প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসার ভিডিও ভাইরাল, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের চাকরি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভালোবেসে চাকরি পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তার ভালোবাসার একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। রাজু আহমেদ নামে ওই ছাত্র রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার এন্ড টেকনোলজিতে (আইইউবিএটি) পড়াশোনা করেছেন। তিনি চাকরি খুঁজছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তার ভালোবাসায় খুশি হয়ে তাকে ফার্মার্স ব্যাংকে চাকরির ব্যবস্থা করে দেন।

জানা গেছে, রাজুর বাবা পেশায় একজন চা বিক্রেতা। মানুষের সহযোগিতায় তিনি পড়াশোনা করেছেন। এসএসসি ও এইচএসসিতে তিনি জিপিএ-৫ পেয়ে পাশ করেছেন। পরে উত্তরায় আইইউবিএটিতে ভর্তি হন তিনি। রাজুর পরিবারের কথা শুনে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা বেতনে তাকে পড়ার সুযোগ দেয়া হয়। তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে অনার্স শেষ করেছেন।

ঘটনা অনুসন্ধানে জানা যায়, আয়কর মেলা উপলক্ষে গাজীপুরে বঙ্গতাজ অডিটোরিয়ামের সামনে প্লাক্যাড ও ফেস্টুন লাগানো হয়। যেখানে একটি ছবি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখে ইচ্ছেকৃতভাবে লাল রঙ লাগিয়ে দেয়া হয়। রাজু সেটি দেখে আপনমনে রঙ মুছতে থাকে। ওই ঘটনাটি ভিডিও করেন গাজীপুর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মেহেদী সরকার। পরে ফেসবুকে ভিডিওটি আপলোড করলে সেটি ভাইরাল হয়ে যায়।

এদিকে ভিডিওটি সাজানো কিনা তা তদন্ত শুরু হয়। তখন বেরিয়ে আসে চরম বাস্তবতায় আর ভালোবাসার এক গল্পের ইতিহাস। নেত্রকোনার ওই ছাত্র রাজু এখন রীতিমতো তারকা হয়ে গেছেন। ফেসবুকের কল্যাণে তরুণদের কাছে রাজু আহমেদ এখন পরিচিত নাম। গত ১৪ ডিসেম্বর গণভবনে ইশতেহার কমিটির বৈঠক শেষে ইশতিহার কমিটির সদস্য দীপক কুমার বনিক দীপু প্রধানমন্ত্রীকে রাজুর ভালোবাসার ভিডিও দেখান। প্রধানমন্ত্রী দেখে অবাক হন এবং রাজুর সাথে দেখা করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন।

সেদিন রাতে ইশতেহার টিমের এক সদস্য এবং যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার নাজমুল হোসেন ফেসবুকে যুবকটির সন্ধান চাই সংক্রান্ত পোস্ট দেন। সেই সাংবাদিকের বন্ধু গাজীপুরের একটি গার্মেন্টের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা রাজুর সন্ধান দেন। এরপর রাজুর সাথে যোগাযোগ করে তাকে ঢাকায় আসতে বলেন আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাতের সুযোগ পান রাজু আহমেদ। প্রধানমন্ত্রী সেদিনের ঘটনা শুনে বিষ্মিত হন এবং রাজুকে ফার্মার্স ব্যাংকে চাকুরীর ব্যবস্থা করে দেন। এমন মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে উঠেন রাজু। তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছে শেখা হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় আনার আহবান জানান। নৌকায় ভোট চেয়েছেন রাজু।

একজন নারী যেভাবে পুরুষকে শক্তিশালী করে তুলতে পারেন

কঠিন ধর্মীয় বিশ্বাস। *. শারীরিক মিলনের জন্য প্রচুর শক্তি না থাকা। *. মাতৃত্বের কঠিন চাপ।*. সমকামিতা পছন্দ করা। *. নারীদেরকে ঘৃণা করা। *. পতিতার সাথে সঙ্গমে ব্যর্থ হওয়ার পরে মনে পাপ বোধের সৃষ্টি। চিকিৎসা প্রায়শই পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় এবং রোগের কারণ ধরতে না পারলে চিকিৎসা হতে পারে। শারীরিক মিলন বিশেষজ্ঞ মাস্টার এবং জনসনের মতে শারীরিক মিলন সঙ্গিনী বদলের ফলেও অনেক সময় এ রোগের সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে। নারীর উচিত পুরুষকে এ ব্যাপারে সাহায্য করা। স্ত্রীর উচিত স্বামীকে সাহায্য করা। নৈতিক, সামাজিক, আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে পুরুষের পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসায়

বর্তমানে যে বিষয়গুলো গ্রহ করা হয় সেগুলো হলো
*. শারীরিকতার পরিপূর্ণ শিক্ষাদান। *. সাইকোথেরাপি। *. রোগীকে হস্তমৈথুনের দ্বারা তার গোপনাঙ্গর দৃঢ়তা বাড়ানো। *. দুশ্চিন্তাগ্রস্ ত রোগীকে এ্যাংজিওলিটিক্স দেয়া। *. নিচু মাত্রার ৫০ গ্রাম টেস্টোস্টেরন ইনজেকশন সপ্তাহে তিনবার দেয়া। *. যদি রোগীর কেবলমাত্র উত্থানজনিত সমস্যা হয় তবে রোগীকে নগ্ন নারীর সামনে উপস্থিত করা। এক্ষেত্রে পতিতাদের সাহায্য নেয়া যেতে পারে। *. পেপাভেরিন ইনজেকশন গোপনাঙ্গর দৃঢ়তা বাড়াতে পারে। *. রোগীর জন্য সামাজিকতার প্রয়োজন। *. শারীরিক মিলন উদ্দীপক গ্রন্থ্থ পড়া উচিত।

চূড়ান্ত মাত্রার পুরুষত্বহীনতা অনেক পুরুষের পুরুষত্বহীনতা সাময়িক। দেখা যায় যে খুব বেশি মাত্রায় উদ্বিগ্ন থাকলে বা কোনো কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ ত থাকলে শারীরিক মিলনের সময় পুরুষ তার শারীরিক মিলন উত্তেজনা হারাতে পারে। আবার খুব বেশি মাত্রায় এলকোহল সেবনের ফলেও পুরুষের গোপনাঙ্গর দৃঢ়তা নষ্ট হয়ে যায়। সাইকোজেনিক অথবা অর্গানিক নানাকারণে পুরুষের পুরুষত্বহীনতার সৃষ্টি হতে পারে।

মনোদৈহিক যে যে কারণে পুরুষত্বহীনতা সৃষ্টি হতে পারে-
১. দাম্পত্য সমস্যা। ২. ধর্মীয় কুসংস্কার। ৩. কঠিনভাবে পিতা বা মাতার অনুশাসনের নিয়ন্তণে থাকা। ৪. পূর্বের শারীরিক মিলন অক্ষমতার জন্য পাপূবোধ। ৫. অকাল বীর্যপাত। ৬. শারীরিক মিলেেনেরতার ব্যাপারে অনাগ্রহ। ৭. শারীরিক মিলনে সফলতা আসবে কি নিয়ে ভয় এবং দুশ্চিন্তা।

অর্গানিক কারণে সৃষ্ট পুরুষত্বহীনতা-
১. এনাটোমিকাল= বড় হাইড্রোসেল = টেস্টিকুলার ফাইব্রোসিস ২. কার্ডিওরেসপেরেট োরী = এনজিনা = মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন ৩. জেনিটো ইউরিনারী = ফাইমোসিস = প্রিয়াপিজম = প্রোসটাটিটিস = ইউরেথ্রিটিস = প্রোসটাটেকটমী ৪. এন্ড্রোক্রাইনাল = ডায়াবেটিস = থাইরোটক্সিকোসিস = স্থলতা = ইনফ্যান্টালিজম = ক্যাসট্রেশন = এক্রোমেগালি ৫. নিউরোলজিক্যাল = মাল্টিপোল সিরোসিস = অপুষ্টি = পারকিনসন্স অসুখ = টেমপোরাল লবের সমস্যা = সপাইনাল কর্ডের আঘাত = ই সি টি ৬. ইনফেকশন = টিউবারকিলোসিস = গনোরিয়া = মাম্পস ৭. ড্রাগ নির্ভরতা= এলকোহল সেবন = স্নায়ু শিথিলকারী ওষুধ = এন্টিহাইপারটেনস িভ ওষুধ = সাইকোট্রপিকস ওষুধ। যেমন-ইমিপ্রামিন = ডিউরেটিক্স। যেমন – রেজারপাইন

ফকিরহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সোমবার রাত আনুমানিক ৯টায় হাসপাতাল থেকে হেটে বাড়ি ফেরার সময় উপজেলার কুন্ডু পাড়া এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে মোটরসাইকেল আরোহী অজ্ঞাত অস্ত্রধারীরা তাকে লক্ষ করে গুলি করে। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

এ সময় পিঠে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জাহিদ শেখ।

তিনি আরো বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহাণ করা হবে।

পায়ের উপর পা তুলে এভাবে বসেন? তাহলে আজ থেকেই সাবধান হোন

১। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যদি দীর্ঘ ক্ষণ ধরে পায়ের উপর পা তুলে বসেন তাহলে শরীরের রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়। যা স্নায়ুচাপ বৃদ্ধি করে। এমনকি যাঁদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নেই তাদের রক্তচাপ বৃদ্ধি মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পায়।

২। পায়ের উপর পা তুলে দীর্ঘ ক্ষণ বসলে শরীরের ভারসাম্যে সমস্যা তৈরি হয়। দীর্ঘ সময় ধরে এই ভঙ্গিতে বসলে উরুর ভেতরের দিকের পেশি ক্রমশ ছোট হয়ে আসে। বাইরের দিকের পেশি লম্বা হতে থাকে। ফলে পায়ের সংযোগস্থলে (জয়েন্টে) অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

৩। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘক্ষণ পায়ের উপর পা তুলে বসলে স্বাভাবিক রক্তচলাচল বাধাপ্রাপ্ত হয়। যাদের রক্ত জমাট বাঁধা সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে ধমনিতে রক্ত জমাট বেঁধে বাড়িয়ে দিতে পারে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা।

৪। পায়ের উপর পা তুলে দীর্ঘক্ষণ বসলে পায়ের স্নায়ুকোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হয় বাতসহ বিভিন্ন রোগ।

৫। প্রতিদিন তিন ঘণ্টার বেশি সময় পায়ের উপর পা তুলে বসলে কোমর, ঘাড়, নিতম্বের হাড়ে ব্যথা শুরু হয় যা থেকে ধীরে ধীরে কুঁজো হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া পেলভিক বোন অর্থাৎ কোমরের কাছে যন্ত্রণার অন্যতম কারণ হতে পারে এভাবে পায়ের উপর পা তুলে বসা।

মাহফুজ আহমেদের বাড়িতে হামলা

অভিনেতা ও নির্মাতা মাহফুজ আহমেদের বাড়িতে হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা। জানা গেছে, এই অভিনেতার লক্ষ্মীপুরের গ্রামের বাড়িতে কে বা কারা হামলা করেছে। হামলার ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে তার পরিবার। এরই মধ্যে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পুলিশ হামলাকারীদের খুঁজছে।

‘দুই দুয়ারী’ খ্যাত নায়ক বলেন, গতকাল আমার গ্রামের বাড়িতে সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। তারা দরজা-জানালা ভাঙচুর করেছে, ককটেল ফাটিয়েছে। হামলার সময়ে বাড়িতে আমার বৃদ্ধা মা ছিলেন, আমার ছোট ভাই ও তার ছোট ছেলে ছিল। আমার স্ত্রীও ছিল। স্থানীয় ওসি, এসপি সবাইকে জানিয়েছি। তারা আমাকে নিশ্চয়তা দিয়েছেন, এটা আর কখনও হবে না। যারা করেছে তাদের তারা খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করবেন।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় দেখা গেছে মাহফুজ আহমেদকে। তবে এটা কোনও রাজনৈতিক হামলা কি-না এ ব্যাপারে মন্তব্য করেননি তিনি।

মাহফুজ জানিয়েছেন, তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মী না। তবে ব্যক্তিগতভাবে শিল্পীদের প্রতি, শিল্পের প্রতি, নাটক সিনেমার প্রতি, সাহিত্যের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে মমতা, ভালোবাসা, খোঁজ খবর রাখা, এটা তাকে মুগ্ধ করে। আর এই মুগ্ধতার কারণে তার প্রতি আমার ব্যক্তিগত দুর্বলতা আছে।

অপরদিকে এই নায়কের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

ওষুধ নয়, চুল পড়া নিয়ন্ত্রনে আনতে এই ৫ খাবার

চুল নিয়ে সব চাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা। নারী-পুরুষ উভয়েরই এই সমস্যা হয়ে থাকে। বিভিন্ন কারণে চুল পড়তে পারে। বংশগত, পরিবেশগত, দুশ্চিন্তা, পুষ্টিহীনতা স্ট্রেস ইত্যাদি নানা কারণে চুল পড়তে পারে। প্রথম দিকে চুল কম পড়লেও আস্তে আস্তে চুল পড়ার হার অনেক বেড়ে যায়। তাই শুরু দিকে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব হলে, চুল পড়া বন্ধ করা সম্ভব

আপনি কি চুল পড়ার সংখ্যা গুনতে গুনতে হয়রান হয়ে গেছেন? আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সাধারণত মানুষের বয়স ১৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর থেকেই চুল পড়তে থাকে। চুল পড়া প্রতিরোধে ওষুধ নয় বরং নিয়মিতভাবে এই পাঁচটি খাবার খান। এতে আপনার মাথার ত্বকে রক্ত চলাচল বাড়বে। এবং চুল ভেঙ্গে যাওয়া এবং চুল পড়াও কমবে।

১. বাদাম এবং বীজ

পেস্তা বাদাম, ফ্লাক্স সীড (শ্বেত বীজ), মেথি বীজ, আখরোট, তিল প্রভৃতিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা অ্যাসিড। যাতে রয়েছে এমন স্থিতিস্থাপক উপাদান যা চুলের ভেঙ্গে যাওয়া প্রতিরোধ করে।
২০১৫ সালে জার্নাল অফ কসমেটিক ডারমাটোলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যাদেরকে নিয়মিতভাবে ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ানো হয়েছে তাদের চুলপড়া ৯০% কমেছে। এছাড়া ৯০% রোগীরই মাথায় ফের শক্ত চুল গজিয়েছে। মেথি বীজ খুশকি দূর করতে এবং স্বাস্থ্যকর চুল গজানোতে সহায়ক।

২. ডাল< নানা ধরনের ডালবীজে থাকা ফলিক অ্যাসিড রক্তে লাল কোষ বৃদ্ধিতে সহায়ক। আর রক্তের লাল কোষ আমাদের মাথার ত্বক সজীব রাখে এবং চুলের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে। ৩.স্পিনাক

এই সবুজ এবং পাতাবহুল সবজিটি চুলের জন্য খুবই ভালো। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং আয়রন। চুল পড়ার অন্যতম একটি কারণ আয়রণের ঘাটতি। স্পিনাকে সেবাম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালিসিয়াম এবং পটাশিয়ামও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। যা চুলকে উজ্বল এবং শক্ত রাখতে সহায়ক।

৪. ডিম

ডিমে রয়েছে প্রচুর বায়োটিন এবং ভিটামিন ডি। এছাড়াও রয়েছে প্রচুর পরিমাণ জিঙ্ক। চুলপড়া সংশ্লিষ্ট বেশিরভাগ গবেষণায়ই দেখা গেছে চুল পড়ার অন্যতম কারণগুলোর একটি জিঙ্কের ঘাটতি।

৫. চর্বিবহুল মাছ

স্যামন, টুনা, ম্যাকারেল জাতীয় মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। মাথার ত্বকের কোনো ধরনের প্রদাহ হলে তা প্রতিরোধ করে চুল পড়া কমায় এই পুষ্টি উপাদান। আর তাছাড়া মাছে রয়েছে ভিটামিন বি-৬ এবং প্রোটিন ও ম্যাগনেশিয়াম। এই পুষ্টি উপাদানগুলোও চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

পেঁয়াজের রস মাথায় নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং জীবাণুমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

ব্যবহার পদ্ধতি

১টি বড় পেঁয়াজ ভালো করে পিষে ছাকনি দিয়ে ছেকে রস বের করে নিতে হবে। তারপর এই রস পুরো মাথার ত্বক ও চুলে লাগিয়ে একঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে।

পেঁয়াজের গন্ধ বেশ তীব্র, যদি সহ্য না হয় তবে পেঁয়াজের রসের সঙ্গে গোলাপ জল মেশানো যেতে পারে। একঘণ্টা পর মাথা শ্যাম্পু দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

চুল পড়ার পরিমাণের উপর নির্ভর করে প্যাকটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করা যাবে।

মেহেদী, ডিমের সাদা অংশ ও টকদই :

মেহেদীর নির্যাস চুলের জন্য অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর, ডিম মাথার ত্বকে সঠিক পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করে এবং চুলের ফলিকল মজবুত করে। টকদই চুল ও মাথার ত্বক ময়েসচারাইজ করে চুল পড়া Hair fall বন্ধে সহায়তা করে।

– মেহেদী পাতা বাটা বা গুঁড়ো চুলের ঘনত্ব ও লম্বা অনুযায়ী নিন, এতে মেশাম ১ টি ডিমের সাদা অংশ এবং ২-৩ টেবিল চামচ টকদই।

– যদি চুল অনেক শুষ্ক হয় তাহলে ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল দিয়ে ভালো করে হেয়ার প্যাক তৈরি করে নিন।

– এই প্যাকটি চুলের গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত ভালো করে লাগিয়ে নিন এবং প্রায় ২ ঘণ্টা এভাবেই রেখে দিন।

– এরপর সাধারণ ভাবে চুল ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। যদি প্রথম দিন চুল পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে ১ দিন এভাবেই রেখে তার পরের দিন শ্যাম্পু করতে পারেন তাহলে সব চাইতে ভালো ফলাফল পাবেন।

– এই পদ্ধতিটি সপ্তাহে মাত্র ১ বার ব্যবহার করলেই চুল পড়া অনেকাংশে কমে যাবে।

 

নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই: মাহবুব তালুকদার

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। আমি মনে করি না, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলে কিছু আছে। এ কথাটা এখন একটা অর্থহীন কথায় পর্যবসিত।

আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।

সিইসি বলেছেন নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড আছে, আপনি কি তার বিরোধিতা করছেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কখনো তার বক্তব্যের বিরোধীতা করি না। তিনি তার কথা বলেন, আমি প্রয়োজনে আমার ভিন্ন মত প্রকাশ করি। আপনারা তো সাংবাদিক, আপনারা দেশের সব খবর রাখেন। সব কিছু দ্যাখেন, আপনারা নিজেদের বিবেককে জিজ্ঞাসা করুন, নির্বাচনে এখন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে কি না? তাহলে উত্তর পেয়ে যাবেন।

সারা দেশে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন কী সম্ভব এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি আশাবাদী মানুষ। এখনো যে সময়টুকু আছে তাতে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি পালন করতে হবে। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটির বিচারকদের আরো বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করা উচিত। আমি মনে করি সেনাবাহিনী মাঠে নামলে পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জকভাবে পাল্টে যাবে।

জনপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কি নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে আছে? জানতে চাইলে জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন আমরা সরাসরি করি না। রিটার্নিং কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে আছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে তার কোনো বার্তা দেওয়ার আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বক্তব্য হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। প্রার্থী, ভোটার এমনকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ আইনের বাইরে যাবেন না। আইনকে নিজস্ব ধারায় চলতে দিন। নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলুন। নির্বাচনকে সাফল্য মণ্ডিত করতে সবাই আপনারা সহায়তা করুন।

খুশকি দূর করার ঘরোয়া উপায়

অনেকের চুলে সারাবছরই খুশকির উপদ্রব দেখা যায়। এর মূল কারণ হচ্ছে রুক্ষ আবহাওয়া এবং ধুলোবালি যা মাথার ত্বকে খুশকির উপদ্রব বাড়ায়। খুশকি থেকে রেহাই পেতে বাজারে নানান ধরনের শ্যাম্পু ও লোশন পাওয়া যায়। তবে খুশকির উপদ্রব দ্রুত দূর করার রয়েছে বেশ কিছু কার্যকরী ঘরোয়া উপায়।

একটু সময় বের করে নিয়ে এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করলে মুক্তি পাবেন যন্ত্রণাদায়ক খুশকির হাত থেকে।

১. লেবুর রস:দুই টেবিল-চামচ লেবুর রস অল্প পানির সাথে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ২-৫ মিনিট ম্যাসাজ করার পর চুল ধুয়ে নিতে হবে। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত এইভাবে চুলে লেবু ব্যবহার করা যাবে।

২. নারিকেল তেল:নারিকেল তেল খুশকির প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া চুলে গোড়ায় ময়েশ্চারাইজ করে খুশকি এবং চুলকানি থেকে রেহাই পেতে সাহায্য করবে নারিকেল তেল। মাথার ত্বকে নারিকেল তেলও লেবুর রসের মিশ্রণ ম্যাসাজ করে ২০ মিনিট পরে ভালো করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

৩. জলপাই তেল:মাথার ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে চুলের গোড়ায় খুব ভালোভাবে জলপাই তেল ম্যাসাজ করুন। এতে চুলের গোড়ায় জমে থাকা খুশকি আলগা হয়ে আসবে। একটু গরম করে মাথার ত্বকে লাগাবেন ও ঘন্টাখানেক পর ধুয়ে ফেলুন।

৪. তুলসী ও আমলকির মিশ্রণ:কয়েকটি তুলসী পাতা নিয়ে আমলকী পাউডারের সঙ্গে মিশিয়ে ভালো করে পেস্ট করে নিন। তিন মিনিট এই পেস্ট মাথার ত্বকে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণ চুলের ত্বকে পুষ্টি জোগায় এবং খুশকি কমাতে সাহায্য করে।

৫. আপেল সাইডার ভিনেগার:কুসুম গরম পানিতে অল্প আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। পুরো চুল এই মিশ্রণে ভিজিয়ে কিছুক্ষণ আলতো হাতে মাথার ত্বকে ঘষে নিতে হবে। এরপর চুল ধুয়ে ফেলুন। তবে গোসলের আট থেকে দশ ঘণ্টা আগে যেন চুলে অাপেল সাইডার ভিনেগার ব্যবহার করা হয়।

৬. বেকিং সোডা:এক কাপ কুসুম গরম পানিতে এক টেবিল-চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন শ্যাম্পুর বদলে এই মিশ্রণ ব্যবহার করে চুল পরিষ্কার করতে হবে। তবে চাইলে প্রতিদিনই ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি শ্যাম্পুই ব্যবহার করতে হয় তাহলে শ্যাম্পুর সঙ্গে খানিকটা বেকিং সোডা মিশিয়ে চুল পরিষ্কার করুন। বেকিং সোডা খুশকি প্রতিরোধে বেশ কার্যকর।

৭. দই:খুশকির সমস্যা থেকে বাচঁতে দই খুব কার্যকরী। খুশকি দূর করতে দই মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট রেখে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

৮. অ্যালোভেরা:চুল ধোয়ার ১৫ মিনিট আগে মাথার ত্বকে অ্যালো ভেরা জেল মালিশের পর চুল শ্যাম্পু করে পরিষ্কার করুন।

৯. রসুন:খুশকি দূর করার জন্য রসুনও বেশ কার্যকরী। রসুন পেস্ট করে চুলে ৩০ মিনিট রাখার পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

১০.লবণ:তিন চামচ লবণ মাথার শুষ্ক ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে নিতে হবে দু’তিন মিনিট। এরপরই চুলে শ্যাম্পু করে চুল পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।

১১.বিট এবং আদার পেস্ট:খানিকটা আদা এবং বিট নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। প্রতি রাতে মাথায় এই মিশ্রণ লাগিয়ে মালিশ করতে হবে। সকালে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।

১২.রিঠা: চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে রিঠার জুরি নেই। তেমনি খুশকি দূর করতেও এটি বেশ কার্যকর। রিঠা পাউডার চুলের ত্বকে লাগিয়ে দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করে ভালোমতো ধুয়ে ফেলুন।

১৩.পেয়াজের রস:দুটো পেয়াজের রস নিয়ে এক মগ পানিতে মিশিয়ে নিন। মাথায় এই রস ভালো করে লাগিয়ে মালিশ করুন। কিছুক্ষণ পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন

১৪.নিমের রস: মাথার খুশকি তাড়তে নিম অত্যন্ত উপযোগী। নিমের রস বা নিম পাতার পেস্ট বানিয়ে মাথায় লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। খুশকি তাড়ানোর পাশাপাশি চুলে পুষ্টি জোগাবে।

১৫. মেথি: মেথি সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে নিয়ে বেটে নিন। ছেঁকে নেয়া পানি ফেলে দেবেন না। এবার বেটে নেয়া মেথি চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ৩-৪ ঘণ্টা রেখে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। চুল ধোয়ার পর মেথি ভিজিয়ে রাখা পানি দিয়ে সব শেষে চুল ধুয়ে নিন।

ছেলেরা অতি সহজে খুশকি দূর করতে যা করবেন!

খুশকির সমস্যায় ভুগে থাকেন অধিকাংশ পুরুষেরাই। সঠিক যত্নের অভাবে পুরোপুরি খুশকি দূর করা সম্ভব হয় না সবসময়। কর্মব্যস্ত দিনের মাঝেই খানিকটা সময় করে যত্ন নিতে হবে চুল ও স্ক্যাল্পের। তবেই খুশকির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন দেখে নেয়া যাক খুশকি

দূর করার সঠিক উপায়-

১. একটি কাপে এক কাপ পরিমাপ গরম পানিতে এক কাপ হোয়াইট ভিনেগার নিয়ে ভালোভাবে মিশান। এবার এই মিশ্রণ নিয়ে চুলের গোঁড়ায় সুন্দর করে লাগিয়ে নিন। ১০ থেকে ২০ মিনিট পর পরিষ্কার পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে একবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে খুশকি কমে আসবে।

২. এক কাপ গরম পানিতে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিয়ে ভালোভাবে মেশান (বোতলে নিয়ে ঝাকিয়ে মেশাতে পারেন।) শ্যাম্পু করার আগে বা শ্যাম্পুর সাথে মিশ্রণটি মিশিয়ে নিয়ে ভালোভাবে চুল শ্যাম্পু করুন। সপ্তাহে একবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

৩. পরিমাণ মতো নিমপাতা ও গরম পানি নিন। তারপর পানিতে নিমপাতা সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে এই পানি দিয়ে আপনার মাথা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে কিছুদিন ব্যবহার করলে খুশকি কমে যাবে।

৪. মাথার ত্বকে পরিমাণ মতো লেবুর রস নিয়ে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে ৫ থেকে ৭ মিনিট রাখুন। এরপর ১ চা চামচ লেবুর রস ও ১ কাপ পানি মিশিয়ে সেটা দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। যতদিন খুশকি পুরোপুরি না যায় ততদিন এভাবে ব্যবহার করুন।

৫. পরিমাণমতো অ্যালোভেরা জেল মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর শুধু পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। এরপর আরো ১৫ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। মাসে দুইবার ব্যবহার করুন।

সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা তুলে দেবে ঐক্যফ্রন্ট

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আজ সোমবার সকালে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে। সেই অনুষ্ঠানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন (ডানে) ও মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আজ সোমবার সকালে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে। সেই অনুষ্ঠানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন (ডানে) ও মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ক্ষমতায় গেলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার বয়সসীমা তুলে দেবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কার্যক্রম চলমান রাখবে। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদদের তালিকা করবে। ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করবে। এমন ৩৫ দফা অঙ্গীকারের ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

আজ সোমবার সকালে রাজধানীর হোটেল পূর্বাণীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট তাদের ইশতেহার ঘোষণা করে। ইশতেহার পাঠ করেন জোটের অন্যতম নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

ঐক্যফ্রন্টের ৩৫ দফা ইশতেহারের মধ্যে আছে—রাষ্ট্র পরিচালনায় পরাজিতদের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। ডেপুটি স্পিকার হবে বিরোধী দল থেকে। তারা নির্বাচনকালীন সরকারের বিধান তৈরি করবে। পরপর দুই মেয়াদের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। ন্যায়পাল নিয়োগ দেওয়া হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম চলমান রাখার পাশাপাশি তালিকা থেকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দেওয়া হবে।

ইশতেহারে আরও আছে—মতপ্রকাশের অবারিত স্বাধীনতা থাকবে, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিল হবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতপ্রকাশে সরকারি বিধি-নিষেধ থাকবে না। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণসহ বাজেটের ৩০ শতাংশ স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে ব্যয় করা হবে। এ ছাড়া ঢাকার কাছে উন্নত নাগরিক সুবিধাসহ কয়েকটি শহর গড়ে তোলা হবে।

ঐক্যফ্রন্ট বলছে, পুলিশ ও সামরিক বাহিনী বাদে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের জন্য কোনো বয়সসীমা থাকবে না। অনগ্রসর ও প্রতিবন্ধী ছাড়া আর কারও জন্য কোটা থাকবে না। ৩০ বছরের বেশি শিক্ষিত বেকারদের জন্য বেকার ভাতা চালুর জন্য রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা দেখতে কমিশন গঠন, পিইসি-জেএসসি পরীক্ষা বাতিল, ডাকসুসহ ছাত্রসংসদ নির্বাচন নিশ্চিত, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে প্রশাসনের হাতে দেওয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি চালু হবে।

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং গোপন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুন, জানুন যেভাবে খাবেন

রসুনের বেশিরভাগ উপকারিতে আসে ‘অ্যালিসিন’ নামের একটি রাসায়নিকের কারণে। এর থেকেই রসুনের তীব্র গন্ধ ও স্বাদ আসে। অ্যালিসিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমে সাহায্য করে এমনকি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কাজে আসে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় রসুন বিশেষ উপকারী। কারণ ব্লাড প্রেশার এবং ব্লাড সুগার দুটোই কমাতে পারে এই মশলাটি।

ডায়াবেটিস রোগীদের মূল সমস্যাটি হচ্ছে ব্লাড সুগার খুব বেড়ে যাওয়া বা খুব কমে যাওয়া। রসুন এ সমস্যা সমাধানে কাজ করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে রসুন।

এছাড়া রসুনের অন্যান্য উপকারিতাগুলো হলো-

১. রসুনে ক্যালোরি অনেক কম, এতে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করার পরিমাণটাও কম। এ কারণে ডায়াবেটিস রোগীরা তা খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।

২. টাটকা, কাঁচা এক কোয়া রসুনে থাকে বেশ কিছুটা ভিটামিন বি৬। কার্বোহাইড্রেট মেটাবোলিজমে এই ভিটামিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রসুন খাওয়ার পর কার্বোহাইড্রেট ধীরে ধীরে মেটাবোলাইজ হয়, ফলে ব্লাড সুগার হুট করে বেড়ে যাওয়ার সুযোগ পায় না।

৩. নিয়মিত রসুন খাওয়া হলে শরীরে হোমোসিস্টিন অ্যামিনো অ্যাসিডের পরিমাণ কমে। এই অ্যামিনো অ্যাসিডটি ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

৪. রসুনে থাকা রাসায়নিক উপাদান যেমন অ্যালিসিন, অ্যালিল প্রোপাইল ডাইসালফাইড এবং এস-অ্যালিল সিস্টিন সালফক্সাইড রক্তে ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়ায় বলে দেখা গেছে।

এছাড়া মরিশাস জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যায়, উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা ১২ সপ্তাহ রসুন খাওয়ার পর তাদের রক্তচাপ গড়ে ১০ পয়েন্ট কমে আসে।

ডায়াবেটিস রোগীরা কীভাবে খাবেন রসুন?

রসুন কাঁচাই খেতে পারেন। সালাদের ওপর দিতে পারেন রসুন কুচি। এছাড়া তরকারিতে রসুন দিয়ে রান্না করাটা তো স্বাভাবিক। দুই উপায়েই কাজে আসে রসুন।

যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, একজন পুরুষের প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে যদি ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকে তবে সেই পুরুষ অনুর্বর হতে পারে। পুরুষদের যৌন সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়।

১. পুরুষদের পুরুষাঙ্গের স্পার্মের সমস্যা দেখা দেয়। স্পার্মের জন্য যৌন অক্ষমতা দায়ী।
যৌনশক্তি কম থাকা।

২. হয়তো বীর্য পতন এর পরিবর্তে হালকা পানির মত উপাদান বের হয়।

৩. বীর্য পাতলা হয়ে যায়। পাতলা বীর্য ঘন করতে রসুন এর কোন তুলনা নেই।

৪. যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ পুরুষের নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে।

উপরের সকল সমস্যার সমাধানের অর্থাৎ যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুন এর উপকারিতা অনেক। সুস্থ বীর্য তৈরিতে রসুনের জুড়ি নেই। রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়। কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খেলে এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর ন্যায় কাজ করে। সকালের নাস্তার পূর্বে যদি রসুন খাওয়া হয় এটি আরও কার্যকরীভাবে কাজ করে। খালি পেটে রসুন খাবার ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো উন্মুক্ত হয় এবং তখন রসুনের ক্ষমতার কাছে তারা নতিস্বীকার করে। এতে শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সমূহ ধ্বংস হয়।

যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য রসুন খাওয়ার সঠিক নিয়ম: যারা পড়ন্ত যৌবনে পড়েছেন। এক্ষেত্রে প্রতিদিন নিয়ম করে ১/৩ টি কুয়া রসুন খেলে আপনাকে দিতে পারে একটি সতেজ যৌনক্ষমতা। যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য রসুন বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। জেনে নিন সঠিকভাবে রসুন এর উপকারিতা পেতে কিভাবে রসুন খাবেন।

১. প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১ থেকে ২টি কাঁচা রসুনের কোয়া চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ক্ষমতা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷

২. রুটির সঙ্গেও রসুন মিশিয়ে খেলে পারেন। এতে রসুন আপনার শরীরে স্পার্ম উৎপাদনের মাত্রা বাড়াবে এবং সুস্থ্য স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করবে৷

৩. প্রতিদিন ২ কোয়া রসুন ঘি/আলিভ অয়েল দিয়ে ওভেনে বেক করে সাথে মাখন মাখিয়ে পাউরুটি দিয়ে খেতে পারেন। মুখের দুর্গন্ধ দুর করার জন্য খাওয়ার শেষে গরম পানি বা গরম দুধ খাওয়া উচিৎ। এতে ভাল ফল পাবেন আশাকরা যায়।

৪. যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। দুই চামচ আমলকির রসের সঙ্গে ১/২ কোয়া রসুন বাটা মিশিয়ে খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়েরই যৌবন ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ি হবে।