রাতারাতি এই ধনী ব্যক্তিরা কিভাবে গরীব হয়ে গেল

দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেছেন, রাজনীতিকরা অনেক ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়েছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, নির্বাচনী হলফনামায় দেশের বড় বড় ধনী ব্যক্তিদের টাকা নেই। আবার অনেকে স্ত্রীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে ব্যবসা করে। আমার প্রশ্ন, রাতারাতি এই ধনী ব্যক্তিরা কিভাবে গরীব হয়ে গেল? এসব কিছুর সঠিক তদন্ত সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়নেরই একটি অংশ।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সরাসরি টক-শো অনুষ্ঠানে এসে তিনি এ কথা বলেন।

শ্যামল দত্ত বলেন, অস্বাভাবিক শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। কিন্তু আস্বাভাবিক শান্ত পরিশে কেন? বিএনপি গত নির্বাচন বর্জন করে যে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল, বিশেষ করে আগুন-সন্ত্রাসের মাধ্যমে কত মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছিল তার হিসেব নেই। ফলে সবাই এখনও আতঙ্কিত পরিস্থিতিতে আছে।

আর এ জন্যই এই অস্বাভাবিক শান্ত পরিবেশ। আজকে বিএনপি তার ভুল বুঝতে পেরেছে। তারা নির্বাচন বর্জন করেনি। আমি আশাকরি, বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবে, বলেন তিনি।

বিএনপির মধ্যে যে মুক্তিযোদ্ধারা আছে তারা অন্তর্জালায় ভুগছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, কারণ বিএনপি আবারো জামায়াতের প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে। কোনো মুক্তিযোদ্ধা এটা মেনে নিতে পরেননা। এটা আমার বিশ্বাস।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হলো অথচ জনগণ নিজের ভোট দিতে পারলেন না তাহলে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হয়ে লাভ নেই। নির্বাচন কমিশন এর দৃঢ়তা, অঙ্গীকার ও সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগের উপর সবকিছু নির্ভর করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *