জিভের রং দেখে বুঝে নিন, শরীরে কোন কোন রোগ বাস বেঁধেছে

আপনি সুস্থ না অজান্তেই শরীরে কোনও রোগ বাসা বেঁধেছে? বুঝে যান জিভের রঙ দেখে! জিভের স্বাভাবিক রং হালকা গোলাাপি। চিকিৎসকেরা বলেন, জিভের রংয়ের তারতম্যে ধরা যায় শরীর সুস্থ নাকি অসুস্থ!

সাদা: জিভের রং যদি সাদা মানে, আপনার ডিহাইড্রেশন হয়েছে। তবে জিভের উপরে যদি মোটা সাদা আস্তরণ পরে, তা ‘লিউকোপ্লাকিয়া’র লক্ষণ, যার কারণ ধূমপান।

ফ্যাকাসে: পুষ্টিহীনতায় ভুগলে জিভের রং ফ্যাকাসে হয়ে যায়।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

হলুদ: হজমে কিংবা যকৃত বা পাকস্থলিতে সমস্যা দেখা দিলে জিভের উপর হলুদ রংয়ের আস্তরণ পড়ে। অনেকসময়ে, নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ সেবন কিংবা মুখগহ্বরে পরিচ্ছন্নতার অভাবেও জিভে হলুদ আস্তরণ পড়তে পারে।

বাদামি: প্রচুর কফি খেলে বা অতিরিক্ত ধূমপানের কারণে জিভের রং বাদামি হয়ে যায়। কালো: যাঁরা অতিরিক্ত ধুমপান করেন, তাঁদের জিভে ব্যাকটিরিয়া জমে কালো হয়ে যেতে পারে, এমনকি জিভে চুলও গজাতে পারে।

লাল: ‘ফলিক অ্যাসিড’ কিংবা ‘ভিটামিন বি ১২’-এর অভাবে জিভ লাল হয়ে যায়। কাছ থেকে দেখলে জিভে মানচিত্রের আদলে লাল দাগ দেখা যায়, একে বলে ‘জিওগ্রাফিক টাং’।

নীল: হৃদযন্ত্রের সমস্যায় জিভের রং নীল কিংবা বেগুনি হয়ে যায়। অর্থাৎ, আপনার হৃদযন্ত্র পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ করছে না অথবা রক্তে অক্সিজেনে অভাব দেখা দিয়েছে।
হৃদযন্ত্রের সমস্যায় জিভের রং নীল কিংবা বেগুনি হয়ে যায়। অর্থাৎ, আপনার হৃদযন্ত্র পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ করছে না অথবা রক্তে অক্সিজেনে অভাব দেখা দিয়েছে।

লেবুর থেকেও লেবুর খোসায় বেশি উপকারিতা

লেবুর গুণাবলী সকলেরই জানা। শীত হোক বা গ্রীষ্ম, লেবু রান্নাঘরে সব সময়েই থাকে। কিন্তু জানেন কি লেবুর খোসারও রয়েছে দারুণ গুণ। তাই এখন থেকে লেবুর খোসা ফেলে না দিয়ে রেখে দিন যত্ন করে।

জানা গেছে, লেবুর খোসার মধ্যে রয়েছে নিউট্রিয়েন্টস, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী।এ ছাড়াও লেবুর খোসার মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রয়েছে। চিকিৎসক দের দাবি, লেবুর থেকেও লেবুর খোসায় রয়েছে বেশি উপকারিতা। 

লেবুর খোসা ব্যবহার করতে হলে প্রথমে একটি লেবুকে ধুয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। এরপর একটি গ্রেটার দিয়ে লেবুর খোসাসহ গ্রেট করুন। রান্না করা গরম গরম সুপ, মাছের ঝোল বা নুডলসের উপরে ছড়িয়ে দিন লেবুর কুচি। যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনই খাবারে স্বাদও বাড়ায় এই লেবুর কুচি।

চিকিৎসকরা জানান, লেবুর খোসায় লেবুর রসের চেয়ে ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি ভিটামিন থাকে। নিয়মিত খেলে শরীরে কোনও রকমের সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। লেবুর রসের মধ্যে উপস্থিত অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন দূর করে। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়ে। এ ছাড়াও নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কমে।

বগুড়া-৬ আসনে যত ভোটে এগিয়ে মির্জা ফখরুল

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে ফলাফল গণনার বগুড়া-৬ (সদর) আসনে এখন পর্যন্ত ৩টি কেন্দ্রের ফলাফল জানা গেছে। এতে ৫ হাজার ৪২৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছে ধানের শীষ প্রার্থী বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অপরদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী লাঙ্গলের নুরুল ইসলাম ওমর পেয়েছে মাত্র ৫৫৯ ভোট। কেন্দ্র ৩টি হলো: এরুলিয়া ইউনিয়ন বোর্ড- এখানে ধানের শীষ পেয়েছে
২০২৬ ভোট এবং লাঙ্গল পেয়েছে ২৬০ ভোট!

বানদিঘী প্রাইমারি স্কুল কেন্দ্রে ধানের শীষ পেয়েছে ১৪০৫ ভোট এবং লাঙ্গল পেয়েছে ১৪০ ভোট, বড়ুখোড়া কেন্দ্রে ধানের শীষ পেয়েছে ১৯৫৯ ভোট এবং লাঙ্গল পেয়েছে ১৫৯ ভোট। এই ৩টি কেন্দ্রে মোট ৫৯৮৩ ভোটের মধ্যে ৫৪২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে এগিয়ে রয়েছে ধানের শীষ প্রার্থী মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অপরদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী লাঙ্গলের নুরুল ইসলাম ওমর পেয়েছে মাত্র ৫৫৯ ভোট।

লালমনিরহাটে জি এম কাদেরের হ্যাট্রিক বিজয়: লালমনিরহাট–৩ আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন মহাজোট প্রার্থী জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের । তিনি ৩৩ হাজার ৫৪৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, জি এম কাদের পেয়েছেন এক লাখ ১২ হাজার ৬৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আসাদুল হাবিব দুলু পেয়েছেন ৭৮ হাজার ১১৩ ভোট।

এই আসন থেকে জি এম কাদের এর আগে দুই বার জয়ী হয়েছিলেন।জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের ছোট ভাই জি এম কাদের ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাণিজ্য মন্ত্রী এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কনকচাঁপা পেলেন ১৬০ ভোট: ভোট কেন্দ্রে প্রদানে বাধা প্রদান, এজেন্টদের প্রবেশ করতে না দেয়া এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ এনে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কনকচাঁপা ভোট বর্জন করেন। ভোট বর্জন করলেও নির্বাচনে সবচেয়ে বড় ভরাডুবির শিকারই হয়তো হতে যাচ্ছেন তিনি! সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর-আংশিক সদর) আসনে বিপুল ভোটে এগিয়ে রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ নাসিম। এ আসনে ভরাডুবি হচ্ছে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপার।

রোববার সন্ধ্যায় কাজীপুর উপজেলা সম্মেলন কক্ষে স্থাপিত ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশ কেন্দ্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।কাজীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুল হক সিদ্দীকা এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সিরাজগঞ্জ-১ আসনের ১১২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬০টি কেন্দ্রে বেসরকারি ফলাফল পৌঁছেছে। মোহাম্মদ নাসিম নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৪ হাজার ৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী রোমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ১৬০ ভোট।

নারকেল তেল খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে

নারকেল তেল সাধারণত চুলের পরিচর্চায় ব্যবহার করি আমরা। তবে নারকেল তেলে রান্নার ব্যবহার খুবই কম বললেই বলা যায়। সে কারণেই রান্নায় এই তেলের গুণাগুণ সম্পর্কে আমরা খুব কম জানি। গবেষকরা বলছেন অন্যান্য তেলের থেকে নারকেল তেল খেলে হার্ট ভাল থাকে।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা একটি সমীক্ষা করেন। যেখানে ৫০ থেকে ৭৫ বছর বয়সী ৯৪ জন মানুষকে নিয়ে সেই সমীক্ষা করা হয়। হৃদরোগ কিংবা ডায়াবিটিস হয়নি এমন ব্যক্তিদের নিয়ে সেই গবেষণায় প্রত্যেকদিন ৫০ গ্রাম কিংবা ৩ চামচ নারকেল তেল, নাহলে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল কিংবা আনসল্টেড বাটার টানা ৪ সপ্তাহ ধরে খেতে বলা হয়।

গবেষকরা সেই সমীক্ষার মাধ্যমে দেখতে চেয়েছিলেন, এই ধরনের ফ্যাট প্রত্যেকদিন শরীরে গেলে তাঁদের কোলেস্টেরলের মাত্রায় কী তফাৎ দেখা দেয়। ৪ সপ্তাহ পর দেখা যায়, যারা বাটার খেয়েছিলেন তাদের মধ্যে LDL কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা ১০ শতাংশ বেড়ে গেছে।

যারা অলিভ অয়েল খেয়েছিলেন, তাদের মধ্যে LDL কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে গিয়ে HDL বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা ৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। সব থেকে চমকদার বিষয়, যারা ৪ সপ্তাহ ধরে রান্নায় নারকেল তেল খেয়েছিলেন, তাদের মধ্যে HDL বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা ১৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। তাই সমীক্ষা শেষে গবেষকদের মন্তব্য, হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নারকেল তেল খাওয়া খুবই জরুরি।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী শেখ হাসিনা

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালিপাড়া) আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। শেখ হাসিনা পেয়েছেন দুই লাখ ২৯ হাজার ৫৩৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এসএম জিলানী পেয়েছেন মাত্র ১২৩ ভোট। রবিবার রাত ৮টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোখলেসুর রহমান সরকার এই বেসরকারি ফল ঘোষণা করেন। খবর-

খালেদার আসনে শিরিনের জয়: ফেনী প্রতিনিধি : ফেনী-১ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন মহাজোটের প্রার্থী জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার। তিনি ২ লাখ ১ হাজার ৮শ ১০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী রফিকুল ইসলাম মজনু পেয়েছেন ২৫ হাজার ৬শ ১৬ ভোট। রবিবার সন্ধ্যায় জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজজামান কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত এ ফলাফল জানান।

এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১০৬টি। নারী ভোটার ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৩৩ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৫ হাজার ১২২ জন। মোট ভোটার ৩ লাখ ৫ হাজার ৫৫ জন। এই আসন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ঘাটি পরিচিত। জেলে থাকার কারণে এবার নির্বাচন না করতে পারলেও এই আসন থেকে আগে চারবার নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

কেন্দ্রেই হিরো আলমকে মারধর (ভিডিও) বগুড়া-৩ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে কেন্দ্রে প্রকাশ্যে মারধর করা হয়েছে। মারধরের ভিডিওতে দেখা যায়, সকালে স্থানীয় একটি কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে হিরো আলমকে দেখে প্রতিপক্ষের কর্মীরা তেড়ে আসেন। একাই তাদের রুখে দেয়ার প্রত্যয় নিয়ে জবাব দেন হিরো আলম। তিনি বলেন, ‘এই উল্টা-পাল্টা কথা বলবেন না।’

এ সময় প্রতিপক্ষের আরও কয়েকজন কর্মী হিরো আলম ও তার সঙ্গে থাকা আরেকজনের ওপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে দু’জনকেই মারধর করেন তারা। হামলাকারীদের মধ্যে একজনকে স্যান্ডেল খুলে মারধর করতে দেখা গেছে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন….এ ঘটনার পরে ভোট কেন্দ্র দখল, এজেন্টদের বের করে দেয়া এবং মারপিট করে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন হিরো আলম।

রোববার দুপুর ২টার দিকে শহরতলীর হোটেল নাজ গার্ডেনে এ ঘোষণা দেন সিংহ প্রতীকের প্রার্থী হিরো আলম। তিনি বলেন, ‘মহাজোটের লোকেরা বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র দখলে নিয়েছে। আমার জনপ্রিয়তা দেখে মহাজোটের লোকেরা আমাকে মারপিট করে ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে। এসব কারণে আমি দুপুর ২টার থেকে ভোট বর্জন করলাম।’এই আসনে নতুন করে তফসিল দিয়ে ভোটগ্রহণেরও দাবি জানান হিরো আলম।

প্রতিদিন ৮ গ্লাসের থেকে কম পানি খেলেই বিপদ

শরীর সুস্থ রাখার জন্য পানি পান খুবই জরুরি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এবং শরীর সুস্থ রাখার জন্য প্রত্যেকদিন খুব কম করে ৮ গ্লাস পানি খাওয়া খুবই প্রয়োজন।

তাদের মতে, পানি সমস্ত রোগ প্রতিরোধের সবথেকে ভালো ওষুধ। পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান করলে মাথার যন্ত্রণা, অম্বল, শরীরের ব্যথা এবং ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। আর কী কী উপকারিতা পাওয়া যায় পানি পানের ফলে, আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নি বিস্তারিত-

১) ওজন কমানোর জন্য কত কিছুই করি আমরা। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমানে পানি খেলে যে ওজন সবচেয়ে সহজে কমে যেতে পারে। যখন আমরা সঠিক পরিমানে পানি খাই, আমাদের খাবার তত তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায়।

২) শরীরকে রোগ মুক্ত করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে পানি।

৩) পর্যাপ্ত পরিমানে পানি খেলে পেশি, হাড় সুস্থ থাকে।

৪) ওজন কমানোর পাশাপাশি আর যে বিষয়ে আমরা সবথেকে বেশি সময় দিই, তা হল ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে। কত না প্রসাধনী ব্যবহার করি। পর্যাপ্ত পরিমানে পানি আমাদের শরীর থেকে সমস্ত টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। ফলে ব্রন, অ্যাকনে প্রভৃতি যাবতীয় সমস্যা কমে গিয়ে আমাদের ত্বক আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

৫) পানি আমাদের শরীরে এনার্জির পরিমান বাড়িয়ে দেয়।

ভোট বর্জন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চায় ঐক্যফ্রন্ট

নির্দলীয় সরকারের অধীনে দ্রুত সময়ের মধ্যে পুনরায় নির্বাচন দাবি করেছেন ড.কামাল। আজ রোববার ৩০ ডিসেম্বর রাত ৮টায় ঐক্যফ্রন্টের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন থেকে এই দাবি জানানো হয়েছে।এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবি করেন ড. কামাল। এ সময় তিনি বাংলা ও ইংরেজিতে তার লিখিত বক্তব্য পেশ করেন।

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। আগামীকাল আমরা আলোচনা করে আরও বিস্তারিত জানাবো।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ ঐক্যফ্রন্টের অন্যান্য শীর্ষনেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নিয়মে নেই, তবু মধ্যাহ্নভোজের বিরতি! বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণের নির্দেশ থাকলেও ‘মধ্যাহ্নভোজের বিরতি’র অজুহাত ‍দিয়ে ভোটারদের দাঁড় করিয়ে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঢাকা-৭ আসনের অন্তত চারটি কেন্দ্রে এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা-১৭ আসনে ভাষানটেক স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রেও একইভাবে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি দেওয়া হয়েছে।

সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও রহমতুল্লাহ উচ্চবিদ্যালয়, কেএম বশীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আজিমপুর গালর্স স্কুল এবং লালবাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে ভোট গ্রহণ পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়।

এসব কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা ও নৌকার এজেন্টরা ভিতর থেকে ঘণ্টাখানেক দরজা বন্ধ করে রাখেন। এ সময় কেন্দ্রের বাইরে রাস্তায় ভোটারদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়। বিরক্ত হয়ে অনেক ভোটার চলে যান। রহমতুল্লাহ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের এক ভোটার বলেন, ‘ভোটারদের কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে আমরা বাইরে দাঁড়িয়ে আছি।’

রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় সেদ্ধ ডিম

ডিম আমরা অনেক রকম ভাবেই খেয়ে থাকি ৷ কখনও ডিমের ওমলেট, ডিমের পোচ । তবে চিকিৎসকরা বলছেন, প্রতিদিন একটা করে ডিম সেদ্ধ খেয়ে নিন ৷ সেদ্ধ ডিমের অনেক উপকার৷ আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে রইলো সেদ্ধ ডিমের উপকারিতা সম্পর্কে স্বল্পবিস্তর আলোচনা-

১। ডিমে শরীরের জন্য উপকারী মনোআনস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড চর্বি আছে। এগুলো স্যাচুরেটেড ফ্যাটকে সরিয়ে দিয়ে তার স্থান দখল করে এবং রক্তের কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে ফেলে।

২। হার্টের জন্য উপকারী এই চর্বি গুলো ইন্সুলিনও নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তের চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়বেটিসের জন্য এধরণের ফ্যাটগুলো খুবই উপকারী। সেদ্ধ ডিমের দুই তৃতীয়াংশই এ ধরণের উপকারী ফ্যাট দিয়ে গঠিত।

৩। সেদ্ধ ডিমে প্রাকৃতিক ভাবেই প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে। ব্রেকফাস্টে একটি সেদ্ধ ডিম খেলে ৬ গ্রামের বেশি প্রোটিনপাওয়া যায়।

৪। ডিমের একটি প্রধান খাদ্য উপাদান হলো ভিটামিন এ। ভিটামিন এ রেটিনায় আলো শুষে নিতে সহায়তা করে, কর্নিয়ার পাশের মেমব্রেনকে রক্ষা করে এবং রাতকানার ঝুঁকি কমায়।

৫। সেদ্ধ ডিমে আছে ভিটামিন ডি যা হাড় ও দাঁত শক্ত করে। প্রতিদিন সকালে একটি সেদ্ধ ডিম খেলে প্রচুর ভিটামিন ডি পাওয়া যায় যা হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।

৬। সেদ্ধ ডিমে প্রায় ৮০ ক্যালোরি আছে। এর মধ্যে ৬০% ক্যালরি আসে চর্বি থেকে। ফলে সকালে একটি মাত্র সেদ্ধ ডিম খেলে সারাদিন শক্তি পাওয়া যায় এবং দূর্বলতা হ্রাস পায় ৷

এটা সম্পূর্ণরূপে ভুয়া নির্বাচন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, নির্বাচনের নামে যা হচ্ছে তা সম্পূর্ণরূপে ভুয়া একটা নির্বাচন।

আজ রোববার রাজধানীর পল্টন কমিউনিটি সেন্টারে ভোটদান শেষে নিজের প্রতিক্রিয়ায় এমন কথা বলেন তিনি। মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের নামে যা হচ্ছে তা সম্পূর্ণভাবে একটি ভুয়া নির্বাচন। যাদেরকে এভাবে নির্বাচিত বলে ঘোষণা করার আয়োজন করা হয়েছে তারা নিজেদেরকে কোনোমতেই জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি বলে দাবি করতে পারবে না।

তিনি বলেন, ‘ভুয়া প্রতিনিধি’ বলেই জনগণ বিবেচনা করবে তাদেরকে। ভুয়া প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত সংসদও জনপ্রতিনিধিদের সংসদের মর্যাদা দাবি করতে পারবে না। সেটিকে জনগণ ‘ভুয়া সংসদ’ হিসেবেই গণ্য করবে। পিবি সভাপতি বলেন, ভুয়া বিজয় নিশ্চিত করার জন্য ৩/৪ ধরনের প্রহসন ও কারচুপির বলয় আগেই তৈরি করেছিলো শাসক দল। এর মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ন্যূনতম ভিত্তিকে এভাবে বলি দেওয়ার ব্যবস্থা তারা আগেই করে রেখেছিল।

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ভোট শুরু হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে বিভিন্ন জায়গা থেকে পাওয়া সুনির্দিষ্ট খবর থেকে জানা গেছে যে, এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে অধিকাংশ কেন্দ্রে আগের রাতেই ব্যালটে সিল মেরে রাখা হয়েছিলো। নির্বাচন শুরু হওয়ার পরেও, নামমাত্র ভোটারের উপস্থিতির সুযোগ নিয়ে প্রতিপক্ষের এজেন্টদেরকে জোর করে বের করে দিয়ে এবং আগ্রহী ভোটারদেরকে হুমকি দিয়ে বিতাড়িত করে, প্রকাশ্যে সিল মেরে ভুয়া ভোট বাক্সে ঢোকানো হচ্ছে।

ভয়ানক বিপদ ডেকে আনছে পাউরুটি

জীবন এখন ব্যস্তময়। সময় নেই কারও হাতে। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে সঠিক ব্রেকফাস্ট বানানোর সময় নেই কারও হাতে। তাই পাউরুটিতে মাখন মাখিয়ে ঝটপট খেয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু রোজ রোজ এই পাউরুটি ডেকে আনছে ভয়ানক বিপদ।

অনেকেই সময় স্বল্পতার কারণে সকালের ব্রেকফাস্টে ১/২ টুকরো পাউরুটি খেয়ে থাকেন। আবার অনেকেই ভাবেন পাউরুটি খেলে ওজন কমানো সম্ভব, সেকারণে নিয়মিত ২ বেলা পাউরুটি খেয়ে থাকেন। কিন্তু পাউরুটিকে যতটা স্বাস্থ্যকর খাবার বলে ধারণা করা হয় ঠিক ততোটা স্বাস্থ্যকর খাবার নয় এই পাউরুটি। বরং মোটামুটি অস্বাস্থ্যকর খাবার বলেই ধরে নেয়া যায় এই পাউরুটিকে।

পাউরুটি তৈরির সময় অনেক ধরনের পুষ্টি উপাদান বাদ দেয়া হয়। এতে পরিমিত ফাইবারও থাকে না। সাদা পাউরুটিতে আরও অনেক বেশিমাত্রায় পুষ্টি উপাদান অনুপস্থিত থাকে। সুতরাং পাউরুটি থেকে আসলে কোনও ধরনের উপকার পাওয়া যায় না। বাড়িতে বানানো সাধারণ রুটি অনেক বেশি পুষ্টিকর।

খাওয়ার সময় মনে না হলেও পাউরুটিতে সাধারণ রুটির তুলনায় অনেক বেশি মাত্রায় ব্যবহার করা হয় লবণ। বাজারে যে সব পাউরুটি পাওয়া যায় তার প্রায় সবগুলোতেই থাকে অনেক লবণ এবং সোডিয়াম যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। বাড়িতে বানানো রুটি অনেক বেশি ভালো স্বাস্থ্যের জন্য।

পাউরুটি খেলে ওজন বাড়ে। কারণ পাউরুটিতে রয়েছে লবণ, রিফাইন্ড চিনি, প্রিজারভেটিভস। যারা ওজন কমানোর আশায় পাউরুটি খান তারা আজই পাউরুটি খাওয়া বন্ধ করুন।

সকালের খাবারে ১/২ টুকরো পাউরুটি খেলে খুব দ্রুত তা হজম হয়ে যায়। সুতরাং এটি খুব দ্রুত ক্ষুধার উদ্রেক করে। বলতে গেলে পাউরুটি আপনার দেহের কোনও কাজেই আসে না। সুতরাং পাউরুটি খাওয়া বন্ধ করুন। এর চাইতে বরং রুটি খান, উপকার পাবেন।