সর্দি জমে সাইনোসাইটিসের ব্যথা

পেছনে ও নাকের হাড়ের দুই পাশে এরকম ফাঁকা জায়গা থাকে। এই ফাঁকা জায়গায় সর্দি জমে সাইনোসাইটিস হয়। যাকে অনেকে সংক্ষেপে সাইনাসের ব্যথাও বলে থাকেন।

সাইনোসাইটিস হওয়ার কোন বয়স নাই। এর ফলে প্রচন্ড মাথাব্যথা হয়। সাইনোসাইটিসের মাথাব্যথা সাধারণত কপালে, গালের দুই দিকে ও চোখের পেছনে অনুভূত হয়। মাথাব্যথার সাথে কাশি বা জ্বরও থাকতে পারে। সাধারণত গরমে অতিরিক্ত ঘেমে গেলে, বৃষ্টিতে ভিজলে কিংবা ঠান্ডা লাগলে সাইনোসাইটিস বেড়ে যায়।

এই ব্যথা শুরু হলে সহজে কমতে চায় না। সর্দি বের না হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকে৷ ব্যথা নিরাময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করাই ভালো। তবে ঘরোয়া কিছু উপায় জেনে নিলে সাইনোসাইটিসের মাথাব্যথায় অনেকটা উপকার পাওয়া যায়।

ভাপ নেওয়া: নাকের ‘ক্যাভিটি’ বা খালি স্থানে এবং ‘সাইনাস’য়ের যাতায়াতের পথে ‘মিউকাস’ বা শ্লেষ্মা জমে শুকিয়ে শক্ত হয়ে যায়। শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে গরম পানির ভাপ গ্রহণ করলে এই জমে থাকা ‘মিউকাস’ পাতলা হবে এবং এর স্বাভাবিক অপসারণ সহজ হবে।

গরম পানি দিয়ে গোসল করার সময় লম্বা শ্বাস নিলে উপকার পাওয়া যায়। আবার একপাত্র পানি গরম করে তার উপর ‍মুখ রেখে নাক দিয়ে শ্বাস নিলেও কাজ হয়। বাষ্প আটকে রাখার জন্য মাথা থেকে লম্বা তোয়ালে ঝুলিয়ে গরম পানির পাত্র ঢেকে রাখতে হবে। চাইলে ওই গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’ মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

গরম সেঁক দেওয়া: মুখের যে স্থানে সাইনাসের চাপ অনুভব হচ্ছে সেখানে এক টুকরা গরম কাপড় দিয়ে চাপ দিলে আরাম পাওয়া যায়। চোখ ও নাকের উপর সেঁক দিলে বন্ধ নাক খুলে যায।

মসলাযুক্ত খাবার: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, মসলাযুক্ত খাবার সাইনোসাইটিসের ব্যথার তীব্রতা কমায়। বিশেষত, ঝাল খাবারে ব্যথায় উপকার পাবেন। তবে শুকনো মরিচের গুঁড়াযুক্ত খাবারে অনেকের গ্যাষ্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই রান্নায় কাঁচা মরিচ ব্যবহার করুন। এতে ঝালও পাবেন আবার স্বাস্থ্যেরও কোন ক্ষতি হবে না। কেউ রান্নায় বেশি ঝাল ব্যবহার করতে না চাইলে খাবারের সাথে একটি কাঁচা মরিচ খেতে পারেন।

ঝাল খাবার: শুনতে অবাক লাগলেও ঝাল খেলে সাইনাসের সমস্যার সাময়িক সমাধান পাওয়া যায়। ঝাল মরিচে থাকে ‘ক্যাপসাইসিন’ নামক উপাদান যা প্রাকৃতিক ব্যথানাশক। আর এই উপাদানের কারণে ঝাল খেলে নাক দিয়ে পানি আসে।

গুনগুনিয়ে গান গাওয়া: আক্কেল গুড়ুম হয়ে যাওয়া এই উপায়ও নাকি কার্যকর, দাবি করেছেন কিছু সুইডেনের বিশেষজ্ঞ। এক মিনিট বা তারও বেশি সময় প্রিয় গানটি গুনগুনিয়ে গাইলে সাইনাসজনীত মাথাব্যথা কমে। এর কারণ হল গুনগুনিয়ে গান গাওয়ার কারণে বাতাসের প্রবাহ বাড়ে, যা সাইনাস পরিষ্কার রাখে।

পানি পান: যত বেশি পানি পান করবেন, মিউকাস বা শ্লেষ্মা ততই পাতলা থাকবে। আবার পর্যাপ্ত পানি পান করলে সাইনাস আর্দ্র থাকবে, ফলে ভালো অনুভব করা যাবে। আর গলা শুকিয়ে যায় এমন যেকোনো খাবার বা পানীয় থেকে বিরত থাকতে হবে।

দারুচিনি: এই মসলায় রয়েছে প্রদাহরোধক গুণ। সাইনাসের ব্যথা অতিরিক্ত হয়ে গেলে দারুচিনিতে মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।[১]

সাইনোসাইটিসের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাইনোসাইটিসের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাইনাসের স্থানীয় উপসর্গ ছাড়াও সাধারণত রোগীদের যে লক্ষণগুলো দেখা যায় সেগুলো হচ্ছে : সাইনাসগুলোর অবস্থানের ওপর কিংবা আশপাশে ব্যথা ও শরীর ম্যাজম্যাজ করা, কোনো কাজে মনোনিবেশ করতে না পারা, দুশ্চিন্তা, জ্বর জ্বর ভাব, নাক থেকে পুঁজ বা পুঁজজাতীয় পদার্থ নির্গত হওয়া ইত্যাদি। এছাড়া যখন কোনো নিশ্চিত কাঠামোকে যেমন ব্রেন বা ব্রেনের ঝিল্লি, চোখ বা কান ইত্যাদি আক্রান্ত করে, তখন নির্দিষ্ট ওই কাঠামোর উপসর্গগুলো মূলত কঠিনভাবে দেখা দেয়। এ সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা পরে করা হবে।

এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার উপসর্গ জানার আগে প্রথমেই জানা দরকার সাইনোসাইটিস রোগের প্রধান ও সাধারণ উপসর্গগুলো কি কি। আর এগুলো জানা থাকলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার যেসব উপসর্গ হয়ে থাকে, সেগুলো বোঝা সহজ হবে বলে আশা করা যায়।

সাইনোসাইটিস রোগের সাধারণ ও প্রধান উপসর্গ:

ব্যথা: সাইনোসাইটিসের ব্যথা কোন সাইনাস আক্রান্ত হয়েছে মূলত তার ওপর অনেকাংশ নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে ম্যাক্সিলারি সাইনাসের ব্যথা ও ম্যাক্সিলারি সাইনাসের অবস্থানের ওপর অর্থাৎ নাকের পাশে, গাল, দাঁত কিংবা মুখ বা মুখমণ্ডলের আশপাশে হয়ে থাকে। ফ্রন্টাল সাইনাসের ব্যথা সাধারণত কপালে, চোখে, চোখের পেছনে কিংবা মাথায় অনুভূত হয়। অনেক সময় এই ধরনের মাথাব্যথার সঙ্গে সঙ্গে মাথার মধ্যে হালকা শূন্যতা বা হালকা হালকা অনুভূতি জাগে। যার জন্য এ ধরনের মাথাব্যথাকে অনেকে ‘ভ্যাকুয়াম ফ্রন্টাল হেডেক’ বলে থাকেন। আর এই ফ্রন্টালহেডেক বা ফ্রন্টাল মাথাব্যথা প্রায়শ ঘুম থেকে জাগার পর আরম্ভ হয়। আর দিন যত বাড়তে থাকে, মাথাব্যথাও সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে আবার বিকেলের দিকে মাথাব্যথার তীব্রতা আবার কমতে কমতে আপনা আপনি ভালো হয়ে যায়। ইথময়ডাল সাইনাসের ব্যথা দুচোখের মাঝে ও চোখের পেছনে সাধারণত হয়ে থাকে। এই ব্যথা মুখ ও মুখমণ্ডলে অনেকে অনুভব করেন। স্ফেনোইডাল সাইনোসাইটিসের ব্যথা কিন্তু মাথার মাঝখানে হয়। আর এই ব্যথা অনেক সময় দিকে বা চোখের পেছনে রেডিয়েট করতে পারে।

নাক বন্ধ: সাইনাস যখন প্রদাহে আক্রান্ত হয় তখন তার নিঃসৃত পুঁজজাতীয় প্রদাহ নাকের মধ্যে এসে নাকের ও প্রদাহের সৃষ্টি করে এবং তা ফুলে অনেক সময় নাক বন্ধের কারণ হয়ে দেখা দিতে পারে। কিন্তু আসলে সাইনোসাইটিসের কারণ হিসেবে যদি নাকের ও সাইনাসের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতার জন্য নাকের মধ্যে কোনো বাধা যেমন- ডিএনএস বা নাকের মাংস বড় হয়ে (টারবিনেট বড় হয়ে) থাকে সেগুলোর জন্য হতে পারে। সুতরাং এ সব কারণ উদঘাটন সাইনোসাইটিস রোগের মুখ্য উদ্দেশ্য হয়ে থাকে। আর তাই এই কারণগুলো চিকিৎসা করলে সাইনোসাইটিস ভালো হয়ে যায়।

নাক থেকে পুঁজ বা নিঃসৃত পদার্থ : সাইনোসাইটিসের প্রদাহজনিত কারণে নাক থেকে পুঁজ বা পুঁজজাতীয় বেরুতে থাকে আবার যেহেতু ম্যাক্সিলারি সাইনাসকে অন্য সাইনাসগুলোর মাস্টার বলা হয়ে থাকে, তাই এই সাইনাসের আক্রমণ সহসাই হয়ে থাকে। আর ম্যাক্সিলারি সাইনাসের পুঁজ দুর্গন্ধও বটে।

এ সব উপসর্গ ছাড়াও শিশু-কিশোরদের সাইনোসাইটিস রোগের উপসর্গ কিছু বাড়তিভাবে দেখা যায়। বিশেষ করে এ সময়ে তাদের চোখ ও চোখের পাতা ফোলা-ফোলা থাকে, সময় সময় নাক বন্ধ, মুখ হাঁ করে ঘুমানো, মুখ ও নাক থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়া, নাকডাকা, অত্যধিক লালা পড়া যা কিনা বালিশ বা বিছানা ভিজিয়ে রাখে, ঘন ঘন কাশি, আবার কোনো সময় বমি করাও তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়।

এই স্বাভাবিক উপসর্গগুলো খতিয়ে দেখে এর চিকিৎসা করলে এই রোগের কবল থেকে যেমন মুক্তি পাওয়া যায়, তেমনি এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তাহলে এবার দেখা যাক এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি কি হতে পারে। এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করেই তার উপসর্গগুলো চিহ্নিত করা হয়।

সাইনোসাইটিস রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : সাইনোসাইটিসের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াকে নিম্নলিখিতভাবে ভাগ করা যায়। যেমন- ব্রেন ও ব্রেনের খুলির বাইরে ব্রেন ও ব্রেনের ঝিল্লি বা আবরণের ও সাইনোসাইটিস রোগের পর্যায়ক্রমিক আবির্ভাব।

যেহেতু সাইনাসগুলো কাঠামোগত দিক থেকে ব্রেন, ব্রেনের আবরণ এবং চোখের অতি সন্নিকটে, তা অতিসহজেই সাইনাসের প্রদাহ ওই সব জায়গাকে আক্রান্ত করতে পারে। আর এ সব জায়গাকে আক্রান্ত করলে রোগীর অবস্থা মারাত্মক হয়, এমনকি জীবনহানির আশঙ্কাও থাকে। তাই এ সম্পর্কে সজাগ থাকা দরকার।

ব্রেনের বা ঝিল্লির বাইরে : ফ্রন্টাল বা ম্যাক্সিলারি বোনের ক্রনিক প্রদাহ বা অস্টিওমাইলাইটিস যদিও ফ্রন্টাল বোনকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আক্রমণ করে।

চোখের জটিলতা : যেমন অরবিটাল সেলুলাইটিস, চোখের পাতায় সেলুলাইটিস, চোখের মধ্যে অ্যাবসেস ইত্যাদি।

মুখ ও মুখমণ্ডল ফুলে যাওয়া 

খুলির ভেতরে জটিলতা : ব্রেনের ঝিল্লির প্রদাহ, ব্রেন প্রদাহ, ব্রেনের ভেতরে শিরা-উপশিরার রক্ত প্রবাহে বাধাদান করে।

সাইনোসাইটিসের পর্যায়ক্রমিক প্রভাব : যেমন ফ্যারিংস, টনসিল, কানের কণ্ঠনালী, ব্রংকাসের প্রদাহ কিংবা ব্রংকেয়াক্টেসিসের সঙ্গে থাকতে পারে। এমনকি সাইনোসাইটিস অ্যাজমার কারণেও হতে পারে। অনেক সময় শরীরের কোথাও প্রদাহ হলে তা যদি সাধারণ চিকিৎসায় প্রশমিত না হয়, তবে এই সাইনাসের কথা স্মরণ করে তার রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা করা দরকার। এই জন্য অনেক সময় সাইনোসাইটিসকে ঋড়পঁং ড়ভ ওহভবপঃরড়হ বলা হয়ে থাকে। সুতরাং সাইনোসাইটিসের রোগ অবহেলা না করে এই রোগের প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা করলে এর মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিংবা ভোগান্তি থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

ডিএনএস ও সাইনোসাইটিস থেকে ফুসফুস কেন আক্রান্ত হয় : সাইনোসাইটিস বা নাকের প্রদাহজনিত রোগের সঙ্গে ব্রংকেয়েক্টেসিস নামক এক রকম চেস্ট ডিজিজের সুসম্পর্ক কুইন এবং মেয়ার নামক দুজন চিকিৎসা বিজ্ঞানী ১৯২৯ সালে লিপিবদ্ধ করেছেন। শুধু তাই নয়, ওই বিজ্ঞানীরা নাকের সব ধরনের প্রদাহের সঙ্গে ক্রনিক এবং বারবার বা রিকারেন্ট ব্রংকইটিসের কারণও উল্লেখ করেছেন। কোনো নামের আরেকজন চিকিৎসা বিজ্ঞানী ১৯৮১ সালে ২০০ রোগীর এক সমীক্ষায় ফুসফুসে পুঁজজাতীয় পদার্থ তৈরি এবং মুখ-নাক দিয়ে নির্গত হওয়ার কারণ হিসেবে সাইনোসাইটিস রোগকে দায়ী করেছেন এবং সমীক্ষায় শতকরা ৪২ জন ফুসফুস সংক্রান্ত রোগী বা ব্রংকেয়েক্টেসিস সাইনোসাইটিস রোগ থেকে উৎপন্ন হয়েছে বলে প্রমাণ করেছেন। শ্বাসনালীর ওপরের এবং নিচের অংশের প্রতিরোধের কার্যপ্রণালী কিংবা প্রতিরোধের ক্রিয়া প্রায় একইভাবে হয়ে থাকে। এই প্রতিরোধ যে জিনিসটি করে তার নাম সিলিয়া বা ঝিল্লি। কার্যত এই সিলিয়া বা ঝিল্লি ঝাড়–র কাজ করে থাকে। কোনো অযাচিত বস্তু নাকের মধ্যে ঢুকে গেলে এই ঝিল্লিগুলো তা বের করবে বা ধ্বংস করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। উল্লেখ করা দরকার, এই ঝিল্লি বা সিলিয়া নাকের মধ্যে বা আশপাশের জায়গাগুলো যেমন- মাইনাস, টারবিনেট থেকে ফুসফুস পর্যন্ত বিস্তৃত। সুতরাং নাকে যদি কোনো রোগে এই ঝিল্লির ক্ষতিসাধন করে তবে তার প্রভাব ফুসফুসের ওপর গিয়ে পড়ে এবং ফুসফুসের রোগ দেখা দেয়। কাঠামোগত নাককে এভাবে ভাগ করা যেতে পারে। যেমন- নাকের ক্যাডিটি, নাকের মধ্যকার পার্টিশন, টারবিনেট, মাইনাস ইত্যাদি। এ সব কাঠামোর ওপরের আবরণের কোষে অনেকগুলো সিলিয়া বা ঝিল্লি থাকে। যেহেতু নাকের কাঠামোগুলো একই পরিসরে অবস্থান করে এবং একে অপরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে সংযুক্ত তাই নাকের ভেতরের কোনো এক জায়গা প্রদাহ বা অন্য কোনো রোগ হলে সেই রোগ সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের জায়গাকেও আক্রান্ত করতে পারে। আর এই রোগ তখন কালক্রমে শ্বাসনালীর নিচের অংশকে আক্রান্ত করে ফুসফুস পর্যন্ত যায় এবং ফুসফুসের সূ² শৈল্পিক কারুকার্য নষ্ট করে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করে। আর অনেকে মনে করেন, নাকের অনেক রোগ চেস্ট ডিজিজ বা বক্ষব্যাধির প্রতিবিম্ব। যার জন্য বক্ষব্যাধি রোগ বা চেস্ট ডিজিজ প্রায়শ নাকের রোগের সঙ্গে দেখা দেয় এবং এসব ধরনের রোগী সাধারণত নাক, কান, গলা ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ প্রায় ক্ষেত্রে রোগের কারণ গতানুগতিক, রোগের বিস্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি মোটামুটি একই করে থাকেন। নাকের ভেতরে এবং আশপাশে প্রদাহজনিত কারণে যে রোগ হয় তাকে রাইনাইটিস এবং সাইনোসাইটিস বলে। বর্তমানে এই দুই অবস্থাকে রাইনো সাইনোসাইটিস বলে। আবার এই রাইনো সাইনোসাইটিসসহ ফুসফুসের সূ² অবকাঠামোকে ধ্বংস করার মূল হোতা।

রাইনো সাইনোসাইটিস রোগের কারণ :

১. নাকের ভেতরে যদি নাকের পার্টিশন বাঁকা থাকে (যাকে ডিএনএস বলে), নাক ভাঙা বা নাকের আঘাত টিনমার কিংবা নাকের ভেতরে যদি কোনো অযাচিত বস্তু ঢোকে।

২. অ্যালার্জিজনিত কারণ।

৩. নাকের ভেতরে যে ঝিল্লি থাকে তার কার্যক্ষমতা লোপ পেলে।

৪. দাঁতের রোগ বা দাঁত মাইনাসের মধ্যে ঢুকে গেলে।

৫. যক্ষ্মা, সিফিলিস, কুষ্ঠ বা অন্যান্য গ্রানুলোমেটাস রোগের কারণে।

৬. হরমোন সংক্রান্ত জটিলতার কারণে।

৭. ফাঙ্গাস দ্বারা আক্রান্ত হলে এই রোগের উপসর্গ কি কি হতে পারে :

ক. নাক বন্ধ থাকা- এক নাক বন্ধ কিংবা দুই নাক একত্রে হতে পারে।

খ. নাক থেকে পানি বা পুঁজজাতীয় পদার্থ নির্গত হওয়া।

গ. নাক থেকে রক্ত বা রক্তজাতীয় পদার্থ যাওয়া।

ঘ. নাকে গন্ধ না পাওয়া বা নাক দিয়ে দুর্গন্ধ বের হওয়া।

ঙ. মাথাব্যথা।

চ. নাকের পেছনে ময়লা জমা বা খুশখুশে কাশি।

ছ. নাকে কথা বলে ইত্যাদি।

উপরোক্ত উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই কালবিলম্ব না করে একজন নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিত। আর সব রোগের চিকিৎসা প্রথমাবস্থায় করলে অনেক দুরারোগ্য বা কঠিন বক্ষব্যাধি থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।[২]

[১] অনলাইন ডেস্ক [২] অধ্যাপক মেজর (অব.) ডা. মো. আশরাফুল ইসলাম, নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ও বিভাগীয় প্রধান, ইএনটি-হেড ও নেক সার্জারি বিভাগ, বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল।

পোশাক শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে যে নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত মজুরির কয়েকটি গ্রেডে বেতন আশানুরূপ বৃদ্ধি না পাওয়ায় গার্মেন্টস শিল্পের উদ্ভূত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সরকার উক্ত গ্রেটগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পোশাক শ্রমিকদের মজুরি যৌক্তিক হারে বৃদ্ধির নির্দেশ দেয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আজ (রোববার) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান মজুরি ঘোষণা দেবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, দেশের অর্থনীতির প্রাণ শক্তি গার্মেন্ট শিল্প এবং এ খাতের শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয় বিবেচনায় সরকার দ্রুত ত্রি-পক্ষীয় মজুরি কমিটি গঠন করে।

সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতের ভিত্তিতে এবং শ্রমিকদের স্বার্থে ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গ্রেডে মজুরি সমন্বয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হতে পারে।

সূত্র মতে শ্রমিক বান্ধব সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গ্রেডের সঙ্গে ১ এবং ২ নং গ্রেডের মজুরি সমন্বয়ের নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে সমন্বয়ের পর প্রতিটি গ্রেডে এই মজুরি যৌক্তিক হারে বাড়বে।

মন্ত্রীর ছেলের বিয়েতে তারার মেলা

বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ছেলে জারিফ হামিদ। ধুমধাম করে ছেলে জারিফের বিয়ে দিয়েছেন তিনি। দুই দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত এ রাজকীয় বিয়েতে উপস্থিত হয়েছে দেশের অনেক এমপি, মন্ত্রী ও শোবিজ জগতের তারকারা। তারাদের আলোতে ঝলমল করে উঠেছে ধুমধাম করে আয়োজন করা এ বিয়ের অনুষ্ঠান।

ছবি : সংগৃহীত
১০ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার রাজধানীর পাঁচ তারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত হয় বিয়ের হলুদ অনুষ্ঠান। এরপর দিন ১১ জানুয়ারি, শুক্রবার ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের সেনাকুঞ্জে অনুষ্ঠিত হয় তাদের বিয়ের মূল অনুষ্ঠান।

জারিফ-ক্লেয়ারার বিয়েতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে বিজরী বরকতউল্লা। ছবি: সংগৃহীত
সদ্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া প্রতিমন্ত্রীর ছেলে জারিফের স্ত্রীর নাম ক্লেয়ার র‍্যাডজিওন। জারিফের বেড়ে ওঠা ঢাকায় আর ক্লেয়ারের বেড়ে ওঠা যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের পূর্ব অররাতে। আমেরিকান ইউনিভার্সিটি স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস প্রতিষ্ঠানে অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কে পরাশোনা করেন জারিফ। সেখানে পড়তে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে দুজনের প্রথম দেখা। এরপর তাদের দুজনের মধ্যে খুব ভালো বন্ধুত্ব হয়। সেই বন্ধুত্ব থেকে প্রেম। অবশেষে বিয়ের মাধ্যমে তাদের সেই প্রণয়ের পরিণতি ঘটে।

জারিফ-ক্লেয়ারার বিয়েতে
সংগীত শিল্পী এস এই টুটুল ও মুনা চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

এদিকে জারিফ-ক্লেয়ারার বিয়ের আয়োজনও ছিল বেশ রাজকীয়। তাদের হলুদ অনুষ্ঠানে ছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তৈরি নানা রকমের পিঠাসহ নানা ধরনের খাবার। সেই সঙ্গে ছিল সংগীতাঅনুষ্ঠানও। রূপালি পর্দার প্রায় অধিকাংশ শিল্পীরাই উপস্থিত ছিলেন এ বিয়েতে। জারিফের বিয়ের জমকালো আয়োজনের ছবিতে ছেয়ে গেছে ওই বিয়েতে অংশ নেওয়া তারকাদের ফেসবুক টাইমলাইন।

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর পরিবার ও ঘনিষ্টদের সঙ্গে বর-কনে জারিফ-ক্লেয়ারার। ছবি: সংগৃহীত

ক্লেয়ারের পরিবার ও ঘনিষ্টদের সঙ্গে বর-কনে জারিফ-ক্লেয়ারার ছবি: সংগৃহীত

জারিফ-ক্লেয়ারার বিয়ের হলুদ অনুষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত

জারিফ-ক্লেয়ারার বিয়ের অনুষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত

জারিফ-ক্লেয়ারার বিয়ের অনুষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত

জারিফ-ক্লেয়ারার বিয়ের অনুষ্ঠান। ছবি : সংগৃহীত

হারানো শক্তি ফিরে পেতে লজ্জাবতী গাছ, ব্যবহার করবেন যেভাবে

আমাদের অতি পরিচিত একটি গাছ লজ্জাবতী আবার কেউ কেউ এক বলেন লাজুক লতা। এটি একটি বর্ষজীবি গুল্ম আগাছা বা ওষুধী গাছ। অনেকটা তেতুল পাতার মত।

হাত ও পায়ের স্পর্শে লজ্জ্বাবতীর পাতা বুঁজে এসে বন্ধ হয়ে যায়। পাতা সরু ও লম্বাটে, সংখ্যায় ২ থেকে ২০ জোড়া। এর ফুলগুলি বেগুনী ও গোলাপী রঙের। এর পাতায় এ্যাকোলয়ড়ে ও এড্রেনালিন এর সব উপকরণ থাকে।

এছাড়াও টিউগুরিনস এবং মুলে ট্যানিন থাকে। যা পুরুষাঙ্গের শিথীলতা দূর করা সহ আরো নানাবিধ রোগ সারাতে ব্যবহার হয়। লজ্জাবতী লতার সমগ্র উদ্ভিদ ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এর ঔষধি গুণগুলি ধারাবাহিক ভাবে তা আলোচনা করা হলো।

দাঁতের মাড়ির ক্ষতঃ দাঁতের মাড়ির ক্ষত সারাতে গাছ সহ ১৫ থেকে ২০ সে.মি. লম্বা মূল পানিতে সিদ্ধ করে সে পানি দিয়ে ৭ দিন দিনে ৩ বার কুলকুচা করলে ভালো হয়।

পুরুষাঙ্গের শৈথিল্যঃ লজ্জাবতীর বীজ দিয়ে তৈরি তেল লাগিয়ে আস্তে আস্তে মালিশ করলে তা পুরুষাঙ্গ দৃঢ় হয়। স্বাভাবিক উত্তেজনা ফিরে আসে। স্ত্রী যৌনাঙ্গের

ক্ষত সারাতেঃ যে কোন কারনে যনিপথে ক্ষত হলে, প্রথমিক স্তরে মাঝে মাঝে অথবা প্রায় রোজই অল্প স্রাব চলতে থাকে, একটা আশটে গন্ধ, কখনো বা একটু লালচে স্রাব হয়, এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসক সাবধান করে থাকেন, এটি পরিণামে ক্যান্সার হয়ে যেতে পারে।

এক্ষেত্রে দুধ জলে সিদ্ধ করা লজ্জাবতীর নির্জাস দিনে ২ বার খেলে এ রোগ উপশম হয়। একই সাথে লজ্জাবতীর নির্জাস দিয়ে ডুশ দিলে বা যোনিপথ ধুলে তাড়াতাড়ি ক্ষত সেরে যায়।

আঁধার যোনি ক্ষতেঃ এ বিচিত্র রোগটি কৃষ্ণপক্ষে বেড়ে যায় আর শুক্লপক্ষে শুকাতে থাকে। এ ক্ষতটি হয় সাধারণত হাটুর নিচে আর না হয় কুঁচকির দু’ধারে। এক্ষেত্রে গাছও পাতা ( মূল বাদে ) ১০ গ্রাম শুধু জল দিয়ে নির্জাস করে খেতে হয় এবং ঐ নির্জাস দিয়ে মুছতে হয়।

রমনে অতৃপ্তিঃ কয়েকটি সন্তান হওয়ার পর যোনিদ্বার অনেকটা শিথিল হয়ে যায়, এক্ষেত্রে লজ্জাবতীর নির্জাস দিয়ে ডুশ নেওয়ায়, আর গাছের পাতা সিদ্ধ নির্জাস দিয়ে তৈরি তেলে ন্যাকড়া ভিজিয়ে যোনিদ্বারে দিয়ে রাখলে (Vaginal plugging) ভাল ফল পাওয়া যায়। এছাড়া অন্ডকোষের পানি জমা সারাতে পাতার পেস্ট ব্যবহার করা হয়।

আমাশয়ঃ অনেকের আছে পুরানো আমাশয়। মল ত্যাগের বেগ হলে আর অপেক্ষা করতে পারে না। আবার অনেকের শক্ত মলের গায়ে সাদা সাদা আম জড়ানো থাকে। এক্ষেত্রে ১০ গ্রাম লজ্জাবতীর ডাঁটা ও পাতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। এ নির্জাস খেলে তারা অবশ্যই উপকার পাবেন।

ঘামের দুর্গন্ধ দুর করতেঃ অনেকের ঘামে দুর্গন্ধ হয় এবং জামায় বা গেঞ্জিতে হলদে দাগ লাগে, এক্ষেত্রে লজ্জাবতী গাছের ডাঁটা ও পাতার নির্জাস তৈরি করে বগল ও শরীর মুছতে হবে বা লাগাতে হবে। তাহলে এ দুর্গন্ধ দুর হবে।

কোষ্ঠকাঠিন্যঃ এক্ষেত্রে মূল ৭/৮ গ্রাম থেঁতো করে সিদ্ধ করতে হবে এবং ছেঁকে ঐ পানিটা খেতে হবে। তাহলে উপকার হবে। সাদা ফুলের লজ্জ্বাবতীর পাতা ও মুল পিষে রস বের করে নিয়মিত খেলে পাইলস্ ও ফিস্টুলায় আরাম পাওয়া যায়

পোশাক শ্রমিকদের বেতন বৈষম্য দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ

গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বৈষম্য দূর করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন গ্রেডের ৩, ৪, ও ৫ এর সঙ্গে ১ ও ২ দ্রুত সমন্বয় করার নির্দেশ দিয়েছেন।

রবিবার (১৩ জানুয়ারি) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, শনিবার (১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বৈষম্য দ্রুত দূর করতে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুষ্ঠিতব্য বৈঠক সামনে রেখে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন গ্রেডের ৩, ৪, ৫ এর সঙ্গে ১, ২ গ্রেডও দ্রুত সমন্বয় করতে বাণিজ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ন্যূনতম মজুরি ১৬ হাজার টাকার দাবিতে দীর্ঘ পাঁচ বছর গার্মেন্ট শ্রমিকদের আন্দোলনের পর এই সেক্টরের শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর যে ঘোষণা দেয়া হয়, সেই অনুযায়ী ২০১৮ সালের নভেম্বরে বেতনের নতুন গ্রেড নির্ধারণ করা হয়। নতুন গ্রেডের ৩,৪,৫ এ বৈষম্য দেখা দেয়। এ নিয়ে দীর্ঘ এক মাস ধরে শ্রমিকরা আন্দোলন করে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি অবহিত হয়ে এই ৩,৪,ও ৫ গ্রেডের সঙ্গে ১,২ গ্রেডও সমন্বয় করতে নির্দেশ দেন।

আন্দোলন সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে নতুন মজুরি ঘোষণা হওয়ার পর তা কার্যকর হয় ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে। প্রজ্ঞাপনের শর্তানুযায়ী ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে প্রতি বছর ক্রমবর্ধমান হারে শ্রমিকরা ৫ শতাংশ বর্ধিত বেসিক মজুরি পাওয়ার কথা। তখন ১নং গ্রেডের শ্রমিকদের বেসিক মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল ৮৫০০ টাকা। সেই হিসাবে ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত শ্রমিকরা পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ৫ ভাগ বৃদ্ধিতে বেসিক মজুরি পাবেন। ২০১৫ সালে ৮৫০০ টাকার সঙ্গে ৫ ভাগ যোগ করে বেসিক দাঁড়ায় ৮৯২৫ টাকা। ২০১৬ সালে ৮৯২৫ টাকার সঙ্গে ৫ ভাগ যোগ করে বেসিক দাঁড়ায় ৯৩৭১ টাকা। ২০১৭ সালে ৯৩৭১ টাকার সঙ্গে ৫ ভাগ যোগ করে বেসিক দাঁড়ায় ৯৮৩৯ টাকা। ২০১৮ সালে ৯৮৩৯ টাকার সঙ্গে ৫ ভাগ যোগ করে বেসিক দাঁড়ায় ১০,৩৩১ টাকা। ২০১৯ সালে ১০,৩৩১ টাকার সঙ্গে ৫ ভাগ যোগ করে বেসিক দাঁড়ায় ১০,৮৪৮ টাকা।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে আগের কাঠামো অনুযায়ীই ১নং গ্রেডের প্রতি শ্রমিকের ২০১৯ সালে বেসিক মজুরি হওয়ার কথা ১০,৮৪৮ টাকা। কিন্তু নতুন ঘোষিত মজুরি কাঠামোতে দেখা যাচ্ছে তাদের বেসিক নির্ধারণ করা হয়েছে ১০৪৪০ টাকা! সুতরাং প্রকৃতপক্ষে ৫ বছরের পুরনো শ্রমিক, যার বেসিকের ইনক্রিমেন্ট হয়েছিল তিনি এখন আগের কাঠামোতেই যে বেসিকটা পেতেন তারচেয়েও ৪১২ টাকা কম পাবেন!

রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী জানুন যৌনক্ষমতা

কোনো ব্যক্তির যৌনক্ষমতা কতটা তা অনেকটাই নির্ভর করে তার রক্তের গ্রুপের ওপর। অর্থাৎ রক্তের গ্রুপের সাহায্য নিয়ে যৌনক্ষমতা পরিমাপ করা যেতে পারে। এমনটাই দাবি করা হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি গবেষণার রিপোর্টে।

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের যৌন ওষুধ বিশেষজ্ঞ (sexual medicine expert) ড. ডেভিড গোল্ডমায়ারের মতে, যাদের রক্তের গ্রুপ A, B বা AB তাদের নিজেদের যৌনজীবন সম্পর্কে আরও সচেতন হওয়া উচিত।

এসব রক্তের গ্রুপ যাদের তাদের শারীরিক সক্ষমতা আরও বাড়াতে নিয়মিত শরীরচর্চা এবং নিয়ন্ত্রিত ডায়েটের প্রয়োজন।

অনেক সময়ই দেখা যায়, বয়স একটু বেড়ে গেলেই যৌনতায় অনিচ্ছা চলে আসে বহু মানুষের। অনেক সময় তা থাইরয়েড বা ডায়াবেটিসের কারণেও হতে পারে।

তবে একাধিক গবেষণা অনুযায়ী, এর জন্য অনেকাংশেই দায়ী কোনো ব্যক্তির ‘ব্লাড গ্রুপ’। গবেষণায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী যাদের রক্তের গ্রুপ A, B বা AB তাদের মধ্যে যৌন অক্ষমতা বা অনিচ্ছার সমস্যা সবচেয়ে বেশি।

এই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, যাদের রক্তের গ্রুপ O তাদের মধ্যে এ ধরনের সমস্যা অনেক কম।

প্রায় ১০ হাজার মানুষের রক্ত পরীক্ষার মধ্যে দিয়েই এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, A, B, AB রক্ত গ্রুপের মানুষের মধ্যে খুব অল্প বয়সেই যৌনতায় অনিচ্ছা বা অক্ষমতা চলে আসে।

তুরস্কের অর্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরাও ব্রিটিশ গবেষণার এই রিপোর্টের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন।

তুরস্কের গবেষকদের মতে, যৌন অক্ষমতার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই দায়ী অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত ধূমপানের অভ্যাস, মাত্রাতিরিক্ত ওজন এবং উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা।

তবে অকালে শারীরিক সক্ষমতা হ্রাস এবং যৌনতায় অনিচ্ছার জন্য রক্ত গ্রুপের প্রভাবও অনেকখানি। ইতালির ইউরোলজি এবং অ্যান্ড্রোলজির আর্কাইভ থেকে পাওয়া তথ্যেও এর প্রমাণ মিলেছে।

প্রিয়াংকার ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল! (ভিডিও)

গত বছরের ২৮ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিন্দু ও খ্রিস্টান রীতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া ও মার্কিন গায়ক নিক জোনাসের।

আর তার পর থেকেই অনেকটাই ছুটির মুডে রয়েছেন তারা। বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারা। সব মিলিয়ে তাদের হানিমুনের ছুটিটা চলবে জানুয়ারি জুড়েই।

হনিমুনে ক্যারিবিয়ান দ্বীপে গিয়ে বিকিনিতে ফ্রেমবন্দি হলেনপ্রিয়াংকা চোপড়া। এমন ব্যক্তিগত মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করলেন খোদ প্রিয়াংকার স্বামী নিক জোনাস।

গাছের ফাঁক দিয়ে দূরে দেখা যাচ্ছে সমুদ্র। বালিয়াড়ি দ্বীপে অস্থায়ী দোলনা। আর সেখানে বিকিনিতে প্রিয়াংকা চোপড়া। হনিমুনে ক্যারিবিয়ান দ্বীপে গিয়ে এভাবেই ফ্রেমবন্দি হলেন নায়িকা।

এর আগে সুইজারল্যান্ডের বরফঘেরা পাহাড়ে নিজেদের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন প্রিয়াংকা। পরিবারের সঙ্গেও বেড়াতে গিয়েছিলেন তারা। এ বার গন্তব্য সমুদ্র।

সেখানে বিকিনি পরে দোলনায় প্রিয়াংকা। এমনই একটি ভিডিও করেছেন নিক। বিয়ের জন্যই সালমান খানের ‘ভারত’-এর মতো বিগ বাজেট প্রজেক্ট ছেড়ে দিয়েছিলেন নায়িকা। যদিও ব্যক্তিগত কারণে ওই প্রজেক্ট করবেন না বলে জানিয়েছিলেন।

‘ব্যক্তিগত কারণ’ যে বিয়ে, এমনটাই মনে করেছিলেন বলি ইন্ডাস্ট্রির বড় অংশ। সে কারণে প্রাথমিকভাবে সালমান-প্রিয়াংকার দূরত্ব তৈরি হলেও, পরে তা মিটে যায়।

প্রিয়াংকার ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল! (ভিডিও)

গত বছরের ২৮ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিন্দু ও খ্রিস্টান রীতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া ও মার্কিন গায়ক নিক জোনাসের।

আর তার পর থেকেই অনেকটাই ছুটির মুডে রয়েছেন তারা। বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারা। সব মিলিয়ে তাদের হানিমুনের ছুটিটা চলবে জানুয়ারি জুড়েই।

হনিমুনে ক্যারিবিয়ান দ্বীপে গিয়ে বিকিনিতে ফ্রেমবন্দি হলেনপ্রিয়াংকা চোপড়া। এমন ব্যক্তিগত মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করলেন খোদ প্রিয়াংকার স্বামী নিক জোনাস।

গাছের ফাঁক দিয়ে দূরে দেখা যাচ্ছে সমুদ্র। বালিয়াড়ি দ্বীপে অস্থায়ী দোলনা। আর সেখানে বিকিনিতে প্রিয়াংকা চোপড়া। হনিমুনে ক্যারিবিয়ান দ্বীপে গিয়ে এভাবেই ফ্রেমবন্দি হলেন নায়িকা।

এর আগে সুইজারল্যান্ডের বরফঘেরা পাহাড়ে নিজেদের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন প্রিয়াংকা। পরিবারের সঙ্গেও বেড়াতে গিয়েছিলেন তারা। এ বার গন্তব্য সমুদ্র।

সেখানে বিকিনি পরে দোলনায় প্রিয়াংকা। এমনই একটি ভিডিও করেছেন নিক। বিয়ের জন্যই সালমান খানের ‘ভারত’-এর মতো বিগ বাজেট প্রজেক্ট ছেড়ে দিয়েছিলেন নায়িকা। যদিও ব্যক্তিগত কারণে ওই প্রজেক্ট করবেন না বলে জানিয়েছিলেন।

‘ব্যক্তিগত কারণ’ যে বিয়ে, এমনটাই মনে করেছিলেন বলি ইন্ডাস্ট্রির বড় অংশ। সে কারণে প্রাথমিকভাবে সালমান-প্রিয়াংকার দূরত্ব তৈরি হলেও, পরে তা মিটে যায়।

অনিয়ম জানাতে নিজের ফোন নম্বর দিলেন পলক

নাটোরের সিংড়া উপজেলার যে কোন অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য জানিয়ে দুর্নীতি নির্মূলে সহায়তা করার জন্য সকলকে নিজের সেলফোনের নম্বর (০১৭৬….৯৯৯) দিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

শনিবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে সিংড়া কোর্ট মাঠে আয়োজিত এক নাগরিক সভা ও মতবিনিময়ে অংশ নিয়ে নিজের ফোন নম্বর দেন তিনি।

এ সময় নিয়োগ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে পলক বলেন, ‘কোন ব্যক্তি এমনকি নিজ দলের কোন নেতা অথবা কর্মী চাকরি দেওয়া নাম করে কারও নিকট থেকে টাকা চাইলে তাকে বেঁধে আমাকে ফোন করবেন। আমার কোন সেকন্ড-ইন-কমান্ড নাই। প্রতিটি নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে, ঘুষের টাকায় নয়।’

পলক অভিযোগ করেন, সম্প্রতি সিংড়ার এক ইউনিয়নের নতুন রাস্তা তৈরিতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে তা নজরে না এলেও এক তরুণ ফেসবুকে বিষয়টি তাকে অবহিত করেন।

সিডিউলের বাইরে কোন অবকাঠামো নির্মাণ বা রাস্তাঘাট তৈরির ফলে সেগুলো টেকসই না হলে আগামীতে সংশ্লিষ্টরা জবাবদিহি থেকে রেহাই পাবেন না বলে হুঁশিয়ারি দেন পলক।

সিংড়াবাসীর উদ্দেশ্যে পলক বলেন, ‘আমি একা। অনেক কাজ আছে, একা পারবো না। আপনাদের সহযোগিতা লাগবে। আপনাদের নিয়ে দুর্নীতি নির্মূলে কাজ করতে চাই।’

সিংড়ার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও পরিবহন সেক্টরে ব্যাপক চাঁদাবাজি ও অর্থ আদায় হয় মন্তব্য করে পলক বলেন, ‘সিংড়ার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে বিগত এক দশকে একটি টাকাও নিইনি। তবে এক দিনের জন্যও টাকা তোলা বন্ধ করেনি অফিস কেন্দ্রিক চক্রটি। কোথায় যায় সেই টাকা? পরিবহন সেক্টরে ভ্যান চালক, অটোচালক ও সিএনজি চালকদের নিকট থেকে চাঁদা তোলা হয়। আপনারা ঐক্যবদ্ধ হন, সিংড়া থেকে চাঁদাবাজদের উৎখাত করা হবে। পাঁচ জন চাঁদাবাজের কাছে চার লক্ষ সিংড়াবাসী জিম্মি হতে পারে না।’

উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ওহিদুর রহমান শেখের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস, সিংড়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, দলীয় সভাপতি-সম্পাদকসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এর আগে পুনরায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় জুনাইদ আহমেদ পলককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

‘নায়িকা পপিকে বিয়ে করতে চাই’ (ভিডিও)

বগুড়া সদরের এরুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা হিরো আলম শৈশবে চানাচুর বিক্রি করতেন। পরে তিনি সিডি বিক্রি এবং ডিশ সংযোগের ব্যবসা দেন। নিজেই মিউজিক ভিডিও তৈরি করে ডিশ লাইনে সম্প্রচার শুরু করেন। এভাবে হিরো আলমের তৈরি মিউজিক ভিডিও এবং ইউটিউব সিনেমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তিনি আলোচনায় আসেন। তিনি ‘মার ছক্কা’ নামে একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। বলিউড পরিচালক প্রভাত কুমারের ‘বিজু দ্য হিরো’ সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পান।

২০১৬ সালে হিরো আলমের সঙ্গে ছবি তুলে ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ফেসবুকে প্রকাশ করেন। এরপর বিবিসি হিন্দি, জি নিউজ, এনডিটিভি, ডেইলি ভাস্কর, মিড-ডের মতো ভারতের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমগুলো হিরো আলমকে নিয়ে প্রতিবেদন করে। সেখানে হিরো আলমকে বাংলাদেশের বিনোদন জগতের তারকা বলে উল্লেখ করা হয়।

সদ্য শেষ হওয়া ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে আলোচিত হিরো আলম নির্বাচনের দিন সকালে ‘হামলা-মারধর ও এজেন্টকে বের করে দেয়াসহ একাধিক অভিযোগে এনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। ভোট গণনা শেষে জানা যায়, নিজ আসনে সিংহ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন মাত্র ৬৩৮টি।

মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশ না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন হিরো আলমের। ওই আসনে মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ৭২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে অভিনেতা ও উপস্থাপক নাজিম জয়ের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন হিরো আলম। মন্ত্রী হয়ে নায়িকা পপিকে বিয়ে করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে এমপি প্রার্থী হওয়া হিরো আলম।

অনুষ্ঠানে জয়ের একটি প্রশ্নের উত্তরে হিরো আলম বলেন, বাংলাদেশের অনেক নায়িকা বিয়ের বয়স পার হয়ে গেলেও বিয়ে করতেছেনা। আমাদের ধর্মে বলা আছে, একটা বিয়ে করা ফরজ। আমাকে যদি বলা হয় এসব নায়িকাদের কারও দায়িত্ব-ভার নিতে হবে, তাহলে আমি নিব। তবুও যদি তাদের বিয়ের সানাই বাজে।

কোন নায়িকাকে বিয়ে করতে চান- নাজিম জয়ের এমন এক প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, যেহেতু অনেকেই আমাকে বিয়ে করতে চায়, তাহলে বিয়ে তো করতেই হবে। বয়স অনেক হলেও নায়িকা পপি এখনও বিয়ে করতেছেনা। আমি প্রস্তাব দিলে রাজিও হবে হয়তো। রাজি হলে নায়িকা পপিকে বিয়ে করা যায়। তিনি আরও বলেন, কলকাতা থেকেও আমাকে বিয়ে করার জন্য অনেকেই অফার করতেছে, কিন্তু আমি না করে দিয়েছি।

একাদশ জাতীয় নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে হিরো আলম বলেন, ইলেকশন করে জনগণের অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। আমি মুগ্ধ, জনগণ আমাকে ভালোবাসে, আবার প্যাদানি (মার দেওয়া) দেয়। জনগণের প্যাদানি খেয়েও আমি সাকসেসফুল (সফল)।

মন্ত্রী হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যাদেরকে এমপি-মন্ত্রী এমপি বানাচ্ছে, তারা সবাই ইয়াং জেনারেশন। আমার যে জনপ্রিয়তা রয়েছে, একজন ইয়াং হিসাবে প্রধানমন্ত্রী আমাকে অবশ্যই একটা মন্ত্রী বানাবে আশা করি। এমপি না হয়ে মন্ত্রী কিভাবে হবেন এমন প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, আমি এমপি না হলেও আমার জনপ্রিয়তা আছে, জনগণের ভালোবাসা আছে, প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই এগুলো দেখে ভাববে যে একে মন্ত্রী বানালে জনগণের সেবা করবে, জনগণের উন্নয়ন হবে।

হিরো আলমকে নিয়েকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কম ট্রোল হয়নি। কিন্তু এবার তিনি নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করলেন নায়িকা পপিকে বিয়ে করতে চেয়ে। তবে, নায়িকা পপির মতামত পাওয়া যায়নি এ বিষয়ে।