সিনেমার শুটিংয়ের পর পোশাক গুলো কি করে জানেন? জানলে চমকে যাবেন!

সিনেমার শুটিংয়ের পর পোশাক গুলো কি করে জানেন? জানলে চমকে যাবেন!

সিনেমা মানুষের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। সে জন্য চমক আর দৃষ্টিনন্দন করার জন্য তার মধ্যে থাকে হাজারো পরিকল্পনার সমাহার। আর সেসবের মধ্যে অন্যতম হলো পোশাক পরিবর্তন।একটি সিনেমায় নায়ক-নায়িকা সহ যতগুলো চরিত্র থাকে তাদের সবাইকে অসংখ্যবার পোশাক এবং কস্টিউম পরিবর্তন করতে হয়।

সারা ছবিতে নায়ক-নায়িকার পরা সমস্ত পোশাক একত্র করলে একটা জামাকাপড়ের দোকান খুলে ফেলা যায় অনায়াসে। এর মধ্যেও কিছু পোশাক থাকে যা দর্শককূলের মনে দাগ কেটে যায়।বলিউড ছবি ‘চন্না মেরেয়া’ গানে অানুশকার বিয়ের সাজ অথবা ‘বাজিরাও মাস্তানি’র ‘দিওয়ানি মস্তানি’ গানে দীপিকার অপূর্ব কস্টিউমের কথা ভোলা যায় না। কিন্তু সেই সমস্ত ড্রেসের জীবনকাল তো মোটে কয়েক সেকেন্ড, বড়জোড় কয়েক ঘণ্টা। তারপর কী হয় এই সমস্ত পোশাকের?

কিন্তু কখনো ভেবেছেন কি এত দামী দামী কস্টিউম শুটিং শেষের পর কী করা হয়? আর কখনও ব্যবহারই হয় কি না এই পোশাক? আসলে শুটিং শেষ হয়ে যাওয়ার পর বেশির ভাগ সময়ই প্রডাকশন হাউসের স্টোর রুমে রাখা থাকে সেই সমস্ত পোশাক। প্রতিটি ছবির জন্য আলাদা আলাদা বাক্স তৈরি করা হয়। উপরে ছবির নামের স্টিকার লাগানো থাকে। স্টিকার লাগানো সেই বাক্সের মধ্যেই রাখা থাকে পোশাকগুলো। তাহলে কী এত সব দামী পোশাক এ ভাবেই বাক্সবন্দি হয়ে পড়ে থাকে দিনের পর দিন?

উত্তরটা অবশ্যই ‘না’। আসলে, সাধারণ মানের পোশাকগুলোই এ ভাবে রাখা হয়। পরে তা সেই প্রডাকশনেরই অন্য ছবির পার্শ্ব চরিত্রদের পরতে দেওয়া হয়।আর দামী ডিজাইনার পোশাকগুলোর ক্ষেত্রে ঘটে অন্য ঘটনা। আরেক বলিউড ছবি ‘বম্বে ভেলভেট’ এ ৩৫ কেজির একটি সবুজ গাউন পরেছিলেন অানুশকা শর্মা। ‘চন্না মেরেয়া’ গানে তার পরা লেহেঙ্গাটির ওজন ছিল ১৭ কেজি। বেশির ভাগ সময় শুটিংয়ের পর এই ডিজাইনার পোশাকগুলি নিজেদের স্টুডিওর জন্য ফেরত নিয়ে নেন ডিজাইনাররা।

কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে টাকা!

রাস্তার পাশে লাইন দিয়ে বস্তা বস্তা টাকা নিয়ে বসে ব্যবসায়ী, গ্রাহকরা তাদের প্রয়োজন মতো টাকা কিনছেন! ওই অনেকটা আলু, পটল কেনার মতো…! নিশ্চয়ই ভাবছেন এ কোনও গল্পকথা! বাস্তবে এমনটা আবার সম্ভব হয় নাকি? হয়! এমন বিচিত্র বাজার রয়েছে আফ্রিকার ছোট্ট দেশ সোমালিল্যান্ডে। সেখানে বিক্রি হয় টাকা। জাল বা নকল নয়, এক্কেবারে আসল টাকা!

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

খোলা রাস্তায় দিন-দুপুরে ক্রেতারা বিনিময় প্রথার মাধ্যমে ব্যাগে ভরে নিয়ে যাচ্ছে রাশি রাশি টাকা, ওখানে যার নাম ‘শিলিং’। প্রাচীনকালে বিনিময় প্রথার মধ্যে দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য হত ঠিকই, কিন্তু ২১ শতকেও? মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আগে! আসলে, সোমালিল্যান্ডের আর্থিক কাঠামোই এরজন্য দায়ী। শিলিংয়ের দাম ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

২০০০ সালে এক ডলার ছিল ১০ হাজার শিলিংয়ের কাছাকাছি। ২০১৭ সালের প্রথম দিকে ৯ হাজার শিলিংয়ের সমান ছিল এক ডলার। তাই ডলার বা ইউরোর নিরিখে সামান্য খরচ করলেই পাওয়া যেত কয়েক কেজি নোট!

শিলিংয়ের এমন মূল্যহীনতার কারণেই সোমালিল্যান্ডের টাকার গুরুত্ব ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। টাকার দাম এখানে এতই কম যে, এই টাকার বাজারে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নেই! এমনকি ছিনতাইকারী-চোর-ডাকাতও এই শিলিং চুরি করতে আগ্রহ দেখায়নি। কাজেই, রাস্তার পাশে পথের উপর ফেলে রেখে বিক্রি হচ্ছে শিলিং!

ঐক্যফ্রন্ট জিতলে কে হবেন প্রধানমন্ত্রী, বললেন ড. কামাল :: একাদশ জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সম্পাদকদের সহযোগিতা চেয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। শুক্রবার বিকালে রাজধানীর গুলশানের একটি অভিজাত হোটেলে দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সহযোগিতা চান ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

সভায় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হলে জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বসেই ‘প্রধানমন্ত্রী’ পদের জন্য নেতা ঠিক করবে। বিডিনিউজটোয়েন্টিফোর.কমের সম্পাদক তৌফিক ইমরাজ খালিদীর ওই প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল এমন উত্তর দিয়েছেন বলে আমাদের নতুন সময় সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান জানালেও পরে বৈঠক থেকে বের হয়ে তৌফিক ইমরোজ খালিদী সাংবাদিকদের বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, আমি এ প্রশ্ন করলেও জবাব আমি পাইনি।

বৈঠকে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের মধ্যে ড. কামাল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না !

সম্পাদকদের মধ্যে ছিলেন নিউজ টুডের সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, নিউএইজ সম্পাদক নুরুল কবীর, আমাদের নতুন সময় সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের যুগ্ম-সম্পাদক আবু তাহের, সাপ্তাহিক বুধবার সম্পাদক আমির খসরু, সাপ্তাহিক সম্পাদক গোলাম মোর্তজা, ইনকিলাবের সহকারী সম্পাদক মুন্সি আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশের খবরের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রমুখ।

পুরুষের একটি বিশেষ যৌ’ন রোগ যা অনেকেই বুঝেনা, জেনে নিন এর লক্ষণ

মিলনের সময় কিছু নিয়ম মেনে না চলার কারণে নারী ও পুরুষের উভয়ের সংক্রমন কিছু যৌন রোগ দেখা দিতে পারে।
অনেকেই এই সমস্যাটির কারণ ঠিক ভাবে বুঝতে পারে না। ফলে এই সমস্যাটি পরে বড় ধরনের সমস্যায় পরিনত হয়। আসুন তাহলে দেখে নেই রোগটি কি, এর লক্ষণ কি, এবং এক্ষেত্রে করনীয় কি।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে  আয়ুর্বেদিক  ঔষধের  দ্বারা  নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন  রোগের  চিকিৎসা  করা হয়।  দেশে ও  বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

 

লক্ষণ:: পুরুয়ের লিঙ্গ থেকে নিঃসরণ হচ্ছে সাদা বা হলুদ (হালকা হলুদ) জাতীয় পদার্থ এবং প্রসাবের সমং সাধারণত ব্যথা হয়। এছাড়ও নানান যৌন রোগ রয়েছে। যা নিজের দেহের প্রতি নিজে লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারবেন।

এই রোগ হওয়ার কারণ::  একাধিক সঙ্গীর সাথে যৌন সঙ্গম করলে এ সব রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। – যৌনাঙ্গ যদি প্রতিদিন, বিশেষ করে প্রত্যেক সঙ্গমের পর পরিষ্কার করা না হয়, তাহলে যৌন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। – কনডমের সঠিক ব্যবহার না করা।

প্রতিরোধের উপায়::  যাদের অনেক যৌন সঙ্গী আছে তাদের সাথে সঙ্গম এড়িয়ে চলুন। – সব সময় সাবান ও পানি, বিশেষ করে যৌন সঙ্গমের পর যৌনাঙ্গ ধুয়ে পরিষ্কার রাখুন।  রোগীর যৌন সঙ্গীর চিকিৎসা নিশ্চিত করুন, যাতে এই রোগ অন্যদের মধ্যে না ছড়ায়। – সঠিক নিয়মে কনডম ব্যবহার করুন।

চিকিৎসা:: কেউ যদি মনে করে তার যৌন রোগ আছে তাহলে যথা শীঘ্রই পরীক্ষা এবং চিকিৎসা করানো উচিত। শুরুতে যৌন রোগের চিকিৎসা করা সহজ, পরে চিকিৎসা করা কঠিন।

যৌন রোগের কারণে যেসব সমস্যায় পড়তে পারেন:: সংক্রমনের চিকিৎসা যদি তাড়াতাড়ি না হয়, তাহলে তা যৌনাঙ্গের বাহির থেকে যৌনাঙ্গের ভিতর প্রবেশ করবে। মহিলাদের বেলায় এটা জরায়ু টিউব ও ডিম্ব কোষ এবং পুরুষের বেলায় অন্ডকোষ আক্রমন করবে। এটা প্রথম দিকে সাংঘাতিক অসুস্থতার কারণ হতে পারে এবং পরবর্তী সময়ে মহিলা বন্ধ্যা হয়ে যেতে পারে অথবা পুন: পুন: গর্ভ নষ্ট হতে পারে অথবা মৃত বাচ্চা প্রসব করতে পারে।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

পুরুষেরা সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারে। আক্রান্ত পুরুষ অথবা মহিলার অন্যান্য যৌন সঙ্গীর মধ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়বে। গর্ভবতী মহিলার যৌন রোগের চিকিৎসা না হলে, বাচ্চা যৌন রোগ নিয়ে জন্ম গ্রহণ করতে পারে। তাই দ্রুত চিকিৎসা নিন।

সমবয়সী বিয়ে করলে যা হয়

বিয়ে হচ্ছে দুজন মানুষের মধ্যে একটি বন্ধন, যা সারাজীবনের জন্য অটুট থাকবে। আর তার জন্য নিজেদের মধ্য বোঝাপড়া থাকাটা বড় বিষয়। ভালোবেসে বিয়ে হোক আর পরিবারগতভাবে বিয়েই হোক সব কিছুতেই বোঝাপড়াটাই প্রধান। দুজন যদি দুজনকে পড়ে নিতে পারেন তাহলে সংসারে সমস্যা আসলেও তা সমাধান করা সহজ হয়ে পরবে। আর সমস্যা তো আসবেই, কারণ সমস্যা ছাড়া মানুষ থাকতে পারে না।

তবে, সমবয়সীদের বিয়েতে একটু ঝামেলা থাকেই। পাত্রীর চেয়ে পাত্রের বয়স কমপক্ষে ৫ বছর এবং বেশি হলে ১০ বছরের মধ্যে থাকা উচিত। ব্যতিক্রম ঘটনা থাকতেই পারে, কিন্তু সেটা আলোচনার মধ্যে আসতে পারে না। ব্যতিক্রম সবসময়ই ব্যতিক্রম। তাই কিছু সমবয়সী দম্পতিও হতে পারেন দারুণ সুখী।জীবনের সর্বাঙ্গীণ সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দ, সফলতা-বিফলতায় সমান ভাগীদার খোঁজা। তাই সমবয়সীদের মাঝে বিয়ের ব্যাপারটা ইদানিং খুব বেশি দেখা যাচ্ছে।

একইসঙ্গে পড়াশুনা বা চাকরি করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা, মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁধা। সমবয়সী স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুর মতো সবকিছু শেয়ার করা যায়। নিজের ভালোলাগার বিষয়গুলো তার সঙ্গে মিলে যায় সহজেই। বিষয়গুলো আবার সব সময় একই রকম থাকে না। কখনও পড়তে হয় দারুণ বিপাকে। তাইতো অনেক অভিভাবকই মেনে নিতে পারেন না ব্যাপারটা। সমবয়সী বিয়ের ক্ষেত্রে কিছু কমন সমস্যা আমরা প্রায়ই দেখতে পায়, যা বিষিয়ে তুলতে পারে দাম্পত্য জীবনে।

অনেক সময় দেখা যায়, সমবয়সী পুরুষ নারীর কাছে মানসিক দিক থেকে ভ্রাতৃতুল্য হয়। কিন্তু পুরুষটির আচরণে এসে পড়ে কর্তৃত্ব। যেহেতু নারীটি ওই পুরুষ থেকে পরিণতমনস্ক, সেই কারণে তার থাকে দিদিগিরি। অচিরেই শুরু হয়ে যায় ব্যক্তিত্বের সংঘাত। আবার এমনো হয়, যুক্তি-বুদ্ধি নিয়ে গড়ে ওঠা মেয়েটির নিজস্ব চিন্তা ভাবনাকে সম্মান দেখানোর মানসিকতা থাকে না পুরুষটির। মেয়েদের যেহেতু পারিপার্শ্বিকতা বোঝার ক্ষমতা একটু বেশি।

ছেলেটির তুলনায় মেয়েটি যখন বেশি সচেতন তখন তা হয় দাম্পত্য জীবনে মতভেদ, জটিলতা ইত্যাদির কারণ হয়। একে অপরকে যথাযথ সম্মান দিতে নারাজ। আবেগের ভাটা পড়লে সম্পর্কের পরণতি হয় ডিভোর্সে। তবে এই সংঘাতের মধ্যদিয়ে কেউ টিকে গেলে আসে আরেক ঝামেলা। দুজনেরই বয়স যখন ৪০ থেকে ৪৫-এর মধ্যে। নারীদের জীবনে এটি একটি টার্নিং পয়েন্ট।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

নানা স্বাভাবিক সঙ্কট তৈরি হয় এ সময়। সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারায়, স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনিচ্ছা, ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটে। একইসঙ্গে চলে মানসিক সমস্যা। এসবে তা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তারা ভাবতে শুরু করে, তার দেয়ার আর কিছু নেই। মনে চলে আসে বিষণ্ণতা। প্রাকৃতিক কারণে আগে পরিণত হওয়ায় নারীকে আগেই বার্ধক্য গ্রাস করে ফেলে।

স্বপ্নে পরিচিত কারো সাথে অন্তরঙ্গ ভাবে মিলিত হয়েছেন, জানেন এর মানে কি

স্বপ্নে পরিচিত কারো সাথে অন্তরঙ্গ ভাবে মিলিত হয়েছেন, জানেন এর মানে কি

ঘুমের মধ্যে পরিচিত কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে স্বপ্ন দেখা খুবই বিব্রতকার একটি বিষয়। স্বপ্ন ভেঙ্গে ঘুম থেকে উঠার পর নিজের কাছে খুবই অপরাধী এবং লজ্জা অনুভব হতে থাকে। মনে মনে ভাবতে থাকি কেন এমন বাজে স্বপ্নটা দেখলাম। কিন্তু গবেষণা বলছে, এই ঘটনা খুব স্বাভাবিক।

যৌনতা নিয়ে স্বপ্ন দেখে লজ্জা না পেয়ে বরং জেনে নিন কোন স্বপ্নের কী মানে।

যৌনতা নিয়ে স্বপ্নে আসেন বস্! :
গবেষণা বলছে, যৌন স্বপ্নে বস্ এলে অবচেতন মনে আপনার নেতৃত্ব দেওয়ার বাসনা প্রবল। এক কাজ করুন, বসের সঙ্গে আলাদা করে মিটিংয়ে বসুন। আলোচনা করুন কোম্পানির ভবিষ্যত নিয়ে।

বন্ধুর সঙ্গে স্বপ্নে যৌনতা :নিজের এই আচরণে অবাক হবেন না। হয়তো আপনার বন্ধুর মধ্যে এমন কোনও গুণ রয়েছে যা অবচেতনে আপনার মধ্যে একটা অন্য রকম ভাললাগা তৈরি করে।

স্বপ্নে আপনার ক্রাশ :ক্রাশের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ইচ্ছে গোপনে লালন করেন প্রায় প্রত্যেকেই। তাই এই স্বপ্ন খুব স্বাভাবিক।

প্রাক্তনকে নিয়ে যৌন স্বপ্ন :এখানে নিজের আচরণ সম্পর্কে একটু সতর্ক হোন। হতে পারে আপনার প্রাক্তনের সঙ্গে আপনার শারীরীক সম্পর্ক ছিল। কিন্তু যেহেতু সেই সম্পর্ক থেকে আপনারা দু’জনেই বেরিয়ে এসেছেন তাই সেটা নিয়ে আর না ভাবাই ভাল।

পরিবারের কাউকে নিয়ে যৌন স্বপ্ন দেখা :এই ক্ষেত্রেও নিজের জন্য অ্যালার্ম সেট করুন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যৌন সম্পর্ক একদল চিকিত্সকের কাছে অসুস্থতার লক্ষণ।

আব্রামকে স্কুলে ভর্তি করাতে গিয়ে কী ঘটলো?

শাকিব-অপুর পুত্র আব্রামকে স্কুলে ভর্তি করাতে গিয়েও আর ভর্তি করানো গেল না। সোমবার রাজধানীর বারিধারায় আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে (এ আই এস ডি) ভর্তি করানোর জন্য নিয়ে যান শাকিব খান এবং অপু বিশ্বাস। ভর্তির ফরমও পূরণ করেন তারা। তবে পরে ভর্তি করানো সম্ভব হয়নি। কেননা আব্রামের বয়স এখনো তিন হয়নি। একারণেই অনুমতি মেলেনি কর্তৃপক্ষের।

তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ পরামর্শ দেন স্কুল বিভাগে নয়, আব্রামকে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা’র প্লে-গ্রুপে ভর্তি করাতে। বাবা-মা দু’জনই শুনেন তাদের পরামর্শ। প্রেগ্রুপেই ভর্তি করানো হয় আব্রাম খান জয়কে।

ছেলের প্রথম বিদ্যালয়ে যাওয়া নিয়ে শাকিব খান বলেন, ‘জয়ের সুন্দর ভবিষ্যত গড়ে তোলার জন্য সব ধরনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। আগামী বছরই এই স্কুলে তাকে ভর্তি করাতে পারব। খুবই দুষ্টুমি করে। ওর সঙ্গে সময় কাটাতে আমার খুব ভালো লাগে। মাঝে মধ্যে ওর সঙ্গে আমিও পড়তে বসে যাই।’

অপু বিশ্বাস বলেন, ‘শাকিবের এই দিকটা আমার ভালো লেগেছে। ছেলেকে স্কুলে ভর্তি করাবে বলে সকালেই উঠেই চলে এসেছে।সে এত সকালে ভর্তির জন্য স্কুলে চলে আসবে, আমি ভাবতেও পারিনি। জয়ের বাবার প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গেল। সকালে স্কুলের ভেতর বাবা-ছেলের খুনসুটি দেখতে বেশ ভালোই লেগেছে। সবাই দোয়া করবেন জয় যেন লেখাপড়া শিখে একজন আদর্শ মানুষ হয়।’

সমস্ত মেয়েদেরকে আহব্বান করছি প্লিজ বোন মাত্র ২ মিনিট ব্যয় করে লেখাটা পড়!

সমস্ত মেয়েদেরকে আহব্বান করছি প্লিজ বোন মাত্র ২ মিনিট ব্যয় করে লেখাটা পড় ! আর সম্ভব হলে ছেলে বা মেয়ে সকলেই পোস্টটি শেয়ার কর।  বোন সেলফি দিও না ফেসবুকে!  কেন?!!!  কারন জাহান্নামের আগুন সহ্য করার ক্ষমতা আমাদের নাই!!!তুলতুলে গাল দুইটার কি হবে জান? তুলতুলে গালের ছিটে ফোঁটা অস্তিত্ব থাকবেনা.. শুধু আগুন থাকবে মুখমন্ডল জুড়ে! কি বিশ্বাস হয়না? বিশ্বাস না হলে  সূরা ইবরাহীম ৫০ আয়াতের অর্থ দেখো!

এখানেই শেষ না বোন! আল্লাহর অবাধ্যতা করলে অনন্তকাল জাহান্নামে পুড়তে হবে! যখনই গায়ের চামড়া পুড়ে কয়লা হয়ে যাবে তখনই তার স্থলে নতুন চামড়া সৃষ্টি করে দিবেন আল্লাহ যাতে পাপীরা গুনাহের শাস্তি পরিপূর্ণ ভাবে ভোগ করে। এটা আমার বানিয়ে বানিয়ে বলা গল্প না… সূরানিসা ৫৬ তম আয়াত এটি !

জীবনে যে কখনো নামায আদায় করেনি,পর্দা যে স্বপ্নেও ভাবতে পারেনা সেও কোনদিন বলবেনা কোরআনের আয়াত মিথ্যা! এখন বলো বোন! কার জন্য এবং কিসের জন্য তুমি নিজের উপর এমন লানত নিয়ে ঘুরছো! সামান্য কয়টা লাইক? নোংরা কিছু কমেন্ট? এসব দিয়ে কি হবে তোমার? ডিমান্ড বাড়বে? কার কাছে?

নষ্ট হয়ে যাওয়া কিছু ছেলের কাছেই কেবল বাবা- মা মেরে পিটে মানুষ করতে পারেনি এমন কিছু ছেলে আর কিছু ব্যক্তিত্বহীন ছেলেই তোমার ছবিতে কমেন্ট করবে wow hot! প্রকৃতই যারা পুরুষ তারা কখনো ঠুনকো লাইক, কমেন্ট দিয়ে তোমার সৌন্দর্য যাচাই করবেনা! তবে কার জন্য নিজেকে একটু একটু করে সস্তা করছো?

তুমি তো সস্তা জাতি নও! তুমি তো সেই জাতি যাদের জীবন্ত কবর দেয়ার প্রথা থেকে তুলে এনে পুরুষের জন্য চক্ষুশীতল কারীনি বানানো হয়েছে!তুমি তো সেই জাতি যারা রাসূল (সাঃ) এর নবুয়ত প্রাপ্তির পর প্রথম ইসলাম কবুল করার সৌভাগ্য পেয়েছে!

তুমি তো সেই সে জাতি দুনিয়াতে থাকা অবস্থাতেই জান্নাতের নেত্রী হওয়ার সুসংবাদ পেয়েছে! তুমি তো সেই জাতি যাদের পদতলে জান্নাতের ঘোষনা দেয়া হয়েছে! তুমি এতটা সস্তা নও যে নষ্ট হয়ে যাওয়া একদল কাপুরুষের লাইক, কমেন্ট নিয়ে তোমাকে নতুন করে জাতে উঠতে হবে!

সময় হারানোর পূর্বেই সব সেলফি-টেলফি সরাও বোন…অন্যের মনোরঞ্জনের জন্য নিজেকে জাহান্নামী করার মত বোকা তুমি নও! সেই দিন আসবার পূর্বেই নিজেকে শুধরাও যেদিন আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব কোন কাজেই আসবেনা!  ওমা তওফিকী ইল্লা বিল্লাহ..1

জীবনের শেষ মূহুর্তে প্রিয় রাসূল (সা:) যে কথাটি বলেছিলেন

রাসূল মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের শেষ মূহুর্ত চলছে। ঠিক সে সময় একজন লোক এসে ‘সালাম’ জানিয়ে বললেন, আমি কি ভিতরে আসতে পারি। রাসূল (সাঃ) এর কন্যা ফাতিমা (রাঃ) বললেন, দুঃখিত আমার পিতা খুবই অসুস্থ। একথা বলে ফাতিমা (রাঃ) দরজা বন্ধ করে রাসূল (সাঃ) কাছে গেলেন। হযরত রাসূল (সা) বললেন, কে সেই লোক? ফাতিমা বললেন, এই প্রথম আমি তাকে দেখেছি। আমি তাকে চিনি না। রাসুল (সাঃ) বললেন শুনো ফাতিমা, সে হচ্ছে আমাদের এই ছোট্ট জীবনের অবসানকারী ফেরেশতা আজরাইল।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

এটা শুনে হযরত ফাতিমার অবস্থা তখন ক্রন্দনরত বোবার মতো হয়ে গিয়েছে। রাসূল (সাঃ) বললেন, হে জিবরাঈল আমার উম্মতের কি হবে? আমার উম্মতের নাজাতের কি হবে ? জিবরাঈল (আঃ) বললেন, হে রাসুল আপনি চিন্তা করবেন না, আল্লাহ ওয়াদা করেছেন আপনার উম্মতের নাজাতের জন্যে। মৃত্যুর ফেরেশতা ধীরে ধীরে রাসূলের কাছে এলেন জান কবজ করার জন্যে। মালাকুল মউত আজরাইল আরো কাছে এসে ধীরে ধীরে রাসূলের জান কবজ করতে থাকলেন।

পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জিবরাঈলকে রাসূল বললেন ঘোঙানির সাথে, ওহ জিবরাঈল এটা কেমন বেদনাদায়ক জান কবজ করা। ফাতিমা (রাঃ) তার চোখ বন্ধ করে ফেললেন, আলী (রাঃ) তার দিকে উপুড় হয়ে বসলেন, জিবরাঈল তার মুখটা উল্টা দিকে ফিরিয়ে নিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, হে জিবরাঈল তুমি মুখটা উল্টা দিকে ঘুরালে কেন, আমার প্রতি তুমি বিরক্ত? জিবরাঈল বললেন, হে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সাকারাতুল মউতের অবস্থায় আমি আপনাকে কিভাবে দেখে সহ্য করতে পারি! ভয়াবহ ব্যাথায় রাসূল ছোট্ট একটা গোঙানি দিলেন।

রাসূলুল্লাহ বললেন, হে আল্লাহ সাকারাতুল মউতটা (জান কবজের সময়) যতই ভয়াবহ হোক, সমস্যা নেই, আমাকে সকল ব্যথা দাও আমি বরণ করবো, কিন্তু আমার উম্মাতকে ব্যথা দিওনা। রাসূলের শরীরটা ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে আসতে লাগলো। তার পা, বুক কিছুই নড়ছে না এখন আর। রাসূলের চোখের পানির সাথে তার ঠোঁটটা কম্পিত ছিলো, তিনি কিছু বলবেন মনে হয়।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

হযরত আলী (রাঃ) তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে নিয়ে গেলো। রাসূল বললেন, নামাজ কায়েম করো এবং তোমাদের মাঝে থাকা দূর্বলদের যত্ন নিও। রাসূলের ঘরের বাইরে চলছে কান্নার আওয়াজ, সাহাবীরা একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরে উচ্চস্বরে কান্নারত। হযরত আলী (রাঃ) আবার তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে ধরলো, রাসূল চোখ ভেজা অবস্থায় বলতে থাকলেন, ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি, “হে আমার উম্মতেরা নামাজ, নামাজ..! নামাজ..!

যেসব আমলে মহান আল্লাহ মানুষের রুজি-রোজগার বাড়িয়ে দেন

যেসব আমলে মহান আল্লাহ মানুষের রুজি-রোজগার বাড়িয়ে দেন

এ পৃথিবীতে মানুষের সবচেয়ে বেশি পেরেশানি হলো খাবার নিয়ে। এছাড়া মানুষ সমাজে নিজে সব চেয়ে বড় করে তুলে ধরে সম্মানের পাত্র হতে চায়। অথচ এ দুটি জিনিসেরিই মালিক মহান আল্লাহ। পবিত্র কোরআনের সূরা সাবার ৩৯ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে ‘বল, আমার প্রতিপালক তো তাঁহার বান্দাদের মধ্যে যাহার প্রতি ইচ্ছা রিজিক বর্ধিত করেন এবং যাহার প্রতি ইচ্ছা সীমিত করেন। তোমরা যাহা কিছু ব্যয় করিবে তিনি তার প্রতিদান দিবেন। তিনিই শ্রেষ্ঠ রিজিকদাতা।’

আল্লাহ জীবিকা বা রিজিকের মালিক। তিনিই মানুষকে রিজিক দেন। উপরোক্ত আয়াতে যে বিষয়টির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে সেটি হলো আল্লাহ ইচ্ছা করলেই যে কোনো ব্যক্তির রিজিক বাড়িয়ে দিতে পারেন, তেমনি তিনি তা কমিয়ে দিতেও পারেন। আল্লাহ যেহেতু মানুষকে সম্পদ দেন, সেহেতু মানুষ যদি আল্লাহর নির্দেশিত পথে সে সম্পদ ব্যয় করে তবে তিনি বান্দাকে তার বিনিময় দান করার ব্যাপারেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আল্লাহ ইচ্ছা করলেই যে কাউকে পর্যাপ্ত রিজিক দিতে পারেন। সব মানুষের জন্য পর্যাপ্ত রিজিকের ব্যবস্থা করতে পারেন। কিন্তু সে ক্ষেত্রে এক মানুষের সঙ্গে অন্য মানুষের নির্ভরতার সম্পর্ক নষ্ট হতো। মানুষের মধ্যে একে অপরকে তোয়াক্কা না করার মনোভাব দেখা দিত।

পবিত্র কোরআনে এ বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে সূরা আশ-শুরার ২৭ নম্বর আয়াতে। ইরশাদ করা হয়েছে, ‘আল্লাহ তাহার সকল বান্দাকে জীবনোপকরণে প্রাচুর্য দিলে তাহারা পৃথিবীতে অবশ্যই বিপর্যয় সৃষ্টি করিত, কিন্তু তিনি তাহার ইচ্ছামতো পরিমাণেই নাজিল করিয়া থাকেন। তিনি তাহার বান্দাদিগকে সম্যক জানেন ও দেখেন।’

পবিত্র কোরআনের উপরোক্ত আয়াতের ভিত্তিতে বলা যায়, পৃথিবীর সব মানুষকে পর্যাপ্ত রিজিক ও নেয়ামত দেওয়া হলে ধন-সম্পদ প্রাচুর্যের কারণে কেউ কারও মুখাপেক্ষী থাকত না। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, মানুষের ধন যত বাড়ে লোভ-লালসা তত বাড়ে। ফলে সবাই পর্যাপ্ত ধন-সম্পদের মালিক হলে পারস্পরিক রেষারেষি ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার মনোভাব বেড়ে যেত।

আল্লাহর প্রদত্ত ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থার কারণে ধনীরা যাদের সম্পদ নেই তাদের কাছেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুখাপেক্ষী থাকে। আবার যাদের সম্পদ নেই ধনীদের সঙ্গে তাদেরও মুখাপেক্ষিতা গড়ে উঠেছে। আল্লাহ রিজিকের মালিক বিধায় পাথরখণ্ডের মধ্যে বসবাসকারী ক্ষুদ্র পতঙ্গের ক্ষুধাও তিনি নিবারণ করেন।

ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থার মাধ্যমে এ ক্ষেত্রে তিনি যে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেছেন তা কেবল অলৌকিক সত্তার পক্ষেই সম্ভব। তাই জীবিকার জন্য অযথা অস্থিরতা কাম্য নয়। সবাই তার বরাদ্দকৃত সময় ও জীবিকা শেষ করেই দুনিয়া থেকে বিদায় হবে। ইবনে আদম দুনিয়ায় আসার আগেই আল্লাহ তায়ালা তার জীবিকা লিখে রেখেছেন। ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকে তার মায়ের পেটে ৪০ দিন শুক্র হিসেবে থাকে।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

অতঃপর রক্তপিন্ড হয়ে থাকে। অতঃপর মাংসপি রূপান্তরিত হয়। এরপর তার কাছে ফেরেশতা পাঠানো হয়, সে তার মাঝে রুহ প্রবেশ করে আর তাকে চারটি বিষয় লিখে দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়- জীবিকা, তার সময় বা বয়স এবং সে কি সৌভাগ্যবান না দুর্ভাগ্যবান।’ (বোখারি মুসলিম)। কিছু আমল রয়েছে, যা রিজিক বাড়ায়।

জীবিকার ক্ষেত্রে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা এর শিক্ষা দিয়েছেন। শরিয়ত এসব আমলের ব্যাপারে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করেছে। এসব আমলের মাঝে সর্বপ্রথম হচ্ছে তাকওয়া অর্জন করা। অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করা। যে আল্লাহকে ভয় করবে, তাকওয়া অর্জন করবে, আল্লাহ তায়ালা তাকে এমনভাবে রিজিক দান করবেন যে, সে তা ভাবতেও পারবে না।

আর আল্লাহ তায়ালার অঙ্গীকার সত্য। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য নিষ্কৃতির পথ করে দেন এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিজিক দেবেন।’ (সূরা তালাক : ২-৩)। এমনভাবে তাকে জীবিকা দান করবেন যে, সে ধারণাও করতে পারবে না। যে জায়গার ব্যাপারে তার আশা-প্রত্যাশাও ছিল না। আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, ‘আর যদি সে জনপদের অধিবাসীরা ঈমান আনত এবং পরহেজগারি অবলম্বন করত, তবে আমি তাদের প্রতি আসমানি ও পার্থিব নেয়ামতগুলো উন্মুক্ত করে দিতাম।’

(সূরা আরাফ : ৯৬)। বান্দা তার পালনকর্তাকে ভয় করবে গোপনে এবং প্রকাশ্যে। ভয় করবে তার নিজের ক্ষেত্রে, তার পরিবার-পরিজন, অর্থ-সম্পদ, কাজকর্ম ও তার সব কাজের ক্ষেত্রে। রিজিক বাড়ে এমন আমলের মধ্যে আরেকটি হচ্ছে, অধিক পরিমাণে এস্তেগফার পড়া এবং তা নিয়মিত করা। আল্লাহ তায়ালা তাঁর নবী নুহ (আ.) এর কথা বলতে গিয়ে বলেন, ‘অতঃপর বলেছি, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা প্রার্থনা করো।

তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দেবেন, তোমাদের জন্য উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্য নদীনালা প্রবাহিত করবেন।’ (সূরা নুহ : ১০-১২)। অন্যদিকে হুদ (আ.) এর কথা বলতে গিয়ে এরশাদ করেন, ‘আর হে আমার কওম! তোমাদের পালনকর্তার কাছে তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা করো, অতঃপর তারই প্রতি মনোনিবেশ করো; তিনি আসমান থেকে তোমাদের ওপর বৃষ্টিধারা প্রেরণ করবেন এবং তোমাদের শক্তির ওপর শক্তি বৃদ্ধি করবেন, তোমরা কিন্তু অপরাধীদের মতো বিমুখ হইও না।’ (সূরা হুদ : ৫২)।

হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি অধিক পরিমাণে এস্তেগফার পড়বে আল্লাহ তায়ালা তাকে সব দুশ্চিন্তা ও সঙ্কটাপন্ন অবস্থা থেকে মুক্ত করে দেবেন এবং ধারণাতীতভাবে তাকে জীবিকা দান করবেন।’ (আবু দাউদ)। কুরতুবি (রহ.) বলেন, ‘এতে বোঝা যায়, এস্তেগফারে রিজিক বাড়ে এবং বৃষ্টি বর্ষিত হয়।’

জীবিকার প্রধান একটি বিষয় হচ্ছে আল্লাহ তায়ালার ওপর যথাযথ ভরসা করা। হৃদয় মাওলার সঙ্গে যুক্ত থাকবে। সব ক্ষেত্রে তাঁর কাছেই সমর্পণ করবে। যে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালার ওপর ভরসা করবে, সে তার সব প্রয়োজনের জন্য যথেষ্ট এবং তার সব অকল্যাণ ও ক্ষতিকর বিষয় তিনি প্রতিহত করবেন এবং ধারণাতীতভাবে তাকে জীবিকা দান করবেন।

হাদিসে এসেছে, ‘যদি তোমরা আল্লাহ তায়ালার ওপর সঠিক ও যথাযথভাবে ভরসা করো, তাহলে তিনি তোমাদের পাখির মতো জীবিকা দান করবেন, ক্ষুধার্ত অবস্থায় সবাই বের হয় আর পেটপূর্তি করে বিকালে বাসায় ফিরে।’ (আহমাদ, তিরমিজি)।

ইবনে রজব (রহ.) বলেন, ‘তাওয়াক্কুল ও ভরসার ক্ষেত্রে হাদিসটি মূলনীতি হিসেবে গৃহীত। আর তাওয়াক্কুল ও ভরসা জীবিকার বিভিন্ন আমল ও মাধ্যমের অন্যতম।’ পূর্বসূরিদের অনেকে বলতেন, ‘আল্লাহর ওপর ভরসা করো তাহলে কোনো কষ্ট-ক্লেশ ছাড়াই তোমার রিজিকের ব্যবস্থা হবে।’

এক্ষেত্রে একটি বিষয় ভালো করে জানা প্রয়োজন যে, মাধ্যম গ্রহণ করা বা কোনো কিছু পাওয়ার জন্য চেষ্টা করা তাওয়াক্কুল বা ভরসার পরিপন্থী নয়, বরং জ্ঞানী আলেম-ওলামারা বলেন, প্রচেষ্টা করা এবং মাধ্যম গ্রহণ করাই হচ্ছে আল্লাহর আনুগত্য। আর হৃদয় দিয়ে ভরসা করা তার প্রতি ঈমানের নামান্তর।

আর মাধ্যম গ্রহণ করার ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, ‘তিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীকে সুগম করেছেন, অতএব তোমরা তার কাঁধে বিচরণ করো এবং তার দেয়া রিজিক আহার করো।’ (সূরা মুলক : ১৫)। ‘কেউ কেউ আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধানে দেশে-বিদেশে যাবে।’ (সূরা মুজ্জাম্মিল : ২০)। ওমর (রা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যেন জীবিকার সন্ধান না করে বসে বসে এ কথা না বলে, হে আল্লাহ আমাকে রিজিক দাও, কারণ তোমরা জান আকাশ কখনও স্বর্ণ-রুপা বর্ষণ করে না।’

বরকতময় জীবিকা পাওয়ার আরেকটি অন্যতম সূত্র হচ্ছে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা। হাদিসে এসেছে, ‘যার জীবিকার প্রসারতা ও জীবনের ব্যাপ্তি তাকে আনন্দিত করে, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।’ (বোখারি)।

আল্লাহ তায়ালার হেকমত ও অনুগ্রহের মধ্যে এটি একটি যে, তিনি দান-সদকা ও আল্লাহর পথে খরচ করার মধ্যেও অফুরন্ত জীবিকার ব্যবস্থা রেখেছেন। তাই যে আল্লাহর রাস্তায় খরচ করবে তিনি তার বিপরীতে তাকে দান করেন এবং তার কাছে যা আছে তাতে বরকত দান করেন। আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, ‘তোমরা যা কিছু ব্যয় করো, তিনি তার বিনিময় দেন। তিনি উত্তম রিজিকদাতা।’

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

(সূরা সাবা : ৩৯)। দুনিয়াতে আল্লাহ তায়ালা এর পরিবর্তে কিছু দিয়ে এবং তাতে বরকত দিয়ে এর বিনিময় দান করেন। আর আখেরাতে উত্তম প্রতিদান ও বিশাল সওয়াবের মাধ্যমে বিনিময় দান করেন। কোরআনে এসেছে, ‘শয়তান তোমাদের অভাব-অনটনের ভীতি প্রদর্শন করে এবং অশ্লীলতার আদেশ দেয়।

পক্ষান্তরে আল্লাহ তোমাদের নিজের পক্ষ থেকে ক্ষমা ও বেশি অনুগ্রহের ওয়াদা করেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সুবিজ্ঞ।’ (সূরা বাকারা : ২৬৮)। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘দুইটি বিষয় আল্লাহর পক্ষ থেকে, আর দুইটি বিষয় শয়তানের পক্ষ থেকে। শয়তান অভাব-অনটনের ভয় দেখায়, আর বলে দান করো না, নিজের কাছে রেখে দাও।

ভবিষ্যতে তোমার প্রয়োজন হবে। আর অশ্লীলতার আদেশ দেয়। অন্যদিকে আল্লাহ তায়ালা গোনাহ ও পাপের জন্য ক্ষমার ওয়াদা করেন এবং রিজিকে অনুগ্রহের অঙ্গীকার করেন।’ তাই বেশি করে দান করা চাই। এতে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশাল ও ব্যাপক বিনিময়ের সুসংবাদ রয়েছে।

যেসব খাবার খেলে আয়ু বাড়বে। পড়ুন বিস্তারিত..

যেসব খাবার খেলে আয়ু বাড়বে। পড়ুন বিস্তারিত..

মৃত্যু মানব জীবনের এক চরম সত্য। মৃত্যু কখন কার দোরগোড়ায় এসে উপস্থিত হবে তা কেউ জানে না। তবে সকলেই চায় দীর্ঘজীবি হতে। সুস্থভাবে নিয়ম মেনে যেমন দীর্ঘদিন বেঁচে থাকা যায়, তেমনই অনেক সময় নিষ্ঠাবান থেকেও অনেকে কমবয়সে নানা রোগের কারণে প্রাণ হারান। তবে কিছু উপাদান অবশ্যই রয়েছে যা খাওয়ার ফলে মানুষের প্রাণ বা আয়ু বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে।

বেশিদিন বাঁচলে জীবনের নানা বৃত্ত স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়। পরের একাধিক প্রজন্মকে নিজের চোখে দেখে যাওয়ার শখ অনেকেরই থাকে। জীবনের ছোট-বড় মুহূর্তগুলোর সংখ্যা অনেক বেশি হয়। ফলে সকলেই চান রোগ-ব্যাধিকে সরিয়ে রেখে দীর্ঘায়ু লাভ করতে।যেসব খাদ্যগুলো আপনাকে দীর্ঘায়ু লাভে সহায়তা করবেঃ

অ্যাভোক্যাডো: অ্যাভোক্যাডো ফলটি শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এই ফলে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন কে এবং প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে আপনাকে দীর্ঘজীবী করে তুলবে।  আলুবোখারা: এই ফলটি হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতাকে সুরক্ষিত রাখে ও সহজেই হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচায়।

রসুন: এতে রয়েছে ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন সি-র মতো নানা উপাদান যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া ক্যানসারের মতো জটিল রোগের সঙ্গে লড়তেও এটি দারুণ সাহায্য করে।  বার্লি: বার্লিও শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। এটি কোলন ক্যান্সারের মতো রোগ প্রতিরোধ করে, হজম শক্তিকে বাড়ায় এবং একইসঙ্গে শরীর থেকে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলকে বের করে দেয়।

অলিভ অয়েল: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর অন্যতম উপায় হলো অলিভ অয়েলের ব্যবহার বাড়ানো। এতে রয়েছে নানা উপকারী ফ্যাট ও ভিটামিন-কে, যা নানা ধরনের শারিরিক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে।  কাজু বাদাম: কাজু বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং জিঙ্ক যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরকে সুস্থ রাখে। ডার্ক চকোলেট: ডার্ক চকোলেটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং শরীরের কোষগুলোর বয়স বাড়ার গতি কমিয়ে দেয়।