন। তার কোন মতামতে ভুল ত্রুতি থাকলে ঠান্ডা মাথায় তাকে সেটা বুঝানোর চেস্টা করুন। এতে করে ধীরে ধীরে আপনাদের মাঝে বন্ধন দৃঢ় হবে এবং একে অপরের মতামত কে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনাও করতে শিখবেন। তবে বেশিরভাগ সময় যেটা দেখা যায় মতামত নেওয়ার সময় তীব্র ঝগড়ার সৃষ্টি হয় এবং পরিশেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে কোন একজনের অমতে। এক্ষেত্রে একে অপরের কথার মূল্য দিতে জানতে হবে, একে অপরের পরিস্থিতি বুঝতে হবে।

দাম্পত্য জীবন কে সুখী করতে অপর পক্ষ কী করলো সেটা না ভেবে আপনি কি করলেন সেটা নিয়ে ভাবুন। আপনি এক পা আগে বাড়ালে অপর পক্ষও কিন্তু বসে থাকবে না। নিজের ভুল ত্রুটি গুলো শুধরে অন্য পক্ষকে শুধরাতে চাইলে তখন তার আর কিছু বলার থাকে না।

তবে পুরুষদের ক্ষেত্রে নিজের সারাদিনের ক্লান্তি কে উপেক্ষা করে এই কাজগুলো করা কষ্টকর হলেও অসম্ভব নয় কিন্তু। আমরা আমাদের পারিবারিক জীবনকে সুখী করার জন্য এবং নিজের জীবন সঙ্গীকে একটু ভালো লাগা দেওয়ার জন্য এতোটুকু তো করতেই পারি, তাই না?

যাত্রীর এক ‘অন্য আবদার’ মেটালেন বিমান সেবিকা

এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটিয়ে বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছে বিমানসেবিকা। বিমানে যাত্রীর এক অন্য আবদার মিটালেন তিনি। বিমান সেবিকার উপস্থিত বুদ্ধি মুগ্ধ হয়েছেন বিমানে থাকা সকলেই।

আন্তর্জাতিক বেশকিছু সংবাদ মাধ্যমে তুলে ধরা হয়, জাপানের একটি ডোমেস্টিক বিমানে এক যাত্রী ওঠার পর থেকেই বিমানসেবিকাদের সঙ্গে অসভ্য ব্যবহার শুরু করেন। ওই যাত্রীর দাবি ছিল অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার পরেও জানলার ধারে জায়গা হয়নি তার। তাই সে শুরু করেন হুড়োহুড়ি।

এই অবস্থায় একটি সাদা কাগজ যাত্রীর পাশের দেওয়ালে লাগিয়ে দেন ওই বিমানসেবিকা। তাতে এঁকে দেন একটি কাল্পনিক জানলার ছবি। গোটা বিমান হেসে ওঠে ঘটনাটি দেখে।

ভাইরাল হওয়া ছবিটি।

একজন যাত্রী ছবিটি তুলে শেয়ার করলে ভাইরাল হয় সেই ছবিটি। ভাইরাল ছবিটি দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনেকেই।

এক রুটিতে দিন পার করা সেই ছেলেটি আজ বিসিএস ক্যাডার

বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষায় যাওয়ার মতো ভালো কোনো পোশাক ছিল না ছেলেটির। এক বন্ধু তখন পাশে এসে দাঁড়ায়। আর চাকরি পাওয়ার আগ পর্যন্ত কোনো দিন সকালে নাশতা করেননি। শুধু দুপুরের দিকে পাঁচ টাকা দামের একটা পাউরুটি খেয়ে দিন পার করতেন। সেই ছেলেটিই আজ বিসিএস ক্যাডার। শুনুনু তাহলে অদম্য সেই ছেলেটির গল্প-!

আবু সায়েমের বাড়ি কুড়িগ্রামে। বাবা অন্যের জমিতে কাজ করতেন। সে আয়ে তিনবেলা ভাত জুটত না। বাড়তি আয়ের জন্য মা কাঁথা সেলাই করতেন। তারপর সে কাঁথা বাড়ি বাড়ি বিক্রি করতেন। কত দিন কত রাত সায়েম যে না খেয়ে কাটিয়েছেন, সে হিসাব নিজেও জানেন না।

আজ সায়েমের কষ্টের দিন ঘুচেছে। ৩৫তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সমাজকল্যাণে মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েছেন তিনি। কথায় কথায় শৈশবের দিনে ফিরে গেলেন সায়েম, ‘আম্মা খুব ভোরে উঠে অন্য মানুষের পেয়ারাগাছের তলা থেকে বাদুড়ে খাওয়া পেয়ারা কুড়িয়ে আনতেন। ওই পেয়ারা ছিল আমাদের সকালের নাশতা। ’ তাঁদের ঘরের সামনেই ছিল পেঁপেগাছ।

ভাতের জোগাড় না হলে কাঁচা-পাকা পেঁপে খেয়েই থাকতে হতো। চাল না থাকায় একবার নাকি তাঁর আব্বা খেত থেকে কলাই তুলে আনেন। সেই কলাই ভাজা খেয়েই শুরু হয় তাঁর পেটজ্বলা। অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভাগ্যগুণে সে যাত্রায় বেঁচে যান সায়েম।

এভাবে অনাহারে-অর্ধাহারে, অসুস্থতায় কাটত দিনগুলো। তবু পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন, ছাড়েননি সায়েম। মাধ্যমিকের ভালো ফলের ধারা ধরে রাখলেন উচ্চমাধ্যমিকেও। এইচএসসি পরীক্ষার পর গ্রামের একটি কোচিং সেন্টারে ক্লাস নিয়েছেন কিছুদিন। সায়েম বলেন, ‘ক্লাস করিয়ে ২ হাজার ৩০০ টাকা পেলাম। সেই টাকাতেই ভর্তি পরীক্ষা দিলাম।

ভর্তির সুযোগ পেলাম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছাত্র পড়িয়ে চলল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া আর বেঁচে থাকার লড়াই। সে লড়াইয়ে জয়ী হলেন সায়েম। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে বিসিএস পরীক্ষা দিলেন। এরপরের গল্প আর নাই বা বললাম! আজ সেই সায়েম বাবা মায়ের গর্ব। সায়েম বলেন, ‘মা অন্যের কাঁথা সেলাই করে দিতেন। প্রতি কাঁথা হিসেবে মজুরি পেতেন ৭০ থেকে ১০০ টাকা। মায়ের ১০টি আঙুলে জালির মতো অজস্র ছিদ্র। আজ আমার মায়ের জীবন সার্থক।’

আকরাম খানের জীবনের নতুন ইনিংস

গুলশান পুলিশ প্লাজার পাশ দিয়ে ঢুকে ক্যুটিং কমপ্লেক্সের পেছনে একটি ভবনের সামনে উৎসুক জনতার ভিড়। সেই ভিড় ঠেলে ভেতরে গিয়েই বুঝলাম ভিড়ের কারণ। ভেতরে যে তারার মেলা বসেছে। আশির দশকে এফডিসির গেটের সামনে যেমন ভিড় থাকতো তেমনই। মানুষের পছন্দ এখন বদলে গেছে। আগে রাজ্জাক-ববিতা যেমন ক্রেজ ছিল, এখন তামিম, মুশফিক, রিয়াদদের নিয়ে আগ্রহ তার চেয়ে বেশি।

এই তারার মেলার উপলক্ষ একটি রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন। রেস্টুরেন্টের উদ্বোধনে ক্রিকেটারদের মেলা কেন? কারণ রেস্টুরেন্টের নাম ‘ক্রিকেটার্স কিচেন’। আর এই রেস্টুরেন্টের উদ্যোক্তা সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান। ক্রিকেটারদের সঙ্গে রেস্টুরেন্ট ব্যবসার সম্পর্কের কারণ নিয়ে গবেষণা হতে পারে। তবে শচিন থেকে সাকিব, আশরাফুল থেকে ইমরুল, তাসকিন থেকে আকরাম; সবারই পছন্দের ব্যবসা রেস্টুরেন্ট। খেলার সময় ক্রিকেটারদের কঠিন ডায়েট চার্ট মানতে হয়। ইচ্ছা থাকলেও অনেক পছন্দের খাবার তারা খেতে পারেন না। আমার ধারণা সেই অতৃপ্তি থেকেই তারা রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় আসেন। তবে আকরাম খানকে সেই তালিকায় ফেলা যাবে না। রেস্টুরেন্ট ব্যবসা তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য। আর আকরাম খান যেমন খেতে ভালোবাসেন, তেমনি ভালোবাসেন খাওয়াতে। সেই ভালোবাসারই বাণিজ্যিক রূপ ক্রিকেটার্স কিচেন।

ক্রিকেটার্স কিচেনে ঢুকলে আপনি চমকে যাবেন, রেস্টুরেন্ট না ক্রিকেট গ্যালারি! ঢুকেই ছোট্ট সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে যেতে হবে। সেই সিঁড়ির পাশের দেয়ালে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ইতিহাস লেখা। নিচের সুপরিসর রুমের দেয়ালে দেয়ালে বিশ্ব ক্রিকেটের গ্রেটদের ছবি। খেতে খেতে ক্রিকেটের রাজ্যে হারিয়ে যাবেন আপনি।

শুরুতেই বলছিলাম তারার মেলার কথা। আকরাম খান তো ছিলেনই; ছিলেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, ফারুক আহমেদ, নাইমুর রহমান দুর্জয়, হাবিবুল বাশার সুমন, খালেদ মাসুদ পাইলট, আতাহার আলী খান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, তাসকিন, রুবেলসহ আরো অনেকেই। চাচার রেস্টুরেন্টে তামিম ইকবাল তো থাকবেনই। প্রায় সবাই এসেছিলেন সপরিবারে। তাই সেদিন হয়েছিল পারিবারিক মিলনমেলা। দফায় দফায় আড্ডা চললো গভীর রাত পর্যন্ত।

উদ্বোধনের কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছিল না। তবে সবার ব্যস্ততা দেখে বোঝা গেল আকরাম খান উদ্যোক্তা হলেও ক্রিকেটার্স কিচেনের হাঁড়ির খবর পাওয়া যাবে সাবিনা আকরামের কাছে। আকরামের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, এই খেলায় আপনি ব্যাটসম্যান না বোলার? হাসতে হাসতে বললেন, ব্যাটিং-বোলিং সব সাবিনা করবে। আমি এখানে ফিল্ডার। ভালো করলে কোনো ক্রেডিট নাই, ক্যাচ ড্রপ করলে খবর আছে। তবে কিচেনের দায়িত্ব যদি সাবিনা আকরামের হাতে থাকে, তবে খাওয়ার ব্যাপারে আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন। কারণ শুধু ক্রিকেটের আবহ দেখে তো আপনার পেট ভরবে না। পেট পূজায় চাই মজাদার খাবার। প্রথম দিনেই যতটুকু চেখে দেখার সুযোগ পেয়েছি, তাতে আপনারা নিশ্চিন্তে ক্রিকেটের সঙ্গে খাবারটাও সেরে নিতে পারবেন।

সাবিনা আকরাম আরেকটা গোপন খবর জানালেন, মাসের প্রথম শুক্রবারে থাকবে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানের আয়োজন। প্রথম শুক্রবারে কেন? হাসতে হাসতে সাবিনা আকরাম বললেন, প্রথম শুক্রবারে সবার পকেটে টাকা থাকে।

উদ্বোধনের দিনের মতো তারার মেলা তো আর প্রতিদিন বসবে না। তবুও ক্রিকেটার্স কিচেনে গেলে আপনি ক্রিকেট ফিল করতে পারবেন। মাঝেমধ্যে আকরাম বা তামিমের সঙ্গে দেখাও হয়ে যেতে পারে। তবে আকরাম জানালেন, প্রতিদিন ক্রিকেটে আবহ রাখতে বড় পর্দা লাগানো হচ্ছে। সেখানে বাংলাদেশের সব খেলা সরাসরি দেখানো হবে। আর খেলা না থাকলেও বাংলাদেশের পুরনো খেলাগুলো দেখার ব্যবস্থা থাকবে।

তবে আমি যে কারণে বারবার ক্রিকেটার্স কিচেনে যাব, সেটাই বলা হয়নি এখনো। ক্রিকেটার্স কিচেনের পাশে অসাধারণ একটা লন আছে, যার পাশে বিস্তৃত মনোরম হাতিরঝিল। জলের পাশে লনে বসে খেতে খেতে প্রকৃতি উপভোগ করতে পারবেন। চাইলে শিশির ভেজা ঘাসে পা ভেজাতে পারবেন, পাবেন মাটির ছোঁয়া। তবে আর দেরি কেন, চলুন ঘুরে আসি ক্রিকেটার্স কিচেন থেকে।

যার একটি ইনিংসে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশের ক্রিকেট, সেই আকরাম খান নিশ্চয়ই নতুন পরিচয়েও সাফল্য পাবেন। শুভ কামনা থাকলো ক্রিকেটার্স কিচেনের জন্য।