দুঃসংবাদ! এরশাদের আশা ছেড়ে দিয়েছেন চিকিৎসকরা

এবার কোন অভিনয় নয়, নাটক নয়। সত্যিই তিনি অসুস্থ। চিকিৎসকরা বলছেন, তার আশা কমে আসছে। কেউ কেউ বলছেন, ক্রমাগত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন এরশাদ। জীবন-মৃত্যু মহান আল্লাহ্‌র হাতে। একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই জানেন, কে কখন ইহলোক থেকে চিরবিদায় নেবেন। তারপরও একজন মানুষের যখন শেষ বিদায়ের সময় হয়, তখন মানুষ বোঝে। বার্ধক্য বা গুরুতর অসুস্থ মানুষ যখন আস্তে আস্তে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হন, তখন আমরা বুঝি।

তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করি। দুঃখ পাই, কান্নায় আর্তনাদ করি। কিন্তু ‘মৃত্যু’ এমন এক বাস্তবতা যেখানে মানুষ অসহায়। সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ এখন সত্যিই গুরুতর অসুস্থ। আগামীকাল তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন। কিন্তু এরশাদের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এরশাদ ক্রমশ নিস্তেজ হয়ে পড়ছেন। তিনি খেতে পারছেন না, হাটা চলাও করতে পারছেন না। এরশাদের একজন চিকিৎসক বলেছেন, ‘তিনি ক্রমশঃ নিস্তেজ হয়ে পড়ছেন। আমরা তাঁর আশা সৃষ্টিকর্তার উপর ছেড়ে দিয়েছি।’ এরশাদের ছোট ভাই জিএম কাদের বলেছেন, ‘এরশাদ সাহেব ক্রমশঃ দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়ে পড়েছেন। এমনকি তিনি এখন বিছানায় নড়াচড়া পর্যন্ত করতে পারছেন না ।’

এরশাদের আত্মীয়-স্বজন মনে করছেন, তাঁর বিদায়ের লগ্ন উপস্থিত হয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, তাঁদের আর কিছু করার নেই। এ কারণেই আগামী রোববার শেষ চেষ্টা করতে এরশাদকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এরশাদের একজন ব্যক্তিগত চিকিৎসক বলেছেন, ‘হয়তো চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে কিছুদিন বাঁচিয়ে রাখা যাবে, কিন্তু তিনি আগের মতো চলাফেরা, কথাবার্তা বলতে পারবেন না। অভাবনীয় কিছু না ঘটলে, বাকি দিনগুলোতে নিষ্প্রাণ এক অসুস্থ এরশাদ থাকবেন। যিনি থেকেও না থাকার মতো।’

চিকিৎসকরা বলছেন, ‘গত নভেম্বর থেকেই আস্তে আস্তে অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন এরশাদ। এটা ছিল বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা। এইসময়ে তিনি সিঙ্গাপুর যান চিকিৎসার জন্য। কিন্তু সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, এখন খুব বেশি কিছু করার নেই। এরপর এরশাদ ঢাকায় ফিরে আসেন। ঢাকায় এসে তার শরীর আরো দুর্বল হতে থাকে। তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে যান হুইল চেয়ারে করে। শপথ নেয়ার পর ক্রমশঃ দুর্বল হয়ে পড়েন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।

এরপর এরশাদকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের নেয়া হয়। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের চিকিৎসকরাও সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকদের মতোই খুব বেশি কিছু করার নেই বলেই মন্তব্য করেন। চিকিৎসার পরিভাষায় এটাকে বলা হয় বার্ধক্যজনিত রোগ। গত কয়েকদিন ধরেই এরশাদের ক্ষুধা মন্দা বেড়েই চলছে।

উল্লেখ্য, ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এরশাদ জন্মগ্রহণ করেন। এ বছর তিনি নব্বইয়ে পা দেবেন। নয় বছর অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে রাখা এই সামরিক একনায়ককে ‘স্বৈরাচারী শাসক’ হিসেবে অভিহিত করা হতো।

৯০ এর গণ অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত এরশাদ কিছুদিন কারাবরণ করলেও বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি এখন পর্যন্ত একজন গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। এবার নির্বাচনের আগেও এরশাদ অনেক নাটক করেছিলেন।

রাত্রে হঠাৎ ঘুম ভেংগে গেলে এই দোয়াটি পড়ে যা প্রার্থনা করবেন, কবুল হবে ইনশাল্লাহ

রাত্রে ঘুম ভেঙ্গে গেলে এই যিকির করলে যা প্রার্থনা করবেন তাই কবুল হবে ইনশা আল্লাহ! «لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَريكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ للَّهِ، وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكبَرُ، وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ» «رَبِّ اغْفرْ لِي».

(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা- শারীকালাহূ, লাহুল মুলকু, ও য়ালাহুল হামদু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শায়ইন ক্বাদীর। সুবহা-নাল্লাহি, ওয়ালহামদু লিল্লাহি, ওয়া লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়াল্লা-হু আকবার, ওয়া লা- হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হিল ‘আলিয়্যিল ‘আযীম, রাব্বিগফির লী)।

অর্থ- “একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই; আর তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্‌র।

আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। সুউচ্চ সুমহান আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই। হে রব্ব ! আমাকে ক্ষমা করুন”।

উবাদা ইবনু সামিত (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছে‘ন, “যদি কারো রাত্রে ঘুম ভেঙ্গে যায় অতঃপর সে উপরের যিকিরের বাক্যগুলো পাঠ করে এবং এরপর সে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় অথবা কোনো প্রকার দু‘আ করে বা কিছু চায় তবে তার দু‘আ কবুল করা হবে। আর যদি সে এরপর উঠে ওযু করে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করে তাহলে তার সালাত কবুল করা হবে।”{সহীহ বুখারী, ১/৩৮৭, নং ১১০৩।}

রাসুল সাঃ বলেন- ‘যে ব্যক্তি এই সূরা প্রতি রাতে পাঠ করবেন তাঁকে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না’

অন্তিম রোগশয্যায় আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)— এর শিক্ষাপ্রদ কথোপকথনঃ ইবনে—কাসীর ইবনে আসাকীরের বরাত দিয়ে এই ঘটনা বর্ণনা করেন যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) যখন অন্তিম রোগশয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন আমীরুল মু’মিনীন হযরত ওসমান (রাঃ) তাঁকে দেখতে যান৷ তখন তাঁদের মধ্যে শিক্ষাপ্রদ যে কথোপকথন হয় তা নিম্নরুপঃ-

হযরত ওসমানঃ ما تشتكي আপনার অসুখটা কি :হযরত ইবনে মাসউদঃ ذنوبي আমার পাপসমূহই আমার অসুখ৷ ওসমান গণীঃ ما تشتهي আপনার বাসনা কি? ইবনে মাসউদঃ رحمة ربي আমার পালনকর্তার রহমত কামনা করি৷ ওসমান গণীঃ আমি আপনার জন্যে কোন চিকিৎসক ডাকব কি?
ইবনে মাসউদঃ الطبيب امرضني চিকিৎসকই আমাকে রোগাক্রান্ত করেছেন৷ ওসমান গনীঃ আমি আপনার জন্যে সরকারী বায়তুল মাল থেকে কোন উপটৌকন পাঠিয়ে দেব কি,ইবনে মাসউদঃ لاحاجة لي فيها এর কোন প্রয়োজন নেই৷

ওসমান গণীঃ উপটৌকন গ্রহণ করুন৷ তা আপনার পর আপনার কন্যাদের উপকারে আসবে৷ ইবনে মাসউদঃ আপনি চিন্তা করছেন যে, আমার কন্যারা দারিদ্র ও উপবাসে পতিত হবে৷ কিন্তু আমি এরুপ চিন্তা করি না৷ কারণ, আমি কন্যাদেরকে জোর নির্দেশ দিয়ে রেখেছি যে, তারা যেন প্রতিরাত্রে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করে৷ আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)— কে বলতে শুনেছি, من قرأ سورةالواقعة كل ليلة لم تصبه فاقة ابدا”.

অর্থাৎ, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করবে, সে কখনও উপবাস করবে না৷ হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ [রা.] বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সুরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে মাসউদ [রা.] তাঁর মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সুরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন। [বাইহাকি:শুআবুল ঈমান-২৪৯৮]

সুরা আর রাহমান, সুরা হাদিদ ও সুরা ওয়াকিয়া’র তেলাওয়াতকারীকে কেয়ামতের দিন জান্নাতুল ফিরদাউসের অধিবাসী হিসেবে ডাকা হবে। অন্য এক হাদিসে আছে, সুরা ওয়াকিয়াহ হলো ধনাঢ্যতার সুরা, সুতরাং তোমরা নিজেরা তা পড় এবং তোমাদের সন্তানদেরকেও এ সুরার শিক্ষা দাও। অন্য এক বর্ণনায় আছে: তোমাদের নারীদেরকে এ সুরার শিক্ষা দাও। আম্মাজান হজরত আয়েশা [রা.] কে এ সুরা তেলাওয়াত করার জন্য আদেশ করা হয়েছিল।

তাছাড়া অভাবের সময় এ সুরার আমলের কথাটা তো হাদিস দ্বারাই প্রমানিত। এমনকি বর্ণিত আছে যে হজরত ইবনে মাসউদ [রা.] কে যখন তার সন্তানদের জন্য একটি দিনারও রেখে না যাওয়ার কারণে তিরস্কার করা হলো তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তাদের জন্য আমি সুরা ওয়াকিয়াহ রেখে গেলাম। [ফয়জুল কাদির-৪/৪১]

সুবহানাল্লাহ! মহান রাব্বুল ইজ্জতের পবিত্র কালামের বরকত কত পাওয়ারফুল আপনি-আমি তা অনুধাবন করতে পারি কি? তাই আসুন সকলে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠের এই অতি মূল্যবান আমলটি প্রতিদিন আদায় করার চেষ্টা করি৷ আল্লাহ আমাদের প্রত্যেককে আমল করার তাওফিক দিন৷ আমীন

গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি বিয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত মদপানে আশিক ও আকিব নামে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন শাহ পারভেজ জানান, ২৩ জানুয়ারি (বুধবার) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ সংলগ্ন আমিনুল হকের মেয়ে আরমিন হকের বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত মদপান করায় চার যুবক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুরে আশিক ও আকিব মারা যান। আর অন্য দুইজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

এলাকাবাসী জানায়, গত বুধবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের পাইনাদী মতিন ব্রিজ এলাকার ওমর আলীর ছেলে তোফায়েল হোসেন ও কনে আরমিন হকের বিয়ের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গায়ে হলুদ অনুষ্ঠিত হয়। বর ও কনের বাড়িতে পৃথক গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে গান-বাজনার পাশাপাশি আতশবাজির ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

স্বামী ও ননদ ‘বিরক্ত’ ঐশ্বরিয়ার ওপর

ঐশ্বরিয়া বচ্চন বাড়ির বউ হয়ে আসার পর নাকি সেখানকার কিছুই বদলায়নি। কে বলেছে এ কথা? স্বয়ং তাঁর ননদ, লেখিকা শ্বেতা বচ্চন নন্দা। টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘কফি উইথ করণ’-এ এবার ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে নিয়ে কথা বললেন তাঁর স্বামী অভিষেক বচ্চন ও ননদ শ্বেতা বচ্চন নন্দা। কী অপছন্দ সেসবের পাশাপাশি ঐশ্বরিয়ার নানা গুণের কথাও বলেছেন তাঁরা।

করণ জোহরের ‘কফি উইথ করণ’-এর রোববারের পর্বে এসেছিলেন উপস্থাপকের বাল্যবন্ধু অভিষেক বচ্চন ও শ্বেতা বচ্চন নন্দা। বাল্যবন্ধুদের এই মিলনমেলায় রসিকতা করতে ছাড়েননি অভিষেক। বলেছেন, তোমার এই শো আমার মোটেই পছন্দ না। এসেছি কারণ তুমি আমার মুন্ডনে গিয়েছিলে, বিয়েতে নেচেছিলে।

তিনজনের বাল্যকালের স্মৃতিচারণা দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন উপস্থাপক ও চলচ্চিত্রনির্মাতা করণ জোহর। জন্মদিনের অনুষ্ঠানে তাঁরা একসঙ্গে কত আড্ডা দিয়েছেন, দর্শকদের সেসবের একটি ধারণা দিয়ে নেন তিনি। হৃতিক রোশন, আদিত্য, উদয় চোপড়া, জয়া, ফারহান আখতারসহ আরও অনেক তারকা সন্তানেরা উপস্থিত থাকতেন তাঁদের সেই আড্ডায়। এমনকি অভিষেককে তিনি এ–ও মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, জয়া ও শ্বেতার সঙ্গে করণের ভাব বেশি ছিল বলে প্রায়ই তাঁদের খোঁচাতেন অভিষেক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে দুই ভাই-বোনের কাছে করণের প্রশ্ন ছিল, বাবা-মায়ের কাছে কে সবচেয়ে বেশি আদরের? শ্বেতা বলেছেন, অভিষেক হচ্ছেন মায়ের আদরের ধন। আর অভিষেক বলেছেন, শ্বেতা হচ্ছেন বাবার চোখের মণি। শ্বেতা বলেন, ‘অভিষেক বাড়িতে ফিরলে মায়ের চোখ জ্বলজ্বল করে উঠত। “কাভি খুশি কাভি গাম” ছবিতে শাহরুখ খানকে দেখে মায়ের ওরকম হতো।’ আর অভিষেক বলেন, ‘শ্বেতা ঘরে থাকলে বাবা আর কাউকেই পাত্তা দেন না।’

শ্বেতার কাছে করণের প্রশ্ন ছিল, অভিনয় করতে গিয়ে তাঁর ভাইকে নানা চাপ সহ্য করতে হয়। এসব দেখার পরও কি তুমি চাইবে যে তোমার বাচ্চারা এই অঙ্গনে কাজ করুক? শ্বেতা বলেন, ‘যখন সবকিছু এলোমেলো হয়ে থাকে, তখন বাপ-ভাইয়ের মুখের দিকে তাকাতে পারি না আমি। আমি ইনস্টাগ্রামে আছি, আমি জানি কী পরিমাণ উপহাসের শিকার হতে হয় অভিষেককে। কেউ তাকে পছন্দ করুক বা না করুক, কেবল অমিতাভের ছেলে বলে সে এসব সহ্য করে। ওসব দেখে বোন হিসেবে আমি বিরক্ত হয়ে যাই। আমি রাতে ঘুমাতে পারি না। এসব কারণে আমি চাই না আমার বাচ্চারা সিনেমায় আসুক। জানি না আমার মেয়েটা অভিনয় করতে পারবে কি না। আমি চাই, ভালো না লাগলে, ভেতর থেকে তাড়া অনুভব না করলে, সে যেন এসবে না যায়।’

অনুষ্ঠানে উঠে আসে শ্বেতা-অভিষেকের মা জয়া বচ্চনের কথা। তিনি কেন আলোকচিত্রীদের দেখতে পারেন না? ‘মা আলোকচিত্রীদের দেখতে পারেন না কথাটা পুরোপুরি ঠিক নয়। আসলে বেশি লোক এক জায়গায় জড়ো হলে তিনি অস্বস্তি বোধ করেন। তাঁর আসলে সমস্যা অনুমতি না নিয়ে ছবি তোলায়। বিশেষ করে সেলফি শিকারিদের তিনি সহ্য করতে পারেন না’, বলেন শ্বেতা।

ঐশ্বরিয়া বউ হয়ে আসার পর অভিষেকের জীবনের পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন করণ জোহর। অভিষেক বলেছেন, তেমন কিছুই বদলায়নি। আর শ্বেতা মনে করেন, সংসারে নতুন কেউ এলে দায়িত্ব নেওয়ার লোকটি কেবল বদলায়। ঐশ্বরিয়া আসার পর আমি একটু স্বস্তি পেয়েছিলাম এই ভেবে যে অভিষেকের কাজগুলো বোঝার মতো একটা মানুষ পাওয়া গেল।

করণের অনুষ্ঠানে ছিল একটি ‘দ্রুত জবাব’ দেওয়ার অংশ। সেখানে শ্বেতাকে ফাঁস করতে বলা হয় অভিষেকের গোপন কোনো বিষয়। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলায় অভিষেক সব সময় বুড়ো আঙুল চুষত আর বিছানা ভেজাত।’ অন্যদিকে ঐশ্বরিয়াকে পছন্দের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘তাঁকে পছন্দ করি কারণ সে আত্মপ্রত্যয়ী, শক্ত মেয়েমানুষ এবং ভালো মা। তবে বিরক্ত লাগে তাঁর কড়াকড়ি। এমন নিয়মকানুন মেনে সে সংসার চালায়, এসব ভালো লাগে না।’

ঐশ্বরিয়া প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, ঐশ্বরিয়া তাঁকে ভালোবাসে বলেই তিনি ঐশ্বরিয়াকে ভালোবাসেন। তবে সব সময় বাড়ি গোছগাছ করে রাখার স্বভাবটা তাঁর পছন্দ নয়। তবে এর কোনো কিছুই দুজনের সম্পর্ককে শিথিল করতে পারে না। হিন্দুস্তান টাইমস

প্রধানমন্ত্রী আমাকে মন্ত্রী হতে বলেছিলেন : শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, আমার প্রধানমন্ত্রী আমাকে মন্ত্রী হতে বলেছিলেন। আমি মন্ত্রী হই নাই। ভণ্ডামি করতে রাজনীতিতে আসি নাই। আমি আপাকে বলেছিলাম, আমাকে না আপা আশরাফ ভাইকে মন্ত্রী বানান। আমি মন্ত্রী না হয়ে আশরাফ ভাইকে মন্ত্রী হওয়ার জন্য বলেছিলাম। মন্ত্রী হওয়ার জন্য রাজনীতি করতে আসি নাই।

শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের ডিআইটিতে আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগ এ স্মরণসভার আয়োজন করে। স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল হানিফ এমপি।

শামীম ওসমান বলেন, আগামীতে আমি নির্বাচন করমু না এটা আমি ডিরেক্ট ডিক্লেয়ার দিয়েছি। আগামীতে দেশের পরিস্থিতি যদি এ রকম থাকে, নেত্রীর ওপর আবার যদি হামলা করার চেষ্টা না করা হয় তাহলে আগামী প্রজন্মের জন্য আমি এই মুহূর্তে জায়গা ছেড়ে দিতে রাজি আছি।

আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল হানিফকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমরা নারায়ণগঞ্জে জাতির পিতার নামে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, ভালো মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, একটি ভালো মানের স্কুল চাই। ইচ্ছা করলে কালকেই সরকার এটা ঘোষণা করতে পারে। আপনি হানিফ ভাই নেত্রীকে এ বিষয়ে বলবেন, আপনি থাকলে আমি সাহস পাই।

প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্মৃতিচারণ করে শামীম ওসমান বলেন, আমি আশরাফ ভাইকে বিভিন্নভাবে চিনি। গত ৯৬ সালে আমি এমপি হই তখন আমার বাম দিকের সিটটাতে আশরাফ ভাই বসতেন আর আরেক সিটে বসতেন তাজ ভাই। পৃথিবীতে যতজন ভালো মানুষ আমি দেখেছি তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন সৈয়দ আশরাফ ভাই। একটা আশরাফ ভাই খুঁজে পেতে অনেক ক্ষতি হয়। রাজনীতিতে এখন ভণ্ড মানুষের প্রভাব এতো বেশি যে, আশরাফ ভাইদের মতো মানুষ চলে গেলে রাজনীতিতে অনেক ক্ষতি হয়ে যায়। এই ক্ষতি শেখ হাসিনার ক্ষতি, বাংলাদেশের ক্ষতি।

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য সারোয়ার জাহান বাদশা, জাতীয় শ্রমিকলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আরজু রহমান ভূইয়া, মহনগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব, জিএম আরমান, শাহ নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম আরাফাত, অ্যাডভোকেট মাহমুদা মালা, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. আবু জাফর চৌধুরী বিরু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সামিউল্লাহ মিলন ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়া প্রমুখ।

এমপি হতে না হতেই যে সুখবর পেলেন শেখ তন্ময়

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির সদস্য হলেন বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য তরুণ নেতা শেখ সারহান নাসের তন্ময়।

শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির সদস্য সচিব হাছান মাহমুদ প্রচার উপকমিটির সদস্য হিসেবে শেখ তন্ময়ের নাম ঘোষণা করেন।

শেখ সারহান নাসের তন্ময় ছাড়াও সাবেক ছাত্রনেতা সুজাতুর রহমান, মাসুদুর রহমান এবং সালাউদ্দিন রিপনকে প্রচার উপ-কমিটির সদস্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাছান মাহমুদ।

এসময় প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম উপস্থিত ছিলেন।

শেখ সারহান নাসের তন্ময় (৩২) বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্য। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ভাই শেখ আবু নাসেরের ছেলে সংসদ সদস্য (এমপি) শেখ হেলাল উদ্দীনের একমাত্র ছেলে তিনি।

চুরি বা হারানো মোবাইল ফোন আর ব্যবহার করা যাবে না

চুরি বা হারানো মোবাইল ফোন আর ব্যবহার- অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট আর ব্যবহার করা যাবে না। এমনকি এখন থেকে নতুন কোনো অবৈধ সেটে সিমকার্ডও চালু হবে না। শুধু ঘোষণা দিয়ে সরকারি কর পরিশোধের পর যে সেট বাজারে আসবে সেটাতেই চালু হবে সিম। তবে বর্তমানে গ্রাহকের হাতে থাকা অবৈধ সেটে যে সিমকার্ড চলছে, সেটা চালু থাকবে। এই সেটে অন্য কোনো সিম আর চলবে না। আজ ২২ জানুয়ারি, মঙ্গলবার বিটিআরসিতে আইএমইআই ডাটাবেজের উদ্বোধন করবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

প্রত্যেকটি মোবাইল ফোন সেটেই ১৫ ডিজিটের একটি আইএমইআই নম্বর থাকে। গ্রাহক *#০৬# ডায়াল করলেই এই আইএমইআই নম্বর ভেসে উঠে। এই নম্বরটি ১৬০০২ নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে সেটটি বৈধ না অবৈধ।

মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছ থেকে প্রত্যেক গ্রাহকের তথ্য নিয়ে ডাটাবেজে ঢোকানো হয়েছে। এই ডাটাবেজটি মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স এসোসিয়েশন তৈরি করলেও এটা নিয়ন্ত্রণ করবে বিটিআরসি। ইতোমধ্যে বিটিআরসিতে ডাটাবেজ বসানো হয়েছে। এটা হালনাগাদও সম্পন্ন হয়েছে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ করছে। এখানে প্রত্যেকটি ডিভাইস নিরাপদ করার দায়িত্বও সরকারের। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আইএমইআই ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। এখন যে কোনো গ্রাহক তার মোবাইল ফোন সেট নিরাপদে ব্যবহার করতে পারবেন।

কেউ চুরি করে সেটটি নিয়ে গেলে তিনি আর ব্যবহার করতে পারবেন না। গ্রাহকের তথ্যের ভিত্তিতে বিটিআরসি ওই সেটের আইএমইআই নম্বর সার্ভার থেকে বাদ দিয়ে দেবে। ফলে ওই সেটে নতুন কোনো সিম আর সচল হবে না। এতে ব্যক্তির নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত হবে, তেমনি সমাজ ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি সরকার অবৈধ সেট থেকে যে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব বঞ্চিত হতো এখন সেটা হবে না।’

বিটিআরসির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যেগুলো বৈধভাবে আমদানি হবে সেগুলো আপনাআপনি ডাটাবেজে উঠে যাবে। কেউ যদি দেশের বাইরে বেড়াতে গিয়ে সেট নিয়ে আসেন তাহলে তাকে বিটিআরসিকে জানিয়ে ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করে নিতে হবে।

অন্যথায় সেটটিতে কোনো সিমকার্ড চালু হবে না। একজন ব্যক্তি বছরে সর্বোচ্চ দু’টি সেট বিদেশ থেকে সঙ্গে এনে ডাটাবেজে ঢোকাতে পারবেন। কোনো গ্রাহক নতুন কোনো সেট কিনতে গেলে তিনি বক্সের গায়ে লেখা আইএমইআই নম্বরটি ১৬০০২ নম্বরে এসএমএস পাঠালেই সঙ্গে সঙ্গে ফিরতি মেসেজেই জেনে যাবেন সেটটি বৈধভাবে আমদানি করা কি-না। এরপর তিনি কিনবেন।

 

মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি রুহুল আলম আল মাহবুব মানিক বলেন, ‘২০১৭ সালে অবৈধ মোবাইল সেটের বাজার ছিল ২ হাজার ২০০ কোটি টাকার মতো। যা মোট মোবাইল ফোন সেটের ৩৫ ভাগ। ২০১৮ সালে এটি বেড়ে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা হয়েছে। যা প্রায় ৪০ ভাগ।

এই বিপুল পরিমাণ মোবাইল সেট অবৈধভাবে বাজারে আসায় সরকার যেমন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল তেমনি বৈধ আমদানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন। দেশে যে সংযোজন শিল্প শুরু হয়েছে সেটাও বাঁধার মুখে পড়ছিল। এখন এই ডাটাবেজের কারণে পুরো অবৈধ সেটের বাজার বন্ধ হয়ে যাবে।’

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আইএমইআই নিবন্ধন চালু হলে সিমের সঙ্গে আইএমইআই-এর নিবন্ধনে যুক্ত হয়ে যাবে। আর আগে যেহেতু জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে সিম নিবন্ধন হয়েছে তখন আইএমইআই, সিম এবং জাতীয় পরিচয়পত্র তিনটি দিয়ে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করা যাবে।

এটা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে হ্যান্ডসেটের চুরি-ছিনতাই একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে। সর্বোপরি মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবসায় শৃংঙ্খলা ফিরে আসবে। ইমপোর্টার্স এসোসিয়েশন জানিয়েছে, ২০১৭ সালে বৈধ হ্যান্ডসেট আমদানি হয়েছে সাড়ে ৩ কোটি পিস।

আর ২০১৮ সালে এটা নেমে এসেছে ৩ কোটি পিসে। তারা বলছেন, বাকি সেট অবৈধ মার্কেটে চলে গেছে। বছরে অন্তত এক কোটি হ্যান্ডসেট অবৈধ পথে বাজারে আসছে।
গেল বছর যেটির পরিমাণ ছিল দেড় কোটির মতো। এই সেটগুলো থেকে সরকার কোনো ট্যাক্স পায় না।

মৃত্যু থেকে কবরে নামানোর আগ পর্যন্ত লাশের সাথে ফেরেস্তারা যা যা করেন

আজরাঈল যখন আত্মা কবজ করে নেন, তখন আত্মা দেহকে বলে, হে দেহ! আল্লাহ তোমাকে সুপ্রতিদান দিক। তুমি আমার সঙ্গী হয়ে আল্লাহর আনুগত্যে অগ্রগামী ছিলে।আর আল্লাহর অবাধ্যে ছিলে খুবই পশ্চাৎপদ। তুমি আমার পক্ষ থেকে মুবারকবাদ গ্রহণ কর। কেননা আজ তুমি নিজেও মুক্তি পেয়েছো আর আমাকেও নাজাত দিয়েছ।

এভাবে দেহও আত্মাকে মুবারকবাদ দেয়। মুমিন বান্দার মৃত্যুতে যমীনের যে সকল অংশে সে ইবাদত করত সেগুলো কাঁদতে থাকে। আকাশের যে সকল দুয়ার দিয়ে তার নেক আমল উপরে উঠত সে সকল দুয়ার তার জন্যে কাঁদতে থাকে। যে দরজা দিয়ে তার রিযিক নেমে আসত সে দরজাও কাঁদতে থাকে।

আকাশ যমীনের এ ক্রন্দন দীর্ঘ চল্লিশ দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। মালাকুল মউত যখন তার আত্মা কবজ করে নেয় তখন তার দেহের হেফাযতের জন্যে সেখানে পাঁচশত ফেরেশতা দাঁড়িয়ে থাকে। যদি কেউ তার লাশের পাশ ফিরাতে চায় তখন ফিরিশতারাও এ কাজে মানুষের সহযোগিতা করে। এমনকি কাফন পরিধান ও সুগন্ধি মাখানোর কাজেও ফিরিশতারা অংশ নেয়।লাশের সম্মানার্থে ফিরিশতারা দুটি সারি করে ঘর থেকে কবর পর্যন্ত দাঁড়িয়ে যায়।

জানাযা যখন অতিক্রম করে তখন তারা অভ্যর্থনা জানায়। তার জন্যে ক্ষমার প্রার্থনা করে। মুমিনের মর্যাদার এ অবস্থা দেখে ইবলিশ এত জোরে চিৎকার করে উঠে যে, তার দেহের হাড়ের কোন কোন গ্রন্থির বন্ধন এ সময় ছিঁড়ে যায়। সে আক্ষেপের সাথে তার সঙ্গীদের বলতে থাকে তোমাদের সর্বনাশ হোক। এই বান্দা তোমাদের ফাঁদ থেকে কিভাবে ফসকে গেল। ইবলিশের সঙ্গীরা বলে, এ নিষ্পাপ ছিল তাই আমাদের ফাঁদে আটকায়নি।

মালাকুল মউত যখন তার আত্মাকে নিয়ে আকাশে আরোহন করে তখন হযরত জিবরাইল (আ) সত্তর হাজার ফিরিশিতা নিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানায়। আর সকল ফিরিশতারা তার নিকট আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির সুসংবাদ জানাতে থাকে। মালাকুল মউত যখন আত্মাটিকে নিয়ে আরশের নিকট পৌঁছেন তখন সে আল্লাহ তায়ালার সামনে সিজদায় পতিত হয় যায়।

আর সে সময় আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, হে মালাকুল মউত! তুমি আমার বান্দাকে নিয়ে জান্নাতের বাগানে রেখে এস। অতঃপর তাকে কবরে রাখার পর নামায তার ডান দিকে এবং রোযা তার বামদিকে এসে দাঁড়িয়ে যায়। আল্লাহর যিকর ও কুরআন তিলাওয়াত এসে দাঁড়িয়ে যায় তার শিথানের দিকে।

পায়ের দিকে দাঁড়িয়ে যায় জামাতের সাথে নামায পড়ার জন্য মসজিদের দিকে গমন। আর তার ধৈর্য্য কবরের এক কোনায় অবস্থান নেয়। এ সময় আল্লাহ তায়ালা তার কবরে আযাবের একটি অংশ প্রেরণ করেন। আযাবটি এসে কবরে ডানদিকে থেকে প্রবেশ করতে চায়। কিন্তু নামায তাকে বাধা দিয়ে বলে- আযাব তুমি পিছিয়ে যাও। খোদার কসম! এই বান্দাটি সারা জীবন কষ্টে ছিল। কবরে আসার পর তার কিছুটা আরাম মিলেছে।

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরমান, আযাব তখন ডান দিকে থেকে সরে বাম দিকে যায়। বাম দিকে রোযা নামাযের মত আযাবকে জবাব দিয়ে প্রতিহত করে।আযাব এবার মাথার দিক থেকে আসতে চেষ্টা করলেও একই রকম জবাব আসে।মোট কথা আযাব যেদিক থেকেই আসতে চায় সেদিক থেকেই তার জন্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। অবশেষে আযাব যখন দেখে আল্লাহর এই নেক বান্দার আমল সব দিক থেকেই তার জন্যে প্রতিরক্ষার দেয়াল সৃষ্টি করে রেখেছে তখন সে ফিরে যায়।

আর সে সময় ‘সবর’ উঠে নেক আমল সমূহকে বলতে থাকে, এই আযাবের প্রতিরক্ষায় আমি এজন্যে আসিনি যে মূলত তোমাদের শক্তির পরিমাণ দেখা আমার উদ্দেশ্য ছিল। তোমরা যদি তাকে প্রতিহত করতে ব্যর্থ হতে তাহলে আমি অবশ্যই এসে এই বান্দাকে আযাব থেকে রক্ষা করতাম। তোমরাই যখন যথেষ্ট হয়ে দাঁড়ালে তখন আমি এই বান্দার জন্যে অতিরিক্ত সঞ্চয় হয়ে রয়ে গেলাম।

পুলসিরাত আর মিযানে আমি তার কাজে আসব।এরপর ঐ বান্দার নিকট এমন দুজন ফিরিশতা আসে যাদের চোখ নীল বর্ণের। আওয়াজ ভয়ংকর। গরুর শিংগের ন্যায় দাঁত এবং তাদের শ্বাসের সাথে নাসা রন্ধ্র দিয়ে অগ্নি শিখা বের হয়। ফিরিশতাদ্বয়ের উভয় কাঁধের মধ্যবর্তীস্থান খুবই প্রশস্ত। তারা মুমিন বান্দা ছাড়া আর কারো উপর দয়া করতে জানে না। এই দুজন ফিরিশতাদেরকেই মুনকার নাকির বলা হয়। ওদের হাতে একটি হাতুড়ি থাকে।

এটি এতই ভারি যে সকল মানব-দানব মিলে একত্রিত হলেও তা উত্তোলন করতে সক্ষম হবে না। এ দুজন ফিরিশতা কবরে প্রবেশ করে লাশকে বলে উঠে বসো। লাশ তৎক্ষণাৎ উঠে বসে যায় এবং কাফনের কাপড় খুলে পড়ে যায়। ফিরিশতা তখন জিজ্ঞেস করেন, তোমার প্রভূ কে? তোমার ধর্ম কি ? এবং তোমার নবী কে? জবাবে সে বলে, আমার রব হলেন আল্লাহ যার কোন অংশীদার নেই। আমার ধর্ম ইসলাম। আর হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হলেন আমার নবী। তারপর আর কোন নবীর আগমন হবে না।

ফিরিশতা জবাব শুনে বলেন, তুমি সত্য বলেছ। অতপর কবরকে চারদিকে থেকে প্রশস্ত করে বলেন , তুমি উপরের একটু দিকে তাকিয়ে দেখ। সে উপরে তাকায়। তখন আকাশের শেষ সীমানাতক তার চোখের সামনে ভেসে উঠে। ফিরিশতারা বলেন, হে আল্লাহর বন্ধু ! এটা তোমার অবস্থানের ঠিকানা। আল্লাহর আনুগত্যের বিনিময়ে তুমি এটা পেয়েছ।বর্ণনার এই পর্যায়ে এসে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেন, ওই সত্তার কসম যার মুঠোয় আমার প্রাণ। মুমিন বান্দার তখন এতই আনন্দ অনুভূত হয় যা কখনো শেষ হবার নয়। অতঃপর ঐ বান্দাকে আবার নির্দেশ দিয়ে বলা হয় যে, তুমি নিচের দিকে দেখ। নিচের দিকে যখন সে তাকায় তখন দোযখের শেষ সীমানা পর্যন্ত তার দৃষ্টির গোচরে চলে আসে। ফিরিশতা তখন তাকে বলে, হে আল্লাহর প্রিয় পাত্র ! এই ভয়াবহ নরক থেকে তুমি নাযাত পেয়েছ।

রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, ওই বান্দার এ সময় এমন পুলকানুভূতি অর্জিত হয় যা কখনো সমাপ্ত হবার নয়। অতঃপর স্বর্গের সাতাত্তরটি দরজা তার জন্যে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এসব দুয়ার দিয়ে জান্নাতের সৌরভ এবং সুশীতল সমীরণ তার কবরে পৌঁছতে থাকে এবং ততদিন পৌঁছতে থাকবে যতদিন সে কবরে থাকবে।রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলোচনার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে বলেন, এরপর আল্লাহ তায়ালা মালাকুল মউতকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, তুমি আমার দুশমনের নিকট যাও এবং তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো। আমি প্রাচুর্য্যের সাথে তাকে রুযি দিয়েছি। সীমাহীন নিয়ামতের বারিপাত করেছি তার উপর। কিন্তু সে আমার সাথে শুধু অবাধ্যতাই করে ফিরেছে। এবার এই দুশমনকে আমার কাছে হাজির করো।

মালাকুল মউত আল্লাহর নির্দেশ পেয়ে এমন কদাকার বেশে ঐ বান্দার নিকট আগমন করে যে, কেউ কোনো দিন এমন আকৃতি দেখেনি। তার বারটি চোখ থাকে। তার কাছে এমন একটি লৌহ শলাকা থাকে যা শাখা ও কাঁটা বিশিষ্ট। মালাকুল মউতের সাথে আরো পাঁচশত ফিরিশতা থাকে। এদের প্রত্যেকের সাথেই থাকে জাহান্নাম থেকে নিয়ে আসা আগুনের চাবুক। মালাকুল মউত অবাধ্য বান্দাকে চাবুক দিয়ে এমনভাবে আঘাত করে যে, প্রতিটি কাঁটা তার সারা দেহে তন্ত্রের মূলে বিদ্ধ হয়ে যায়। অতঃপর সেটি পাকিয়ে টেনে বের করে এবং তার পায়ের নখের তলদেশ থেকে পর্যন্ত আত্মাকে বের করে নিয়ে আসে। এরপর সেই লৌহ শলাকাটি তার উভয় পায়ের গোড়ালিতে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।

তখন আল্লাহর এই দুশমনের এতই কষ্ট হয় যে , বেদনায় সে কাতরাতে থাকে। এমন সময় বাকি ফিরিশতারা তাদের হাতের চাবুক দিয়ে তার মুখমন্ডল এবং পশ্চাৎদেশে অনবরত প্রহার করতে থাকে। এ সময় তার আত্মাকে টেনে সারা দেহ থেকে গোড়ালিতে নিয়ে আসা হয়। শাস্তির এই পর্যায়ে শলাকাটি তার হাঁটুতে ফোটানো হয়।

তখন বেদনায় সে ছটফট করতে থাকে। এমন সময় ফিরিশতারা আবার আগুনের চাবুক দিয়ে তার মুখ ও নিতম্বে মারতে শুরু করে। হাঁটু থেকে শলাকাটি বের করে ঢুকানো হয় তার নিতম্ব দেশে। অতঃপর বুকে এবং সব শেষে কন্ঠনালীতে, তারপর পূর্বের মতই সেটিকে টেনে বের করা হয়। এরপর ফিরিশতারা জাহান্নাম থেকে সংগ্রহ করা অঙ্গার তার থুতনীর নিচে বিছিয়ে দিয়ে বলে, হে অপবিত্র আত্মা ! তুমি বেরিয়ে আস। “তুমি থাকবে প্রখর বাষ্পে, উত্তপ্ত পানিতে, এবং ধুম্রকুঞ্জের ছায়ায়। যা শীতল নয় এবং আরামদায়কও নয়”। (সূরা ওয়াকেয়া ৪২-৪৪) (মুসনাদে আবি ইয়ালা, ইবন আবি দুনিয়া)

বিনামূল্যে ক্যানসারের ওষুধ পাচ্ছেন রোগীরা কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে

মাতৃত্বজনিত ক্যানসারে ভুগছেন হুনেফা বেগম (২৪)। একমাস ধরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন তিনি। রাহেলা বেগম (৪৫) ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত। আর সায়মা আখতার (১৪) ও মীম (১৩) দুজনই বোন ক্যানসারের রোগী। তাদের মতো এই হাসপাতালে আরও কয়েকজন ক্যানসার রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখানকার রোগীদের কেউ কেউ একেবারেই বিনা মূল্যে ওষুধ পাচ্ছেন। কেউবা অর্ধেক ওষুধ হাসপাতাল থেকে পাচ্ছেন, বাকিটা বাইরে থেকে কিনছেন।

হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যেসব রোগী একেবারেই গরিব, ওষুধ কেনার সামর্থ্য নেই, তাদেরকে সম্পূর্ণ ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। যাদের আর্থিক অবস্থা মোটামুটি ভালো তাদেরকে এক সাইকেল (কেমোথেরাপির চক্র) ফ্রি ওষুধ দেওয়া হয়, এক সাইকেল বাইরে থেকে কিনতে হয়। এক সাইকেল ওষুধ কিনতে খরচ হয় ৪০ হাজার টাকা। এছাড়া, ক্যানসার রোগীদের জন্য বরাদ্দ বেডগুলো সম্পূর্ণ ফ্রি, তাই রোগীদের কোনও অর্থ দিতে হয় না। সরকারি হাসপাতালের নিয়ম অনুযায়ী, এখানে তিন বেলা খাবার পান রোগীরা।

সোমবার (২১ জানুয়ারি) কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, এখানে সরাসরি কোনও ক্যানসার ওয়ার্ড নেই। ক্যানসার রোগীদের জন্য মেডিসিন ওয়ার্ডে আলাদা বেডের ব্যবস্থা রয়েছে। পুরুষ ওয়ার্ডে ১৫টি এবং নারী ওয়ার্ডে ২০টি বেড রয়েছে।গলার ক্যানসারে চিকিৎসাধীন ময়মনসিংহ মোহাম্মদ ইউনুসের (১৮) বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি গত পাঁচ বছর ধরে হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেয়েছি। এখন গলার অবস্থা বেশি খারাপ। এখানে চিকিৎসার পর অবস্থা আগের চেয়ে ভালো হচ্ছে। গত চার মাস ধরে আমি এখানে ভর্তি আছি।’

রংপুরের মিঠাপুকুরের বাসিন্দা জাহিদুর রহমান (৫০) পাকস্থলীর ক্যানসার নিয়ে এই হাসপাতালে ভর্তি আছেন। দুই মাস ধরে তিনি অসুস্থ।ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত যশোর থেকে আসা রোগী রাহেলা বেগম (৪৫) কাঁদতে কাঁদতে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এত কষ্টে আছি কাউকে বোঝাইবার পারবো না। স্বামী আমার ওপরে রাগ করে বাড়ি চলে গেছে। এখন কী করে আমার চিকিৎসা চলবে কিছুই জানি না।’

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ক্যানসার বিভাগটি চালু হয় ২০১৫ সালে। তৎকালীন পরিচালকের ক্যানসার বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ থাকায় তাকে এই বিভাগ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। এখন এই বিভাগে একজন সহকারী অধ্যাপক ও দুজন মেডিক্যাল অফিসার কর্মরত আছেন। এছাড়া, আছেন ১০ জন নার্স। তারা শিফট ডিউটির মাধ্যমে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিচ্ছেন। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালকুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল

হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অন্য হাসপাতালের চেয়ে আমাদের হাসপাতালের বিশেষত্ব হচ্ছে এখানে ভর্তি প্রক্রিয়াটা সহজ। আমরা এখানে সব চিকিৎসক একসঙ্গে বসি। আমরা সম্মিলিতভাবে রোগী ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি।’ তিনি বলেন, ‘আমার সহকর্মীদের ধন্যবাদ দেই এই কারণে যে, কারও সার্জারির দরকার হলে তারা দ্রুত সার্জারি শুরু করে। এতে করে সময় নষ্ট হয় না। রোগীদেরও ঘুরতে হয় না।’

ডা. সুমন বলেন, ‘আমাদের এখানে প্রচুর অস্টিওসারকোমার রোগী আসে। তাদের শুরুতে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। এরপর তাদের পা কেটে ফেলা হয়। এরপর তাদেরকে নকল পা লাগানো হয়। এই রোগটা টিনেজ বয়সীদের বেশি হয়।’নিজেদের সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, আমাদের ক্যানসার বিভাগটি একটি ইনডিপেনডেন্ট ইউনিট হবে। প্রতিবছর আমরা এখানে নতুন এক হাজার ক্যানসার রোগী পাচ্ছি।

আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ২৫০ জন ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর জন্য এক জন ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দরকার। সেক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ পদ মর্যাদার চার জন চিকিৎসক আমাদের এখানে প্রয়োজন। এছাড়া, ক্যানসারের চিকিৎসার ক্ষেত্রে রেডিওথেরাপি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমাদের এখানে রেডিওথেরাপি দেওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। আশা করছি, অচিরেই আমাদের এখানে রেডিওথেরাপি মেশিন চালু হবে। তাহলে, আমরা ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের পুরোপুরি চিকিৎসা দিতে পারবো।’

এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মীম এবং সায়মা অস্টিওসারকোমায় আক্রান্ত। তারা দুজনেই বয়সে কিশোরী। তারা সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে দ্রুত বাড়ি ফিরে যেতে চান। ফের যেতে চান নিজ নিজ স্কুলে। তাদের মতো রোগীদের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ক্যানসার বিভাগ, বললেন ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন।