গোপনাঙ্গে অতিরিক্ত সেভ করা ভালো

সম্প্রতি এক গবেষণায় বিষয়টি উঠে এসেছে। গবেষকরা জানিয়েছেন যারা গোপনাঙ্গে ঘন ঘন সেভ করেন তাদের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

তবে, ঘন ঘন সেভ করা ক্ষতিকর হলেও একেবারে যে সেভ করা যাবে না তা নয়। গবেষকরা বলছেন প্রতি বছর ১১ বার করে সেভ করা যেতে পারে গোপনাঙ্গের চুল। আর এর বেশি হলেই ক্ষতি হতে পারে।ঘন ঘন সেভ করলে কী ক্ষতি হতে পারে? এ প্রসঙ্গে গবেষকরা বলছেন এসটিআই বা সেক্সুয়াল ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেড়ে যেতে পারে।

সম্প্রতি গবেষকরা এ বিষয়ে তাদের অনুসন্ধানের তথ্য সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন জার্নাল এ বিষয়ে তাদের গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছেন।গবেষকরা জানিয়েছেন, যারা ঘন ঘন যৌনাঙ্গের ও আশপাশের অংশের চুল সেভ করেন তাদের এসটিআই হওয়ার আশঙ্কা ৮০ শতাংশ বেশি।

এ গবেষণাতে ৭,৫৮০ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিকের ওপর অনুসন্ধান পরিচালিত হয়। এতে দেখা যায়, যারা ঘন ঘন যৌনাঙ্গের ও আশপাশের অংশের চুল সেভ করেন তাদের মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি। এক্ষেত্রে যারা যত বেশি সেভ করেন তাদের এ ধরনের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তত বেশি।

সম্প্রতি যৌনাঙ্গের আশপাশের চুল সেভ করার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে তিনটি কারণে- খেলাধুলা, পর্নের প্রভাব ও যৌনতা। আর বর্তমানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুস্থতার ক্ষেত্রে অনেকেই সেভ করাকে বেশ ভালো মনে করছেন। যদিও বিষয়টি বাস্তবে তেমন নয়। প্রতি বছর ১১ বারের কম সেভ করলেই যথেষ্ট বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

খেজুরের ১৫টি ঔষধি গুণ, যা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন আপনি

খেজুরের ১৫টি ঔষধি গুণ- মরুঅঞ্চলের ফল খেজুর। পুষ্টিমানে যেমন এটি সমৃদ্ধ, তেমনি এর রয়েছে অসাধারণ কিছু ঔষধিগুণ। চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয়েছে, সারা বছর খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া, এই ফলটিতে রয়েছে প্রাণঘাতী রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা। তাই বলা হয়, দিনে ৫টি করে খেজুর খাওয়ার অভ্যাস রাখা উচিত। তাহলে হাজারো ধরনের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই খেজুরের কিছু ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে।

১. রুচি বাড়াতে খেজুরের কোন তুলনা হয় না। অনেক শিশুরা তেমন একটা খেতে চায় না, তাদেরকে নিয়মিত খেজুর খেতে দিলে রুচি ফিরে আসবে। ২. তুলনামূলকভাবে শক্ত খেজুরকে জলে ভিজিয়ে (সারা রাত) সেই জল খালি পেটে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। তাজা খেজুর নরম এবং মাংসল যা সহজেই হজম হয়। ৩. হৃদপিণ্ডের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন খেজুর খাওয়া অত্যন্ত জরুরী। গবেষণায় দেখা যায়, পুরোরাত খেজুর জলে ভিজিয়ে সকালে পিষে খাওয়ার অভ্যাস হার্টের রোগীর সুস্থতায় কাজ করে।

৪. ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই ফল দৃষ্টিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল বিদ্যমান থাকায় অনেক রোগ নিরাময় করা সম্ভব। সাথে সাথে আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে সহায়তা করে। ৫. খুব দুর্বল লাগছে অথবা দেহে এনার্জির অভাব হচ্ছে? তাহলে ঝটপট খেয়ে নিন খেজুর। তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি সরবরাহের ক্ষেত্রে খেজুরের তুলনা নেই। ৬. খেজুর বিভিন্ন ক্যান্সার থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে অনেক ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন খেজুর লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

৭. খেজুরের মধ্যে রয়েছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার ও বিভিন্ন ধরণের অ্যামিনো অ্যাসিড যা সহজে খাবার হজমে সহায়তা করে। এতে করে খাবার হজম সংক্রান্ত সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। ৮. খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়। ফলে ওজন বেশি বাড়ে না, সঠিক ওজনে দেহকে সুন্দর রাখা যায়। ৯. মুখের অর্ধাঙ্গ রোগ, পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য উপকারী। খেজুর বিচিত্র রোগ নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

১০. গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস আমাদের দেহের ইন্টেস্টাইনের ভেতর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো প্যাথলজিক্যাল অর্গানিজমের উৎপাদন বৃদ্ধি করে যা ইন্টেস্টাইনের নানা সমস্যা দূর করে। ১১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য খেজুর খুবই উপকারী। ১২. খেজুরের চূর্ণ মাজন হিসেবে ব্যবহার করলে দাঁত পরিষ্কার হয়।

১৩. পেটের ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্যানসারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে খেজুর। এছাড়াও মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধেও এই ফল বেশ কার্যকরী। গবেষণায় দেখা যায়, অ্যাবডোমিনাল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করার ক্ষমতা রয়েছে খেজুরের। ১৪. খেজুর দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে বিশেষভাবে সহায়ক। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস রাতকানা রোগ ভালো করতেও সাহায্য করে থাকে।

১৫. খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস দেহের আয়রনের অভাব পূরণ করে এবং রক্তস্বল্পতা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। যাদের এই রক্তস্বল্পতার সমস্যা রয়েছে তাদের প্রতিদিন খেজুর খাওর অভ্যাস করা উচিত। কারণ, রক্তস্বল্পতা ও শরীরের ক্ষয়রোধ করতে খেজুরের রয়েছে বিশেষ গুণ।

৮ স্বাস্থ্য-সংকেত উপেক্ষা করলে পুরুষের সর্বনাশ! সময় থাকতেই জেনে নিন সংকেতগুলো

৮ স্বাস্থ্য-সংকেত উপেক্ষা করলে পুরুষের সর্বনাশ! সময় থাকতেই জেনে নিন সংকেতগুলো- পুরুষরা অনেক সময়েই বাইরের জগতের কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। নিজের শরীরের দিকে সেই কারণে আর তেমন নজর দেওয়ার সময় পান না। সেই অবকাশে শরীরে বেড়ে উঠতে থাকে কোনো এক গুরুতর ব্যাধি। এমন অমনোযোগী পুরুষদের সচেতন করতেই সম্প্রতি ‘মেল হেলথ’ নামের স্বাস্থ্য-পত্রিকা জানিয়েছে এমন কিছু শারীরিক লক্ষণের কথা, যেগুলি কোনো কঠিন অসুখের পূর্বাভাস হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কোন কোন লক্ষণ সেগুলি? আসুন, জেনে নেওয়া যাক-!

অণ্ডকোষে দলা অনুভব করা: পুরুষদের নিয়মিত নিজের অণ্ডকোষ হাত দিয়ে ধরে পরীক্ষা করা প্রয়োজন, এবং দেখা দরকার সেখানে কোনো পিণ্ড বা দলা অর্থাৎ লাম্পের অনুভূতি পাওয়া যাচ্ছে কি না। যদি তা যায়, তা হলে অবিলম্বে ডাক্তারের দ্বারস্থ হওয়া দরকার। কেননা এই লক্ষণ টেস্টিক্যুলার ক্যানসার অর্থাৎ অণ্ডকোষের ক্যানসারের পূর্বাভাস হতে পারে। অতিরিক্ত ক্লান্তিভাব!

কবিরাজ: তপন দেব । নারী-পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

পরিশ্রম কিংবা যথেষ্ট পুষ্টিকর খাবার না খাওয়া ক্লান্তিবোধ হওয়ার একটি কারণ হতে পারে। কিন্তু যদি আপাতদৃষ্টিতে সব কিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও ক্লান্তি বোধ হয়, তা হলে তা হতে পারে ডায়বেটিজ, লাং ক্যানসার কিংবা হার্টের রোগের লক্ষণ। প্রস্রাবের সময়ে বেদনা অনুভব করা কিংবা রক্তপাত হওয়া মূত্র ত্যাগের সময়ে যদি মূত্রনালীতে বেদনা অনুভব হয়।

জোরে জোরে নাক ডাকা: ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেন না প্রায় কোনো পুরুষই। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে জোরে জোরে নাক ডাকা কিন্তু শ্বাসযন্ত্রের কোনো অ্যালার্জি কিংবা স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো রোগের ইঙ্গিত হতে পারে। কিছু দূর হাঁটলেই হাঁপিয়ে পড়া সামান্য হাঁটলেই কি আপনার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়? তা হলে সতর্ক হোন, কেননা, এটি হতে পারে অ্যানিমিয়া, অ্যাজমা কিংবা হার্টের কোনো রোগের উপসর্গ।

বুকে কোনো পিণ্ড অনুভব করা: বুকে হাত দিয়ে চামড়ার ভিতরে যদি কোনো পিণ্ড বা দলা জাতীয় জিনিস টের পান, তা হলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যান। কারণ এটি ব্রেস্ট ক্যানসারের লক্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যারা জানেন না, তারা জেনে রাখুন যে, ব্রেস্ট ক্যানসার শুধু নারীদের নয়, পুরুষদেরও হয়। বার বার টয়লেটে যাওয়া!

প্রস্রাব করার জন্য যদি কিছু ক্ষণ বাদে বাদেই টয়লেট ছুটতে হয় আপনাকে, এবং প্রস্রাব শুরু হতে যদি অনেকটা সময় লাগে, তা হলে তা প্রস্টেটের রোগের লক্ষণ। এমনটা হলে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। অকালে চুল ঝরে যাওয়া!

টাক পড়ে যাওয়ার বিষয়টিকে কোনো পুরুষই তেমন একটা গুরুত্ব দেন না। এটি ঠিকই যে, একটা নির্দিষ্ট বয়সের পরে মাথার চুল ঝরে যেতেই পারে। কিন্তু সেই বয়সের আগেই যদি মাথার চুল ঝরে যেতে শুরু করে, তা হলে তা থাইরয়েডের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। দীর্ঘ দিন ধরে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগলে ডাক্তারের দ্বারস্থ হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। ব্যথার অনুভূতি হয়, কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে যদি রক্ত বেরোয়, তা হলে তা প্রস্টেট ক্যানসারের লক্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

কবিরাজ: তপন দেব । নারী-পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

আফগানিস্তানের লিথিয়ামের ভান্ডার লুট করছে যুক্তরাষ্ট্র

আফগানিস্তানের বিশাল খনিজ সম্পদ বিশেষ করে লিথিয়াম লুট করে নেওয়ার জন্যেই ২০০১ সালে দেশটিতে সামরিক আগ্রাসন চালিয়েছে আমেরিকা। এছাড়া, আফগানিস্তানে দখলদারিত্ব কায়েমের পর থেকে মার্কিন সেনারা আফিম চাষাবাদকে সুরক্ষা দিয়ে এসেছে। মার্কিন খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, ভেটারান্স ট্রুথ ম্যাগাজিনের সাংবাদিক ও নাইন/ইলেভেন বিষয়ক গবেষক জেমস হেনরি ফিটজার সম্প্রতি এমনটাই দাবি করেছেন।

তিনি সুস্পষ্ট করে বলেন, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার বিশ্ব বাণিজ্যকেন্দ্র ও পেন্টাগনে জঙ্গি হামলার সঙ্গে আফগানিস্তানের কোনও সম্পর্ক ছিল না। ইরানের প্রেস টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও বলেন, ৯/১১’র হামলায় আফগানিস্তান জড়িত ছিল এটা হাস্যকর এবং অবিশ্বাস্য।

গত বৃহস্পতিবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল জোসেফ ড্যানফোর্ড ওয়াশিংটন পোস্ট আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, আমেরিকা ও ন্যাটোর স্বার্থে এবং ৯/১১’র মতো আরেকটি হামলা ঠেকাতে হলে আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা উপস্থিতি অব্যাহত রাখতে হবে। তার এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে প্রফেসর হেনরি ফিটজারের সাক্ষাৎকার নেয় প্রেস টিভি।

তিনি বলেন, ২০০১ সালের জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করেছে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ, প্রতিরক্ষা বিভাগ ও মোসাদ। মার্কিন সরকার ওই হামলার বিষয়ে যে প্রচার চালিয়েছে তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনও মিল নেই বলেই দাবি তাঁর।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে জিরা পানি

সম্প্রতি বেড়েছে ডায়াবেটিস নামক রোগটি। ডায়াবেটিসের কথা এখন কমবেশি সবার মুখে শোনা যায়। ডায়াবেটিস (বহুমূত্র রোগ) একটি হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। রক্তে চিনি বা শকর্রার উপস্থিতিজনিত অসামঞ্জস্য দেখা দিলে অর্থাৎ শরীরে ইনসুলিনের ঘাটতিই হল এ রোগের মূল কথা।

তবে ডায়াবেটিস পুরোপুরি নিরাময় অযোগ্য হলেও একে নিয়ন্ত্রণে রাখার নানা উপায় বাতলে দেন চিকিৎসকরা।চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে নিয়মিত শরীরচর্চা বা ওষুধ গ্রহণ করেই থাকেন অনেকে। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় সামান্য ত্রুটি-বিচ্যুতিতেও ডায়াবেটিস ও ওজন বেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনার অহররহ ঘটছে।

পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, ওষুধের পাশাপাশি কিছু পথ্যও যদি রাখতে পারেন নিত্য খাদ্যতালিকায়, তা হলে অসুখকে নিয়ন্ত্রণে তো রাখা যায়ই, সঙ্গে শরীরে এই সব অসুখের হানাও রুখে দেওয়া যায় সহজে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ডায়াবেটিস ও মেদ কমাতে জিরার জুড়ি নেই। জিরায় থাকা অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা মেদ ঝরাতে কাজে করে এবং রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়া পরিপাকতন্ত্রকে পরিষ্কার রাখা, বমি ভাব দূরে রাখা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে জিরা।

বিশেষ করে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের ক্ষেত্রে জিরা ভিজানো পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।চিকিৎসকদের মতে, রক্তের ক্ষতিকারক শর্করা ট্রাইগ্লিসারাইড ও কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে ফেলতে সক্ষম জিরা। জিরা ভেজানো পানি যদি কেউ খালি পেটে খেতে পারেন, তবে মেদ কমার সঙ্গে ডায়াবেটিসও কমে।

যেভাবে খাবেন জিরা:: রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে একটি পাত্রে বা গ্লাসে পানি নিয়ে তাতে কয়েকটি জিরার দানা ফেলে চাপা দিয়ে রেখে দিন। পরের দিন সকালে সেই পানি ছেঁকে তা ফুটিয়ে খান। খালি পেটে প্রতি দিন এই পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

সারা দিন ধরে আধ ঘন্টা অন্তর অন্তর দু চুমুক করে গরম জল পান করুন তারপর দেখুন কী হয়

জল খেলে প্রাণ থাকবে…একথা তো সবারই জানা। কিন্তু একটু ছেঁকে দেখলে জানতে পারবেন, জলের প্রকৃতি বদলে যাওয়ার সঙ্গেও কিন্তু আমাদের শরীরের ভাল-মন্দের একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই তো ঠান্ডা নয়, বরং গরম জলের সঙ্গে বন্দুত্ব পাতানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

কিন্তু বাস্তবের নিরিখে সারাদিন ধরে গরম জল পান করা সত্যিই সম্ভব নয়। কারণ অর্ধেক ভারতে তো আট মাস গরম থাকে, তার উপর ঘাম। এমন পরিস্থিতিতে গরম জল তো বিষের সমান, কি তাই না! ঠিক। কিন্তু এটাও তো ঠিক যে আমাদের চারিপাশের পরিবেশে যে হারে বিষাক্ত উপাদানের পরিমাণ বাড়ছে।

তাতে সেই বিষকে মারতে গরম জল নামক বিষ খাওয়া ছাড়া যে আরও কোনও উপায় নেই, তা তো বলাই বাহুল্য! আসলে কেন এমন কথা বলছি জানেন? কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে সারা দিন ধরে বারে বারে অল্প অল্প করে গরম জল খেলে শরীরের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে রোগ নামক সব ভিলেনরা একে একে কুপকাত হয়ে যায়। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক শারীরিক উপকার। যেমন ধরুন…

১. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে খাবার খাওয়ার পর ঠান্ডা জল খেলে পাকস্থলীর ভিতরের দেওয়ালে ফ্যাটের পরিমাণ বাড়তে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে পাকস্থলীর কর্মক্ষমতা কমে যায়। সেই সঙ্গে ইন্টেস্টিনাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

তাই তো খাবার পর পর ঠান্ডা জলের পরিবর্তে হালকা গরম জল খাওয়া পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আসলে ঠান্ডা জলের কারণে সাধারণত যে যে সমস্যাগুলি হয়ে থাকে সেগুলি গরম জল খেলে একেবারেই হয় না। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতারও উন্নতি ঘটে। ফলে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার কোনও সুযোগই পায় না।

২. পিরিয়ডের সময়কার কষ্ট দূর হয়: বেশ কিছু স্টাডির পর একথা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে যে পিরিয়ডের সময়কার মেনস্ট্রয়াল ক্র্যাম্পের প্রকোপ কমাতে গরম জলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই সময় গরম জল পান করা শুরু করলে অ্যাবডোমিনাল মাসলের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে কষ্ট কমতে সময় লাগে না।

৩. খুশকির মতো ত্বকের রোগ দূরে পালায়: একেবারে ঠিক শুনেছেন বন্ধু! বাস্তবিকই খুশকির প্রকোপ কমাতে গরম জলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চসে। আসলে সারা দিন ধরে গরম জল পান করলে নানা কারণে স্কাল্পের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসে। ফলে এমন ধরেনর ত্বকের রোগের থেকে নিস্তার পেতে সময় লাগে না।

৪. যে কোনও ধরনের ব্যথা কমে যায়: আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞদের মতে নিয়মিত এক গ্লাস গরম জলে, পরিমাণ মতো আজোয়ান ফেলে পান করা শুরু করলে যে কোনও ধরনের ব্যথা কমে যেতে সময় লাগে না, বিশেষত মাথা যন্ত্রণা এবং বডি পেন কমাতে এই পানীয়টির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আর যদি হাতের কাছে আজোয়ান নাও বা থাকে কোনও ক্ষতি নেই। শুধু গরম জল পান করলেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়!

৫. ত্বক অপূর্ব সুন্দর হয়ে ওঠে: সারা দিন ধরে অল্প অল্প করে গরম জল খেতে থাকলে একদিকে যেমন দেহের অন্দরে জলের ঘাটতি দূর হয়, তেমনি শরীরের ভিতরে নানা পরিবর্তন হতে শুরু করে, যার প্রভাবে ড্রাই স্কিনের সমস্যা তো দূর হয়ই, সেই সঙ্গে ত্বকের অন্দরে রক্ত প্রবাহের মাত্রা বাড়তে শুরু করায় স্কিন টোনের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে চোখে পরার মতো। ফলে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, ফর্সা ত্বকের অধিকারী হয়ে ওঠার স্বপ্নও পূরণ হয়।

৬. শরীরের বয়স কমে: গরম জল স্কিন সেলের ক্ষত সারিয়ে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। সেই সঙ্গে ত্বক টান টান হয়ে ওঠে এবং বলিরেখাও হ্রাস পায়। ফলে বয়সের কোনও ছাপই ত্বকের উপর পরতে পারে না। প্রসঙ্গত, শরীরে টক্সিনের মাত্রা যত কমে, তত শরীর এবং ত্বকের বয়সও হ্রাস পায়। আর গরম জল যে এ কাজটা ভাল ভাবেই করে তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না!

৭. চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে গরম জল খাওয়া শুরু করলে প্রতিটি হেয়ার সেলের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে হেয়ার ফলের মাত্রা তো কমেই, সেই সঙ্গে চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো।

৮. শরীর বিষ মুক্ত হয়: যখন আমাদের রক্তে ক্ষতিকর টক্সিনের মাত্রা বাড়তে থাকে তখন কিডনিকে ওভার টাইম করে শরীর থেকে সেই টক্সিক উপাদনদের বার করে দিতে হয়। না হলেও হাজারো রোগ হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রেও গরম জল নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। গরম জল খাওয়া মাত্র শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে ঘাম হতে শুরু হয়। আর ঘামের মাধ্য়মে টক্সিনগুলি বেরিয়ে যেতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, গরম জলে যদি অল্প করে লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারেন তাহলে এক্ষেত্রে আরও উপকার পাওয়া যায়।

৯. ব্রণর মতো ত্বকের রোগের প্রকোপ কমে: শরীরের অন্দরে ময়লা যত কম জমবে, তত ব্রণর বাড়বাড়ন্তও হ্রাস পাবে।। আর গরম জল যে টক্সিনের বিরোধী, তা নিশ্চয় আর জানতে বাকি নেই! তাই ব্রণর প্রকোপ কমাতে সকাল বিকাল গরম জল পান শুরু করুন। দেখবেন অল্প দিনেই ব্রণ এবং পিম্পলের মতো ত্বকের রোগ একেবারে সেরে যাবে।

১০. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে: অতিরিক্ত ওজনের কারণে চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে আজ থেকেই গরম জল খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ফল পাবেন একেবারে হাতে নাতে। আসলে গরম জল খেলে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। ফলে শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার সুযোগই থাকে না। শুধু তাই নয়, গরম জল অ্যাডিপোস টিস্যু বা ফ্যাটেদের ভেঙে ফেলেও ওজন হ্রাসে সাহায্য করে।

১১. ঠান্ডা লাগা এবং গলা ব্যথার মতো রোগের প্রকোপ কমে যায়: এই ধরনের শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় গরম জলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। গরম জল এক্ষেত্রে রেসপিরেটারি ট্রাক্টকে পরিষ্কার করে ঠান্ডা লাগা এবং গলার অস্বস্তি কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে বন্ধ নাকও পুনরায় সচল হয়ে যায়।

হিরো আলমের নির্বাচনী প্রচারণায় জনতার ঢল

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া ৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় ও পথসভা করেছেন স্বতস্ত্র প্রার্থী হিরো আলম। গত বুধবার রাতে কাহালু বটতলা এলাকায় মতবিনিময় ও পথসভা করেন তিনি। মুহূর্তেই শতশত জনতার উপস্থিতিতে ওই এলাকা মিলনমেলায় পরিণত হয়।

পথসভায় জনতার উদ্দেশে হিরো আলম বলেন, অনেক লড়াই করে আমি প্রার্থী হয়ে আপনাদের মাঝে আসতে পেরেছি। আমি আপনাদের ভালোবাসায় আজ হিরো। আপনাদের দোয়া আছে বলেই বারবার হোঁচট খেয়েও নির্বাচনের মাঠে এসেছি। হিরোকে ষড়যন্ত্র করে জিরো করতে চেয়েছিল, কিন্তু হিরোকে জিরো করা এত সহজ নয়। আমি হিরো হিরোই থেকে গেছি। আমি প্রত্যেক অসহায়-অবহেলিত গরিব পরিবারের সন্তানের স্বীকৃতি চাই। আগামী ৩০ ডিসেম্বর সম্মানিত ভোটারবৃন্দ আমাকে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটিয়ে নির্বাচিত করে অবহেলিত জনতার সেবা করার সুযোগ দেবেন বলে আমি প্রত্যাশা করছি।

পথসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এইচ এম নজরুল ইসলাম, কর্মী রাসেল মাহামুদ, সুমন আহমেদ, এ এইচ সেলিম প্রমুখ।

এদিকে উচ্চ আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় আলোচিত হিরো আলম বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাঁর প্রতীক বরাদ্দ পাননি। তবে রিটার্নিং অফিসার ফোনে তাঁর পছন্দের প্রতীক সিংহ নিয়ে প্রচারণা শুরুর মৌখিক অনুমতি দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফয়েজ আহাম্মদ জানান, নির্বাচন কমিশন থেকে চিঠি আসেনি। চিঠি এলেই প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

বগুড়া ৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে হিরো আলমের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন মহাজোট মনোনীত এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন (নৌকা), বিএনপির মনোনীত মোশারফ হোসেন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী (হাতপাখা), তরিকত ফেডারেশনের কাজী এম এ কাশেম (ফুলের মালা), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আয়ুব আলী (আম) ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের জীবন রহমান (টেলিভিশন)।

মাত্র ৫ টাকায় কিভাবে ঘরে বসেকিডনি পরিষ্কার করা যায় জানেন আপনি

কিডনির মধ্যে জমে থাকা লবণ এবং বিষাক্ত পদার্থ প্রস্রাবের মাধ্যমে ঘরোয়া উপায়েই বের করে দেয়া সম্ভব। তাও আবার মাত্র পাঁচ টাকায়। চলুন স্বল্প খরচে অধিক উপকারী এই প্রক্রিয়া জেনে নেয়া যাক।

পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিন এক আঁটি ধনেপাতা। এরপর কুচি কুচি করে কেটে একটি পাত্রে রাখুন। পাত্রে কিছুটা পানি দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে ছেঁকে পরিষ্কার বোতলে রেখে দেন। ফ্রিজেও রেখে দেয়া যেতে পারে ওই বোতল। এরপর প্রতিদিন একগ্লাস করে ধনেপাতার জুস খেলেই হাতেনাতে মিলবে ফল।

একটু পড়বেন প্লিজ – রিক্সা চালাই।বিয়ে করেছিলাম এক বছর আগে আমার মতই এক গরীবের মেয়েকে….!

রিক্সা চালাই।বিয়ে করেছিলাম আজ থেকে এক বছর আগে।আমার মতই এক গরীবের মেয়েকে বউ করে এনেছিলাম আমি!অভাবের সংসারটা খুব সুন্দর করে সাজিয়ে নিয়েছিলো ও।বুঝতে পারি বউ আমায় খুব ভালবাসে। আমি যখন রিকশা নিয়ে বাড়ি ফিরি,ও আমার জন্য গোসলের পানি তুলে দেয়।মাঝেমাঝে আমিও অবশ্য তুলে দেই।

বাড়িতে কারেন্ট নাই,খেতে বসলে ও পাখা দিয়ে বাতাস করে। গরমের রাতে দুজনে অদল বদল করে পাখা দিয়ে বাতাস করি,ভবিষ্যৎটাকে সাজানোর গল্প করি দুজনে। গল্প করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে যেতাম বুঝতে পারতামনা। রিক্সায় বড় বড় সাহেবরা তাদের বউকে নিয়ে উঠত। দুজনে মিলে অনেক গল্প করত।

সাহেবদের কাছে শুনতাম তারা যেদিন বিয়ে করেছে সেদিন আসলে তারা নাকি অনুষ্ঠান,পার্টি না কি জানি করে।এই সব আমার জানা নেই। যখন শুনতাম আমারো ইচ্ছে করত বউকে একটা শাড়ী কিনে দিতে। বউকে যে খুব ভালবাসি আমি।কিন্তু পারিনা। অভাবের সংসার,দিন আনি দিন খাই।তাই একটা মাটির ব্যাংক কিনেছিলাম।

ওটাতে রোজ দু’চার টাকা করে ফেলতাম।দেখতে দেখতে অভাবের সংসারে আজ একটা বছর হয়ে গেল। আজ সকালে রিক্সা নিয়ে বের হবার আগে বউ যখন রান্না ঘরে গেল তখন বউকে না জানিয়ে লুকিয়ে রাখা মাটির ব্যাংকটা বের করে ভেঙ্গে দেখলাম সেখানে প্রায় ৪৮০ টাকা হয়েছে। বাসা থেকে বের হবার আগে বউকে বলেছিলাম,আজ বাড়িতে ফিরতে দেরী হবে!

বউ মাথা নাড়ে,বলে ভালো কইরা থাকবেন। চলে গেলাম রিকশা নিয়ে। সারাদিন রিক্সা চালিয়ে সন্ধ্যা সাতটায় মার্কেটে গিয়েছিলাম বউয়ের জন্যে একটা শাড়ী কেনার জন্য। আজ রাতে বউকে দিব। ঘুরে ঘুরে অনেক শাড়ীই দেখছিলাম,পছন্দ হয় কিন্তু দামের জন্য বলতে পারিনা। অবশেষে দোকানীকে বললাম, –ভাই এই কাপড়টার দাম কত? –১৫০০ টাকা। আমার কাছে তো আছে মাত্র ৪৮০ টাকা।

তাই ফিরে আসলাম।মার্কেট থেকে বের হয়ে বাহিরে বসে থাকা দোকানদারদের থেকে ৪৮০ টাকায় একটা শাড়ী কিনে নিয়ে বাড়িতে চলে আসি। মাঝেমধ্যে ভাবি,এই দোকানগুলো যদি না থাকত,তাহলে কত কষ্ট হত আমাদের মত গরিবদের! ফুরফুরে মেজাজে বাড়িতে ঢুকলাম। অনেকদিন পর বউকে কিছু একটা দিতে পারব,ভাবতেই বুকটা খুশিতে ভরে উঠছে বারবার।

রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে পরার ভান করে শুয়ে আছি। বারটা বাজার অপেক্ষায় চোখ বন্ধ করে আছি। কল্পনার জগতে ভাসছিলাম,বউকে দেবার পর বউ কি বলবে,কতটা খুশি হবে? রাত বারটা বেজে গেল…। বউকে ডেকে তুললাম। ডেকে তুলে বউয়ের হাতে শাড়ীটা তুলে দিয়ে বললাম,বউ অভাবের তাড়নায় তোমায় কিছু দিতে পারিনা, তাই আজ তোমার শাড়িটা এনেছি। তোমার কি পছন্দ হয়েছে?? বউ চোখের জল ফেলে, আমায় জড়িয়ে ধরে বলতে লাগলো আমার কিছুই চাই না, আমি শুধু আপনার ভালোবাসা চাই। সত্যি এটাই হলো প্রকৃত ভালোবাসা…..

শীতকালে ফর্সা ও উজ্জ্বল ত্বক পাবার সহজ উপায়

শীতকাল আসা মানেই যেন গায়ের রঙ কালো হয়ে যাওয়া, চেহারা হয়ে পড়া মলিন ও নিষ্প্রাণ। একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন, শীতের দিনে চেহারাটা ফর্সা ও উজ্জ্বল রাখা যেন দারুণ কঠিন একটা কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেনে নিন কিছু জরুরী টিপস। একটু নিয়ম করে মেনে চললেই এই শীতেও আপনার ত্বক থাকবে ফর্সা ও উজ্জ্বল।

১. শীতের দিনে চেহারা মলিন ও কালো দেখানোর প্রথম কারণ ভুল ক্রিম নির্বাচন। বিশেষ করে যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদেরকে যেন কালো আরও বেশি দেখায়। দেখেশুনে বুঝে নিজের জন্য এমন ক্রিম নির্বাচন করুন যেটা সহজে মুখের সাথে মিশে যায় ও চিটচিটে ভাব তৈরি করে না। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ক্রিম পরিবেশের ধুলোবালি মখে আটকে ফেলে, ফলে নষ্ট হয়ে যায় চেহারার সৌন্দর্য। ত্বকে ময়লা জমে আপনাকে দেখায় কালো।

২. শীতের মৌসুমে ত্বকে মরা কোষটাও বেশি জমে। তাই নিয়ম করে সপ্তাহে ২/৩ বার স্ক্রাবিং করুন। এক্ষেত্রে কফি ও চিনির মিশ্রণ সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। কফি ত্বক উজ্জ্বল করে। ৩. ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করার জন্য একদিন পর পর ব্যবহার করুন তাজা টমেটো। একটি টমেটোর পাল্প পুরোটা বের করে নিন, এর সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও সামান্য মুলতানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন মুখে-গলায়-হাতে। গোটা শীত জুড়েই ত্বক থাকবে ঝলমলে।

৪. রোদে বের হবার আগে অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করুন। শীতের ত্বক যতই মিষ্টি লাগুক অনুভব করতে, আসলে কিন্তু গ্রীষ্মের রোদের মতই ক্ষতিকর। একই সাথে খুব বেশি গরম পানি দিয়েও গোসল করবেন না। এতে আপনার ত্বকের সৌন্দর্য ও প্রাকৃতিক রঙ, দুটোই হারাবে।

৫. এই শীতে ত্বক নরম ও ফর্সা করতে আরেকটি চমৎকার উপাদান হতে পারে পাকা পেঁপে। পাকা পেঁপে চটকে নিয়ে তার সাথে মধু, সামান্য কাঁচা হলুদ ও কাঁচা দুধ মিশিয়ে মুখে-গলায় লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন এটা করতে পারেন, ত্বক হয়ে উঠবে ঝলমলে।

৬. গরম কালে ব্যবহার করা ফেসওয়াশটি শীতে বদলে ফেলুন। বেছে নিন আরও মাইলড ফেসওয়াশ। অতিরিক্ত ক্ষারযুক্ত ফেসওয়াশ ও সাবান আপনাকে করে তুলবে কালো।

৭. সে সাথে খাবেন প্রচুর পানি ও শাকসবজি। অবাক হচ্ছে? অবাক হবার কিছু নেই। শীতকালে আমরা পানি খাওয়ার পরিমাণ একেবারেই কমিয়ে দেই, ফলে ত্বক হারায় স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা। আর কেবল শীত বলে নয়, যে কোন মৌসুমেই সহজলভ্য শাকসবজি ও ফল আপনাকে সুস্থ ও সুন্দর রাখে।

৮. শীতে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। দিনে দুবার খাটি গোলাপ জল তুলায় লাগিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। ত্বক হয়ে উঠবে নরম ও ফর্সা। ৯. গোসলের আগে মুখ সহ পুরো শরীরে ভালো করে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করুন। তারপর ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন, ত্বককে সময় দিন তেল শুষে নেবার। তারপর গোসল সেরে ফেলুন। ত্বক একই সাথে থাকবে ঝলমলে, ফর্সা ও নরম।

বাংলাদেশিদের তালিকায় নেই কোনো বাংলা ছবি

শুনলে অবাকই হতে হচ্ছে যে ২০১৮ সালে বাংলাদেশিদের ইন্টারনেট অনুসন্ধান তালিকায় নেই কোনো বাংলাদেশি এমনকী কোনো বাংলা চলচ্চিত্র। গুগল ট্রেন্ডিং বাংলাদেশ থেকিএ খোঁজা ১০ টি চলচ্চিত্রের নাম তালিকা করেছে, যেখানে জায়গা করে নিয়েছে হলিউড ও বলিউডের ছবিগুলো।

এই তালিকায় এক নম্বরেই রয়েছে আমির খান অভিনীত বলিউডের চলচ্চিত্র থাগস অফ হিন্দুস্থান। ছবিটি নিয়ে বিপুল আগ্রহ তৈরি হয়েছিল এদেশের মানুষের মধ্যে। কেননা উপমহাদেশে সালমান, আমির ও শাহরুখ খানের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। তাছাড়া আমির খানের সাথে এই ছবিতে জুটি বাঁধেন ক্যাটরিনা। কিন্তু ছবিটি মুক্তি পাওয়ার মুখ থুবড়ে পড়ে। সেটা বিষয় না, বাংলাদেশের মানুষ এই ছবিটি সম্পর্কে জানতেই বেশি আগ্রহী ছিল বলে জানাচ্ছে গুগল।

গুগল ট্রেন্ডসের ওয়েবসাইটে সম্প্রতি ট্রেন্ডিং সার্চের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। দেশভিত্তিক ও বৈশ্বিকভাবে গুগল সার্চ ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে। গুগল বেশ কিছু ক্যাটাগরি বা বিভাগ হিসেবে সার্চ ট্রেন্ড প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশকে নিয়ে ‘সার্চেস’, ‘পিপল’ ও ‘মুভিজ’—এই তিনটি ট্রেন্ড প্রকাশ করেছে গুগল।

মুভিজ ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় ছবিটি হলো হলিউডের। অ্যাভেঞ্জার্স : ইনফিনিটি ওয়ার। বছরের শুরুর দিকে হলিউডের এই ছবিটি নিয়ে এদেশের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি হয়। কারণ সুপার ক্ষমতা সম্পন্ন হিরোদের নিয়ে এই ছবিটি নাকি শেষ ছবি হতে যাচ্ছিল।

তালিকার তিন, চার, পাঁচ, ছয় নম্বরে বলিউডের ছবি যথাক্রমে টাইগার জিন্দা হ্যায়, রেস থ্রি, বাঘি-২, সানজু। টাইগার জিন্দা হ্যায়, রেস থ্রি এই ছবি দুটো সালমান খানের ছবি। সালমানের ছবি মানেই উপমহাদেশে হিট। বাঘি- ২ বলিউডের নতুন সেনশেসন টাইগার শ্রফের ছবি। তাকে নিয়ে ইতোমধ্যে বলিউডে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আর সানজু নিয়ে বলার কিছুই নেই। সঞ্জয় দত্তের এই বায়োপিক নিয়ে ভারতে তুমুল কৌতুহল তৈরি হয়।

৭ ও ৮ নম্বরে রয়েছে হলিউডের ছবি ব্ল্যাক প্যান্থার ও দ্য নান। ব্ল্যাক প্যান্থার চলতি বছরের শুরুর দিকে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পায়। দ্য নান- ভৌতিক ছবি হিসেবে আলোচনায় ছিল এ বছর। ৯ ও দশ নম্বরে রয়েছে যথাক্রমে বলিউড ও হলিউডের হেইট স্টোরি-৪ ও ভেনম।

চলতি বছর বাংলাদেশের বেশ কিছু চলচ্চিত্র জনপ্রিয়তা পেলেও ইন্টারনেট অনুসন্ধানকারীদের আগ্রহের কারণ হয়নি সেসব।