বুকের কফ দূর করুন মাত্র ২ দিনে! শিখে নিন সহজ পদ্ধতি –

বুকের কফ দূর করুন- বুকের কফে চিকিৎসা করা না গেলে এটি দ্বারা শ্বাসযন্ত্র আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই সর্দি, কফ দূর করতে পারেন। আজ তাহলে এমন কিছু ঘরোয়া উপায়ের সাথে পরিচিত হওয়া যাক

১। লবণ পানি: বুকের সর্দি, কফ দূর করতে সহজ এবং সস্তা উপায় হল লবণ পানি। লবণ শ্বাসযন্ত্র থেকে কফ দূর করে দেয়। এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে দিনে দুই তিনবার কুলকুচি করুন।

২। হলুদ: হলুদে থাকা কারকুমিন উপাদান বুক থেকে কফ, শ্লেষ্মা দূর করে বুকে ব্যথা দ্রুত কমিয়ে দেয়। এর অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে প্রতিদিন কুলকুচি করুন। এছাড়া এক গ্লাস দুধে আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে জ্বাল দিন। এর সাথে দুই চা চামচ মধু এবং এক চিমটি গোল মরিচের গুঁড়ো মেশান। এই দুধ দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

৩। লেবু এবং মধু: লেবু পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। মধু শ্বাসযন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এমনকি এটি বুক থেকে কফ দূর করে গলা পরিষ্কার করে থাকে।

৪। আদা: এক টেবিল চামচ আদা কুচি এক পানিতে মেশান। এবার এটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট জ্বাল দিন। বলক আসলে এতে সামান্য মধু দিয়ে দিন। দিনে তিনবার এই পানীয়টি পান করুন। এছাড়া এক চা চামচ আদা কুচি, গোল মরিচের গুঁড়ো, এবং লবঙ্গের গুঁড়ো দুধ অথবা মধুর সাথে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি দিনে তিনবার পান করুন। আপনি চাইলে এক টুকরো আদা নিয়ে মুখে চাবাতে পারেন। আদার রস বুকের কফ পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে।

৫। পেঁয়াজ: সম পরিমাণের পেঁয়াজের রস, লেবুর রস, মধু এবং পানি একসাথে মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। কিছুটা গরম হলে নামিয়ে ফেলুন। কুসুম গরম এই পানি দিনে তিন থেকে চারবার পান করুন। এছাড়া পেঁয়াজের ছোট টুকরো খেতে পারেন।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

৬। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার: এক কাপ কুসুম গরম পানিতে দুই চা চামচ বিশুদ্ধ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এর সাথে এক চা চামচ মধু মেশান। এইবার এই পানীয়টি দিনে দুই তিনবার পান করুন। এক দুই সপ্তাহ পান করুন। দেখবেন বুকের কফ অনেক কমে গেছে।

মাত্র ৭দিনে পেটের মেদ কমানোর ৫টি সহজ ব্যায়াম

পেটের মেদ প্রায় প্রতিটি মানুষের জন্য একটি জটিল সমস্যা। পেট বড় থাকা বা ভুঁড়ি থাকা কারোরই কাম্য নয়। পেটের মেদ থাকলে তা শুধু যে দেখতেই অসুন্দর লাগে তা নয় এতে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যাও দেখা দেয়।পেটের মেদ কমিয়ে ফেলার কিছু সাধারণ উপায় এখানে তুলে ধরা হলো যা অনুসরণ করলে আপনার পেট ও কোমরের মেদ কমাতে সাহায্য করবে এবং এর ফলাফল পেতে শুরু করবেন ১ সপ্তাহের মাঝেই।

১/ সার্কিট ট্রেইনিং (circuit training) –যদি পেটের মেদ কমানোর সাথে সাথে কিছুটা পেশিও সুগঠিত করতে চান তবে সপ্তাহে ৩ দিন সার্কিট ট্রেইনিং করতে হবে। এর জন্য পুরো শরীরের ব্যায়াম করা প্রয়োজন যেমন lunges, pushups, pullups এক সেট করে ১৫ বার। তবে প্রতিটি ব্যায়ামের সাথে ১ মিনিট করে স্কিপ্পিং করে নিলে ক্যালরি বার্নের পরিমান হবে সর্বোচ্চ। এটা যদি ঠিক ভাবে করা যায় তাহলে প্রতিবার ব্যায়ামে প্রায় ৫০০-৬০০ ক্যালরি বার্ন করা সম্ভব।

২/ পেটের পেশীর ব্যায়াম –সারা শরীরের মাঝে পেটের মেদ belly fat কমানো বেশ কঠিন কাজ। তাই সঠিক ভাবে পেটের মেদ কমাতে চাইলে সপ্তাহে ৩ দিন পেটের পেশীর ব্যায়াম করা জরুরি। উপরের ও নিচের পেটের জন্য crunches ও leg raises ব্যায়ামটি ৩ সেট করে ২০ বার করতে হবে।তবে এখানেই শেষ নয়। এর সাথে planks করতে হবে ৩০-৬০ সেকেন্ডের মতো সময় নিয়ে ৪ বার। planks হচ্ছে পুসআপের অবস্থানে ৩০-৬০ সেকেন্ড স্থির থাকা।

৩/ সঠিক খাবার নির্বাচন –খাবারের ব্যাপারে আপনার নিজস্ব পছন্দ যাই হোক না কেন সেটা এই সময়ের জন্য পুরোপুরি ভুলে যেতে হবে এবং খুঁজে বের করতে হবে এমন খাবার গুলো যা আপনার পেটের মেদ কমাতে সক্ষম। যেমন খাবার তালিকায় রাখতে হবে ফল, সবজি, লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি, অটস, ভুসি সহ গমের তৈরি খাবার, মুরগি, মাছ, লো ফ্যাট দুধের তৈরি খাবার। তেলে ভাঁজা খাবার খাওয়া যাবে না এবং চিনি খাওয়া যতদূর সম্ভব বাদ দিতে হবে।

৪/ কম সোডিয়াম গ্রহন –শরীরে অতিরিক্ত পানি ধরে জমে থাকার কারনে শরীর ফোলা দেখাতে পারে। এর ফলে তা অবশ্যই পেটেও ফোলা ভাবের সৃষ্টি করে। তাই সবসময় চেষ্টা করতে হবে শরীরে যেন পানি খুব পরিমানে জমে সেজন্য সোডিয়াম খুব কম গ্রহন করতে হবে। তাই শরীরে সোডিয়ামের পরিমান তখনই কমানো সম্ভব হবে যখন খাবারে বা অন্য যেকোনো ভাবে লবন খাওয়ার পরিমান কমানো যাবে। তাই লবনের পরিবর্তে অন্যান্য মশলা ব্যবহার করে খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করতে হবে এই সময়ে।

৫/ বিষণ্ণতা ও দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে –এটা আমরা সবাই জানি যে সবসময় মনের অবস্থা একই থাকে না। দুশ্চিন্তা মুক্ত হয়ে খোশ মেজাজে থাকতে বলাটা যতটা সহজ থাকা ততটা নয়। কিন্তু এটা আমরা অনেকেই জানি না যে অতিরিক্ত মানসিক চাপের ফলে শরীরে cortisol নামক হরমোনের উৎপাদন অত্যাধিক বেড়ে যায় যা আমাদের পেটের ও তার আসেপাশের মেদ তৈরির জন্য দায়ী। তাই ধৈর্য হারিয়ে ফেললে চলবে না। মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা থেকে দূরে থাকতে হবে এই সময়টা।

উপরের পদক্ষেপ গুলো শুধু ১ সপ্তাহ নয় যদি বেশ কিছুদিন নিয়মিত করেন তাহলে পেটের মেদ তো কমবেই সাথে ওজনও কমাবে।

প্রথম দেখাতে মেয়েরা ছেলেদের কোন জিনিস দেখে

ছেলেরা যেমন মেয়েদের দেখে ঠিক তেমনি মেয়েরাও ছেলেদের দেখে। প্রথম দেখাতে ছেলেরা মেয়েদের মুখ আর বুক ছাড়া কিছুই দেখে না । কিন্তু মেয়েরা তা করে না, প্রথম দেখার পর তারা কয়েক মিনিটেই একজন পুরুষকে মেপে ফেলার চেষ্টা করে। দর্শনদারির ভিত্তিতেই এই মাপামাপি। উচ্চতা, ওজন এবং সামগ্রিক শারীরিক আকর্ষণীয়তার পাশাপাশি পুরুষের হাসি, রসবোধ ও আত্মবিশ্বাস লক্ষ করে মহিলারা। প্রথম দেখাতে একজন পুরুষের শরীরের যে জিনিসগুলো দেখে তা হল-

শারীরিক আকৃতি
মহিলারা প্রথমেই যা কিছু খেয়াল করেন সে তালিকার প্রথমদিকেই আছে উচ্চতা এবং ওজন। কোনো পুরুষ খুব বেশি লম্বা, মোটা বা খাটো হলে তাঁর এই শারীরিক গঠনের কারণে শুরুতেই তাঁর বিষয়ে একটা সিদ্ধান্তে চলে আসতে পারেন কোনো কোনো মহিলা। ফলে তাঁর অন্য মানবিক গুণাবলি লক্ষ করার বিষয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে। অবশ্য মহিলারা তাঁর নিজের উচ্চতা এবং ওজনের নিরিখেই পুরুষের এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যের গ্রহণযোগ্যতা বিচার করেন।

আকর্ষণী ক্ষমতা
চেহারার সৌন্দর্য হচ্ছে সেই গুণের নাম যা জন্মসূত্রে পাওয়া। কিন্তু কেবল সুন্দর হলেই তো হবে না। একজন পুরুষ নিজেকে যত্ন করেন, সেটা খেয়াল করে মহিলারা। চুল, নখ থেকে শুরু করে কাপড়চোপড় এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় রাখে মহিলারা।

মুখের হাসি
একনজরে দেখে নিয়ে মেপে ফেলার পর পুরুষের মুখের হাসি দেখার অপেক্ষায় থাকে মেয়েরা। হাসবার ক্ষমতা, বিশেষত দেখা হওয়ার প্রথম কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুরুষের হাসি মহিলাদের কাছে একটা স্বাগত বার্তার মতো। অবশ্য হাসবার আগে মাথায় রাখতে হবে নিজের দাঁতের কথাও। অপরিচ্ছন্ন দাঁত নিয়ে কোনো মহিলার সামনে হাসলে লাভের চেয়ে লোকসানই বেশি হবে। আর দাঁতের অন্য কোনো সমস্যা থাকলেও সেটা সারাতে দন্ত্য চিকিত্সকের কাছে ঘুরে আসাই ভালো।

ছেলেকে গ্রেফতার করায় পুলিশ কর্মকর্তাকে কোপালেন মা

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে স্বজনের হামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুইজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সেই সঙ্গে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কালীকাপুর ইউনিয়নের মদনডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সোহেল রানা (২৫), তার মা সূর্যভান (৪৫), বোন নাজমা খাতুন (২০) ও পাখি (১৮)।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, যৌতুকের মামলায় উপজেলার মদনডাঙ্গা গ্রামের সোহেল রানার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। বুধবার সকালে আসামি সোহেল রানাকে গ্রেফতারের জন্য কনস্টেবল আজিজুল হককে সঙ্গে নিয়ে মদনডাঙ্গা গ্রামে যান পুলিশের এএসআই মনির উদ্দিন।

পরে বাড়ি থেকে সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় মা ও দুই বোন সোহলেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ছেলেকে ছিনিয়ে নিতে না পেরে সোহেলের মা ধারালো বটি দিয়ে এএসআই মনির উদ্দিনের ওপর হামলা চালান।

সোহেলের মায়ের বটির কোপে এএসআই মনির উদ্দিনের ডান বাহুসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। সেই সঙ্গে মনিরকে উদ্ধারে এগিয়ে আসা কনস্টেবল আজিজুল হকও আহত হন। এ সময় মনির উদ্দিনের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন। সংবাদ পেয়ে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে আসামিসহ চারজনকে গ্রেফতার করে। সেই সঙ্গে আহত পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুইজনকে উদ্ধার করে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

আত্রাই থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক হোসেন বলেন, যৌতুকের মামলার আসামি ছিলেন সোহেল রানা। তাকে গ্রেফতার করা হলে তার স্বজনরা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন এবং পুলিশের ওপর হামলা চালান। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে আসামিসহ চারজনকে গ্রেফতার করে। আহত এএসআইসহ দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় সোহেলের স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

বুকের দুধ বেচেই লাখ টাকা রোজগার করেন এই নারী!

দুই সন্তানের মা, বয়স ২৪ বছর৷ তিনি এখন লাখপতি৷ ব্যবসার কারণেই ফুলেফেঁপে উঠেছেন এই নারী৷ তবে এঁনার ব্যবসাটি একটু অন্যরকম৷ প্রথাগত বিজনেসের থেকে একটু আলাদা৷ নিজের বুকের দুধ বিক্রি করেন এই নারী৷ সাইপ্রাসের এই নারীর নাম রাফেলিয়া ল্যামপ্রোউ ৷ যখন তাঁর ছেলে আঞ্জেলিও জন্ম হয়, তখন তিনি দেখেন ছেলেকে দুধ খাওয়ানোর পরেও অনেকটা দুধ বেঁচে যাচ্ছে৷ তখনই নিজের বুকের দুধ দান করার কথা ভাবেন রাফেলিয়া৷

প্রথমে কিছু বাচ্চাদের, যাঁরা মাতৃদুগ্ধ পায় না তাদের মধ্যে নিজের বুকের দুধ বিক্রি করেন৷ তারপর এই কাজটি ব্যবসায় রূপান্তরিত হয়৷

রাফেলিয়া জানাচ্ছেন, প্রতিদিন ২ লিটারেরও বেশি দুধ তৈরি হত তার৷ এত দুধ নিয়ে কী করবেন তিনি ভেবে পাচ্ছিলেন না৷ শেষ পর্যন্ত এক দম্পতিকে তিনি সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন৷ সদ্যোজাতের জন্য ওই মায়ের কাছে মাতৃদুগ্ঘের যোগান ছিল খুবই কম৷

এই সময়ই বেশকিছু বলি বিল্ডার তাঁর কাছে বুকের দুধ কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করেন৷ শরীরের গ্রোথের জন্য যেহেতু এই দুধ খুবই উপকারী, সে কারণেই বডি বিল্ডারদের কাছে দিনে দিনে মাতৃদুগ্ধের চাহিদা বাড়তে থাকে৷  এরপর থেকেই রাফেলিয়া বাণিজ্যিকভাবে বুকের দুধ বেচতে শুরু করেন৷ ধীরে ধীরে এটাই তাঁর পেশা হয়ে দাঁড়ায়৷ প্রতি আউন্স দুধের জন্য ১ ইউরো নিতে শুরু করেন তিনি৷

রাফেলিয়া জানান, স্বামী অ্যালেক্সও তাঁর এই কাজে কখনও বাধা দেননি৷ বরং বরাবর তিনি সাপোর্ট করেছেন৷ এখন নিজের একটি ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইট চালান রাফালিয়া৷ সেখানে পরিষ্কার লেখা রয়েছে যে, তিনি মদ খান না, ধূমপানও করেন না৷ এখন অনলাইনেই নতুন মা বা বডি বিল্ডাররা মাতৃদুগ্ধের জন্য তাঁর কাছে আবেদন করেন৷

কুমারীত্ব হারানোর পর নারীদেহে যেসব পরিবর্তন আসে

ভার্জিনিটি নিয়ে কথা বলা সাধারণত আমাদের দেশে ট্যাবু। তবে সময় বদলাচ্ছে দ্রুত। অনেকেই এখন নিজের পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে নানা সংবেদনশীল কথা মুখ ফুটে বলতে শুরু করেছেন। তেমনই একটি বিষয় হল কুমারীত্ব হারানো।

ভারতে এখনও কুমারীত্ব হারানো নিয়ে অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। কুমারীত্ব হারালে অহেতুক আতঙ্কে নয়, বরং সচেতন থাকুন। ভার্জিনিটি বা কুমারীত্ব হারালে নারীর দেহে কী কী পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, সেই বিষয়টি এই প্রতিবেদনে তুলে ধরার চেষ্টা করা হল।

১. প্রথম সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্সের পর নারীর দেহে বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তার মধ্যে সর্বাগ্রে থাকে যোনির পরিবর্তন। ভ্যাজাইনার ইলাস্টিসিটিতে পরিবর্তন টের পাওয়া যায়। নারীর গোপনাঙ্গ ক্রমশ মিলনের জন্য উন্মুখ হতে শুরু করে। একটা সময় নিয়মিত মিলনের পর ভ্যাজাইনা নিজেই লিউব্রিকেটেড হতে শুরু করে দেয়।

২. ক্লিটোরাস ও ইউটেরাস বুঝতে শেখে, কখন সংকুচিত ও প্রসারিত হতে হবে। যৌন উত্তেজনা জাগলে ক্লিটোরাস সাড়া দিতে শুরু করে। নিয়মিত যৌন মিলন হতে শুরু করলেই এই পরিবর্তনগুলি টের পাওয়া যায়। অন্যথায়, নারীর গোপনাঙ্গ ‘ইন-অ্যাকটিভ’ই থেকে যায়।

৩. কুমারীত্ব হারিয়ে নারীর শরীর যখন মিলনের আস্বাদ পেতে শুরু করে নিয়মিত, তখন শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলিতেও কিছু পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যায়।

যেমন মিলনের সময় ও খানিক পর স্তন স্বাভাবিকের চেয়ে একটি দৃঢ় হতে শুরু করে। কারণ, এই সময় কোষগুলিতে অধিক রক্ত সঞ্চালন হয়। স্তনবৃন্তগুলিও দৃঢ় হয় একই কারণে।

৪. স্তনবৃন্ত অধিক সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। নিয়মিত যৌন মিলনে অংশ নিলে শরীরের এরকমই বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। আসলে স্তনবৃন্তের আশেপাশের অংশে এই সময় রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়।

৫. যৌন মিলনের ফলে শরীরে ‘হ্যাপি’ হরমোনের মাত্রা বাড়ে। ফলে ত্বক উজ্জ্বল হয়। মহিলারা স্বাভাবিকের তুলনায় একটি বেশি হাসিখুশি হয়ে ওঠেন। এই হরমোনের পোশাকি নাম অবশ্য সেরোটনিন।

৬. হরমোনাল পরিবর্তনের ফলে মহিলাদের ঋতুচক্রে খানিকটা দেরি হয়। পিরিয়ড একটু দেরিতে হয় বলে অনেকেই এই সময়টা প্রেগনেন্সির আশঙ্কায় ভোগেন। কিন্তু সে আশঙ্কা অমূলক, বলছেন চিকিৎসাকরা।

৭. ভার্জিনিটি হারানোর পর মহিলারা একটু আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তাঁদের সুখ বা দুঃখের বহিঃপ্রকাশ একটু চড়া হয়ে ওঠে।

ধর্ষিতার সঙ্গে চিকিৎসকের কথোপকথন

একজন ডাক্তার ধর্ষণ নিয়ে তার বাস্তব অভিজ্ঞতা বললেন…আপা কাগজে একটা আলতাসনো লিখ্যা দেন’- আউটডোরের খালার আবদারে বিরক্ত আমি।রোগী না দেখে আমি কিছু লিখবো না। আগে রোগী আনেন।’ শীতল গলায় জানিয়ে দিলাম।গুটিগুটি পায়ে অনুপ্রবেশ ঘটলো এক কিশোরীর। শ্যামলা গায়ের রং, মাথায় দুই বেনী। পরনে ঢিলাঢালা ফ্রক, বয়সের তুলনায় বেশ অপুষ্ট। দু’চোখে গভীর অবসাদ।কি সমস্যা তোমারকিশোরী নীরব।

-‘আপা ওর প্যাটে বাইচ্চা। চাইর মাস। নষ্ট করতে আইছে।’আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো !হিস্ট্রি নিয়ে জানলাম …She was gang raped while returning from tutors home!দুঃখিত আমি এই লাইনটা বাংলায় লিখতে পারলাম না! হাতে আর জোর পাচ্ছিলাম না…কাঁপা কাঁপা হাতে লিখে দিলাম ‘USG of pregnancy profile’পরে আবার সেই কিশোরীর সঙ্গে দেখা হয়েছিল ফার্মেসির সামনে। আমাকে দেখে বিব্রত।মাথায় হাত বুলিয়ে বলতে ইচ্ছে করেছিল-তুমি কেন লজ্জা পাচ্ছো? লজ্জা পাবো তো আমরা।মানুষ হয়ে জন্ম নিয়েছি তাই। আমি এই দেশের, এই সমাজের একজন অক্ষম, নিষ্ক্রিয় সদস্য লজ্জা তো আমাদের প্রাপ্য।ঘটনা : ২সেদিন ছিল মঙ্গলবার। এডমিশন রুমে মধ্যবয়সী এক লোকের প্রবেশ।কি সমস্যা?

আপা আমার মাইয়াডা ধর্ষণ হইছে। অবস্থা খুব খারাপ, আপা। মামলা করুম না। শুধু একটু চিকিৎসা দ্যান।And it was another case of gang rape by neighbors…রোগীকে আনতে বলা হলো ।না না! সে কোনো উত্তেজক পোশাক পরা সুন্দরী নন। ৫ বছরের মেয়ে শিশু, মায়ের কোলে চড়ে এসেছে। শিশুর! দু’চোখে পানি। আর আমার বুকের ভেতর রক্তক্ষরণ …!পরিশিষ্ট

যদি আপনার পরিবারে ০ থেকে ৯০ বছরের কোনো নারী সদস্য থেকে থাকে, তবে লেখাটি আপনার জন্যই।না।আপনি যখন রাস্তায় কোনো মেয়েকে দেখে চোখের ব্যায়ামটা সেরে নিচ্ছেন, আপনার পরিবারের কোনো নারী সদস্য হয়তো তখন হয়রানির শিকার হয়ে বাড়ি ফিরছে।আজ থেকে নতুন করে ভাবুন। আপনার আশেপাশের নারীদের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কেমন? এবং নিজ পরিবারের নারী সদস্যদের প্রতি অন্য পুরুষের কেমন আচরণ আপনি আশা করছেন?

কে খুন করল প্রবাসীর স্ত্রীকে? আসামী চমকে দিল পুলিশকে

স্বামী ধলা মিয়া থাকেন বিদেশে। টাঙ্গাইলের বাসাইলের নথখোলা গ্রামে থাকেন তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৩৭)। গত ১ জানুয়ারি নিজ ঘরে খুন হন এই গৃহবধূ। হাত পা বেঁধে, পায়ের রগ কেটে ও গলাকেটে তাকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনায় নিহত মনোয়ারা বেগমের সহোদর (আপন ভাই) মো. আব্দুল কাদেরের স্ত্রী তাছলিমা খাতুন খুকি (২৮) বাদী হয়ে বাসাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করতে ২২ দিন পার করে দেয় থানা পুলিশ। রহস্যের জট খুলতে পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শ্যামল কুমার দত্তকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন।

তদন্তে নেমেন পড়েন ডিবির এসআই জাহাঙ্গীর আলম, এসআই ওবাইদুর রহমান ও এসআই আলমগীর কবির। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মামলার তদন্ত করতে গিয়ে তারা চমকে যান। একে একে বেরিয়ে আসে খুনীদের মুখ। খুলতে থাকে নিষ্ঠুর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য।

তদন্তে প্রমাণ পাওয়ার পর গ্রেফতার করা হয় বাসাইলের কাশিল পশ্চিম পাড়া গ্রামের মো. সোলায়মানের ছেলে মো. রহিম মিয়াকে (২৬)।

খুনের পরিকল্পনাকারীর নাম শুনলে পাঠকও চমকে উঠবেন।

খুনের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন নিহতের ভাবী তাছলিমা খাতুন খুকি (২৮), খুনের পরই যিনি বাদী হয়ে মামলা করেন।

পুরো খুনে সহায়তার জন্য তাছলিমার সহোদার টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুর পাড়া গ্রামের মো. আল আমিন (১৯)কেও গ্রেফতার করে পুলিশ।

যেভাবে হত্যা করা হয়

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনজনই হত্যার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করে।

২৯ জানুয়ারি মঙ্গলবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আসামিরা।

স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামসুল আলম, আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মো. আমিনুল ইসলাম।

আসামিরা স্বীকারোক্তিতে জানান, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর রাতে কোমল পানীয়ের সাথে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে মনোয়ারা বেগমকে দুর্বল করা হয়। পরে হাত-পা বেঁধে ধারালো চাকু দিয়া তার পা ও হাতের রগ কেটে এবং জবাই করে হত্যা করে অভিযুক্তরা।

আলামত

হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মো. রহিম মিয়ার একটি রক্তমাখা প্যান্ট, এক জোড়া জুতা ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় সংবাদ সম্মেলনে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের কাহিনী বর্ণনা করেন।

পুলিশ সুপারের ধারনা, মাদক সেবন, পরকীয়া ও টাকা আত্মসাতের জন্যই এই হত্যাকাণ্ডটি হয়েছে।

আমারে নিবি’ আধঘন্টা ৫, পুরো রাত ১

রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ততম একটি এলাকার একটি হলো ফার্মগেট। দিনের বেলায় মানুষের পদচারণায় মুখরিত থাকে এ এলাকা। তাই খালি চোখে দেখে হয়তো অনেক কিছুই বোঝা যায় না।

কিন্তু রাতের নিরবতা যত বাড়ে, ততই এই এলাকায় আনাগোনা বাড়ে দেহ ব্যবসায়ীদের। খদ্দেরের খোঁজে বোরকা পরে অপেক্ষা করতে দেখা যায় তাদের রাস্তার ধারে।

সরেজমিনে ফার্মগেটে গিয়ে দেখা যায়, খদ্দেরের খোঁজে বোরকা পরে এখানে-সেখানে অপেক্ষা করছেন পতিতারা। তাদের পাশেই সারি-সারি সিএনজি দাঁড়িয়ে আছে। খদ্দের এসে প্রথমে দামাদামি করে। এরপর চূড়ান্ত হলে নিয়ে যায় সিএনজি করে।

তাদের মধ্যে অনেকেই সাধারণ মানুষকেও বিরক্ত করে। ‘নিবি’, ‘লাগবে’ বলে বিভিন্ন ইশারা দেয় তারা। এতে অনেক পথচারীও বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েন।

সোহেল হাসান নামের একজন পথচারী বলেন, ‘ওরা সুযোগ বুঝে ইশারা দেয়, নানান রকম অশ্লীল কথাও বলে।’

সাংবাদিক পরিচয় গোপন রেখে কথা হয় নিতু নামের এক পতিতার সঙ্গে। সদ্য এ পথে পা বাড়িয়েছে বলে দাবি তার। কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে বাড়ি বলে জানান নিতু।

তিনি বলেন, ‘আমি যে এ পেশায় আছি তা আমার পরিবারের কেউই জানে না। টাকার অভাবেই এ পেশাই আসছি।’ এত পেশা থাকতে এ পেশায় আসলেন কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে কোনো উত্তরই দেননি তিনি।

নিতু জানায়, ‘আধাঘন্টার জন্য নিয়ে গেলে ৫০০ টাকা আর পুরো রাতের জন্য নিয়ে গেলে ১ হাজার টাকা নেই। আমি রাতেই ফার্মগেটে আসি। হোটেলে বা খদ্দেরের বাসায় যেয়ে কাজ করি।’

তার দাবি, ‘খদ্দের অনেক সময় ৫০০ টাকার কথা বলে নিয়ে যায় কাজ শেষে ২০০ বা ৩০০ টাকা দেয়। প্রতিবাদ করলেও লাভ হয়না। আবার মাঝেমধ্যে অনেকে আরও কম টাকাও দেয়।’

নিতুর সাথে কথা বলে সামনে এগুতেই দেখা যায়, আরও চার পতিতা একসঙ্গেই বসে আছেন। বিভিন্ন সিএনজি তাদের সামনেই থামে, মাঝে-মধ্যে সিএনজি চালকদের সাথেও খোশগল্পে মাতে তারা।

জানা গেছে, ফার্মগেটে সাধারণত পতিতারা বিকেল থেকে সন্ধ্যা বা রাতেই আসে। কেউ কেউ আবার মধ্যরাতেও বের হয়। সকাল হলেই ফেরে ঘরে।

শাহীন নামের একজন ভ্যনচালক বলেন, ‘আমি এই জায়গাতে ভ্যান চালাই দীর্ঘদিন গত চার বছর ধরে। এদেরকে (পতিতা) প্রতি রাতেই দেখি। ভোরে আবার চলে যায় তারা।’

তিনি বলেন, ‘এদের সিএনজি চালকও ঠিক করা থাকে। খদ্দের ঠিক হলেই সিএনজি করে চলে যায়। অনেকসময় সিএনজিতেই তারা এ কাজ করে।’

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক আরেক ভ্যানচালক বলেন, ‘এদের মধ্যে কিছু প্রতারকও থাকে। তারা সিএনজিতে নিয়ে খদ্দেরকে প্রতারণা করে, টাকা, মোবাইল ফোন ছিনতাই করে। মান-সম্মানের ভয়ে অনেকেই তা প্রকাশ করে না।

বয়সের ছাপ মুছে ফেলতে করলার ৪ ব্যবহার

বয়স কেবল সংখ্যামাত্র! এমন দাবি কি জোরের সঙ্গে করতে পারেন আপনি? না কি চামড়ার ভাঁজে, চেহারার গড়নে নানা ভাবে চোখে পড়ে বয়সের ছাপ?

বয়সকে তোয়াক্কা না করে কেবল শারীরিকভাবে সক্ষম থাকার চেষ্টা তো করতেই হবে, সঙ্গে চেহারাতেও যাতে বয়স থাবা বসাতে না পারে, নজর রাখা উচিত সে দিকেও।

রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, চেহারা থেকে বয়সকে সরিয়ে রাখার জন্য যে সব সবজির উপর ভরসা করা যায়, তাদের মধ্যে অন্যতম করলা। কিন্তু জানেন কি, ঠিক কী উপায়ে করলা ব্যবহার করলে ত্বকের জন্য তা বিশেষ উপকারী হয়ে উঠবে? তাহলে জেনি নিন সেই নিয়ম।
১. করলায় রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। তাই চামড়ায় লালিত্য ধরে রাখতে সাহায্য করে এই সবজি। ত্বককে টানটান রাখতেও এর জুড়ি নেই। তাই প্রতি দিন করলা সেদ্ধ করে তাতে লেবু ও নুন যোগ করে খান। এতে ত্বকের জৌলুস বজায় থাকবে দীর্ঘ দিন।

২. করলার রসের সঙ্গে কমলালেবুর রস মিশিয়ে তা মুখে মাখলেও উপকার পাবেন। এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন কিছু ক্ষণ। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। মৃতকোষ ঝরিয়ে ত্বকে আলাদা উজ্জ্বলতা আনে এই মিশ্রণ।

৩. করলা রক্তের মধ্যেকার ক্ষতিকর পদার্থকে বিনষ্ট করে রক্তকে পরিশুদ্ধ রাখে। যার প্রভাব এসে পড়ে ত্বকেও। তাই ত্বক থেকে বয়সের ছাপ সরাতে ও ত্বককে সুন্দর রাখতে প্রতিদিন সকালে করলার রসও খেতে পারেন।

৪. করলার বীজ সরিয়ে, তা বেটে মুখে লাগান। সপ্তাহে তিন দিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করলেই ত্বকের যৌবন ফিরবে রাতারাতি।