শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের ৩ ধাপ উন্নতি

শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের তিন ধাপ উন্নতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভ্রমণ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা হেনলি পাসপোর্ট ইনডেস্ক বুধবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে। পাসপোর্ট ইনডেক্স ২০১৯ এর সূচকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৪১টি দেশ ভ্রমণ করতে পারেন। সেই অনুযায়ী সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭তম। এই অবস্থানে যৌথভাবে রয়েছে লেবানন, লিবিয়া ও দক্ষিণ সুদান।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পাকিস্তান ও নেপালের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। সূচকে পাকিস্তানের অবস্থান ১০২তম। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া ৩৩টি দেশ ভ্রমণ করতে পারেন। আর ৪০টি দেশ ভ্রমণ করতে পারেন নেপালের পাসপোর্টধারীরা। সূচকে দেশটির অবস্থান ৯৮তম। এ ছাড়া ভারত ৭৯তম (৬১টি দেশ), শ্রীলঙ্কা ৯৫তম (৪৩টি দেশ) এবং ভুটান ৮৩তম (৫৫টি দেশ) স্থানে অবস্থান করছে।

তালিকার শীর্ষস্থানে এককভাবে রয়েছে জাপানের নাম। দেশটির নাগরিকরা ১৯০টি দেশ ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। এ ছাড়া সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়া যৌথভাবে (১৮৯টি দেশ) দ্বিতীয়, ফ্রান্স ও জার্মানি যৌথভাবে (১৮৮টি দেশ) তৃতীয় স্থানে রয়েছে। আর ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ইতালি ও সু্ইডেন যৌথভাবে চতুর্থ এবং লুক্সেমবার্গ ও স্পেন যৌথভাবে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।অন্যদিকে, সবচেয়ে কম শক্তিশালী পাসপোর্টধারী দেশের মধ্যে শীর্ষে যৌথভাবে রয়েছে আফগানিস্তান ও ইরাকের নাম। দেশ দুটির পাসপোর্টধারীরা ৩০টি দেশ ভ্রমণ করতে পারেন।

আর এই তালিকায় পার্শ্ববর্তী পাকিস্তানের অবস্থান তৃতীয়। এ ছাড়া সোমালিয়া ও সিরিয়া যৌথভাবে দ্বিতীয়, ইয়েমেন চতুর্থ এবং ইরিত্রিয়া পঞ্চম স্থানে রয়েছে।উল্লেখ্য, ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইএটিএ) সহযোগিতায় ২০০৬ সাল থেকে দ্য হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স প্রকাশিত হচ্ছে। বিশ্বের পর্যটকদের সবচেয়ে বেশি তথ্য সংগ্রহে রাখে আইএটিএ।

চায়ের দাম আট লাখ টাকা! শুনে ভিমড়ি খেয়ে চোখ কপালে ওঠার যোগাড়। চা মাত্র এককাপ। আর দাম কিনা আট লাখ টাকা! লাখ লাখ টাকার এই চায়ের নাম ‘ডা হং পাও যা পাওয়া যাবে চীনে। চীনের উয়িশান অঞ্চলের উয়ি পর্বতে জন্মে এই চা গাছ। কী আছে এই চায়ে যার জন্য এত দাম? তার আগে এই চা নিয়ে প্রচলিত গল্পটি শোনা যাক। ১৩৬৮-১৬৪৪ সালে চীনের মিং রাজবংশের এক নৃপতির মা ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়লে কেউ একজন ডা হং পাও চা পান করানোর পরামর্শ দেন।

নৃপতি তা-ই করলেন আর মাও সুস্থ হলেন। চারদিকে এর জাদুকরি ক্ষমতার কথা ছড়িয়ে পড়ল। মিং নৃপতি এই চা গাছ সংরক্ষণের ঘোষণা দিলেন যা আজও বিদ্যমান। এবার আসা যাক চায়ের বর্নণায়। বিবিসি সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে ডা হং পাও চায়ের চমৎকার মিষ্টি একটি ঘ্রাণ আছে এবং চা পাতা শুকনো অবস্থায় দেখতে অনেকটা আমের আচারের মতো। চীনে এ ধরনের চায়ের কেতাবি নাম হল ওলং টি। আসলে এর দুষ্প্রাপ্যতাই এত দামের কারণ। উয়ি পর্বতের গায়ে এর মাত্র ছয়টি গাছ রয়েছে।

এই চা এখন ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে সুলভ হলেও সেগুলো আসল ডা হং পাও নয়। এই চা সাধারণ জনগণ চেখে দেখার সুযোগ পায়ই না বলতে গেলে। কেবলমাত্র চীনের সম্মানিত অতিথিরাই ডা হাং পাওয়ের কাপে চুমুক দেয়ার সুযোগ পান। উল্লেখযোগ্য তথ্য, ১৯৯৮ সালে বাণিজ্যিকভাবে এই গাছগুলো থেকে ২০ গ্রাম চা ১৯ লাখ ৩০ হাজার ৩৫২ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। বছর খানেক আগে শেষ আসল ডা হং পাও চা গাছ থেকে পাতা তোলা হয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *