জীবনে প্রথম বার সেক্স করার সময় কি করবেন? জেনে নিন

আজকাল যদিও ছেলে/মেয়েরা আধুনিকতার বদৌলতে বিবাহের পূর্বেই সেক্স/ সহবাস, শারীরিক মিলন/ যৌন মিলন বিষয়ে অনেক ঘাটাঘাটি করতে অবস্থ তথাপি বিবাহের পর বাস্তব জীবন নিয়ে তারা নানা প্রকার টেনসনে ভোগে থাকেন।আমাদের অবিবাহিত রোগীদের সাথে কথাবার্তার সময় এ বিষয়টা একেবারেই স্পষ্ট। যদিও বিষয়গুলো বিয়ের কিছুদিন পর যখন স্বামী স্ত্রী একে অপরকে বুঝতে পারে তখন থেকেই ঠিক হতে থাকে। তারপরও এখানে প্রথম সেক্স বিষয়ে কিছু পরামর্শ দেয়া হলো :

প্রথম সহবাস/সেক্স করার ক্ষেত্রে দরকারী কিছু টিপস:সহবাস/সেক্সের আগে অবশ্যই অজু বা গোসল করে নিবেন। পারফিউম ব্যবহারকরতে পারেন । এটা কনফিডেন্স বাড়াবে।
আপনি মেয়ে হলে প্রস্তুত থাকুন। প্রথম সেক্সে আপনার সতীচ্ছদ পর্দা ছিঁড়ে যাবে এবং সামান্য রক্তপাত হবে। তাই সাথে অবশ্যই টিস্যু বা টুকরো কাপড় রাখুন। এসময় কিছুটা ব্যথা পাবেন। ভয় পাবার কিছু নেই। টেনশন করবেন না। আপনার যোনী ভালোমত পিচ্ছিল না হলে বেশ ব্যথা পাবেন। তাই সাবধান।

ছেলেদের বলছি, যোনীতে আপনার পেনিস ঢুকানোর আগে আপনার পার্টনার মানসিকভাবে প্রস্তুত কি না জেনে নিন। প্রথম বার ঢুকানোর সময় খুব আস্তে আস্তে করা ভালো। প্রথমে ভালোমত ঢুকবে না। পর্দা ছেঁড়ার পর যোনীপথ ফ্রী হবে।
তাই প্রথমদিকে না ঢুকলে ভুলেও জোর করে ঢুকাতে যাবেন না। এতে আপনার পার্টনার মারাত্মক ব্যাথা পেতে পারে এবং যোনীর অভ্যন্তরে ছিঁড়ে প্রচন্ড রক্তপাত হতে পারে। আস্তে আস্তে কয়েকবার ঢুকালেই যোনীপথ ফ্রী হয়ে যাবে। তখন স্পীড বাড়ান।

দুজনেই কনফিডেন্ট থাকুন। আর অবশ্যই যৌনাঙ্গের চারপাশের অবাঞ্চিত চুল ক্লিন শেভ করুন। মেয়েরা হেয়ার রিমুভার ব্যবহার করতে পারেন।
সেক্স নিয়ে ১৫টা অজানা সত্যি তথ্য জেনে নিন১) ৩০ মিনিটের অ্যাকটিভ সেক্সের সময় আপনি ৩০০ ক্যালোরি খরচ করেন। যা যে কোনও কাজের থেকে বেশি।২) স্বাভাবিক অবস্থায় পুরুষাঙ্গের উচ্চতা থাকে ৩.৫ ইঞ্চি থেকে ৩.৭ ইঞ্চি। যৌনতার সময় তা বেড়ে হয় ৫ থেকে ৫.৭ ইঞ্চি।৩) বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সেক্স করেন গ্রিকরা।৪) সারাদিনে সারা বিশ্বে ১০ কোটি যৌন মিলনের ঘটনা ঘটে। এখন যখন আপনি এই লেখাটা পড়ছেন তখন বিশ্বের ৪ হাজার মানুষ সেক্সে ব্যস্ত।

৫) ২০০৫ সালে এক প্রেমিক যুগল দীর্ঘতম চুম্বনে বিশ্বরেকর্ড গড়েন। তারা ৩১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট ৩০ সেকেন্ড ধরে একে অপরকে চুম্বন করেন।৬) বিশ্বের ২৫ শতাংশ দম্পতি যাদের বয়স ৭৫-এর উপরে তারা এখনও সেক্স করেন।৭) মানুষ ছাড়া ডলফিন আর বোনোবো শিম্পাঞ্জিরা তৃপ্তি বা সুখের জন্য সেক্স করেন।৮) আমরা কাউকে যৌন আর্কষক মনে করলে তাকে অন্য বাকিদের চেয়ে মিথ্যা কথা বলতে অসুবিধা হয়।৯) মানুষ ছাড়াও শুশুক আর মাছেরা Oral sex করে।১০) এক সমীক্ষায় প্রকাশ বিশ্বের ৫০ শতাংশ পুরুষ মনে করে তাদের যৌনাঙ্গ ছোট, অথচ ৮৫ শতাংশ মহিলা বলছেন, তাদের সঙ্গির যৌনাঙ্গের আকারে তারা খুশি।১১) গড়ে একজন মানুষ তার সারাজীবনে ২০ হাজার ১৬০ মিনিট সময় খরচ করে চুম্বন করে। মানে জীবনের প্রায় দু সপ্তাহ বা ৩৩৬ ঘণ্টা সময় যায় চুমুর জন্য।

১২) নিয়মিত সেক্স করলে শরীর ভাল থাকে। অনেক ছোটখাটো শারীরিক সমস্যা দূর হয়। মাথাব্যথা খুব তাড়াতাড়ি সেরে যায়।১৩) প্রতিদিন একটা আপেল মানুষের যৌন আয়ু অন্তত দেড় মাস বাড়িয়ে দেয়।১৪) আধুনিক সময়ে ৫ জনের মধ্যে ১জন সেক্সের জন্য ফোনের ব্যবহার করে।১৫) কালো মহিলা মাকড়সারা পুরুষদের সঙ্গে যৌন মিলনের পর তাদের খেয়ে ফেলে। একটা মহিলা মাকড়সা সারা দিনে ১৪জন পুরুষ মাকড়সাকে মেরে ফেলার ক্ষমতা রাখে।

আজকাল যদিও ছেলে/মেয়েরা আধুনিকতার বদৌলতে বিবাহের পূর্বেই সেক্স/ সহবাস, শারীরিক মিলন/ যৌন মিলন বিষয়ে অনেক ঘাটাঘাটি করতে অবস্থ তথাপি বিবাহের পর বাস্তব জীবন নিয়ে তারা নানা প্রকার টেনসনে ভোগে থাকেন।আমাদের অবিবাহিত রোগীদের সাথে কথাবার্তার সময় এ বিষয়টা একেবারেই স্পষ্ট। যদিও বিষয়গুলো বিয়ের কিছুদিন পর যখন স্বামী স্ত্রী একে অপরকে বুঝতে পারে তখন থেকেই ঠিক হতে থাকে। তারপরও এখানে প্রথম সেক্স বিষয়ে কিছু পরামর্শ দেয়া হলো :

প্রথম সহবাস/সেক্স করার ক্ষেত্রে দরকারী কিছু টিপস:সহবাস/সেক্সের আগে অবশ্যই অজু বা গোসল করে নিবেন। পারফিউম ব্যবহারকরতে পারেন । এটা কনফিডেন্স বাড়াবে।রাফ সেক্স বলতে কী বোঝায়? কীভাবে করবো রাফ সেক্স?আপনি মেয়ে হলে প্রস্তুত থাকুন। প্রথম সেক্সে আপনার সতীচ্ছদ পর্দা ছিঁড়ে যাবে এবং সামান্য রক্তপাত হবে। তাই সাথে অবশ্যই টিস্যু বা টুকরো কাপড় রাখুন। এসময় কিছুটা ব্যথা পাবেন। ভয় পাবার কিছু নেই। টেনশন করবেন না। আপনার যোনী ভালোমত পিচ্ছিল না হলে বেশ ব্যথা পাবেন। তাই সাবধান।ছেলেদের বলছি, যোনীতে আপনার পেনিস ঢুকানোর আগে আপনার পার্টনার মানসিকভাবে প্রস্তুত কি না জেনে নিন। প্রথম বার ঢুকানোর সময় খুব আস্তে আস্তে করা ভালো। প্রথমে ভালোমত ঢুকবে না। পর্দা ছেঁড়ার পর যোনীপথ ফ্রী হবে। তাই প্রথমদিকে না ঢুকলে ভুলেও জোর করে ঢুকাতে যাবেন না। এতে আপনার পার্টনার মারাত্মক ব্যাথা পেতে পারে এবং যোনীর অভ্যন্তরে ছিঁড়ে প্রচন্ড রক্তপাত হতে পারে। আস্তে আস্তে কয়েকবার ঢুকালেই যোনীপথ ফ্রী হয়ে যাবে। তখন স্পীড বাড়ান।দুজনেই কনফিডেন্ট থাকুন। আর অবশ্যই যৌনাঙ্গের চারপাশের অবাঞ্চিত চুল ক্লিন শেভ করুন। মেয়েরা হেয়ার রিমুভার ব্যবহার করতে পারেন।সেক্স নিয়ে ১৫টা অজানা সত্যি তথ্য জেনে নিন

১) ৩০ মিনিটের অ্যাকটিভ সেক্সের সময় আপনি ৩০০ ক্যালোরি খরচ করেন। যা যে কোনও কাজের থেকে বেশি।২) স্বাভাবিক অবস্থায় পুরুষাঙ্গের উচ্চতা থাকে ৩.৫ ইঞ্চি থেকে ৩.৭ ইঞ্চি। যৌনতার সময় তা বেড়ে হয় ৫ থেকে ৫.৭ ইঞ্চি।৩) বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সেক্স করেন গ্রিকরা।৪) সারাদিনে সারা বিশ্বে ১০ কোটি যৌন মিলনের ঘটনা ঘটে। এখন যখন আপনি এই লেখাটা পড়ছেন তখন বিশ্বের ৪ হাজার মানুষ সেক্সে ব্যস্ত।৫) ২০০৫ সালে এক প্রেমিক যুগল দীর্ঘতম চুম্বনে বিশ্বরেকর্ড গড়েন। তারা ৩১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট ৩০ সেকেন্ড ধরে একে অপরকে চুম্বন করেন।

৬) বিশ্বের ২৫ শতাংশ দম্পতি যাদের বয়স ৭৫-এর উপরে তারা এখনও সেক্স করেন।৭) মানুষ ছাড়া ডলফিন আর বোনোবো শিম্পাঞ্জিরা তৃপ্তি বা সুখের জন্য সেক্স করেন।৮) আমরা কাউকে যৌন আর্কষক মনে করলে তাকে অন্য বাকিদের চেয়ে মিথ্যা কথা বলতে অসুবিধা হয়।৯) মানুষ ছাড়াও শুশুক আর মাছেরা Oral sex করে।১০) এক সমীক্ষায় প্রকাশ বিশ্বের ৫০ শতাংশ পুরুষ মনে করে তাদের যৌনাঙ্গ ছোট, অথচ ৮৫ শতাংশ মহিলা বলছেন, তাদের সঙ্গির যৌনাঙ্গের আকারে তারা খুশি।১১) গড়ে একজন মানুষ তার সারাজীবনে ২০ হাজার ১৬০ মিনিট সময় খরচ করে চুম্বন করে। মানে জীবনের প্রায় দু সপ্তাহ বা ৩৩৬ ঘণ্টা সময় যায় চুমুর জন্য।

১২) নিয়মিত সেক্স করলে শরীর ভাল থাকে। অনেক ছোটখাটো শারীরিক সমস্যা দূর হয়। মাথাব্যথা খুব তাড়াতাড়ি সেরে যায়।১৩) প্রতিদিন একটা আপেল মানুষের যৌন আয়ু অন্তত দেড় মাস বাড়িয়ে দেয়।১৪) আধুনিক সময়ে ৫ জনের মধ্যে ১জন সেক্সের জন্য ফোনের ব্যবহার করে।১৫) কালো মহিলা মাকড়সারা পুরুষদের সঙ্গে যৌন মিলনের পর তাদের খেয়ে ফেলে। একটা মহিলা মাকড়সা সারা দিনে ১৪জন পুরুষ মাকড়সাকে মেরে ফেলার ক্ষমতা রাখে।

সেক্স এর সময় বাড়ানোর উপায় …

যৌনশক্তি বাড়াতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পন্ন ঔষধি কৌশল এবং মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা এখন প্রায় সেকেলে হয়ে পড়েছে। আজকাল যৌনশক্তি বাড়াতে প্রাকৃতিক কামোদ্দীপক বা যৌনশক্তি বর্ধক খাদ্যই অনেক বেশি কার্যকরী হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই বিবাহিত জীবনে যৌনতায় ফিট থাকতে হলে আপনাকে দৈনন্দিন খাবার দাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হতে হবে। কারণ সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর যৌন জীবন। অথচ প্রায়ই দেখা যায় যৌন সমস্যার কারনে সংসারে অশান্তি হয়, এমনকি বিচ্ছেদ পর্যন্ত হয়। তাই আগে থেকে সতর্ক থাকলেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি নাও হতে পারেন আপনি। আপনার যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য কোন প্রকার ঔষধের প্রয়োজন নেই, তার জন্য দৈনন্দিন পুষ্টিকর খাবার দাবারই যথেষ্ট। আপনার খাবার মেনু তে নিয়মিত দুধ, ডিম এবং মধু রাখুন আর নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করুন, তাহলে যৌন দুর্বলতায় ভুগবেন না।

ডিম: যৌন দুর্বলতা দূর করতে ও যৌন উত্তেজনা বাড়াতে এক অসাধারণ খাবার দুধ। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে আপনার যৌন দুর্বলতার সমাধান হবে। দুধ: যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।মধু: যৌন দুর্বলতার সমাধানের মধুর গুণের কথা সবারই কম-বেশি জানা। তাই যৌন শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন।

রসুন: যৌন সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। স্মরণাতীতকাল থেকেই নারী পুরুষ উভয়েরই যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে এবং জননাঙ্গকে পূর্ণ সক্রিয় রাখতে রসুনের পুষ্টিগুণের কার্যকারিতা সর্বজনস্বীকৃত। রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা যৌন ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।কফি: কফি আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার যৌনতার মুড কার্যকর রাখে।

জয়ফল: গবেষণায় দেখা গেছে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।চকলেট: ভালোবাসা ও যৌনতার সঙ্গে সবসময়ই চকলেটের একটা সম্পর্ক রয়েছে। এতে রয়েছে ফেনিলেথিলামিন (পিইএ) ও সেরোটোনিন। এ দুটি পদার্থ আমাদের মস্তিষ্কেও রয়েছে। এগুলো যৌন উত্তেজনা ও দেহে শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক। পিইএ’র সঙ্গে অ্যানান্ডামাইড মিলে অরগাজমে পৌঁছাতে সহায়তা করে।

কলা: কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও। যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতেও সহায়ক। আর সর্বোপরি কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা আপনার দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ফলে দীর্ঘসময় ধরে যৌন মিলনে লিপ্ত হলেও আপনার ক্লান্তি আসবে না।ভিটামিন সি জাতীয় ফল: যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। গবেষণা দেখা গেছে, একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। এসব ফলে মধ্যে তরমুজের প্রভাব বেশি। অনেকে যৌন উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

গরুর মাংস: গরুর মাংসে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি যৌন জীবনকে আরো আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।

প্রেমিক পুরুষ এরশাদ এবং তাঁর যত প্রেমিকারা

যৌবন একটা গোল্ড লিফ সিগারেট। আমার যৌবন আর বেশি দিন নেই। কয়েক বছর পর আমি মধ্যবয়স্ক হয়ে যাব। তাই যতোদিন পারি, এই ক্ষণস্থায়ী যৌবনকে উপভোগ করতে চাই।’ কথাগুলো যুক্তরাজ্যে গিয়ে বলেছেন ৮২ বছরের সাবেক স্বৈরাচারী রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তার এসব কথায় বোঝা যায়, তিনি কতোটা ‘রোমান্টিক’ ও ‘প্রেমিক পুরুষ’!

ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকারের অন্যতম শরীক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ রাজনীতি নিয়ে সকালে বলেন এক কথা, বিকেলে আরেক কথা আর রাতে বলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা। সকালে সরকারের সমালোচনা করেন, বিকেলে বিরোধী দলকে নানা উপদেশ দেন। রাতে হেফাজতে ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার খোয়াব দেখেন।

তেমনি ক্ষমতায় থাকাকালে তার সকালে, বিকেল, রাতে পাল্টে যেত কথিত প্রেমিকার তালিকা। তার প্রেমিকার তালিকাও অনেক দীর্ঘ। ক্ষমতায় থাকাকালে ও গণঅভ্যুত্থানে পতনের পর তার প্রেম, পরকীয়া, সেক্স কাহিনী দেশ-বিদেশে আলোচনার ঝড় তোলে। কোথায় আছেন এরশাদের আলোচিত, সমালোচিত সেসব ‘প্রেমিকা’ ও ‘ফার্স্ট লেডি’রা? তারা এখন কেমন আছেন?

প্রেস ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত ‘নিরীক্ষা’ পত্রিকায় সম্প্রতি প্রকাশিত এক নিবন্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক রোবায়েত ফেরদৌস এরশাদের প্রেমিকাদের পক্ষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এরশাদ সরকারের পতনের পর দেশের গণমাধ্যমগুলো তার প্রেমিকাদের সঙ্গে সেক্স কাহিনী ছাপিয়ে নারীর প্রতি অবিচার করেছে বলে রোবায়েত ফেরদৌসের অভিযোগ।

তার এ অভিযোগের পর অনেকের বক্তব্য, এরশাদের প্রেমিকারা উচ্চশিক্ষিতা, সামাজিক মর্যাদার দিক থেকেও অনেক উঁচুতে ছিলেন। সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ ভুলে গিয়ে তারা এরশাদের সঙ্গে প্রেম, পরকীয়া, সেক্সে মেতে উঠতে পারেন। আর তা লিখলেই তাদের প্রতি অবিচার? অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগের ভিত্তিতে প্রিয় দেশ’র এ প্রতিবেদন সাজানো হয়েছে।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, শুধু সামরিক স্বৈরশাসক হিসেবেই নয়, রাজনৈতিক দাবাড়ু এরশাদ দুর্নীতিপরায়ণ হিসেবে, বহুবিবাহ, অসংখ্য প্রেমিকা, সন্তানসহ নানা দুর্ঘটনায় দেশ-বিদেশে আলোচিত, সমালোচিত। ক্ষমতা দখল করে একদিকে তিনি রাজনীতিতে ধর্মকে টেনেছেন, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঘোষনা করেছেন, সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারে করেছেন। এমনকি পরদিন কোন মসজিদে নামাজ পড়বেন, তা আগের রাতে স্বপ্নেও দেখেছেন। অন্যদিকে এদেশের কোনো নেতা বহুগামিতা নিয়ে রাজনীতিতে এমন সংযোজন-বিয়োগের দ্বিতীয় নজির তার মতো সৃষ্টি করতে পারেননি।

নারীদেরকে কথিত প্রেমের ফাঁদে ফেলতে এরশাদ ক্ষমতা দখল করে কবিতা লেখাও শুরু করেন। বলা হয়ে থাকে, রোমান্টিক কবিতা ও কবির প্রতি নারীরা দুর্বল। নারী, গোলাপফুল, সেক্স বিষয়ক এসব কবিতা ছাপাতে বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদকদেরকে বাধ্যও করেন রাষ্ট্রপতি এরশাদ। অভিযোগ আছে প্রয়াত বরেণ্য কবি শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ, সৈয়দ আলী আহসান, সৈয়দ শামসুল হক, ফজল শাহাবুদ্দীন প্রমুখ ভাড়ায় এরশাদের কবিতা লিখতেন। তাদের রোমান্টিক ও যৌন কবিতা পত্রিকায় ছাপা হতো এরশাদের নামে। এরশাদের পরকীয়া কাহিনী সাপ্তাহিক যায়যায়দিন এ ছেপে তখন দেশ ছাড়তে হয় পত্রিকাটির সম্পাদক শফিক রেহমানকে।

এরশাদের প্রেমিকার তালিকায় ছিলেন মেরি, শাকিলা জাফর, জিনাত মোশাররফ, নাশিদ কামাল, নীলা চৌধুরী, সালমা বীল হেনা, আমেনা বারী, বিদিশা প্রমুখ। এরশাদ ১৯৯৭ সালে জেল থেকে বের হওয়ার পর সাক্ষাৎকারে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আমি একজনকে ভালোবাসতাম।’ সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, ‘তিনি কি জিনাত মোশাররফ?’ জবাবে এরশাদ বলেন, ‘অফকোর্স, তোমরা আমার ছেলের মতো। তার নামটা লিখো না প্লিজ!’

ক্ষমতায় থাকাকালে জিনাতের সঙ্গে এরশাদের পরকীয়া কাহিনী ছিল অনেকের মুখে মুখে। তার নামের সঙ্গে মিল রেখে জিনাত মোশাররফ নতুন নামকরন করেছিলেন জিনাত হুসেইন! তার সঙ্গে পরকীয়া নিয়ে দৈনিক সংবাদের সাংবাদিক রাশেদ আহমদের কাছে খোলামেলা সাক্ষাৎকার দেন এরশাদ। এতে ঘর ভাঙ্গে জিনাতের। ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় সাবেক মন্ত্রী মোশারফের সঙ্গে। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করলে এরশাদের ইচ্ছায় সংরক্ষিত আসনে মহিলা সংসদ সদস্য হন জিনাত।

এরশাদের আলোচিত আরেক প্রেমিকা কণ্ঠশিল্পী শাকিলা জাফর। এরশাদ ক্ষমতায় থাকাকালে এক পর্যায়ে বিটিভির পর্দা দখলে থাকত তার। এরশাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান শুরু হতো তার গান দিয়ে। ১৯৮৩ সালে বিটিভির ‘যদি কিছু মনে না করেন’ অনুষ্ঠানে ‘তুলা রাশির মেয়ে’ গানটির মাধ্যমে শাকিলার পরিচিতি ঘটে দর্শক, শ্রোতাদের সঙ্গে। এরশাদ সরকারের পতনের পর তিনি বেশ কয়েক বছর আত্মগোপনে ছিলেন। তিনি এখন ব্যস্ত থাকেন সঙ্গীতচর্চা নিয়ে।

 

এরশাদের আরেক প্রেমিকা নাশিদ কামাল সাবেক প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামালের মেয়ে। এরশাদের সাথে সম্পর্কের অবনতির পর ক্যাপ্টেন মুসাকে বিয়ে করেন। তবে বিয়েটি টেকেনি। মুসা ও নাশিদ কামালের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায। নাশিদ কামাল এখন টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন। তিনি নর্থ সাউথ ইউনির্ভিসিটিতে শিক্ষকতাও করেন।

এরশাদের আরেক প্রেমিকা মেরি। লন্ডনি এ সুন্দরী গতবছর লন্ডনে মারা গেছেন। প্রয়াত চিত্র নায়ক সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীও ছিলেন এরশাদের আলোচিত পরকীয়ার তালিকায়। বছর কয়েক আগে তার স্বামী কমল চৌধুরী মারা গেছেন। তিনি এখন সিলেটে থাকেন।

প্রেম করে এরশাদ তার নিজের বয়সী শিক্ষক আবুবকর সিদ্দিকের মেয়ে বিদিশাকে বিয়ে করেন। বিদিশার সঙ্গে তার ছাড়াছাড়িও হয়ে যায়। গত চারদলের জোট সরকারের আমলে আলোচিত নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে বিদিশার সঙ্গে তার ছাড়াছাড়ি হয়।

তখন অভিযোগ উঠে, দুই বউকে দিয়ে এরশাদ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। রওশন রাখছিলেন ক্ষমতাসীন বিএনপির সঙ্গে, আর বিদিশা রাখছিলেন তখনকার জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে। বিদিশা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে লন্ডনে বৈঠকও করেন।

বিষয়টি জানতে পারেন চার দলের জোট সরকারের নীতি নির্ধারকরা। এরপর সরকার থেকে এরশাদকে চাপ দেয়া হয়, তার দ্বিতীয় বউ বিদিশাকে তালাক দিতে। তখন এরশাদের দেয়া চুরির মামলায় জেলে যান বিদিশা, মুক্তিও পান। গত তিন বছর ধরে দেশে অবস্থান করছেন তিনি। এরশাদের সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি ‘শত্রুর সঙ্গে বসবাস’ নামে একটা বইও লিখেছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। পরের বছর জেনারেল এরশাদ রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেন। ১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তার সরকারের পতন ঘটে। এরপর তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি জেল থেকে অংশ নেন। ছয় বছর আবরুদ্ধ থাকার পর ১৯৯৭ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি জামিনে মুক্তি পান।

প্রিয় নবীজির রওজা মোবারকের উপর জানালা কেন জানেন

হযরত ওমর বিন মালেক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবীজির ইন্তেকালের পর একবার মদীনা শরীফে দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টির কারণে অসহনীয় গরম আর দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। তাই মদীনা বাসীরা একদিন মুমিনদের মা হযরত মা আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ) এর কাছে গিয়ে নিজেদের সমস্যার কথা উল্লেখ করে বৃষ্টির জন্য দোয়া কামনা করেন।

তখন হয়রত মা আয়েশা (রাঃ) বলেন-হে মদীনা বাসী তোমরা নবীজির রওজা মোবারকের উপর যে খেজুর গাছের ডাল আছে তা সরিয়ে দাও এবং অপেক্ষা কর। মদীনা বাসীরা তখন হযরত মা আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ) এর পরামর্শ মোতাবেক কাজ করলেন। নবীজির রওজা মোবারকের উপর থেকে ডাল সরানোর সাথে সাথে হঠাৎ আমরা দেখলাম আকাশ ধীরে ধীরে কালো মেঘে ডাকা শুরু করছে, অল্প কিছুক্ষনের মধ্যেই আকাশ থেকে এমনভাবে ভারী বর্ষন হতে শুরু করল যে, আমাদের পথ চলা কষ্ট দায়ক হয়ে পড়লো। দীর্ঘ এক সপ্তাহ অনবরত আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ হতে থাকে যা কিছুক্ষনের জন্যেও বন্ধ হয়নি। যা আমাদের ফসল ফলাদির জন্য পর্যাপ্ত ছিল।

এক সপ্তাহ পর, মদীনাবাসীরা আবার মা হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ) এর কাছে গিয়ে বৃষ্টি বন্ধের জন্য দোয়া চায়। তখন হযরত মা আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ) বলেন, নবীজির রওজা মোবারকের উপর খেজুর গাছের ডাল পূর্বেও মত দিয়ে দাও, বৃষ্টি বন্ধ হয়ে যাবে। মদীনা বাসীরা তাই করলো, সাথে সাথে বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেলো।
#সুবাহানআল্লাহ

(সূত্রঃ- আবু দাউদ শরীফঃ- ১২৮৫, ইবনে মাজাঃ- ৬০২, দারেমীঃ- ৯২৭)
এখনো পর্যন্ত হাদীসের এই ধারাবাহীকতায় যখনি কঠিন অনাবৃষ্টি দেখা দেয়, তখন নবীজির রওজা মোবারকের উপর এই জানালা খুলে দিলে আল্লাহর হুকুমে সাথে সাথে বৃষ্টি হতে থাকে।

মা ছাড়া কেউ লাশ দেশে নিতে চায়নি! অথচ স্ত্রীকে উপার্জনের সব টাকা দিতো (ভিডিও)

মো: মেসবাহ উদ্দিন আলাল, ভেনিস, ইতালিঃ প্রবাসে রাত-দিন পরিশ্রম করে যার আয়ের টাকায় সংসার চলছিলো, পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরলো, সে মারা যাওয়ার পর তার লাশটুকু দেখারও প্রয়োজন মনে করলো না। এই হলো প্রবাসী, এই হলো রেমিটেন্স সৈনিক, যাদের হাঁড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের উপরই দাড়িয়ে আছে অামাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

তেমনি এক ইতালি প্রবাসীর বাস্তব কাহিনী যে কারো হৃদয়ে নাড়া দিবে।৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ১১টা আইয়ুব মোড়লের সাথে কথা বলছিলাম, আইয়ুব তখন হসপিটালে মিজানুরকে দেখতে গিয়েছে, আইয়ুব বলতেছিলো মিজানের অবস্থা খুব একটা ভালো না, এই কথার সাথে সাথেই বললো, ও মনে হয় মারা গেলো, এখন তো কোনো কথা বলে না, আমি বললাম ডাক্তারকে ডাক দে, ডাক্তার এসে বললো মিজান মারা গেছে,

আগামী কাল ৮টায় একজন রেসফন্সিবল লোক নিয়ে আসতে হবে, ডিউটি বাদ দিয়ে সকাল ৮টায় আমি আইয়ুব ও নাসির তিনজন হসপিটালে গেলাম, ডাক্তার বললো, এই কাগজে সই দিয়ে লাশ হাসপাতাল মর্গে রাখতে হবে।রাতেই মিজানের স্ত্রী ও মাকে জানানো হয়েছিল যে মিজান ইন্তেকাল করেছে, মিজানের ছোট ভাইয়ের সাথে কথা হলে ফোনে, মিজানের ছোট ভাই জিজ্ঞাসা করলো যে, ওখান থেকে লাশ পাঠাতে কোনো টাকা পয়সা লাগবে কিনা?

আইয়ুব বললো হ্যাঁ লাগবে, লাশ পাঠাতে টাকা পয়সা লাগবে শুনে ফোনের লাইনটা কেটে দিল আর ফোন রিসিভ করলো না। কিছুক্ষন পর মিজানের স্ত্রী ও শশুরের সাথে কথা হয়, মিজানের স্ত্রী ও শশুর জানতে চায়, ইতালিতে লাশ মাটি দেয়ার কোনো ব্যবস্থা আছে কি? যদি মাটি দেওয়ার ব্যবস্থা থাকে তাহলে সেখানে মাটি দিলেই ভালো হয় ।কারণ হিসেবে তারা বললো, যে যাওয়ার সে তো চলেই গেছে, চোখের দেখা দেখে আর লাভ কি?

লাশ বাংলাদেশ নেওয়ার আগ্রহ নাই বুঝতে পারলাম, অথচ এই মিজানুরের টাকা দিয়েই কিন্তু সে বিলাসবহুল জীবনযাপন কাটিয়েছে এবং মিজানুর ইউরোপ আসার পর থেকে যত টাকা কামিয়েছে সব টাকা তার বউ এর একাউন্টে পাঠিয়েছে এমনকি ঢাকা শহরে একটা জায়গাও রেখেছে এই বউ এর নামে, আর আজ সেই মানুষটাকে এক নজর দেখার ইচ্ছা হলো না, এই হলো সোনার সোহাগী বউ , যার কথায় দুনিয়ার সবাইকে পর করে দিতে পারি এমনকি গর্ভ ধারিণী মাকেও।

এবার কথা হলো মিজানের গর্ভধারিণী মায়ের সাথে, আকাশ বাতাস ভারী কান্না জড়িত কণ্ঠে বলল, বাবা আমি গরিব মানুষ লাশ দেশে আনতে টাকা দিতে পারবো না,কিন্তু আমার নাড়িছেঁড়া ধন,আমার কলিজার টুকরা জাদুর মুখ খানি একনজর দেখতে চাই, শুধু এই টুকু অনুরোধ তোমাদের কাছে বাবা।

মায়ের নি:স্বার্থ ভালোবাসার আকুতি শুনে একফোঁটা চোখের জল গড়িয়ে পড়লো, বুঝতে পারলাম মায়ের ভালোবাসা কত গভীর, অথচ এই মাকে কখনো ১০০০০ হাজার টাকা দিয়ে বলেনি যে, মা এটা তুমি রাখ কিছু খেয়ে নিও।তারপরও কি মায়ের অভিমান ছিল? ছিল না সব সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করতো যে, হে আল্লাহ আমাকে ওরা দেয় না দেয় কোন সমস্যা নাই কিন্তু এদেরকেও তুমি সুখে রেখ, এদের সুখ-ই আমার সুখ আমরা হতবাগা প্রবাসীরা যখনি নাড়িরটানে দেশে যাই ,আত্মীয়স্বজন সবাই বলে কার জন্যে কি নিয়েছি,

শুধু মা-ই বলে আমার জাদুর মুখখানি এতো মলিন ক্যান? মিজানের মা শেষবারের মতো তার জাদুর মুখখানি দেখতে চায়, বললাম মিজানের লাশ দেশে যাবে, ইনশাআল্লাহ, খরচ যা লাগে সেটা আমরাই ব্যবস্থা করে দিবো দিন কয়েক পর, কিছুক্ষন পরপর মিজানের স্ত্রী আইয়ুবকে ফোন দেয়,মিজানের লাশ আমার নামে পাঠান নয়তো আমার আব্বার নামে পাঠান,মিজানের ভায়েরাও ফোন দেয়, লাশ আমাদের নামে পাঠাও, আমি বুঝে উঠতে পারছিলাম না যে, লাশ দেশে পাঠাতে টাকা লাগবে শুনে ফোন কেটে দেয়, ইতালিতেই মাটি দিতে বলে আর বলে কি মরা লাশ দেখে আর লাভ কি?

এতক্ষনে বুঝতে পারলাম কারণটা কি? কারণটা হলো তারা জানতে পেরেছে লাশের সাথে কিছু অর্থও যাবে, তাই যদি লাশটা আমার নামে আসে টাকাগুলো আমি পাবোযাই হোক, ২২ নভেম্বর বুধবার লাশ পাঠানোর কথা ২৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে লাশ পৌঁছাবে। মিজানের লাশ পাঠানোর খরচ বাদ দিয়ে কিছু অর্থ আমাদের কাছে অবশিষ্ট থাকবে,

মিজান ছিলো নি:সন্তান, তার কোনো সন্তান নাই, মিজানের আরও তিন ভাই আছে, কিন্তু খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে ভাইয়েরা অতটা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল না, মিজানের বাবা বেঁচে থাকা অবস্থায় মিজানের মা বাবা আলাদা হাড়িতে পাক করে খেত, মিজানের বাবা মারা যাওয়ার পরও আলাদা হাড়িতে পাক করে খাচ্ছে মিজানের মা। এমতাবস্থায় কিভাবে সেই অবশিষ্ট অর্থ বন্টন করা উচিত, সেটা নিয়েই আমরা এখন চিন্তিত

প্রতিবার নামাজে আত্তাহিয়্যাতু পড়ার সময় আঙুল দিয়ে ইশারা করতে হয় কেন

ইসলাম বিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান আপনার জিজ্ঞাসার ৪৯৬পর্বে ‘আত্তাহিয়্যাতু’ পড়ার সময় শাহাদাত আঙুল দিয়ে সঠিক করণীয় সম্পর্কে আশুগঞ্জ থেকে টেলিফোনে জানতে চেয়েছেন মীর মোহাম্মদ সেলিম। অনুলিখনে ছিলেন জহুরা সুলতানা। প্রশ্ন: আত্তাহিয়্যাতু পড়ার সময় আমরা যে শাহাদাত আঙুল উত্তোলন করি। দেখা যায় যে কিছু কিছু লোক উত্তোলন করে ছেড়ে দেয়, কিছু কিছু লোক আঙুলটাকে আস্তে আস্তে উপরে নিচে নাড়াতে থাকে, আবার কিছু লোক আঙুলটাকে সোজা করে উঠিয়ে আঙুলের দিকে তাকিয়ে থাকে।

বলে রাসুলের (সা.) নির্দেশ আঙুলের দিকে তাকিয়ে থাকা। আসলে সঠিক কোনটি? উত্তর: এ ক্ষেত্রে সহিহ পদ্ধতি হচ্ছে, হাদিস দ্বারা যে টি সাব্যস্ত হয়েছে, নবী (সা.) শাহাদাত আঙুল দিয়ে তাওহিদের ইশারা করতেন, তিনি শাহাদাত আঙুলটাকে নাড়াতেন।

যখন আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করতেন তখন রাসুল (সা.) ইশারা করতেন। সুতরাং এটা পুরা সময়টাই ইশারা করার বিষয়টি সহিহ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে। যদি কেউ এভাবে ইশারা করতে চান, তাহলে করতে পারেন। তবে এগুলো মুস্তাহাব বিষয়, এ নিয়ে বাড়াবাড়ির কোনো সুযোগ নেই।

যে দোআর আমল করলে আল্লাহর ইচ্ছায় দ্রুত সুস্থ হবেন রোগী: আরবি দোআ-০১ «لاَ بأْسَ طَهُورٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ». বাংলা উচ্চারণ: লা বা’সা তুহুরুন ইন শা-আল্লা-হ, বাংলা অর্থ: “কোনো ক্ষতি নেই, আল্লাহ যদি চান তো (রোগটি গুনাহ থেকে) পবিত্রকারী হবে।” [বুখারী (ফাতহুল বারীসহ) ১০/১১৮, নং ৩৬১৬।] আরবি দোআ-০২

«أَسْأَلُ اللَّهَ الْعَظيمَ رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ أَنْ يَشْفيَكَ» (সাতবার) বাংলা উচ্চারণ: আসআলুল্লা-হাল ‘আযীম, রব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম, আঁই ইয়াশফিয়াকা। (সাতবার) বাংলা অর্থ “আমি মহান আল্লাহ্‌র কাছে চাচ্ছি, যিনি মহান আরশের রব, তিনি যেন আপনাকে রোগমুক্তি প্রদান করেন।”

(সাতবার) [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কেউ মৃত্যু আসন্ন নয় এমন কোনো রোগীকে দেখতে গেলে, সে তার সামনে এই দোআ সাতবার পাঠ করবে, এর ফলে আল্লাহ তাকে (মৃত্যু আসন্ন না হলে) রোগমুক্ত করবেন। এ দোআ সাতবার পড়বে।] [তিরমিযী, নং ২০৮৩; আবূ দাউদ, নং ৩১০৬। আরও দেখুন, ২/২১০; সহীহুল জামে‘ ৫/১৮০।]

উর্বশীর এই শাড়ির দাম আপনার কল্পানাকেও হার মানাবে

বলিউড মানেই গ্ল্যামারাস একটা দুনিয়া। সেই দুনিয়ার চাকচিক্যে মাথা ঘুরে যায় ভক্তদের। আর বলিউড তারকাদের ড্রেসিং সেন্স নিয়েও ভক্তদের উন্মাদনা থাকে তীব্র। তার থেকেও বেশি তারা চর্চা করেন প্রিয় তারকাদের পোশাক-আশাকের দাম নিয়ে। এই বলিউড অভিনেত্রীর পোশাকের দাম শুনলে চোখ কপালে উঠতে পারে যে কারও।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, ২০১৭ সালে ইউনিসেফ আয়োজিত গ্লোবাল গোল অ্যাওয়ার্ডসে যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। আর সেখানে একেবারে সাধারণ দেখতে সাদা রঙের একটি ড্রেস পরেছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু সাদা হোক বা হোক সে যতই সাধারণ দেখতে, তার দাম ৩ লক্ষ টাকা। প্রিয়াঙ্কার সেই পোশাক ডিজাইন করেছিলেন নামজাদা ডিজাইনার ক্রিশ্চিয়ানো সিরিয়ানো।

অভিনয় আর সোজাসাপ্টা কথাবার্তার পাশাপাশি পোশাকেও বরাবরই নজর কাড়েন কঙ্গনা রানাওয়াত। এই কঙ্গনাই এক বার ফ্যাশন ডিজাইনার বিভু মহাপাত্রের ডিজাইন করা একটি ড্রেস পরে চমকে দিয়েছিলেন সবাইকে। সে ড্রেসের অভিনবত্বে তো বটেই। এমনকি দাম শুনেও চমকে গিয়েছিলেন অনেকেই। ২ লক্ষ টাকা দাম ছিল কঙ্গনার সেই ড্রেসের।

কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেটের দিকে নজর থাকে গোটা দুনিয়ার। আর ২০১৭ সালে সেই রেড কার্পেট মাত করে দিয়েছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। সে দিন মার্চেসার একটি গাউন পরেছিলেন অভিনেত্রী। সেই গাউন এতটাই লম্বা যে মাঝে মধ্যে ঠিকঠাক করে দিতে হচ্ছিল ফটোগ্রাফারদেরই। ডার্ক ওয়াইন রঙের সে গাউনের দাম ৫ লক্ষ ১৭ হাজার টাকা।

বহু দিন আগেই পোশাক-আশাকের দামে ভক্তদের চমকে দিচ্ছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই। সম্প্রতি মুকেশ আম্বানীর বাড়ির পার্টিতে সোনালি রঙের একটি গাউন পরেছিলেন অভিনেত্রী। আর সে গাউনের দাম ৩ লক্ষ ৭ হাজার টাকা। তবে আম্বানীর ক্যাজুয়াল পার্টিতে ঐশ্বরিয়ার এমন দামি পোশাক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল হইচই শুরু হয়েছিল।

সোহা আলি খানের বই লঞ্চে অত্যধিক দামি পোশাক পরেছিলেন কারিনা কাপুর। সে পোশাক আবার ডিজাইন করেছিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার বিভু মহাপাত্র। লং স্লিভ সিল্ক শিফন সেই ড্রেসটির দাম ৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা।আলিয়ার প্রিয় ড্রেস ডিজাইনার জুহেইর মুরাদ। টিনসেল টাউনের পার্টি হোক বা কোনও ফ্যামিলি ফাংশান, আলিয়া কিন্তু জুহেইরের পোশাক পরতেই বেশি পছন্দ করেন। বি টাউনেরই একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের জন্য আলিয়া যে গাউনটি পরেছিলেন তার দাম ২৩ লক্ষ টাকা।

সবে বলিউডে তার আগমন হয়েছে। আর এখন থেকেই পোশাকে চমকাতে শুরু করেছেন উর্বশী রাউতেলা। পরিবারেরই একটি বিয়ের জন্য প্রায় ৮৩ লক্ষ টাকা দামের একটি শাড়ি পরেছিলেন অভিনেত্রী।রে
উর্বশীর এই শাড়ির দাম কত লক্ষ টাকা! জানে

বলিউড মানেই গ্ল্যামারাস একটা দুনিয়া। সেই দুনিয়ার চাকচিক্যে মাথা ঘুরে যায় ভক্তদের। আর বলিউড তারকাদের ড্রেসিং সেন্স নিয়েও ভক্তদের উন্মাদনা থাকে তীব্র। তার থেকেও বেশি তারা চর্চা করেন প্রিয় তারকাদের পোশাক-আশাকের দাম নিয়ে। এই বলিউড অভিনেত্রীর পোশাকের দাম শুনলে চোখ কপালে উঠতে পারে যে কারও।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, ২০১৭ সালে ইউনিসেফ আয়োজিত গ্লোবাল গোল অ্যাওয়ার্ডসে যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। আর সেখানে একেবারে সাধারণ দেখতে সাদা রঙের একটি ড্রেস পরেছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু সাদা হোক বা হোক সে যতই সাধারণ দেখতে, তার দাম ৩ লক্ষ টাকা। প্রিয়াঙ্কার সেই পোশাক ডিজাইন করেছিলেন নামজাদা ডিজাইনার ক্রিশ্চিয়ানো সিরিয়ানো।

অভিনয় আর সোজাসাপ্টা কথাবার্তার পাশাপাশি পোশাকেও বরাবরই নজর কাড়েন কঙ্গনা রানাওয়াত। এই কঙ্গনাই এক বার ফ্যাশন ডিজাইনার বিভু মহাপাত্রের ডিজাইন করা একটি ড্রেস পরে চমকে দিয়েছিলেন সবাইকে। সে ড্রেসের অভিনবত্বে তো বটেই। এমনকি দাম শুনেও চমকে গিয়েছিলেন অনেকেই। ২ লক্ষ টাকা দাম ছিল কঙ্গনার সেই ড্রেসের।

কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেটের দিকে নজর থাকে গোটা দুনিয়ার। আর ২০১৭ সালে সেই রেড কার্পেট মাত করে দিয়েছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। সে দিন মার্চেসার একটি গাউন পরেছিলেন অভিনেত্রী। সেই গাউন এতটাই লম্বা যে মাঝে মধ্যে ঠিকঠাক করে দিতে হচ্ছিল ফটোগ্রাফারদেরই। ডার্ক ওয়াইন রঙের সে গাউনের দাম ৫ লক্ষ ১৭ হাজার টাকা।

বহু দিন আগেই পোশাক-আশাকের দামে ভক্তদের চমকে দিচ্ছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই। সম্প্রতি মুকেশ আম্বানীর বাড়ির পার্টিতে সোনালি রঙের একটি গাউন পরেছিলেন অভিনেত্রী। আর সে গাউনের দাম ৩ লক্ষ ৭ হাজার টাকা। তবে আম্বানীর ক্যাজুয়াল পার্টিতে ঐশ্বরিয়ার এমন দামি পোশাক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল হইচই শুরু হয়েছিল।

সোহা আলি খানের বই লঞ্চে অত্যধিক দামি পোশাক পরেছিলেন কারিনা কাপুর। সে পোশাক আবার ডিজাইন করেছিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার বিভু মহাপাত্র। লং স্লিভ সিল্ক শিফন সেই ড্রেসটির দাম ৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা।

আলিয়ার প্রিয় ড্রেস ডিজাইনার জুহেইর মুরাদ। টিনসেল টাউনের পার্টি হোক বা কোনও ফ্যামিলি ফাংশান, আলিয়া কিন্তু জুহেইরের পোশাক পরতেই বেশি পছন্দ করেন। বি টাউনেরই একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের জন্য আলিয়া যে গাউনটি পরেছিলেন তার দাম ২৩ লক্ষ টাকা।
উর্বশী,সবে বলিউডে তার আগমন হয়েছে। আর এখন থেকেই পোশাকে চমকাতে শুরু করেছেন উর্বশী রাউতেলা। পরিবারেরই একটি বিয়ের জন্য প্রায় ৮৩ লক্ষ টাকা দামের একটি শাড়ি পরেছিলেন অভিনেত্রী।

উপমহাদেশের ইতিহাস শ্রেষ্ঠ দানবীর হাজী মুহাম্মদ মহসিন

উপমহাদেশের ইতিহাস শ্রেষ্ঠ দানবীর- হাজী মুহাম্মদ মহসিন, যিনি দানশীলতার জন্য দানবীর খেতাব পেয়েছিলেন। দানশীলতার কারণে হাজী মহসিন কিংবদন্তীতে পরিণত হয়েছেন উপমহাদেশের ইতিহাসের এ বিখ্যাত দানবীর মুহাম্মদ মহসিন ১৭৩২ সালের ৩ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলিতে জন্মগ্রহণ করেন। দানের ক্ষেত্রে তুলনা অর্থে মানুষ সর্বদা তাঁর দৃষ্টান্ত ব্যবহার করে থাকে। এই সর্বশ্রেষ্ঠ দানবীর পুরো বাঙালি জাতি হিন্দু, মুসলিম সকলের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র।

অঢেল সম্পত্তির মালিক ছিলেন হাজী মহসিন। এসব সম্পদ তিনি দুহাতে অকাতরে বিলিয়ে গেছেন। মহসিনের পূর্ব পুরুষরা অত্যন্ত ধনী ছিলেন। ইরান থেকে বাংলায় আসা তার বাবা হাজী ফয়জুল্লাহ ছিলেন একজন ধনী জায়গিরদার। মাতা জয়নব খানমেরও হুগলি, যশোর, মুর্শিদাবাদ ও নদীয়ায় বিস্তর জমি ছিল। তাঁর বোন মন্নুজানের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারী হিসেবে মহসিন বোনের সম্পত্তির মালিক হন। এতো সম্পদের মালিক হয়েও মহসিন ছিলেন খুব ধার্মিক ও নিরহঙ্কারী।

তিনি সর্বদা সহজ সরল জীবনযাপন করতেন। তিনি ছিলেন চিরকুমার। তিনি তার প্রতিষ্ঠিত ইমাম বাড়া প্রাসাদে বাস করতেন না। ইমাম বাড়ির পাশে একটি ছোট কুটিরে বাস করতেন।
আর কুরআন শরীফ নকল করে যা পেতেন তা দিয়েই চলতেন। নিজ হাতে রান্না করে অধিনস্তদের নিয়ে বসে খেতেন। প্রাথমিক পর্যায়ে হাজী মহসিন গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্জন করেছেন। পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষার জন্য রাজধানী মুর্শিদাবাদ যান। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি দেশ ভ্রমণে বের হন। তিনি মক্কা, মদিনা, কুফা, কারবালাসহ ইরান, ইরাক, আরব, তুরস্ক এমন নানা স্থান সফর করে দীর্ঘ ২৭ বছর পর তিনি দেশে ফিরে আসেন।

শিক্ষানুরাগী এ দানবীর তাঁর অর্থ দিয়ে বহু বিদ্যাপিঠ স্থাপন করে গেছেন। হুগলিতে ‘হুগলি মহসিন কলেজ’ ও ‘চট্টগ্রামের সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ’ প্রতিষ্ঠার সময় মহসিনের ওয়াকফকৃত অর্থ ব্যবহৃত হয়।

তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠে ‘দৌলতপুর মুহসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’। ১৭৬৯-৭০ সালের সরকারি দলিল অনুযায়ী তৎকালীন দুর্ভিক্ষের সময় তিনি অনেক লঙ্গরখানা স্থাপন করেন এবং সরকারি তহবিলে অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। ১৮০৬ সালে তিনি ‘মহসিন ফান্ড নামক তহবিল প্রতিষ্ঠা করেন। এ তহবিল ধর্মীয় কর্মকাণ্ড, পেনশন, বৃত্তি ও দাতব্য কর্মকাণ্ডের জন্য বরাদ্দ করা হয়। ৮১২ সালে এ ধার্মিক দানবীর হুগলিতে ইন্তেকাল করেন। তাঁকে হুগলির ইমামবাড়ায় দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য,ইতিহাসে দাতা হাজী মুহাম্মদ মহসিনের নাম চিরস্মরণীয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হলের নাম তাঁর স্মরণে রাখা হয়েছে। ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর ঘাটির নাম বিএনএস হাজী মহসিন। এছাড়াও মহসিন ফান্ডের অর্থে অসংখ্য দরিদ্র ছাত্রদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হয় ভারত ও বাংলাদেশে।

কুমিল্লায় একই পরিবারের পাঁচ জনের হিন্দু থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

২০১৩ সালে গাজীপুর আব্দুস সালাম মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেকের হাত ধরে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের হাটিরপাড় গ্রামের প্রদ্বীপ কুমার সাহা সহ একই পরিবারের পাঁচ সদস্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার সাড়ে চার বছর পর আসলেন নিজ জন্ম ভূমি হাটিরপাড় গ্রামে।

এতদিন গ্রামে আসতে নিষেধ করে তাদের সমাজ এবং সনাতন ধর্মের পরিবাররা। নিষেধের খবর পাওয়ার পর হাটিরপাড় মুসলিম সমাজ ঐ পরিবারকে এলাকায় আসার আহবান জানান। স্থানীয় মুসলিমদের সহোযোগীতা পেয়ে দীর্ঘদিন পর তারা নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। তাদের আগমন উপলক্ষ্যে স্থানীয় মুসলিম ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মসজিদের খতিব মাওলানা মোতাহের হোসেন তাদের উৎসাহ উদ্দিপনার সাথে বরণের ব্যবস্থা করে।

বর্তমানে প্রদ্বীপ কুমার সাহার মুসলিম হওয়ার পর নতুন নাম রাখা হয় ‘নূর মোহাম্মদ’। তার সাথে ছিলেন তার দুই ছেলে, স্ত্রী ও শাশুড়ি। বড় ছেলে ধর্ম ত্যাগ করার পূর্বের নাম ছিল ইমন সাহা, মুসলমান হওয়ার পর তার নাম রাখা হয় ‘মোহাম্মদ ইসমাইল হাসান’। ছোট ছেলের নাম ছিল সৈকত সাহা, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তার নাম রাখা হয় ‘শাহাদাৎ হোসেন’। তার স্ত্রী সরস্বতীর নাম এখন খাদিজাতুল কোবরা। এবং নূর মোহাম্মদের শাশুড়ির নাম ছিল সুমি রানী। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তার নাম রাখা হয় ‘ফাতেমাতুজ জোহরা’।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর নিজ জন্মভূমিতে ফিরে এক প্রতিক্রিয়ায় নূর মোহাম্মদ বলেন, তিনি স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে ইসলাম ধর্মের কুরআন এবং হাদিসের বাণী এবং বিভিন্ন আলেম ওলামাদের বয়ান শুনার পর মনে হয় ইসলাম ধর্ম তার নাজাতের জন্য যথেষ্ট এবং আখেরী নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) সর্ব শেষ নবী এবং সঠিক ধর্ম হিসেবে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

তার পরিবারের সদস্যরা বলেন আমাদের হিন্দু ধর্ম ত্যাগের কথা শুনে আমাদের পূর্বের ধর্মাবলম্বী স্বজনরা গত বৃহস্পতিবার দলবল নিয়ে এসে তাঁরা অত্যাচার শুরু করেন। পরে স্থানীয় মসজিদের খতিব সহ এলাকার লোকজন এগিয়ে আসেন এবং এলাকাবাসী আমাদের পাশে দাড়ান।

জিপিএ-৫ নয়, আমার সোনার মানুষ লাগবে

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, জিপিএ-৫ পাওয়া জরুরি কিন্তু একমাত্র নয়। ভালো মানুষ, সুনাগরিক হওয়া জরুরি। সোনার মানুষ লাগবে, শুধু জিপিএ-৫ পেলে হবে না।

মঙ্গলবার এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে ৪৮তম শীতকালীন জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার আগে পরীক্ষার্থীরা ভালোভাবে পড়াশোনা করবে, ঠিকভাবে পরীক্ষা দেবে এবং ভালো ফল করবে। অনৈতিকতার পথে হেঁটে কখনও ভালো ফল পাওয়া যায় না।

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে। সেই পরীক্ষায় সবাই যেন ভালোভাবে উত্তীর্ণ হতে পারে সে কামনা করছি, বলেন তিনি।

অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অপকর্মকারীরা অপকর্মের জন্য চেষ্টা করবে। কিন্তু আপনারা যদি সেই প্রশ্নপত্র পাওয়ার আগ্রহ না দেখান, তবে তারা লাভবান হবে না। আমরা সবাই মিলে এ প্রক্রিয়াটি সুন্দর, সফল ও ত্রুটিমুক্ত করতে চাই।

মন্ত্রী বলেন, ক্লাসে প্রথম, জিপিএ-৫ পাওয়া জরুরি কিন্তু একমাত্র নয়। ভালো মানুষ, সুনাগরিক হওয়া জরুরি। সোনার মানুষ লাগবে। এর জন্য শুধু জিপিএ-৫ পেলে হবে না, সুস্থ মানুষ চাই, ইতিহাস-সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও বঙ্গবন্ধুর জীবন জানা চাই।

পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদমুক্ত সমাজ গড়তে হবে। এ ক্ষেত্রে খেলাধুলার বিকল্প নেই। আমাদের মেয়েরা বিশ্ব মাত করছে। ছেলেরাও পারবে, বলেন তিনি।