গরম পেঁয়াজ দিয়ে যেভাবে মাত্র ২ দিনে বুকের কফ দূর করবেন

এর চিকিৎসা করা না গেলে এটি দ্বারা শ্বাসযন্ত্র আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই সর্দি, কফ দূর করতে পারেন। আজ তাহলে এমন কিছু ঘরোয়া উপায়ের সাথে পরিচিত হওয়া যাক

১। লবণ পানি

বুকের সর্দি, কফ দূর করতে সহজ এবং সস্তা উপায় হল লবণ পানি। লবণ শ্বাসযন্ত্র থেকে কফ দূর করে দেয়।

এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে দিনে দুই তিনবার কুলকুচি করুন।

2। হলুদ

হলুদে থাকা কারকুমিন উপাদান বুক থেকে কফ, শ্লেষ্মা দূর করে বুকে ব্যথা দ্রুত কমিয়ে দেয়। এর অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।

এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে প্রতিদিন কুলকুচি করুন।
এছাড়া এক গ্লাস দুধে আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে জ্বাল দিন। এর সাথে দুই চা চামচ মধু এবং এক চিমটি গোল মরিচের গুঁড়ো মেশান। এই দুধ দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন।

৩। লেবু এবং মধু

লেবু পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। মধু শ্বাসযন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এমনকি এটি বুক থেকে কফ দূর করে গলা পরিষ্কার করে থাকে।

৪। আদা

এক টেবিল চামচ আদা কুচি এক পানিতে মেশান। এবার এটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট জ্বাল দিন। বলক আসলে এতে সামান্য মধু দিয়ে দিন। দিনে তিনবার এই পানীয়টি পান করুন। এছাড়া এক চা চামচ আদা কুচি, গোল মরিচের গুঁড়ো, এবং লবঙ্গের গুঁড়ো দুধ অথবা মধুর সাথে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি দিনে তিনবার পান করুন। আপনি চাইলে এক টুকরো আদা নিয়ে মুখে চাবাতে পারেন। আদার রস বুকের কফ পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে।

৫। পেঁয়াজ

সম পরিমাণের পেঁয়াজের রস, লেবুর রস, মধু এবং পানি একসাথে মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। কিছুটা গরম হলে নামিয়ে ফেলুন। কুসুম গরম এই পানি দিনে তিন থেকে চারবার পান করুন। এছাড়া পেঁয়াজের ছোট টুকরো খেতে পারেন।

৬। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার

এক কাপ কুসুম গরম পানিতে দুই চা চামচ বিশুদ্ধ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এর সাথে এক চা চামচ মধু মেশান। এইবার এই পানীয়টি দিনে দুই তিনবার পান করুন। এক দুই সপ্তাহ পান করুন। দেখবেন বুকের কফ অনেক কমে গেছে।

যদি ১৯৮৫-৯৫ সালের মধ্যে জন্মে থাকেন, ছবিগুলো দেখে আবেগাপ্লূত হয়ে যাবেন

আমরা যারা 1985 — 1995 সালের মধ্যে জন্মেছি আমরা বিশেষ কিছু ছিলাম না, তবে আমরা যথেষ্ট ভাগ্যবান ছিলাম ।।

যখন আমরা ছোট ছিলাম….

হাতগুলো জামার মধ্যে ঢকিয়ে নিয়ে বলতাম, আমার হাত নেই, একটা কলম ছিল,নানা রকম কালি, আর আমরা তার চারটে বোতাম এক সাথে টেপার চেষ্টা করতাম,

দরজার পেছনে লুকিয়ে থাকতাম কেউ এলে চমকে দেবো বলে, সে আসতে দেরি করছে বলে অধৈর্য হয়ে বেরিয়ে আসতাম, ভাবতাম আমি যেখানে যাচ্ছি, চাঁদটাও আমার সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে

সুইচের দুদিকে আঙুল চেপে সুইচটাকে অন্-অফ এর মাঝামাঝি অবস্থাই আনার চেষ্টা করতাম. তখন আমাদের শুধু একটা জিনিসের খেয়াল রাখার দায়িত্ব ছিলো, স্কুলে যাওয়ার পর বই-খাতা ।। ক্লাসে বসে কলম-কলম খেলা, চোর-ডাকাত-বাবু-পুলিশ খেলতাম ।

স্কুল ছুটির পর কটকটি, বস্তা আইসক্রিম, পাইপ আইসক্রিম, হাওয়াই মিঠা না খেতে পারলে মনটাই খারাপ হয়ে যেত । নারিকেল গাছের পাতা টেনে ঝুলে থাকতাম স্কুল ছুটি হলে দৌড়ে বাসায় আসতাম মিনা কার্টুন ,

শক্তিমান,শুক্রবারে দুপুর ৩টা থেকে অপেক্ষা করতাম কখন বিটিভিতে বাংলা সিনেমা শুরু হবে, এবং সন্ধার পরে আলিফ লায়লা দেখার জন্য পুরো সপ্তাহ অপেক্ষা করতাম।

ফলের দানা খেয়ে ফেললে দুশ্চিন্তা করতাম…..

পেটের মধ্যে এবার গাছ হবে ঘরের মধ্যে ছুটে যেতাম,তারপর কি দরকার ভুলে যেতাম,
ঘর থেকে বেরিয়ে আসার পর মনে পড়ত….

যখন আমরা ছোট ছিলাম তখন ধৈর্য্য সহ্য হতো না যে কবে বড় হবো………

আর এখন মনে করি, কেন যে বড় হলাম বিকেলে কুতকুত না খেললে বিকালটাই মাটি হয়ে যেত । কানামাছি, আরো অনেক কিছু খেলতাম…..!!

খুব মিস করি দিনগুলো, ফাইনাল পরীক্ষা যেহেতু শেষ সেহেতু সকালে পড়া নাই। এত মজা কই রাখি?নানু বাড়ি,দাদু বাড়ি যাওয়ার এই তো সময়

ব্যাডমিন্টন, ক্যারাম,সাপ-লুডু না খেললে কি হয়! ডিসেম্বর মাস আর শীতকালটা আমাদের ছেলেবেলায় এমনি কালারফুল ছিল। তবে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ যত আগাইয়া আসত মনের মধ্যে ভয় তত বাড়ত।

ওইদিন যে ফাইনালের রেজাল্ট দিবে আজকাল ছেলে মেয়েদের শীতকাল ,গরমকাল নাই। রুটিন সেই একটাই। বাসা ,স্কুল ,কলেজ ,কোচিং ,ফেসবুক ,চ্যাট।

আর আমরা কলেজে উঠার আগ পর্যন্ত মন খারাপ ,ফ্রাসটেশন কি জিনিস বুঝতামি না। মন খারাপ মানে হইল ম্যাচের সময় প্রাইভেট থাকা।

ছেলেবেলার সে দিনগুলোতে আমরা হয়ত ক্ষেত ছিলাম ,আমাদের এত এত উচ্চমার্গীয় জ্ঞ্যান ছিলনা হয়ত লেমও ছিলাম কিন্তু আমাদের সারাজীবন মনে রাখার মত একটা ছেলেবেলা ছিল আমি জানি আমাদের জেনারেশনের যারা এগুলো পড়ছো, তোমাদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে, ছোটবেলায় সবথেকে বেশিবার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নটার উত্তর আমি পেয়েছি অবশেষে…

-তুমি বড়ো হয়ে কি হতে চাও ?

উত্তর- আবার ছোট হতে চাই ।

যেই বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখে শৈশবটাই কাটিয়ে দিলাম
আজ একটাই দুঃখ, কেন শৈশব হারালাম….।।

২৪ বলে ৮৪! বিশ্বরেকর্ড গড়লেন বেয়ারস্টো

এক সপ্তাহও হতে পারল না। আফগানিস্তানের মোহাম্মদ শাহজাদের রেকর্ডটা ভেঙে দিলেন ইংল্যান্ডের জনি বেয়ারস্টো, টি-টেন ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ইনিংসের মালিক এখন তিনিই।

টি-টেন লিগে আজ বেঙ্গল টাইগার্সের বিপক্ষে কেরালা নাইটসের সহজ জয়ের নায়ক এই বেয়ারস্টো। শারজায় তার ২৪ বলে ৮৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করেই ১২৪ রানের লক্ষ্য ৭ উইকেট আর ৮ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে গেছে কেরালা।

২৪ বলে হার না মানা ৮৪! ভাবা যায়? বিধ্বংসী এই ইনিংসে ৬টি চারের সঙ্গে ৮টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন ইংল্যান্ডের উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যান। তাতেই বনেছেন টি-টেন ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় ইনিংসের মালিক।

গত সপ্তাহে সিন্ধিসের বিপক্ষে রাজপুতের হয়ে ১৬ বলে ৭৪ রানের এক ইনিংস খেলেছিলেন শাহজাদ। যেটি ছিল টি-টেন ক্রিকেটের ইতিহাস কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ।

খালি পেটে মাত্র ৪ দিন কিশমিশের পানি খান, দেখেন কি হয়

মাত্র ৪ দিন খালি পেটে কিশমিশের পানি খান, কেন খাবেন জানলে এখনই খাওয়া শুরু করবেন- রক্তস্বল্পতায় কিশমিশ যে উপকারী, সেটা অনেকেই জানেন। কারণ, কিশমিশ শরীরে নতুন রক্ত তৈরি করে।

কিন্তু, এটা জানা আছে কি, আপনার লিভার বা যকৃত্ পরিষ্কার করতেও কিশমিশের জুরি নেই? হ্যাঁ, নিয়মিত কিশমিশের পানি লিভার সাফ হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কিশমিশের পানি খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়।

যার দরুন শরীরের অভ্যন্তরে দ্রুত রক্ত পরিশোধন হতে থাকে। অন্তত টানা চার দিন কিশমিশের পানি পান করলে, পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে। পেটের গন্ডগোল থাকবে না। সেইসঙ্গে ভরপুর এনার্জি পাবেন।

অনেক ডাক্তারও রোগীকে ওষুধের পাশাপাশি কিশমিশ প্রেসক্রাইব করেন। কারণ, কিশমিশ হার্টকে ভালো রাখে। সেইসঙ্গে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক যে কোলেস্টেরল রয়েছে, তা দূর করে ।

কিশমিশে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল। কিশমিশ না-খেয়ে শুধু কিশমিশের পানি খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শরীরে ঢোকে। পানিতে ভেজানোর আর একটা কারণ শর্করার মাত্রা কমে।

রক্ত পরিষ্কার করতে কিডনির পাশাপাশি লিভারকেও ভালোভাবে কাজ করতে হবে। তাই লিভার ও কিডনির সমস্যা হলে, ক্ষতিকারক পদার্থ শরীরে জমতে শুরু করে আমাদের অসুস্থ করে তোলে। তাই লিভার ও কিডনিকে সবসময় চাঙ্গা রাখতে হবে। কিশমিশ ভেজানো পানি সেই কাজটাই ভালোভাবে করে। যার দরুণ হজমশক্তিও বাড়ে।

যেভাবে কিশমিশের পানি তৈরি করবেনঃ

২ কাপ পানি (৪০০ এমএল) ও ১৫০ গ্রাম কিশমিশ লাগবে। কী ধরনের কিশমিশ কিনছেন, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব চকচক করছে, এমন কিশমিশ কিনবেন না। তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকে। চেষ্টা করুন গাঢ় রঙের কিশমিশ কিনতে।

তা-ও এমন কিশমিশ নিতে হবে, যা খুব শক্তও না আবার একদম নরম তুলতুলেও না। কিশমিশগুলোকে ভালো করে কয়েক বার ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে দু-কাপ পানি দিয়ে রাতভর কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন।

সকালে কিশমিশ ছেকে নিয়ে, সেই পানিটা হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট অন্য কিছু খাবেন না।

‘স্যার বলেন, তোর জন্য আমি ওষুধ খাই’

প্রাইভেটে গেলে স্যার আমাকে বলে, তুই আমার সব থেকে প্রিয় ছাত্রী। তোকে দেখলে আমার মনে হয় যেন আমি আবারও ক্লাস নাইনে ভর্তি হই। তোর জন্য আমি যৌবন ফিরে পাওয়ার ওষুধ খাওয়া শুরু করেছি।’ ইংরেজি শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে এ অভিযোগ করেছে টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী।

ছাত্রীদের (হাতে লেখা) কয়েকটি অভিযোগপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে। আরেক ছাত্রী লিখেছে, উল্লিখিত শিক্ষক তার মাকে নিয়ে অশ্রাব্য কথাবার্তা বলতেন। তার মধ্যে একটি হচ্ছে, ‘তোর বাবা তোর মাকে সুখ দিতে পারে না।’

অপর এক ছাত্রী লিখেছে, তার সঙ্গে উল্লিখিত শিক্ষক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে-এমন নানা অভিযোগ ছাত্রীদের।

উল্লেখ্য, কয়েকজন শিক্ষক স্কুল ও কোচিং সেন্টারে ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ অপকর্মে সহায়তা করছেন কয়েকজন নারী শিক্ষক। সম্প্রতি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের (ডিসি) প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

দিনের পর দিন এমন অপকর্ম ঘটে আসার বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করা হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। এ কারণেই গত ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের (ডিসি) প্রতিবেদন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিসির প্রতিবেদনটি পরদিন ২ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়। পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে সেদিনই প্রতিবেদনটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ বছরের পর বছর কর্মরত শিক্ষকদের অবিলম্বে অন্যত্র বদলির সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি দোষী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশও করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মাউশির মহাপরিচালকের রুটিন দায়িত্ব পালনকারী অধ্যাপক শামসুল হুদা একটি গণমাধ্যমকে বলেন, টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের পাঠানো একটি প্রতিবেদন আমরা পেয়েছি। সেখানে যে ঘটনা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। লজ্জায় আমার মাথা হেট হয়ে আসে।

তিনি বলেন, কেউ যখন কোনো অপরাধ করেন তখন তার সামাজিক পরিচয় মুখ্য থাকে না। তার প্রধান পরিচয় সে অপরাধী। আমরা কোনো অপরাধীর পক্ষ নেব না। জেলা প্রশাসক সার্বিক বিষয় তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছেন। কমিটির প্রতিবেদন এবং ঘটনার প্রাথমিক প্রতিবেদনের আলোকে মন্ত্রণালয়ের পরামর্শের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেব।

জানা গেছে, বিন্দুবাসিনী বালিকা বিদ্যালয়ে ২ হাজারের বেশি ছাত্রী আছেন। তাদের পড়ানোর জন্য আছেন মোট ৫২ জন শিক্ষক। এর মধ্যে ২৫ জন নারী। প্রতিষ্ঠানটিতে এক বছর ধরে কোনো প্রধান শিক্ষক নেই। মো. আল আমিন তালুকদার নামে একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।

ডিসি খান মো. নুরুল আমিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খোদ প্রধান শিক্ষকসহ কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রায়ই অভিযোগ পাওয়া যেত যে, তারা (শিক্ষক) ছাত্রীদের প্রাইভেট ও কোচিংয়ে বাধ্য করতেন। যারা কথা শুনতো না তাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। পরীক্ষায় কম নম্বর দিতেন। যৌন হয়রানি করতেন। লোক-লজ্জার ভয়ে কোমলমতি ছাত্রীরা মুখ বুঝে সহ্য করতো। কিন্তু গত ১ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে কয়েকশ’ ছাত্রী ও তাদের অভিভাবক ওই বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক এসএম সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির প্রতিবাদে স্কুল ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করে। প্রতিবেদনে যৌন হয়রানির শিকার বেশ কয়েকজন ছাত্রীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, বিক্ষোভকালে অভিভাবক-ছাত্রীরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ লম্পট শিক্ষকদের তাৎক্ষণিক বদলি ও শাস্তির দাবি করেন। জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এছাড়া সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত শিক্ষককে দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা অনুযায়ী এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠান।

স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকজন শিক্ষক সংঘবদ্ধভাবেই কোচিং ও টিউশন বাণিজ্য করেন। বিশেষ করে স্থানীয় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের জোরপূর্বক কোচিং সেন্টার এবং প্রাইভেট পড়ার জন্য চাপ সৃষ্টি, হয়রানির অভিযোগ বেশি। যারা কোচিং-প্রাইভেটে পড়ে, তাদের কাউকে কাউকে এবং যারা না পড়ে তাদের ক্লাসরুমে অশালীন কথাবার্তা, মন্তব্য, অশোভন অঙ্গভঙ্গি, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন বর্তমান কারাগারে থাকা সাইদুর রহমানসহ আরও কয়েকজন শিক্ষক।

ঘটনার পরদিন ২ অক্টোবর টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তখন তারা কয়েকজন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করেন। এ সময় তারা বলেন, যৌন হয়রানিতে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক সাইদুর রহমানকে সহায়তাকারী ও রক্ষাকারী ছিলেন শিক্ষক এ্যানি সুরাইয়া, হাবিবুর রহমান, মাকসুদা রানা ও প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন তালুকদার। এসব শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো ডিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সাইদুর রহমানসহ কয়েকজন শিক্ষক ছাত্রীদের জোরপূর্বক কোচিং সেন্টার এবং প্রাইভেট পড়তে চাপ সৃষ্টি ও হয়রানি করতেন। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আল মামুন তালুকদারও এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। ভুক্তভোগী ছাত্রীরা এ বিষয়ে বার বার তার কাছে অভিযোগ করলেও তিনি তা আমলে নেননি।

বরং ওইসব ছাত্রীকে স্কুল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দেন তিনি। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম স্থানীয় হওয়ায় বিশেষ করে তার দুর্বল মনিটরিংয়ের কারণে ঐতিহ্যবাহী বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়টির এ দৈন্য-দশা। প্রতিষ্ঠানটিতে চরম অব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলাহীনতার কারণে একশ্রেণির চরিত্রহীন ও দুর্নীতিবাজ শিক্ষক মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছেন।

দায়িত্ব পেলে সাত দিনেই দেশ ঠিক করে ফেলব

দায়িত্ব পেলে সাত দিনেই দেশ ঠিক করে ফেলবেন বলে জানিয়েছেন বগুড়ার হিরো আলম। শুক্রবার দুপুরে একটি রেডিও চ্যানেলের লাইভে এসে তিনি এ মন্তব্য করেন। রেডিও জকি জানতে চান, মন্ত্রী হলে আপনি কী করবেন?

উত্তরে হিরো আলম বলেন, ‘তিনি মন্ত্রী হতে চান না। তবে দেশের দায়িত্ব পেলে তিনি সাত দিনেই দেশ ঠিক করে ছাড়বেন।’ এসময় হিরো আলম ভারতীয় অভিনেতার মিঠুন চক্রবর্তী অভিনীত ‘ফাটাকেষ্ট’ ছবির কথা উল্লেখ করেন। বলেন, আপনি ‘ফাটাকেষ্ট দেখেননি? ছবিতে যেভাবে দেখানো হয়েছে সেভাবেই দেশ ঠিক করে ফেলবো।’

রেডিও জকি হিরো আলমকে নেচে দেখাতে বলেন। উত্তরে হিরো আলম বলেন, ‘তিনি নাচতে আগ্রহী নন। তবে সুযোগ পেলে বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওনের সঙ্গে নেচে দেখাবেন তিনি।’

মানুষের খারাপ মন্তব্য, সমালোচনা কীভাবে নেন জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, ‘এগুলো আমার খুব ভালো লাগে। কারণ গালি দিতে হলে আমার নামটা আগে মুখে নিতে হয়। তার মানে ওই ব্যক্তির মাথায় ‘হিরো আলম’ শব্দটা কাজ করে। সে আমাকে গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই এটা করে।’

‘মার ছক্কা’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় হিরো আলমের অভিষেক হচ্ছে। ছবিতে প্রচুর অ্যাকশন দৃশ্য আছে বলে জানান হিরো আলম। রেডিও জকি প্রশ্ন করেন, ‘এমন ছিপছিপে শরীর দিয়ে কীভাবে অ্যাকশন দৃশ্য অভিনয় করেছেন? এটা কীভাবে সম্ভব?’ হিরো আলম বলেন, ‘পারি আর না পারি সামনে আগাইয়া যাব। পরে যা হওয়ার হয়ে যাবে।’

এমপি বদির গাড়িতে গুলিবর্ষণ

কক্সবাজারের টেকনাফে আলোচিত সংসদ সদস্য (এমপি) আবদুর রহমান বদির গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় এমপি বদি গাড়িতেই ছিলেন।

আজ শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

তবে এ ঘটনায় অক্ষত আছেন এমপি বদি। টেকনাফ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, এমপি বদি দলীয় কয়েকজন নেতাসহ ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৩-৬৮৮০ নাম্বারের নিজস্ব জিপ গাড়িতে করে উখিয়া হতে টেকনাফে আসার পথে এ ঘটনা ঘটে।

টেকনাফ পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মো. আলম বাহাদুর জানান, বদির গাড়ির পেছনে অপর আরেকটি গাড়িতে তার স্ত্রী এমপি প্রার্থী শাহীন আক্তারও ছিলেন।

রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এমপি বদি টেকনাফের দিকে রওয়ানা হয়েছেন।

এমপি বদির ব্যক্তিগত সহকারী হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, উখিয়া থেকে টেকনাফ যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তরা এমপির গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। ড্রাইভার সামান্য আহত হয়েছেন।

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ফরিদুল আলম জুয়েল গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ পেয়ে দ্রুত সেখানে গিয়ে কাউকে পাইনি। গুলিতে গাড়ির পেছনের গ্লাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমপি বদি অক্ষত আছেন। গাড়িতে এমপি বদির সঙ্গে টেকনাফ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সরওয়ার আলমসহ কয়েকজন ছিলেন।

জেনে রাখা উচিৎ, যে ৪টি শর্ত না মানলে মুসলমানদের বিয়ে হালাল হয় না

মুসলমানদের উপর বিয়ে ফরজ করা হয়েছে। তবে বিয়ের কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন মুসলমানদের বিয়েতে অন্তত চারটি শর্ত যদি কেউ না মানে, তাহলে ওই বিয়ে কখনো হালাল হয় না। তাই মুসলমান হিসেবে সেই চারটি শর্ত নিচের আলোচনা থেকে এখনই জেনে নিন।

৪টি শর্ত:
(১) ইশারা করে দেখিয়ে দেয়া কিংবা নামোল্লেখ করে সনাক্ত করা অথবা গুণাবলী উল্লেখ অথবা অন্য কোন মাধ্যমে বর-কনে উভয়কে সুনির্দিষ্ট করে নেয়া।

(২) বর-কনে প্রত্যেকে একে অপরের প্রতি সন্তুষ্ট হওয়া। এর দলীল হচ্ছে নবী (সা.) বলেছেন, “স্বামীহারা নারী (বিধবা অথবা তালাকপ্রাপ্তা) কে তার সিদ্ধান্ত জানা ছাড়া (অর্থাৎ সিদ্ধান্ত তার কাছ থেকে চাওয়া হবে এবং তাকে পরিষ্কারভাবে বলতে হবে) বিয়ে দেয়া যাবে না এবং কুমারী মেয়েকে তার সম্মতি ছাড়া (কথার মাধ্যমে অথবা চুপ থাকার মাধ্যমে) বিয়ে দেয়া যাবে না। লোকেরা জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! কেমন করে তার সম্মতি জানব (যেহেতু সে লজ্জা করবে)। তিনি বললেন, চুপ করে থাকাটাই তার সম্মতি।” [সহীহ বুখারী, (৪৭৪১)]

(৩) বিয়ের আকদ (চুক্তি) করানোর দায়িত্ব মেয়ের অভিভাবককে পালন করতে হবে। যেহেতু আল্লাহ তাআলা বিয়ে দেয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি নির্দেশনা জারী করেছেন।

(৪) বিয়ের আকদের সময় সাক্ষী রাখতে হবে। দলীল হচ্ছে- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “অভিভাবক ও দুইজন সাক্ষী ছাড়া কোন বিবাহ নেই।” [তাবারানী কর্তৃক সংকলিত, সহীহ জামে (৭৫৫৮)]।

বিয়ের প্রচারণা নিশ্চিত করতে হবে। দলীল হচ্ছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী- “তোমরা বিয়ের বিষয়টি ঘোষণা কর।” [মুসনাদে আহমাদ এবং সহীহ জামে গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলা হয়েছে (১০৭২)]

ধূমপান করেন? এই পানীয়টি পরিষ্কার করবে আপনার ফুসফুস

ধূমপানে বিষপান”- বহুল প্রচলিত এই কথাটির সত্যতা নিয়ে কোন মতবিরোধ নেই। আপনি যদি পাঁচ বছরেও বেশি সময় ধরে ধূমপান করেন তবে আপনি অত্যন্ত একবার হলেও ব্রংকাইটিস রোগে ভুগে থাকবেন।

ব্রংকাইটিস রোগী ভাল বলতে পারবেন এটি কত ভয়ংকর এবং কষ্টদায়ক একটি রোগ। এটি শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা সৃষ্টি করে শক্তি ক্ষয় করে থাকে। ধূমপান আপনার ফুসফুস নষ্ট করে দেয়, বাড়ায় ক্যান্সারের ঝুঁকি। কাশি, ব্রংকাইটিস এইসব তারই লক্ষণ। আপনার পক্ষে ধূমপান ছাড়া অসম্ভব হলে আপনি একটি পানীয়ের মাধ্যমে আপনার ফুসফুসটি সুস্থ রাখতে পারেন। ঘরে তৈরি করে নিতে পারেন এই পানীয়টি। ভিডিওতে দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।

যা যা লাগবে:

১ কিলোগ্রাম পেঁয়াজ
১টি ছোট আদার টুকরো
১ লিটার পানি
৪০০ গ্রাম মধু
২ চা চামচ হলুদ
যেভাবে তৈরি করবেন:

প্রথমে পানিতে মধু দিয়ে জ্বাল দিন।
এবার এতে পেঁয়াজ কুচি, আদা কুচি, হলুদ গুঁড়ো দিয়ে নিন।
যখন এটি বলক আসবে তখন চুলা কমিয়ে দিন।
তরলটি ঘন হয়ে অর্ধেক না হওয়া পর্যন্ত জ্বাল দিতে থাকুন।
জ্বালের মাঝে মাঝে নাড়তে থাকুন।
ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন।
ঠান্ডা হয়ে গেলে ফ্রিজে রেখে দিন।

যেভাবে খাবেন: দিনে দুইবার এটি খান। সকালে খালি পেটে দুই টেবিল চামচ এবং সন্ধ্যায় রাতের খাবার খাওয়ার আগে দুই টেবিল চামচ খান। এটি খাওয়ার আধা ঘন্টার মধ্যে কোন কিছু খাবেন না। ধূমপান ছেড়ে দেওয়া সুস্থ থাকার সবচেয়ে সহজ এবং ভাল উপায়। ধূমপান আপনার শুধু ফুসফুস নয়, সম্পূর্ণ দেহের ক্ষতি করে থাকে। আপনি যদি একান্তই ধূমপান ত্যাগ করতে না পারেন, তবে এই পানীয়টি পান করুন। এটি আপনার ফুসফুস পরিস্কার করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

যদি অকালে হার্টঅ্যাটাকে মরতে না চান, তাহলে এই ৭টি বদভ্যাস ত্যাগ করুন

আজকাল অকালমৃত্যুর কারণগুলোর মধ্যে হৃদরোগ শীর্ষে উঠে এসেছে। ফলে সকলেরই এখন হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য এর যত্ন নেওয়াটা জরুরি হয়ে পড়েছে। আর নিত্যদিনের কিছু সহজ অভ্যাস আছে যেগুলো আপনার হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে পারে।

আপনি হয়তো জানেন স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত শরীরচর্চা হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। কিন্তু এমন কিছু কমন অভ্যাস আছে যেগুলো আপনার হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ধ্বংস করতে পারে। অথচ আমরা সেগুলোকে স্বাভাবিক মনে করি। আসুন জেনে নেওয়া কী সেই অভ্যাসগুলো যেগুলো আপনার হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ধ্বংস করছে।

সারাদিন বসে থাকা/টিভি দেখা: ঘণ্টার পর ঘণ্টা টানা বসে থাকলে তা আপনার হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। যদিও আপনি ব্যায়াম করছেন। কারণ দীর্ঘক্ষণ নড়াচড়া না করার ফলে রক্তে চর্বি এবং সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। সুতরাং একটানা বেশিক্ষণ বসে থাকবেন না। নয়তো অকালে মরতে হবে।
সামাজিকতা ত্যাগ করা এবং অবসাদের চিকিৎসা না করানো: মানসিক চাপ, শত্রুতার অনুভূতি বা অবসাদগ্রস্ততা আপনার হৃৎপিণ্ডের ক্ষতি করছে। মানসিক চাপ অবদমন করলে তা আপনার দেহের জন্য মারত্মক ক্ষতি বয়ে আনতে পারে এবং হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ধ্বংস করতে পরে। এর জন্য সামাজিক মেলামেশা বাড়াতে হবে। আতিথ্য করতে হবে। এবং মানসিক অবসাদের চিকিৎসা করাতে হবে।

নাকডাকার আশু সমাধান করুন: নাকডাকা হতে পারে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো মারাত্মক কোনো রোগের লক্ষণ। এর লক্ষণ হলো ঘুমের সময় শ্বাসকষ্ট। এর ফলে রক্তচাপ অনেক উচ্চহারে বেড়ে যেতে পারে। আর রক্তচাপ বাড়লে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ে। সুতরাং নাকডাকার আশু সমাধান করুন।
দাঁতের মাড়ি পরিষ্কার না করা: গবেষণায় দেখা গেছে, দাঁতের মাড়ির রোগের সঙ্গে হার্টের রোগের একটা শক্তিশালী সম্পর্ক আছে। মাড়ি পরিষ্কার না করলে দাঁতের গোড়ায় ব্যাকটেরিয়ার আস্তরণ জমা হয়ে দেহে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। যা আপনার হার্টের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সুতরাং নিয়মিত দাঁতের মাড়ি পরিষ্কার করুন।

মদপান: বেশি বেশি মদপান করলে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। রক্তে চর্বির পরিমাণ বাড়ে। ফলে হার্ট অ্যাটাক বা হার্ট ফেইলিওর এর ঝুঁকিও বাড়ে। এছাড়া মদে থাকা অতিরিক্ত ক্যালরি ওজন বাড়ায়। যার ফলেও হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। ফলে আজই মদপান ত্যাগ করুন।
অতিভোজন: ওজন বাড়াটা হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় ঝুঁকি। ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া যাবে না। আর মিষ্টি পানীয়ের বদলে পানি পান করতে হবে।
লাল মাংস খাওয়া: লাল মাংসে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে। আর প্রক্রিয়াজাতকৃত মাংস হলে হৃদরোগের ঝুঁকি এবং মলাশয় ক্যান্সারের ঝুঁকি আরো বাড়ে।