মেয়ের সাথে প্রতারণায় বন্ধুকে থানায় নিয়ে গেলেন সাব্বির

বিভিন্ন বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়ে বর্তমানে জাতীয় দল থেকে নিষিদ্ধ আছেন সাব্বির। কিন্তু ঠিকই খেলছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে। তবে আজ নিজ বন্ধুকে থানায় নিয়ে গেলেন সাব্বির।

সাব্বিরের অভিযোগ, মামুনুর রশিদ ওরফে হিমেল নামে এই তরুণ তার নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলে এক তরুণীর সঙ্গে প্রতারণা করছিলেন।

ওই তরুণী সাব্বির রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি তাকে জানান। এরপর সাব্বির রহমান নিশ্চিত হন এ ধরনের প্রতারণা মামুনুর রশিদ করছেন। তাই তাকে ধরে থানায় নিয়ে আসেন।

পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতেখায়ের আলম বলেন, থানায় আলাপ-আলোচনা চলছে। সাব্বির রহমান যেভাবে চাইবেন সেভাবেই প্রতারক মামুনুর রশীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এখনপর্যন্ত কি অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তার সেই বন্ধুর বিপক্ষে সেটা এখনো জানা যায়নি।

সাবধান! ঢাকায় যারা পথ চলেন, অবশ্যই পড়বেন

ফার্মগেটে হঠাৎ দেখতে পেলেন, কতগুলো মানুষ একজন মানুষ কে মেরে রক্তাক্ত করে চলেছে আর সে আপনাকে বলছে ভাই, সাহায্য করেন। আপনি দয়া দেখাতে গিয়ে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলেই বিপদ হতে পারে। ওরা আপনাকে মেরে সব কিছু নিয়ে যেতে পারে, কারণ তারা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র।

২। ওভার ব্রিজ এর উপর মহিলা কাঁদছে যে, সে যার সাথে দেখা করবে তার মোবাইলে কল দিতে হবে কিন্তু তার কাছে টাকা নেই। বলবে আপনার মোবাইল দিয়ে সেই লোকের নাম্বারে মিসকল দিলেও সে ব্যাক করবে। আপনি কল দিলেন তো ফাঁদে পড়লেন। ওরা নিরীহ মানুষ দেখে তাদের নম্বর সংগ্রহ করে ও পরবর্তীতে সেই নাম্বারে কল করে লোভনীয় প্রস্তাব দেয়, রাজী হলে আপনাকে তাদের আস্তানাতে নিয়ে ব্লাক মেইল করবে।

৩। শাহবাগ, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী জ্যামে আটকে আছেন, নানা ধরণের লিফলেট যেমনঃ দুর্বলতা, রোগে, নানা লোভে আপনাকে ফাঁদে ফেলার ব্যবস্থা।
এমন বলে যে রুম ডেট এর ব্যবস্থা আছে

৪। রাস্তায় সুন্দর চোখ এর বোরকা আলি আপনার সাথে কথা বলতে চায়, প্রেমের প্রস্তাব নয়, কিন্তু ইসারা, যে আপনি ভাববেন একটু চেষ্টা করলে কাছে পাবেন, যদি তাই ভাবেন তবে ধরা পড়ার সম্ভাবনা শতভাগ। আপনাকে তাদের আস্তানায় নিবে, তারপর আর কিছু আপনার করা লাগবে না। সব হারাবেন। মেয়ে দিয়ে ব্লাক মেইল করবে

৫। গাবতলি, সায়েদাবাদ, কিংবা সদরঘাট , মাওয়া, আরিচা, দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে বসে আছেন, দেখলেন যে বাইরে তাস, লুডু ইত্যাদি খেলছে, কাছে গেলেন কি ফেঁসে গেলেন।

৬। যাত্রাপথে অপরিচিত লোক এর সাথে মতবিনিময় করবেন খুবই কম। আপনি যে স্থানে যাবেন সে স্থান যেন আপনার পরিচি

৭। রেলগাড়ির ছাঁদে চলাচল করা থেকে বিরত থাকবেন, কারণ এক দল ছেলে পাওয়া যায়, যারা রেলের ছাদের উপর থেকে ছিনতাই করে ছাদ থাকে ফেলে দেয়।

৮। লঞ্চ এ কম যাত্রী থাকলে উঠবেন না।

৯। যারা দ্রুত যাতায়াত এর জন্য স্পিড বোট এ যাতায়াত করবেন তারা টাকা বা মূল্যবান কিছু সাথে নিবেন না। কারণ দেখা গিয়েছে যে, এক দল আছে যারা বোট ছাড়ার পর নির্জন স্থানে বোট ভিড়িয়ে ছিনতাই করে আপনাকে নামিয়ে দিতে পারে।

১০। হেঁটে যেতে হলে বিভিন্ন বাসের মাঝখান দিয়ে যাওয়া অনুচিত কারণ নেশাখোর ওঁত পেতে থাকে ছিনতাই এর জন্য

এছাড়াও যাতায়াতের সময় এ জাতীয় অন্যান্য ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
নিজে সচেতন হোন এবং অপরকে সচেতন করতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

সংকেত দিলে বিএনপি ছেড়ে আ. লীগে আসার মিছিল হবে

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবুজ সংকেত দিলে বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার যে মিছিল শুরু হবে, তা সামাল দিতে পারবে না বিএনপি নেতারা।’

এ ছাড়া নির্বাচনে জেতার গ্যারান্টি না পাওয়া পর্যন্ত বিএনপি নালিশ করতে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন এই আওয়ামী লীগ নেতা।

আজ বুধবার সকালে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশেও নালিশ করে, বিদেশিদের কাছেও নালিশ করে। এতে কিন্তু দেশ বড় হয় না। দলের চেয়ে কিন্তু দেশটা বড়। আমার বিশ্বাস, ভালো একটা ইলেকশন হবে। অহেতুক তারা এসব অভিযোগ আনছে। এখন তারা অভিযোগ আনবে। যতক্ষণ না জেতার গ্যারান্টি না পায়।’

এ ছাড়া আওয়ামী লীগ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন চায় বলেও উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের। তবে সুষ্ঠু নির্বাচনে বিএনপি জিততে পারবে না জেনেই সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি বিএনপিকে অন্ধকারে ঢিল ছোড়ার অভ্যাস ত্যাগ করার আহ্বান জানান।

প্রেমিকার কারণে মন্ত্রীত্ব বিসর্জন দিলেন কলকাতার মেয়র

কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে পদ ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। একই সঙ্গে তাকে আবাসন ও দমকল মন্ত্রীর পদও ছাড়তে বলা হয়েছে। সেই নির্দেশ মেনে মঙ্গলবার মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন শোভন। আর প্রেমিকার কারণে তার এই মন্ত্রীত্ব বিসর্জন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী শোভনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। কলকাতার মেয়রের পদ থেকেও তিনি পদত্যাগ করবেন।

অনেক দিন ধরেই বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কলকাতার মেয়রের প্রেম চলছে। এটা  নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরেছে । নিজের বাড়ি ছেড়ে আলাদা থাকতে শুরু করেন শোভন। তারপর বিচ্ছেদ চেয়ে আদালতে মামলা করেন। এ নিয়ে মমতা ব্যানার্জি মেয়রকে সতর্ক করেছিলেন।

মঙ্গলবার শোভনকে নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন মমতা। কাজ ফেলে মেয়র শাড়ি-চুরির দোকানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন মমতা।

মমতা শোভনকে জানান, তাঁর কাছে সব খবর আছে। আছে ছবিও।

মেয়রকে দল বা বৈশাখীর মধ্যে যেকোনো একটা বেছে নিতে বলেন মমতা। এরপরেই পদত্যাগপত্র জমা দেন শোভন।

জেনে নিন শীতের এই তিন সবজির নানা গুণাগুণ

জেনে নিন শীতের- শীত এলেই সবজির বাজার যেন নতুন করে পরিপূর্ণ হয়ে উঠে। ফুলকপি, বাঁধাকপি আর শিম এই তিন সবজির কোন রান্না শীতকালে খাবার টেবেলে থাকবে না এমন খুঁজে পাওয়া ভার। জানেন কি স্বাদের পাশাপাশি কত গুণাগুণ সমৃদ্ধ শীতের এই সবজিগুলো? আপনাদের সুবিধার্থে এসব মজাদার সবজির নানা গুণাগুণ ও উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

ফুলকপি: শীতের সবজির মধ্যে অত্যন্ত সুস্বাদু এই সবজি। ভিটামিন এ, সি, ক্যালসিয়াম, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইটোক্যামিকেল ও ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় হজমে সাহায্য করে, উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। বাঁধাকপি: বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার যা হজম প্রক্রিয়া সহজ করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এছাড়া ফ্ল্যাডোনরেড সমৃদ্ধ হওয়ায় ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

শিম: শিমে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার। এছাড়া রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিন। শিম হজম সহায়ক এবং কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এক কথায় বলতে গেলে স্বল্প দাম, মজাদার স্বাদ আর এত গুনাগুণে ভরপুর এই তিন সবজির উপকারিতা অপরিসীম।

ঢাবি ক্যাম্পাসে বাসের নিচে জীবন্ত নবজাতক! ঢাবি ক্যাম্পাসে বাসের- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে বিআরটিসি বাসের নিচ থেকে এক কন্যা নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে কার্জনের সামনের রাস্তায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ব্যবহৃত বিআরটিসির একটি বাসের নিচে নবজাতকটিকে পাওয়া যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটির পরিচয় জানা যায়নি।

এ বিষয়ে ঢাবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী জানান, ঢাবি ক্যাম্পাস থেকে নবজাতক উদ্ধারের ঘটনাটি সত্যিই দুঃখজনক। এ বিষয়ে পুলিশের সহায়তায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নিয়াজ উদ্দিন জানান, ধারণা করা হচ্ছে নবজাকটিকে দুপুরের দিকেই কেউ ওই বাসের নিচে ফেলে গেছে। স্থানীয় সিসি টিভির ফুটেজ দেখে কে বা কারা শিশুটিকে রাস্তায় ফেলে গেল? তার বাবা-মা কে? সে সব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানান, এক কেজি ওজনের নবজাতকটি ঢামেকের হাসপাতালে নবজাতক ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। আনুমানিক একদিন বয়সী শিশুটির শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। নবজাতককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মী মো. শাহিন মিয়া।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে- শাহিন মিয়া জানান, কার্জন হলের গেটের সামনে বিআরটিসির (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন) বাসের নিচে ওড়না দিয়ে মোড়ানো ছিল নবজাতকটি। দুপুর ২টার দিকে হলের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি দোতলা বাসের নিচ থেকে শিশুর কান্নার ভেসে আসে। পরে তিনি দ্রুত শিশুটিকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান।

ভায়াগ্রা নয় গোপন দুর্বলতায় খান কালোজিরা

ভায়াগ্রা নয়- কালোজিয়া শুধু ছোট ছোট কালো দানা নয়, এর মধ্যে রয়েছে বিস্ময়কর শক্তি। প্রাচীনকাল থেকে কালোজিরা মানবদেহের বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক। শুধু এখানেই শেষ নয়, কালোজিরা চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্ক্রিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি এবং মস্তিষ্ক শক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়ায়।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

এ ছাড়া অনেকে গোপন শক্তি বাড়াতে চিকিৎসকের আশ্রয় নেন ও ভায়াগ্রা সেবন করেন! তাদের বলছি-এর জন্য ভায়াগ্রা নয়, এক চামুচ কালোজিরাই যথেষ্ট। কারণ কালোজিরায় এ ক্ষমতা অপরিসীম। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালোজিরায় রয়েছে-ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণুনাশক বিভিন্ন উপাদান। কালোজিরায় ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হরমোন, প্রস্রাবসংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

আসুন জেনে নিই কালোজিরায় আর কি কি উপকারিতা রয়েছে-:: মাথাব্যথা: মাথাব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তী স্থানে দৈনিক ৩-৪ বার কালোজিরার তেল মালিশ করুণ। তিন দিন খালি পেটে চা চামচে এক চামচ করে তেল পান করুন উপকার পাবেন। যৌন দুর্বলতা: কালোজিরা চুর্ণ ও অলিভ অয়েল, ৫০ গ্রাম হেলেঞ্চার রস ও ২০০ গ্রাম খাঁটি মধু একসঙ্গে মিশিয়ে সকালে খাবারের পর এক চামুচ করে খান। এতে গোপন শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

চুলপড়া: লেবু দিয়ে সব মাথার খুলি ভালোভাবে ঘষুণ। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ও ভালোভাবে মাথা মুছে ফেলুন। তার পর মাথার চুল ভালোভাবে শুকানোর পর সম্পূর্ণ মাথার খুলিতে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এতে এক সপ্তাহেই চুলপড়া কমে যাবে। কফ ও হাঁপানি: বুকে ও পিঠে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এ ক্ষেত্রে হাঁপানিতে উপকারী অন্যান্য মালিশের সঙ্গে এটি মিশিয়েও নেয়া যেতে পারে।

স্মৃতিশক্তি বাড়ে ও অ্যাজমায় উন্নতি ঘটে: এক চামচ মধুতে একটু কালোজিরা দিয়ে খেয়ে ফেলুন। এতে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। হালকা উষ্ণ পানিতে কালোজিরা মিলিয়ে ৪৫ দিনের মতো খেলে অ্যাজমার সমস্যার উন্নতি ঘটে। ডায়াবেটিস: কালোজিরার চূর্ণ ও ডালিমের খোসা চূর্ণ মিশ্রণ এবং কালোজিরার তেল ডায়াবেটিসে উপকারী।

মেদ ও হৃদরোগ: চায়ের সঙ্গে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ কমে যায়। অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্টিক: এক কাপ দুধ ও এক টেবিল চামুচ কালোজিরার তেল দৈনিক তিনবার ৫-৭ দিন সেবন করতে হবে। এতে গ্যাস্টিক কমে যাবে। চোখে সমস্যা: রাতে ঘুমানোর আগে চোখের উভয়পাশে ও ভুরুতে কালোজিরার তেল মালিশ করুণ। এক কাপ গাজরের রসের সঙ্গে এক মাস কালোজিরা তেল সেবন করুন।

উচ্চ রক্তচাপ: যখনই গরম পানীয় বা চা পান করবেন, তখনই কালোজিরা খাবেন। গরম খাদ্য বা ভাত খাওয়ার সময় কালোজিরার ভর্তা খান রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকবে। এ ছাড়া কালোজিরা, নিম ও রসুনের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে মাথায় ব্যবহার করুণ। এটি ২-৩ দিন পরপর করা যায়। জ্বর: সকাল-সন্ধ্যায় লেবুর রসের সঙ্গে এক টেবিল চামুচ কালোজিরা তেল পান করুণ। আর কালোজিরার নস্যি গ্রহণ করুন।

স্ত্রীরোগ: প্রসব ও ভ্রুণ সংরক্ষণে কালোজিরা মৌরী ও মধু দৈনিক ৪ বার খান। সৌন্দর্য বৃদ্ধি: অলিভ অয়েল ও কালোজিরা তেল মিশিয়ে মুখে মেখে এক ঘণ্টা পর সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলন। বাত: পিঠে ও অন্যান্য বাতের বেদনায় কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এ ছাড়া মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। দাঁত শক্ত করে !

দই ও কালোজিরার মিশ্রণ প্রতিদিন দুবার দাঁতে ব্যবহার করুন।  এতে দাঁতে শিরশিরে অনুভূতি ও রক্তপাত বন্ধ হবে। ওজন কমায়: যারা ওজন কমাতে চান, তাদের খাদ্য তালিকায় উষ্ণ পানি, মধু ও লেবুর রসের মিশ্রণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এখন এই মিশ্রণে কিছু কালোজিরা পাউডার ছিটিয়ে দিন। পান করে দারুণ উপকার পাবেন।

ঘাড় কোমর ব্যথা ও করণীয় :: শহরাঞ্চলে ঘাড় বা কোমর ব্যথার রোগীর পরিমাণ বেশি। বসে থাকার ফলে আমাদের ঘাড়, পিঠ বা কোমরের মাংসপেশিগুলো স্থবির হয়ে যায়। ফলে সামন্যতেই ঘাড়ে বা কোমরে টান লাগে এবং ব্যথা শুরু হয়। ঘাড় ব্যথার ধরন : প্রথমে অল্প অল্প ব্যথা থেকে তীব্র ব্যথা শুরু হতে পারে, আবার হঠাৎ তীব্র ব্যথা শুরু হতে পারে। অনেকের ব্যথা শুধু ঘাড়েই সীমাবদ্ধ থাকে। অনেকের ব্যথা ঘাড় থেকে হাতে চলে যায়।

অফিসের কাজ, বিশেষ করে যারা কম্পিউটার ব্যবহার করেন অথবা সামনে ঝুঁকে কাজ করেন তারাই এই ব্যথায় বেশি ভোগেন। ব্যথা শুরুর পর অনেকেই বিশ্রাম নিতে পারেন না বা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ না করেই ব্যথানাশক সেবন করে ব্যথা দমিয়ে রাখেন। প্রথমদিকে ব্যথানাশক কাজ করলেও পরে ব্যথানাশক কাজ করে না এবং ব্যথা তীব্র আকার ধারণ করে।

কোমর ব্যথার ধরন : যারা দীর্ঘ সময় চেয়ারে বসে কাজ করেন তাদের কোমরে ব্যথা বেশি হয়। অনেক সময় ব্যথা কোমর থেকে পায়ে চলে যায়। বসে, দাঁড়িয়ে এমনকি শুয়ে থাকতেও সমস্যা হয়। যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তাদের ব্যথা বেশি তীব্র হয়। করণীয় : মনে রাখা প্রয়োজন, ব্যথা নিজে কোনো রোগ নয়, রোগের লক্ষণ। তাই কোনো ব্যথাকেই অবহেলা করা যাবে না।

ব্যথার ওষুধ খেয়ে অল্প অল্প ব্যথা দমিয়ে রাখলে তা পরে তীব্র আকার ধারণ করে আপনাকে আরও বেশি বিপদে ফেলে দিতে পারে। তাই ব্যথার কারণ নির্ণয়পূর্বক প্রযোজ্য চিকিৎসা; ইলেকট্রোথেরাপি, ম্যানিপুলেটিভ থেরাপি বা আইপিএম শুরু করা উচিত। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক ব্যায়াম করতে হবে !

বাচ্চার গায়ের রঙ ফর্সা করতে গর্ভাবস্থায় খান এই ৭ টি খাবার…

বাচ্চার গায়ের রঙ ফর্সা- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশী খিদে পায় এবং সেই সময়ে ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করাটা তাদের জন্য খুব জরুরি। এই খাবার তার গর্ভের শিশুর জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান যুগে প্রায় সকলেই চান যেন তার অনাগত সন্তানের গায়ের রং উজ্জ্বল হয়।

কোন শিশুর গায়ের রং নির্ভর করে তার বাবা-মায়ের কাছ থেকে পাওয়া জিনের ওপর। বিশেষজ্ঞরা এটাও বলেন যে মায়ের খাদ্য নির্বাচনের ওপর শিশুর শরীরের বর্ণ কেমন হবে তা নির্ভর করে। শুধুমাত্র ত্বকের সৌন্দর্যই কোন মানুষের একান্ত আকাঙ্ক্ষিত বিষয় হতে পারে না। গর্ভবতী মায়ের উচিৎ সুস্থ, মেধাবী ও স্বাভাবিক শিশু জন্মের জন্য চেষ্টা করা। তাই পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহনের সাথে সাথে নিজের জীবনধারাতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।প্রথমত মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে তা বন্ধ করতে হবে।

শরীরের অতিরিক্ত ওজনের ফলে প্রি-ম্যাচিউর শিশুর জন্ম হতে পারে, তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নিয়মিত ৩০ মিনিট ব্যাম শিশুর ব্রেন ও অন্যান্য অঙ্গের গঠনে সাহায্য করে।গর্ভের মধ্যে শিশুরা শুনতে পায়, তাই তাদের সাথে কথা বলুন, গান করুন। কিছু পরিক্ষায় দেখা গেছে গর্ভের শিশুরা যে কণ্ঠস্বর শুনেছে, জন্মের পর সেই কণ্ঠস্বর শুনেই শিশুরা শান্ত হয়। তাহলে জেনে নেওয়া যাক গর্ভবতী অবস্থায় কি কি খাবার খেলে অনাগত শিশুর গায়ের রং ফর্সা হবে।

দুধঃ গর্ভবতী অবস্থায় মহিলাদের অবশ্যই দুধ পান করা উচিৎ। শিশুর শরীর গঠনে দুধ প্রধান ভূমিকা গ্রহন করে। এই দুধ শিশুর গায়ের রং ফর্সা করতে সক্ষম।

প্রস্রাবে রক্ত যেভাবে নির্ণয় করবেন

প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া নির্ণয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ইউরিন কালচার, আল্ট্রাসোনোগ্রাম ইত্যাদি।

প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া নির্ণয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষার বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩২৬২তম পর্বে কথা বলেছেন ডা. মো.আজফার উদ্দীন শেখ। বর্তমানে তিনি বিআরবি হাসপাতালে ইউরোলজি বিভাগে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : প্রস্রাবে রক্ত যাওয়ার ক্ষেত্রে কী কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন?

উত্তর : প্রথমে আমরা প্রস্রাবে একটি রুটিন ও মাইক্রোস্কোপিক এক্সামিনেশন করে থাকি। এটি করলে এর মধ্যে লোহিত কণিকা পাওয়া যায়। এর মধ্যে আরওবিসি কাস্ট বলে একটি জিনিস পাওয়া যেতে পারে।

এটি পাওয়া গেলে আমরা বুঝি রক্তের উৎস কিডনি। কিডনি থেকে রক্ত আসতে পারে। আর যদি না থাকে আমরা ধারণা করি, এটি নিচের ট্র্যাক্ট, ব্লাডার অন্য কোনো জায়গা থেকে আসছে। এটি দিয়ে আমরা পার্থক্য করতে পারি।

এ ছাড়া আমরা ইউরিনের কালচার করতে পারি, কোনো সমস্যা রয়েছে কি না, দেখার জন্য। ইউরিনের সাইকোলজি করতে পারি। সাইকোলজি করলে ক্যানসার সেল বোঝা যায়। বিশেষ করে ব্লাডার ক্যানসারের ক্ষেত্রে সাইকোলজি অনেক বেশি পজিটিভ হয়। এসব পরীক্ষা আমরা সাধারণত প্রাথমিক পর্যায়ে করে থাকি।

এরপর আমরা আল্ট্রাসোনোগ্রাম করতে পারি। আল্ট্রাসোনোগ্রাম করলে কিডনিতে টিউমার, সিস্ট এগুলো বোঝা যায়। প্রস্রাবের থলিতেও টিউমার ও পাথর থাকলে বোঝা যায়। আর পরবর্তীকালে যদি প্রয়োজন হয়, আমরা আইভিও, এক ধরনের এক্স-রে করতে পারি। তাতেও যদি কিছু ধরা না পড়ে আমরা সিটি স্ক্যান বা সিটি ইকোগ্রাম করি।

যৌন সমস্যা সমাধানে রসুনের ভূমিকা

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষদের বেলায়ও কিছু যৌন সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে পুরুষদের অনুন্নত মানের স্পার্মের জন্য যৌন অক্ষমতা দেখা যায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি মিলি লিটার শুক্রাণুতে ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকলে যেকোনো পুরুষ অনুর্বর হতে পারেন। বাজে খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অ্যালকোহল, অনিয়ন্ত্রিত জীবন, ব্যায়ামে অনীহা প্রভৃতি কারণে দিন দিন অনুর্বরতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক রসুন।

কেননা সুস্থ বীর্য তৈরিতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভাল ফল দিয়ে থাকে। রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়। কারণ, এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে আর এটি অতি সহজলভ্য সবজি যা আমরা প্রায় প্রতিনিয়ত খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে থাকি।

আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী। কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে। এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশি হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন খুবই কার্যকরী।

কীভাবে সেবন করবেন রসুন-
প্রতিদিন নিয়ম করে কাঁচা রসুনের কয়েকটি কোয়া খেলে শরীরের যৌবনদীর্ঘ স্থায়ি হয়। যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গেছেন, তারা প্রতিদিন দুকোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ খাওয়া উচিৎ। এতে ভাল ফল পাবেন। যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রস দুই বা এক চামচ নিয়ে তার সঙ্গে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ি হয়।

সাবধানতা-
যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপদ জনক। কারণ রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে। তা ছাড়া অতিরিক্ত রসুন শরীরে অ্যালার্জি ঘটাতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন না খাওয়াই উত্তম। রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন। শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন না খাওয়াই ভাল। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।

ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে

ক্রিয়েটিনিন এক ধরনের বর্জ্য যেটি মাংসপেশীর কোষ ভেঙে তৈরি হয়। যখন ক্রিয়েটিনিন উৎপন্ন হয় তখন রক্তের সঙ্গে তা মিশে যায়। পরে রক্ত যখন কিডনির ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন কিডনি এই রক্ত ছেঁকে ক্রিয়েটিনিন প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়। তাই রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নির্ণয় করলে বোঝা যায় কিডনি কতখানি কর্মক্ষম আছে।  ক্রিয়েটিনের মাত্রা নির্দিষ্ট লেভেলের উপরে হলেই বোঝা যায় তার কিডনি সমস্যা হয়েছে। রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার বেশ কিছু উপায় আছে।

যেমন-

১. বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ক্রিয়েটিনযুক্ত খাবার বেশি খান অন্যদের তুলনায় তাদের ক্রিয়েটিনিন বাড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যদি আপনার খাদ্য তালিকায় বেশি পরিমানে দুগ্ধজাত খাবার, গরু,মহিষের মাংস বেশি থাকে তাহলে আপনার ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।এ কারণে প্রোটিণ জাতীয় খাবার বেশি খাওয়ার পরিবর্তে নিয়মিত খাদ্য তালিকায় শাকসবজি রাখুন। এটি আপনার ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।

২. অ্যাপল সিডার ভিনেগার ক্রিয়েটিনিনের লেভেল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। এই ভিনেগারে থাকা অ্যাসিটিক এসিড কিডনিতে পাথর জমতে বাঁধা দেয়।ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে এক চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার যোগ করে পান করুন। যেকোন বেলায় খাবার পরে এটা খেতে পারেন।

৩. চারুচিনি ক্রিয়েটিনিন লেভেল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। কারণ এটা প্রাকৃতিক ভাবে প্রসাবের পরিমাণ বাড়ায়। যেকোন ধরনের পানীয়র সঙ্গে প্রতিদিন আধা চামচ দারুচিনির গুড়া বা এক টুকরো দারুচিনি প্রতিদিন চিবিয়ে খেলে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৪. ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান।ফাইবার শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে।গবেষণায় দেখা গেছে, যারা বেশি ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খান অন্যদের তুলনায় তাদের ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৫. শরীরে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা তখনই বেড়ে যায় যখন আপনার মাংসপেশী অবিরাম কাজ করতে থাকে। এ কারণে খুব বেশি পরিশ্রম করা ঠিক নয়।