নতুন খবর দিলেন অপু বিশ্বাস

নতুন খবর দিলেন অপু বিশ্বাস

ঢালিউড কুইন খ্যাত চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস চলচ্চিত্রে শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে মাতিয়েছেন দর্শক। ইন্ডাস্ট্রিকে উপহার দিয়েছেন বহু ব্যবসা সফল ছবি।চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে সফল নায়িকা অপু। এই অঙ্গনে কাজ করা উপভোগ করেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন একটি বিজ্ঞাপনের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।

একটি প্রতিষ্ঠানের নতুন বাজারজাত করা তেলের জন্য নির্মিত হবে টিভিসি। তেলের নাম সুন্দরী নারিকেল তেল। রিচ কেমিক্যালের মালিকানাধীন এই তেলের টিভিসিতে মডেল হিসেবে হাজির হবেন অপু বিশ্বাস।সোমবার (১৯ নভেম্বর) রাতে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করেন তিনি। সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর আতাউর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ। বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করবেন আকাশ আমিন।

জাগো নিউজকে অপু বলেন, ‘পণ্যটি নতুন। বিজ্ঞাপনের আইডিয়া ও বাজেট বেশ ভালো। সে জন্যই কাজটি করতে রাজি হয়েছি। নতুন পণ্যের প্রচারণায় চ্যালেঞ্জ থাকে। সেটাই আমি নিতে চেয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দর্শকের সঙ্গে একটি গ্যাপ

তৈরি হয়েছে আমার। সেটা ঘুচিয়ে দেবে এই বিজ্ঞাপনটি। আশা করছি এটি ভালো লাগবে দর্শকের। শিগগিরই টিভিসিটির শুটিং শুরু হবে।’সর্বশেষ এই নায়িকা কাজ করেছিলেন নাভানার একটি পণ্যের বিজ্ঞাপনে। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন নন্দিত চিত্রনায়ক রিয়াজ।

পোশাক খোলার ভিডিও দেখে সরগরম অনলাইন দুনিয়া

পোশাক খোলার ভিডিও দেখে সরগরম অনলাইন দুনিয়া

রাখি সাওয়ান্তের মতো কথায় কথায় ভাইরাল তিনি হন না। তবে যখন আসেন, তখন তুফান নিয়ে আসেন। তিনি পুনম পাণ্ডে। বিতর্কের রানীর খেতাব তাকে দিয়েই রেখেছে বলিউডবাসী।

যে ধরণের ছবি কিংবা ভিডিও তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তা বিতর্ক তৈরি করারই যোগ্য।সম্প্রতি একটি বোল্ড ভিডিও পোস্ট করে সকলকে তাক লাগিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি স্ট্রিপ টিজের ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি। সেটি বেশ শোরগোল তৈরি করেছে সাইবার দুনিয়ায়। সেখানে পোশাক খুলতে দেখা গেছে তাকে।

তবে এটি ছিলো কেবলমাত্র পোশাক খোলার টিজার। বাকী ভিডিও আছে নায়িকার নিজস্ব অ্যাপে। যার নাম ‘Thepoonam pandeyapp’। এই অ্যাপে পুনমের অজস্র ভিডিও দেখতে পারবেন যে কেউ।

সেখানে প্রায় প্রতিটি ভিডিওই বোল্ড। সম্প্রতি একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি লিখেছেন এটা শুধুমাত্র টিজার। পুরো ভিডিওটি আছে তার সেই অ্যাপে।টিজারে তিনি তার টি-শার্ট খুলে অন্তর্বাস দেখিয়েছিলেন। যা নিয়ে অসংখ্য মানুষ নানা ধরণের কমেন্ট করেছেন। কেউ তাকে খারাপ মন্তব্য করেছেন তো কেউ ভালো। তবে এসবে কান দেন না পুনম। নিজের মতোই ভিডিও এবং ছবি পোস্ট করে যান তিনি।

পুরুষ শরীরে যা খোঁজে মেয়েরা!

এতদিন নারীর শরীর কেমন হলে তা আকর্ষণ করবে পুরুষকে তা নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা হয়েছে নানা মহলে৷ শিল্পীরা নিজের তুলিতে পুরুষের মনের মতো করে এঁকেছেন নারীকে৷ এবার পালা পুরুষের শরীরের আকর্ষণ খোঁজার৷ নারীরা পুরুষের কোন অঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হয় তা খতিয়ে দেখা যাক৷ ১০০ জন নারীর ওপর পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে পুরুষের কোন অঙ্গ আকর্ষণ করে তাদের৷

১. চওড়া কাঁধ :  অধিকাংশ নারী পুরুষদের চওড়া কাঁধ বেশি পছন্দ করেন। পুরুষকে সাধরনত নারীরা নিজেদের মানষিক অবলম্বন হিসাবেই পেতে চায়৷ আর চওড়া কাঁধ মহিলাদের মধ্যে সেই ভাবনাকে আরও মজবুত করে এমনটাই মনে করেন মনোবিদরা৷ তাই অবচেতনে নারীর মন ছোটে পুরুষের চওড়া কাঁধের দিকে৷

২. চওড়া বক্ষ :  পুরুষদের আকর্ষণীয় অঙ্গের মধ্যে আরেকটি হল তাদের চওড়া বক্ষ। কিন্তু বক্ষ চওড়া করতে জিমে গিয়ে খুব একটা লাভ হয় না নারীমন পাওয়ার ক্ষেত্রে৷ কারন এই ধরনের পুরুষের দেহ নয় বরং যাদের প্রকৃতিগতভাবেই চওড়া বক্ষ রয়েছে তাদেরই পছন্দ করেন নারীরা। এছাড়া চওড়া বক্ষের অধিকারী এসব পুরুষের স্তনের গড়নও তাদের বেশ ভালো লাগে। তাদের শরীরের ঘামের ফোটা অনেক বেশি আকর্ষন করে অধিকাংশ নারীকে।

৩. আকর্ষণীয় পেশী :  পেশীবহুল পুরুষ সবসময়ই প্রিয় মহিলাদের কাছে৷ তবে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা অস্বাভাবিক পেশী অনেক নারীই অপছন্দ করেন। যখন পুরুষের পেশীবহুল বাহু টি-শার্টের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে অনেক নারীর চোখই আটকে যায় সেদিকে।

৪. সুমিষ্ট ঠোঁট :  ঠোঁট যে শুধু নারীরই আকর্ষণীয় হয়ে থাকে তা নয় পুরুষের ঠোঁটও আকর্ষণীয় আর সুমিষ্ট হতে পারে বলে জানিয়ছেন অনেক নারী। তবে বেশিরভাগ নারীই চিকন ঠোঁটের অধিকারী পুরুষদের বেশি পছন্দ করেন। ধূমপান না করা ঠোঁটই মেয়েদের প্রথম পছন্দ।

৫. জিহ্বা :  পুরুষদের অঙ্গ নিয়ে নারীদের পছন্দের তালিকায় জিহ্বাও রয়েছে। আবেগঘন চুম্বনে বা শারীরিক মিলনের সময়ে জিহ্বার ভূমিকা অসাধারণ। তাই নারীদের অনেকেই পুরুষের এই জিহ্বাকে বেশ পছন্দ করে থাকেন।

৭. আকর্ষণীয় হিপস :  নারীদের হিপের সৌন্দর্যের পাশাপাশি পুরুষের হিপস-এর সৌন্দর্য থাকাও উচিত। হিপস-এর স্বাস্থ্য বেশি মেদযুক্তও না হলেও খুব কম মেদের হিপসও নারীরা পছন্দ করেন না।

৮. স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ :  স্বাভাবিকভাবেই নারীদের পছন্দের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষদের অঙ্গ হল স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ। ইঞ্চির হিসেবে এটিকে হতে হবে স্বাস্থ্যকর আর আকর্ষণীয়।

রাতে বালিশের নীচে এক কোয়া রসুন রেখে দেখুন, ফলাফলে অবাক হবেন!

রাতে বালিশের নীচে এক কোয়া রসুন রেখে দেখুন, ফলাফলে অবাক হবেন!

রাতে বালিশের নীচে এক কোয়া রসুন রেখে দেখুন, ফলাফলে অবাক হবেন! রসিয়ে-কষিয়ে রান্নায় রসুনের জুড়ি মেলা ভার। তবে সেখানেই থেমে থাকে না তার মাহাত্ম্য। রসনার পাশাপাশি শরীরের নানা উপকারে বিশেষ কার্যকরী রসুন।

খেয়ে তো বটেই, এমনকী বালিশের তলাতেও যদি এক কোয়া রসুন রেখে শুতে যান, তবে ফল পাবেন একেবারে হাতেনাতে। হার্টের সমস্যা, যকৃতের সমস্যা, ঠাণ্ডা লাগা, ধমনী পরিষ্কার রাখা ও রক্ত বিশুদ্ধ করায় আপনার কাছের বন্ধু কাঁচা রসুন। খবর-এই সময়

গবেষকদের মতে, রসুন প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। রোজ সকালে খালি পেটে যদি এক কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়া যায়, তবে তা শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।

এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, লিভার, পিত্তথলি ও পাকস্থলীকে সুস্থ সবল রাখতে এবং হজমশক্তি বাড়াতে রসুনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ডায়াবিটিস, হতাশা ও বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধেও রসুনের জুড়ি মেলা ভার।

শুধু খেয়েই নয়, রসুনের সংস্পর্শে থাকলেই সে তার কাজ করে চলবে। অনেকেই বলেন, বালিশের নীচে এক কোয়া কাঁচা রসুন রেখে শুলে তার গুণ অপরিসীম। এতে আপনার ঘুম গভীর হবে। দূরে পালাবে হতাশা। পিছু হঠবে নেতিবাচক মানসিকতা। মনের মধ্যে আসবে আশ্চর্য উত্ফুল্লতা। তাই শরীর ও মন সুস্থ রাখতে সঙ্গী করতে পারেন রসুনকে। তারপরই দেখুন ম্যাজিক। খেয়ে তো বটেই, এমনকী বালিশের তলাতেও যদি এক কোয়া রসুন রেখে শুতে যান, তবে ফল পাবেন একেবারে হাতেনাতে।

স্ত্রীকে খুশি করার সহজ কিছু উপায় জেনে নিন, সারাজীবন কাজে লাগবে…..

স্ত্রীকে খুশি করার সহজ কিছু উপায় জেনে নিন, সারাজীবন কাজে লাগবে…..

স্ত্রীকে খুশি করার সহজ- বিবাহিত জীবনে স্ত্রীকে খুশি করা অনেক দরকারী একটি জিনিষ। বস্তুবাদী জীবনে আমরা মনে করি অর্থই সকল সুখের মূল, কিন্তু আসলে ব্যাপারটা তা না। আমরা নিজেরাই অর্থ কে নিজেদের সুখের মূল উপাদান বানিয়ে ফেলেছি। জেনে নিন, প্রেমিকা বা স্ত্রীকে খুশি করার দারুন এবং সহজ কিছু উপায় !!

আমরা যখনই অর্থকে সব কিছুর উপরে প্রাধান্য দিব তখনই আমাদের কাছের মানুষদের সাথে আমাদের বন্ধন হাল্কা হতে শুরু করে। তাদের অনুভুতির মুল্য তখন আমরা দিতে ভুলে যাই।

বিশেষ করে আমাদের ঘরের পুরুষ দের মনে রাখতে হবে শুধু অর্থ উপার্জনই তাদের একমাত্র কাজ নয়। সংসার সুখি করতে মেয়েদের পাশাপাশি পুরুষদেরও অনেক কিছু করনিও থাকে। অর্থ এবং বস্তুবাদি জীবনকে দূরে রেখে যে সকল কাজের মাধ্যমে স্ত্রীকে খুশি করা যায় সেগুলো করার চেষ্টা আমাদের করতে হবে। মনে রাখাটা জরুরি স্ত্রীকে খুশি রাখা মানে পুরো সংসার টাকে সুন্দর এবং সুখী রাখা।

যে সকল কাজের মাধ্যমে সহজেই স্ত্রীকে খুশি করা যায় সেগুলো হলঃটিম হিসেবে কাজ করাঃআমাদের সমাজে কিছু নিয়ম অনেককাল ধরে চলে আসছে, যেমন পুরুষেরা ঘরের কাজ করবে না। ঘরের কাজ এবং বাচ্চা পালা শুধুমাত্র মহিলাদের দায়িত্ব।

এমন ধারনা একদমই ভুল। সুখি সংসার এবং দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনাকে টীম হিসেবে কাজ করতে হবে। সারাদিন অফিস করে এসে ঘরের কাজে সাহায্য করতে মন নাও চাইতে পারে তবে মনে রাখাটা জরুরি। আপনি বাইরে পরিশ্রম করলেও সারাদিন আপনার স্ত্রীও কিন্তু ঘরে পরিশ্রম করেছেন।

সে ক্ষেত্রে রাতের কিছু কাজ ভাগ করে নেওয়াটা খুব কঠিন এবং পরিশ্রমের কিছু হবে না। যেমনঃ বিছানা গোছানো, মশারি টাঙ্গানো, থালাবাসন যায়গা মত গুছিয়ে রাখা, বাচ্চাদের পড়া একটু দেখিয়ে দেওয়া, বোতলে পানি ভরা ইত্যাদি কাজে স্বামীরা খুব অল্প পরিশ্রম দিয়েই সাহায্য করতে পারেন।

স্ত্রীর সমস্যার কথাগুলো মন দিয়ে শুনুন তবে সরাসরি সমাধান দিয়ে দিবেন নাঃগবেষনায় দেখা গেছে কোন পারিবারিক বা সাংসারিক সমস্যায় পুরুষদের চেয়ে মেয়েরা অনেক বুঝে সমাধানে আস্তে পারে। কিন্তু মেয়েদের চিন্তা ভাবনাগুলো তারা তাদের পার্টনারদের সাথে আলোচনা করে নিতেই বেশি পছন্দ করে। আজকাল ফেসবুকের যুগে স্বামীরা স্ত্রীদের কথা মন দিয়ে শুনবে এমন আশা করাটাও বোকামি।

স্ত্রীর জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে জানুনঃ বর্তমান যুগে প্রতিটা মেয়েরই কোন না কোন স্বপ্ন থাকে। বিয়ের পর অর্ধের এর চেয়েও বেশি মেয়েদের স্বপ্ন ভেঙ্গে যায় শুধুমাত্র স্বামী এবং শশুরবাড়ির সাপোর্ট না থাকায়। আপনি শুরুতেই জেনে নিন আপনার স্ত্রীর জীবনের লক্ষ্য কী, তাকে তার লক্ষ্যে পৌছানোর ব্যাপারে আপনি কিভাবে সাহায্য করতে পারেন সেটা ভাবুন।

অনেকে মেয়েই তার পড়াশোনা বিয়ের পরেও চালিয়ে যেতে চায় কিন্তু সাংসারিক কাজের চাপে সেটা পেরে উঠে না, আপনি প্রতিদিন তাকে কিছু সময় ঠিক করে দিন পড়ার জন্য এবং সেই সময় টুকু তে তাকে যেন অন্য কোন কাজ করতে না হয় সেদিকে নজর রাখুন। অনেকে শুধুমাত্র ভাল বউ এবং মা হতে চায়। তাদের কেও আপনি সাহায্য করতে পারে, সাংসারিক কাজ গুলো গুছিয়ে উঠার জন্য কিভাবে কী করা যায় আলাপ আলোচনা করুন, ভালো ভালো টিপস এবং সহজে কাজ করা যায় এমন জিনিষগুলো হাতের কাছে এনে দিন। তাকে এক্সপার্ট হওয়ার জন্য সাহায্য করুন।

স্ত্রীর সৌন্দর্যের এবং কাজের প্রশংসা করুনঃ নারীরা ঘরের কাজ করবে এখানে আবার প্রশংসার কী আছে? কথাটা একদমই ভুল। নারীরা ঘরে হোক বা বাইরে অনেক পরিশ্রম করে থাকে প্রতি নিয়ত যেটার বিনিময়ে তারা সামান্য এটেনশানও পায় না। অথচ তাদের কাজের প্রতি আগ্রহ তৈরির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদের জীবন সঙ্গীর প্রশংসা।

জি হ্যা, সামান্য প্রশংসাই তাদের কর্ম স্পৃহা বাড়িয়ে তুলতে পারে অনেকাংশে। বাড়িতে ঢুকে সাফ করা ঘর বাড়ি দেখে তার কাজের প্রশংসা করুন। খাবার যদি খেতে খুব খারাপ না হয় তবে তাকে বলুন খাবার খেয়ে আপনার মজা লেগেছে। দেখবেন এরপর সে আসলেই মজাদার কিছু আপনার জন্য রান্নার চেষ্টা করছে।

একই ভাবে দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীকে খুশি করতে তার সৌন্দর্যের প্রশংসাও করুন। সে যখনি নতুন কোন জামা বা সুন্দর কোন জামা পরে বা সেজে গুজে থাকে তাকে সুন্দর লাগছে বলুন। আপনার এই একটি মাত্র কথা আপনার স্ত্রীর আত্ববিশ্বাস বাড়িয়ে দিবে বহুগুন।

স্ত্রীকে বলুন আপনি তাকে ভালবাসেনঃ এই একটি কথার মাধ্যমে আপনি আপনার স্ত্রীকে অনেক অনেক বেশি খুশি করতে পারেন। মেয়েরা মুখে প্রশংশা বেশি পছন্দ করে। তাকে বলুন আপনি তাকে কেন এত ভালোবাসেন। আপনার জীবনে তার অবস্থান তার মুল্য তাকে স্পষ্ট করে বুঝিয়ে বলুন।

স্ত্রীকে সরি বলুনঃ স্ত্রীকে আপনি যে শ্রদ্ধা করেন সেটা তাকে বুঝাবেন কোন ভুল হয়ে গেলে সরি বলার মাধ্যমে। পুরুষদের দ্বারা এমন অনেক সময় অনেক কাজ হয়ে যায় যেগুলো স্ত্রীরা সহজে মেনে নিতে পারে না। এমন পরিস্থিতিতে সরি বলে তাকে স্বাভাবিক করুন। আপনি বোঝান আপনি তাকে শ্রদ্ধা করেন। এভাবেও সেও আপনার প্রতি অনেক উচ্চ ধারনা পোষন করবে।

এমনো হতে পারে আপনি তার জন্য আলাদা ভাবে অর্থটি জমাতে থাকলেন এবং পরিমানটি একটু বড় হলে পরে তার হাতে সেটি তুলে দিলেন সারপ্রাইজ গিফট হিসেবে। এই উদ্দেশ্যে আপনি দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীকে খুশি করতে হালাল ভাবে কিছু এক্সট্রা উপার্জনের ব্যবস্থাও করতে পারেন চাইলে। যেমনঃ টিউশন, ফ্রি ল্যান্সিং, এডিটিং ইত্যাদি।

সবসময় স্ত্রীর মতামত নিনঃ টিমওয়ার্ক এর সবচেয়ে বড় কাজ হচ্ছে মতামত নেওয়া। সাংসারিক প্রতিটি কাজে আপনার স্ত্রীর মতামত নিন। তার কোন মতামতে ভুল ত্রুতি থাকলে ঠান্ডা মাথায় তাকে সেটা বুঝানোর চেস্টা করুন। এতে করে ধীরে ধীরে আপনাদের মাঝে বন্ধন দৃঢ় হবে এবং একে অপরের মতামত কে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনাও করতে শিখবেন। তবে বেশিরভাগ সময় যেটা দেখা যায় মতামত নেওয়ার সময় তীব্র ঝগড়ার সৃষ্টি হয় এবং পরিশেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে কোন একজনের অমতে। এক্ষেত্রে একে অপরের কথার মূল্য দিতে জানতে হবে, একে অপরের পরিস্থিতি বুঝতে হবে।

দাম্পত্য জীবন কে সুখী করতে অপর পক্ষ কী করলো সেটা না ভেবে আপনি কি করলেন সেটা নিয়ে ভাবুন। আপনি এক পা আগে বাড়ালে অপর পক্ষও কিন্তু বসে থাকবে না। নিজের ভুল ত্রুটি গুলো শুধরে অন্য পক্ষকে শুধরাতে চাইলে তখন তার আর কিছু বলার থাকে না।

তবে পুরুষদের ক্ষেত্রে নিজের সারাদিনের ক্লান্তি কে উপেক্ষা করে এই কাজগুলো করা কষ্টকর হলেও অসম্ভব নয় কিন্তু। আমরা আমাদের পারিবারিক জীবনকে সুখী করার জন্য এবং নিজের জীবন সঙ্গীকে একটু ভালো লাগা দেওয়ার জন্য এতোটুকু তো করতেই পারি, তাই না?

এই কাঁকড়ার এক লিটার রক্তের দাম ১১ লক্ষ টাকা, কেন জানেন?

এই কাঁকড়ার এক লিটার রক্তের দাম ১১ লক্ষ টাকা, কেন জানেন?

একটা কাঁকড়া। তার রক্তের দাম শুনলে চমকে যাবেন। এই অশ্বক্ষুরাকৃতি কাঁকড়াটির রক্তের দাম লিটার প্রতি প্রায় ১১ লক্ষ টাকা।অশ্বক্ষুরের ন্যায় দেখতে উপবৃত্তাকার এই কাঁকড়াটি হল Horseshoe Crab’ লিমিউলাস, কিন্তু এটিকে কাঁকড়া বলা হলেও প্রজাতিগত দিক থেকে মাকড়সার সঙ্গে বেশি মিল রয়েছে এটির। আর এই কাঁকড়ার নীল রক্তই বহুমূল্য।

এই রক্তের অসাধারণ ক্ষমতা বলে লিমিউলাস বা অশ্বক্ষুরাকৃতি কাঁকড়ারা যে কোনও ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং বিষাক্ত পদার্থ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারে। তাই চিকিৎসাবিজ্ঞানে এদের গুরুত্ব অপরিসীম।এদের রক্তের রঙ নীল কেন? বিজ্ঞানীরা জানান, মেরুদণ্ডী প্রাণীরা সাধারণত হিমোগ্লোবিনে লোহার উপস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে রক্তে অক্সিজেন পরিবহণ করে থাকে। কিন্তু এদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটি আলাদা।এরা হিমোসায়ানিনের সাহায্যে অক্সিজেন পরিবহণ করে। এতে তামার উপস্থিতির কারণে রক্তের রঙ নীল হয়।

কাঁকড়ার রক্তে অ্যামিবোসাইট আছে। এই অ্যামিবোসাইটে মাত্র এক লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগ ব্যাকটিরিয়ার উপস্থিতিতে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। যেখানে স্তন্যপায়ী প্রাণীর ক্ষেত্রে সময় লাগে ৪৮ ঘণ্টা। কী ভাবে এই অ্যামিবোসাইট তৈরি হয়, তা নিয়ে গবেষণা চলছে।এই Limulus amebocyte lysate বা LAL ব্যবহার শুরু হয় সত্তরের দশকে। সামান্যতম ব্যাকটিরিয়ার উপস্থিতিও তাই বুঝতে পারে এটি। চিকিৎসায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা ভ্যাকসিনেও ব্যাকটিরিয়ার উপস্থিতি পরীক্ষায় ব্যবহার হয় এটি।

এই কাঁকড়াগুলি আসলে জীবনদায়ী। এরা নিজেরাই রক্ত দেয় বলা যায়।প্রতি বছর প্রায় ছয় লক্ষ কাঁকড়া ধরা হয় আমেরিকার সমুদ্রতট থেকে। এর মধ্যে তাদের থেকে ৩০ শতাংশ রক্ত নেওয়া হয়।এই নিয়ে সম্প্রতি বিতর্ক তৈরি হয়েছে, কারণ বেশ কয়েকজন প্রাণীবিজ্ঞানী জানিয়েছেন, ১০-২০ শতাংশ কাঁকড়া এ ফলে মারা যায়। ‘ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর দ্য কনজার্ভেশন অব নেচার’ (আইইউসিএন) একে ‘ভালনারেবল’ বলে ঘোষণা করে ‘রেড লিস্ট’-এ রেখেছে।

আগামী ৪০ বছরে আমেরিকায় এই কাঁকড়ার সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ কমে যাবে, জানিয়েছে আইইউসিএন। শুরু হয়েছে প্রজাতি সংরক্ষণ।বিজ্ঞানীরা একটি কৃত্রিম পদার্থ তৈরি করতে চেষ্টা করছেন যেটি LAL এর সমগোত্রীয়। কারণ এই জীবনদায়ী রক্তের সঙ্গে মানুষের জীবনও জড়িত।

প্রতি গ্রীষ্মে আমেরিকার মেক্সিকো উপসাগর থেকে এসে মূল উপসাগরীয় অঞ্চলের উপকূলবর্তী এলাকায় ঝাঁক বেঁধে অবস্থান করে এই কাঁকড়ার দল।এদের জীবন্ত জীবাশ্মও বলা হয়, কারণ ৪৪ কোটি ৫০ লক্ষ বছর আগেও পৃথিবীতে এদের অস্তিত্ব ছিল। ডাইনোসরের চেয়েও প্রায় ২০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে এসেছিল এই লিমিউলাস। তাই এই জলজ প্রাণী বিজ্ঞানীদের কাছে আজও বিস্ময়। আনন্দবাজার।

সকালে খালি পেটে এই একটি কাজ করলে ধ্বংস হবে শরীরের যেসব রোগ জীবাণু!

সকালে খালি পেটে এই একটি কাজ করলে ধ্বংস হবে শরীরের যেসব রোগ জীবাণু!

সকালে খালি পেটে- মেথি সবাই চেনেন। মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটিই বলা চলে। স্বাদ তিতা ধরনের। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি ও তারুণ্য ধরে রাখার বিস্ময়কর এক ক্ষমতা। যাঁরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের বুড়িয়ে যাওয়ার গতিটা অত্যন্ত ধীর হয়। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে।

বিশেষত কৃমি মরে। রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়। ডায়াবেটিসের রোগী থেকে শুরু করে হৃদ্‌রোগের রোগী পর্যন্ত সবাইকে তাঁদের খাবারে মেথি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। মেথির গুণাগুণ দেখলে একে অন্যতম সুপারফুড বলা চলে। মেথির উপকারিতা জেনে নিন

মেথিতে আছে প্রাকৃতিক তন্তু, যা ওজন কমাতে বেশ কার্যকর। দিনে দুই-তিনবার মেথি চিবাতে থাকলে বেশি না খেলেও পেট ভরা মনে হবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা মেথি কাজে লাগাতে পারেন।

শীত একটু একটু করে আসছে। বাড়ছে সর্দিকাশিও। নিয়মিত মেথি খেলে সর্দিকাশি পালাবে। লেবু ও মধুর সঙ্গে এক চা-চামচ মেথি মিশিয়ে খেলে জ্বর পালাবে। মেথিতে মিউকিল্যাগ নামের একটি উপাদান আছে, যা গলাব্যথা সারাতে পারে। অল্প পানিতে মেথি সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গড়গড়া করলে গলার সংক্রমণ দূর হয়।

চুল পড়া ঠেকাতে মেথি খেলে উপকার পাওয়া যায়। মেথি সেদ্ধ করে সারা রাত রেখে তার সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়ে নিয়মিত মাথায় মাখলে চুল পড়া কমে। অন্ত্রের নড়াচড়া বৃদ্ধি করে মেথি। যাঁদের পেট জ্বালা বা হজমে সমস্যা আছে, তাঁরা নিয়মিত মেথি খেতে পারেন। এতে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, যা শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান দূর করে। মেথি ঝরানো পানি খেলেও হজমের সমস্যা দূর হবে। এমনকি পেপটিক আলসার সারিয়ে তুলতেও সাহায্য করে।

রক্তে চিনির মাত্রা কমানোর অসাধারণ এক শক্তি থাকায় ডায়াবেটিস রোগের জন্য খুব ভালো এই মেথি। নিয়মিত মেথি খেলে পেটে কৃমি হয় না। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। মেথি আয়রনসমৃদ্ধ হওয়ায় রক্তস্বল্পতা, অর্থাৎ অ্যানিমিয়া রোগের পথ্য হিসেবে কাজ করতে পারে। মাতৃদুগ্ধ বাড়াতে ওষুধের বিকল্প হলো মেথি। সদ্য মা হওয়া নারীর জন্য মেথি উপকারী।

ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে মেথি, বিশেষ করে স্তন ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য মেথি কার্যকর। মেনোপজ হলে নারীর শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে। হরমোনের এই পরিবর্তনের কালে মেথি ভালো একটি পথ্য। মেথি পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে সক্ষম।

অপূর্বর ছেলের প্রথম পারিশ্রমিক কত জানেন?

অপূর্বর ছেলের প্রথম পারিশ্রমিক কত জানেন?

বাবা টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। তাঁর ছেলে জায়ান ফারুক আয়াশের বয়স মাত্র সাড়ে তিন বছর। এইটুকু বয়সে বাবার সঙ্গে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াল সে। মনোযোগী অভিনেতার মতো বাবার দেখাদেখি পরিচালকের নির্দেশনাও শুনল। মোটকথা, ১ মে থেকে পুরোদস্তুর অভিনেতাই হয়ে গেল আয়াশ। সেদিন থেকে বাবা অপূর্বর সঙ্গে সে অভিনয় করছে শিহাব শাহীনের একটি টেলিছবিতে, নাম বিনি সুতার টান। এই টেলিছবিতে অভিনয় করছেন সৈয়দ হাসান ইমাম, লায়লা হাসান, জাকিয়া বারী মমসহ অনেকে।

ছোট্ট আয়াশকে দিয়ে অভিনয় করানো প্রসঙ্গে পরিচালক শিহাব শাহীন বলেন, ‘আমার গল্পে তিন-চার বছরের একটি চরিত্র ছিল। সে টেলিছবিতে অপূর্বর ছেলে হবে। তখনই মাথায় এল, সত্যিকারের ছেলেই যদি টেলিছবিতেও অপূর্বর ছেলের অভিনয় করতে পারে, তাহলে তো সুবিধা। একসঙ্গে বাবা-ছেলে মিলে অভিনয় করলে বাড়তি ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।’

পরিচালকের বুদ্ধিমত্তা যে ঠিকঠাক কাজে লেগেছে, সেটা বোঝা গেল শুটিংয়ের দিন থেকেই। প্রথম দিন শুটিং করার কথা ছিল সাতটি দৃশ্যের। কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই খুদে অভিনেতাকে নিয়ে পরিকল্পনামাফিক শুটিং শেষ হয়েছে। একই গতিতে হয়েছে গতকালের শুটিংও।

ছেলের সঙ্গে অভিনয় করে দারুণ উচ্ছ্বসিত অপূর্ব। বললেন, ‘আমার জন্য এটা দারুণ ব্যাপার। আয়াশের সঙ্গে এত দ্রুত এভাবে অভিনয় করা হবে ভাবিনি। আমার ছেলেটাও দারুণ করছে। কোনো শট এনজি (নট গুড) হচ্ছেই না। মজার ব্যাপার হলো, পুরো টেলিছবিতে ওর সঙ্গেই বেশির ভাগ দৃশ্য।’

তবে আয়াশের অভিনয় নিয়ে পরিচালকের মন্তব্যটা একটু আলাদা। বললেন, ‘সম্ভবত ওর রক্তেই আছে অভিনয়ের প্রতিভা। আমার কোনো ধরনের ঝামেলা হচ্ছে না। পুরো শুটিংবাড়ি জমিয়ে রেখেছে সে। তবে আমার চেয়ে সে (আয়াশ) বাবা আর মায়ের নির্দেশনা বেশি শুনছে। আমি বললে খুব বেশি পাত্তা দিচ্ছে না!’

খুদে এই তারকার সম্মানী কত? জানতে চাইলে পরিচালক হাসতে হাসতে বললেন, ‘তার সম্মানী দিয়ে শেষ করা যাবে না। আমার টেলিছবির অন্যতম তারকা সে। ওর কাজকে সম্মানীর মাপকাঠি দিয়ে মাপা সম্ভব নয়।’

আরও চার দিন চলবে টেলিছবিটির শুটিং। পরিচালক বলেন, আসছে ঈদুল ফিতরের অনুষ্ঠানমালায় প্রচারিত হবে বিনি সুতার টান।

টালিপাড়ার নতুন নায়ক বনি! সে কার সন্তান জানলে অবাক হবেন…

টালিপাড়ার নতুন নায়ক বনি! সে কার সন্তান জানলে অবাক হবেন…

টালিগঞ্জের নায়ক পদে বনি সেনগুপ্তের অভিষেক হয়েছে ২০১৪ সালে, রাজ চক্রবর্তীর ‘বরবাদ’ ছবি থেকে। তার পরের ছবি ‘পারবনা আমি ছাড়তে তোকে’। এই দুই ব্যাক-টু-ব্যাক হিট অবশ্যই তাঁর কেরিয়ারের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু জানেন কি বনির পারিবারিক পরিচয়?

বাংলা সিনেমা যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছেন তাঁরা পিছিয়ে যান ১৯৯১ সালে। মনে পড়ে তাপস পাল এবং দেবশ্রী রায় অভিনীত ‘শুভকামনা’ ছবিটির কথা? সেই সময়ে দর্শকদের মন জয় করেছিল এই ছবিটি। সেই ছবির পরিচালক অনুপ সেনগুপ্তই বনির বাবা এবং অভিনয় কেরিয়ারে তাঁর অনুপ্রেরণা।

টালিগঞ্জে ২৪টি ছবি পরিচালনা করেছেন অনুপ সেনগুপ্ত এবং প্রযোজনা করেছেন চারটি ছবি। সম্প্রতি বাবার সঙ্গে তোলা এই ছবিটি টুইটারে পোস্ট করেছেন বনি এবং লিখেছেন অনুপবাবুই তাঁর শিক্ষক, তাঁর হিরো।

তবে এ ছাড়াও আরও একটি পরিচয় রয়েছে বনির এবং সেটি তাঁর মামার বাড়ির দিক দিয়ে। বনির মা পিয়া সেনগুপ্তও একজন অভিনেত্রী এবং বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেছেন। তিনি হলেন বিখ্যাত পরিচালক-প্রযোজক সুখেন দাসের মেয়ে।

অর্থাৎ সেদিক থেকে দেখতে গেলে বনি হলেন সুখেন দাসের নাতি। এই ফিল্মি পরিবার আরও কয়েক প্রজন্ম ধরে বাংলা ছবির দর্শকদের মনোরঞ্জন করুন, এমনই শুভেচ্ছা রইল।

খাশোগির লাশ টুকরো করার ছবি ফাঁস

খাশোগির লাশ টুকরো করার ছবি ফাঁস

গত ২ অক্টোবর সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার পর চাঞ্চল্যকর সব তথ্য বেরিয়ে আসতে থাকে। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের পাঠানো ১৫ সদস্যের কিলিং স্কোয়াড খাশোগিকে যে হত্যা করেছে তার সর্বশেষ প্রমাণ হিসেবে বেরিয়ে এসেছে মরদেহ টুকরো করার ছবি। ইরাক ও মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে কাজ করা সাংবাদিক, অ্যাক্টিভিস্ট ও স্বাধীন লেখকদের জন্য উন্মুক্ত প্লাটফর্ম আল সুরার একটি প্রতিবেদনে কিছু ছবি প্রকাশ করে দাবি করা হয়েছে ছবিগুলো খাশোগির লাশ টুকরো করার সময়কার।

প্রতিবেদেনে বলা হচ্ছে, খাশোগিকে হত্যার পর ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য তার মরদেহ টুকরো টুকরো করা হয়। তারা দাবি করছে, তুরস্কের তদন্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে তাদের হাতে যে ছবি এসেছে সেখানে খাশোগির মরদেহ টুকরো করার দৃশ্য দেখা যায়। খাশোগি হত্যার প্রায় দেড় মাসের বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো হত্যাকাণ্ডের ছবি প্রকাশিত হলো। তবে তাদের হাতে থাকা ওই ছবিগুলো এখনও বিশ্বাসযোগ্য কোন পক্ষকে দিয়ে যাচাই করা হয়নি।

সৌদি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত ১৫ সদস্যের কিলিং স্কোয়াডকে খাশোগি হত্যার জন্য তুরস্কে পাঠানো হয়। তাদের কাছে আগে থেকেই তথ্য ছিল যে, ২ অক্টোবর কনস্যুলেটে যাবেন খাশোগি। তাই পরিকল্পনা মাফিক ওইদিনই তারা কনস্যুলেটে গিয়ে খাশোগিকে হত্যার পর তার মরদেহ টুকরো টুকরো করে তা নিশ্চিহ্ন করতে এসিডের মাধ্যমে গলিয়ে ফেলে। ১৫ সদস্যের ওই কিলিং স্কোয়াডে একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞও ছিলেন।

খাশোগি নিখোঁজ হওয়ার পর রিয়াদ প্রথমে অস্বীকার করে তারা এ ব্যাপারে কিছু্ই জানে না। কিন্তু চাপে পড়ে ঘটনার সপ্তাহখানেক পর সৌদি অ্যাটর্নি জেনারেল শেষ পর্যন্ত স্বীকার করতে বাধ্য হন খাশোগিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সম্প্রতি সৌদি কর্তৃপক্ষ খাশোগি হত্যায় জড়িত ১১ ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করেন। এদের মধ্যে পাঁচ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা।

মার্কিন তদন্ত সংস্থা সিআইএ খাশোগি হত্যাকাণ্ডের তদন্তের পর জানিয়েছে যে, গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। এদিকে ঘটনার প্রায় একমাস পর তুরস্কের পক্ষ থেকে বলা হয় খাশোগি হত্যার অডিও রেকডিং তাদের হাতে আছে এবং ওই রেকর্ডিংগুলো তারা পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে পাঠিয়েছে।