ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং গোপন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুন, যেভাবে খাবেন

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং গোপন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুন, যেভাবে খাবেন

আমাদের দেশীয় খাবার আদা-রসুন ছাড়া রান্নার কথা ভাবাই যায় না। শাক রান্নায় তো রসুন অপরিহার্য। রসুনের স্বাস্থ্য উপকারিতাও কম নয়। এতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য আছে, সেই সাথে রয়েছে ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন ও কপারের মতো খনিজ।রসুনের বেশিরভাগ উপকারিতে আসে ‘অ্যালিসিন’ নামের একটি রাসায়নিকের কারণে। এর থেকেই রসুনের তীব্র গন্ধ ও স্বাদ আসে। অ্যালিসিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমে সাহায্য করে এমনকি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কাজে আসে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় রসুন বিশেষ উপকারী। কারণ ব্লাড প্রেশার এবং ব্লাড সুগার দুটোই কমাতে পারে এই মশলাটি।

ডায়াবেটিস রোগীদের মূল সমস্যাটি হচ্ছে ব্লাড সুগার খুব বেড়ে যাওয়া বা খুব কমে যাওয়া। রসুন এ সমস্যা সমাধানে কাজ করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে রসুন।এছাড়া রসুনের অন্যান্য উপকারিতাগুলো হলো-১. রসুনে ক্যালোরি অনেক কম, এতে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করার পরিমাণটাও কম। এ কারণে ডায়াবেটিস রোগীরা তা খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।২. টাটকা, কাঁচা এক কোয়া রসুনে থাকে বেশ কিছুটা ভিটামিন বি৬। কার্বোহাইড্রেট মেটাবোলিজমে এই ভিটামিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রসুন খাওয়ার পর কার্বোহাইড্রেট ধীরে ধীরে মেটাবোলাইজ হয়, ফলে ব্লাড সুগার হুট করে বেড়ে যাওয়ার সুযোগ পায় না।

৩. নিয়মিত রসুন খাওয়া হলে শরীরে হোমোসিস্টিন অ্যামিনো অ্যাসিডের পরিমাণ কমে। এই অ্যামিনো অ্যাসিডটি ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।৪. রসুনে থাকা রাসায়নিক উপাদান যেমন অ্যালিসিন, অ্যালিল প্রোপাইল ডাইসালফাইড এবং এস-অ্যালিল সিস্টিন সালফক্সাইড রক্তে ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়ায় বলে দেখা গেছে।এছাড়া মরিশাস জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যায়, উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা ১২ সপ্তাহ রসুন খাওয়ার পর তাদের রক্তচাপ গড়ে ১০ পয়েন্ট কমে আসে।

ডায়াবেটিস রোগীরা কীভাবে খাবেন রসুন?রসুন কাঁচাই খেতে পারেন। সালাদের ওপর দিতে পারেন রসুন কুচি। এছাড়া তরকারিতে রসুন দিয়ে রান্না করাটা তো স্বাভাবিক। দুই উপায়েই কাজে আসে রসুন।যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে:বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, একজন পুরুষের প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে যদি ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকে তবে সেই পুরুষ অনুর্বর হতে পারে। পুরুষদের যৌন সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়।১. পুরুষদের পুরুষাঙ্গের স্পার্মের সমস্যা দেখা দেয়। স্পার্মের জন্য যৌন অক্ষমতা দায়ী।যৌনশক্তি কম থাকা।২. হয়তো বীর্য পতন এর পরিবর্তে হালকা পানির মত উপাদান বের হয়।৩. বীর্য পাতলা হয়ে যায়। পাতলা বীর্য ঘন করতে রসুন এর কোন তুলনা নেই।৪. যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ পুরুষের নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে।

উপরের সকল সমস্যার সমাধানের অর্থাৎ যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুন এর উপকারিতা অনেক। সুস্থ বীর্য তৈরিতে রসুনের জুড়ি নেই। রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়। কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খেলে এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর ন্যায় কাজ করে। সকালের নাস্তার পূর্বে যদি রসুন খাওয়া হয় এটি আরও কার্যকরীভাবে কাজ করে। খালি পেটে রসুন খাবার ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো উন্মুক্ত হয় এবং তখন রসুনের ক্ষমতার কাছে তারা নতিস্বীকার করে। এতে শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সমূহ ধ্বংস হয়।যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য রসুন খাওয়ার সঠিক নিয়ম: যারা পড়ন্ত যৌবনে পড়েছেন। এক্ষেত্রে প্রতিদিন নিয়ম করে ১/৩ টি কুয়া রসুন খেলে আপনাকে দিতে পারে একটি সতেজ যৌনক্ষমতা। যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য রসুন বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। জেনে নিন সঠিকভাবে রসুন এর উপকারিতা পেতে কিভাবে রসুন খাবেন।১. প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১ থেকে ২টি কাঁচা রসুনের কোয়া চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ক্ষমতা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷

২. রুটির সঙ্গেও রসুন মিশিয়ে খেলে পারেন। এতে রসুন আপনার শরীরে স্পার্ম উৎপাদনের মাত্রা বাড়াবে এবং সুস্থ্য স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করবে৷৩. প্রতিদিন ২ কোয়া রসুন ঘি/আলিভ অয়েল দিয়ে ওভেনে বেক করে সাথে মাখন মাখিয়ে পাউরুটি দিয়ে খেতে পারেন। মুখের দুর্গন্ধ দুর করার জন্য খাওয়ার শেষে গরম পানি বা গরম দুধ খাওয়া উচিৎ। এতে ভাল ফল পাবেন আশাকরা যায়।৪. যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। দুই চামচ আমলকির রসের সঙ্গে ১/২ কোয়া রসুন বাটা মিশিয়ে খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়েরই যৌবন ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ি হবে।

জেনে নিন, বিপুল ধন-ঐশ্বর্য লাভের ৬ কুরআনি পরামর্শ

জেনে নিন, বিপুল ধন-ঐশ্বর্য লাভের ৬ কুরআনি পরামর্শ

যিকের স্বচ্ছলতা বা সংকীর্ণতা এক রহস্যঘেরা বিষয়। অনেকেই মনে করেন, রিযিক হচ্ছে অর্থকড়ি ও বিপুল ধন-ঐশ্বর্য। কিন্তু, সঠিক হলো রিযিক একটি ব্যাপক পরিধিকে অন্তর্ভুক্ত করে। এর মাঝে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সুস্বাস্থ্য, বুদ্ধিমত্তা, সময় ও জীবনের বরকত, সন্তান-সন্ততি ও তাদের সুস্থতা এবং সার্বিক কল্যাণ-উন্নতি। আর এ সবকিছুর নিয়ন্ত্রণই কেবল আল্লাহর হাতে। মহান রাবুল আলামিন তার সমগ্র সৃষ্টিকূলকে রিযিক দান করেন, তাই তিনি তার মহান গুণবাচক একটি নামও ধারণ করেছেন আর-রাজ্জাক। আর তিনিই সমস্ত রিযিকের উৎস এবং একমাত্র রিযিকদাতা- এ বিশ্বাস আমাদের আকিদার অংশ।রিযিক বৃদ্ধি পাক, জীবনে স্বচ্ছলতা আসুক, অন্তত প্রয়োজন পরিমাণ রিযিক আমার থাকুক- এ কামনা সবার। তবে ব্যক্তিভেদে সবার নিয়্যত এক নয়। বহু মানুষ- যারা দুনিয়ার ভোগ-বিলাসে মত্ত হওয়ার জন্য রিযিক কামনা করেন, এ লেখা তাদের জন্য নয়। এ লেখা তাদের জন্য যারা প্রশান্তচিত্তে এক আল্লাহতে সমর্পিত হয়ে থাকতে প্রয়োজন পরিমাণ হালাল রিযিক কামনা করেন।

রিযিকে স্বচ্ছলতা কামনার পেছনে একজন মুসলমানের যে নিয়ত থাকতে পারে— তার নিয়ত হতে পারে তার উপর তার পরিবারের আল্লাহ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব ও অধিকারগুলো আদায় করা। আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী এবং বিশ্বের অপরাপর মুসলমানদের ও বিশেষত আল্লাহর যমিনে আল্লাহর দ্বীন কায়েমের মেহনতে সাহায্য করা। বেশি বেশি দান-খয়রাত করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি প্রজন করা এবং সর্বোপরি ইসলামী সমাজকে সর্বোচ্চে তুলে ধরা। আসলে একজন মুসলমানের সম্পদ উপার্জন ও রিযিক কামনার নেপথ্যে এমন নিয়্যতই থাকা উচিত এবং তার ব্যয়ও হওয়া উচিত এসব বৃহৎ স্বার্থেই। নিম্নে রিযিক বাড়ানোর ৬টি ঐশী উপায় বিবৃত করা হলো—১. তাকওয়া- মহান রাব্বুল আলামিন পবিত্র কুরআনের সুরা তালাকে এরশাদ করেন, ‘আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্যে পরিত্রাণের পথ করে দেবেন এবং এমন উৎস থেকে তাকে রিযিক দান করবেন, যার কল্পনাও সে করেনি। যে আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট। আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করে দিবেন।’ (সুরা তালাক: ২-৩)এ আয়াত কুরআনের এমন এক আয়াত, যাতে আল্লাহ মুমিন বান্দার সাথে তাকওয়া অর্জনের ভিত্তিতে বিশেষভাবে তাকে সাহায্য করার ও তার বিশেষ উৎস থেকে তাকে রিযিক প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন। আর আল্লাহ তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না। এ সত্য সাহাবাদের জীবন ইতিহাস থেকে এ যাবৎকালের বহু বিশ্বাসী খোদা ভীরু বান্দার জীবনে প্রমাণিত। কাজেই বিপদে এবং কষ্টের সময় তাকওয়াকে অবলম্বন বানানো রিযিক লাভের প্রধানতম মাধ্যম এবং তা রিযিক লাভের এক নম্বর শর্তও বটে।

২. তাওয়াক্কুল- ‘যে আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট। আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন। আল্লাহ সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন।’ (সুরা তালাক: ৩)উপরের আয়াতটিই আবার উল্লেখ করা হলো। উদ্দেশ্য হচ্ছে, আমরা আয়াতের প্রথম অংশটি খেয়াল করি, আলোচনায় বলি। কিন্তু, দ্বিতীয় অংশটি ভুলে যাই। প্রথম অংশে রয়েছে তাকওয়ার কথা আর দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে ‘তাওয়াক্কুল’ এর কথা।তাওয়াক্কুল মানে হচ্ছে কোনো কিছু হাসিল করার উদ্দেশ্যে যথাসাধ্য চেষ্টা করা। একই সাথে এই বিশ্বাস রাখা যে, আল্লাহ যা আমার জন্য কল্যাণকর তাই আমাকে দিবেন। জীবনের কঠিনতম সময়ে এই তাওয়াক্কুল মানুষকে শান্তি দেয়, ধীরস্থির এবং সৎ রাখে। আল্লাহর উপর যথাযথ ভরসা স্থাপন করলে অসম্ভব স্থান থেকে রিযিক লাভ করা যায়।৩. দান-সদকা করা-‘এমন কে আছে যে, আল্লাহকে ঋণ দেবে, উত্তম ঋণ; অতঃপর আল্লাহ তাকে দ্বিগুণ-বহুগুণ বৃদ্ধি করে দিবেন। আল্লাহই সঙ্কুচিত করেন অতঃপর তিনিই প্রশস্ততা দান করেন এবং তারই নিকট তোমরা সবাই ফিরে যাবে।’ (সুরা বাকারাহ- ২৪৫)

আমরা আল্লাহর পথে বেশি বেশি দান সদকা করব, গরীব-অসহায়দের সাহায্য করব। এতে দুটো লাভ। প্রথম লাভ হলো অন্তরের শান্তি এবং দ্বিতীয় লাভ রিযিক বৃদ্ধি। দানকে আল্লাহ তাআলা ১০ গুণ থেকে শুরু করে আরও বেশি বৃদ্ধি করে থাকেন। আপনি যে সকল নেককার মুসলমানেরই রিযিকের প্রাচুর্য দেখতে পাবেন, খুঁজে দেখবেন তাদের সবারই বেশি বেশি দানের অভ্যাস রয়েছে। সাহাবাদের জীবনেও বিষয়টি প্রমাণিত। তাই তাকওয়া এবং তাওয়াক্কুলের সাথে যদি বেশি বেশি দান-সদকা করা হয় তাহলে আপনার রিযিক এমনভাবে বাড়বে যা আপনি কখনো কল্পনাও করেননি।৪. আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ ও শোকরগুজার হওয়া- ‘যখন তোমাদের পালনকর্তা ঘোষণা করলেন যে, যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর, তবে তোমাদেরকে আরও দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হবে কঠোর।’ (সুরা ইব্রাহীম-৭)

রিযিক বৃদ্ধির চতুর্থ উপায় হচ্ছে, আল্লাহর প্রতি অনেক বেশি শোকরগুজার হওয়া। বর্তমানে আমার যা আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা এবং ক্রমাগত আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করে যাওয়া। আমার চোখে যা ছোট হতে পারে তা অন্যজনের কাছে অনেক বড়। কাজেই কোনোভাবেই আল্লাহর না অকৃতজ্ঞ হওয়া যাবে না। কারণ, কৃতজ্ঞতা রিযিককে বাড়িয়ে দেয় এবং অকৃতজ্ঞতা রিযিককে ধ্বংস করে। আপনার ওপর অনুগ্রহগুলো ভালভাবে চিন্তা করুন এবং প্রতিদিন নিয়মিতভাবে করে এর শুকরিয়া আদায় করুন। ইনশাআল্লাহ রিযিক বাড়বেই।৫. তওবা এবং ইস্তেগফার – ‘অতঃপর বলেছি, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর অবিরাম বৃষ্টিধারা প্রেরণ করবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান তৈরি করবেন এবং তোমাদের জন্যে নদী-নালা প্রবাহিত করবেন।’ (সুরা নুহ: ১০-১২)

পঞ্চম উপায়টা গ্রহণ করা হয়েছে নূহ আলাইহিসসালাম এর উপদেশ থেকে, যা তিনি তার জাতিকে দিয়েছিলেন। তিনি তার জাতিকে উপদেশ দিয়ে বলেছিলেন যদি তারা তওবা ইস্তেগফার করে তাহলে মহান আল্লাহ তা’আলা তাদের রিযিক অনেক বাড়িয়ে দিবেন। উপরের আয়াতে বৃষ্টি, সন্তান-সন্তুতি, নদী-নালা ও বাগান ইত্যাদির কথা বলা হয়েছে, যা রিযিকের ব্যাপক মাধ্যম। পঞ্চম পয়েন্ট অত্যন্ত সহজ। আমরা সবাই প্রতিদিন অনেক গুণাহ করে ফেলি। অতএব আমাদের উচিত বেশি বেশি করে ইস্তেগফার করা, প্রতিদিন তওবা করা। আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিনে ১ শতবার তওবা করতেন। আমরাও যদি বেশি বেশি তওবা ইস্তেগফার করি তাহলে আলাহর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইনশাআল্লাহ আমাদের রিযিক বেড়ে যাবে বহুগুণ।

৬. আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা-সহীহ বুখারিতে এসেছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে চায় যে তার রিযিক বাড়ুক এবং তার হায়াত বাড়ুক, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।’ রিযিক বাড়ার ষষ্ঠ উপায় হচ্ছে, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা এবং টিকিয়ে রাখা। এমন অনেক আত্মীয় থাকবে যাদের সাথে কোনো কারণে কোনো এক সময় সম্পর্ক খারাপ হয়েছে এবং এখনো খারাপ আছে। উচিত হবে আপনি নিজেই এগিয়ে যান। তাদের সাথে মেলামেশা শুরু করুন, সম্পর্কটি পুনরায় জীবিত করুন। আপনার আত্মীয় স্বজন যদি কখনো আপনার সাথে কোনো অন্যায় করে থাকে তাহলে ক্ষমা করে দিন। এভাবে যখন আমরা আমাদের আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখব এবং বাঁচিয়ে রাখব, তখন আল্লাহ যেমন ওয়াদা করেছেন, আমাদের রিযিক অভাবনীয় উৎস থেকে বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ।শেষ কথা- সবকিছুর পর মনে রাখতে হবে যে, দুনিয়া হচ্ছে আমাদের জন্য পরীক্ষার জায়গা। রিযিক বেশি পেয়ে তা যদি আল্লাহর সন্তুষ্টিতে ব্যয় না করা হয় তাহলে সে রিযিকের মূল্য কি? বরং যত বেশি রিযিক তত বেশি পুনরুত্থান দিবসে কঠিন হিসাব-নিকাশের বিপদ। মহান আল্লাহ তা’য়ালা আমাদেরকে হাশরের ময়দানে আমাদের পূর্ণ হায়াত, সমুদয় সম্পদ, সমস্ত নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন। যাদের বেশি দেয়া হয়েছে তাদের হিসাব হবে বেশি, সময় হবে বড়। কাজেই এ বিষয়টা আমাদেরকে অবশ্যই চিন্তায় রাখতে হবে।

অনুরোধ রইলো গল্পটি পড়ার, তবে কোন খারাপ মানসিকতা নিয়ে পড়বেন না

বিয়ের পর যখন,আমি বাসর ঘরে গেলাম। তখন,আমার বউ এর মুখ থেকে শুনতে পাই সে ধর্ষিতা!কথাটা শুনে যে,কোনো ছেলের-ই কিছু সময় এর জন্য পৃথিবী টা উলটে যাবে। কিন্তু,আমি একটুও অবাক হইনি। সাধারণত বাসর রাতে সবাই তাদের ভবিষ্যৎ জিবনের গল্প করে। কিন্তু,আমার বউ তার,ধর্ষণ হবার গল্প করেছে। আমি চাইলে তাকে ওখানেই ফিরিয়ে দিতে পারতাম।কিন্তু,সেটা করিনি কারণ,তাহলে মেয়েটা সকল পূরুষ জাতিকে জানোয়ার ভাবতো।

আমি বিচলিত হই তখন-ই।যখন,জানতে পারি একটা মানুষ রুপি জানোয়ার শুধু মাত্র তার পূরুষত্বের চাহিদা মেটানোর জন্য একটা মেয়ের সত্বিত হরন করেছে। আমি সেই রাতেই ভেবে নিয়েছিলাম আমার জন্য যদি একটা মানুষ তার শেষ হয়ে যাওয়া জীবন টা নতুন করে সাজাতে পারে তাহলে,দোষ কি। তাই,সব হাসি মুখে বরন করে নিই। বিয়ের সপ্তাহ খানেক পরে ওর বমি,বমি ভাব,,,,মাথা-ব্যাথ এইসব যখন শুরু হয় তখন ল,ও খুব ভয় পেয়ে গেছিলো।আর,কেও কিছু বুঝে ফেলার আগেই,, আমি আমার লজ্জা সরমের মাথা খেয়ে এটা রটিয়ে দিই যে,আমি বিয়ের আগের ওর সাথে শারীরিক ভাবে মেলা মেশা করি। এর জন্য আমি পরিবার থেকে ত্যাগ হয়েছি। কিন্তু,ওকে ত্যাগ করতে পারিনি। প্রতিরাত-ই ও খুব কান্না করতো যে,আমি যদি কোনো একদিন ওর পাশে না থাকি তাহলে,ওর কি হবে। তখন,আমি ওর চোখের পানি মুছে দিয়ে বুকে জড়িয়ে বলতাম আমি আছিতো পাগলি।

আর,সব সময় এভাবেই তোমার পাশে থাকবো। তখন,ও একটু ভরসা পেতো। একদিন ও আমাকে বলেছিলো যে,ও আমাকে ঠকানোর পরো কেনো আমি ওর সাথে বন্ধুর মতো আচরণ করি।জবাবে আমি বলেছিলাম, কেও ওকে বিশ্বাস করিয়ে ঠকিয়েছিলো সেটা ছিলো ওর নিয়তি। আর,আমি সে নিয়তি কে মুছে দিতে চেয়েছি। ও সন্তান টা নষ্ট করতে চেয়েছিলো। কিন্তু,আমি না করি। কারণ, সব কিছুই তো আমি মেনেনিয়েছি ঘর ছাড়াও হয়েছি।তাহলে,একটা নিষ্পাপ বাচ্চা কি দোষ করেছে যে,পৃথিবীর আলো দেখার আগেই তাকে বিদাই নিতে হবে। তাই,আর বাচ্চা টা নষ্ট করতে দেইনি। বিয়ের ৭ মাস পর ওর প্রসব ব্যাথা উঠে। ও এবং আমি দুজনেই জানতাম যে ওই বাচ্চা টা আমার না। তার পরো আমি সেই সময় দূরে সরে যাইনি। পাশে থেকেছি।একজন মা ওই সময় তার সন্তান কে বাচানোর জন্য নিজের সাথে জিবন মরণ লড়াই করে।কিন্তু,নিয়তি ওকে আবারো ঠকালো। বাচ্চা জন্মনিলো ঠিকি কিন্তু মৃত!

একটা মৃত সন্তান জন্ম হবার কিজে বেদনা,সেটা কেবল একজন মা-ই জানে। এর পর দেখতে,দেখতে কেটে গেলো ৫ বছর। আজো ও আর মা হতে পারেনি। সেই দিনি মাত্রিত্বের স্বাধ হারিয়েছে ও। আমি ওকে জিবনে ঠাই দেবার পর থেকে অনেক,বিপদের মুখো মুখি হয়েছি।অনেক বাধা এসেছে।অনেক কিছু ছেড়েছি। কিন্তু,ওকে ছাড়িনি। ওর বেচে থাকার মূল খুটি টাই আমি।সারাদিন-রাত যখন,কাজ করে মৃত প্রাই সরির নিয়ে বাড়ি ফিরি।

তখন,ওর মুখের একটু হাসি আমাকে শুধু শান্তিই দেয়না।আমি আবার প্রাণ ফিরে পাই। প্রতিটা সময় ও একটা কস্টের ভিতর পড়ে থাকে।
রাতে আমার বুকে মাথা রেখে কেঁদে,কেঁদে যখন,আমার জামা ভিজিয়ে ফেলে তখন আমি ওকে সাহস দেই। নতুন একটা স্বপ্ন দেখাই। হাজারো ব্যাথা বুকে চাপা দিয়ে ওকে একটু হাসি খুশি রাখা টাই আমার নৃত্য দিনের কাজ। এভাবে ওকে ভালো রাখা টা এখন রুটিন হয়ে গেছে। এর মধ্যে মেয়েটা সুইসাইড করতেও গিয়েছিলো।

কিন্তু,পারেনি। আমি ওকে কখনো স্ত্রী মনে করিনি। নিজের দুনিয়া মনে করে সব সময় আগলে রেখছি। ওর সব আবাদার পূরন করেছি। আমি ওর সব ভুল গুলো সুদ্রে দিয়ে ওকে নতুন জীবন দান করেছি। যে,আল্লাহ্‌ কে সাক্ষী রেখে কলেমা পড়ে ওকে বিয়ে করার সময় যে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। যে,মৃত্তুর আগ পর্যন্ত আমি ওর সাথে থাকবো,ওর কোনো ক্ষতি হতে দেবোনা। আর,আমি আমার প্রতিজ্ঞা অটল ভাবে রেখে চলেছি। আমি বাবা হতে পারিনি ঠিকি। কিন্তু,ওর কাছে একজন শ্রেষ্ঠ স্বামি হতে পেরেছি।সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ ফেইসবুকে পড়তে এখনি লাইক দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকুন 24NewsBangla .com ফেসবুক পেইজে । আমাদের পোস্ট ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক- কমেন্ট- শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকবেন ।

এই পুরানো ছবিটির মধ্যে নাকি ভূত লুকিয়ে আছে ,ছবিটি জুম করে দেখুন চমকে যাবেন…

কিন্তু এমন কিছু ছবি আছে যেগুলি দেখতে সাধারনের মত হলেও তার ভেত্র যা রহস্য লুকিয়ে আছে জানলে আপনার হুঁশ উড়ে যেতে বাধ্য ।আজ আমরা আপনাদের একটি পুরান ছবি দেখাতে চলেছি যেটি মধ্যে একটি আজব জিনিস লুকিয়ে আছে ।দেখুন আসলে এই ছবিটি ১৯০০ সালে আয়ার ল্যান্ডে কিল্ক করা হয়েছিল ।মানে এই ছবিটির বয়স এখন ১১৮ বছর ।আর এটি আসলে একটি কাজের মেয়েদের ছবি ।এই সব মেয়ে গুলি একটি কারখানায় কাজ করত ।আর তাদের সংখ্যা মোট ১৫ জন ছিল আর সকলেই পাশাপাশিও বসিয়ে এই ছবিটি তোলা হয়েছিল ।

আপনার প্রথমে দেখে এই ছবিটি খুব সাধারন বলে মনে হচ্ছে হয়ত আপনি ভাবছেন এই মামুলি ছবিটির মধ্যে কি এমন লুকিয়ে আছে যা দেখার পর সবাই অবাক হয়ে যাচ্ছে ।আসলে এটি মামুলি ছবি না ,আর এই ছবির মধ্যে একটি বড় রহস্য আছে ।ছবিটি দেখার পর ভাবছেন এখানে মোট ১৫ জন মেয়ে আছে ।কিন্তু যদি আপনি এই ছবিটি ভালোভাবে লক্ষ করে থাকেন তাহলে এই ছবির মধ্যে আপনি ১৫ টি মেয়ে অবশ্যই দেখতে পাবেন কিন্তু তা ছাড়াও আরও একটি অবাক করা জিনিস দেখতে পাবেন ।যখন একজন মহিলারা তার আগের কার পুরবপুরুষের ছবি গুলি দেখছিল সেখানে একটি অবাক করা জিনিস দেখলযখন একটি মেয়ে তার গত হাওয়া দাদি মানে ঠাকুমার ছবি দেখছিল সেখানে দেখতে পেল তার দাদীর কাধে আর একটি যেন কার হাত রয়েছে ।আর সেটি নাকি কোন মানুষের হাত না এটি একটি ভূতের হাত ছিল ।আর সেটা আপনি ভালো ভাবে দেখলে ঠিক ভাবেই দেখতে পাবেন

আরো পড়ুন :হঠাৎ কিসের রক্তে সাগরের পানি এতো লাল?:নরওয়ে আর আইসল্যান্ডের মধ্যবর্তী আটলান্টিক সাগরের দক্ষিণে ভয়াবহ শীতের এক দ্বীপ। সমুদ্রবেষ্টিত সেই দ্বীপটির নাম ‘ফারো’। ১৮টি ছোটো ছোটো দ্বীপ নিয়ে গঠিত স্বায়ত্তশাসিত ফারো দ্বীপপুঞ্জ ডেনমার্কের আওতাভুক্ত।সম্প্রতি সেখানে তিমি শিকারীদের হাতে মারা পড়েছে কয়েক ডজন তিমি মাছ, ছুরির আঘাতে তিমির শরীর থেকে ছিটকে বেরোনো রক্তে লাল হয়ে গেছে সাগরের পানি।বিবিসিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আসন্ন তীব্র শীত মৌসুমে খাবার মজুদ করার উদ্দেশ্যে দলগতভাবে ওই তিমিগুলোকে শিকার করেছে ফারো দ্বীপের বাসিন্দারা।এমনকি দ্বীপের বাচ্চারা পর্যন্ত অংশ নিয়েছে দলগত ওই তিমি শিকারে। দ্বীপের বাইরের যে কোনো বাসিন্দা বা পর্যটকের কাছে ভয়ঙ্কর মনে হলেও ফারোবাসীদের কাছে সেটি উৎসবের মতো।

জানা যায়, ওই কয়েক ডজন পাইলট প্রজাতির তিমির মাংস আর চর্বিই হবে আসন্ন শীতে ৫০ হাজার ফারোবাসীর খাবারের মূল উৎস।সম্প্রতি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অ্যালেস্টার ওয়ার্ড (২২) সান্তামাউগে উপসাগরে দলগতভাবে ‘হোয়েল ড্রাইভিং’ নামে ওই তিমি শিকারের বেশ কিছু আলোকচিত্র প্রকাশ করেছেন।তাঁর বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ফারো দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দারা বাৎসরিক এই তিমি শিকার উৎসব পালন করে আসছে। উপসাগরে এত তিমি দেখে প্রথমে আশ্চর্য হয়ে যান আলোকচিত্রী ওয়ার্ড।যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ‘ট্রাইঅ্যাঙ্গেল’কে ওয়ার্ড বলেন, ‘শিকারীরা শুরুতে দাঁড় দিয়ে গুতিয়ে গুতিয়ে তিমিগুলোকে দ্বীপঘেঁষা বেলাভূমিতে নিয়ে আসে, যখনই তারা কাছাকাছি চলে আসে দ্বীপবাসী দৌড়ে নেমে যায়, আর তিমিগুলোকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে।’‘এমনকি বাচ্চারাও যুক্ত হয় ওই কাজে; দড়ি ধরে টানে, তিমির মরদেহগুলোর ওপরে উঠে লাফালাফি করে,’ বলেন ওয়ার্ড

ফারোর চারপাশে পাইলট প্রজাতির তিমি পর্যাপ্ত সংখ্যক আছে বলে জানান দ্বীপের বাসিন্দারা। সেগুলোর সংখ্যা প্রায় এক লাখ হবে, আর তারা বছরে প্রায় ৮০০ তিমি শিকার করে।শিকার দেখার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে ওয়ার্ড বলেন, ‘আমরা নির্বাক আর বিষণ্ণ হয়ে বসে ছিলাম শুধু, এ ছাড়া আর কিছু করার ছিল না।’ফারোবাসী তিমি শিকারের ব্যাপারটাকে সবার জন্য অংশ্রগ্রহণমূলক বলে মনে করে। খাবারের প্রয়োজনে ওই তিমি শিকার জাতীয় আইনে অনুমোদিত বলে জানা যায়। আইনে শুধু লক্ষ্য রাখতে বলা হয়েছে, শিকারের সময় তিমিদের যাতে সবচেয়ে কম কষ্ট দেওয়া হয়।

মেয়েটি এই শাড়ি পড়ে রাস্তায় বের হইল, কিন্তু ছবিটি জুম করে যা দেখা গেল জানলে চমকে যাবেন!!

ভারতীয় সংস্কৃতিতে শাড়ি এমন একটা জিনিস যা বাঙালি মহিলাদের একটা পছন্দের পোশাক ।আর এই পোশাকের কাছে অন্য পোশাক কে খুব নগন্য লাগে । এই শাড়ি পরলেc সকলকে দেখতে খুব সুন্দরী লাগে ।আর এই শাড়ি তাদের সুন্দরতা একটি অন্য মাত্রায় জায়গা করে দেয় ।আপনারা সকলএই দেখেছেন মহিলারা সব ফ্যাশনের জায়গায় শাড়ি পরে থাকে ।আর সেটা দক্ষিনে তামিল হোক বা বা পশ্চিমে গুজরাত বেনারসী শাড়ি বা বাংলার ধুতি ।আর এটি পারম্পরিক পোশাক ও বলা হয়ে থাকে ।আর এটি পরলে সুন্দরতার মাত্রা একটি অন্য রকম জায়গায় নিয়ে যায় ।

মেয়েটি এই শাড়ি পড়ে রাস্তায় বেরল কিন্তু ছবিটি জুম করে যা দেখা গেল জানলে চমকে যাবেনআর এই শাড়ির ইতিহাস আসলে খুব কম জন মানুষ জানেন আর আজ আমরা আপনাদের সেই ইতিহাস নিয়ে কিছু বলব ,শাড়ির ব্যাবহার বেদে পাওয়া গেছে । যদুবেদে শাড়ির শব্দের প্রথম উল্লেখ আছে ।শাড়ি সব থেকে পুরান আর অনেক দিন ধরে চলে আসা একটি পোশাক ।আর এই শাড়ির কথা মহাভারতে পাওয়া যায় আর এই শাড়িকে আত্মরক্ষার প্রতীক হিসাবে মনে করা হয়েছে ।

আর সকলেই জানি যখন দ্রোপদীর উপর দুর্যোধন খারাপ ব্যাবহার করেছিল তখন ভগবান শ্রী কৃষ্ণ তার শাড়ির আকার বাড়িয়ে তার সম্মান রক্ষা করেছিল ।আর এই শাড়ির অনেক ভাগ আছে যারা বিধবা মহিলা তারা সাধারনত সাদা শাড়ি পরে থাকে তারা রঙ্গিন শাড়ি পরে না ।আর শাড়ি পরে সকল মহিলা সুন্দরী দেখতে লাগে ।আর আজ আমরা এমন একটি জিনইস দেখাব এই শাড়ির নিয়ে ,যেখান একটি মেয়ে শাড়ি পরে আছে কিন্তু তার শাড়ি জুম করে যা দেখতে পাওয়া গেল তা দেখলে আপনি চমকে যাবেন ।

মেয়েটি এই শাড়ি পড়ে রাস্তায় বেরল কিন্তু ছবিটি জুম করে যা দেখা গেল জানলে চমকে যাবেনআর এই শাড়ি পরে থাকা মহিলার নবাম বংশিকা ।আর এই শাড়ি কেনার পর মহি;লা মার্কেটে যায় আর সেখানে গিয়ে সেখান কার পাবলিক তার শাড়ি দেখে এমন একটি জিনিস দেখতে পায় যা দেখে তাদের মাথায় হাত পড়ে ।

আর আপনি যদি এটি জুম করে দেখেন তাহলে দেখতে পাবেন একটি আশ্চর্য জিনিস ।আসলে এই শাড়ির মধ্যে নোট বন্দি হয়ে যাওয়া ৫০০ টাকার আর ১০০০ টাকার পুরানো নোট আছে ।আর যখন তাকে এই শাড়ি নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হল।তিনি জানান এটা আমার পরিকল্পনা আমি এই বাতিল হয়ে যাওয়া নোট গুলিকে একসাথে ভালো কাজে লাগাতে চায় ।আর আপনারাও দেখন কিভাবে বুদ্ধি দিয়ে নোট বানান হয়েছে ।

শরীরের হাড় ক্ষয় করে যেসব খাবার

শরীরের হাড় ক্ষয় করে যেসব খাবার

শরীরের হাড় ক্ষয় – সুস্থ হাড় গঠন সুস্বাস্থ্যের জন্য এবং জীবনের সকল পর্যায়েই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।আপনার শৈশব, কৈশোর তরুণ-যুব বয়সের খাবারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থ সমূহ আপনার হারের অন্তর্ভুক্ত হয়।একসময় আপনি ত্রিশের কোঠায় পা দেন, তখন আপনি হাড়-ভরের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহন করেন। এই সময়ের মধ্যে যদি কোন কারণে আপনার পর্যাপ্ত হাড়-ভর (bone mass) তৈরি না হয়, কিংবা পরবর্তীতে হাড়-ভর হ্রাস পায়, তাহলে হাড়-ভঙ্গুরতা বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়তে থাকে, যার ফলে হাড় সহজে ভেঙ্গে যেতে পারে।

শরীরের হাড় মানেই খুব শক্ত তা কিন্তু নয়। বরং মানুষের শরীরের হাড় কিছু কিছু কারণে খুবই নরম বা ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। অস্টিওপোরোসিস হাড়ের রোগের মধ্যে অন্যতম। এই রোগে আক্রান্তদের হাড় ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যেতে থাকে। হাড় ক্ষয়ের জন্য কিছু খাবারও দায়ী থাকে। দেখুন কী কী খাবার আপনার শরীরের হাড় ক্ষয়ের জন্য দায়ী।

অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার মানব শরীরের হাড়কে দুর্বল করে দেয়। লবণ অর্থাৎ সোডিয়াম ক্লোরাইড দেহ থেকে ক্যালসিয়াম বের করে দেয়। ফলে হাড় হয়ে ভঙ্গুর বা ক্ষয়িষ্ণু। খাবারে সাথে বাড়তি লবণ খাওয়া ছাড়াও ফাস্ট ফুড, কাচা খাবার, সালাদ কিংবা চিপসে মেশানো লবণ আপনার হাড়ের জন্য মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে।

একটু ভরপেট খাওয়া হলেই অনেকেই সফট ড্রিংকস বা কোমল পানীয়ের জন্য অস্থির হয়ে পড়েন। জেনে রাখুন, এই কোমল পানীয় প্রতিনিয়ত হাড় ক্ষয় করে চলেছে। এই সমস্ত কোমল পানীয়ে থাকা ফসফরিক এসিড মানুষের প্রাকৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেহের ক্যালসিয়াম দূর করে দেয়। আর ধীরে ধীরে হাড় হয়ে ওঠে ক্ষয়িষ্ণু।

আত্মহত্যার পূর্বে বাবা-মায়ের সাথে ভিকারুন্নিসার প্রিন্সিপালের কক্ষে অরিত্রি (ভিডিও)

বাবার অপমান সইতে না পেরে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রির আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলনের মধ্যে আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী হিসেবে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার শিফট ইনচার্জ জিনাত আক্তার ও শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বুধবার সচিবালয়ে তদন্ত কমিটির এই প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী তিনজনকে বরখাস্ত করার জন্য ম্যানেজিং কমিটিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিভাগীয় মামলাসহ সকল আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। ওই তিন শিক্ষকের এমপিও বাতিল করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

এদিকে অরিত্রি আত্মহত্যার আগে ভিকারুন্নিসার নুন স্কুলের প্রিন্সিপালের কক্ষে যায় তার মা-বাবার সাথে। কেমন ছিলো সেখানকার চিত্র দেখুন সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে

সুত্র: dhaka news

পায়ের গোড়ালি ফাটা রোধে কিছু কার্যকরী টিপস

পায়ের গোড়ালি ফাটা রোধে কিছু কার্যকরী টিপস

পায়ের গোড়ালি ফাটার সমস্যা বেশ বিরক্তিকর। আর শীতকালে এ সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। সমাধানের জন্য রয়েছে কার্যকর পন্থা। ঘরোয়া পরিচর্যার জন্য কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো- পা ফাটা প্রতিরোধের জন্য প্রতিদিন সকালে গোসলের আগে পায়ে ভালো করে এক চা-চামচ তিলের তেল বা নারিকেল তেলের সঙ্গে তিন-চার ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল বা আমন্ড অয়েল, এক চা-চামচ গ্লিসারিন, এক চা-চামচ গোলাপ পানি, সিকি চামচ ভিনিগার মিশিয়ে পুরো হাতে, পায়ে, পায়ের পাতায় লাগিয়ে দশ মিনিট অপেক্ষা করুন।

এর পর সামান্য গরম পানিতে হাত-পা ধুয়ে আলতো করে ময়েশ্চারাইজার মালিশ করে নিন।রাতে শোবার সময় হালকা গরম পানিতে পা ধোয়ার পর ১০০ গ্রাম নারিকেল তেলের সঙ্গে ৫ গ্রাম কর্পুর, ২০ গ্রাম প্যারাফিনওয়্যাক্স মিশিয়ে গরম করে একটি পাত্রে রেখে দিন। এ মিশ্রণ পায়ের ফাটা জায়গায় লাগিয়ে কোনো সুতির মোজা পরে নিন।

বাড়িতে সবসময় স্লিপার বা সুতির মোজা পরা অভ্যাস করুন।এক চা-চামচ পেট্রোলিয়াম জেলির সঙ্গে এক টেবিল-চামচ মুলতানি মাটি, এক চা-চামচ মধু, দুই চা-চামচ গ্লিসারিন, এক চা-চামচ মুগডাল বাটা, দুই চা-চামচ গোলাপ জল দিয়ে পেস্ট বানিয়ে পুরো পায়ে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন।নিয়মিত এ প্যাক লাগালে পা ফাটা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

লেবু খাওয়ার পর প্লিজ খোসাটা ফেলবেন না! কারণ ওটা খেলে কিন্তু বেশি উপকার পাওয়া যায়

জানা আছে কি প্রতিদিন এক বাটি করে কাঁচা শসা খাওয়ার পরামর্শ কেন দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা

মমতাজের বাড়ির দাম ৭ কোটি, আয় ও শিক্ষাগত যোগ্যতা

এক সপ্তাহের মধ্যে অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলতে চান নাকি? তাহলে নিয়মিত পালং শাকের রস পান করতে ভুলবেন না

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ওষুধের ধারা নারী-পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১

ওজন কমাতে আদা-লেবুর পানীয় , আদা ও লেবুর পানীয় ওজন কমাতে এবং পেটের মেদ ঝরাতে দ্রুত কাজ করে। আদা হজম ভালো করে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। এ ছাড়া আদার পানি কঠিন চর্বিকে কমাতে সাহায্য করে। এই পানীয় নিয়মিত খেলে দ্রুত মেদ ঝরে।লেবু শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে উপকারী। আর মধু ওজন কমাতে শক্তিশালী উপাদান হিসেবে কাজ করে এবং পানীয়টি সুবাসিত করে।

ওজন কমাতে আদা-লেবুর পানীয় তৈরির উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ডেমিক। ওজন কমাতে আদা-মধুর পানীয় তৈরির উপায় ,উপাদান, ১. আদা , ২. লেবু , ৩. মধু , যেভাবে তৈরি করবেন, প্রথমে একটি মাঝারি আকারের আদা কয়েক টুকরো করে কেটে নিন। এবার একটি মাঝারি আকারে লেবু নিয়ে সেটি কয়েক টুকরো করে কাটুন। এবার একটি পাত্রে এক লিটার পানি নিয়ে সেদ্ধ করুন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দারুন কার্যকরী আম পাতা

প্রতিদিন ঘুমাবার আগে যা খেলে ছেলেরা সারা জীবণ ২৫ বছরের যুবকের মতো থাকবে

প্যান্টের পেছনের পকেটে মানিব্যাগ রাখেন? জেনে নিন কী ক্ষতি

শাকিবের ওপর রাগ করে অভিনয়ই ছেড়ে দিচ্ছেন বুবলী? কিন্তু কেন

এবার কিছুক্ষণ পর এতে আদা ও লেবুর টুকরোগুলো দিন। এবার চুলার আঁচ কমিয়ে কিছুক্ষণ সেদ্ধ করুন। চুলা বন্ধ করে কিছুক্ষণ ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন। এরপর পানীয়টি থেকে আদা ও রসুন সরিয়ে ফেলুন। এবার পানীয়টি ছেঁকে নিন এবং এর মধ্যে এক চা চামচ মধু মেশান। তৈরি হয়ে গেল আদা ও লেবুর পানীয়। খাবার আগে অথবা পরে এই পানীয়টি দিনে এক থেকে দুবার পান করতে পারেন।

নির্বাচনের কারণে ২০১৯ সালের আইপিএল অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশে?

নির্বাচনের কারণে ২০১৯ সালের আইপিএল অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশে?

ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ভারতের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। এটি এতটাই জনপ্রিয় যে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের টুর্নামেন্টের রাজা বলা হয় আইপিএলকে। তবে ২০১৯ সালের বিশ্বের এই সবচেয়ে জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট হতে পারে বাংলাদেশে।এমন একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে ভারতীয় জনপ্রিয় ক্রিকেট গনমাধ্যম ক্রিকট্র্যাকার।

আগামী বছর নির্বাচনের কারণে ভারতে অনুষ্ঠিত নাও হতে পারে আইপিএল। এর আগে ও নির্বাচনের কারণে আইপিএল অনুষ্ঠিত হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। তবে সময় এবং জনপ্রিয়তার দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি ক্রিকেট ভেন্যু বাংলাদেশ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রথম পছন্দ সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।

তবে ভারত ক্রিকেট বোর্ড চাচ্ছে তাদের দেশের সাথে সময় মিলিয়ে এশিয়ার কোন দেশ এই আইপিএল আয়োজন করতে। সে ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর পরেই রয়েছে বাংলাদেশের স্থান। বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি।

তবে ক্রিকেট ট্রেকার এর মতে জনপ্রিয়তা সময় এবং নিরাপত্তা দিক দিয়ে বাংলাদেশককে এগিয়ে রাখছে তারা। কারণ ভারতের থেকে বাংলাদেশের সময় দূরত্ব মাত্র ৩০ মিনিটের। আর দর্শকদের কথা মাথায় চিন্তা রেখে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখবে ভারত। সূত্র : ক্রিকট্র্যাকার

জানেন, সুস্থ থাকতে সপ্তাহে কতবার বীর্যপাত করা উচিত?

ঠিকঠাক হচ্ছে তো? আরও কি হবে? রংটা হঠাৎ হলুদাভ কেন? গন্ধ কেন আঁশটে? শরীরী ক্ষরণের চরম উত্তেজনার মধ্যেই অজস্র প্রশ্ন মনের ভিতর ছটফট করে। কারও সঙ্গে আলোচনা করতে লজ্জা, সঙ্গিনীর সঙ্গে শেয়ার করতে কুণ্ঠা। ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া তো দূর কি বাত।মিলনের পর বীর্যপাত করে সুখ না পাওয়া তীব্র অস্বস্তিকর। কৈশোর থেকে প্রৌঢ়ত্বের দোরগোড়ার প্রায় সব পুরুষই কোনও না কোনও সময় বীর্যের বিচিত্র সমস্যায় উদ্বিগ্ন হন। সমস্যা সব সময় গুরু না হলেও গম্ভীর বটে।কারণ বীর্যপাত, শুক্রাণুর সমস্যা শুধু পিতৃত্বে বাধা দেয় না। সময়মতো সঠিক ক্ষরণ না হলে পুরুষ মানসিক ও শারীরিক অস্থিরতায় ভোগে। একইসঙ্গে বীর্যের লক্ষণ দেখে ধরা পড়ে বেশ কিছু অসুখও।বস্তুটি আসলে কী?শরীর নিঃসৃত ধাতুটিতে থাকে প্রোটিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১২, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, জিঙ্ক, সাইট্রিক অ্যাসিড, ফ্রুকটোজ, ল্যাকটিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সোডিয়াম। টেস্টিস, প্রস্টেট গ্রন্থি, সেমিনাল অ্যাসাইকল, বালবোইউরেথ্রাল গ্রন্থি থেকে বীর্য তৈরি হয়।রং দেখে সাবধান:সুস্থ মানুষের বীর্যের রং সাদা। কখনও ধূসর-সাদা। তবে পঞ্চাশোর্ধ্বদের বীর্যের রং বয়সজনিত অনেক সময় হালকা হলদেটে হয়। তাতে চিন্তার কিছু নেই। অতিরিক্ত রসুন খেলেও রং হলদেটে হতে পারে।

‘ভাই আপনি এমপি হলে আমার ছেলেকে সরকারি চাকরি দিতে হবে’ – উত্তরে যা বললেন মাশরাফি

কাউকে না জানিয়ে চুপি চুপি যে কাণ্ড ঘটিয়েছেন মাশরাফি

মহানবী (সাঃ) কে দেখে যে কারণে একটি উঠ কেঁদেছিলো

তবে বীর্যের রং রক্তাভ হলে সাবধান। এর অর্থ বীর্যের সঙ্গে রক্তপাত হচ্ছে। ডাক্তারি ভাষায় একে বলে হেমাটোস্পার্মিয়া। প্রস্টেটে বায়োপসি করলে সাধারণত বীর্যের সঙ্গে রক্ত বের হয়। এছাড়া পুরুষাঙ্গের টেস্টিস, প্রস্টেটের মতো গ্রন্থিগুলিতে টিউমার বা ইনফেকশন অথবা প্রস্রাবে ইনফেকশন হলেও বীর্যের সঙ্গে রক্ত আসতে পারে। ইনফেকশনের ক্ষেত্রে ইউরিন কালচার করে কারণ অনুসন্ধান করতে হয়।বাদামি রঙের বীর্যপাত ইকোলাই, টিবির লক্ষণ। আবার অনেক সময় ইনফেকশনের কারণে রক্ত জমে বাদামি হয়ে নিঃসৃত হয়। কয়েকজনের বীর্যের রং সবুজাভও হয়। তবে তা অত্যন্ত বিরল। ঠিক কী কারণে সবুজ হয় তা নিয়ে চিকিৎসক মহলে ধোঁয়াশা রয়েছে। অনুমান, কোনও খাবারের রঙের জন্য এমন বিচিত্র রং হতে পারে। বীর্যের রং অস্বাভাবিক হলে অবশ্যই অ্যান্ড্রোলজিস্ট বা ইউরোলজিস্টের কাছে যান। ওষুধের মাধ্যমে সমস্যা সেরে যায়।

জুমার নামাজ না পড়লে যে ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে সতর্ক করেছেন রাসূল (সা.)

অবশেষে বাংলাদেশ পেলো বিশ্বের ১ নাম্বারে থাকা ৩ নাম্বার পজিশনের ব্যাটসম্যান

এক ভিসায় ঘুরে আসুন ২৬ টি দেশ

কতটা স্বাভাবিক:সাধারণত মিলন বা হস্তমৈথুনের পর প্রথমবার ৩.৭ মিলিলিটার বীর্য ক্ষরিত হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে পুনরায় করলে পরিমাণ কমে। অনেকে খুব তরল বীর্য দেখে চিন্তিত হয়ে পড়েন। ঘনঘন মিলনের ফলে বীর্যপাত করলে সাধারণত তা তরল হয়। এটা কোনও অসুখ নয়। বীর্য আসলে তরলই হয়। কিন্তু ক্ষরণের কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ঈষৎ ঘন হতে থাকে। বীর্যে থাকা প্রোটিনের জন্য ঘন হয়। কিন্তু ২০ মিনিট থেকে আধ ঘণ্টার মধ্যে ফের প্রোটিন ভেঙে বীর্য জলের মতো তরল হয়ে যায়।

প্রস্রাবের সঙ্গে বীর্য:সমস্যাটির নাম রেট্রোগ্রেড ইজ্যাকিউলিশন। যখন স্পার্ম বা শুক্রাণু টেস্টিস থেকে বের হয় তখন মূত্রথলির মুখ বন্ধ থাকে। কিন্তু কারও কারও ক্ষেত্রে প্রস্টেট বা মূত্রথলিতে কোনও অপারেশন বা ওষুধের জন্য স্পার্ম বেরনোর সময় মূত্রথলির মুখ খোলা থাকে। এঁদের ক্ষেত্রে স্পার্ম মূত্রথলির দিকে চলে যায় এবং প্রস্রাবের সঙ্গে বীর্য বেরিয়ে যায়। এই সমস্যা নিয়েও তেমন চিন্তার কিছু নেই। তবে ডাক্তার দেখিয়ে নেওয়া ভাল। কখনও ইউরিন ইনফেকশন হলে প্রস্রাবের সঙ্গে পুঁজের মতো কিছু বের হয়। অনেকে এই পুঁজের মতো অংশকে বীর্য ভেবে উদ্বিগ্ন হন।প্রস্টেট নেই, বীর্য নেই:প্রস্টেট অপারেশনে প্রস্টেট বাদ গেলে বীর্য ক্ষরণ হয় না। কারণ, বীর্য যে পথে এসে পুরুষাঙ্গ দিয়ে বের হয় সেই পথ প্রস্টেট গ্রন্থির একটা অংশ। তবে টেস্টিকেলস না থাকলেও বীর্যপাত সম্ভব। সেক্ষেত্রে বীর্যে শুক্রাণু উপস্থিত থাকবে না।

‘ভাই আপনি এমপি হলে আমার ছেলেকে সরকারি চাকরি দিতে হবে’ – উত্তরে যা বললেন মাশরাফি

কাউকে না জানিয়ে চুপি চুপি যে কাণ্ড ঘটিয়েছেন মাশরাফি

মহানবী (সাঃ) কে দেখে যে কারণে একটি উঠ কেঁদেছিলো

সময় জরুরি: মিলনের কতক্ষণের মধ্যে বীর্যপাত হওয়া স্বাভাবিক তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে। অনেকে ভাবেন, আধ ঘণ্টা না হলে সব ঠিকঠাক নেই। শীঘ্রপতনের আশঙ্কায় কুণ্ঠিত বোধ করেন। কিন্তু আসলে চরম মুহূর্তে পৌঁছনোর পর দু’ থেকে সাত মিনিটে বীর্যপাত হওয়া স্বাভাবিক। এর চেয়ে কম সময়ের মধ্যে বীর্যপাত হলে তাকে বলে প্রিম্যাচিওর ইজ্যাকিউলেশন। এটা একটা অসুখ। কোলেস্টেরল, সেক্স হরমোনের সমস্যা বা অতিরিক্ত ধূমপানের নেশা থেকে এই সমস্যা হতে পারে। বিশিষ্ট ডাক্তারের কাছে এর চিকিৎসা জরুরি। সাধারণত একটু বয়স্কদের এমন প্রিম্যাচিওর ইজ্যাকিউলেশন হয়। তাই ওষুধ দিয়ে তাঁদের যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর আগে হার্ট, প্রেশার ঠিক আছে কি না তা চেক করে নেওয়া উচিত।

সুস্থ থাকতে সপ্তাহে কতবার বীর্যপাত করা উচিত? বহু পুরুষের মনেই এই প্রশ্ন জাগে। সহবাস বা মৈথুনের মাধ্যমে প্রতিদিনই করতে পারেন। তবে সপ্তাহে একদিন করার তুলনায় যাঁরা রোজ বা তিন-চারদিন করেন তাঁদের শরীর বেশি ভাল থাকে। ২০ বছরের পরেই সহবাস শুরু করলে ৪০-৪৫ বছর বয়সের পর যৌন চাহিদা বা বীর্যপাত কমতে থাকে। ৩০-এর পর থেকে যাঁরা সহবাস করেন তাঁদের ক্ষমতা আরও বেশি বয়স পর্যন্ত হয়। তবে বীর্যপাতের সঙ্গে বয়সের তেমন কোনও সম্পর্ক নেই।

গন্ধে কষ্ট:কারও কারও বীর্যে আঁশটে গন্ধ ছাড়ে। দীর্ঘদিন এমন হলে ডাক্তারের পরামর্শমতো কিছু অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে।ত্বকের জন্য ভাল:বীর্যে এমন কিছু উপাদান থাকে যা ত্বকের জন্য ভাল। অ্যাকনে, ডার্ক সার্কল, ত্বক মসৃণ করতে বীর্য থেকে তৈরি ক্রিমের ব্যবহার ভাল। সরাসরি লাগালেও উপকার।মান ভাল রাখতে:সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে চাইলে স্পার্মের মান ভাল রাখা জরুরি। তাই বেশি করে সবুজ শাক—সবজি, কলা, রসুন খান। নিয়মিত শরীরচর্চা করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।