পাবলিক টয়লেটের মতো আমায় ব্যবহার করেছে

মিটু বিতর্কে একের পরে এক অভিনেত্রী মুখ খুলছেন। নাম উঠেছে বড় বড় অভিনেতার। এবার মিটু বিতর্কে মুখ খুললেন দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রী রেড্ডি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবেলায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি মিটু নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন শ্রী রেড্ডি। সেই পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, তামিলনাড়ুর এক বড় অভিনেতা তাঁর কেরিয়ার ধ্বংস করার জন্য উঠে-পড়ে লেগেছেন। তিনি নাকি তাঁকে পাবলিক টয়লেটের মতো ব্যবহার করেছেন।

তবে এ বারেই প্রথম নয়। এর আগেও কাস্টিং কাউচ নিয়ে সরব হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। এক বার প্রকাশ্যে উর্ধাঙ্গ উম্মোচন করে বিক্ষোভও দেখিয়েছিলেন শ্রী রেড্ডি। বরাবরই বিতর্কের কেন্দ্রে থাকেন তিনি।

জানা গিয়েছে, এখন তামিলনাড়ুতে রয়েছেন এই অভিনেত্রী। সেখানে ঘূর্ণিঝড় গাজার প্রভাবে বিপাকে পরা মানুষদের সাহায্য করছেন তিনি।

স্ত্রীর নামেই বেশি সম্পদ গড়েছেন এরশাদ

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মাসিক আয় ৯লাখ ৩ হাজার ৫১৭ টাকা। তার নিজের নামের চেয়ে স্ত্রীর নামে সম্পদ বেশি। ব্যাংকে ঋণ আছে ২ কোটি ৩২ লাখ ৪ হাজার ৬৩৫ টাকা। নিজের থেকে স্ত্রীর নামেই সম্পদ গড়েছেন তিনি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি রংপুর-৩ আসন ও ঢাকার একটি আসন থেকে এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

হলফনামায় তিনি শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করেছেন বিএ পাশ। পিতা মকবুল হোসেন, মাতা মজিদা খাতুন। স্থায়ী ঠিকানা নিউ সেনপাড়া, রংপুর সদর।

তিনি বর্তমানে ৬টি ফৌজদারি মামলার আসামী। দু’টি বিচারাধীন, চারটি স্থগিত। অতীতে ২৭টি ফৌজদারী মামলা ছিল। যার মধ্যে ১৩টিতে খালাস, ৫টি অব্যহতি, একটিতে তিন মাসে সাজাভোগ ও জরিমানা দিয়ে নিষ্পত্তি পেয়েছেন। চারটিতে ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। মামলাগুলোর বেশিরভাগই দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা হয়েছিল।

পেশার বিবরণীতে তিনি নিজেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এরশাদ স্ত্রীর নামেই বেশি সম্পদ গড়েছেন:

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ব্যবসা থেকে ২লাখ ৬৫ হাজার টাকা, বিশেষ দূতের সম্মানী ১৯ লাখ ৪হাজার ৬৯৬ টাকা, সংসদ সদস্যের সম্মানী ১২ লাখ ৬০ হাজার, ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের সম্মানী ৭৪ লাখ ৭১ হাজার ১০ টাকা বছরে আয় করেন। তার মাসি আয় ৯লাখ ৩ হাজার ৫১৭ টাকা ১৭ পয়সা।

অস্থাবর সম্পত্তি হিসেবে নিজ হাতে নগদ ২৮ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৮ টাকা ও স্ত্রীর হাতে নগদ আছে ২৬ কোটি ২০ লাখ ২৯ হাজার ২৩৩ কোটি টাকা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ৩৭ লাখ ৬৯ হাজার ৪৬ টাকা। স্ত্রীর নামে জমা আছে-সোনালী ব্যাংকে ৪৭ লাখ ৯৮ হাজার ২২টাকা এবং ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে ২৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৯১ টাকা। কোম্পানী শেয়ার আছে নিজের নামে ৪৪ কোটি ১০ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৫০ হাজার টাকার শেয়ার আছে।

নিজের নামে ৯ কোটি ২০ লাখ টাকার এফডিআর, ডিপিএস ৯ লাখ টাকা আছে। স্ত্রীর নামে ৩ কোটি ২ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকার এফডিআর, সেভিং সার্টিফিকেট ৬০ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ আছে ২৫ লাখ ৮০ হাজার টাকার। স্ত্রী ১০০ভরি সোনা আছে।

নিজের নামে ৬০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক ও আসবাবপত্র আছে। আর স্ত্রীর নামে ১৫ লাখ টাকার।

নিজ নামে ব্যবসায় মূলধন ১২ লাখ ৫১ হাজার ১৫৪ টাকা ও জমি বিক্রয় ২ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার টাকার দেখিয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে দেখানো হয়েছে

নিজের নামের কৃষি জমি না থাকলেও স্ত্রীর নামে রংপুর ৩৩ লাখ টাকার ৫০ শতাংশ এবং ঢাকার পূর্বাচলে ১৮ লাখ টাকার সাড়ে ৭ কাঠা জমি আছে।

বনানীতে নিজের নামে শপিং কমপ্লেক্স ৭৭ লাখ টাকার আছে। বারিধারায় ৬২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট, বনানীতে ৪৯ লাখ টাকার একটি ফ্ল্যাট এবং গুলশানে ৬২ লাখ টাকার একটি ফ্ল্যাট আছে। আর স্ত্রী নামে গুলশানে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা মূল্যের ও ফ্ল্যাট গুলশান মডেল টাউনে ৫ কোটি ৫০ লাখ জমি দেখানো হয়েছে।

ইউনিয়ন ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে ঋণ আছে ২ কোটি ৩২ লাখ ৪ হাজার ৬৩৫ টাকা।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়পত্র বাছাই হবে ২ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ডিসেম্বর। আর প্রতীক বরাদ্দ ১০ ডিসেম্বর।

শিকলে বাঁধা নারী, ২৭ দিন পর উদ্ধার

নির্যাতন ও অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে স্বামীকে তালাক দেয়। কিন্তু তাতেও রক্ষা পায়নি। তালাক দেয়ার দুইবছর পরও কৌশলে নিয়ে এসে গত ২৬ দিন ধরে পায়ে শিকল বেঁধে আটক রেখেছিলো অসহায় নারী মাহফুজা আক্তার মুন্নিকে। আর এঘটনা জড়িত সাবেক স্বামীসহ আপন ছেলেও। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে সাভার পৌর এলাকার জামসিং মহল্লার সোলায়মান মার্কেটর এলাকার সোলেমানের বাড়ির একটি কক্ষের ভিতর থেকে শিকলবন্দী অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।

উদ্ধার হওয়া নারীর নাম মাহফুজা আক্তার মুন্নি (৩৯)। সে পৌর এলাকার জামসিং মহল্লার মজিবর রহমানের মেয়ে। এঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই জনকে আটক করেছেন। এছাড়াও নির্যাতন করে বেঁধে রাখার ঘটনায় আরও তিনজন পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পালিয়ে গেছে।

থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ২৬ দিন আগে দুই সন্তানের জননী মাহফুজা আক্তার মুন্নিকে তার তালাকপ্রাপ্ত স্বামী সোলেমান মিয়া ও ছেলে মিরাজসহ কয়েকজন মুন্নীকে নিয়ে আসে। পরে তাকে সোলায়মান মার্কেট এলাকার সোলেমানের বাড়ির একটি কক্ষের ভিতর খুটির সাথে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখে।

এসময় অপহরন এবং নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওই নারীর দেবর আলেক মিয়া (৩৫) ও ওই নারীর ছেলে মিরাজুল ইসলামকে (২৪) আটক করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মাহফুজা আক্তার মুন্নি জানায়, ১৯৯৪ সালে একই এলাকার সোলেমানের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর ছেলে মিরাজ ও মেয়ে মার্জিয়াকে নিয়ে স্বামীর ঘরে বসবাস করি। এসময় তার স্বামী ঠিকমতো ভরনপোষনা না দেয়ায় সে মাশরুম চাষ করে সংসারের খরচ চালাতো। প্রায় তিন বছর আগে স্বামী সোলেমান তাকে গরম পানি দিয়ে শরীর পুড়িয়ে দেয় এবং আড়াই বছর আগে লোহার সাবল দিয়ে মুন্নির বাম হাত ভেঙ্গে দেয়। এভাবে প্রতিনিয়ত অত্যাচারে গত দুই বছর আগে তালাক দেয় স্বামীকে। পরে বাপের বাড়িতে চলে আসে মাহফুজা আক্তার মুন্নি।

এদিকে কিছুদিন আগে মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার জিয়নপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলেকে বিয়েকে করার সিদ্ধান্ত নিলে স্বামী সোলেমান ও ছেলে মিরাজসহ পরিবারের লোকজন আমাকে অপহরণ করে নিয়ে ঘরে শেকল দিয়ে বেঁধে রাখে। পরে রমিজা নামে তার এক বান্ধবী ওই বাড়িতে গিয়ে মুন্নিকে শিকল বাঁধা অবস্থায় দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীদের জানালে কৌশলে পুলিশ নিয়ে মুন্নিকে উদ্ধার করা হয়।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আওয়াল বলেন, অমানবিকভাবে নারীকে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখে নির্যাতন করা হচ্ছে জানতে পেরে পুলিশ পাঠিয়ে ঘটনাস্থল থেকে নির্যাতিত নারীকে শিকল বন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারনা হচ্ছে, স্বামীকে তালাক দিয়ে পুনরায় অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয় মুন্নী। সে বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে পারেনি ছেলে ও সাবেক স্বামী। তাই তাকে কৌশলে নিয়ে আটকে রাখে। এঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে এবং বাকিদেরকে আটকের চেষ্টা চলছে।

এঘটনায় সাভার মডেল থানায় অপহরন ও অন্যায় ভাবে আটকে রাখার দায়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রাখির কুমারিত্ব পরীক্ষার ফলাফল কি

রাখি সাওয়ান্ত এবং দীপক কালাল। দু’জনের বিয়ের খবরে এখন সরগরম বলিউড থেকে নেটদুনিয়া। সদ্য প্রকাশ্যে এসেছে সেই বিয়ের কার্ডও। কার্ডের তথ্য অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন তিনি। ৫ টা ৫৫ মিনিটে হবে সেই বিয়ের অনুষ্ঠান। দেশে নয়, লস অ্যাঞ্জেলসে বসবে সেই বিয়ের আসর।

বুধবার নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ছবি পোস্ট রে এ কথা জানিয়েছেন তিনি। এক ধামাকার পর আরও এক বোম ফাটালেন এই উড বি কাপেল। রাখির কুমারীত্বের সার্টিফিকেট পোস্ট করলেন দীপক। সার্টিফিকেটটিতে লেখা রাখি সামনে এবং পেছন থেকে পুরোপুরি ভার্জিন।

ক্যাপশনে দীপক লিখেছেন, ‘আমি তোমায় নিয়ে খুব গর্বিত বোধ করছি৷ তুমি একেবারে পবিত্র।’

গবেষণা বলছে, মাথাব্যথার ওষুধ যৌনমিলন

মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় অনেকেই অতিষ্ঠ। মাইগ্রেন হলো এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা যা মাথার যেকোন এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে। মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। মাথাব্যথার সঙ্গে বমি বমি ভাব এবং রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে। তবে এই সমস্যার সমাধান দিয়েছেন গবেষকরা। তারা জানিয়েছেন, মাইগ্রেনের অন্যতম দাওয়াই হলো সেক্স।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মাইগ্রেন সমস্যা থেকে মুক্তির অন্যতম উপায় হচ্ছে শারীরিক সম্পর্ক। সেফালালজিয়া জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় গবেষকরা বলছেন, শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হলে প্রায় এক তৃতীয়াংশ রোগী মাইগ্রেন এবং ক্লাস্টার হেডএইক থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এমনকি বেশ কয়েকজন রোগীও জানিয়েছেন যে মাইগ্রেনের সমস্যায় তাদের অন্যতম ওষুধ হলো সেক্স।

শারীরিক সম্পর্কের সময় ইনড্রোফিনস নামক হরমোন নির্গত হয়, যাকে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক বলা হয়ে থাকে। এই হরমোন আংশিক কিংবা পুরোপুরি মাথা ব্যথা সাড়াতে সক্ষম বলে গবেষকরা জানিয়েছেন। গবেষক ও জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব মানস্টার এর নিউরোলজিস্ট স্টিফান এভারস বলেন, ‘এক তৃতীয়াংশ রোগী জানিয়েছেন যে তারা সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটির মাধ্যমে মাইগ্রেন অ্যাটাক থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

গবেষকরা বলছেন, সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটির ফলে এনডরফিন উৎপন্ন হয় যা মস্তিষ্কে ন্যাচারাল পেইন কিলার হিসেবে কাজ করে। গবেষণাটি ৮০০ রোগীর উপর চালানো হয়েছে যাদের মাইগ্রেন আছে এবং ২০০ জনের উপর যাদের ক্লাস্টার হেডএইক আছে। সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটি কীভাবে তাদের মাথা ব্যথার প্রকোপ কমিয়েছে সেটা তারা জরিপে জানিয়েছে।

এতে দেখা গেছে প্রতি ১০ জনে অন্তত ৪ জন জানিয়েছে, সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটি তাদের মাথা ব্যথা কমিয়ে দেয়। ৬০ শতাংশ জানিয়েছে, তাদের মাথা ব্যথা পুরোপুরি অথবা কিছুটা কমে। তবে এক কিছু মানুষ জানায়, সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটি তাদের মাথা ব্যথা কমানোর বদলে উল্টো বাড়িয়ে দিয়েছে। লাইভ সাইন্স।

ভাই আপনি এমপি হলে আমার ছেলেকে সরকারি চাকরি দিতে হবে’ – উত্তরে যা বললেন মাশরাফি

বিসিবি একাডেমি ভবনের জিমনেশিয়ামে ঘণ্টা দু-এক ফিটনেস ট্রেনিং শেষে বিকেলে সাদা বাইকটা নিয়ে মাশরাফি বিন মুর্তজা যখন রওনা দেবেন দেখলেন, পেছন থেকে একজনকে দৌড়ে আসছেন। দৌড়ে আসছেন বিসিবি একাডেমি ভবনের নিরাপত্তা কর্মী আলী। ঘটনা কী? ছবি কিংবা সেলফি তুলতে চান?

না, আলী একটা আবদার নিয়ে এসেছেন মাশরাফির কাছে, ‘ভাই আপনি এমপি হলে আমার ছেলেকে কিন্তু একটা সরকারি চাকরি দিতে হবে।’ বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক তাঁকে আশ্বস্ত করেন, ‘আগে তো হই…।’ মাশরাফি এখন শুধু খেলোয়াড় নন, রাজনীতিকও। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নড়াইল-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন। জিতলে জনপ্রতিনিধি হবেন। জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগেই জনগণের ‘দাবি’ শুনতে হচ্ছে তাঁকে! অধিনায়কের এই রাজনীতিতে জড়ানো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবশ্য ‘ইতি’-‘নেতি’ দুই ধরনের আলোচনাই হচ্ছে। সেলফি তুলতে আসা এক ভক্ত সেটিও মনে করিয়ে দিলেন মাশরাফিকে, ‘ভাই ফেসবুকে এত বাজে মন্তব্য কীভাবে করতে পারে মানুষ?’ অধিনায়ক মুচকি হাসিতে বলেন, ‘ফেসবুক না দেখলেই তো হয়!’

রাজনীতি-নির্বাচন, নতুন এক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে মাশরাফিকে। রাজনীতির পৃথিবীতে পা রাখার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যে বেশ কড়া, সেটি তাঁর চেহারা দেখেই বোঝা যাচ্ছে। চাপের মধ্যে কতই তো খেলেন, ক্যারিয়ারে কত চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে, তবুও চোখেমুখে এত উদ্বেগ, এত চিন্তা আগে দেখা যায়নি। রোমাঞ্চপ্রিয় মাশরাফি নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন, সেটিতে উতরে যেতে পারবেন কিনা, সময়ই বলে দেবে। তবে দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে একতরফা ভালোবাসা পেয়ে আসা ‘ম্যাশ’ যখন দেখেন সেই ভালোবাসায় কিছুটা বিভক্তি দেখা দিয়েছে, একটু ধাক্কা তো লাগবেই।

লাগলে লাগবে, মাশরাফি মনে করেন, তাঁর কাছে এখনো ক্রিকেটীয় সত্তাটাই বড়। নির্বাচনী প্রচারণার কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলা না খেলা নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে, সেটি কেটে গেছে। মাশরাফি প্রস্তুত হচ্ছেন ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে। দুদিন ধরে ফিটনেস ট্রেনিং করছেন। বিকেলে বাসায় ফেরার আগে বললেন, ‘স্ট্রেংথ বাড়ানোর কাজটা চলছে। দু-এক দিনের মধ্যে বোলিং শুরু করব।’

সময়ের প্রশ্ন, নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন কবে? ‘আগে খেলে নিই। সিরিজটা শেষ করি, তারপর…’—মাশরাফির কাছে এখনো খেলাটাই আগে।

সবাইকে একবার পড়ার জন্যঅ নুরোধ করছি….কাল রাত ১০ টা ৪০ মিনিটে রাজধানীতে

কাল রাত ১০ টা ৪০ মিনিটে রাজধানীতে অবস্থিত ইবনে সিনা হাসপাতালে ডাক্তার দেখিয়ে বাসায় যাওয়ার জন্য রিক্সা খুঁজছিলাম, তো বেশ কয়েকজনকে অফার করলাম আমার নির্দিষ্ট জায়গায় যাওয়ার জন্য, কিন্তু কাছে হওয়াতে কেওই রাজি হলোনা।

হটাৎ একটা রিক্সার দিকে নজর গেল, দেখলাম ড্রাইভার নাই, একজন অতি বৃদ্ধলোক রিক্সা ধরে দাঁড়িয়ে আছেন, উনার কাছে প্রশ্ন করলাম,, চাচা এই রিক্সার ড্রাইভার কোথায় বলতে পারেন?উনি অনেকটা ছোট বাচ্চাদের মত আদো আদো কন্ঠে বললেন, “”বাবা আমিই ড্রাইভার(!!)

কোথায় যাবেন বলুন নামিয়ে দিয়ে আসি,(জায়গার নাম বলতেই) তবে হ্যা,ভাড়া ৫ টাকা বেশি দিতে হবে, আর জোরে চালাতে ধমক কিন্তু দিতে পারবেননা””আমি উনার দিকে তাকিয়ে রইলাম,, কি বলবো ভাষা হারিয়ে ফেলেছি, বৃদ্ধের চেহারা দেখে আর মুখের কথা শুনে নিজের অজান্তেই চোখে পানি চলে আসলো।শুধু এতটুকু বললাম, আচ্ছা দিবো চলুন, আপনি যে ভাবে চালাতে পারেন সে ভাবেই চালান কিছু বলবোনা, বৃদ্ধলোক রিক্সা টান দিলেন,

বুঝলাম বয়সের ভারে লোকটি কুঁজো হয়ে গেছে।উনি পাঁচ মিনিটের রাস্তা প্রায় ২০ মিনিট ধরে আসলেন, পথে অন্য রিক্সাওয়ালারা বৃদ্ধকে বিভিন্ন ভাষায় টিজ করতে লাগলো, কেও দাদা বলে কেও বা আবার বউ কয়টা বলে হট্রহাসিতে ফেটে পড়লো, আমি বেশ কয়েকজনকে ধমকও দিলাম।

লক্ষ করলাম পথিমধ্যে অনেকেই লোকটার দিকে তাকিয়ে আছে।যাই হওক, উনি আমার গন্তব্যে আসলেন, আমি রিক্সা থেকে নেমে উনাকে পাঁচশত টাকা দিয়ে বললাম চাচা এইনেন ভাড়া, উনি বললেন বাবা আমার কাছে ভাংতি হবেনা, আমি বললাম, আপনি পুরাটা রেখে দেন, বৃদ্ধের জবাব, আমি ভিক্ষা করিনা,

কাজ করি আপনি নির্দিষ্ট মজুরি দেন, আমি হতভম্ব হয়ে বললাম, আমি আপনার রিক্সা ভাড়া বাবদ পাঁচশত টাকা দিলাম রাখেন, বৃদ্ধলোক নাচোড় বান্দা কিছুতেই নিবেনা!!!

উনাকে বললাম, চাচা, আমি আপনার ছেলের মত নেন সমসস্যা নাই, উনি প্রশ্ন করলেন, তোমার বাবা মা বেঁচে আছে?? বললাম, আলহামদুলিল্লাহ্আমার আব্বা আম্মা দুইজনই পরম মমতায় এখনো আগলে রেখেছেন আমাকে।বৃদ্ধের বয়স সহ নাম জানতে চাইলাম, বললেন নাম আদম আলী, বয়স ৮০ এর উপরে, তবে

বুঝতে অসুবিধা হয়না বয়স অবশ্যই ৮০ এর বেশি হবে।উনাকে প্রশ্ন করলাম, আপনার ছেলে মেয়ে আছে? বৃদ্ধলোক উত্তর দিলেন,””আমার চার ছেলে ও এক মেয়ে আছে”” শুনে অবাক হলাম, জানতে চাইলাম সন্তানদের ব্যাপারে।

বৃদ্ধলোক বলতে লাগলেন,””সবাই বিবাহিত, ছেলেদের ঘরে একেকজনের ৩/৪ করে সন্তান, সবাই ভাল উপার্জন করে, স্ত্রী সন্তান নিয়ে আলাদা থাকে, মেয়েরও বিয়ে হয়ে গেছে, স্বামি সি এন জি (অটু স্কুটার) চালক, আমি আর বুড়ি আলাদা থাকি, পাকিস্তান পিরিয়ডে ২৫ টাকা পণ দিয়ে বিয়ে করেছি আল্লাহর রহমতে আজো এক সাথে আছি””।জানতে চাইলাম, আপনার ছেলেরা আপনার বরণ-পোষন করেনা কেন? তাদের কাছে যাননা আপনি?বৃদ্ধের এক উত্তর,””তাদের সংসারে আমাদের কোন ঠাই নাই,

আমাদের আল্লাহ্ আছেন””।কৌতুহল বশত জিজ্ঞেস করলাম, সন্তানরা আপনাদের ভালবাসেনা, আপনি তাদের অভিসাপ দেননা?বৃদ্ধ আমার প্রতি রেগে গেলেন,””বললেন অভিসাপ দিবো কেন? আমরা মরার পর কবরে মাটিতো দিবে””।নিজেকে আর ধরে রাখা হলোনা আমার, বৃদ্ধ বুঝতে পেরে নিজের হাতে চোখের জল মুছে দিলেন,বললেন,””বাবা তোমার পিতা মাতা ধন্য,

তোমাকে জন্ম দিয়ে,তোমার টাকাটা আমি নিবোএকটু ভাল লাগলো আমার,একটি রেস্তোরাঁর সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের এই আবেগী দৃশ্য গুলো চলছিল, আর রেস্তোরাঁর মালিক ভিতরে বসে বসে সব লক্ষ করছিলেন, আমি বৃদ্ধলোকটিকে বিদায় দিবো এমন সময় তিনি আসলেন,এবং আমাদের দুইজনকেই পছন্দমত ফ্রী খাওয়ার অনুরোধ করলেন, আমি না খেলেও ১০০ বছরের বেশি বয়সী বৃদ্ধ আদম আলী মাছের বারকিউ দিয়ে খুব তৃপ্তি সহকারে নান রুটি খেলেন।

এই স্ট্যাটাস টি আমি আমার পাবলিসিটির জন্য করিনি, করেছি শুধুমাত্র ঐ সব বিবেকহীন পশুদের জন্য যারা ১০০ এর বেশি বয়সী পিতাকে রাস্তায় ছেড়ে দেয় খাবার খুঁজতে এবং আমার মত যুবকরা যেন এ সমস্ত অসহায়দের অসম্মানিত না করেন…

ক্যানসার থেকে বাঁচতে এই খাবার গুলো এখনই বন্ধ করুণ

ক্যানসার থেকে বাঁচতে – টিভির পর্দায় চোখ রাখলেই দেখতে পাবেন ক্যানসার থেকে দূরে থাকার জন্য লম্বা খাবারের তালিকা। শাক-সবজি, ফল-মূল সবই প্রায় সেই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। তাহলে খাবেন কী? স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের আতঙ্ক বাড়ে। কী খেলে সুস্থ থাকা যাবে, তা ঠিক করেই উঠতে পারেন না।

নাহ, ভয় পাওয়ার কিছু নেই। দৈনন্দিন জীবনে যা যা খাচ্ছেন, তাতেই সামান্য কাটছাঁট করে নিন। কিছু অস্বাস্থ্যকর খাবারকে তালিকা থেকে বাদ দিন। তাহলেই চলবে। রবিবার বিশ্ব ক্যানসার দিবসে জেনে নিন কী কী খাবার এড়িয়ে চললে মারণ কর্কট রোগ থেকে দূরে থাকা যাবে।

ক্যানসার থেকে বাঁচতে- মাইক্রোওয়েভে তৈরি পপকর্ন: এ খাবার খাওয়ার অভ্যেস অনেকেরই রয়েছে। টিভির পর্দায় চোখ রেখে অথবা সিনেমা হলে হাতে পপকর্ন থাকলে ভালই সময় কেটে যায়। আর মাইক্রোওয়েভে তা বানানোও বেশ সোজা। প্যাকেট কেটে টাইম অনুযায়ী মাইক্রোওয়েভ অন করে দিলেই হল।

তবে এই পপকর্ন দেখতে যতটা সুন্দর আর খেতে যতটা সুস্বাদু শরীরের পক্ষে এটি ততটাই ক্ষতিকর। এতে ফুসফুসে ক্যানসারের সম্ভাবনা বাড়ে। তবে অল্প তেলে গ্যাসে পপকর্ন বানিয়ে নিলে কোনও সমস্যা হবে না

ক্যানের খাবার: টিনের ক্যানে যেসব খাবার কিনতে পাওয়া যায় তা নিয়মিত খেলে ক্যানসারের সম্ভাবনা বাড়ে। টিনের পাত্রে বিসফেনল-এ বা বিপিএ থাকাতেই শরীর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

রিফাইন্ড সুগার: যদি ভেবে থাকেন ব্রাউন অথবা রিফাইন্ড সুগার কিউব বেশি স্বাস্থ্যকর, তাহলে ভুল করছেন। কারণ এতে সুন্দর রং ও গন্ধ আনার জন্য মেশানো হয় এক ধরনের গুড়। তাই রিফাইন্ড সুগার এড়িয়ে চলুন। বরং মধু অথবা বাজারে বিক্রি সাধারণ চিনি খেতেই পারেন।

কার্বোনেটেড নরম পানীয়: দোকান থেকে ঠান্ডা পানীয় কিনে পান করার অভ্যেস অনেকেরই। কিন্তু খাবার তালিকা থেকে এটি বাদ রাখাই ভাল। এতে বেশি পরিমাণ কর্ন সিরাপ ও কেমিক্যাল থাকায় নরম পানীয় শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। কার্বোনেটেড পানীয় দূরে রাখলে দূরে থাকবে ক্যানসারও।

ক্যানসার
ডায়েট ফুড: যে সব খাবারের প্যাকেটে শব্দটির উল্লেখ থাকে, তা দেখেই দুর্বল হয়ে পড়বেন না। তাকে স্বাস্থ্যকর ভাবারও কোনও কারণ নেই। সাধারণ খাবারের থেকেও অনেক সময় এই খাবার বেশি অস্বাস্থ্যকর হয়ে থাকে। শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করলেও এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও রয়েছে। যা ক্যানসারের অন্যতম কারণ হতে পারে।

ভাজাভুজি খাবার: চিপস আর স্ন্যাকসের প্যাকেটগুলো আপনাকে যেন চুম্বকের মতো টানে। নিজেকে সামলে নেওয়াই ভাল। আসলে এসব খাবারের গোড়াতেই গলদ। বেশ অস্বাস্থ্যকরভাবেই এর প্রস্তুতি হয়। আর সেখানেই লুকিয়ে রোগ। তাই লোভ সংবরণই শ্রেয়। তাই শুধুই ধূমপান ও থেকে নিজেকে বিরত রাখলে চলবে না। ক্যানসারের হাত থেকে বাঁচতে খাবারের অভ্যাসও অল্প-বিস্তর পালটাতে হবে

চানাচুর আলম, সিডি আলম, ডিশ আলম থেকে হিরো আলম

‘হিরো আলম কে? কাক খুঁজিচ্চেন? হিরো আলমকে চিনি না।’ পরে চেহারার বর্ণনা দিয়ে মোবাইলে ছবি দেখাতেই বলে উঠলেন- ‘ও এডা তো ডিশ আলম। উই আবার হিরো আলম হলো কদ্দিন। ওই… যে ওই বাড়িত থাকে। ডিশের ব্যবসা করে। কিছু বিটিছোল (মেয়ে) লিয়্যা মিউজিক ভিডিও বানায়। হামরা অবশ্য অল্ল্যা দেকি না। শুননু এমপির ভোটোত খাঁড়া হচ্ছে। কয়েক দিন ধরে পেপারোত লিউজ বারাচ্চে।’

হিরো আলমের বাড়ি খুঁজতে গেলে তার বাড়ি থেকে ৫শ গজ দূরে অবস্থিত ফার্নিচার দোকানের মালিক শহিদুল ইসলাম এভাবেই বলছিলেন।

তার নির্দেশনা অনুসারে বাড়িতে গিয়ে দেখা মেলে হিরো আলমের বাবা আব্দুর রাজ্জাক (সৎবাবা), মা আশরাফুন বেগম, স্ত্রী সাবিহা আক্তার সুমি, বড় মেয়ে ২য় শ্রেণির ছাত্রী আলোমনি, মেজো মেয়ে ১ম শ্রেণির ছাত্রী আঁখি আলো এবং চার বছরের ছেলে আবির হোসেনের।

হিরো আলমের বাবা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ওর বাবা আহম্মদ মারা গেলে আমি আশরাফুন বেগমকে বিয়ে করি। এরা তিন বোন ও এক ভাই। নিজের ছেলে-মেয়ের মতোই তাদের মানুষ করেছি। মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে। আলমের ডিশের ব্যবসা রয়েছে। এই ব্যবসাটি মূলত তিনিই দেখাশোনা করেন। আলম ইচ্ছা মতো টাকা উড়ায়। মিউজিক ভিডিও বানানোর নামে রাতদিন পড়ে থাকে নানা জায়গায়। বাড়িতে বাবা-মা, স্ত্রী সন্তানদের কোনো খোঁজ রাখে না।

আপনার ছেলেতো অনেক বড় সেলিব্রিটি। ইউটিউবে তার ভিডিওর ভিউয়ার্স সংখ্যা ১ কোটি ১০ লাখ। তার আইডি সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ৮৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন তুলেছেন।

এসব বলতেই হিরো আলমের বাবা বলেন, ‘কিসের সেলিব্রিটি, ভাইরাল? এগুলা কি? হামরা তো অতো কিছু বুঝি না। বাড়ির, ছোলপোলের খোঁজ লেয় না আবার এমপির ভোট করিচ্চে। অক কাহালু নন্দীগ্রামের কে চেনে? আসলে এগলা অর ট্যাকা খাওয়ার জন্য কিছু মানুষ ভুল বুঝে অক ল্যাচা (নাচা) লিয়্যা বেড়াচ্চে’।

আলমের মেয়ে আলোমনি জানে না তার বাবা এখন কোথায়, কি করছে? বাড়ির কোনো খোঁজ রাখে না সে।

এরুলিয়া ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মণ্ডল। পরপর পাঁচবার তিনি ওই এলাকার চেয়ারম্যান। হিরো আলমের বিষয়ে জানতে চাইলে এক গাল হেসে বলেন, ‘এক বছর আগে ওর শালি (স্ত্রীর ছোট বোন) বিলকিসকে নিয়ে পলাসলো। সেই বিচার করে দেয়া লাগছে। আর বিচার তো হামার মাঝে মধ্যেই করা লাগে। ট্যাকা লিয়্যা দু-একদিন পরপরই ঝামেলা লাগায়। তারপরও এলাকার ছোল, ভালোই আছলো। শুনলাম আবার নির্বাচন করিচ্ছে। আসলে মাতাপাগলা হলে ইংকাই হয়। এটি মেম্বরত উটবার পারেনি। আবার জাতীয় লির্বাচন। আসলে এনা ট্যাকা হচে তো। গরমে থাকপার পারিচ্চে না।’

বগুড়ার এরুলিয়া ইউনিয়নের আরজি পলিবাড়ি এলাকা। মূল সড়ক পার হয়ে ছোট একমুখো পথের সড়কটি মূলত কাঠ ব্যবসায়ীদের দখলে। সেই সুবাদে সেখানে গড়ে উঠেছে কাঠের ফার্নিচার তৈরির ব্যবসা।

হিরো আলমের বাড়ির ঠিক সামনের বাড়ির বয়স্ক তিন নারী বলেন, ‘ওই দেকেন এখনো গাছত আলমের পোস্টার ঝুলিচ্চে। মেম্বর ভোট করার পোস্টার। হামরা এলাকার মানুষ হিসেবে ভোট দিসনু। তাও উটপার পারেনি। তবে ছোলডা ভালো। খালি এনা বিটিছোলপোল লিয়্যা নাচ গান করার অব্যাশ (অভ্যাস) আছে।’

বর্তমান সময়ে অন্যতম আলোচিত বগুড়ার হিরো আলম। ফেসবুক ও ইউটিউবে ভিডিও আপলোডের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি। সম্প্রতি সংসদ সদস্য পদে মনোনয়নপত্র তুলে দেশের মতো নন্দীগ্রাম-কাহালুতেও আলোচনায় এসেছেন।

চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অফিসপাড়ায় তাকে নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। যারা তাকে দেখেননি তারা নতুন প্রজন্মের কাছে নাম শুনেই চিনে নিচ্ছেন। আসলেই তিনি আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকে মহাজোটের প্রার্থী হতে পারবেন কি-না তা নিয়েও চলছে হিসাব-নিকাশ।

Hero-Alam-(1)
হিরো আলমের বাবা আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে বড় মেয়ে আলোমনি ও ছোট মেয়ে আঁখি আলো

প্রতিদিন বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে তিনি লাইভ অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে জনসমর্থনের কথা বলছেন। কিন্তু বাস্তব চিত্র কি? সেটি খুঁজে বের করতেই অনুসন্ধান চালানো হয় হিরো আলমের নিজের বাড়ি এরুলিয়া ও নির্বাচনের ঘোষণা দেয়া কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলাকার তরুণ প্রজন্ম হিরো আলম সম্পর্কে জানলেও প্রবীণরা তাকে চেনেন না। প্রবীণদের কাছে হিরো আলম সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তারা বলেন বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীরা যেভাবে এলাকায় গণসংযোগ করছেন হিরো আলম বগুড়া-৪ আসনে গণসংযোগ করেননি। এমনকি তার নিজ দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ নেই।

তথ্যমতে, হিরো আলম লাঙ্গল প্রতীকে যে আসনে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন সেই বগুড়া-৪ নন্দীগ্রাম-কাহালু উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসন। এ আসনে এবার ভোটার ৩ লাখ ১২ হাজার ৮১।

২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শহীদুল আলম দুদু (নৌকা) প্রতীকে ৭২ হাজার ৪৬৪ ভোট পান এবং বিএনপি থেকে ডা. জিয়াউল হক মোল্লা (ধানের শীষ) প্রতীকে ১ লাখ ১৪ হাজার ৮১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের বগুড়া জেলা কমিটির সভাপতি একেএম রেজাউল করিম তানসেন (নৌকা) প্রতীকে ৭৫ হাজার ৯৯১ ভোট পান এবং বিএনপি থেকে ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা আলী মুকুল (ধানের শীষ) প্রতীকে ১ লাখ ৩১ হাজার ৪১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

২০১৪ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি হাজি নূরুল আমিন বাচ্চু (লাঙ্গল) প্রতীকে ১৩ হাজার ৪৮৯ ভোট পান এবং বগুড়া জেলা জাসদের সভাপতি একেএম রেজাউল করিম তানসেন (মশাল) প্রতীকে ২২ হাজর ২০৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

এবার হিরো আলমের বিপক্ষে প্রার্থী রয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় জাসদের সহ-সভাপতি একেএম রেজাউল করিম তানসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মমতাজ উদ্দিন, সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ আলী, কাহালু উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন কবিরাজ, বগুড়া জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হেলালুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আলহাজ অধ্যাপক আহছানুল হক ও আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল করিম।

বিএনপি থেকে সাবেক সংসদ সদস্য ডা. জিয়াউল হক মোল্লা, সংসদ সদস্য জেডআইএম মোস্তফা আলী মুকুল, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট রাফি পান্না, জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ মোশারফ হোসেন, জেলা বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ফজলে রাব্বী তোহা, পৌর বিএনপির সভাপতি আহসান বিপ্লব রহিম, জেলা যুবদলের সদস্য এমএ রাজ্জাক সুমন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম আকতার জাকির, প্রবাসী বিএনপি নেতা মিন্টু ও আনিছুজ্জামান আনিছ। এছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি হাজি নূরুল আমিন বাচ্চুও মনোনয়ন তুলেছেন।

নন্দীগ্রাম উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি হাজি নূরুল আমিন বাচ্চু বলেন, নির্বাচনী এলাকায় হিরো আলমের কোনো জনপ্রিয়তা নেই। তাকে কেউ চেনেই না। হিরো আলমকে মনোনয়ন দেয়ার প্রশ্নই উঠে না।

কাহালু উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ইব্রাহিম আলী ধুলু বলেন, কে এই হিরো আলম। এটা কি যাত্রা পার্টি নাকি? নাচ-গান করলেই মনোনয়ন পেয়ে যাবে। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে হিরো আলমের কোনো যোগাযোগ নেই। হঠাৎ করেই মনোনয়ন তুলেছে পত্রিকা-টিভিতে দেখছি। তাকে তরুণ প্রজন্ম ভালো চিনতে পারে। কিন্তু ইউটিউব, ফেসবুক আর ভোটের মাঠ এক কথা নয়।

গোপালপুর গ্রামের আব্দুল জলিল বলেন, ‘হামরা এই হিরো আলমক চিনি না। ক’দিন ধরে শুনিচ্ছি। হামরা ভোট আসলে যে নেতা এলাকাত উন্নয়ন করবি তাকিই ভোট দিমু।’

পৌর এলাকার রাজু আহম্মেদ বলেন, শুনেছি হিরো আলম সংসদ নির্বাচন করবেন। কিন্তু সে এখনও এলাকায় আসেননি। তবে তাকে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণায় দেখেছি।

তৈয়বপুর গ্রামের মিঠু বলেন, ইউটিউব, ফেসবুকে হিরো আলম বিভিন্ন ধরনের ভিডিওতে দেখিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। ফেসবুকের জনপ্রিয়তা আর নির্বাচনের মাঠের জনপ্রিয়তা এক নয়। সেই হিসাব মতে, বিএনপি-জামায়াত অধ্যুষিত এলাকায় যেখানে চারদলীয় জোট এবং মহাজোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় সেখানে হিরো আলম সুবিধা করতে পারবে বলে মনে করি না।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৮ নভেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিল, ২ ডিসেম্বর বাছাই, ৯ ডিসেম্বর প্রত্যাহার এবং ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি সবচেয়ে চর্চিত বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হলো হিরো আলম। ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে তার ভিডিও ও ছবি। কি করে তৈরি হলেন এ হিরো আলম?

জানা গেছে, আশরাফুল আলম নামের এই হিরো আলম প্রথমে চানাচুর বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তখন তাকে মানুষ চিনতো চানাচুর আলম বলে। এরপর সিডি বিক্রি করতেন। তখন ছিলেন সিডি আলম। সেটা বেশ আগের ঘটনা। সিডি যখন চলছিল না তখনই মাথায় আসে ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসার। ভাবলেন নিজ গ্রামেই সেটা করবেন। করেও ফেললেন। বগুড়ার এরুলিয়া ইউনিয়নের আশপাশের গ্রামেই শুরু হয় আলমের ডিশ ব্যবসা। এখনও লোকে তাকে ডিশ আলম নামেই চেনে। ভার্চুয়াল জগতে আসার পর তিনি হয়ে যান হিরো আলম। একের পর এক মিউজিক ভিডিও বানানো শুরু করেন আলম। নিজের ক্যাবল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেগুলো প্রচারও করতেন তিনি।

স্থানীয় স্কুলে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন হিরো আলম। এরপর জীবিকার তাগিদে সিডি বিক্রি থেকে আলম ডিশ ব্যবসায় হাত দিয়ে সফলতা অর্জন করেন। সেখান থেকে এখন তার মাসিক আয় ৭০-৮০ হাজার টাকা।

সিডির ব্যবসা করতেন আলম। ক্যাসেটে দেখতেন মডেলদের ছবি। সেই থেকে মাথায় ঢোকে মডেল হওয়ার। ২০০৮ সালেই করে ফেলেন একটা গানের মডেলিং। সেটাই ছিল শুরু। এরপরে সেসব মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে সংসারে মনোযোগী হন। ২০০৯ সালে বিয়ে করেন পাশের গ্রামের সুমী নামের এক তরুণীকে। আলম সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়লেও সুমী পড়েছেন এসএসসি পর্যন্ত।

হিরো আলম বলেন, আমার মডেল হওয়ার ইচ্ছা ছিল আগে। যখন সিডি বিক্রি করতাম। আমি জানি না এসব ইচ্ছা পূরণ হয় কি-না, তবে লেগে ছিলাম। হয়েছে। অনেকে বলে বাজে হয়েছে। তাতে আমি কান দেই না। অনেকে আবার বলে ভালোই হয়েছে।

নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এবার আমি মাত্র ৭০ ভোটে হেরেছি। এর আগেরবারও হেরেছি অল্প ভোটে। তবে এলাকার মানুষের ভালোবাসার জন্য আমি আরেকবার নির্বাচন করবো। আমি বলেছিলাম আর দাঁড়াবো না, কিন্তু ভালোবাসার জন্য দাঁড়িয়েছি।

সুপারস্টার শাকিব খানের থেকেও দাম বেশি সিয়ামের

শাকিব খান এখন ঢালিউডের সবথেকে দামী নায়ক। যার নামের ওপর কোটি টাকা লঘ্নি করেন প্রযোজকরা। যার ছবি হলে মুক্তি পেলে আর প্রচারণার দরকার পরে না। কিং খানের লাখ লাখ ভক্তই সে ছবি নিয়ে যান হিটের কাতারে। আর সেই শাকিব খানের থেকে এখন নবাগত নায়ক সিয়াম আহমেদের দাম বেশি?

শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও ঘটনা কিন্তু তেমনই ঘটেছে। আজ সারাদেশে মুক্তি পাওয়া সিয়াম আহমেদ ও পূজা চেরির ‘দহন’ মুক্তি পেয়েছে হাইরেন্টালে। ছবিটি নাকি এক লাখ থেকে শুরু করে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় প্রেক্ষাগৃহ মালিকেরা প্রদর্শনের জন্য নিচ্ছেন।

আর শাকিব খানের ছবি নাকি এক লাখ থেকে শুরু করে পাঁচ লাখ টাকায় প্রদর্শন করে থাকেন প্রেক্ষাগৃহের মালিকেরা। এমনটাই জানিয়েছেন ছবিটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্নধার আব্দুল আজিজ।

এমনটা হয়ে থাকলে শাকিব খানের থেকে ৫০ হাজার বেশি টাকায় প্রদর্শন হচ্ছে সিয়ামের এ ছবি। যদিও ছবিটি নিয়ে বেশকিছুদিন ধরেই তুমুল আলোচনা ছিল। কয়েকবার মুক্তির তারিখ পরিবর্তন করার পর আজ সারাদেশের ৪৬টি সিনেমা হলে ছবিটি মুক্তি পেয়েছে।

‘দহন’ ছবির মাধ্যমে দ্বিতীয়বার একসঙ্গে বড় পর্দায় হাজির হচ্ছেন সিয়াম ও পূজা। এই জুটির প্রথম সিনেমা ‘পোড়ামন ২’। এ বছর রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া ছবিটি দেশের দর্শকের কাছে খুবই প্রশংসিত হয়। ব্যবসায়িকভাবেও ছবিটি সফলতা পায়।

আবদুল আজিজ বলেন, ‘আমাদের ইচ্ছে অল্প টাকার বিনিময়ে বেশি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের চেয়ে বেশি টাকায় কম প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শন করা অনেক ভালো। তাই আমরা কম টাকায় ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রয়োজনে কম প্রেক্ষাগৃহে চালাব, কিন্তু রেন্টাল কমাব না।’

তিনি বলেন, ‘ছবিতে অনেকগুলো শক্তিশালী দিক রয়েছে। অসাধারণ একটি ছবি। বাংলাদেশের মানুষের কাছে সিয়াম ও পূজার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। এই ছবির গল্পের জোর আছে। পরিচালক রায়হান রাফি দারুণ একটা ছবি বানিয়েছেন। জাজ মাল্টিমিডিয়াও একটা ফ্যাক্টর। সবকিছু মিলিয়ে ছবিটি হাই ভোল্টেজ বলতে পারেন।’

প্রভাবশালী এ প্রযোজক বলেন, ‘দহন ছবিটি দর্শক অবশ্যই পছন্দ করবেন। বাংলাদেশে এ ধরনের গল্প নিয়ে ছবি হয়নি। এই ছবির গান ভালো, অভিনয়শিল্পীরাও দারুণ অভিনয় করেছেন। এই গল্পে আমাদের দেশের জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতির একটা চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ছবিটি দেখে দর্শক কাঁদবেন, ভাববেন।’

তবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র বুকিং এজেন্ট সমিতির উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, ‘শুনেছি ছবিটি ভালো। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট অনেকের কাছে এই ছবির ব্যাপারে ইতিবাচক মন্তব্য শুনেছি। তবে শাকিব খানের চেয়ে বেশি রেন্টাল দিয়ে নিতে হবে, তা মানতে পারছি না।’