করলার রসে ক্যানসার ধ্বংস! যেভাবে তৈরি করবেন..

করলার রসে ক্যানসার- সম্প্রতি গবেষকরা জানিয়েছেন, তিতা করলার রস পানে অগ্নাশয় ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস হয়। এছাড়া করলার রস ক্রিমিনাশক। উপমহাদেশ ও চীনের গ্রামাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলার রস পান করে আসছেন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলার রস সহায়তা করে।

তিতা স্বাদের জন্য অনেকেই করলা খেতে চান না। অথচ এ সবজিটি, বিশেষ করে এর জুস যে কত উপকারী তা জানলে তিতা স্বাদ উপেক্ষা করেই এটি খেতে চাইবেন। করলার আয়রন হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে সাহায্য করে। করলা দাঁত ও হাড় ভালো রাখে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ও চোখের সমস্যা সমাধানে করলার বিটা ক্যারোটিন খুবই উপকারী। ত্বক ও চুল ভালো রাখার জন্যও একান্ত জরুরি।

এ গুলো হলো করলার পুষ্টিগুণের কথা। করলার জুসও কম উপকারী নয়। করলার জুস খেলে অ্যাজমা ও ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যাও দূর হবে। করলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি ও সি রয়েছে। একই সঙ্গে এতে বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন, আয়রন, জিঙ্ক, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এ জন্য এটি শরীরের জন্য অনেক উপকারী। করলা আকারে বড় ও ছোট হলেও গুণের দিক থেকে একই রকম। ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে করলার ভেষজগুণের পর্যাপ্ততাও রয়েছে।

জ্বর ও শরীরের কোনো অংশ ফুলে গেলে তা থেকে পরিত্রাণ পেতে করলা ভালো পথ্য। তা ছাড়া করলার তরকারি বাত রোগে, লিভারে ও প্লীহার রোগে এবং ত্বকের অসুখে উপকার দেয়। নিয়মিত করলা খেলে জ্বর, হাম ও বসন্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।

যেভাবে তৈরি করবেন করলার জুস- গাঢ় সবুজ রঙের কাঁচা করলা নিন। টুকরো করে কাটুন। বিচিগুলো সরিয়ে ফেলুন। যদি তিতা কমাতে চান, তাহলে করলা কেটে ঠাণ্ডা লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ব্লেন্ডারে জুস তৈরি করে নিন। করলার জুসকে মিষ্টি করতে এর সঙ্গে দু-এক ফোঁটা মধু মেশাতে পারেন।

সিজার করা ভালো নাকি নরমাল ডেলিভারি ভালো? জেনে নিন

আজকাল সিজার করানো খুব সাধারণ একটি ব্যাপার, কিন্তু এটা একটা বড় অপারেশন তাই এর নিজস্ব কিছু ঝুঁকি থাকে। এজন্য চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণ ছাড়া ডাক্তার সিজারিয়ান করানোর পরামর্শ দেননা। গর্ভাবস্থায় কোন জটিল সমস্যা যদি সৃষ্টি না হয় তাহলে ভ্যাজাইনাল বার্থ বা নরমাল ডেলিভারি নিরাপদ। নরমাল ডেলিভারি শুধু বর্তমান গর্ভাবস্থার জন্যই ভালো নয় বরং পরবর্তীতে গর্ভধারণের জন্যও ভালো।

কখনো কখনো মা ও বাচ্চার জীবন রক্ষার্থে সিজারিয়ান করতে হয়, সেই পরিস্থিতিতে প্রশ্নাতীত ভাবেই সিজারিয়ান করানোটা হচ্ছে সবচেয়ে নিরাপদ।

পরিকল্পিত সিজারিয়ানে মায়ের সুবিধা সমূহ-

· প্রসব বেদনা সহ্য করতে হয়না।
· অনেক বেশি রক্তক্ষরণ হয়না।
· ভ্যাজাইনাল ইনজুরি হয়না।

পরিকল্পিত সিজারিয়ানে মায়ের অসুবিধা সমূহ-

· অনেকদিন হাসপাতালে থাকতে হয়।
· শিশুর জন্মের পরও ব্লিডিং হলে অনেক ক্ষেত্রে গর্ভ অপসারণ করে ফেলতে হয় একে হিস্টেরেক্টমি বলে।
· হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে।
· ইউটেরাইন ইনফেকশন এর ঝুঁকি বাড়ে।
· অপারেশনের পরে ব্যাথা হয় যা প্রায় কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
· পরবর্তীতে সন্তান ধারণের সময় এক্টোপিক বা টিউবাল প্রেগনেন্সি, প্লাসেন্টা প্রিভিয়া, প্লাসেন্টা অ্যাক্রিটা এবং প্লাসেন্টাল অ্যাবরাপশন এর সমস্যাগুলো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

পরিকল্পিত সিজারিয়ানে বাচ্চার অসুবিধা সমূহ-

· ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে রাখতে হয়।
· শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা থাকে।
· ব্রেস্ট ফিডিং এর অভ্যাস গড়ে উঠতে দেরি হয়।

সিজারিয়ান Cesar করানো মায়েদের মধ্যে বাচ্চাকে ব্রেস্ট ফিডিং এ সমস্যা হতে পারে।

এবার আমরা জানবো প্রাকৃতিক প্রসবের সুবিধা ও অসুবিধা গুলো কি কি –

· ভেজাইনাল বার্থ বা নরমাল ডেলিভারি অস্বস্তিকর ও কষ্টকর।
· নরমাল ডেলিভারি normal delivery নোংরা মনে হতে পারে। শরীর থেকে অনেক ঘাম, অ্যামনিওটিক তরল, রক্ত এবং বাচ্চার জন্মের পর প্লাসেন্টা বা নাড়ি বের হয়।
· ভ্যাজাইনাল ইনজুরি হতে পারে। অনেক সময় সেলাই লাগতে পারে।
· নরমাল ডেলিভারি হলে মা কয়েক ঘন্টা পরই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে এবং কয়েক দিনের মধ্যেই স্বাভাবিক কাজ শুরু করতে পারে।
· ভালোভাবে বাচ্চার baby জন্ম হয়ে গেলে বাচ্চা শান্ত থাকে।
· বাচ্চার জন্মের পর মা শারীরিক ও মানসিক শক্তি লাভ করে। এর মাধ্যমে সে শান্তি ও অর্জনের বিস্ময়কর অনুভূতি পায়।

· বাচ্চার জন্মের পর বাচ্চাকে সাথে সাথেই শাল দুধ খাওয়ানো সহজ হয় ফলে মা ও বাচ্চার সম্পর্ক দৃঢ় হয়।
· নরমাল ডেলিভারিতে বাচ্চাকে যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জন্ম নিতে হয় তাঁতে বাচ্চার ফুসফুস শ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার জন্য প্রস্তুত ও শক্তিশালী হয়।

সফল ভাবে বাচ্চা প্রসবের জন্য যে কাজ গুলো করা প্রয়োজন এবং যে কাজ গুলো করা ঠিক না সেগুলো জেনে নেই আসুন।

১। প্রাকৃতিক ভাবে বাচ্চা প্রসবের জন্য একজন স্বাস্থ্য কর্মী বা ধাত্রীর প্রয়োজন। সান ফ্রান্সিস্কো এর ওয়াইজওমেনচাইল্ডবার্থ.কম এর সারটিফাইড প্রফেশনাল মিডওয়াইফ, লাইসেন্সড মিডওয়াইফ মারিয়া লরিলো পরামর্শ advise দেন, “প্রাকৃতিক ভাবে বাচ্চা প্রসবের জন্য একজন ডাক্তার বা দাই এর ব্যবস্থা করতে হবে যিনি পুরো বিষয়টাকে সুন্দর ও সফল ভাবে সম্পন্ন করাতে পারবেন”।

২। প্রসবের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিষ গুলো জীবাণু মুক্ত করে নিতে হবে।

৩। বিজ্ঞানীদের মতে সদ্যজাত বাচ্চার নাড়ীতে প্রচুর আয়রন থাকে যা জন্মের কয়েক মাসের মধ্যে বাচ্চার শরীরে উৎপন্ন হয়না। তাই জন্মের অন্তত ২ মিনিট পরে নাড়ী কাটা ভালো যাতে শিশু অনেক বেশি আয়রন নিয়ে নিতে পারে।

৪। জন্মের সাথে সাথে বাচ্চাকে দূরে সরিয়ে না নিয়ে মায়ের বুকে নিলে বন্ধন দৃঢ় হয়।

৫। জন্মের পরপর বাচ্চাকে শাল দুধ খাওয়াতে হবে। বাচ্চাকে বুকের দুধ দিলে বাচ্চা এবং মা উভয়ের জন্যই ভালো। বুকের দুধ বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে এবং মাকে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে, বাচ্চা ও মায়ের বন্ধন দৃঢ় হয়।

৬। বাচ্চার জন্মের ব্যাপারে ভয়ংকর কিছু হতে পারে বা হয়েছে এমন কারো গল্প শুনবেন না বরং সব সময় ইতিবাচক ভাবে চিন্তা করুন।

যুক্তরাজ্যের National Institute for Clinical Excellence এর মতে, ‘সকল মহিলাদেরই অধিকার আছে বাচ্চার জন্মের পদ্ধতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার। কিন্তু তাঁদের এই সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে তাঁদেরকে সাহায্য করার জন্য সঠিক পরামর্শ দেয়াও জরুরি’। মহিলাদের জন্য বাচ্চার জন্মের দিনটা অনেক মোহনীয় ও স্মরণীয় একটি দিন। প্রসব বেদনা নিঃসন্দেহে অনেক বেশি কষ্টের কিন্তু মা যখন তাঁর সদ্যজাত সন্তানের মুখ দেখেন তখন তাঁর সব কষ্ট ভুলে যান।

মাইগ্রেনের ওষুধ সেক্স

মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় অনেকেই অতিষ্ঠ। মাইগ্রেন হলো এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা যা মাথার যেকোন এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে। মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। মাথাব্যথার সঙ্গে বমি বমি ভাব এবং রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে। তবে এই সমস্যার সমাধান দিয়েছেন গবেষকরা। তারা জানিয়েছেন, মাইগ্রেনের অন্যতম দাওয়াই হলো সেক্স।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মাইগ্রেন সমস্যা থেকে মুক্তির অন্যতম উপায় হচ্ছে শারীরিক সম্পর্ক। সেফালালজিয়া জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় গবেষকরা বলছেন, শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হলে প্রায় এক তৃতীয়াংশ রোগী মাইগ্রেন এবং ক্লাস্টার হেডএইক থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এমনকি বেশ কয়েকজন রোগীও জানিয়েছেন যে মাইগ্রেনের সমস্যায় তাদের অন্যতম ওষুধ হলো সেক্স।

শারীরিক সম্পর্কের সময় ইনড্রোফিনস নামক হরমোন নির্গত হয়, যাকে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক বলা হয়ে থাকে। এই হরমোন আংশিক কিংবা পুরোপুরি মাথা ব্যথা সাড়াতে সক্ষম বলে গবেষকরা জানিয়েছেন।

গবেষক ও জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব মানস্টার এর নিউরোলজিস্ট স্টিফান এভারস বলেন, ‘এক তৃতীয়াংশ রোগী জানিয়েছেন যে তারা সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটির মাধ্যমে মাইগ্রেন অ্যাটাক থেকে মুক্তি পেয়েছেন।’

গবেষকরা বলছেন, সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটির ফলে এনডরফিন উৎপন্ন হয় যা মস্তিষ্কে ন্যাচারাল পেইন কিলার হিসেবে কাজ করে।

গবেষণাটি ৮০০ রোগীর উপর চালানো হয়েছে যাদের মাইগ্রেন আছে এবং ২০০ জনের উপর যাদের ক্লাস্টার হেডএইক আছে। সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটি কীভাবে তাদের মাথা ব্যথার প্রকোপ কমিয়েছে সেটা তারা জরিপে জানিয়েছে।

এতে দেখা গেছে প্রতি ১০ জনে অন্তত ৪ জন জানিয়েছে, সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটি তাদের মাথা ব্যথা কমিয়ে দেয়। ৬০ শতাংশ জানিয়েছে, তাদের মাথা ব্যথা পুরোপুরি অথবা কিছুটা কমে। তবে এক কিছু মানুষ জানায়, সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটি তাদের মাথা ব্যথা কমানোর বদলে উল্টো বাড়িয়ে দিয়েছে। লাইভ সাইন্স।

লিভার, ফুসফুস, কিডনি ভালো রাখা এবং ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বেল

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে শরীরকে সব দিক থেকে সুস্থ রাখতে বাস্তবিকই বেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। বেলে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ফাইবার, প্রোটিন এবং আয়রন যেগুলো নানাভাবে শরীরের গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশেষত কনস্টিপেশন, বদ-হজম, পেপটিক আলসার, পাইলস, রেসপিরেটরি প্রবলেম এবং ডায়রিয়ার মতো সমস্যা কমাতেও এই ফলটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তবে এখানেই শেষ নয়, বেশ কিছু কেস স্টাডি করে দেখা গেছে নিয়মিত বেলের রস খাওয়া শুরু করলে মেলে আরও অনেক উপকারিতা। যেমন…

১. পেট সম্পর্কিত নানাবিধ রোগের ওষুধ
পাকস্থলিতে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে হজম ক্ষমতার উন্নতিতে বেলের ভেতরে থাকা উপকারি উপাদানেরা বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত ফরোনিয়া গাম নামক একটি উপাদান ডায়রিয়া এবং নানাবিধ পেটের রোগের প্রকোপ কমাতেও সাহায্য করে। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বেলের ভেতরে থাকা টেনিন নামক উপাদান পাইলস এবং পেপটিক আলসারেরও প্রকোপ কমায়। একথায় পেট সম্পর্কিত নানাবিধ রোগের ওষুধ হিসেবে আজও আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা বেলের উপরই ভরসা করে থাকেন।

২. শরীরকে বিষ মুক্ত করে
বেশ কিছু পরীক্ষায় দেখা গেছে নিয়মিত মাত্র ৫০ এমজি বেলের রস, গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে রক্তে উপস্থিত টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে কোষেদের কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। প্রসঙ্গত, বেলের রস লিভার এবং কিডনির কর্মক্ষমতাও বাড়িয়ে তোলে। ফলে শরীরে কোনও ক্ষতিকর উপাদানই জমতে পারে না, যে কারণে রোগভোগের আশঙ্কাও অনেক কমে যায়।

৩. ডায়াবেটিস রোগকে দূরে রাখে
বেল ফলের পাশাপাশি বেল গাছের শাখা প্রশাখার ভেতরেও ফেরোনিয়া গাম বলে একটি উপাদান থাকে, যা ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়ে রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, রক্তে যাতে হঠাৎ করে চিনির মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে ডায়াবেটিক রোগীদের কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা না দেয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে এই উপাদানটি। এই কারণেই তো শুধু ডায়াবেটিক রোগীদের নয়, সবাইকেই প্রতিদিন এক গ্লাস করে বেলের রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৪. ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়ায়
বেল গাছের পাতা নিয়মিত ফুটিয়ে খেলে ব্রঙ্কাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে সর্দি-কাশি এবং বুকে কফ জমার মতো সমস্যাও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ পায় না। প্রসঙ্গত, ঠাণ্ডা লেগে গলার যন্ত্রণা হলে, তা কমাতে এবং সার্বিকভাবে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও এই প্রাকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫. ভিটামিন সি-এর ঘাটতি দূর করে
বেল ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতিতে, শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে, দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে এবং ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে এখানেই শেষ নয়, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে শরীরে ভিটামিন সি-এর পরিমাণ বাড়তে থাকলে হার্টের কর্মক্ষমতাও বাড়ে। সেই সঙ্গে ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগও ঘাড়ে চেপে বসার সুযোগ পায় না।

৬. এনার্জির ঘাটতি দূর করে
১০০ গ্রাম বেলে আছে প্রায় ১৪০ ক্যালরি, সেই সঙ্গে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিকর উপাদান, যা প্রতিটি কোষের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীর, ভেতর এবং বাইরে থেকে খুব শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং ক্লান্তি দূর হয়।

৭. কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ায়
নিয়মিত এক গ্লাস করে বেলের শরবত খেলে কিডনিতে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানেরা বেরিয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কিডনির কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে শরীরের এই ভাইটাল অর্গানটির কর্মক্ষমতা এতটা বৃদ্ধি পায় যে কোনো ধরনের কিডনি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়।

৮. লিভারের খেয়াল রাখে
বেলে উপস্থিত বিটা-ক্যারোটিন, থিয়েমিন এবং রাইবোফ্লবিন লিভারের দেখভালে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। তাই যারা নিয়মিত মদ্যপান করে থাকেন, তারা যদি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বেলের সরবতের অন্তর্ভুক্তি ঘটান, তাহলে লিভারের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যে কমে, সে বিষযে কোনও সন্দেহ নেই!

নতুন জিনিসের ভিতরে এই সব কাগজের মোড়কে কী থাকে জানেন

নতুন জুতো বা প্লাস্টিকের বোতলের ভিতরে অনেকেই একটা বা দুটো ছোট কাগজের মোড়ক দেখেছেন। বেশ কিছু ওষুধের শিশি বা কৌটোতেও এই রকমের মোড়ক দেখতে পাওয়া যায়। ধরে দেখলে মনে হতে পারে, এর মধ্যে হয়তো নুন জাতীয় কিছু রয়েছে। মোড়কের গায়ে লেখা থাকে, ‘শিশুদের থেকে দূরে রাখুন’ বা এই জাতীয় কোনও সতর্কবার্তা। কিন্তু জানেন, কাগজের এই ছোট ছোট মোড়কে কী থাকে বা কেন এই মোড়কগুলিকে নতুন জুতো, প্লাস্টিকের বোতল বা ওষুধের শিশির ভিতরে রাখা হয়?

একে বলা হয় সিলিকা জেল। এর কাজ হল আর্দ্রতা শুষে নিয়ে শুষ্কতা বজায় রাখা। কিন্তু এই সব সিলিকা জেল ভরা মোড়ক আমরা সাধারণত ফেলে দিয়ে থাকি। কিন্তু এই সিলিকা জেলের ছোট ছোট মোড়কগুলি আমাদের অনেক কাজে লাগতে পারে। আসুন, সিলিকা জেলের এই ছোট ছোট মোড়কগুলির অন্যান্য ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক…

১) ধাতব জিনিসপত্রকে মরচের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য খুবই কার্যকর এই সিলিকা জেলের প্যাকেট। যেমন, দাড়ি কামানোর সেফটি রেজার বা ব্লেড সিলিকা জেলের প্যাকেটের সঙ্গে মুড়ে রাখলে সেটি অনেকদিন চলবে। রুপো বা অন্য কোনও ধাতুর তৈরি গয়নাও এই কৌশলে রাখতে পারলে সেগুলি একদম নতুনের মতো থাকবে।

২) ওষুধপত্রকে ঠিকঠাক রাখতে সিলিকা জেলের প্যাকেট ব্যবহার করা হয়। যে পাত্রে ওষুধ রাখছেন, সেই প্লাস্টিকের শিশি বা কৌটোর ভিতরে একটি বা দু’টি সিলিকা জেলের মোড়ক রাখুন। ঘরোয়া আদ্রতায় ওষুধ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।

৩) ড্রাই ফুট, যেমন, বাদামভাজা, ছোলাভাজা ইত্যাদির পাত্রে সিলিকা জেলের মোড়ক রাখলে বিশেষ ফল পাওয়া যাবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, সিলিকা জেলের মোড়কগুলি যেন খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে লেগে না থাকে।

৪) অনেকের বাড়িতেই পুরনো ছবি, অ্যালবামে যত্ন করে রাখা সত্ত্বেও ঘরোয়া আর্দতায় নষ্ট হয়ে যায়। ঘরোয়া আর্দতার হাত থেকে পুরনো ছবিগুলিকে দীর্ঘদিন ভাল রাখতে সিলিকা জেলের দু’ একটি মোড়ক ছবির অ্যালবামের সঙ্গে রাখুন।

৫) জলেতে মোবাইল ফোন পড়ে গেলে বা বৃষ্টির জলে ভিজে গেলে চিন্তা নেই! মোবাইল খুলে, ব্যাটারি বের করে প্রশমে শুকনো করে মুছে ফেলুন। তার পর একটি পলিথিনের প্যাকেটে দু’ চারটে সিলিকা জেলের মোড়কের সঙ্গে মোবাইলটি রেখে দিন। অল্প সময়ের মধ্যেই মোবাইলের ভিতরে জমে থাকা জলকণা ও আর্দ্রতা শুষে নেবে সিলিকা জেলের মোড়কগুলি।

সুতরাং, এখন থেকে নতুন কেনা জিনিসের সঙ্গে পাওয়া সিলিকা জেলের মোড়কগুলি আর ফেলে দেবেন না। প্রয়োজনে অনলাইনে ই-কমার্স সাইট থেকেও অর্ডার দিয়ে আনিয়ে নিতে পারেন।

খালেদার ‘বিকল্প’ ৬ নেতা

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে যাচ্ছে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি। দীর্ঘ ১০ বছর পর দলটি জাতীয় নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে যাচ্ছে। তবে দলটির প্রধান কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়।

যদিও কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। খালেদা জিয়া পক্ষে বগুড়ার দুটি আসন ও ফেনীর একটি আসনের জন্য মনোনয়ন সংগ্রহ করা হয়েছে।

এদিকে, বগুড়া ৬ ও ৭ আসনে দলের অন্য কেউ নির্বাচনে আগ্রহ না দেখালেও ছয় নেতা দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন দুটি আসনের জন্যই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

কারাদণ্ডের কারণে যদি খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে ব্যর্থ হন তাহলে অন্য যারা মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তাদের মধ্য থেকে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থী নির্বাচিত করা হবে।

একটি বির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গত ১২ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন বিক্রি কার্যক্রম শুরু করার পর কারাবন্দি খালেদা জিয়ার জন্য তিনটি আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়। ওই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের মধ্য দিয়ে দলীয় মনোনয়ন বিক্রি কার্যক্রম শুরু করে বিএনপি।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথমে খালেদা জিয়ার পক্ষে ফেনী-১ (পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া) আসনে মনোয়নয় ফরম সংগ্রহ করেন। এরপর খালেদা জিয়ার পক্ষে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের জন্য স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম ও বগুড়া-৬ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনের জন্য স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ফরম সংগ্রহ করেন। এরপর অন্য আসনের ফরম বিতরণ শুরু হয়।

এদিকে, বগুড়া সদর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও শাজাহানপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সরকার বাদল ওই দুটি আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন।

পরবর্তীতে, মনোনয়ন ফরম বিতরণের শেষ দিন ১৬ নভেম্বর শুক্রবার বগুড়া-৬ আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বগুড়া পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবুর রহমান, জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম (ভিপি সাইফুল), সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন ও সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

এছাড়া, গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোর্শেদ মিল্টন, খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু বগুড়া-৭ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে হেলালুজ্জামান তালুকদার লালুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন না ধরায় তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

বগুড়া-৬ আসনে থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করা জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন এবং গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোর্শেদ মিল্টন এ বিষয়ে জানান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নির্দেশে তারা মনোনয়ন সংগ্রহের পর জমা দিয়েছেন। যদি খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে না পারেন তবে তারা দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নেবেন।

অন্যদিকে, বগুড়া ৬ ও ৭ আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করা সরকার বাদল বলেন, বগুড়া ৬ ও ৭ আসনে দুটি আসনেই আমার জনপ্রিয়তা রয়েছে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। যে কারণে আমি আগেই দুটি আসন থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করে জমা দিয়েছি। আমরা চাই খালেদা জিয়া দুটি আসনেই নির্বাচন করুন। কিন্তু সেটা যদি সম্ভব না হয় তাহলে আমরা নির্বাচনে অংশ নেব। এ ক্ষেত্রে হাইকমান্ড আমাকে যে নির্দেশনা দিবে আমি সে অনুযায়ী কাজ করব।

উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া বগুড়া ৬ ও ৭ আসনে ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত পর পর চারবার নির্বাচন করে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।

কিডনি রোগীদের জন্য সুখবরের অপেক্ষা

বংশগত কিডনি রোগ বা অটোসমাল পলিসিসটিক কিডনি রোগের তেমন কোনো চিকিৎসা নেই। তবে ক্লিনিক্যাল স্টাডিতে দেখা গেছে, চ্যানেলটির সঠিক প্রয়োগ সম্ভব হলে এ ধরনের কিডনি রোগ ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর এটা সফল হলে চিকিৎসায় নবদিগন্তের সূচনা ঘটতে পারে।

বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বসের তালিকায় সেরা তরুণ বিজ্ঞানী হিসেবে নাম ওঠা বাংলাদেশি জি এম মাহমুদ আরিফ পাভেল গতকাল মঙ্গলবার ফ্লোরিডা থেকে কালের কণ্ঠ’র কাছে এভাবেই তাঁর প্রতিক্রিয়া জানান।

পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ব্যাচেলর ডিগ্রি সম্পন্ন করে স্কলারশিপ নিয়ে নিউ ইয়র্কের সেন্ট জনস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স এবং পিএইচডি করেছেন। তরুণ এই বিজ্ঞানী বর্তমানে পোস্ট ডক্টরাল অ্যাসোসিয়েট হিসেবে ‘স্ক্রিপস রিসার্চ’-এ কাজ করছেন। বসবাস করছেন ফ্লোরিডার জুপিটারে। তিনি গবেষণা করছেন মানব শরীরের আয়ন চ্যানেল নিয়ে। আর এই গবেষণাকে স্বীকৃতি দিয়ে বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বস ২০১৯ সালে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ৩০ বছরের নিচে সেরা ৩০ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান দিয়েছে।

গত শুক্রবার ফোর্বস প্রকাশিত তালিকায় ‘থার্টি আন্ডার থার্টি’ ক্যাটাগরিতে দেখা যায়, ২৯ বছর বয়সী এই বায়োলজিস্টের নাম রয়েছে তালিকার প্রথমেই। মানবকল্যাণে গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের নিয়ে আট বছর ধরে এই তালিকা প্রকাশ করে আসছে ফোর্বস।

শরীরের আয়ন ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ করার জন্য মস্তিষ্কের নিউরনে কিছু মেমব্রেন বাউন্ড প্রোটিন থাকে, যাদের আয়ন চ্যানেল বলে। এই আয়ন চ্যানেলগুলো অনেকটা নলের মতো মেমব্রেনের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত। আয়নরা এই আয়ন চ্যানেলের মধ্য দিয়ে মেমব্রেনের ভেতরে এবং বাইরে যাওয়া-আসা করতে পারে। মানুষ চোখে যা দেখে, যা অনুভব করে—তা প্রোটিনের মাধ্যমে ইলেকট্রন তৈরি হয়ে একপর্যায়ে ব্রেনে যায়। আর এই আয়ন চ্যানেলে সমস্যা তৈরি হলে কিডনিতেও সমস্যা হয়। মাহমুদ আরিফ পাভেলের গবেষণার বিষয় ছিল মানব শরীরের এই আয়ন চ্যানেল বিষয়ে। একে ‘ফান্ডামেন্টাল সেন্সরস অব লাইফ’ বলে অভিহিত করেন তিনি।

পাভেল বলেন, অ্যানেসথিওলজিস্ট বা অবেদনবিদরা সার্জারির প্রয়োজনে অ্যানেসথেশিয়া দিতে বা রোগীকে অজ্ঞান করতে বেশ কিছু ওষুধ প্রয়োগ করে থাকেন। তখন এই আয়ন চ্যানেলগুলো বিভিন্ন ড্রাগ দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে রোগীর কোনো অনুভূতি থাকে না। তিনি বলেন, ‘কিছু ওষুধ শিশু ও বৃদ্ধের ক্ষেত্রে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। আমরা গবেষণা করে জানার চেষ্টা করছি, এই আয়ন চ্যানেল কিভাবে কাজ করে।’ তিনি অ্যানেসথেশিয়া নিয়ে গবেষণা করছেন মলিকুলার বিজ্ঞানী ড. স্কট বি হ্যানসনের অধীনে।

এই সাফল্যের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে পাভেল আরো বলেন, ‘আমাদের কাজটি ছিল একটি টিমওয়ার্ক। আমি ছিলাম সেই টিমের প্রধান। শোকর আলহামদুলিল্লাহ! অনেক ভালো লেগেছে এটা দেখে যে, এই সংবাদে আমার মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবরা বেশ খুশি হয়েছেন।’

জি এম মাহমুদ আরিফ পাভেল বলেন, রিসার্চ করতেই তাঁর ভালো লাগে। ভবিষ্যতে ইচ্ছে আছে গবেষণায় ভালো কিছু করার।

অভিযোগ সম্পর্কে যা বললেন হিরো আলমের স্ত্রী

‘আমার স্বামী আমাকে দেখে না কে বলল? আমার স্বামীর ব্যবসা তো আমি দেখি। সে এখন মিউজিক ভিডিও নিয়ে কাজ করে। ঢাকায় থাকে, সপ্তাহ অথবা ১০ দিনে দেখা হয়। বাসায় আসে। বাসায় সে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে পড়ে থাকে। তার বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকতো তাহলে আমি কি ওর সাথে থাকতাম?’

কথাগুলো বলছিলেন বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু ) জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নপত্র নেওয়া আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের স্ত্রী সাবিহা আক্তার সুমি। তিনি বলেন, কয়েকজন মানুষ আসছিল। সাংবাদিক পরিচয়ে তারা উল্টাপাল্টাভাবে আমার শ্বশুরের সাথে কথা বলে নিউজ লিখছে শুনলাম। আমার সন্তানদের আলম দেখে কি না সেটা আমি ছাড়া কে ভালো বুঝবে?

সুমীর বয়স এখন আনুমানিক ২৬। কথায় আঞ্চলিকতার টান তুলনামূলক কম। পড়েছেন দশম শ্রেণি পর্যন্ত। তিনি আলমের বিপক্ষে কথা বলতে নারাজ, অভিযোগ প্রসঙ্গে কথা বলতেই তিনি রেগে উঠছেন। আপনার বোনকে নিয়ে নাকি আলম পালিয়েছিল? এই প্রশ্নের উত্তরে সুমী বলেন, আমার বোনকে নিয়ে আলম পালাবে আর আমি তার স্ত্রী হয়ে ঘরে থাকবো? ঘটনা একটা ঘটেছিল, সেটাকে গ্রামে অন্যভাবে ছড়ানো হয়েছে। আলম সহজ সরল। ওর দ্বারা এসব সম্ভব না।

শ্যালিকাকে নিয়ে পালানোর বিষয়ে সুমী বলেন, ‘আমার ছোট বোনের এক জায়গায় বিয়ে ঠিক হয়েছিল। কিন্তু ও রাজি ছিল না বিয়েতে। পরে আলমের সাহায্য নিয়ে সে অন্যখানে কয়েকদিন লুকিয়ে ছিল। আমরা সবাই জানতাম এই ঘটনা। কিন্তু গ্রামের লোকজন সেটা অন্যভাবে ছড়ায় যার কারণে শালিস হয়। শালিসে আলমের কোনো অপরাধ পাওয়া যায়নি। আমার বোনের অন্যখানে বিয়ে হয়েছে, একটা বাচ্চাও আছে।’

আলমের বাড়ি এরুলিয়ার পলিবাড়িতে। ২০০৭ সালে পার্শ্ববর্তী শাহপাড়ার মেয়ে সুমীর সাথে বিয়ে হয়। ছোটবেলা থেকেই অভাব-অনটনের সাথে চলা আলমের পরিবার তাকে আরেক পরিবারের হাতে তুলে দেয়। আলম চলে আসেন একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের বাসায়। আব্দুর রাজ্জাক তাকে ছেলের মতো করেই বড় করে তোলেন। স্নেহ করতেন। কিন্তু গ্রামে অভাব তো প্রায় মানুষের আছে।

আলমের পালক পিতা আব্দুর রাজ্জাকের সংসারও অভাবের ছোঁয়া পায়। স্থানীয় স্কুলে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে আলমকে নেমে পড়তে হলো জীবিকা নির্বাহের তাগিদে। সিডি বিক্রি থেকে আলম ডিশ ব্যবসায় হাত দিয়ে সফলতা অর্জন করেন। নিজের চেষ্টায় তার মাসে আয় ৭০-৮০ হাজার টাকা।

সুমী বলেন, ‘ডিশ ব্যবসার সমস্ত হিসাব কিতাব আমি দেখি। লাইনের কোনো সমস্যা হলে কাজের লোক দিয়ে আব্বাকে (শ্বশুর) পাঠাই। ডিশ ব্যবসায় হেল্প করার জন্য আমাদের এখানে মোট ৮ জন লোক কাজ করে। আলম না থাকলেও আমরা সবকিছু সামলে নেই।’

হিরো আলমের বড় মেয়ে আলোমনি দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে, মেজো মেয়ে আঁখি ১ম শ্রেণির ছাত্রী এবং ছেলে আবিরের বয়স চার বছর। তিন সন্তান ও স্ত্রী সুমীকে নিয়েই সংসার। হিরো আলমের মতো সুমীরও দাবি, তার সুখের সংসার। আলমের বাবা রাজ্জাক ও স্ত্রীর আক্ষেপ এক জায়গায় সেটা হলো নির্বাচন নিয়ে। তাদের ধারণা নির্বাচন করে অনর্থক টাকা-সময় নষ্ট হবে।

হিরো আলম তার বিরুদ্ধে উঠে আসা অভিযোগ নিয়ে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আমার বৌয়ের কোনো অভিযোগ নাই। আপনি চাইলে কথা বলে দেখতে পারেন। আমি ইদানীং ঢাকায় বেশি থাকি, তাই সুমী ও আমার বাবা ব্যবসা দেখে। আমি সুযোগ পাইলেই চলে যাই। আমার বিরুদ্ধে বিপক্ষ পার্টির কয়েকজন নিউজ করাচ্ছে। তারা চায় আমার নামে বদনাম ছড়ায়ে দিয়ে আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে, আমি জানি কারা এসব করছে। আমি নাকি মনোনয়নপত্র হারায়ে ফেলছি এমন ভুয়া নিউজও করছে তারা।’

তোমার দেশের মানুষের খেয়ে দেয়ে কাজ নেই?

মিস ওয়ার্ল্ড’ হবার দৌঁড়ে এখন চীনের সানাইয়া শহরে আছেন জান্নাতুল ফেরদৌসী ঐশী। তিনি বাংলাদেশের হয়ে এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছেন। এর আগে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন তিনি। এখন ওয়ার্ল্ডের মঞ্চে লড়বেন তিনি। তবে ফেসবুকসহ মোবাইল প্ল্যাটফর্ম মবস্টার নিয়ে ঝামেলায় আছেন এই সুন্দরী। যোগাযোগের এই সব মাধ্যমে তাকে নিয়ে অনেকগুলো ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিরক্ত এই সুন্দরী।

সোমবার ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় জান্নাতুল ফেরদৌসী ঐশী বলেন, আমার নামে যারা ফেক অ্যাকাউন্ট খুলছেন, কেন খুলছেন জানি না। এতে আপনাদের কী লাভ? বরং আমার ক্ষতি হচ্ছে। আপনাদের সাপোর্ট আমার দরকার। আমার অনেক কমেন্ট লাইক শেয়ার অন্য আইডিতে চলে যাচ্ছে। আমি দেশের বাইরে আছি। দেশের প্রতিনিধি হয়ে এসেছি। নিজের দেশের মানুষ যদি আমার ক্ষতি করেন, তাহলে কীভাবে সামনে দিকে এগিয়ে যাব! এখন আপনাদের লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার গুরুত্বপূর্ণ আমার জন্য।

ঐশী বলেন, মবস্টারের ওনার আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। আমার অ্যাকাউন্ট ভেরিফাইড করতে চাচ্ছেন। কিন্তু তিনি আমার আসল অ্যাকাউন্ট খুঁজে পাচ্ছেন না। আমি তাকে বললাম যে, অনেক ফেক অ্যাকাউন্ট খোলো আছে বলে আসলটা পাচ্ছেন না। তখন আমার পাশে অন্য দেশের এক মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগী বললেন, তোমার দেশের মানুষের খেয়ে দেয়ে কাজ নেই!

ঐশী বলেন, আমার দেশের মানুষের কারণে এমন কথা শুনতে হবে, যে খেয়ে দেয়ে কাজ নেই। এসময় তিনি তার ফেক অ্যাকাউন্টগুলো মুছে ফেলার অনুরোধ জানান।

ভায়াগ্রা নয় গোপন দুর্বলতায় খান কালোজিরা

ভায়াগ্রা নয়- কালোজিয়া শুধু ছোট ছোট কালো দানা নয়, এর মধ্যে রয়েছে বিস্ময়কর শক্তি। প্রাচীনকাল থেকে কালোজিরা মানবদেহের বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক। শুধু এখানেই শেষ নয়, কালোজিরা চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্ক্রিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি এবং মস্তিষ্ক শক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়ায়।কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )এ ছাড়া অনেকে গোপন শক্তি বাড়াতে চিকিৎসকের আশ্রয় নেন ও ভায়াগ্রা সেবন করেন! তাদের বলছি-এর জন্য ভায়াগ্রা নয়, এক চামুচ কালোজিরাই যথেষ্ট। কারণ কালোজিরায় এ ক্ষমতা অপরিসীম। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালোজিরায় রয়েছে-ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণুনাশক বিভিন্ন উপাদান। কালোজিরায় ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হরমোন, প্রস্রাবসংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।আসুন জেনে নিই কালোজিরায় আর কি কি উপকারিতা রয়েছে-:: মাথাব্যথা: মাথাব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তী স্থানে দৈনিক ৩-৪ বার কালোজিরার তেল মালিশ করুণ। তিন দিন খালি পেটে চা চামচে এক চামচ করে তেল পান করুন উপকার পাবেন। যৌন দুর্বলতা: কালোজিরা চুর্ণ ও অলিভ অয়েল, ৫০ গ্রাম হেলেঞ্চার রস ও ২০০ গ্রাম খাঁটি মধু একসঙ্গে মিশিয়ে সকালে খাবারের পর এক চামুচ করে খান। এতে গোপন শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

চুলপড়া: লেবু দিয়ে সব মাথার খুলি ভালোভাবে ঘষুণ। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ও ভালোভাবে মাথা মুছে ফেলুন। তার পর মাথার চুল ভালোভাবে শুকানোর পর সম্পূর্ণ মাথার খুলিতে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এতে এক সপ্তাহেই চুলপড়া কমে যাবে। কফ ও হাঁপানি: বুকে ও পিঠে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এ ক্ষেত্রে হাঁপানিতে উপকারী অন্যান্য মালিশের সঙ্গে এটি মিশিয়েও নেয়া যেতে পারে।স্মতিশক্তি বাড়ে ও অ্যাজমায় উন্নতি ঘটে: এক চামচ মধুতে একটু কালোজিরা দিয়ে খেয়ে ফেলুন। এতে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। হালকা উষ্ণ পানিতে কালোজিরা মিলিয়ে ৪৫ দিনের মতো খেলে অ্যাজমার সমস্যার উন্নতি ঘটে। ডায়াবেটিস: কালোজিরার চূর্ণ ও ডালিমের খোসা চূর্ণ মিশ্রণ এবং কালোজিরার তেল ডায়াবেটিসে উপকারী।

মেদ ও হৃদরোগ: চায়ের সঙ্গে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ কমে যায়। অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্টিক: এক কাপ দুধ ও এক টেবিল চামুচ কালোজিরার তেল দৈনিক তিনবার ৫-৭ দিন সেবন করতে হবে। এতে গ্যাস্টিক কমে যাবে। চোখে সমস্যা: রাতে ঘুমানোর আগে চোখের উভয়পাশে ও ভুরুতে কালোজিরার তেল মালিশ করুণ। এক কাপ গাজরের রসের সঙ্গে এক মাস কালোজিরা তেল সেবন করুন।উচ্চ রক্তচাপ: যখনই গরম পানীয় বা চা পান করবেন, তখনই কালোজিরা খাবেন। গরম খাদ্য বা ভাত খাওয়ার সময় কালোজিরার ভর্তা খান রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকবে। এ ছাড়া কালোজিরা, নিম ও রসুনের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে মাথায় ব্যবহার করুণ। এটি ২-৩ দিন পরপর করা যায়। জ্বর: সকাল-সন্ধ্যায় লেবুর রসের সঙ্গে এক টেবিল চামুচ কালোজিরা তেল পান করুণ। আর কালোজিরার নস্যি গ্রহণ করুন।

স্ত্রীরোগ: প্রসব ও ভ্রুণ সংরক্ষণে কালোজিরা মৌরী ও মধু দৈনিক ৪ বার খান। সৌন্দর্য বৃদ্ধি: অলিভ অয়েল ও কালোজিরা তেল মিশিয়ে মুখে মেখে এক ঘণ্টা পর সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলন। বাত: পিঠে ও অন্যান্য বাতের বেদনায় কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এ ছাড়া মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। দাঁত শক্ত করে !দই ও কালোজিরার মিশ্রণ প্রতিদিন দুবার দাঁতে ব্যবহার করুন।  এতে দাঁতে শিরশিরে অনুভূতি ও রক্তপাত বন্ধ হবে। ওজন কমায়: যারা ওজন কমাতে চান, তাদের খাদ্য তালিকায় উষ্ণ পানি, মধু ও লেবুর রসের মিশ্রণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এখন এই মিশ্রণে কিছু কালোজিরা পাউডার ছিটিয়ে দিন। পান করে দারুণ উপকার পাবেন।

অফিসের কাজ, বিশেষ করে যারা কম্পিউটার ব্যবহার করেন অথবা সামনে ঝুঁকে কাজ করেন তারাই এই ব্যথায় বেশি ভোগেন। ব্যথা শুরুর পর অনেকেই বিশ্রাম নিতে পারেন না বা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ না করেই ব্যথানাশক সেবন করে ব্যথা দমিয়ে রাখেন। প্রথমদিকে ব্যথানাশক কাজ করলেও পরে ব্যথানাশক কাজ করে না এবং ব্যথা তীব্র আকার ধারণ করে।কোমর ব্যথার ধরন : যারা দীর্ঘ সময় চেয়ারে বসে কাজ করেন তাদের কোমরে ব্যথা বেশি হয়। অনেক সময় ব্যথা কোমর থেকে পায়ে চলে যায়। বসে, দাঁড়িয়ে এমনকি শুয়ে থাকতেও সমস্যা হয়। যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তাদের ব্যথা বেশি তীব্র হয়। করণীয় : মনে রাখা প্রয়োজন, ব্যথা নিজে কোনো রোগ নয়, রোগের লক্ষণ। তাই কোনো ব্যথাকেই অবহেলা করা যাবে না।ব্যথার ওষুধ খেয়ে অল্প অল্প ব্যথা দমিয়ে রাখলে তা পরে তীব্র আকার ধারণ করে আপনাকে আরও বেশি বিপদে ফেলে দিতে পারে। তাই ব্যথার কারণ নির্ণয়পূর্বক প্রযোজ্য চিকিৎসা; ইলেকট্রোথেরাপি, ম্যানিপুলেটিভ থেরাপি বা আইপিএম শুরু করা উচিত। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক ব্যায়াম করতে হবে !