জিলাপি খেলে কি কি রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় জানেন?

জিলাপি খেলে কি কি রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় জানেন?

মাইগ্রেনের সমস্যা:বর্তমানে কর্মজীবনে সবারই কমবেশি ব্যস্ততা লেগেই রয়েছে। আর এই ব্যস্ততার কারণেই দানা বাঁধছে মাইগ্রেনের সমস্যা। মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলেই মাথা যন্ত্রণায় টেকা দায়। কিন্তু এই সমস্যা থেকে মুক্তির রাস্তা দেখাতে পারে জিলাপিই। গরম, মুচমুচে জিলাপি প্রত্যেকদিন সকালে একটা করে খেলেই মাইগ্রেনের সমস্যা উধাও হয়ে যাবে এমনটাই বলছে চিকিৎসকরা।জন্ডিস:জন্ডিসে ধরাশায়ী হলেও উপজীব্য জিলাপি। এক্ষেত্রে জন্ডিস চলাকালীন অবস্থায় প্রত্যেকদিন সকালবেলা দুটো করে জিলাপি খালি পেটে খেতে হবে আপনাকে।টেনশান-চিন্তা:প্রত্যেকের জীবনেই চিন্তার রেশ। চিন্তা যেন আমাদের জীবন পথে যাত্রী হয়ে উঠছে দিন দিন, সে টাকাপয়সা সংক্রান্ত হোক বা পড়াশুনা অথবা সংসার জীবন চিন্তার কোনো অন্ত নেই। আর এই মস্তিষ্কের জটিলতা থেকেই সৃষ্টি হচ্ছে রোগের। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞান আশ্বাস দিচ্ছেন এরও সমাধান দিতে পারে জিলাপি।

রোগাজনিত সমস্যা:খাচ্ছেন তবুও মোটা হচ্ছেন না? এদিকে মোটা হওয়ার জন্য উদগ্রীব। জিম থেকে শুরু করে নানান রকম ডায়েট সবরকম পথ বাতলেও নিট ফল সেই জিরো! তবে আর কিছু নয় অভ্যেস করুন জিলাপি খাওয়া। এই জিলাপিই আপনাকে সাহায্য করবে ফ্যাট গেইন করতে।

যে ১০টি ওষুধ সব সময় আপনার বাসায় রাখবেন! জেনে নিন…বিপদ কখন আসে বলা যায় না। জেনে নিন নাম ও ব্যবহার বিধি:১. প্যারাসিটামল (Paracetamol)২. ট্রামাডল (Tramadol)৩. টাইমনিয়াম মিথাইলসালফেট (Tiemonium Methylsulfate)৪. এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল (Esomeprazole/omeprazole)৫. অ্যালুমিনিয়াম হাইডঅক্সাইড (Aluminium hydroxide suspension)৬. ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Saline)৭. ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটাডিন (Fexofenadine/
Rupatadine)৮. সিলভার সালফাডায়াযিন অয়ন্টমেন্ট (Silversulfadiazine ointment)৯. পোভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment)১০. অ্যাসপিরিন (Aspirin)

★ প্যারাসিটামল(Paracetamol).জ্বরের জন্য প্রথমে একটি প্যারাসিটামল খেতে পারেন। জ্বর বাড়লে (<১০৩F) বা ৩ দিনের বেশি জ্বর থাকলে ডাক্তার দেখান। তবে পেটে ব্যাথা, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া বা জন্ডিসের অন্য কোন উপসর্গ দেখলে প্যারাসিটামল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন.★ট্রামাডল(Tramadol). কোন প্রকার ঝুঁকি ছাড়াই ট্রামাডল পেইনকিলার হিসেবে নেয়া যায়; এমনকি অ্যাসমা রোগীরাও এটি নিতে পারবেন।

★টাইমোনিয়াম_সালফেট(Tiemonium_sulphate). যেকোন প্রকার পেটে ব্যাথার ক্ষেত্রে বিশেষ করে পিরিয়ডের প্রথম কয়েক দিনের ব্যাথার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি ওষুধ।★এসোমিপ্রাযল/#ওমিপ্রাযল(Esomeprazole/#Omeprazole). অধিকাংশ মানুষই কোন না কোন সময় বুক জ্বলা বা গ্যাসের সমস্যায় ভুগতে হয়; বিশেষ করে ভরপেট খাওয়ার পর। এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল পাকস্থলীতে অ্যাসিড গঠন কমিয়ে বুক জ্বলা কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় গ্যাসের জন্য অনেকটা হার্ট অ্যাটাকের মত বুকে ব্যাথা হয়, এজন্য ৩০ মিনিটের মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যোগাযোগ করুন।

★ অ্যালুমিনিয়াম_হাইড্রক্সাইড_সাস্পেনশন (Aluminumhydroxide suspension). বুক জ্বলা এবং গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য ২চামচ করে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড সাস্পেনশন খেতে পারেন। সাস্পেনশন্টি ফ্রিজে রাখতে পারবেন এবং ঠাণ্ডা খেলেই বেশি আরাম পাবেন। এরপার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে কয়েকবার পাতলা পায়খানা হতে পারে, এতে চিন্তার কিছু নেই।★ ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Saline). ডায়রিয়ার সময় খুব সহজেই শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে যায়। প্রত্যেকবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর স্যালাইন খাওয়া উচিত। শরীরে পানিশূন্যতা হলে নানারকম জটিলতা দেখা দিতে পারে।

অনতিবিলম্বে ডাক্তার দেখান যদি; আপনার ডায়রিয়ার সাথে জ্বরও হয় ২ দিনের বেশি সময় ডায়রিয়া থাকে মুখ শুকিয়ে গিয়ে পিপাসা লাগে খুব কম অথবা একেবারেই পেশাব না হলে প্রচণ্ড পেটে ব্যাথা হলে পায়খানার সাথে রক্ত গেলে আপনার উচ্চ রক্তচাপ (hypertension) থাকলে ওরস্যালাইন খাওয়ার আগে রক্তচাপ মেপে নেয়া ভাল।★ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটিডিন(Fexofenadine/Rupatadine). এই অ্যান্টিহিস্টামিনগুলো তুলনামুলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ। যাদের অ্যালারজিক রাইনিটিস (ধুলা, পরাগ, তেলাপোকা ইত্যাদির সংস্পর্শে আসলে হাঁচি হওয়া) আছে তারা রাতে একবার ফেক্সোফেনাডিন বা রুপাটিডিন নিলে হাঁচি ও নাক থেকে পানি পড়ার উপশম হবে।ভালো থাকুন সবসময়।

★ সিল্ভার সালফাডিয়াযিন (Silver sulfadiazine) হালকা পুড়ে গেলে প্রথমে পোড়া জায়গাটি কলের পানির নিচে ধরুন। পানি শুকিয়ে গেলে যত্ন সহকারে পোড়া জায়গায় সিলভার সালফাডিয়াযিন অয়ন্টমেন্ট দিন। ফোসকা পড়লে সেটা উঠানোর চেষ্টা করবেন না। তবে বেশি পুড়ে গেলে অবশ্যই ডাক্তার এর সাথে যোগাযোগ করুন।★পভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment) হালকা রক্তপাত সহ ছোটখাটো কাটা-ছেড়ার ক্ষেত্রে ক্ষতটি শুকনা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে চেপে ধরে রাখুন। রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেলে কাটা জায়গায় পভিডন-আয়োডিন অয়ন্টমেন্ট দিন।এসবক্ষেত্রে স্যাভলন দিয়ে পরিষ্কার না করাই ভাল। আপনি যদি কোন প্রকার ব্লাড থিনার (যেসব ওষুধের কারণে রক্ত জমাট বাধার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হয়) নিয়ে থাকেন অথবা অনেক বেশি কেটে গেলে বা প্রচুর রক্তপাত হলে আপনার ডাক্তারের সাহায্য লাগতে পারে।★ অ্যাসপিরিন(Aspirin) আকস্মিক বুকে ব্যথা এবং পরবর্তীতে বাম হাত, চোয়াল বা গলার বাম দিকে ব্যথা হওয়া হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। হার্ট অ্যাটাকের যেকোন লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে ২/৩ টি বেবি অ্যাসপিরিন খেয়ে নিন এবং যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে যাওয়ার চেষ্টা করুন।উল্লিখিত কোন ওষুধে আপনার অ্যালার্জি থাকলে সেটি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় এবং গর্ভাবস্থার সময় অনেক ওষুধই খাওয়া যায় না, এ বিষয়ে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন। জনস্বার্থে শেয়ার করুন। নিয়মিত স্বাস্থ্য টিপস পেতে অামাদের পেইজে লাইক দিন৷

বিজ্ঞানীরা খুজে বের করলো এমন এক পাতা যা খেলে কিডনির পাথর গলে বেরিয়ে যাবে!…জেনে নিন বিস্তারিত-

বিজ্ঞানীরা খুজে বের করলো- তুলসী আমাদের সবার পরিচিত একটি ঔষধিগাছ। এ গাছের পাতায় বহু রোগ সারানোর উপকারি গুণ রয়েছে।তুলসী পাতার রস বা চা প্রতিদিন একগ্লাস করে পান করলে, আমাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার আশংকা কমে যায়। আর যদি কিডনিতে পাথর জমে তাহলে তুলসী পাতার রস টানা ৬ মাস পান করলে সেই পাথর গলে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।এছাড়া সর্দি, কাশি, কৃমি, প্রস্রাবে জ্বালা কমায়, হজমকারক ও কফ গলাতে দারুন কাজ করে তুলসী পাতা। এটি ক্ষত সারাতে এন্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে।তুলসিপাতা দিয়ে চা ও মিশ্রণ তৈরির কয়েকটি প্রস্তুত প্রণালী নিম্নে দেয়া হলো :

তুলসী পানি:উপকরণ : দুই কাপ পানি ও কয়েকটি পাতা।প্রস্তুত প্রণালী : একটি পাত্রে দুই কাপ পানি নিন। এর সঙ্গে কয়েকটি তুলসিপাতা সিদ্ধ করুন। ফুটে উঠলে নামিয়ে পান করতে পারেন। এই মিশ্রণটি গলা ব্যথা ও খুসখুসে কাশি কমিয়ে আপনাকে আরাম দেবে।তুলসী-চা-উপকরণ : ১০-১৫টি তুলসীপাতা, গুড়, পানি ও লেবুর রস।প্রস্তুত প্রণালী : প্রথমে গুড় ও তুলসীপাতা বেটে নিন। এর মধ্যে দেড় কাপ পানি ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলায় বসান। মিশ্রণটি ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন। এই চা পান করলে আপনার শরীর উষ্ণ থাকবে।

ভেষজ তুলসী-চা উপকরণ : এক টুকরো আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, তুলসীপাতা, দারুচিনি, এলাচ পরিমাণ মতো।প্রস্তুত প্রণালী : পরিমাণমতো পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে জ্বাল দিন।১০ মিনিট পর নামিয়ে ছেকে পান করতে পারেন।এই ভেষজ তুলসী-চা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোগ থেকে বাঁচানোর ক্ষমতা রাখে।

হার্বাল জুস:উপকরণ : আজওয়াইন, তুলসীপাতা, জিরা, আমচুর গুঁড়া, লবণ এবং পুদিনা পাতা পরিমাণ মতো।প্রস্তুত প্রণালী : চার কাপ পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর পান করুন। এই জুস প্রতিদিন পান করেল হজমশক্তি বাড়বে এবং পানিশূন্যতা থেকেও আপনাকে রক্ষা করবে।

ইস! কৌশলটা আগে জানা থাকলে বাবা স্ট্রোক করে মারা যেতেন না!

চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তার মস্তিষ্ক কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়।মানুষের ফার্স্ট এইড এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।যদি দেখেন স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সরানো যাবে না কারন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে, এটা ভাল হবে যদি আপনার বাড়ীতে পিচকারি সুই থাকে, অথবা সেলাই সুই থাকলেও চলবে

আপনি কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার উপরে সুচটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে জীবাণুমুক্ত হয় এবং তারপর রোগীর হাতের 10 আঙ্গুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত করতে এটি ব্যবহার করুন। এমন ভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়, কোন অভিজ্ঞতা বা পূর্ববর্তী জ্ঞানের প্রয়োজন হবে না ।কেবলমাত্র নিশ্চিন্ত করুন যে আঙ্গুল থেকে যথেষ্ট পরিমাণে রক্তপাত হচ্ছে কি না।
এবার 10 আঙ্গুলের রক্তপাত চলাকালীন, কয়েক মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন দেখবেন ধীরে ধীরে রোগী সুস্থ হয়ে উঠছে।

যদি আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার কানে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে তার কান ম্যাসেজ করুন যাতে ম্যাসেজের ফলে তার কান লাল হয়ে যায় এবং এর অর্থ হচ্ছে কানে রক্ত পৌঁছেছে।তারপর প্রতিটি কান থেকে দুইফোঁটা রক্ত পড়ার জন্য প্রতিটি কানের নরম অংশে সুচ ফুটান।কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে না।আরও অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়। যতক্ষণ না রোগী মোটামুটি স্বাভাবিক হচ্ছে অপেক্ষা করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেই যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান।

জীবন বাঁচাতে রক্তক্ষয় পদ্ধতি চীনে প্রথাগত ভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এবং এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগ,100% কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে।এই পোস্টটিকে লাইক করার চেয়ে শেয়ার করলে ব্যাপারটা সবাই জানতে পারবে।
দয়া করে এটিকে বেশি বেশি করে শেয়ার করুন।যদি কেউ মনে করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর সাথে আলোচনা করতে পারেন।
মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য।

পেটের মেদ কমানোর কার্যকর উপায়

পেটের মেদ কমানোর কার্যকর উপায়

শরীরের অন্যান্য স্থানের চাইতে পেটে মেদ জমলে
সবচেয়ে বেশি বিশ্রী দেখা যায়। অথচ চর্বিযুক্ত
খাবার খেলে পেটেই সবার আগে মেদ জমে। আবার
যতোই ডায়েট করুন আর মেদ ঝরানোর চেষ্টা করুন,
পেটের মেদই খুব ধীরে ধীরে কমে।

পেটে মেদ জমলে তা ঢেকে রাখা খুবই কষ্টকর।
কোনো পোশাক পরেই পেটের বেড়ে যাওয়া মেদ
আর লুকিয়ে রাখা যায় না। আবার এই মেদের জন্য
পরিচিতদের সামনে লজ্জাও পেতে হয়। তাই প্রথম
সুযোগেই পেটের বেড়ে যাওয়া মেদ কমিয়ে ফেলুন।
সব সমস্যা দূর হবে সহজেই।
খুব একটা কষ্ট করতে হবে না। রসুন, লেবু আর গরম
পানি নিয়মিত খেয়ে পেটের মেদ কমিয়ে ফেলতে
পারেন অল্পকিছু দিনের মধ্যেই। জেনে নিন
কীভাবে খাবেন এই পথ্য।
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৩ কোয়া রসুন খেয়ে
ফেলুন। আস্ত খেতে অসুবিধা হলে কুচি কুচি করে
নিন।

এরপর একটি কাপে কুসুম গরম পানি নিয়ে গোটা
একটি লেবুর রস চিপে দিয়ে দিন। পানি এবং লেবুর
রস ভালো মতো মেশান। তারপর খেয়ে ফেলুন। লেবু-
পানি খাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা পর সকালের নাস্তা
খান।প্রতিদিন সকালে এই নিয়ম মেনে চলুন। প্রথম সপ্তাহ
থেকেই আপনার পেটের মেদ কমতে থাকবে। কারণ
লেবুর রয়েছে মেদ কাটানোর অসাধারণ ক্ষমতা এবং
রসুনের অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান আপনাকে মেদের
ঝামেলা থেকে মুক্তি দেবে।
তবে এর পাশাপাশি ফাস্টফুড কিংবা ভাজাপোড়া
খেতে থাকলে ফল খুব সামান্যই পাওয়া যাবে।
সুতরাং লেবু-পানি চিকিৎসা চলার পাশাপাশি
ফাস্টফুড এবং ভাজাপোড়া একেবারে বন্ধ করে
দিতে হবে

এক মাসের জন্য মিষ্টি খাওয়া পুরো বন্ধ করে দিন, যা আপনার জীবনে মারাত্মক পরিবর্তন আনবে

মিষ্টি কে না পছন্দ করে, কিন্তু কিছুজন আছে যাদের সবসময়ই মিষ্টি চাই। তাদের ওজন বাড়তে থাকে কিন্তু তাতে তাদের কোন ভূক্ষেপ থাকে না। এমনকি প্রতিদিন খাওয়ার পর তাদের মিষ্টি চাইই। শীতকালে জিলিপি আর গরমকালে মিল্ক শেক।কখনো ভেবেছেন রোজ এত মিষ্টি খেলে শরীরে কি কি ক্ষতি হতে পারে ? এক মাস মিষ্টিকে নিজের খাদ্যতালিকা থেকে দূর করে দেখুন কি হয়। আসুন জানি সেইসব ব্যপারে।

ত্বক –চিনি খাওয়া ছেড়ে দিলে আপনার ত্বক আরো সুন্দর হয়ে যাবে, ত্বকের উপর গর্ত থাকলে তা বন্ধ হয়ে যাবে। আর ত্বক মসৃণ হবে।সুস্থ দাঁত –মিষ্টি কম খেলে আপনার দাঁত ও মাড়ি আরোও শক্ত হবে। আর যদিও খান তাহলে তারপরই ব্রাশ করে নিন।স্মৃতিশক্তি –মিষ্টি কম খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে আর কথা মনেও থাকে। অন্যদের সাথে কথা বলার ভঙ্গিও বদলায়। আর অন্যের কথা সহজে বুঝতেও পারবেন।

বার্ধক্য থেকে মুক্তি –বেশী মিষ্টি খেলে ত্বকের চামড়া ঝুলে যায় আর তাতে আরোও বয়স্ক লাগে। আর যারা খায়না তাদের বয়সের ছাপ কম পড়ে।হাঁটুর ব্যথা –যদি আপনার হাঁটুর ব্যথা হয় তাহলে চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন তফাৎ দেখতে পাবেন।শান্তির ঘুম –যে রাতে আপনি মিষ্টি বেশি খান সেই রাতে ঘুমও দেরিতে আসে। এমনকি এতে না ঘুম হওয়ার রোগ হয়ে যায়। এই কারণেই মিষ্টি খাওয়ার থেকে বাঁচা দরকার।হার্টের অবস্থা –হার্ট আমাদের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ, তাই তার কেয়ার করা বেশী আবশ্যক। তাই চিনি খাওয়া কম করুন।

সুস্থ লিভার –মিষ্টি খাওয়া ছেড়ে দিলে শুধু খাবার তারাতারি হজমই হবে না বরং সুস্থও থাকবেন।ডাইবেটিস থেকে মুক্তি –গার এমন একটা রোগ যা প্রতিরোধ করতে হলে সুগার লেভেল কম করতে হয়। যদি মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা হয় তাহলে Dry foods খেয়ে খিদে মেটান।রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা –মিষ্টি খাওয়া ছেড়ে দিলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আপনি নিজেই ছেড়ে দেখুন তাহলে পার্থক্য বুঝবেন ।

ডায়াবেটিস ধ্বংস হবে মাত্র ২ টি আকন্দ পাতায়

ডায়াবেটিস ধ্বংস হবে মাত্র ২ টি আকন্দ পাতায়

ডায়াবেটিস কিন্তু এখন একটা মহামারীর আকার ধারণ করেছে। প্রতিবছর এই ডায়াবেটিস এর কারণে সাঁরা পৃথিবীতে কত কত মানুষ মারা যাচ্ছে তার কোন হিসাব নেই।ডায়াবেটিস প্রধানত ২ ধরনের হয়-• ধরন-১ ডায়াবেটিস, এটি সাধারনত শিশুকালেই লক্ষণ দেখে নির্ণয় করা যায়। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে ২০ বছর বয়স পার হবার পর ধরা পড়ে। এই ধরনটিতে শরীরে খুবই কম ইন্সুলিন তৈরী হয় অথবা একদমই তৈরী হয় না। ফলে প্রতিদিন ইন্সুলিন ইনজেক্সন নিতে হয়। ডায়াবেটিসে আত্রান্তদের ৫%-১০% কে এই ধরনটিতে ভুগতে দেখা যায়। এর প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে জেনেটিক, ভাইরাস এবং সতোপ্রতিষেধক সমস্যা বা জটিলতা হয়ত এ ব্যপারে কিছুটা ভূমিকা পালন করে।

• ধরন-২ ডায়াবেটিস, এটি ধরন-১ অপেক্ষা অনেক বেশী সাধারণ প্রকৃতির। বেশীর ভাগ ডায়াবেটিক রোগী এর অন্তর্ভূক্ত। এটি সাধারনত পূর্ণ বয়সেই দেখা যায়। তবে যুবক-যুবতীরাও দিন দিন অনেক বেশী হারে এর অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে। ডায়াবেটিসে আত্রান্তদের মধ্যে ৯০% – ৯৫% কে এই ধরনটিতে ভুগতে দেখা যায়। এক্ষেত্রে ‘প্যাংক্রিয়াস’ রক্তের গ্লুকোজ বা শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য পর্যাপ্ত ইন্সুলিন তৈরী করতে পারেনা এবং প্রায়শই ইন্সুলিনের প্রতি দৈহিক প্রতিক্রিয়া ঠিকমত হয় না। অনেকে আক্রান্ত হয়েও অনেকদিন যাবত বুঝতেই পারেন না যে তারা এ ধরনের ডায়াবেটিসে ভুগছেন। অথচ এটি কিন্তু একটি জটিল অবস্থা। যত দিন যাচ্ছে, অতিশয় স্থুলতা ও ব্যায়াম বিমুখতা- মূলত এ দু’টি কারণে এই ধরনের ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছেই।

এছাড়াও রয়েছে-• গর্ভধারণকালীন ডায়াবেটিস- এটি গর্ভাবস্থায় দেখা যায়। এক্ষেত্রে গর্ভবতীর রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা গর্ভকালীন যে কোন সময়ে বৃদ্ধি পায়। অথচ গর্ভবতী হওয়ার পূর্বে তাদের ডায়াবেটিস ছিল না। সেই সমস্ত স্ত্রীলোক সাধারনত এই ডায়াবেটিসে ভোগেন যারা স্থুলকায় এবং যাদের পরিবারের অন্যান্য (রক্ত-সম্পর্কীয়) সদস্যরা ডায়াবেটিসে ভুগছেন। গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হলে মায়ের রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা অবশ্যই স্বাভাবিক রাখতে হবে। তা না হলে বাচ্চার ক্ষতি হতে পারে। যারা গর্ভধারনকালীন ডায়াবেটিসে ভোগেন তাদের মধ্যে ৫%-১০% স্ত্রীলোককে পরবর্তীতে ‘ধরন-২ ডায়াবেটিসে’ ভুগতে দেখা যায় এবং এক্ষেত্রে ২০%-৫০% এর ৫-১০ বছরের মধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে।• অন্য নির্দিষ্ট ধরনের ডায়াবেটিস- এটি বিভিন্ন কারণে হয়, যেমন- জিনগত অবস্থা, শল্যচিকিৎসা, ওষুধ, পুষ্টিহীনতা, ইনফেক্সন ও অন্যান্য অসুস্থতা। ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মধ্যে ১%-৫% এই ধরনটিতে ভোগেন।‘ধরন-১ ডায়াবেটিসে’-এর কিছু উপসর্গ-• অবসাদ, পিপাসা বৃদ্ধি পাওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, বিবমিষা, বমি হওয়া, ক্ষুধা বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া।‘ধরন-১ ডায়াবেটিস’ রোগীদের ক্ষেত্রে এই উপসর্গগুলো খুব কম সময়ের মধ্যেই প্রকাশ পেয়ে থাকে এবং জরুরী অবস্থার মধ্য দিয়ে এটি নির্ণীত হয়।‘ধরন-২ ডায়াবেটিসে’-এর কিছু উপসর্গ-• ঝাপসা বা অস্পষ্ট দৃষ্টি, অবসাদ, ক্ষুধা বৃদ্ধি পাওয়া, পিপাসা বৃদ্ধি পাওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।

*যেহেতু ধরন-২ ডায়াবেটিস ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়, তাই কিছু কিছু ব্যক্তির রক্তে উচ্চ মাত্রায় গ্লুকোজ থাকা সত্ত্বেও তারা এই উপসর্গগুলো আদৌ বুঝতে পারেনা।‘ধরন-২ ডায়াবেটিস’ -হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে-১/ বয়স ৪৫ বছরের বেশী হলে,২/ পিতামাতার কোন একজন, ভাই অথবা বোন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে,৩/ গর্ভধারনকালীন ডায়াবেটিস হলে অথবা ৯ পাউন্ড অপেক্ষাবেশী ওজনের বচ্চা প্রসব করলে,৪/ হৃদরোগ থাকলে,৫/ রক্তে উচ্চমাত্রায় কোলেস্টেরল বা চর্বি থাকলে,৬/ অতিশয় স্থুলতা থাকলে,৭/ পর্যাপ্ত ব্যায়াম না করলে,৮/ মহিলাদের পলিসিস্টিক ওভারি ডিসিজ অর্থাৎ ডিম্বাশয়ে টিউমার হলে,৯/ রক্ত পরীক্ষায় গ্লুকোজ বা শর্করার সহনশীলতা জনিত বৈকল্য (IGT) থাকলে,১০/ কোন কোন বিশেষ সংস্কৃতির অধিকারী জনগোষ্ঠি।ডায়াবেটিস সনাক্তকরণ পরীক্ষা ও মূল্যমান-
• প্রাথমিকভাবে প্রস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমে তাতে গ্লুকোজ(Glucose) বা শর্করা এবং চর্বি ভেঙ্গে যাওয়ায় সৃষ্ট কিটোন বডির উপস্থিতি নির্ণয় করা যায়। তবে ডায়াবেটিস সনাক্তকরণের জন্য প্রস্রাব পরীক্ষার উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করা উচিত নয়।

 

উত্তেজক ট্যাবলেট গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা, অবশ্যই পড়ুন

উত্তেজক ট্যাবলেট গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা, অবশ্যই পড়ুন

বর্তমানে দেশজুড়ে ইয়াবা নামক এক ধরনের যৌ… উত্তেজক ওষুধ সেবনের প্রবণতা বেড়ে গেছে বলে প্রায়ই সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের খবরের শিরোনাম হচ্ছে।সত্যিকথা বলতে কি, এসব ওষুধ জীবন শুধু ধ্বংসের দিকেই ঢেলে দেয়, সুখকর কিছু দেয় না।সুখকর দাম্পত্য জীবনের জন্য যৌ’নবিষয়ক জ্ঞান রাখা সব নারী-পুরুষের একান্ত প্রয়োজন। কারণ সামান্য ভুলের মাসুল গুনতে হতে পারে সারাজীবন।

যেসব পুরুষ বা নারী শখের বশে বা নিয়মিত সহবাসের আগে যৌ’ন উত্তেজক ওষুধ, যেমন ইয়াবা, ভায়াগ্রা বা অন্য কোনো ধরনের ট্যাবলেট সেবন করেন, তাদের জন্য এ ওষুধগুলোই এক সময় দাম্পত্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে হুমকির কারণ হিসেবে দেখা দিতে পারে।কারণ এ ধরনের ওষুধ ধ্বজভঙ্গ রোগের দিকে ঠেলে তো দেয়ই, কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুর দিকেও ঠেলে দেয়।অনেকেরই হয়তো অজানা, যৌ’নশক্তি বাড়াতে কোনো ওষুধ সেবনের প্রয়োজন নেই।ক্ষেত্রবিশেষে চিকিৎসকরা কিছুদিন ওষুধ সেবনের উপদেশ দিয়ে থাকেন। গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষরা পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমেই যৌ’নশক্তি পেয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রে মধু, খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অতিগুরুত্বপূর্ণ।

ডিমের ক্ষেত্রে হাঁসের ডিম এবং দুধের ক্ষেত্রে ছাগলের দুধ প্রাধান্য দিতে পারেন। তবে হোমিওপ্যাথি কিছু ওষুধ আছে, যা কাজে এ ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন। যারা নিয়মিত যৌ’ন উত্তেজক বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবন করে থাকেন, তারা ক্রমে এসবের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।পরিণামে কোনো কোনো পুরুষ পুরোপুরি যৌ’নক্ষমতায় অক্ষম হয়ে পড়েন। একটা সময় পরে ওই ওষুধগুলো শরীরে আর কাজ করে না।একই সঙ্গে অনেকের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো বিরূপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার শিকার হয়।অবস্থা এমন হয়ে দাঁড়ায় যে, এগুলোর মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় পুরুষের যৌ’নজীবন বিপর্যস্ত হয়ে ওঠে। তাই ইয়াবা, যৌ’ন উত্তেজক বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবন আজই বন্ধ করে সুস্থ ও সুন্দরভাবে জীবনযাপন করুন।

১৫ টাকার যে ফলটি খেলে ১০ দিনের মধ্যে ডায়াবেটিস চিরতরে নির্মূল। জেনে নিন সেই ফলের নাম…

১৫ টাকার যে ফলটি খেলে ১০ দিনের মধ্যে ডায়াবেটিস চিরতরে নির্মূল। জেনে নিন সেই ফলের নাম…

ডায়াবেটিস চিরতরে নির্মূল – ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। এ রোগের কারণে দেখা দেয় অনেক ধরনের সমস্যা। শুধু বড়দেরই এ রোগ হয়,তা নয়। ছোটদেরও ডায়াবেটিস হতে পারে। ডায়াবেটিসের ফলে রক্তে চিনি বা শকর্রার উপস্থিতিজনিত অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়। এর ফলে দেহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারায়।ডায়াবেটিস চিরতরে নির্মূল – আমরা যদি নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করতে পারি তাহলে এই রোগকেও নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ করা সম্ভব। সেই সাথে প্রবন্ধের শেষে বর্ণিত ভেষজ ঔষধগুলো সেবন করলে এ রোগ থেকে নিশ্চিত মুক্ত হয়ে স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করা যাবে।ডায়াবেটিস রোগের কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।১. ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।২. খুব বেশি পিপাসা লাগা।৩. বেশি ক্ষুধা লাগা।৪. যথেষ্ট খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া।৫. ক্লান্তি ও দুর্বলতা বোধ করা।৬. ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া।৭. চোখে কম দেখা।কিছু খাবার আছে যেগুলো ডায়াবেটিস রোগকে নিয়ন্ত্রণ রাখবে

১. বাদাম: বাদাম অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। এটি নিয়মত খেলে বিভিন্ন রোগের মৃত্যুর ঝুঁকি কমে যায়। বাদামে প্রচুর আঁশ, পুষ্টিকর উপাদান ও হৃৎপিণ্ডের জন্য উপকারি উপাদান আছে। বাদামে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। দৈনিক ১০ গ্রাম বাদাম গ্রহণ করলে মারণব্যাধি রোগের ঝুঁকি থেকেও রক্ষা পাওয়া যাবে বলে দাবি গবেষকদের।২. বীজ:বাদামের মত বীজ জাতীয় খাদ্য শস্যও আমাদের দেহের জন্য উপকারী। যেমন এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ আছে। ডায়াবেটিস রোগীর জন্য সূর্যমুখীর বীজ ও কুমড়ার বীজ অনেক উপকারী। বীজ খেলে দেহে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে।৩. মাছ-মাছে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন থাকে। একটি সুস্থ জীবনধারার জন্য প্রোটিন অতিব গুরুত্বপূর্ণ, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। মাছে ওমেগা-৩ আছে এবং যা স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমায়। মাছ বেশি করে ভেজে খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।৪. বেরি অর্থাৎ স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, জাম জাতীয় ফলবেরি জাতীয় এই ফলগুলো বিশ্বের অধিক পুষ্টিকর খাদ্যের মধ্যে অন্যতম। এসব ফলে অ্যানথোসায়োনেনস নামের উপাদান রয়েছে যা মানবদেহের রক্তের ইনসুলিন ভারসাম্য ঠিক রাখে ও রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে। ডায়াবেটিস দুই টাইপের হয়, যেমন টাইপ-১ ও টাইপ- ২ । টাইপ- ১ রোগীদের জন্য বেরি ইনসুলিন উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় ও টাইপ-২ রোগীদের জন্য রক্তে শর্করার পরিমাণ বারিয়ে তুলে। তারা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার সমৃদ্ধ।

৫. মটরশুঁটি-ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার ডায়াবেটিস রোগীর জন্য অনেক উপকারী। মটরশুঁটিতে আছে ভরপুর ফাইবার। মটরশুঁটি রক্তের গ্লুকোজের মাত্রাকে সাধারণ মাত্রায় রাখে।৬. ব্রোকলি-সবজি জিনিসটা সকল মানুষের জন্য উপকারী। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অতিব জরুরি একটি খাবার হল সবজি। ব্রোকলি একটি ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ এমন একটি বিশেষ যৌগ আছে যা ডায়াবেটিস এর সাথে যুদ্ধ করে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ব্রোকলি হৃদরোগের বিরুদ্ধেও বেশ কার্যকর।৭. পাতা/বাঁধাকপি-শীতকালীন সবজি পাতাকপি বা বাঁধাকপি। আমাদের দেশে পাতাকপি ভাজি একটি জনপ্রিয় খাবার। বিশেষ করে মাংসের সাথে পাতাকপির ঝোল বেশ উপাদেয় খাবার। সালাদে শশা, গাজর, টমেটোর সাথে পাতাকপি মেশালে অনেক মজা হয়। পাতাকপি অনেক কম কার্ব যুক্ত । এই সবজি টি টাইপ-২ রোগীদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং টাইপ-১ রোগীদের রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রনে রাখে।

৮. আ্যভোকাডো-মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার ফল আ্যভোকাডো। তবে চাষ করলে আমাদের মাটিতেও ফলান যায় এই ফল। ভেষজ চিকিৎসায় অ্যাভোকাডো যেন সর্ব রোগের মহা ওষুধ। আ্যভোকাডো শরীরের রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এমনকি এটি হৃদরোগের বিরুদ্ধেও লড়াই করে।৯. চা-চা এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ একটি পানীয়। গ্রিন-টি বা সবুজ চা কিংবা রং চা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য উপকারী। তবে, চায়ে চিনি মেশানো যাবে না।১০. আপেল-কথায় আছে ‘এন আপেল এভরিডে, কিপস দ্যা ডক্টর অ্যাওয়ে’ অর্থাৎ- প্রতিদিন একটি আপেল খান, আপনাকে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে না। আপেল রোগ প্রতিরোধক ও পুষ্টিকর একটি ফল। আপেলে শর্করা প্রায় ৫০ শতাংশ। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় ও রক্তে কোলেস্টরল এর মাত্রা স্থির রাখে।১১. রসুন-রসুনের উপকারিতা অনেক। রান্নার পাশাপাশি রসুন স্বাস্থ্য ভালো রাখার ওষুধ হিসেবেও কাজ করে। রসুন কোলেস্টরল এর মাত্রা এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

১২. পালং শাক-পালং শাক অনেক পুষ্টিকর। এতে আছে প্রচুর এন্টিঅক্সিডেন্ট। তাজা এবং অল্প সেদ্ধ করে খেলে বেশি এন্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। পালং শাক ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সবচেয়ে সুপরিচিত খাবার এর মধ্যে রয়েছে পালং শাক।১৩. ডার্ক চকলেট-আপনারা ভাবছেন চকলেট তাও আবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য? হ্যাঁ ডার্ক চকলেট ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। কেননা এতে মিষ্টির পরিমাণ অনেক কম থাকে। এটি শুধুমাত্র এন্টিঅক্সিডেন্ট পূর্ণ নয়। এটি শরীরে ইনসুলিন এর মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে।

১৪. দারুচিনি-দারুচিনিতে সামান্য পরিমাণ প্রোটিন থাকে তাছাড়া এতে আছে প্রচুর মিনারেল ও ভিটামিন। এটি রক্তে কোলেস্টরল এর পরিমাণ ১০ শতাংশ কমিয়ে দেয়। এটি হৃদয় সুস্থ রাখে। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ ও নিয়ন্ত্রণে রাখে।-১৫. মিষ্টি আলু:  আলু আমরা সবাই কম বেশি খেতে পছন্দ করি। যেমন আলুর দম, আলু ভাজি, আলুর চিপস। আলু দিয়ে তৈরি যেকোনো খাবার খেতেই দারুণ মজা লাগে। সাধারণত সাদা আলু দিয়ে এসব তৈরি করা হয়ে থাকে। কিন্তু মিষ্টি আলু নামক একটি আলু আছে যার অনেক গুণাবলি আছে।যেমন এটি ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে ইনসুলিন এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে, এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ডায়াবেটিস চিরতরে নির্মূল – ডায়াবেটিস একটি গুরুতর অবস্থা এবং দিন দিন এর ব্যাপক প্রকোপ সাধারণ জনগনের স্বাস্থ্যের উপর একটি বড় হুমকি হয়ে উঠছে। এই রোগ মানুষকে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির কারনে সৃষ্ট অন্ধত্বের ঝুঁকিতে নিয়ে যায় এবং এর ফলে যে পরিমান অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কেটে বাদ দিতে হয় তা অনেক সময় কোন দুর্ঘটনা বা ট্রমার কারনেও করতে হয় না।দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য এবং আরো গুরুত্বর ক্ষতি এড়ানোর জন্য দিনের পর দিন একটি স্বাস্থ্যকর মাত্রার মাঝে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে একটি অন্যতম শর্ত। তাই উল্লেখিত ভেষজ উপাদান গুলো প্রয়োগের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।ডায়াবেটিস চিরতরে নির্মূল – বর্তমান যুগে ডায়াবেটিস নামের মধ্যেই যেনো এক প্রকার আতঙ্ক ও উদ্বেগ জড়িয়ে রয়েছে। আজকের যুগে বহু মানুষ এ রোগে আক্রান্ত। তবে এ রোগ প্রতিকারের রয়েছে অনেক সহজ পন্থা। যার সাহায্যে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ। সেই সঙ্গে সঠিক চিকিৎসা ও খাদ্যাভাসও একান্ত জরুরী।

অর্শ বা পাইলসের সমস্যা সমাধানে ঘরোয়া ১০ উপায়!

তীব্র বেদনা দায়ক এবং জটিল রোগগুলোর মধ্যে অর্শ বা পাইলস হলো একটি। এটি মানুষের মলদ্বারের রোগ। এ রোগে মলদ্বারের ভেতরে বা বাইরে, চারপাশে বা একপাশে, একটি বা একাধিক, গোলাকৃতি বা সুচাল গুটিকা দেখা দেয়। এ গুটিকাগুলোকে ‘বলি’বা ‘গেজ’ বলা হয়। পায়খানা করার সময় এ বলিগুলো থেকে অভ্যন্তরীণ সমস্যার অনুপাতে কারো অধিক পরিমাণে, কারো স্বল্প পরিমাণে রক্ত যায়। আবার অনেকের রক্ত যায়ই না।অর্শ বা পাইলসের সমস্যা ঘরে ঘরে দেখা যায়।কেন হয় পাইলস?কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা, দীর্ঘ মেয়াদী কাশির সমস্যা, প্রস্রাবে বাধা, গর্ভধারণ, মলদ্বারে ক্যানসার, নিয়মিত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা এসব থেকে পাইলসের সমস্যা হতে পারে। পাইলসের সমস্যা বলতে মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, মলদ্বার ফুলে যাওয়া মূলত এই ধরণের উপসর্গ দেখা যায়।অন্যভাবে বলা যায় -মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করা, জন্মগতভাবে দুর্বল ধমনি, দীর্ঘদিনের কাশি, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া, ভারী বস্তু বহন করতে হয় এমন কাজ, অতিরিক্ত ওজন, গর্ভাবস্থা ইত্যাদি।পাইলসের চিকিৎসা না করা হলে প্রায়ই মলের সঙ্গে রক্তপাতের জন্য ধীরে ধীরে রক্তশূন্যতা হতে পারে, প্রায়ই ব্যথা হয় এবং সংক্রমণ হয়।

কীভাবে বুঝবেন?মলত্যাগের সময় ব্যথাহীন রক্তপাত, চুলকানি বা অস্বস্তিকর জ্বালাপোড়া, মলদ্বারে ব্যথা, পায়ুপথের বাইরের দিকে ফোলা বা বেরিয়ে আসা অনুভব করা, বা চাকারমতো অনুভূতি থেকে শুরু করে নিচের লক্ষণসমূহ :-পায়খানা করার সময় অত্যধিক বা অল্প পরিমাণে রক্ত যেতে পারে।গুহ্য দ্বারে জ্বালাপোড়া এবং ফুলে যায়।টাটানি ও যন্ত্রণা।কাঁটাবিদ্ধ অনুভূতি।মাথা ধরা ও মাথা ভার বোধ।উরুদেশ, বক্ষ, নাভির চারপাশে ব্যথা ও মলদ্বারে ভার বোধ।কোমর ধরা ও কোষ্ঠবদ্ধতা।অর্শ রোগে আক্রান্তদের করণীয় :-নিয়মিত পায়খানা করা।পেটে হজম হতে চায় না এমন খাদ্য বর্জন করা।চিকিৎসকের পরামর্শমতো বিশ্রাম নেয়া।হাতুরে ডাক্তার বা কবিরাজ দিয়ে চিকিৎসা না করা।

প্রতিরোধের উপায় :-কোষ্ঠকাঠিন্য যাতে না হয় সে দিকে খেয়াল রাখা।নিয়মিত ঘুমানো।পরিমাণ মতো পানি পান করা।অতিরিক্ত পরিশ্রম না করা।তরলও সহজপাচ্য খাদ্য গ্রহণ।অধিক মশলা জাতীয় খাদ্য পরিহার করা।পাইলসের চিকিৎসার জন্য নানা ধরণের চিকিৎসা রয়েছে। সমস্যা কতটা গভীর তার উপরও চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ভর করে। কখনও শুধু ওষুধেই কাজ দেয়, কখনও আবার সমস্যা এতটাই বেড়ে যায় যে অস্ত্রোপচার ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না। তবে পাইলসের সমস্যায় কিছু নির্দিষ্ট খাবার ও টোটকা আছে, যা অত্যন্ত উপকারী-র‌্যাডিশ জুস:র্যাডিশ হল মূলা ঘরানার একটি সবজি। এই সবজি পাইলসের সমস্যায় অত্যন্ত উপকারি। এই সবজির রস খেলে উপকার পাবেন। প্রথমে ১/৪ কাপ দিয়ে শুরু করুন। তারপর পরিমাণ আস্তে আস্তে বাড়িয়ে ১/২ কাপে নিয়ে আসুন।

বেদানা:বেদানার দানা জলে ভাল করে ফোটান। যতক্ষণ না বেদানার দানা ও জলের রং বদলাচ্ছে ততক্ষণ ক্রমাগত ফুটিয়ে যান। এই জল ছেঁকে রেখে দিন। দিনের দুবার করে এই জল খান।ডুমুর:শুকনো ডুমুর বা ফিগ ১ গ্লাস জলে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে এই অর্ধেক জল খেয়ে নিন। আবার বিকেলের দিকে বাকি অর্ধেক জল খেয়ে নিন।আদা ও লেবুর রস:ডিহাইড্রেশনও পাইলসের অন্যতম কারণ। আদা ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে তাতে ১ চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। দিনে দুবার করে এই মিশ্রণটি খান। এতে শরীর হাইড্রেট হবে এবং পাইলসের সমস্যাও কমবে।কাঁচা পেঁয়াজ:পাইলসের কারণ যে মলদ্বার থেকে রক্ত পরার সমস্যা তৈরি হয়, কাঁচা পেঁয়াজে সে সমস্যা অনেকটাই কমে। অন্ত্রের যন্ত্রণা প্রশমিত করতেও সাহায্য করে।প্রাতঃকর্মের সময় বসার ধরণ:অনেকসময় ভুল পদ্ধতিতে কমোডে বসার ফলে অতিরিক্ত চাপের প্রয়োজন হয়। পায়ের নিচে একটা ছোট টুল রাখুন। কমোডে বসার সময় একটু সামনের দিকে ঝুঁকে বসুন। এতে বৃহদন্ত্রের কম চাপ পড়বে।

ওয়ার্কআউট:কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা কমাতে ও শরীরে রক্তচলাচল স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত ওয়ার্ক আউট করা উচিত। তবে যদি খুব পরিশ্রম করেন বা ভার উত্তোলন করেন তাহলে পাইলসের সমস্যা বাড়তে পারে। সাঁতার কাটা বা সাইকেল চালানোর মতো হাল্কা ওয়ার্কআউট করুন।হলুদ:কাঁচা হলুদ জলে ফোটান ভাল করে। আর এই জল নিয়মিত খান। এতে পাইলসের সমস্যায় অনেকটা উপকার পাওয়া যায়।কলা:কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সবচেয়ে উপকারি এবং অব্যর্থ ওষুধ হল কলা। বিনা কষ্টে মলত্যাগ করতে সাহায্য করে কলা। এর ফলে মলদ্বারে কোনও চাপ পড়ে না, ফলে পাইলসের সমস্যা বৃদ্ধি হয় না। কলা সোয়াবিনের দুধ দিয়ে খেলে আরও তাড়াতাড়ি উপকার পাওয়া যাবে।ডাল:মসুর ডাল, খেসারী ডাল, তিসী ডাল, এই ধরনের খাবার পাইলসের সমস্যা নিরাময়ে খুবই উপকারি।শেষ করার আগে ডা. কৃষ্ণপদ সাহার নিম্নোক্ত কথাটি স্মরণ করিয়ে দিয়ে চাই:-”মনে রাখবেন, এটি জটিল কোনো রোগ না হলেও একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। তাই ‘গ্যারান্টি’ চিকিৎসার আকর্ষণে না ভুলে নিয়মিত চিকিৎসা নিন ও নির্দিষ্ট নিয়মকানুন মেনে চলুন। l

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং গোপন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুন, যেভাবে খাবেন

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং গোপন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুন, যেভাবে খাবেন

আমাদের দেশীয় খাবার আদা-রসুন ছাড়া রান্নার কথা ভাবাই যায় না। শাক রান্নায় তো রসুন অপরিহার্য। রসুনের স্বাস্থ্য উপকারিতাও কম নয়। এতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য আছে, সেই সাথে রয়েছে ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন ও কপারের মতো খনিজ।রসুনের বেশিরভাগ উপকারিতে আসে ‘অ্যালিসিন’ নামের একটি রাসায়নিকের কারণে। এর থেকেই রসুনের তীব্র গন্ধ ও স্বাদ আসে। অ্যালিসিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমে সাহায্য করে এমনকি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কাজে আসে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় রসুন বিশেষ উপকারী। কারণ ব্লাড প্রেশার এবং ব্লাড সুগার দুটোই কমাতে পারে এই মশলাটি।

ডায়াবেটিস রোগীদের মূল সমস্যাটি হচ্ছে ব্লাড সুগার খুব বেড়ে যাওয়া বা খুব কমে যাওয়া। রসুন এ সমস্যা সমাধানে কাজ করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে রসুন।এছাড়া রসুনের অন্যান্য উপকারিতাগুলো হলো-১. রসুনে ক্যালোরি অনেক কম, এতে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করার পরিমাণটাও কম। এ কারণে ডায়াবেটিস রোগীরা তা খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।২. টাটকা, কাঁচা এক কোয়া রসুনে থাকে বেশ কিছুটা ভিটামিন বি৬। কার্বোহাইড্রেট মেটাবোলিজমে এই ভিটামিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রসুন খাওয়ার পর কার্বোহাইড্রেট ধীরে ধীরে মেটাবোলাইজ হয়, ফলে ব্লাড সুগার হুট করে বেড়ে যাওয়ার সুযোগ পায় না।

৩. নিয়মিত রসুন খাওয়া হলে শরীরে হোমোসিস্টিন অ্যামিনো অ্যাসিডের পরিমাণ কমে। এই অ্যামিনো অ্যাসিডটি ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।৪. রসুনে থাকা রাসায়নিক উপাদান যেমন অ্যালিসিন, অ্যালিল প্রোপাইল ডাইসালফাইড এবং এস-অ্যালিল সিস্টিন সালফক্সাইড রক্তে ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়ায় বলে দেখা গেছে।এছাড়া মরিশাস জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যায়, উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা ১২ সপ্তাহ রসুন খাওয়ার পর তাদের রক্তচাপ গড়ে ১০ পয়েন্ট কমে আসে।

ডায়াবেটিস রোগীরা কীভাবে খাবেন রসুন?রসুন কাঁচাই খেতে পারেন। সালাদের ওপর দিতে পারেন রসুন কুচি। এছাড়া তরকারিতে রসুন দিয়ে রান্না করাটা তো স্বাভাবিক। দুই উপায়েই কাজে আসে রসুন।যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে:বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, একজন পুরুষের প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে যদি ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকে তবে সেই পুরুষ অনুর্বর হতে পারে। পুরুষদের যৌন সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়।১. পুরুষদের পুরুষাঙ্গের স্পার্মের সমস্যা দেখা দেয়। স্পার্মের জন্য যৌন অক্ষমতা দায়ী।যৌনশক্তি কম থাকা।২. হয়তো বীর্য পতন এর পরিবর্তে হালকা পানির মত উপাদান বের হয়।৩. বীর্য পাতলা হয়ে যায়। পাতলা বীর্য ঘন করতে রসুন এর কোন তুলনা নেই।৪. যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ পুরুষের নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে।

উপরের সকল সমস্যার সমাধানের অর্থাৎ যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুন এর উপকারিতা অনেক। সুস্থ বীর্য তৈরিতে রসুনের জুড়ি নেই। রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়। কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খেলে এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর ন্যায় কাজ করে। সকালের নাস্তার পূর্বে যদি রসুন খাওয়া হয় এটি আরও কার্যকরীভাবে কাজ করে। খালি পেটে রসুন খাবার ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো উন্মুক্ত হয় এবং তখন রসুনের ক্ষমতার কাছে তারা নতিস্বীকার করে। এতে শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সমূহ ধ্বংস হয়।যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য রসুন খাওয়ার সঠিক নিয়ম: যারা পড়ন্ত যৌবনে পড়েছেন। এক্ষেত্রে প্রতিদিন নিয়ম করে ১/৩ টি কুয়া রসুন খেলে আপনাকে দিতে পারে একটি সতেজ যৌনক্ষমতা। যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য রসুন বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। জেনে নিন সঠিকভাবে রসুন এর উপকারিতা পেতে কিভাবে রসুন খাবেন।১. প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১ থেকে ২টি কাঁচা রসুনের কোয়া চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ক্ষমতা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷

২. রুটির সঙ্গেও রসুন মিশিয়ে খেলে পারেন। এতে রসুন আপনার শরীরে স্পার্ম উৎপাদনের মাত্রা বাড়াবে এবং সুস্থ্য স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করবে৷৩. প্রতিদিন ২ কোয়া রসুন ঘি/আলিভ অয়েল দিয়ে ওভেনে বেক করে সাথে মাখন মাখিয়ে পাউরুটি দিয়ে খেতে পারেন। মুখের দুর্গন্ধ দুর করার জন্য খাওয়ার শেষে গরম পানি বা গরম দুধ খাওয়া উচিৎ। এতে ভাল ফল পাবেন আশাকরা যায়।৪. যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। দুই চামচ আমলকির রসের সঙ্গে ১/২ কোয়া রসুন বাটা মিশিয়ে খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়েরই যৌবন ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ি হবে।