এই পুরানো ছবিটির মধ্যে নাকি ভূত লুকিয়ে আছে ,ছবিটি জুম করে দেখুন চমকে যাবেন…

কিন্তু এমন কিছু ছবি আছে যেগুলি দেখতে সাধারনের মত হলেও তার ভেত্র যা রহস্য লুকিয়ে আছে জানলে আপনার হুঁশ উড়ে যেতে বাধ্য ।আজ আমরা আপনাদের একটি পুরান ছবি দেখাতে চলেছি যেটি মধ্যে একটি আজব জিনিস লুকিয়ে আছে ।দেখুন আসলে এই ছবিটি ১৯০০ সালে আয়ার ল্যান্ডে কিল্ক করা হয়েছিল ।মানে এই ছবিটির বয়স এখন ১১৮ বছর ।আর এটি আসলে একটি কাজের মেয়েদের ছবি ।এই সব মেয়ে গুলি একটি কারখানায় কাজ করত ।আর তাদের সংখ্যা মোট ১৫ জন ছিল আর সকলেই পাশাপাশিও বসিয়ে এই ছবিটি তোলা হয়েছিল ।

আপনার প্রথমে দেখে এই ছবিটি খুব সাধারন বলে মনে হচ্ছে হয়ত আপনি ভাবছেন এই মামুলি ছবিটির মধ্যে কি এমন লুকিয়ে আছে যা দেখার পর সবাই অবাক হয়ে যাচ্ছে ।আসলে এটি মামুলি ছবি না ,আর এই ছবির মধ্যে একটি বড় রহস্য আছে ।ছবিটি দেখার পর ভাবছেন এখানে মোট ১৫ জন মেয়ে আছে ।কিন্তু যদি আপনি এই ছবিটি ভালোভাবে লক্ষ করে থাকেন তাহলে এই ছবির মধ্যে আপনি ১৫ টি মেয়ে অবশ্যই দেখতে পাবেন কিন্তু তা ছাড়াও আরও একটি অবাক করা জিনিস দেখতে পাবেন ।যখন একজন মহিলারা তার আগের কার পুরবপুরুষের ছবি গুলি দেখছিল সেখানে একটি অবাক করা জিনিস দেখলযখন একটি মেয়ে তার গত হাওয়া দাদি মানে ঠাকুমার ছবি দেখছিল সেখানে দেখতে পেল তার দাদীর কাধে আর একটি যেন কার হাত রয়েছে ।আর সেটি নাকি কোন মানুষের হাত না এটি একটি ভূতের হাত ছিল ।আর সেটা আপনি ভালো ভাবে দেখলে ঠিক ভাবেই দেখতে পাবেন

আরো পড়ুন :হঠাৎ কিসের রক্তে সাগরের পানি এতো লাল?:নরওয়ে আর আইসল্যান্ডের মধ্যবর্তী আটলান্টিক সাগরের দক্ষিণে ভয়াবহ শীতের এক দ্বীপ। সমুদ্রবেষ্টিত সেই দ্বীপটির নাম ‘ফারো’। ১৮টি ছোটো ছোটো দ্বীপ নিয়ে গঠিত স্বায়ত্তশাসিত ফারো দ্বীপপুঞ্জ ডেনমার্কের আওতাভুক্ত।সম্প্রতি সেখানে তিমি শিকারীদের হাতে মারা পড়েছে কয়েক ডজন তিমি মাছ, ছুরির আঘাতে তিমির শরীর থেকে ছিটকে বেরোনো রক্তে লাল হয়ে গেছে সাগরের পানি।বিবিসিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আসন্ন তীব্র শীত মৌসুমে খাবার মজুদ করার উদ্দেশ্যে দলগতভাবে ওই তিমিগুলোকে শিকার করেছে ফারো দ্বীপের বাসিন্দারা।এমনকি দ্বীপের বাচ্চারা পর্যন্ত অংশ নিয়েছে দলগত ওই তিমি শিকারে। দ্বীপের বাইরের যে কোনো বাসিন্দা বা পর্যটকের কাছে ভয়ঙ্কর মনে হলেও ফারোবাসীদের কাছে সেটি উৎসবের মতো।

জানা যায়, ওই কয়েক ডজন পাইলট প্রজাতির তিমির মাংস আর চর্বিই হবে আসন্ন শীতে ৫০ হাজার ফারোবাসীর খাবারের মূল উৎস।সম্প্রতি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অ্যালেস্টার ওয়ার্ড (২২) সান্তামাউগে উপসাগরে দলগতভাবে ‘হোয়েল ড্রাইভিং’ নামে ওই তিমি শিকারের বেশ কিছু আলোকচিত্র প্রকাশ করেছেন।তাঁর বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ফারো দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দারা বাৎসরিক এই তিমি শিকার উৎসব পালন করে আসছে। উপসাগরে এত তিমি দেখে প্রথমে আশ্চর্য হয়ে যান আলোকচিত্রী ওয়ার্ড।যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ‘ট্রাইঅ্যাঙ্গেল’কে ওয়ার্ড বলেন, ‘শিকারীরা শুরুতে দাঁড় দিয়ে গুতিয়ে গুতিয়ে তিমিগুলোকে দ্বীপঘেঁষা বেলাভূমিতে নিয়ে আসে, যখনই তারা কাছাকাছি চলে আসে দ্বীপবাসী দৌড়ে নেমে যায়, আর তিমিগুলোকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে।’‘এমনকি বাচ্চারাও যুক্ত হয় ওই কাজে; দড়ি ধরে টানে, তিমির মরদেহগুলোর ওপরে উঠে লাফালাফি করে,’ বলেন ওয়ার্ড

ফারোর চারপাশে পাইলট প্রজাতির তিমি পর্যাপ্ত সংখ্যক আছে বলে জানান দ্বীপের বাসিন্দারা। সেগুলোর সংখ্যা প্রায় এক লাখ হবে, আর তারা বছরে প্রায় ৮০০ তিমি শিকার করে।শিকার দেখার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে ওয়ার্ড বলেন, ‘আমরা নির্বাক আর বিষণ্ণ হয়ে বসে ছিলাম শুধু, এ ছাড়া আর কিছু করার ছিল না।’ফারোবাসী তিমি শিকারের ব্যাপারটাকে সবার জন্য অংশ্রগ্রহণমূলক বলে মনে করে। খাবারের প্রয়োজনে ওই তিমি শিকার জাতীয় আইনে অনুমোদিত বলে জানা যায়। আইনে শুধু লক্ষ্য রাখতে বলা হয়েছে, শিকারের সময় তিমিদের যাতে সবচেয়ে কম কষ্ট দেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *