নির্বাচিত হওয়ার আগেই মাশরাফির ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ

নড়াইল ও লোহাগড়াবাসীর সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নিয়েছে নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন। নড়াইল ও লোহাগড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সিসিটিভি স্থাপন করে জেলার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

এ লক্ষ্যে নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন এবং সিডনি শান ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

রোববার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে দাহুয়া-সিডনি শান সেন্টারে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ও সিডনি শান ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী সাগর টিটো।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম অনিক, সাব্বির আহম্মেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইতোমধ্যে নড়াইল শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফাইবার অপটিকস্ ক্যাবল টানানোর কাজ শেষ হয়েছে।

সোমবার দুপুরে নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন সূত্র নিশ্চিত করেছে আগামী ২০ ডিসেম্বর শহরের প্রায় ৩২টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভির ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া কয়েক দিনের মধ্যে লোহাগড়া উপজেলার ২৪টি পয়েন্টে ও সিসিটিভির ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শুরু হবে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে স্থাপিত সিসিটিভি মনিটরিং করবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সফল ওয়ানডে অধিনায় মাশরাফি বিন মুর্তজা নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এক রাত না ঘুমালে শরীরের কি ভয়ানক ক্ষতি হয় জানেন

সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা ঘুমান আবশ্যক। কিন্তু বর্তমান সময়ে রাতে না ঘুমিয়ে থাকাটা একটি ট্রেন্ড হয়ে গেছে। মানুষ রাতে ঘুমালেই শরীর ও মন দুটাই বিশ্রাম নিতে পারে। এতে করে শারীরিক অনেক সমস্যার সমাধান হয়।

আর আমাদের শরীর ভাল থাকে। রাতেই শরীরের কোষগুলো খুলে গিয়ে কাজ করা শুরু করে। কিন্তু আমরা যদি না ঘুমিয়ে জেগে থাকে, এতে শরীর তার কাজ করতে পারে না। এতে শরীরের ব্যাঘাত ঘটে।

১৫ জন লোকের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে মাত্র এক রাত ঘুম না হলেই মস্তিষ্কের কোষের ক্ষয় শুরু হয়। ১৭৪১ জন নারী এবং পুরুষের উপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে যারা ১০ থেকে ১৪ বছর ধরে ছয় ঘণ্টারও কম ঘুমান তাদের মধ্যে মারাত্মক ধরনের মৃত্যুহার বেশি থাকে। তাছাড়া তাদের মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ সহ আরো অনেক রোগের হার বেশি। আসুন জেনে নেই এক রাত জেগে থাকলে মানুষের শরীরে যে ভয়ানক ৭ ক্ষতি হয়।

স্বামীর জন্য ভোট চেয়ে সকলের মন জয় করে নিলেন তন্ময় পত্নী

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তরুণ রাজনীতিবিদ শেখ তন্ময়। মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন তন্ময় অনেক আগেই। তরুণদের মধ্যে আগ্রহের তালিকায় রয়েছেন তন্ময়। এবার তন্ময়ের হয়ে প্রকাশ্যে ভোট চাইলেন তার স্ত্রী ইফরাহ উদ্দীন।

খুলনার বাগেরহাট জেলায় রবিবার (০৯ ডিসেম্বর) মহিলা লীগের একটি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন তন্ময়ের স্ত্রী। তবে একইসঙ্গে দেখা যায় এই জুটিকে।

এসময় তন্ময়ের স্ত্রী বলেন, ‘আমি ইফরাহ উদ্দীন, আর আমি শেখ তন্ময়ের স্ত্রী। আপনাদের সবাইকে দেখে খুব ভালো লাগছে। আপনারা এত কষ্ট করে এত দূর আসছেন। আপনারা বলছি কী, নৌকা মার্কায় তন্ময়কে ভোট দিয়ে জয়ী করে কাজ করা সুযোগ করে দিন।’

তিনি বলেন, ‘আর আমি আরো একটি কথা বলতে চাচ্ছি তন্ময়ের স্ত্রী হয়ে, তন্ময় কিন্তু দিন-রাত আপনাদের কথাই চিন্তা করে। মানুষকে কিভাবে সাহায্য করবে, সারাদিন সেটা নিয়েই আমার সঙ্গে কথা হয়, আর এটা কিন্তু সত্যি। এছাড়া তিনি আরো বলেন, তন্ময় কিন্তু ছোট থেকেই সব কিছু পেয়েছে, এখন ও বড় হয়ে চায় মানুষকে সাহায্য করার জন্য। আপনাদের কাছে একটাই চাওয়া, নৌকা মার্কায় ভোট দিন আর তন্ময়কে জয়ী করুন। আর আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

নারীরা শারীরিক মিলনের চেয়েও বেশি পছন্দ করে যে বিষয়গুলো

প্রেম-ভালোবাসার ক্ষেত্রে পুরুষদের কাছে যৌনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কিন্তু এমন কিছু বিষয় আছে যা নারীদের কাছে যৌনসুখের চাইতেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেবল যৌন সুখ নয়, নিজেদের একান্ত সম্পর্কে পছন্দের পুরুষের কাছ থেকে এই বিষয়গুলোও আশা করেন নারীরা।

কী করলে আপনার সঙ্গিনী খুশি হবেন, তারই কিছু সহজপাঠ এখানে দেয়া হলো। ব্যক্তি বিশেষে এই চাহিদার রকমফের হলেও দেখা গিয়েছে কমবেশি এই ব্যবহারই কামনা করেন অধিকাংশ নারী।

০১. যার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে আলতো চুম্বন। জোর করে নয়, দুপক্ষের সম্মতিতেই এই চুম্বন হওয়া বাঞ্ছনীয়।

০২. দ্বিতীয়ত, স্পর্শ। পোশাকি ভাষায় যাকে বলে গুড টাচ।

০৩. গভীর আলিঙ্গন। যাতে থাকবে সারাজীবন পাশে থাকার ইঙ্গিত। এই বিষয়গুলি নারীদের কাছে যৌনতার থেকেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

০৪. যৌন মিলনের পর গভীর আলিঙ্গনে পরস্পরকে জড়িয়ে ঘুমোনোটাও অধিকাংশ নারীই পছন্দ করেন।

০৫. একান্ত মুহূর্তে আবেগঘন প্রশংসা নারীদের খুবই প্রিয়।

০৬. পাশাপাশি হাত ধরে হাঁটা, উপহার, বিশেষ মুহূর্তে “ভালোবাসি” বলা, মজার খুনসুটি, মজার কোন ইঙ্গিত ইত্যাদি ব্যাপারগুলো নারীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সবচেয়ে অভদ্র, অহংকারী খেলোয়ার কোহলি : নাসিরউদ্দিন শাহ

বিরাট কোহলি, মাঠে পারফরম্যান্সে যতোটা আলোচনায় থাকেন, আচরণে ততটাই সমালোচনায় থাকেন। ব্যাট হাতে যেমন বিশ্বের সেরাদের তালিকায় উঠে এসেছেন, তেমনি বিশ্বের সবচেয়ে বাজে ব্যবহার করা ক্রিকেটারদের মধ্যেও তিনি তালিকার উপরের দিকে। অন্য দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে তার দুর্ব্যাবহার নতুন নয়। এবার নিজের আচরণে সমালোচিত হলেন নিজ দেশেরই কিংবদন্তি অভিনেতা নাসিরউদ্দিন শাহর কাছেও।

নাসিরউদ্দিন শাহ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোহলি বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান হতে পারেন তবে একই সঙ্গে সব থেকে বাজে ক্রিকেটারও। সোমবার (১৭ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম নিজের ফেসবুক ওয়ালে নাসিরুদ্দিন শাহ একটি পোস্টে লেখেন, ‘বিরাট কোহলি কেবল বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানই নন, আচরণে সবচেয়ে বাজে খেলোয়াড়ও বটে। ক্রিকেটে তার উজ্জ্বল উপস্থিতির পিছনেই রয়েছে উদ্ধত ও অহংকারী রূপ এবং এটা বলার জন্য আমি কখনই দেশ ছাড়ব না।’

পোস্টে শেষ লাইনে খোঁচাটাও সরাসরি কোহলিকেই দেন নাসিরউদ্দিন শাহ। কিছুদিন আগে, এক ফেসবুক লাইভ ভিডিওতে কোহলি এক সমর্থককে বলেছিলেন, দেশের ক্রিকেট নিয়ে সমস্যা হলে দেশ ছেড়ে চলে যান এবং অন্য দেশের সমর্থন করুন। এ কথাতে তখন বেশ সমালোচনায় পড়তে হয় কোহলিকে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে কোহলি সংবাদ মাধ্যমের সামনেই বলেন, সফরে তারা কোনো প্রকার সীমালঙ্ঘন করবেন না। কিন্তু বেশি দিন সেই কথায় অটল থাকতে পারেনি ভারতীয় অধিনায়ক নিজেই। প্রথম টেস্টে ভারত চালকের আসনে আসতেই একাধিকবার প্রতিপক্ষকে কটু কথা শুনিয়েছেন কোহলি। যা স্টাম্প মাইকে স্পষ্ট শোনা গেছে। এমনকী পার্থ টেস্টেও শুধরাননি কোহলি। আর এ নিয়েই শেষ পর্যন্ত মুখ খুলতে বাধ্য হন, বর্ষীয়ান অভিনেতা নাসিরউদ্দিন শাহ।

খেজুরের ১৫টি ঔষধি গুণ, যা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন আপনি

খেজুরের ১৫টি ঔষধি গুণ- মরুঅঞ্চলের ফল খেজুর। পুষ্টিমানে যেমন এটি সমৃদ্ধ, তেমনি এর রয়েছে অসাধারণ কিছু ঔষধিগুণ। চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয়েছে, সারা বছর খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া, এই ফলটিতে রয়েছে প্রাণঘাতী রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা। তাই বলা হয়, দিনে ৫টি করে খেজুর খাওয়ার অভ্যাস রাখা উচিত। তাহলে হাজারো ধরনের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই খেজুরের কিছু ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে।

১. রুচি বাড়াতে খেজুরের কোন তুলনা হয় না। অনেক শিশুরা তেমন একটা খেতে চায় না, তাদেরকে নিয়মিত খেজুর খেতে দিলে রুচি ফিরে আসবে।

২. তুলনামূলকভাবে শক্ত খেজুরকে জলে ভিজিয়ে (সারা রাত) সেই জল খালি পেটে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। তাজা খেজুর নরম এবং মাংসল যা সহজেই হজম হয়।

৩. হৃদপিণ্ডের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন খেজুর খাওয়া অত্যন্ত জরুরী। গবেষণায় দেখা যায়, পুরোরাত খেজুর জলে ভিজিয়ে সকালে পিষে খাওয়ার অভ্যাস হার্টের রোগীর সুস্থতায় কাজ করে।

৪. ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই ফল দৃষ্টিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল বিদ্যমান থাকায় অনেক রোগ নিরাময় করা সম্ভব। সাথে সাথে আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে সহায়তা করে।

৫. খুব দুর্বল লাগছে অথবা দেহে এনার্জির অভাব হচ্ছে? তাহলে ঝটপট খেয়ে নিন খেজুর। তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি সরবরাহের ক্ষেত্রে খেজুরের তুলনা নেই।

৬. খেজুর বিভিন্ন ক্যান্সার থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে অনেক ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন খেজুর লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

৭. খেজুরের মধ্যে রয়েছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার ও বিভিন্ন ধরণের অ্যামিনো অ্যাসিড যা সহজে খাবার হজমে সহায়তা করে। এতে করে খাবার হজম সংক্রান্ত সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

৮. খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়। ফলে ওজন বেশি বাড়ে না, সঠিক ওজনে দেহকে সুন্দর রাখা যায়।

৯. মুখের অর্ধাঙ্গ রোগ, পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য উপকারী। খেজুর বিচিত্র রোগ নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

১০. গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস আমাদের দেহের ইন্টেস্টাইনের ভেতর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো প্যাথলজিক্যাল অর্গানিজমের উৎপাদন বৃদ্ধি করে যা ইন্টেস্টাইনের নানা সমস্যা দূর করে।

১১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য খেজুর খুবই উপকারী।

১২. খেজুরের চূর্ণ মাজন হিসেবে ব্যবহার করলে দাঁত পরিষ্কার হয়।

১৩. পেটের ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্যানসারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে খেজুর। এছাড়াও মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধেও এই ফল বেশ কার্যকরী। গবেষণায় দেখা যায়, অ্যাবডোমিনাল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করার ক্ষমতা রয়েছে খেজুরের।

১৪. খেজুর দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে বিশেষভাবে সহায়ক। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস রাতকানা রোগ ভালো করতেও সাহায্য করে থাকে।

১৫. খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস দেহের আয়রনের অভাব পূরণ করে এবং রক্তস্বল্পতা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।

যাদের এই রক্তস্বল্পতার সমস্যা রয়েছে তাদের প্রতিদিন খেজুর খাওর অভ্যাস করা উচিত। কারণ, রক্তস্বল্পতা ও শরীরের ক্ষয়রোধ করতে খেজুরের রয়েছে বিশেষ গুণ।

ছেলের নির্বাচনে মাঠে নামলেন মাশরাফির বাবা

নির্বাচনের মাঠে নেই মাশরাফি-কিন্তু প্রচারণায় থেমে নেই নড়াইল-২ আসনের জনগণ। প্রতিদিনই তার নির্বাচনী প্রচারণায় নিজ উদ্যোগে মাঠে নামছেন এলাকার জনগণ। মাশরাফির নির্বাচন নিয়ে রীতিমতো আনন্দ-উল্লাস করে কাজ করছেন তরুণ-যুবকরা। এলাকার বিভিন্ন বাজারে মাশরাফির জন্য গান তৈরি করে তা বাজাচ্ছেন দোকানদাররা। সোমবারের দিনভর বৃষ্টি উপেক্ষা করে নড়াইল সদরের কয়েকটি বাজারে মতবিনিময় সভা এবং লিফলেট বিলি করেছেন সাধারণ জনগণ ও রাজনীতিবিদরা।

এদিকে ছেলে মাশরাফির নির্বাচনে মাঠে নেমে পড়েছেন বাবা গোলাম মর্তুজা শ্বপন। গতকাল সোমবার বিকালে নড়াইলের মুলিয়া বাজারে তিনি মাশরাফির নৌকা প্রতীকের লিফলেট বিলি করেন। এ সময় ভোটের মাঠে এক অন্যরকম দৃশ্য অবতারণা হয়। বাজারে গোলাম মর্তুজার পুরোনো সব বন্ধুরা ছুটে এসে তাকে জড়িয়ে ধরেন, আসেন এলাকার প্রবীণ ব্যক্তি ও নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়রা এসে তাকে ঘিরে ধরেন। পরে পার্শ্ববর্তী এলাকার বাড়িগুলোতে গিয়ে ছেলের জন্য ভোট চাইলেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন মুলিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি  বিপুল কুমার সিকদার, ব্যবসায়ী শ্যামল কুমার বিশ্বাস, সাবেক ইউপি মেম্বর বিপুল কুমার বিশ্বাস, রাজমিস্ত্রী সুজয় কুমার মোহন্ত প্রমুখ।

পরে মাশরাফির বাবা গোলাম মর্তুজা শ্বপন মুলিয়া নির্বাচনী অফিসে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। মুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বরীন্দ্রনাথ অধিকারীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন মুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শ্যামল কুমার সিংহ, দীপক কুমার বিশ্বাস, দলিল লেখক বিনয় কৃষ্ণ বিশ্বাস প্রমুখ।

এ সময় মাশরাফির বাবা এলাকার লোকদের বলেন, মাশরাফি কখনো আমার একার সন্তান নয়, আপনাদের সন্তান তাকে ভোট দেওয়ার চিন্তা আপনারাই করবেন।

গর্ভাবস্থায় চিনি খেলে সন্তানের যে ক্ষতি হয়

গর্ভাবস্থায় চিনি খাওয়া সন্তানের জন্য ক্ষতিকর। সম্প্রতি একদল গবেষক এমনটাই দাবি করেছেন। আর তাই গর্ভবতী মায়েদেরকে চিনিপ্রীতি এড়িয়ে চলতে হবে।

গবেষকদের দাবি, প্রেগনেন্সির সময় মাত্রারিক্ত চিনি খেলে, গর্ভজাত সন্তানের অ্যাজমা বা হাঁপানির ঝুঁকি দ্বিগুণ বেড়ে যায়।

ভারতের এই সময় পত্রিকার খবরে বলা হয়, ‘দ্য অ্যাভন লংগিচুডিনাল স্টাডি অফ পেরেন্টস অ্যান্ড চিলড্রেন (ALSPAC)’ নামে এই গবেষণায় ৯ হাজার মা ও তাদের সন্তানদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৯৯০-এর গোড়ায় যারা গর্ভবতী হয়েছেন, সেই মায়েদেরই এর জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল এই জরিপে। যে কারণে এই গবেষণাকে ‘চিলড্রেন অফ দ্য ৯০এস’ বলা হচ্ছে।

গবেষক দলের প্রধান সাইফ শাহিন বলেন, ‘এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এখনই জোর দিয়ে বলা যাবে না প্রেগনেন্সির সময় অতিরিক্ত চিনি খেলেই বাচ্চার অবধারিত অ্যাজমা হবে। তবে চিনি যে অ্যাজমার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে, সে বিষয়ে গবেষকরা নিশ্চিত। সে কারণে গর্ভাবস্থায় যতটা সম্ভব কম চিনি খাওয়ার পরামর্শ রইল।’

আ. লীগ নেতাসহ অর্ধশতাধিক কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, পৌর কাউন্সিলর ইদন মিয়াসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে পৌর সদরের বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ২৩ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী নাছির চৌধুরীর হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করে।

পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী আহমদ মিয়ার সভাপতিত্বে ও বিএনপি নেতা আব্দুল হক মিয়ার পরিচালনায় যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ২৩ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরী।

এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার আব্দুল মজিদ তাহের, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল কাইয়ূম, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাব্বির আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কয়ছর আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আবু সাঈদ চৌধুরী, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মানিক মিয়া তালুকদার, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক, সাধারণ সম্পাদক ফারুক সরদার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সভাপতি সজিব রশীদ চৌধুরী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বাবুল আহমেদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক গুলজার চৌধুরী, পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল তালুকদার, যুবদল নেতা সুমন মিয়া, উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রোবেল চৌধুরী, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি উবায়দুর চৌধুরী মিশু, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাছির চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও বাংলাদেশের মানুষ আজ পরাধীন জীবনযাপন করছে। দেশের জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে অবৈধভাবে আওয়ামী লীগ দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে আছে। খুন, ঘুম, ধর্ষণ নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় হয়রানি মাধ্যমে সমগ্র দেশকে বিভিষিকাময় করে তুলেছে।

জনগণের সম্পদ লুটপাট করে অবৈধ সরকারের মন্ত্রী এমপিরা সম্পদের পাহাড় গড়েছে। দেশের সাধারণ মানুষের আজ জানমালের নিরাপত্তা নেই। সরকার একের পর এক মিথা মামলা দিয়ে দণ্ডিত করে দেশের সব চাইতে জনপ্রিয় ব্যক্তি তিন তিন বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জেলখানায় আটকে রেখেছে। তারেক জিয়াকে দেশে আসতে দিচ্ছে না। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন।

দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বেগম জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হলে সবাইকে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহবান জানান তিনি। নাছির চৌধুরী আরো বলেন, দিরাই-শাল্লার কয়েক লক্ষ মানুষ আজ আওয়ামীধারী গুটিকয়েক নেতার কাছে জিম্মি। তারা হাওর রক্ষা বাধ, জলমহাল লুটপাটসহ এহেন কোনো অপরাধ নেই যা তারা করছে না। তারা আজ এতোই প্রভাবশালী যে একাধিক হত্যাকাণ্ডের আসামি ও আদালত অবমাননার দায়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকার পরও পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে জনসভায় ভাষণ দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি প্রকাশ্য জনসভায় বিএনপির নেতাকর্মীদের চোখ উপড়ে ফেলার হুমকি-ধামকি দিয়ে আসলেও সরকার কিংবা নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। এ সকল অন্যায় অত্যাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে দিরাই-শাল্লার মানুষ আজ জেগে উঠেছে। আগামী নির্বাচনে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে এর জাবাব দিতে হবে।

যোগদানকারী নেতা ইদন মিয়া বলেন, দিরাই আওয়ামী লীগে রাজনীতির চর্চা নেই, গণতন্ত্র নেই, আছে লোটপাট। আমি লোটপাট দুর্নীতি পছন্দ করি না। গণতন্ত্রের মুক্তি ও মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যোগ দিতে এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই আমি বিএনপিতে যোগদান করেছি। পরে যোগদানকারীদের গলায় ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেন নাছির চৌধুরী।

টি ব্যাগে রয়েছে যেসব মারাত্বক ঝুঁকি

চা আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী। প্রায় সব বয়সী মানুষই কমবেশি চা পান করে থাকি। কাজে, অবসরে, গল্পে বা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা জমাতে চা আমাদের একটি অন্যতম উপকরণ। ফলে আমরা চা পান করতে গিয়ে ঝামেলা এড়ানোর জন্য চাপাতি না ফুটিয়ে বরং টি-ব্যাগ ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করে থাকি।

কিন্তু এই টি-ব্যাগে রয়েছে মারাত্বক ঝুঁকি। গুণ তো নেইই, বরং আমরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মখিন হচ্ছি। কমতে পারে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। বাড়তে পারে ক্যানসারের সম্ভাবনা।

জানা যায়, টি ব্যাগেই লুকিয়ে হরেক বিপদের বার্তা। টি ব্যাগ তৈরিতে ব্যবহার করা হয় এপিক্লোরোহাইড্রিন নামে একটি কার্সিনোজেনিক উপাদান। গরম জলের সংস্পর্শে এলেই বুদবুদ তৈরি হতে থাকে। বিশেষজ্ঞদের সতর্কবাণী, শরীরে কার্সিনোজেনিক উপাদান বাড়তে থাকলে ক্যানসারের আশঙ্কা বাড়তে থাকে।

টি ব্যাগ বানানোর সময় এপিক্সোরোফাইডিন নামে একটি উপাদান ব্যবহার করা হয়। এটি শরীরে বেশিমাত্রায় ঢুকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে। নানাবিধ সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়তে থাকে। বন্ধ্যত্বের মতো রোগের সম্ভাবনা তৈরি করে।

বহু টি ব্যাগ পিভিসি, থার্মোপ্লাস্টিক, নাইলন, রেয়ন, পলিপ্রোফাইলিন দিয়ে  তৈরি। এই সব উপাদান শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। আর তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, টি ব্যাগ দিয়ে চা পান থেকে বিরত থাকতে হবে।