ব্রিটিশ রানীর শরীরে বইছে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর রক্ত

ঐতিহ্যশালী ব্রিটেনের রাজ পরিবারের সঙ্গে বংশগত সম্পর্ক রয়েছে ইসলাম ধর্মের নবীর। কারণ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের শরীরে বইছে স্বয়ং হযরত মোহাম্মদের (সা.) রক্তধারা।

এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিককালের একটি গবেষণায়। উক্ত গবেষণার কথা উল্লেখ করে সংবাদ পরিবেশন করেছে মরক্কোর একটি সংবাদপত্র।

যদিও রানি এলিজাবেথের সঙ্গে হজরত মোহাম্মদের পারিবারিক যোগসাজশের এই তথ্য নতুন কিছু নয়। ১৯৮৬ সালে সর্বপ্রথম এই তথ্য প্রকাশ্যে আসে। সেই সময় ব্রিটেনের রাজ পরিবারের বংশতালিকায় বিষয়টির উল্লেখ করা হয়েছিল। বুর্কে’স পিরেজ নামের একটি ব্রিটিশ রাজবংশ তালিকা সংরক্ষণকারী সংস্থা বিষয়টি প্রথম প্রকাশ করে।

আর সম্প্রতি মরোক্কোর একটি পত্রিকা এ নিয়ে রিপোর্ট করায় বিষয়টি ফের সামনে আসল।

সাম্প্রতিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে, রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে সরাসরি রক্তের সম্পর্ক রয়েছে মধ্যযুগের স্পেনের মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে। যাদের একটি অংশ ব্রিটেনের কেমব্রিজে এসে বসতি গড়েছিল ১১ শতকে। আর তাদের বংশধররাই পরে ১৪ শতকে ক্যামব্রিজের রাজপরিবার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। সেখান থেকেই সূত্রপাত হয় রানি এলিজাবেথের বংশের। যা সরাসরি হযরত মোহাম্মদের (সা.) এর নিজের মেয়ে ফাতিমার (রা.) বংশধারার সঙ্গে যুক্ত।

গবেষণায় আরও দাবি করা হয়েছে যে, রানি এলিজাবেথের পূর্ববর্তী ৪৩ তম প্রজন্মের সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে ফাতিমার (রা.)। যিনি হযরত মোহাম্মদের (সা.) কন্যা। অনেক ইতিহাসবিদ এই তত্ত্ব খারিজ করে দিলেও স্পেনের মধ্যযুগীয় কিছু রেকর্ড অবশ্য এর সমর্থন করছে। শুধু তাই নয়, একসময় মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি আলি গোম্মাও একমত হয়েছিলেন মরক্কোর সংবাদপত্রের ওই প্রতিবেদনের এই তথ্যের সঙ্গে।

১৯৮৬ সালে এই তথ্য উল্লেখ করে চিঠি দেওয়া হয়েছিল তৎকালীন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারকে। সেই চিঠি লিখেছিল বুর্ক পাবলিশিং নামক ওই সংস্থা। যারা রাজ পরিবারের বংশতালিকা দেখাশোনা করত। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছিল যে ব্রিটেনবাসীর এটা জানা দরকার যে দেশের রানির শরীরে বইছে স্বয়ং হযরত মোহাম্মদের (সা.) রক্ত। সেই তথ্য প্রকাশ্যে আসায় খুব খুশি হয়েছিলেন ওই দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

সে সময় বলা হয়েছিল যে রাজকন্যা জায়দার বংশধর হচ্ছেন রানি এলিজাবেথ। জায়দা আবার স্পেনের সেভিল-এর মুসলিম রাজা আল মুতামিদ ইবনে আব্বাদ এর চতুর্থ স্ত্রী ছিলেন। অনেকের মতে এই জায়দা হলেন সরাসরি হজরত মোহাম্মদের (সা.) মেয়ের বংশধর।

একাদশ শতকে তিনি নিজ শহর সেভিল থেকে পালিয়ে কেমব্রিজে আসেন এবং খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেন।

রাজা আল মুতামিদের সঙ্গে জায়দার একটি ছেলে সন্তান জন্ম নিয়েছিল। যার নাম স্যাঞ্চো। এই স্যাঞ্চোর বংশধরের সঙ্গেই বিয়ে হয় ক্যামব্রিজ রাজ পরিবারের সদস্যদের। আর সেখান থেকেই ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের বংশধারা আসে।

তবে ব্রিটিশ ম্যাগাজিন দ্য স্পেকটেটর এর মতে, জায়দার বংশধারা নিয়ে বিতর্ক আছে। অনেক ঐতিহাসিক বিশ্বাস করেন, তিনি ছিলেন এক মাতাল খলিফার মেয়ে। যার বংশধারার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর। অনেকে আবার বলেন, ওই খলিফার পরিবারে বিয়ে করেছিলেন জায়দা।

তবে এই তথ্য নিয়ে বিশ্বব্যাপী মিশ্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছে।

আল আওয়াসবু (Al-Ousboue) নামের মরোক্কোর ওই পত্রিকার প্রতিবেদক আব্দুল হামিদ আল আওয়ানি বলেছেন, ‘এই তথ্য আমাদের দুই ধর্ম ও রাজত্বের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করেছে।’

আল-আওয়াসবুর সাংবাদিক আব্দুল হামিদ আল আওয়ানি লিখেছেন, ‘ভাগ্যের কী বিদ্রুপ দেখুন, যখন যুবরানি ডায়না মারা যান, তখন বলা হয়েছিল মিশরীয় ডোডি ফায়েদের সন্তান তাঁর গর্ভে এসেছিল বলেই ব্রিটিশ রাজপরিবার তাঁকে হত্যা করে। রাজবংশ মেনে নিতে পারেনি ভবিষ্যতে কোনও ইসলাম ধর্মাবলম্বী রাজসিংহাসনের দাবিদার হবেন। এদিকে এখন দেখা যাচ্ছে খোদ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথই ইসলাম ধর্মের প্রতিষ্ঠাতার সরাসরি বংশধর!’

আব্দুল হামিদ আল আওয়ানি আরো লিখেছেন, ১১ শতাব্দীতে সেভিলের রাজা আবু আল-কাসিম মোহাম্মদ ইবন আবাদ ছিলেন মোহাম্মদের মেয়ে ফাতিমার বংশধর। আল-কাসিম ১০২৩ সালে সেভিলের রাজা হন এবং প্রতিষ্ঠা করেন আবাসি সাম্রাজ্য। তাঁর মেয়ের নাম ছিল জায়দা। আলমোরাভিদরা আল-কাসিমের সাম্রাজের ওপর আক্রমণ করলে, তাঁর মেয়ে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নেন লিওন, ক্যাস্টিল ও গালিসিয়া-র স্পানিশ রাজা ষষ্ঠ আলফোনসো-র রাজ্যে। নাম পাল্টে হন ইসাবেলা এবং রোমান ক্যাথলিক ধর্মে দীক্ষিত হন। ষষ্ঠ আলফোনসো ও তাঁর একটি পুত্র সন্তান হয়, নাম স্যাঞ্চো। সেই পুত্র সন্তানেরই বংশোধর কেমব্রিজের তৃতীয় আর্ল রিচার্ড অফ কনিসবার্গ। এই রিচার্ড অফ কনিসবার্গ হলেন ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ডের নাতি।

আরব নাস্তিক নেটওয়ার্ক এর ফোরামে মন্তব্য করা হয়েছে, ‘রানী এলিজাবেথের উচিত মুসলিমদেরকে শাসনে তার অধিকার রয়েছে এই দাবি করা।’

তবে রেড্ডিটে কেউ কেউ একে ভুয়া প্রচারণা বলে আখ্যায়িত করেবলেছেন, ‘পশ্চিমাদের ওপর ক্ষুব্ধ মুসলিমদেরকে শান্ত করার জন্যই শুধু এই প্রচারণা চালাচ্ছে ব্রিটিশ রাজপরিবার।’

তবে বাকিংহাম প্রাসাদের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘আমরা এই ধরনের দাবি নিয়ে কোনও মন্তব্য করি না।’

বিনামূল্যে ইন্টারনেট পাবেন ২৭০০ ইউনিয়নের মানুষ

দেশের ২ হাজার ৭০০টি ইউনিয়নে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দিতে কানেক্টিভিটি বা সংযোগ তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এখন সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ একমত হলে ইউনিয়গুলো থেকে গ্রামে গ্রামে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে। যদি ট্রান্সমিশন (ব্যান্ডউইথ পরিবহন) খরচ না নেওয়া হয় তাহলে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট এলাকায় ৩ মাস বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা দেবে। তবে এরপর ইন্টারনেটের খরচ গ্রামবাসীকে বহন করতে হবে।

প্রসঙ্গত, সরকারের আইসিটি বিভাগের ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পের আওতায় দেশের ইউনিয়নগুলোতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি-বেরকারি অংশীদারত্বে (পিপিপি) মডেলে এই কাজটি করেছে আইসিটি বিভাগ ও নেশনওয়াইড ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক বা এনটিটিএন (মাটির নিচ দিয়ে তৈরি ক্যাবল সংযোগ) প্রতিষ্ঠানগুলো।

জানা গেছে, দেশের ২ হাজার ৭০০টি ইউনিয়নে এরই মধ্যে কানেক্টিভিটি তৈরির কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে এই প্রকল্পের বাকি কাজ শেষ হওয়ার কথা।

সম্প্রতি এই সেবাদানের বিষয়ে আইসিটি বিভাগে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আইসিটি বিভাগ, এনটিটিএন প্রতিষ্ঠান এবং আইএসপি অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে ইউনিয়নগুলো থেকে ‘ক্যাপাসিটি’ সরবরাহের কথা বলা হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সংশ্লিষ্টদের ৩ মাস বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবাদানের আহ্বান জানান। এই আহ্বানে আইএসপিগুলো সাড়া দিলেও এনটিটিএনগুলো এখনও ইতিবাচক কোনও সাড়া দেয়নি। এনটিটিএনগুলো ইতিবাচক সাড়া দিলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলো থেকে প্রয়োজনীয় সব জায়গায় বিনা খরচে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আইএসপিগুলো।

বৈঠক সূত্র আরও জানায়, প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই সেবার ক্ষেত্রে ‘লাস্ট মাইল কানেক্টিভিটি’ (ডেলিভারি পয়েন্ট থেকে চূড়ান্ত ব্যবহারকারীদের কাছে) দেবে আইএসপিগুলো। এই ঘোষণার ফলে এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানগুলোর আর এই সেবা দেওয়া হবে না, আইএসপিগুলোই দেবে।

জানতে চাইলে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক বলেন, ‘আমরা বৈঠকে বলেছি, এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানগুলো যদি কোনও ট্রান্সমিশন খরচ না নেয় তাহলে আমরা ‘টেস্ট রান’ ভিত্তিতে ৩ মাস বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা দেবো। আমরা স্থানীয় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, সরকারি অফিস, পাঠাগার, ইউনিয়ন ডিজটাল সেন্টার (ইউডিসি) ইত্যাদিতে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবো।’

ইমদাদুল হক জানান, টেস্ট রান বা পরীক্ষামূলক ব্যবহার সফল হলে তারা পরিপূর্ণভাবে সেবা দিতে প্রস্তুতি নেবেন। তিনি জানান, টেস্ট রানের সময় কোনও ধরনের সমস্যা আছে কিনা, জটিলতাগুলো কী কী, তা নির্ধারণ করা যাবে এবং পরে তা সমাধান করে নিরবছিন্ন সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নগুলোতে ২০ জিবিপিএস (গিগা বিটস পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ এখন রেডি অবস্থায় রয়েছে। এখান থেকে ক্যাপাসিটি নিয়ে আইএসপিগুলো সেবা দিতে পারবে। বিনামূল্যে সেবা দেওয়ার পরে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্রামের মানুষকে কত খরচ করতে হবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
ইন্টারনেটের দাম নির্ধারণ করাও জরুরি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বরাবরই দাবি রয়েছে, গ্রামের ঢাকার দামে ইন্টারনেট। এটা বাস্তবায়ন করা যাবে কিনা তা নিয়েও চলছে বিশ্লেষণ। ঢাকার দামে গ্রামে ইন্টারনেট দিতে গেলে কী কী বাধা আসতে পারে তা-ও বিবেচনায় রয়েছে সংশ্লিষ্টদের। সে ক্ষেত্রে সবার আগে এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানগুলোর ট্রান্সমিশন চার্জ কমানোর ইস্যুটি সবার আগে চলে আসবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। ‍

বীর্য বেশিক্ষণ ধরে রাখার উপায়

বীর্য বেশিক্ষণ ধরে রাখার উপায়

১০মিনিটের মাথায় বীর্যপাত হয়, সেটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক । একে দ্রুত বীর্যপাত বলা যাবে না । এমনকি ৬-৭ মিনিট ও স্বাভাবিক বলা হয় । আপনি তখনি আপনার এ বিষয় টি নিয়ে চিন্তা করবেন যখন আপনার তার থেকেও কম অর্থাত্‍ ১-৫ মিনিটে বের হয়ে যাবে । কেবল তখনি আপনি বলতে পারবেন যে আপনার এ সমস্যা অর্থাত্‍ দ্রুত বের হয়ে যাচ্ছে। দাম্পত্য জীবনে অসুখী পুরুষের আজকাল অভাব নাই। বর্তমানে অনেক পুরুষ মিলনে স্থায়ী করতে পারেন না। বহু কারণ থাকতে পারে এর পিছনে। যৌন মিলন নিয়ে যারা মানসিক ভাবে দুর্বলতায় ভুগেন তাদের জন্য আজ কিছু টিপস দিচ্ছি আশাকরি আপনার যৌন জীবনের জন্য টিপসগুলো অদ্বিতীয়।

প্রথম প্রথম সব মানুষের ক্ষেত্রেই অনভিজ্ঞতা, লজ্জা, নিজের উত্তেজনা কে নিয়ন্ত্রন করতে না পারা ইত্যাদির কারনে এমন টা হতে পারে। চিন্তার কিছু নেই। সময় নিন, তাড়াহুড়া করে মিলিত হবেন না। এই মুহূর্তে আপনার চিকিত্‍সকের কাছে যাবার প্রয়োজন নেই বলেই মনে হয়। বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হবেন না।আপনার যে সমস্যা, সেটা খুবি স্বাভাবিক। চিন্তার কোন কারণ নেই । মূল আলোচনার আগে আর একটি প্রচলিত ধারণার কথা বলা যাক ।অনেক মানুষ ই আছেন যারা মনে করেন তার অধিকাংশ সমস্যার কারণ মাস্টারবেশন । এটি ভুল ধারণা ।মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন সম্পুর্ণ স্বাভাবিক একটি ব্যপার । অতিরিক্ত না করলে এতে আপনার কোন দিক দিয়েই কোন ক্ষতি হবার চান্স নেই ।এই কথাটি বলার কারণ খুব ই সরল । কারণ অনেকেই মনে করে তার দ্রুত বীর্যপাতের আসল কারণ সে অনেক মাস্টারবেট করে । এখানে একটি থিওরি আছে ।

বোঝানোর চেষ্টা করছি । ধরুণ আপনি বাথরুমে গেলেন মাস্টারবেশন করতে । আপনি যসি ২০ মিনিট ধরে করেন তাহলে অবশ্যই কেউ ডাকাডাকি হবে , না হলেও আপনার অবচেতন মন ই আপনাকে তাড়া দেবে । এজন্য যা হয় তা হল , অবচেতন ভাবেই ছেলেরা মাস্টারবেট করতে করতে দ্রুত কিভাবে বের করা যায় সেটা শিখে ফেলে ।

পরে সেক্স করার সময় মনের অজান্তেই হয়তো পেনিসের তার সেই স্পেশাল জায়গা অথবা তার সে বিশেষ স্টাইল সে ধরে ফেলে , ফলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায় । এখন , যাদের আসলেই দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি করবেন ? কারণ অবশ্যই , আপনার গার্লফ্রেন্ড বা ওয়াইফ আপনার পেনিস মুখে নিল , আর আপনার বের হয়ে গেল কিছু করার আগেই , অথবা ধরলো আপনার পেনিস , সাথে সাথে বের হয়ে গেল , অথবা আপনার গার্লফ্রেন্ড বা পার্টনার হয়তো উত্তেজক কিছু করলো আপনার সাথে , তখনি বের হয়ে গেল । এগুলো হল সমস্যা।

সলিউশনে যাই এবার আমরা ।একটি ব্যপার স্বাভাবিক । ধরুন আপনি অনেকদিন করেন না , আপনার পার্টনারের সাথে অনেকদিন পর করতে গিয়ে উত্তেজনায় দ্রুত বের হয়ে আসলো স্পার্ম । এটি স্বাভাবিক , এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই । এটি আপনার অক্ষমতা নয় ।

এবার আসুন দেখি যাদের দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি কি করতে পারেন . -শরীর টাকে আপনার পার্টনারের শরীরের উপরে সমান্তরালে রাখার চেস্টা করুন।শরীরের পুরো ভার আপনার পার্টনারের উপর দিয়ে দিন।ওই অবস্থাতেই খুব রিলাক্স ভাবে আপ ডাউন করুন।মনে রাখবেন যদি শরীর আলগা করে আপ ডাউন করতে যান তবেই কিন্তু আউট হয়ে যাবে। – হাতের ওপর জোর বাড়ানো । অনেক সময় দেখা যায় ছেলেরা করার সময় সব বা প্রায় সব ভর পেনিস এই দিয়ে থাকে , এতে দ্রুত বের হয়ে যেতে পারে তাই হাতে জোর বাড়াতে হবে ।

* মিলনের আগে অবশ্যই মন শান্ত রাখতে হবে, কোনভাবে নিজেকে উত্তেজিত কার যাবে না।মনে আজেবাজে চিন্তা আনা যাবে না।মেরে রাখবেন যৌন মিলন ক্ষণস্থঅয়ী হওয়ার মূল কারণ শারীরিক ও মানসিক দিন দিয়ে অস্থিরতা অনুভব করা। যোনী * সকল প্রকার মানসিক, শারিরীক অস্থিরতা বা চাপ কমিয়ে নিজেকে সহজ করুন। – এক পজিশনে বেশিক্ষণ না করে পজিশন বদলে বদলে করতে হবে । – একটি পদ্ধতি হল একবার বের করে দেয়া ।

আপনি আপনার স্পার্ম পার্টনার কে দেখিয়ে তার গায়ে অথবা অন্য কোথাও সেক্স এর আগেই বের করুন একবার। সে হর্নি হবে দেখে । এবার পেনিস টা ভালমত পানি দিয়ে ধুন । এবার ২মিনিট ব্রেক এর পর আস্তে আস্তে আবার কিসিং শুরু করুন ।

১৫মিনিটের মাথায় আবার ঢুকাতে সক্ষম হবার কথা । * কনডম ব্যবহার করবেন। কারণ কনডম ব্যবহার করলে বীর্যপাত দেরিতে হয়।কনডম ইউজ করলে পুরুষাঙ্গে শির শির ভাব কম হয়, যার কারণে বীর্যপাত হতে দেরি হয়। *যেকোন প্রকার নেশাজাত দ্রব্য পরিহার বাধ্যতামূলক।অনেকদিন যাবত্‍ য্যেন ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য এবং যৌন মিলন দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য তামাকজাত দ্রব্য, মদ, অণ্রান নেশাজাত ওষুধ সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে। – ঢোকানো অবস্থায় যদি আপনার মনে হয় যে এখনি বের হয়ে আসছে তখন আর সোজা ধাক্কা না দিয়ে ঘোরানো শুরু করুন । হাত দিয়ে পেনিস ধরবেন না । * যৌন মিরনের কক্ষেত্রে অবশ্যই ফোর প্লে পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।প্রয়োজনে বেশি সময় নিয়ে ফোর প্লে করবেন।

* বেশিক্ষণ এক আসণে যৌন মিলন করবেন না। ঘন ঘন আসন পরিবরর্তন করুন।নতুনত্ব যেমন মনোযোগ রোমাঞ্চিত করবে তেমনি মিলন দীর্ঘস্থায়ী করবে।তবে সঙ্গীর দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে। দ্রুত বীর্যপাত – একটি অভ্যাস প্র্যাকটিস করুন বাসায় । নিজে কে উত্তেজিত করে বের হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ে যান , এর পর আবার স্বাভাবিক হোন বের না করে ।

এটি সপ্তাহে একবারের বেশি না করাই ভাল কারণ এতে দেহের ক্ষতি হতে পারে । * যৌন মিলনকালে সঙ্গীর আধিপত্যে কখনো লজ্জাবোধ করবেন না। * যৌন মিলন দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য শ্বাসপ্রশ্বাস ধীরে ধীরে নিন।এত করে আপনার পরিশ্রম কম হবে।যার জন্য আপনার শরীর দীর্ঘক্ষণযৌন মিলনের জন্য অটুট থাকবে।

যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায়

যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায়

যৌন মিলন দীর্ঘস্থায়ী করতে সব পুরুষই চায়। প্রত্যেকটি পুরুষ চায় পরিপূর্ণ ভাবে যৌন মিলন করতে। তবে নানান রকম কারণে মানুষের যৌনস্বাস্থ্য এবং যৌন মিলন করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। পৃথিবীতে অধিকাংশ দম্পতিই কোনও না কোনও এক সময় এই অভিযোগটা করেন, যে বিয়ের কিছু বছর পরেই পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে যায়। একদিনে নিঃশেষ হয়ে যায় না; নিঃশেষ হতে থাকে ধীরে ধীরে এবং ক্রমশ। বিশেষ করে স্বামীরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন স্ত্রীদের প্রতি। আবার স্ত্রীরাও আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন স্বামীর প্রতি। আর ফলাফল হয় পরকীয়া ! সংসার ভাঙুক বা না ভাঙুক, সম্পর্ক ঠিকই ভাঙে। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন এমন কেন হয়? দুটো মানুষ পরস্পরকে খুব ভালোবেসে বিয়ে করলেও কেন হারিয়ে যায় আকর্ষণ? কেন হারিয়ে যায় স্বাভাবিক মিলন করার মন মানসিকতা আর কিভাবেই তা ফিরে পাওয়া যায়?

অধিক সময় যৌন মিলন করার পদ্ধতি

ফরাসী যৌন বিজ্ঞানীরা যৌনক্ষমতা কে দুটি সুনির্দিষ্ট ভাগে ভাগ করেছেন। তারা এক শ্রেণীকে বলেছেন ‘Je fais quand je veux’ অর্থাত্‍ আমার যখন ইচ্ছা তখনই আমি যৌন মিলন এ অংশগ্রহণ করতে পারি। দ্বিতীয় শ্রেণী বলেছেন ‘Je fais quand je peux’- আমি মিলনে অংশগ্রহণ করতে পারি যখন আমার মধ্যে যৌনক্ষমতা বজায় থাকে। সাধারণতঃ ১৬ থেকে ৩৮ বছর বয়সের মধ্যে, কখনও কখনও ৪০-৪৫ বছর বয়স পর্যন্তও একজন পুরুষ দিন বা রাত্রি যে কোন সময়, যখনই ইচ্ছা যৌন মিলন করতে প্রবৃত্ত হতে পারেন। এই যৌন মিলন করার জন্য তিনি ইচ্ছা করলে রতিলীলার দ্বারা নিজেকে উত্তেজিত করে নিতে পারেন অথবা রতিলীলাকে বাদও দিতে পারেন। এই মিলনে তাঁর স্ত্রী সঙ্গীর ইচ্ছা বা আধা ইচ্ছাও থাকতে পারে এবং যে কোন অবস্থায়, যে কোন ভঙ্গিতে এবং যে কোন অবস্থানে চাইলে এরা মিলন করতে পারেন। চল্লিশ বা পঞ্চাশোরধ ব্যক্তিরা মিলনের সময় এবং সযন্তে নির্বাচন করে নিলেও সব সময় মিলনে অংশ গ্রহণ করতে পারে না। বয়স যত বাড়তে থাকে, যৌন মিলন এর বিরতির (frequency) সময় ততই দীর্ঘ হতে থাকে। এই বয়সে মিলনে প্রবৃত্ত হতে গেলে এরা রতিলীলার দ্বারা তীব্রভাবে উত্তেজনা লাভের প্রয়োজন অনুভব করেন। শুধু রতিলীলায় অভিজ্ঞ, ধৈর্যশীল এবং তীব্র যৌন আকর্ষণ সম্পন্ন ব্যক্তিরা। মিলন সঙ্গীর এইসব দৈহিক এবং চরিত্রগুণ এই বয়সের পুরুষের যৌন মিলনের অন্যতম প্রধান সহায়ক। এমন বহু বয়স্ক আছেন, যারা অপরিচিত এবং অসহযোগী নারীর সান্নিধ্যে এলে যৌন অক্ষম হয়ে যান, কিন্তু স্ত্রীর কাছে এলে মিলনে সহজে অংশ গ্রহণ করতে পারেন। আবার স্ত্রীর বয়স বেশী হওয়ার জন্য অথবা কোন অসুখ-বিসুখের ফলে দৈহিক স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাওয়া এইসব স্বামীরা যৌন মিলন করতে অক্ষম হয়ে যান। পুরুষের বেশী বয়সে যৌন অক্ষম হয়ে যাওয়ার মুলে যেসব কারণ আছে, এই কারণটি তাঁর মধ্যে একটি অন্যতম প্রধান কারণ।

সাধারনত অধিক সময় নিয়ে যৌন মিলন করাটা পুরুষের সক্ষমতার উপরই নির্ভর করে। তথাপি কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে পুরুষরা তাদের মিলন কাল দীর্ঘায়িত করতে পারেন। তবে কে কতটা দীর্ঘ সময় নিয়ে যৌন মিলন করবে এটা অনেকটাই তাদের চর্চার উপর নির্ভর করে থাকে। আসুন জেনে নিই মিলন দীর্ঘায়িত করার কিছু পদ্ধতি সম্পর্কে।

চেপে/টিপে (স্কুইজ) ধরা – এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়। যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র/বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন। (লিঙ্গের পাশ থেকে দুই আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে হবে।)। চাপ ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন। এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে। স্কুইজ পদ্ধতি একবার মিলন করার সময় আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

সবচাইতে বড় যে ভুলটি করেন বেশিরভাগ মানুষ, সেটা হলো বিয়ের পর নিজেকে আর আগের মত যত্ন না করা। নিজেকে সাজানো, নিজের সৌন্দর্য রক্ষা করা, শরীর সুগঠিত রাখা ইত্যাদি কাজগুলো করেন না। সময়ের সাথে সাথে জীবন থেকে হারিয়ে যায় নিজেকে সুন্দর দেখাবার প্রয়াস। স্বভাবতই সঙ্গীর চোখেও আপনি হয়ে পড়তে থাকেন সাদামাটা। অনেক ক্ষেত্রে কুত্‍সিতও! বিয়ে হয়ে গেলো মানেই ফুরিয়ে গেছে সব? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাই হয়। কেবল দুজনে কোথাও বেড়াতে যাওয়া, একটা রোম্যান্টিক ডেট, রোম্যান্টিক মেসেজ চালাচালি এসব যেন কোথায় হারিয়ে যায়। এমনকি যৌন জীবনটাও হয়ে পড়ে একদম একঘেয়ে। অনেকেই মনে করেন, বিয়ে তো হয়েই গেছে! এখন আর এসব করে কী লাভ? আরে, বিয়ের পরই তো এসবের বেশী প্রয়োজন। রোমান্টিকতার চর্চা করুন মানসিক ও শারীরিক ভাবে। প্রেম ও যৌনতার দুনিয়া, দুটোকেই ভরিয়ে রাখুন নতুনত্বে। এবার এক নজরে দেখে নিন যৌন মিলন দীর্ঘস্থায়ী করার আরো কিছু কার্যকারী উপায় সম্পর্কে।

মাঝে মাঝে একটু দুরত্ব বজায় রাখুন – একটি খাবার যদি আপনি প্রতিদিন খান, কেমন লাগবে আপনার? কিংবা এক সিনেমা যদি রোজ দেখেন? সারাক্ষণ পরস্পরের সঙ্গে থাকলেও তাই হয়। কখনো তাঁকে ছাড়াই বেড়াতে যান। বন্ধুদের সঙ্গে মিশুন, নিজেকেও সময় দিন। একটু দূরত্ব সম্পর্কের জন্য ভালো।

সবসময় আগোছালো থাকা – আচ্ছা, প্রতিদিন আপনার ঘরে পরার পোশাকটি কি খেয়াল করে দেখেছেন কখনও? বেশির ভাগ মানুষই ঘরের মাঝে নিজেকে গুছিয়ে রাখেন না। ভুলে যান যে প্রিয় মানুষটি আপনাকে এই ঘরের মাঝেই দেখছে। তাই নিজেকে একটু গুছিয়ে রাখুন। একটা বিচ্ছিরি পোশাকের চাইতে একটু টিপটপ পোশাক পরুন, চুলটা আঁচড়ে রাখুন। দেখতে সুন্দর দেখালে আকর্ষণটা অটুট থাকবে চিরকাল।

খিটখিটে হয়ে যাওয়া – একটা জিনিষ সব সময় মনে রাখবেন যে, তিনি আপনার স্ত্রী বা স্বামী হলেই তার সাথে খারাপ ব্যবহার করার অধিকার আপনি রাখেন না। বরং তার সঙ্গেই করতে হবে সবচেয়ে ভালো ব্যবহার। কী বা যাবে আসবে, বিয়েই তো করেছি। এই ভাবনা অবিলম্বে ত্যাগ করুন।

মনের যৌন উত্তেজনা কম করুণ – প্রত্যেক যুবক যৌবনবতী নারীর দিকে তাকাতে বা তাঁর সঙ্গে মিশতে ভালবাসে। এই তাকানোর মধ্যে একপ্রকার যৌনোত্তেজনা মনে জাগে যদি কোন সুন্দরী নারীর দেহের কিছুটা অংশ দৃষ্টিগোচর হয়, তাহলে উত্তেজনার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। আধুনিককালে মেয়েরা, যুবতীরা যে ভাবে দেহের বিশেষ বিশেষ অঙ্গ অনাবৃত রেখে জামাকাপড় পরে তাতে পুরুষের যৌন উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। এছাড়া সিনেমায়, সিনেমার বিজ্ঞাপনে, টেলিভিশনে, স্নানের ঘাটে অথবা সমুদ্রতীরে, বিজ্ঞাপনে অর্ধ নগ্ন নারীদেহ নিয়তই পুরুষের মনে উত্তেজনার সৃষ্টি করে। এই উত্তেজনার ক্রমাগত আঘাত পুরুষের স্নায়ুচক্রের অনুভূতিকে ভোঁতা করে দেয়। তাই, পুরুষ যখন কোন জীবন্ত নারীর নগ্নদেহের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে আসে বা খারাপ ছবি দেখে কিংবা চটি গল্প পড়ে-তখন তাঁর মধ্যে যে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, সেই উত্তেজনাই তাঁর স্নায়ুদের বিকল এবং অনুভূতিহীন করে দেয়। একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ উত্তেজনা অবশ্যই প্রয়োজনীয়। কিন্তু পুরুষ মাত্রকেই ‘চরম উত্তেজনা’ এবং ‘মাত্রামতো উত্তেজনা’ এর মাঝে সীমারেখা টানতে শিখতে হবে। মনে উত্তেজনার শিহরণ যত কম হবে পুরুষের যৌন মিলন করার ক্ষমতা তত বেশী শক্তিশালী হবে। এমন অনেক অবিবাহিত বা সদ্যবিবাহিত যুবক আছেন-যারা যৌন জীবনের সঙ্গিনীর কাছে গেলেই লিঙ্গ থেকে কামরস ক্ষরণ হতে শুরু করে-তারপর সঙ্গিনী যখন মিলন কামনা করে তখন লিঙ্গে উত্তেজনা হয় না।

বাইরের টেনশন ঘড়ে নয় – আপনার আর্থিক দুঃশ্চিন্তা, চাকুরী বা ব্যবসা ক্ষেত্রের উদ্বিগ্ন মনোভাব, সংসারের অন্যত্র সংঘটিত কোন কলহজনিত অশান্তি, আপনার দাম্পত্যশয্যায় বয়ে নিয়ে যাবেন না। ঐ দ্বন্দ্ব কহলজাত যে উদ্বিগ্ন মনোভাব, তা পুরুষের যৌন মিলন করার ক্ষমতা স্তিমিত করে দেয়, পুরুষকে উত্তেজনাহীন করে দেয়। আজকের পৃথিবীতে এত বেশী ব্লাডপ্রেসারের আমদানীর মূলও মানসিক উদ্বেগ। মানসিক উদ্বেগ দেহের স্বাভাবিক কর্মপদ্ধতিতে বাঁধা সৃষ্টি করে। দেহের প্রত্যেক বিভাগ এই উদ্বেগের জন্য আহত হয়। পাকস্থলী এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশকে ক্ষতিগ্রস্থ করে, আর যেসব স্নায়ু যৌনাঙ্গকে পরিচালনা করে তারা এর প্রভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বহু মধ্যবয়সী পুরুষ এই জাতের মানসিক উদ্বেগের জন্য যৌনজীবনে নিরুত্‍সাহ হয়ে পড়েন-শেষে একেবারে যৌন মিলন করতে অক্ষম হয়ে পড়েন। ধরুন, আপনি যদি কোন রাত্রিতে শুনতে পান যে, আপনার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় বা বন্ধু মারা গেছে, কি আপনারা এক নিদারুণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, সেদিন কি আপনার যৌন মিলন করার প্রবৃত্ত হতে প্রেরণা জাগে? নিশ্চয়ই না। যেদিন আপনার স্ত্রীর সঙ্গে কোন কারণে ভীষণ মনোমালিন্য হয়-সেদিন কি আপনার রতিমিলনে প্রবৃত্ত হতে ইচ্ছা হয়? নিশ্চয়ই না। অতএব মানসিক উদ্বেগকে যথাসম্ভব আপনার দাম্পত্যশয্যা থেকে দূরে রাখুন।

ধূমপান মদ্যপান বাদ দিন – যারা ধূমপান করেন, তাঁরা বোধ হয় লক্ষ্য করেছেন, যে মানসিক অশান্তি বা উদ্বেগের সময় মানুষ খুব বেশী ধূমপান করে। ধূমপান করলে শরীরে যে নিকোটিনজাত উত্তেজনা সৃষ্টি হয় তা স্নায়ুর উপরে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তাতে সাময়িক উদ্বেগ বাড়ে এবং স্নায়ুবিক দৌর্বল্য আধিক্য লাভ করে। তামাকের নিকোটিন মানুষের রক্তকোষের উপরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। রক্তের কোষগুলি এর প্রভাবে একটার গায়ে আর একটা আটকে যায় এবং রক্ত চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি হয়। যৌন মিলন করার জন্য অবশ্যই রক্ত প্রবাহের সঠিক গতি এবং চলাচল ক্রিয়া অত্যন্ত দরকারী। আবার মাত্রাতিরিক্ত মদ্যমান মানুষের স্নায়ু এবং অনুভূতি শক্তিকে ভোঁতা করে দেয়। মানুষ যখন মদের প্রভাবে থাকে, তখন তাঁর পক্ষে যা কিছু করা সম্ভব এবং তা সে নিজের অবচেতন মনের ইচ্ছার দ্বারা করে। তখন মনের যেমন কোন শক্তি থাকে না, দেহেরও তেমনি শক্তি থাকে না। মদ মানুষের অনুভূতিশক্তি এবং মিলন করার শক্তিকে এইভাবে ধ্বংস করে দেয়।

স্নায়ুর প্রক্ষেপ নিবৃত্তকারী ওষুধ এড়িয়ে চলুন – আধুনিক যুগের জীবনযাত্রার অন্যতম প্রধান সমস্যা মানসিক দ্বন্দ্ব এবং উদ্বেগ। এই উদ্বেগ মানুষকে এত বিব্রত করে তোলে যে, এর নিবৃত্তির জন্য মানুষ চিকিত্‍সকের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হয়। কোটি কোটি উদ্বিগ্ন মানুষের জন্য তাই চিকিত্‍সাবিজ্ঞান আবিস্কার করেছে হাজার হাজার মানসিক উদ্বেগ শান্ত করার ওষুধ। সারা বিশ্বে এইসব ওষুধ বিক্রি হচ্ছে বিড়ি সিগারেটের মতো। এইসব ওষুধ ব্যবহার করলে স্নায়ু এবং গ্রন্থিগুলি অনুভূতিশক্তি হারাতে থাকে। এরপর এমন এক সময় আসে যখন যৌন মিলন করার মানসিকতা নষ্ট হয়ে যায়।

পর্যাপ্ত পরিমাণে স্বাস্থ্যকর খাদ্য খেতে হবে – সাধারণ ভাবে শরীরকে সুস্থ এবং কর্মঠ রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও প্রোটিন যুক্ত খাদ্য খেতে হবে। দেহের স্নায়ুচক্রের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য ভিটামিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, বিশেষ করে ভিটামিন বি-১, ভিটামিন ই । কারণ, পুরুষের মিলন অক্ষমতার মূলে থাকে স্নায়ুতন্ত্রের অসাড়তা বা অসুস্থতা। প্রোটিন খাদ্য দেহকে শক্তিশালী এবং মজবুত করে রাখবে। যৌনমিলনে দৈহিক শক্তিরও বেশ একটা প্রয়োজনীয় স্থান আছে। খাদ্যের অভাবে, পুষ্টির অভাবে দেহ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। গ্রন্থিরা ঠিকমতো পুষ্টি পায় না-ফলে যৌনমিলনে যেসব জিনিস দেহের দরকার তারা নিস্তেজ থাকায় কাজ করে না বলেই যৌন অক্ষমতা দেখা দেয়।

পর্যাপ্ত মুক্ত বাতাসে ব্যায়ম করা দরকার – যৌনক্ষমতা বজায় রাখার জন্য দেহের মাংসপেশীর স্বাস্থ্য যেমন দরকারী, তেমনি দরকার দেহের মধ্যে রক্তের সঠিক সঞ্চালন। আর এই দুইটির একটির জন্য দরকার নিয়মিত ব্যায়াম-অন্যটির জন্য মুক্ত বাতাস। ব্যায়াম করলে দেহের মাংসপেশীরা উপকৃত হবে, ঠিকমতো গড়ে উঠবে এবং বৃদ্ধি পাবে। আর মুক্ত বাতাস থেকে অক্সিজেন পেলে রক্ত চলাচল সঠিক হবে। যৌন উত্তেজনা হলে দেহের পেশীগুলি যেমন স্ক্রিয় হয়, তেমন রক্ত চলাচলের গতিও বৃদ্ধি পায়। চাইলে যোগ ব্যায়াম ও করতে পারেন।

প্রয়জন সহযোগিতার – পুরুষের যৌন মিলন করার অক্ষমতা নারীর সহযোগিতা পেলে অনেকাংশে দূর হয়। যৌন জীবনের সঙ্গিনী যদি পুরুষকে সাহায্যে করে তাহলে যৌন মিলন অক্ষম পুরুষও দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। যৌন মিলন যে সঙ্গীর সঙ্গেই হোক না কেন, মনকে দৃঢ় রাখতে হবে, কোন প্রকার ভীতি সংশয় বা সন্দেহ মনে দেখা দিলে যৌন অক্ষমতা অনিবার্য হয়ে আত্মপ্রকাশ করে। অনেক সময় দেখা যায় যে, অনেক পুরুষ স্বল্প সময়ের মধ্যেই বীর্যপাত করেন, যার ফলে নারী অতৃপ্ত থেকে যায়। তাই মিলন করার সময় নারীর চাওয়া পাওয়াকে বেশি প্রাধান্য দেয়া উচিত। মিলনের সময় বাড়াতে আরো যা খেয়াল রাখবেন –

▪নিজেকে অযথা উত্তেজিত হতে দিবেন না, ধৈর্য ধরুন। উত্তেজিত হলে দীর্ঘক্ষণ সঙ্গম করা সম্ভব নয়।▪সঙ্গিনীর গায়ে হাত দেয়ার আগে তাকে ভালোবাসুন।▪চুম্বন দিয়ে শুরু করুন এবং তা দীর্ঘায়িত করুন।▪স্পর্শ কাতর অংশে প্রথমেই হাত দিবেন না।▪সঙ্গিনী পুরোপুরি উত্তেজিত হবার ১-২ মিনিট পর মিলন করার প্রস্তুতি নিন।▪কখনোই জোর করে কিছু করবেন না অথবা জোর করে দীর্ঘায়িত করবেন না।▪সঙ্গীনির পছন্দ অনুযায়ী আসন পরিবর্তন করুন। কারণ আসন পরিবর্তনে মিলনের ইচ্ছা পুনরায় বেড়ে যায় যার কারণে দীর্ঘসময় মিলন করা সম্ভব।▪একজনের আমন্ত্রনের জন্য অন্যজন বসে থাকবেন না▪কারো আগে পরে বীর্যপাত হলে কিংবা শক্ত না হলে সঙ্গীকে দোষারোপ করবেন না। মাঝে মাঝে এরকম হতেই পারে।

পরিশেষে – যৌন অক্ষমের মূলে যেমন মানসিক কাজ করে, তেমনি দৈহিক কারণও আছে। যদি কেউ যৌন অক্ষমতার দরুণ যৌনজীবনে বিপর্যস্ত হতে বসেন, তবে তাঁর উচিত্‍ কোন ভাল চিকিত্‍সককে দিয়ে তাঁর যৌনাঙ্গ ও প্রষ্টেট সংক্রান্ত অঙ্গগুলি পরীক্ষা করা এবং মানসিক কারণটি খুঁজে বের করা। রতিবিরতিতে ব্রহ্মচর্য লাভ হতে পারে কিন্তু যৌন জীবন দুর্বল হয়ে পড়ে। যাদের যৌন জীবন যৌবনের যত প্রথমে শুরু হয় তারা তত বেশি দিন যৌন জীবনে সক্রিয় থাকেন। অবশ্য এর জন্য দেহ এবং মনের যত্ম নিতে হবে, পরিত্যাগ করতে হবে অসুস্থ এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা।

কীভাবে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সব কাজ হয়। কাজেই এবার সারা দেশে শিক্ষক নিয়োগ হবে শতভাগ স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে।

শুক্রবার চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার হাইমচর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

গত ১০ বছরে শিক্ষাখাতে অসামান্য অর্জনের কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এত বড় দেশ, এত মানুষ এবং এত শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এখনও কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে। শিক্ষাক্ষেত্রে যেসব সমস্যা রয়েছে আমি সেসব সমস্যা সমাধানে কাজ করতে চাই।

তিনি বলেন, আগামী যাতে দেশের কোথাও কোনও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক স্বল্পতা না থাকে সে বিষয়ে আমরা কাজ করব। শিক্ষক স্বল্পতার বিষয়টি নিরসন করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- হাইমচর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি, হাইমচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটোয়ারী, বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র সুনিল কৃষ্ণ মাঝি, চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মঈনুল হোসেন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান প্রমুখ।

লিটু ভাই, শুনতে পাচ্ছেন? আপনার রোগীরা কাঁদছে

রাজধানীর উত্তরার আশকোনার বাসিন্দা সত্তরোর্ধ্ব হাজি আবদুস সাত্তার। আজ (শুক্রবার) জুমার নামাজ পড়ে বাসায় ফিরে নিজ কক্ষে গিয়ে বসেন। ছেলেমেয়েরা লক্ষ করলেন, তিনি কাঁদছেন। বাবাকে কাঁদতে দেখে ভয় পেয়ে গেলেন তারা। পরে বাবার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলেন- তিনি (আবদুস সাত্তার) যে হৃদরোগের চিকিৎসকের কাছে নিয়মিত চিকিৎসা নিতেন সেই চিকিৎসক ডা. রাকিবুল ইসলাম লিটুর মৃত্যু হয়েছে। এ সংবাদ শুনে তিনি কাঁদছেন।

আবদুস সাত্তার ছেলেমেয়েদের জানালেন, তাদের বাবা দীর্ঘদিন যাবৎ হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছেন। বারডেম হাসপাতালে স্ট্যান্টিং (রিং পরানো) অস্ত্রোপচারের পর বলতে গেলে গত প্রায় ১০বছর ডা. লিটুর কাছেই চিকিৎসা নিতেন। তার কথাবার্তায় ভরসা পেতেন। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ছুটতেন ডা. লিটুর চেম্বারে। বিদেশে থাকার কারণে ছেলেমেয়েরা অন্য চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে চাইলেও আবদুস সাত্তার রাজি হতেন না। আকস্মিকভাবে ডা.লিটুর মৃত্যুতে তিনি মুষড়ে পড়েছেন বলে জানালেন। শুধু বৃদ্ধ আবদুস সাত্তার একাই নন, ডা.লিটুর মৃত্যুতে অসংখ্য রোগী নীরবে চোখের জল ফেলছেন।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটতে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

ল্যাবএইড হাসপাতালের মুখপাত্র সাইফুর রহমান লেলিন জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে মাল্টি অরগান ফেইলিউর (হৃদরোগ, কিডনি, লাং ও নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন সমস্যা) নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন ডা. রাকিবুল ইসলাম লিটু।

মানবদরদি এই চিকিৎসক চেম্বারে প্রতিদিন যত রোগী দেখতেন তার অধিকাংশের কাছ থেকেই ফি নিতেন না। বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ভিজিটে এসে যেসব ওষুধ দিতেন তা রোগীদের মধ্যে বণ্টন করে দিতেন। বহু দরিদ্র হৃদরোগীর জটিল অস্ত্রোপচার বিনা পারিশ্রমিকে করে দিয়েছেন। অসংখ্য রোগীকে বাড়ি ফেরার টাকা পকেট থেকেও দিয়ে দিতেন।

দরিদ্র রোগীদের কল্যাণের জন্য উদ্যোগী হয়ে গঠন করেছিলেন পেসেন্টস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের মহাসচিব হিসেবে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের হৃদরোগের এই অধ্যাপক স্বপ্ন দেখতেন এ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দেশের হৃতদরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার খরচ মেটানোর।

তিনদিন আগে গত ১৫ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি লিখেছিলেন ‘ গরিব রোগীদের চিকিৎসা ও অধিকার নিশ্চিত করতে আমাদের সংগ্রাম চলছেই, চলবে। এই সংগ্রামে সমাজের সব পেশার বিবেকবান মানুষদের পাশে চাই। আপনার একদিনের সিগারেটের টাকা একজন হৃতদরিদ্র রোগীর জীবন বাঁচাতে পারে।’

আজ (শুক্রবার) সকাল ১০টায় পেসেন্ট ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে উত্তরা সাত নম্বর সেক্টরে রবীন্দ্র সরণিতে দুঃস্থ রোগীদের জন্য ফ্রি চিকিৎসা ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের আয়োজন করেছিলেন তিনি। কিন্তু অনুষ্ঠানের দিনই তিনি মৃত্যুর হিমশীতল কোলে ঢলে পড়লেন।

দেশের স্বাস্থ্য সেক্টর তথা সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা শিক্ষা উন্নয়নের স্বপ্ন দেখতেন ডা. রাকিবুল ইসলাম লিটু। এ সেক্টরে যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে একাই লড়াই করার সাহস রাখতেন। যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন সে প্রতিষ্ঠানের অন্যায় দেখলেও গণমাধ্যমের শুভাকাঙ্ক্ষিদের জানিয়ে দিতেন।

গণমাধ্যমের (প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন) সম্পাদক থেকে জুনিয়র রিপোর্টার সবার প্রিয় ছিলেন ডা. লিটু। সবার আপদে-বিপদে সাড়া দিতেন। হৃদরোগজনিত সমস্যা নিয়ে কেউ ফোন করলে তার এক কথা- দ্রুত চলে আসুন, বাকি দায়িত্ব আমার।

তার মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শোকের মাতম চলছে। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করে বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ আবেগঘন স্ট্যাটাস দিচ্ছেন।

একজন ক্ষুদে গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে দেড় যুগেরও বেশি সময় যাবৎ তার সঙ্গে পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা। ছোট ভাই হিসেবে সবসময় পাশে রেখেছেন, বড় ভাই হিসেবে পাশে থেকেছেন। আজ সকালে একসময়ের সহকর্মী পীর হাবিব ভাইয়ের স্ট্যাটাসে ডা. লিটুর অসুস্থতার খবর পেয়ে বুকটা অজানা আশঙ্কায় কেঁপে ওঠে। কিন্তু ভুলেও কল্পনা করতে পারিনি তিনি মারা যাবেন।

মৃত্যু অনিবার্য। একদিন সবার চলে যেতে হবে। কিন্তু কারও কারও মৃত্যুতে দেশের, জাতির ও দরিদ্র মানুষের বিরাট ক্ষতি হয়। ডা. লিটুর মৃত্যুতে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো বহুসংখ্যক রোগীর। বিশেষ করে গরিব ও অসহায় রোগীদের। আর এ কারণেই তার মৃত্যুতে রোগীরা কাঁদছেন। কফিনে শুয়ে কি তিনি সেই কান্না শুনতে পাচ্ছেন ডা. রাকিবুল ইসলাম লিটু?

নারী আসনে যাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে না

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ইচ্ছুকের সংখ্যা সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। ৪৫টি আসনের বিপরীতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে ফরম কিনেছেন এখন পর্যন্ত ১০৫৫ জন। এটা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন রেকর্ড। লক্ষণীয় যে এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে তারকাদের ঢল নেমেছে। ২০০১ সালে যারা হাওয়া ভবনে লাইনে দাঁড়িয়ে তারেক জিয়াকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, তাঁরাও এবার আওয়ামী লীগের টিকেটে সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার জন্য দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, সেলিব্রেটি নয় বরং ৫ যোগ্যতার ভিত্তিতে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি দলের যোগ্য, ত্যাগী এবং পরীক্ষীতদেরই মহিলা এমপি হিসেবে মনোনীত করবেন। তারকা হলেই মনোনয়ন পাবে এমন কোন কথা নেই।’ জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সংরক্ষিত আসনের জন্য ৫ টি যোগ্যতা চুড়ান্ত করেছেন। এই ৫ মাপকাঠির ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবেন, একাদশ জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগ মনোনীত ৪৫ জন এমপি। এই ৫ মাপকাঠি হলো:

১. যেসব জেলায় গতবার এবং তার আগেরবার কোন মহিলা এমপি মনোনীত হননি। সেই জেলাগুলো থেকে যারা মনোনয়ন প্রত্যাশী তাদের অগ্রাধিকার দয়া হবে। আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, এরকম জেলার সংখ্যা ২১ টি।

২. দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগ বা অঙ্গসংগঠন করে মূল দলে বা মহিলা অঙ্গসংগঠনে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে তাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

৩. ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় আহত, ২০০১ সালের নির্বাচনের পর ক্ষতিগ্রস্থ এবং নির্যাতিত এবং ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেনে সক্রিয়দের ব্যাপারে প্রাধান্য দেয়া হবে

৪. দীর্ঘদিন রাজনীতি করছেন, কিন্তু গত দশবছরে কিছু পাননি এমন নিবেদিত প্রান নেতা-কর্মীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

৫. আওয়ামী লীগের সঙ্গে সক্রিয় জড়িত, পাশাপাশি স্বপেশায় আলোচিত, প্রশংসিত এমন চিকিৎসক, শিক্ষক, আইনজীবী, শিল্পীদের বিবেচনা করা হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘এমপি হিসেবে যারা সংসদে এবং এলাকায় অবদান রাখতে পারবেন, তাদেরকেই আমরা বিবেচনা করবো।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ত্যাগী এবং পরীক্ষিতদের এবার মূল্যায়ন করা হবে সবার আগে।’ আওয়ামী লীগের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হওয়ার যোগ্যতার মাপকাঠি যেমন চূড়ান্ত করা হয়েছে, তেমনি চূড়ান্ত করা হয়েছে ৫ অযোগ্যতা। যারা মনোনয়নে বিবেচিত হবে না। এই অযোগ্যতাগুলো হলো-

১. যারা কখনো আওয়ামী লীগ সরাসরি করেননি, হঠাৎ করেই মনোনয়ন চেয়েছেন।

২. যারা বিগত সময়ে এমপি ছিলেন কিন্তু সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন অথবা তাদের কর্মকান্ডে দল বিব্রত হয়েছে।

৩. যাদের নিয়ে বিতর্ক আছে বা বিভিন্ন ধরণের অভিযোগ আছে।

৪. বিএনপি বা জামাত করতেন এখন আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন।

৫. ওয়ান ইলেভেনে সংস্কারপন্থী ছিলেন অথবা সংস্কারপন্থীদের ঘনিষ্ট ছিলেন।

তবে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা বলছেন, চূড়ান্তভাবে কারা মনোনয়ন পাবেন তা ঠিক করবেন দলের সভাপতি।

মারাত্মক যৌনরোগ সিফিলিস: কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার

যৌনরোগসমূহের মধ্যে অন্যতম মারাত্মক রোগটি হল সিফিলিস। এটি মূলত একপ্রকার ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ৷ এই রোগ সাধারনত সহবাসের মাধ্যমেই ছড়ায়৷ এই ব্যাকটেরিয়ায়র নাম ট্রিপোনেমা প্যাল্লিডাম৷ যে গর্ভবতী মায়েরা এই ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের শিকার তাদের ক্ষেত্রে গর্ভজাত শিশু অ্যাবনরমাল হতে পারে বা শিশু জন্মের পরই মারা যেতে পারে৷

রোগ কীভাবে ছড়ায়? অনিরাপদ যৌনমিলন বা সংক্রমিত ব্যাক্তির সঙ্গে সহবাসের ফলে এই রোগ ছড়ায়৷ ভ্যাজাইনাল, অ্যানাল বা ওরাল সেক্সের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করে৷ শুধু মাত্র সহবাসই য়ে এই রোগের জন্য দায়ী তা কিন্তু নয়, রক্তদানের সময় একই সূঁচ ব্যবহার করলেই এই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে৷ কিন্তু একই শৌচালয় ব্যবহার করলে বা জামা বদল করলে এই ব্যাকটেরিয়া ছড়ায় না৷ করাণ সিফিলিস রোগের ব্যাকটেরিয়া মানব দেহের বাইরে বেশিক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে না৷

রোগের লক্ষণ: এই রোগের তিনটি আলাদা পর্যায় রয়েছে৷ রোগের পর্যায় অনুযায়ী উপসর্গ পরিলক্ষিত হয়৷এই রোগের প্রথম ধাপ কে প্রাইমারি সিফিলিস বলা হয়৷ এটিতে যৌনাঙ্গ বা মুখের আশে পাশে যন্ত্রণাহীন কালশিটে দাগ পড়তে দেখা যায়৷ এই দাগগুলি ২ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে আবার মিলিয়ে যায়৷দ্বিতীয় ধাপটি হল সেকেন্ডারি সিফিলিস৷ এই পর্যায়ের লক্ষণ আবার আলাদা হয়, যেমন – ত্বকে ফুসকুড়ি, গলা ব্যথা৷ এগুলি কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেড়ে যায়৷ এরপরে এটি সুপ্ত অবস্থায় চলে যায় এবং এটি প্রায় কয়েকবছর ধরে থাকে৷

তৃতীয় পর্যায়ে এটিকে টেরটিয়ারি সিফিলিস বলা হয়ে থাকে৷ এটি হল সবচেয়ে মারাত্মক পর্যায়৷প্রতি তিন জন সিফিলিস আক্রান্ত রোগী যারা এর চিকিৎসা করেন না তাদের ক্ষেত্রে এই টেরটিয়ারি সিফিলিস দেখা যায়৷ এটি মস্তিষ্ক, চোখ শরীরকে গুরুতর ভাবে ক্ষতি করতে পারে৷রোগের প্রতিকার: এই রোগের নির্ণয় করতে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ একান্ত প্রয়োজন৷ উপসর্গের সূচনা হলে যৌন স্বাস্থ্য ক্লিনিক বা ডাক্তারের কাছে যান৷ প্রাথমিক সিফিলিস চিকিৎসার মাধ্যমে সাড়িয়ে তোলা যায়৷ তবে তা যদি কোন ভাবে মারাত্মক আকার ধারণ করে তবে এ থেকে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে৷

প্রাথমিক পর্যায়ে যদি সিফিলিস ধরা হড়ে তবে অ্যান্টিবায়োটিক ও পেনিসিলিন ইনজেকশনের মাধ্যমে এটিকে সুস্থ করা যায়৷ তবে যদি সিফিলিস রোগের চিকিৎসা না করা হয় তবে এটি ভয়াবহ আকার নিতে পারে৷ এছাড়াও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই রোগ থেকে এইআইভি সংক্রমণ হতে পারে৷ তাই এই রোগ এড়াতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হল অরক্ষিত যৌনমিলন এড়িয়ে চলা এবং সুরক্ষিত যৌন পদ্ধতি গ্রহণ করা৷

প্রস্রাবে এসব পরিবর্তন দেখলেই সতর্ক হোন; হতে পারে মারাত্মক কিছু

আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে একটা সাধারণ প্রবণতা হলো, শরীরের কোনো অস্বাভাবিক আচরণকে প্রাথমিকভাবে পাত্তা না দেওয়া। তারপর যখন সেই অস্বাভাবিকতা বেড়ে গিয়ে রোগের সৃষ্টি করে, তখন সবাই ছোটে ডাক্তারের কাছে। কিন্তু শরীরের অসুখ বাসা বাঁধলে তাকে নির্মূলের সহজতম উপায় দ্রুত চিকিত্‍সা শুরু করা। প্রতিদিন কিছু বিষয়ে নজর রাখলেই বেশ কিছু অসুখের প্রাথমিক অবস্থাতেই সতর্ক হওয়া যায়। যেমন প্রস্রাবের রং। ► বার বার প্রস্রাব পাওয়াকে অনেকেই ডায়াবেটিসের লক্ষণ বলে জানেন। অনেকেরই রাতে ঘুম ভেঙে যায় প্রস্রাবের কারণে। তবে কেবল ডায়াবেটিসই নয়, কিডনির যে কোনো সমস্যার প্রাথমিক উপসর্গ হতে পারে এটি।

তাই এমনটা হলেই তাকে শুধুই ডায়াবেটিসের লক্ষণ ভেবে বসবেন না। বরং প্রথমেই যে কোনো কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ► প্রস্রাবের রংয়ের উপর নির্ভর করে অনেক রোগের উপসর্গ। লিকার চায়ের মতো গাঢ় বাদামি রঙের প্রস্রাব হলে সেটা রেনাল ফেলিওরের প্রাথমিক লক্ষণও হতে পারে। তাই সচেতন হোন। ► প্রস্রাব হলুদ হলে আমরা ধরেই নিই শরীরে জলের অভাব ঘটেছে। তা অনেক ক্ষেত্রেই সঠিক। এমন হলে নিয়ম মেনে পর্যাপ্ত জল খান সারাদিন। কিন্তু তাতেও সমস্যা না মিটলে কয়েকদিন অপেক্ষা করুন। দুই দিন টানা এমন ঘটতে থাকলে আর সময় নষ্ট না করে চিকিত্‍সকের কাছে যান। রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলেও এমনটা হয়ে থাকে।

► প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত বের হলে ডাক্তারের কাছে যেতে একেবারেই দেরি করবেন না। শরীরে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে গেলেও এমন রক্তপাত হয়। কাজেই সাবধান হয়ে যান প্রথম থেকেই। ► প্রস্রাব অস্বচ্ছ? বিয়ারের মতো ফেনা ভাসতে থাকে? শরীরের প্রয়োজন বুঝে জল খান। তাতেও এই সমস্যা না মিটলে বুঝবেন কিডনির কোনো সমস্যার উপসর্গ এটি। কাজেই দ্রুত ডাক্তারের কাছে গিয়ে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।

দুনিয়াতে যে কাজ করলে কখনো অভাব দূর হবেনা

ইসলাম ধর্ম মানব জীবনের সম্পূর্ণ বিধান । সকল কিছুর সমাধান এই ধর্মে আছে । মানব জীবন টা কিভাবে কাটাতে হবে , কিভাবে চলতে হবে , কোন পথে চললে মঙ্গল আর কোন পথে চললে অমঙ্গল সবই বলা আছে এই ইসলাম ধর্মে।

দুনিয়াতে অনেক মানুষ আছে যারা আল্লাহর হুকুম আহকাম পালনের ক্ষেত্রে অলসতা বা দেরি করে বা তা করার সময় হয়নি কিংবা পরে করবে বলে রেখে দেয়। এ সব বিষয়ে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে সতর্ক করেছমেআল্লাহ তাআলা ইবাদত-বন্দেগি ও তার বিধি-বিধান পালনে আগ্রহী ও অলসতাকারীদের জন্য সুসংবাদ ও কঠোরতা প্রকাশ করেছেন। হাদিসে কুদসিতে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এমন একটি ঘোষণাই এসেছে।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন-‘হে আদম সন্তান! আমার ইবাদতের জন্য তুমি নিজের অবসর সময় তৈরি কর ও ইবাদতে মন দাও; তাহলে আমি তোমার অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেব এবং তোমার দারিদ্র্য ঘুচিয়ে দেব।আর যদি তা না কর; তবে-তোমার হাতকে ব্যস্ততায় ভরে দেব এবং তোমার অভাব কখনোই দূর হবে না।’ (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ)

উল্লেখিত হাদিসের ঘোষণা অনুযায়ী যারা ইবাদত-বন্দেগিসহ যাবতীয় বিধি-বিধান পালনে নিজেকে তৈরি করবে; তাদের অন্তরকে আল্লাহ তাআলঅ প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেবেন এবং তাদের অভাব-অনটন দূর করে দিবেন।পক্ষান্তরে যারা নামাজ, রোজা, হজ, যাকাতসহ যাবতীয় ইবাদত-বন্দেগিসহ আল্লাহর বিধি-বিধান পালনে ব্যস্ততা দেখাবে; বা সময় হয় না বলে ইবাদত-বন্দেগিতে নিজেদেরকে পিছিয়ে রাখবে; তাদেরকে আল্লাহ তাআলা সব সময়ই ব্যস্ততায় রাখবেন এবং কখনোই তাদের অভাব দূর হবে না।

সুতরাং ইবাদত-বন্দেগিতে ব্যস্ততা বা তাড়াহুড়ো বা অলসেমি নয় বরং সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্দেষিত ও নির্ধাররিত ইবাদত যথাযথ পালন করে দুনিয়ার স্বচ্ছলতা ও স্বচ্ছন্দ্যপূর্ণ জীবন লাভের পাশাপাশি পরকালের সফলতা লাভ করা জরুরি।আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দুনিয়ার জীবনে ইবাদত-বন্দেগি ও বিধি-বিধান পালনের মাধ্যমে স্বাচ্ছন্দ্য ও স্বচ্ছলতা লাভ করার তাওফিক দান করুন। অবহেলা আলসেমি থেকে নিজেকে বিরত রেখে দুনিয়ার অভাব ও ব্যস্ততা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।